কুরআন হাদিসের আলোকে দোয়া আমল ইস্তেগফার

  • Home
  • কুরআন হাদিসের আলোকে দোয়া আমল ইস্তেগফার

কুরআন হাদিসের আলোকে দোয়া আমল ইস্তেগফার Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from কুরআন হাদিসের আলোকে দোয়া আমল ইস্তেগফার, Religious Center, .

বৃহস্পতিবার, শুক্রবার (জুমাবার) ও শনিবার, এই তিন দিন আইয়ামে বীজের রোজা। যাদের সম্ভব হবে পালন করবেন। এতে শবে বরাতের রোজা...
12/02/2025

বৃহস্পতিবার, শুক্রবার (জুমাবার) ও শনিবার,
এই তিন দিন আইয়ামে বীজের রোজা। যাদের সম্ভব হবে পালন করবেন। এতে শবে বরাতের রোজা পালনও হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।

10/02/2025
যে সুন্নত নামাজের গুরুত্ব দিয়েছেন রাসূল সা.------------------------------------------------------------------------মুমিন...
11/10/2024

যে সুন্নত নামাজের গুরুত্ব দিয়েছেন রাসূল সা.
------------------------------------------------------------------------
মুমিন মুসলমান ফরজের আগে-পরে সুন্নত নামাজ আদায় করেন। নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দিন-রাতে বিভিন্ন সময় সুন্নত নামাজ পড়ার জন্য তাগিদ দিয়েছেন। তবে নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফজরের ফরজ নামাজের আগে সুন্নত নামাজ পড়ার ব্যাপারে বিশেষ তাগিদ দিয়েছেন। হাদিসের একাধিক বর্ণনায় তা ওঠে এসেছে।

ফজরের সুন্নত নামাজ

ফজরের সুন্নত নামাজ পড়ার ব্যাপারে হাদিসে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ঘোষণা করা হয়েছে বিশেষ ফজিলত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফজরের দুই রাকাত (সুন্নত) নামাজে এত বেশি গুরুত্ব দিতেন যে, অন্য কোনো নফল (সুন্নত) নামাজে তা দেননি।’ (বুখারি ও মুসলিম)

ফজরের এ সুন্নত নামাজ সম্পর্কে হাদিসে আরো যেসব বর্ণনা এসেছে, তাহলো-

১. হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘তোমরা এ দুই রাকাত (সুন্নত) কখনো ত্যাগ করো না, যদিও শত্রুবাহিনী তোমাদের তাড়া করে।’ (আবু দাউদ)

২. হজরত আবু উবায়দুল্লাহ বর্ণনা করেন, হজরত আবু দারদা রাদিয়াল্লাহু আনহু কখনো মসজিদে এসে দেখতেন, ফজরের জামাত চলছে। তিনি মসজিদের এক কোণায় (ফজরের) দুই রাকাত (সুন্নত) পড়ে নিতেন। তারপর জামাতে অংশগ্রহণ করতেন। (শরহু মাআনিল আসার)

৩. হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি- তোমরা ফজরের দুই রাকাত (সুন্নত)-এর ব্যাপারে পুরোপুরি যত্নবান হও। কারণ তা ফজিলতপূর্ণ বিষয়সমূহের অন্তর্ভুক্ত।’ (মুসনাদে আহমাদ)

এ কারণেই সাহাবায়ে কেরাম ও তাবেয়িগণ ফজরের দুই রাকাত সুন্নত নামাজ গুরুত্বের সঙ্গে আদায় করেছেন। এমনকি অনেক বুজুর্গানে দ্বীন ফজরের জামাত শুরু হওয়ার পরও আগে সুন্নত আদায় করেছেন তারপর ফজরের জামাতে অংশগ্রহণ করেছেন। হাদিসে এসেছে-

৪. হজরত যায়েদ ইবনে আসলাম রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, হজরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু মসজিদে এসে দেখেন, ফজরের জামাত চলছে। কিন্তু তাঁর ফজরের দুই রাকাত (সুন্নত) পড়া হয়নি। তিনি হাফসা রাদিয়াল্লাহু আনহার কামরায় তা পড়লেন। তারপর জামাতে অংশগ্রহণ করলেন।

৫. হজরত আবু মিজলায রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, আমি ফজরের জামাত চলা অবস্থায় হজরত ইবনে আব্বাস ও ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমার সঙ্গে মসজিদে প্রবেশ করলাম। ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু জামাতের কাতারে প্রবেশ করলেন। আর হজরত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু ফজরের দুই রাকাত (সুন্নত) পড়লেন। তারপর জামাতে অংশগ্রহণ করলেন।’

