Buddhist Proverd

Buddhist Proverd আপনারা সঠিক তথ্য দিয়ে ধর্ম প্রচারে সহযোগিতা করুন।
জ্ঞান ছড়িয়ে দিন, বিভ্রান্তি নয়। - নমো বুদ্ধায়। 🙏 May all beings be well and happy!
(11)

May all live in harmony. True love is born from wisdom.

সমস্ত প্রাণী ভাল এবং সুখী হোক! সবাই মিলেমিশে বসবাস করুক। সত্যিকারের ভালবাসার জন্ম হয় জ্ঞান থেকে।

"বিশ্বের আলোকবর্তিকা, সদ্ধর্মের প্রচারক ও পরম শ্রদ্ধেয় ভদন্ত শরণংকর মহাথের মহোদয়ের ৪২তম জন্মদিনে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা ও ...
15/08/2026

"বিশ্বের আলোকবর্তিকা, সদ্ধর্মের প্রচারক ও পরম শ্রদ্ধেয় ভদন্ত শরণংকর মহাথের মহোদয়ের ৪২তম জন্মদিনে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা ও প্রীতিপূর্ণ শুভেচ্ছা। 🙏☸️

মানবতার কল্যাণে আপনার নিরলস সাধনা, প্রজ্ঞাদীপ্ত বাণী এবং করুণাময় উপস্থিতি আমাদের প্রতিনিয়ত অনুপ্রাণিত করে। আপনি আপনার জীবনকে সদ্ধর্মের আলোকবর্তিকা হিসেবে উৎসর্গ করেছেন, যার প্রতিটি পদচিহ্ন আমাদের জন্য ন্যায়ের পথে চলার পাথেয়। আপনার এই বিশেষ দিনে পরম করুণাময় বুদ্ধের নিকট প্রার্থনা করি, যেন আপনার সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও অটল মানসিক প্রশান্তি সর্বদা বজায় থাকে। আপনার প্রজ্ঞার ছায়ায় জগতের সকল প্রাণীর হিতার্থে আপনার কর্মময় পথচলা আরও দীর্ঘতর, সফল ও প্রশান্তিময় হোক—এই কামনাই করি। শুভ জন্মদিন, ভদন্ত মহোদয়! 🌸✨"

