Amos Deori

Amos Deori To preach the glorious gospel of Lord Jesus Christ by all means to our generation. Reaching people with gospel of Grace.

যে বলিদান সমস্ত বলিদানকে সমাপ্ত করেছে ✅✅✅✅✅✅✅✅মানব ইতিহাসে “বলিদান” একটি গভীর ধর্মীয় বাস্তবতা। পাপের ক্ষমা, ঈশ্বরের সঙ্...
05/27/2026

যে বলিদান সমস্ত বলিদানকে সমাপ্ত করেছে
✅✅✅✅✅✅✅✅
মানব ইতিহাসে “বলিদান” একটি গভীর ধর্মীয় বাস্তবতা। পাপের ক্ষমা, ঈশ্বরের সঙ্গে সম্পর্ক পুনঃস্থাপন এবং আত্মিক শুদ্ধতার জন্য প্রাচীনকাল থেকে মানুষ নানা ধরনের পশুবলি ও উৎসর্গ প্রদান করত। কিন্তু বাইবেল শিক্ষা দেয় যে এই সমস্ত বলিদান ছিল সাময়িক এবং ভবিষ্যতে আসতে থাকা এক পরিপূর্ণ বলির প্রতিচ্ছবি। সেই পরিপূর্ণ বলি হলেন প্রভু যীশু খ্রিস্ট। তাঁর একবারের বলিদান সমস্ত বলিদানের সমাপ্তি ও পূর্ণতা এনে দিয়েছে।

পুরাতন নিয়মে বলিদানের প্রয়োজন
♦️♦️♦️♦️
পুরাতন নিয়মে ঈশ্বর ইস্রায়েল জাতিকে বিভিন্ন বলিদানের ব্যবস্থা দিয়েছিলেন। পাপের জন্য পশুর রক্ত উৎসর্গ করা হতো, কারণ:

“রক্তপাত ব্যতিরেকে পাপের ক্ষমা হয় না।”
— ইব্রীয় ৯:২২

মেষশাবক, ষাঁড় কিংবা কবুতরের বলি মানুষকে স্মরণ করিয়ে দিত যে পাপের মূল্য মৃত্যু। কিন্তু এই পশুবলি কখনো মানুষের অন্তরকে সম্পূর্ণ শুদ্ধ করতে পারেনি। প্রতি বছর আবার নতুন বলি দিতে হতো।

ইব্রীয় পুস্তক বলে:

“কারণ ষাঁড় ও ছাগলের রক্ত যে পাপ দূর করতে পারে না।”
— ইব্রীয় ১০:৪

অর্থাৎ পুরাতন নিয়মের সমস্ত বলিদান ছিল এক মহান ভবিষ্যৎ বলির ছায়া।

যীশু: ঈশ্বরের মেষশাবক
♥️♥️♥️♥️♥️♥️
যোহন বাপ্তাইজক যখন যীশুকে দেখলেন, তিনি ঘোষণা করলেন:

“দেখ, ঈশ্বরের মেষশাবক, যিনি জগতের পাপ বহন করেন।”
— যোহন ১:২৯

যীশু শুধু একজন নবী বা শিক্ষক ছিলেন না; তিনি সেই নিখুঁত ও পাপহীন বলি, যিনি সমগ্র মানবজাতির পাপের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করলেন। পুরাতন নিয়মের সব পশুবলি তাঁর দিকেই ইঙ্গিত করছিল।

ক্রুশের বলিদান: একবারেই চিরকালের জন্য
📣📣📣📣📣📣
যখন যীশু ক্রুশে প্রাণ দিলেন, তখন তিনি বললেন:

“সমাপ্ত হল।”
— যোহন ১৯:৩০

এই কথার অর্থ ছিল মুক্তির কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। আর কোনো পশুবলি, ধর্মীয় আচার বা মানুষের প্রচেষ্টার মাধ্যমে পাপ মোচনের প্রয়োজন নেই। যীশুর রক্ত একবারেই চিরকালের জন্য যথেষ্ট।

ইব্রীয় ১০:১০ ঘোষণা করে:

“যীশু খ্রিস্টের দেহ একবার উৎসর্গিত হওয়ার দ্বারা আমরা পবিত্র হয়েছি।”

এবং ইব্রীয় ১০:১২ বলে:

“কিন্তু তিনি পাপের জন্য এক বলি উৎসর্গ করে চিরকালের জন্য ঈশ্বরের দক্ষিণে বসেছেন।”

পুরোহিতেরা প্রতিদিন দাঁড়িয়ে বারবার বলিদান করত, কারণ সেই বলি কখনো সম্পূর্ণ মুক্তি দিতে পারত না। কিন্তু যীশু একবার নিজেকে উৎসর্গ করলেন এবং তাঁর কাজ সম্পূর্ণ হলো।