৬. হজরত আবু মুসা আশআরি রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, (কূফার গভর্নর) সায়িদ ইবনে আস তাঁকে এবং হুযায়ফা ও আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহুমাকে ফজরের নামাজের আগে ডাকলেন। তাঁরা (কাজ শেষে) তার কাছ থেকে বিদায় নিলেন। ইতোমধ্যে মসজিদে ফজরের নামাজের ইকামত শুরু হয়ে গেছে। ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু মসজিদের একটি খুঁটির আড়ালে ফজরের দুই রাকাত (সুন্নত) পড়লেন। তারপর জামাতে অংশগ্রহণ করলেন। (শরহু মাআনিল আসার)

৭. হজরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘ফজরের দুই রাকাত (সুন্নত) দুনিয়া ও দুনিয়ার মধ্যে যা কিছু আছে তার চেয়ে উত্তম।’ (মুসলিম)

ফজরের সুন্নত নামাজ আদায়ের গুরুত্ব মর্যাদা ও ফজিলত সম্পর্কে হাদিসে পাকে অনেক প্রমাণ পাওয়া যায়। সুতরাং মুসলিম উম্মাহর উচিত ফজর নামাজের আগেই সুন্নত যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে তা আদায় করা। তবে ফরজ নামাজ আদায়ে মসজিদে যাওয়ার আগে নিজ ঘরে এ সুন্নত পড়াই উত্তম। আবার জামাত শুরু হোক কিংবা না হোক সুন্নত নামাজ পড়ার ক্ষেত্রে মসজিদের বাহিরের অংশে পড়া কিংবা জামাতের কাতার থেকে দূরে পড়া উত্তম। তা হতে পারে বারান্দা কিংবা খুঁটির আড়ালে।

যদি কখনো এমন হয় যে-

ফজরের নামাজের ইকামত শুরু হয়ে গেছে কিংবা জামাত শুরু হয়ে গেছে; সে ক্ষেত্রে ফজরের সুন্নত নামাজ ছাড়া অন্য সুন্নত হলে তা না পড়ে জামাতে শরিক হওয়া জরুরি। আর যদি ফজরের সুন্নত নামাজ হয় তখন দেখতে হবে, সুন্নত পড়ে জামাত পাওয়া যাবে কিনা। যদি মনে হয় যে সুন্নত পড়েও জামাত পাওয়া যাবে তবে ফজরে সুন্নত নামাজ পড়ে নেয়া উত্তম।

মনে রাখতে হবে

জামাতে নামাজ আদায়ের ক্ষেত্রে প্রথম কাতারে দাঁড়ানো এবং তাকবিরে উলা তথা প্রথম তাকবিরসহ জামাতে অংশগ্রহণের ফজিলতও অনেক বেশি। তাই ফজরের সুন্নত নামাজ ধীরস্থিরভাবে আদায়ের জন্য আগে আগে মসজিদে উপস্থিত হওয়া জরুরি। অথবা বাসা কিংবা ঘর থেকে সুন্নত পড়ে মসজিদের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হওয়াই উত্তম।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে ফজরের সুন্নত নামাজ যথাযথভাবে নিয়মিত আদায় করার তাওফিক দান করুন। ফজরের সুন্নত আদায়ের পর তাকবিরা উলার সঙ্গে ফজরের জামাতে অংশগ্রহণ করার তাওফিক দান করুন। আমিন।
--------------------------------------------------------------------------
(দৈনিক আমার সংবাদ,
ধর্ম ডেস্ক, প্রকাশিত: জুলাই ১৪, ২০২৩, ০৮:০১ এএম)

বৃষ্টি আসে আল্লাহর রহমত হিসেবে।বৃষ্টিতে মন প্রফুল্ল হয়। আল্লাহর রহমতে প্রকৃতি পায় স্বস্তি ও উর্বরতা শক্তি। বৃষ্টি আল্লাহ...
06/10/2024

বৃষ্টি আসে আল্লাহর রহমত হিসেবে।
বৃষ্টিতে মন প্রফুল্ল হয়। আল্লাহর রহমতে প্রকৃতি পায় স্বস্তি ও উর্বরতা শক্তি। বৃষ্টি আল্লাহর বিশেষ নেয়ামত। পবিত্র কোরআনের বিভিন্ন আয়াতে আল্লাহ বৃষ্টি সম্পর্কে বলেছেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বৃষ্টির সময় কিছু আমল করতেন।