15/08/2026

Namdrolling Monastery Golden Temple

14/08/2026

Ven Saranankar Mohathera

13/08/2026

কালের বিবর্তনে জগতের মধ্যে বহু জ্ঞানী গুণী, মহা মনীষীর আবির্ভাব হয়েছে যাদের পুণ্য পরশে সমগ্র বৌদ্ধ জাতি অতীতে উপকৃত হয়েছেন,বর্তমানে উপকৃত হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও উপকৃত হবেন। বঙ্গীয় বৌদ্ধ সমাজে যে কয়জন মহা মনীষী ধ্যানসাধনার মাধ্যমে সদ্ধর্ম প্রচারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন তাদের মধ্যে পরম পূজনীয় ধূতাঙ্গ সাধক ভদন্ত শরণঙ্কর থের মহোদয় অন্যতম। হাটহাজারী থানার অন্তর্গত ভারত বাংলা উপমহাদেশের সাগরকুন্তলা কর্ণফুলীর শাখা হালদার উপকণ্ঠে সমৃদ্ধ বৌদ্ধ জনপদ মধ্যম মাদার্শা গ্রাম। বহু সংঘপুরুষের জন্ম তীর্থ এই গ্রামে ১৯ ৮৪ সালের ১৬ আগস্ট চারিদিক আলোকিত করে মাতা শ্রীমতি ডেজি বড়ুয়া ও পিতা দিলীপ বড়ুয়ার ঔরসে পূণ্যলক্ষণ পরিশোভিত এক নবশিশু জন্মগ্রহণ করেন। শিশুর আগমনে মাতা পিতা মহানন্দে শিশুর নামকরণ করেন রনি বড়ুয়া। জন্মের কিছুদিন পর তিনি কঠিন রোগে আক্রান্ত হন, আরোগ্য লাভের মানসে মামার বাড়ির দাদু তখন মানত করেন নাতির ২০ বছর পূর্ণ হলে চিংম্রং বৌদ্ধবিহারে ভিক্ষু করাবেন। অতঃপর জন্ম জন্মান্তরের অপরিহার্য ঊর্ধ্বমুখী শোভন সংস্কারের প্রবল আকর্ষণে উপযুক্ত বয়সে পদার্পণ করার পর ২০০৪ সালের ২৪ শে অক্টোবর পূজনীয় শ্রীমৎ জ্ঞানবংশ থের মহোদয়ের উপাধ্যায়ত্বে ভিক্ষু শরণংকরে পরিণত হন। ভিক্ষু হওয়ার পর তিনি আগারিক - অনাগারিক ধূতাঙ্গ শীল পালন করার জন্য প্রথমে বেছে নিয়েছিলেন হরিহর সম্মিলিত শ্মশানবিহার। উক্ত বিহারে তিন বছর অবস্থান করে ২০০৮ সালের ১লা জানুয়ারি পশ্চিম আধারমানিক সুখানন্দ বিহারে গমন করেন। বিহার ভিত্তিক ভিক্ষু জীবনেও তিনি গোপনে কিছু কিছু ধূতাঙ্গ শীল পরীক্ষামূলকভাবে পালন করেন। পারমী সম্ভার পরিপূরণের লক্ষ্যে বুদ্ধ প্রশংসিত সর্বোৎকৃষ্ট শীল ধূতাঙ্গ শীল পালনের জন্য উক্ত বিহারের ৩ বছর অতিবাহিত হবার পর জ্ঞানস্মরণ পশ্চিম আধারমানিক উত্তর গুজরা শ্মশান ভূমিতে অবস্থান করেন। সেখানে বাৎসরিকাল অবস্থানের পর আরো 16 টি শ্মশানে অবস্থান করেন। এভাবেই শ্মশানে শ্মশানে অবস্থান করে তিনি আরন্যক জীবনের আস্বাদ উপলব্ধির জন্য ২০১২ সালের ২০ শে জুলাই পদুয়া শ্মশান ভূমি ত্যাগ করে জ্ঞানস্মরণ মহারন্যভূমিতে পদার্পণ করেন যা দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া পদুয়া ইউনিয়নের ফলা হারিয়া গ্রামের দক্ষিণ বনাঞ্চলে অবস্থিত নির্জন জনকোলাহলের বাইরে, নৈসর্গিক সৌন্দর্যে পরিপূর্ণ এক অরণ্যময় প্রদেশ যা বনহস্তি সহ বিবিধ প্রাণীকুলের বিচরণ ক্ষেত্র। পূজনীয় ধূতাঙ্গ সাধক ভদন্ত শরনংকর মহোদয়, তার সন্যাস জীবনজুড়ে বৌদ্ধ ধর্ম প্রচারে নিবেদিত রয়েছেন। ১৭ ই ফেব্রুয়ারি ২০১১ সাল থেকে ৩ আগস্ট ২০২০ সাল পর্যন্ত তিনি প্রায় ৭ হাজার কিলোমিটার পথ হেটে বাংলাদেশ ও ভারতে অসংখ্য ধর্ম দেশনা প্রোগ্রামে অংশ নেন। তার শিক্ষাগুলি শান্তি, করুণা এবং সমঝোতার উপর জোর দেয়, যা বহু অনুসারীদের মধ্যে গভীরভাবে প্রতিধ্বনিত হয়। শান্তির বার্তা প্রচার সত্ত্বেও ভদন্ত শরনংকর থের মহোদয় কে চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হয়েছে, তিনি একাধিক হত্যাচেষ্টায় বেঁচে গেছেন,যার মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ছিল জুলাই ২০২০ এ যখন স্থানীয় সন্ত্রাসীরা তাকে আক্রমণ করে। বাংলাদেশ সহ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে যেখানে প্রবাসী বৌদ্ধরা আছেন তারা সকলেই এই ঘটনায় বিক্ষোভ প্রকাশকরে।