বৃষ্টির সময় দোয়া

রাসুল (সা.) বৃষ্টির সময় আল্লাহর রহমতের জন্য দোয়া করতেন। বৃষ্টি যেমন আল্লাহর রহমত, তেমনই আবার কখনো গজবও হয়ে উঠতে পারে। রাসুল (সা.) দোয়া করতেন, ‘আল্লাহুম্মা সায়্যিবান নাফিআহ।’ ‘হে আল্লাহ! তুমি এ বৃষ্টিকে প্রবহমান ও উপকারী করে দাও। (বুখারি, হাদিস: ১,০৩২)

হজরত আনাস (রা.)–র বরাতে হাদিসে এসেছে। হজরত আনাস (রা.) বলেন, একবার আমরা রাসুল (সা.)-এর সঙ্গে ছিলাম; তখন বৃষ্টি এল। রাসুল (সা.) তখন তাঁর গায়ের পোশাকের কিছু অংশ সরিয়ে নিলেন, যাতে করে গায়ে বৃষ্টির ছাঁট লাগে। আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসুল, আপনি কেন এমনটি করলেন? তিনি বললেন, ‘কারণ বৃষ্টি তার প্রতিপালকের কাছ থেকে মাত্রই এসেছে।’ (মুসলিম, হাদিস: ৮৯৮)

ঝোড়ো বাতাস বইতে দেখলে দোয়া

দমকা হওয়া বইতে দেখলে নবীজি (সা.) উদ্বিগ্ন হতেন। বৃষ্টি শুরু হলে তিনি খুশি হয়ে উঠতেন। হজরত আয়িশা (রা.) বলেছেন, আমি এ বিষয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, ‘আমার আশঙ্কা হয়, আমার উম্মতের ওপর কোনো গজব আসে কি না।’ বৃষ্টি দেখলেই তিনি বলতেন, ‘এটি আল্লাহর রহমত।’ (মুসলিম, হাদিস: ১,৯৬৯)

হজরত আয়িশা (রা.)–র বরাতে আরেকটি হাদিস থেকে জানা যায়, রাসুল (সা.) আকাশে মেঘ দেখলে নফল ইবাদত ছেড়ে দিতেন। তিনি এই বলে দোয়া করতেন, ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা খাইরাহা ওয়া খাইরি ওয়া খাইরি মা উরসিলাত বিহি, ওয়া আউযুবিকা মিন শাররিহা ওয়া শাররি ওয়া শাররি মা উরসিলাত বিহি’। ‘হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে বৃষ্টির উপকারী দিক কামনা করছি। আর অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাইছি।’ (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ৫,১৯৯)

অতিরিক্ত বৃষ্টিতে দোয়া

রাসুল (সা.) একবার অতিরিক্ত বৃষ্টিতে এই দোয়া করেছিলেন, ‘আল্লাহুম্মা হাওয়াইলাইনা ওয়া আলাইনা।’ ‘হে আল্লাহ! আমাদের এখানে নয়, আশেপাশে বৃষ্টি বর্ষণ করো।’ (সুনানে নাসায়ি, হাদিস: ১,৫২৭)

প্রবল বৃষ্টি হলে নবী (সা.) বলতেন, ‘আল্লাহুম্মা হাওয়া-লাইনা, ওয়ালা আলাইনা; আল্লাহুম্মা আলাল আ-কাম ওয়াজ জিরাব ওয়া বুতুনিল আওদিআ; ওয়া মানাবিতিস শাজার।’ (বুখারি, হাদিস: ১,০১৪)

এর অর্থ, ‘হে আল্লাহ! আমাদের আশপাশে বৃষ্টি দিন, আমাদের ওপরে নয়। হে আল্লাহ! পাহাড়-টিলা, খাল-নালা এবং গাছ-উদ্ভিদ গজানোর স্থানগুলোতে বৃষ্টি দিন।’

বজ্রপাতের দোয়া

আবদুল্লাহ ইবনে জুবাইর (রা.) বজ্রপাতের সময় কথা বন্ধ রাখতেন। কেবল বলতেন, ‘ওয়া ইউসাব্বিহুর রাদু বিহামদিহি, ওয়াল মালাইকাতু মিন খিয়ফাতিহি।’ (সুরা রাদ, আয়াত: ১৩)

এর অর্থ, ‘বজ্র ও সব ফেরেশতা সন্ত্রস্ত হয়ে তাঁর প্রশংসা পাঠ করে।’