প্রথমবারের মতো পূজনীয় ভান্তে ঢাকা মহানগরে সদ্ধর্ম দেশনা ও ধর্ম প্রচারের জন্য ২৪ জানুয়ারি ২০১৮ রোজ বুধবার জ্ঞানশরন মহারণ্য রাঙ্গুনিয়া হতে পদব্রজে রওনা হন। যাত্রাপথে হোয়ারা পাড়া, চট্টগ্রাম বৌদ্ধবিহার, বারবকুণ্ড, নিজামপুর, মিরসরাই, ফেনী জেলা শিল্পকলা একাডেমী, শালবন বিহার কুমিল্লা, সনাতনী মহাশ্মশান দাউদকান্দি, নারায়ণগঞ্জ হয়ে ঢাকা ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহার, মেরুল বাড্ডা আন্তর্জাতিক বৌদ্ধবিহার, কালাচাঁদপুর বৌদ্ধ এলাকা পরিদর্শন করে শতাধিক ভক্ত সেবক বৃন্দ সহকারে উত্তরা বাংলাদেশ বৌদ্ধ মহাবিহার ১০ই ফেব্রুয়ারি ২০১৮। এই পূর্ণ অনুষ্ঠানে ঢাকা বাংলাদেশ দূতাবাস হতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মাসিয় এস বি বার্নিকেট ও থাইল্যান্ডের সম্মানিত রাষ্ট্রদূত সোওয়ান্নাপোনাস উভয়ে পূজনীয় ভান্তেকে শ্রদ্ধা জানান ও ধর্মসভায় উপস্থিত ছিলেন। চট্টগ্রাম মহানগরের প্রতিষ্ঠিত সংগঠন বুড্ডিস্ট ডেভেলপমেন্ট ট্রাস্ট এর প্রার্থনায় পূজনীয় ধূতাঙ্গ ভান্তে ৬ জানুয়ারি রওনা হন এবং বিভিন্ন গ্রামে পিন্ডচরণ ও দেশনা প্রদান করেন ১২ই জানুয়ারি রেলওয়ে পলোগ্রাউন্ড ময়দানে পৌঁছান। ১৩ই জানুয়ারি ২০১৭ সালে বিডিটি কর্তৃক আয়োজনে এবং পূজনীয় ভারতের সকল সেবক বৃন্দের সহযোগিতায় ১ম বারের মতো চট্টগ্রাম মহানগরী ঐতিহাসিক পলোগ্রাউন্ড ময়দানে আনুমানিক অর্ধ লক্ষ ধর্মপ্রাণ উপাসক উপাসিকার উপস্থিতিতে পূজনীয় ধূতাঙ্গ ভান্তের একক সদ্ধর্মদেশনা ও ১৩ তম ধূতাঙ্গ বর্ষপূরণ অনুষ্টান স্মরণাতীতকালের উল্লেখযোগ্য বৌদ্ধ জন সমাগমের উপস্থিতিতে ঐতিহাসিকভাবে ধর্মীয় ভাব গম্ভীর পরিবেশের মধ্য দিয়ে সুসম্পন্ন হয়। পূজনীয় ভান্তের এই অনুষ্ঠানটি বাঙালি বৌদ্ধ ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। পূজনীয় ধূতাঙ্গ ভান্তে উক্ত অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে জ্ঞানস্মরণ মহারন্য হতে রওনা হয়ে রাঙ্গুনিয়া, রাউজান, চট্টগ্রাম মহানগর, চাঁদগাও বড়ুয়াপাড়া, বোয়ালখালী, পটিয়া, আনোয়ারা, চন্দনাইশ, সাতকানিয়া উপজেলার ৩০ টির ও অধিক বৌদ্ধ গ্রামে অবস্থান ও সদ্ধর্মপ্রচার করেন । 10ই ফেব্রুয়ারি জ্ঞানশরণ মহারণ্যে পদব্রজে প্রত্যাবর্তন করেন।
এছাড়া পূজনীয় ভান্তে ২০১১ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত ১৮ টি শ্মশানে ধ্যান করেন এবং দুইটি মহারন্যে ধ্যান অনুশীলনে ৯ বছর কঠোর ধ্যান করেছেন গভীর বনে।তিনি বাংলাদেশ ভারত শ্রীলংকা এই তিনটি দেশে পদব্রজে ১৩ হাজার কিলোমিটার পথ হেঁটে প্রায় এক হাজারেরও অধিক গ্রামে ধর্ম প্রচার করেছেন . তিনি বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার রাঙ্গুনিয়া জ্ঞানোস্মরণ মহারণ্য বৌদ্ধবিহার থেকে ২০১৯ সালে ভারতে বুদ্ধগয়া পদব্রজে তীর্থ গমন করেন,প্রায় ৬হাজার কিলোমিটার অতিবাহিত করেন।এবং ২০২২ সালে শ্রীলঙ্কায় ১০০০ কিলোমিটার পদব্রজে শ্রীপাদ,দন্ত ধাতু ও শ্রী মহাবৌধি পূজা করেন । ২০২২ সালে শ্রীলঙ্কা বুদ্ধশারাণা মেডিটেশন সেন্টার, ২০২৩ সালে বুদ্ধ শারানা মেডিটেশন সেন্টার, ২০২৪ সালে দক্ষিণ কোরিয়া বুদ্ধ শারাণা মেডিটেশন সেন্টার, ২০২৫ সালে মায়ানমার বুদ্ধ শারাণা মেডিটেশন সেন্টার প্রতিষ্ঠা করেন।এছাড়া বাংলাদেশের ১৩ টি মেডিটেশন কুটির প্রতিষ্ঠা করেন, ১টি মহারণ্য বৌদ্ধ বিহার প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও একটি অনাথ আশ্রম রয়েছে। বৌদ্ধ প্রতিরূপ দেশ শ্রীলংকা, মায়ানমার, দক্ষিণ কোরিয়া, থাইল্যান্ড - বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে তার শিষ্যরা বৌদ্ধ ধর্ম নিয়ে বিদ্যাশিক্ষা উচ্চতর ডিগ্রী অর্জনের অধ্যয়ন করছেন। পূজনীয় ভান্তের ধর্ম দেশনা অত্যন্ত সুমধুর ও তথ্যপূর্ণ৷ তাঁর দেশনা শুনতে হাজার লক্ষ মানুষের সমাগম হয় প্রতিবছরে ।
এই মহান বৌদ্ধ সন্ন্যাসীর মঙ্গল শত আয়ু কামনা করছি, আরো অনেক বুদ্ধের শাসন শ্রী বৃদ্ধির জন্য ও সমাজ সেবামূলক কর্মে নিজেকে নিয়োজিত করুন, বুদ্ধের কাছে এই প্রার্থনা। শুভ জন্মদিন শ্রদ্ধেয় ভান্তে।