বৃষ্টির সময় দোয়ার ফজিলত

বৃষ্টি আল্লাহর রহমত ও করুণা বর্ষণের সময়, তাই এটি দোয়া কবুলেরও উপযুক্ত সুযোগ। সাহল বিন সাদ (রা.) বর্ণনা করেছেন যে নবী (সা.) বলেছেন, ‘দুটি দোয়া প্রত্যাখ্যান করা হয় না। আজানের সময়ের দোয়া এবং বৃষ্টির সময়ের দোয়া।’ (মুস্তাদরাক, হাদিস: ২,৫৩৪; তাবারানি; হাদিস: ৫,৭৫৬; সহিহুল জামে, হাদিস: ৩,০৭৮)

বৃষ্টি শেষে দোয়া করা

বৃষ্টি শেষ হয়ে এলে রাসুল (সা.) সাহাবায়ে কিরামকে এই দোয়া পড়ার তাগিদ দিয়েছেন, ‘মুতিরনা বিফাদলিল্লাহি ওয়া রাহমাতিহ।’ ‘আল্লাহর অনুগ্রহ ও রহমতে আমাদের ওপর বৃষ্টি বর্ষিত হয়েছে।’ (বুখারি, হাদিস: ১,০৩৮)

বৃষ্টি শেষে রাসুল (সা.) সাহাবায়ে কেরামকে একটি বিশেষ দোয়া পড়ার প্রতি তাগিদ দিয়েছেন, দোয়াটি হলো, ‘মুতিরনা বিফাদলিল্লাহি ওয়া রহমাতিহ। এর অর্থ, ‘আল্লাহর অনুগ্রহ ও রহমতে আমাদের ওপর বৃষ্টি বর্ষিত হয়েছে।’ (বুখারি, হাদিস: ১,০৩৮)

( প্রথম আলো
বৃষ্টি আসে আল্লাহর রহমত হিসেবে
ফেরদৌস ফয়সাল
Published: 25 Apr 2024, 17:00 )

কারো ক্ষতি করার ভয়াবহ পরিণতি।মুমিনরা সর্বদা তার দ্বিনি ভাইদের কল্যাণকামী হয়। তারা কখনো অন্যের ক্ষতিসাধনের চেষ্টা করে না।...
27/09/2024

কারো ক্ষতি করার ভয়াবহ পরিণতি।
মুমিনরা সর্বদা তার দ্বিনি ভাইদের কল্যাণকামী হয়। তারা কখনো অন্যের ক্ষতিসাধনের চেষ্টা করে না। কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হলে তা নিয়ে উল্লাসও করে না। কারণ এটা ইসলামের শিক্ষা নয়।

ইসলামের শিক্ষা হলো, সর্বদা অন্যের উপকার করার চেষ্টা করা। কারণ যারা মানুষের উপকার করে, আল্লাহ তাদের ভালোবাসেন। এর বিপরীতে যারা অন্যের ক্ষতিসাধনের সুযোগ সন্ধানে লিপ্ত থাকে, মহান আল্লাহ তাদের সাময়িকভাবে ছাড় দিলেও তাদের কখনো ছেড়ে দেন না। দুনিয়া হোক কিংবা আখিরাত, এই গুনাহের শাস্তি তাদের অবশ্যই ভোগ করতে হবে।

আবু সিরমা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি অন্য কারো ক্ষতিসাধন করে, আল্লাহ তাআলা তা দিয়েই তার ক্ষতিসাধন করেন। যে ব্যক্তি অন্যকে কষ্ট দেয়, আল্লাহ তাআলা তাকে কষ্টের মধ্যে ফেলেন।’ (তিরমিজি, হাদিস : ১৯৪০)

কারো বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা, কাউকে কষ্টে ফেলে দেওয়া কল্যাণ বয়ে আনে না; বরং এগুলো মানুষকে তিলে তিলে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। মহান আল্লাহর রহমত থেকে বঞ্চিত করে দেয়।

আবু বকর সিদ্দিক (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি কোনো মুমিনের ক্ষতিসাধন করে অথবা তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে সে অভিশপ্ত।’ (তিরমিজি, হাদিস : ১৯৪১)

অন্য হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, আবু সিরমাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) বলেছেন, ‘কেউ অন্যের ক্ষতি করলে আল্লাহ তার ক্ষতিসাধন করবেন। কেউ অযৌক্তিকভাবে কারো বিরোধিতা করলে আল্লাহ তার বিরোধী হবেন।’ (আবু দাউদ, হাদিস : ৩৬৩৫)