যেখানে নিস্তব্ধতায় শান্তি মিলে ছবি - মার্গ - Marga
12/08/2026

যেখানে নিস্তব্ধতায় শান্তি মিলে

ছবি - মার্গ - Marga

খাগড়াছড়ি ধর্মপুর আর্য বন বিহার
12/08/2026

খাগড়াছড়ি ধর্মপুর আর্য বন বিহার

12/08/2026

Finding refuge from the chaotic world. Spending time at a Korean Buddhist temple teaches you that true peace is not the absence of noise, but a quiet heart.

11/08/2026

🌸 বৌদ্ধধর্মে একজন ভিক্ষুর জীবন

একজন বৌদ্ধ ভিক্ষুর (Bhikkhu / ভিক্খু) জীবন মূলত ত্যাগ, শৃঙ্খলা, ধ্যান, প্রজ্ঞা ও করুণার জীবন।

১. পব্বজ্জা — গৃহত্যাগ

ভিক্ষু গার্হস্থ্য জীবন ত্যাগ করে মুক্তির পথে সাধনা ও প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।

> “অপ্পমাদেন সম্পাদেথ।”
“অপ্রমত্তভাবে সাধনা সম্পন্ন করো।”

২. শীল — নৈতিক শৃঙ্খলা

একজন ভিক্ষু বিনয় অনুসারে জীবনযাপন করেন। এর উদ্দেশ্য শুধু নিয়ম পালন নয়; বরং কায়, বাক্য ও চিত্তের সংযম ও পরিশুদ্ধি সাধন করা।

৩. পিণ্ডপাত — ভিক্ষান্ন সংগ্রহ

প্রথাগতভাবে ভিক্ষুরা খাদ্যের জন্য গৃহী উপাসক-উপাসিকাদের ওপর নির্ভর করেন। এর মাধ্যমে সন্তুষ্টি (সন্তুট্ঠি) গড়ে ওঠে এবং সংঘ ও গৃহী সমাজের মধ্যে দানের সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়।

৪. ভাবনা — ধ্যান

ধ্যান ভিক্ষুজীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

সমথ — একাগ্রতা ও প্রশান্তির বিকাশ

বিপশ্যনা — অনিত্য, দুঃখ ও অনাত্ম সম্পর্কে অন্তর্দৃষ্টি

সতিপট্ঠান — স্মৃতির প্রতিষ্ঠা বা সচেতনতার অনুশীলন

৫. ধম্ম অধ্যয়ন — পর্যত্তি

ভিক্ষু ত্রিপিটক অধ্যয়ন করেন, বিশেষ করে সুত্ত, বিনয় ও অভিধম্ম। এর মাধ্যমে তাত্ত্বিক জ্ঞান সাধনাকে সমর্থন করে।

৬. পটিপত্তি — অনুশীলন

শুধু জ্ঞান অর্জন করাই যথেষ্ট নয়; সেই জ্ঞানকে জীবনে বাস্তবায়ন করতে হয়। ভিক্ষু লোভ, দ্বেষ ও মোহ কমানোর পাশাপাশি দানশীলতা, মৈত্রী, মননশীলতা ও প্রজ্ঞার বিকাশ সাধন করেন।

৭. পটিবেধ — উপলব্ধি

চূড়ান্ত উদ্দেশ্য শুধু একজন “ভালো ভিক্ষু” হওয়া নয়; বরং ধম্মকে উপলব্ধি করা এবং নিব্বানের দিকে অগ্রসর হওয়া।

🌿 মূল কথা

একজন ভিক্ষুর জীবনকে এভাবে বোঝা যায়:

পব্বজ্জা → শীল → সমাধি → প্রজ্ঞা → বিমুক্তি

সহজ ভাষায়—

> “একজন ভিক্ষু পৃথিবীকে ঘৃণা করে সংসার ত্যাগ করেন না; বরং দুঃখ থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য পৃথিবী ও জীবনের প্রকৃত সত্যকে গভীরভাবে উপলব্ধি করতে চান।”

আগামীকাল উপোসথ এর সময়সূচী
11/08/2026

আগামীকাল উপোসথ এর সময়সূচী

Address

Chittagong

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Buddhist Proverd posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share