আর মহান আল্লাহ নিজেই যার বিরোধী হবেন, তার চেয়ে হতভাগা আর কে হতে পারে? মহান আল্লাহ তাদের মন থেকে অপরাধবোধটাও তুলে দেন, ফলে তারা অন্যের ক্ষতি করে, অন্যের হক নষ্ট করে গর্ববোধ করে, যা তাদের পূর্ণ ধ্বংসের দিকে টেনে নেয়। তাদের দেউলিয়া করে দেয়।
তাদের যশ-খ্যাতি তাদের কোনো উপকারেই আসে না। তারা পাহাড়সম আমল নিয়ে আল্লাহর দরবারে হাজির হলেও এগুলো তাদের কোনো কাজেই আসবে না।

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) সাহাবিদের প্রশ্ন করেন, তোমরা কি জানো, দেউলিয়া কে? তারা বলেন, হে আল্লাহর রাসুল (সা.), আমাদের মধ্যে দেউলিয়া হচ্ছে ওই ব্যক্তি, যার দিরহামও (নগদ অর্থ) নেই, কোনো সম্পদও নেই।
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, আমার উম্মতের মধ্যে ওই ব্যক্তি হচ্ছে দেউলিয়া যে কিয়ামত দিবসে নামাজ, রোজা, জাকাতসহ বহু আমল নিয়ে উপস্থিত হবে এবং এর সঙ্গে সে কাউকে গালি দিয়েছে, কাউকে মিথ্যা অপবাদ দিয়েছে, কারো সম্পদ আত্মসাৎ করেছে, কারো রক্ত প্রবাহিত (হত্যা) করেছে, কাউকে মারধর করেছে, ইত্যাদি অপরাধও নিয়ে আসবে। সে তখন বসবে এবং তার নেক আমল হতে এ ব্যক্তি কিছু নিয়ে যাবে, ও ব্যক্তি কিছু নিয়ে যাবে। এভাবে সম্পূর্ণ বদলা (বিনিময়) নেওয়ার আগেই তার সৎ আমল নিঃশেষ হয়ে গেলে তাদের গুনাহ তার ওপর চাপিয়ে দেওয়া হবে, তারপর তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। (তিরমিজি, হাদিস : ২৪১৮)
নাউজুবিল্লাহ!

মহান আল্লাহ সবাইকে এ ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকার তাওফিক দান করুন। সুবুদ্ধি ও হিদায়াত দান করুন।

(ইসলামী জীবন
প্রকাশ: ০১ জুলাই, ২০২১ ০০:০০
কারো ক্ষতি করার ভয়াবহ পরিণতি
মুফতি মুহাম্মদ মর্তুজা)

আনন্দ বেদনা, প্রত্যাশা হতাশা নিয়েই মানুষের জীবন। দুনিয়ার মোহে চাওয়া পাওয়া আর না পাওয়ার মাঝেই কেটে যাবে আমাদের জীবন। এত...
17/09/2024

আনন্দ বেদনা, প্রত্যাশা হতাশা নিয়েই মানুষের জীবন। দুনিয়ার মোহে চাওয়া পাওয়া আর না পাওয়ার মাঝেই কেটে যাবে আমাদের জীবন। এতে দুঃখ পাওয়ার কিছু নেই। একদিন তো চলে যেতেই হবে।

কিন্তু পরকালের জন্য কি চাইবো আর কি পাইবো? সে হিসাব কি করেছি? তা এখন থেকেই ভাবা উচিত। সে অনুযায়ী নিজেকে প্রস্তুত করা উচিত। আমি মনে করি, এটাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ। পরকালের স্থায়ী জিন্দেগীর অফুরন্ত নেয়ামত রহমত বরকত ও আল্লাহর নৈকট্য প্রাপ্তিই আমাদের মূল উদ্দেশ্য ও সফলতা।

- মো: হাসান হামিদুল ইসলাম (অপু)

হে আল্লাহ আমাদের সৎ কর্ম করার ও হালাল রুজির ব্যবস্থা করে দিন এবং অসৎ কর্ম ও হারাম থেকে বিরত রাখুন, হেফাজত করুন। আমিন।
17/09/2024

হে আল্লাহ আমাদের সৎ কর্ম করার ও হালাল রুজির ব্যবস্থা করে দিন এবং অসৎ কর্ম ও হারাম থেকে বিরত রাখুন, হেফাজত করুন। আমিন।

ইনশাআল্লাহ
16/09/2024

ইনশাআল্লাহ

Address


Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when কুরআন হাদিসের আলোকে দোয়া আমল ইস্তেগফার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

  • Want your place of worship to be the top-listed Place Of Worship?

Share