কেন যীশুর বলিদান পরিপূর্ণ?
📢📢📢📢📢📢
১. তিনি পাপহীন ছিলেন

যীশুর মধ্যে কোনো পাপ ছিল না। তাই তিনি অন্য সকল মানুষের পরিবর্তে নিখুঁত বলি হতে পেরেছেন।

২. তিনি স্বেচ্ছায় নিজেকে দিলেন

কেউ তাঁকে বাধ্য করেনি। তিনি প্রেমের কারণে নিজের জীবন দিলেন।

“বন্ধুদের জন্য প্রাণ দেওয়ার চেয়ে বড় প্রেম আর নেই।”
— যোহন ১৫:১৩

৩. তাঁর বলি চিরস্থায়ী

পশুবলি সাময়িক ছিল, কিন্তু যীশুর বলিদান চিরকালের জন্য কার্যকর।

৪. ঈশ্বর ও মানুষের মধ্যে পথ খুলে দিল

যীশুর মৃত্যুর সময় মন্দিরের পর্দা ছিঁড়ে গিয়েছিল। এটি দেখায় যে এখন মানুষ সরাসরি ঈশ্বরের কাছে আসতে পারে।

আমাদের জন্য এর অর্থ কী?
🔔🔔🔔🔔🔔🔔🔔
যীশুর আত্মবলিদান আমাদের জন্য ক্ষমা, অনুগ্রহ ও নতুন জীবনের দরজা খুলে দিয়েছে। এখন মুক্তি কোনো ধর্মীয় কাজের মাধ্যমে নয়, বরং বিশ্বাসের মাধ্যমে পাওয়া যায়।

“কারণ অনুগ্রহেই তোমরা বিশ্বাসের দ্বারা পরিত্রাণ পেয়েছ।”
— ইফিষীয় ২:৮

যে ব্যক্তি যীশুর উপর বিশ্বাস করে, সে পাপের ক্ষমা ও অনন্ত জীবন লাভ করে।

উপসংহার
💬💬💬💬💬
যীশু খ্রিস্টের আত্মবলিদান মানব ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ বলিদান। পুরাতন নিয়মের সমস্ত উৎসর্গ ও পশুবলি তাঁর মধ্যেই পূর্ণতা পেয়েছে। তিনি সেই এক বলি, যিনি সমস্ত বলিদানকে শেষ করেছেন এবং ঈশ্বরের সঙ্গে মানুষের পুনর্মিলনের পথ খুলে দিয়েছেন।

আজ আর কোনো পশুবলি বা রক্তের প্রয়োজন নেই, কারণ ক্রুশে যীশুর রক্তই যথেষ্ট। তাঁর বলিদান সম্পূর্ণ, পরিপূর্ণ এবং চিরন্তন।

Resource: prompt and help from ChatGBT

Made by Manus AI
05/19/2026

Made by Manus AI

05/10/2026

🕊️ **একটি গল্প — মা দিবসের উপলক্ষে**

একজন মায়ের তিন ছেলে ছিল। তারা শিক্ষায়, দীক্ষায় ও ধন-সম্পদে অনেক প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। একদিন তিন ভাই একসাথে বসে চিন্তা করল — *"মাকে এবার সবচেয়ে সেরা উপহার দিতে হবে।"*

তখন মায়ের বয়স অনেক হয়ে গেছে। চোখে কম দেখেন, হাঁটার শক্তি নেই, জীবন কেবল একটি ছোট ঘরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

প্রথম ছেলে মায়ের জন্য একটি বিশাল আলিশান বাড়ি কিনে দিল।
দ্বিতীয় ছেলে কিনে দিলেন দামী Mercedes গাড়ি।
তৃতীয় ছেলে দিলেন একটি টিয়া পাখি — যাকে একজন সন্ন্যাসীর কাছে দীর্ঘদিন প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল, যেন সে সম্পূর্ণ পবিত্র বাইবেল মুখস্থ বলতে পারে। যেকোনো অধ্যায়ের নাম বললেই সেই টিয়া পাখি মুখে মুখে শুনিয়ে দেবে।

কিছুদিন পর মা তিন ছেলেকে আলাদা আলাদা চিঠি লিখলেন।

**প্রথম ছেলেকে লিখলেন:**
*"বাড়িটি অনেক বড়, কিন্তু আমার পক্ষে সামলানো সম্ভব নয়। আমি এখন একটি ছোট ঘরেই থাকি। বাগানে যাওয়ার বা উঠানে বসার শক্তি আর নেই। এই বাড়ি আমার বিশেষ কাজে আসবে না।"*

**দ্বিতীয় ছেলেকে লিখলেন:**
*"গাড়িটি নিঃসন্দেহে দামী, কিন্তু আমি এখন আর বাইরে যেতে পারি না। একটি ঘরেই আমার দুনিয়া। তাই এই গাড়ি ব্যবহার করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়।"*

**তৃতীয় ছেলেকে লিখলেন:**
*"তোমার দূরদর্শিতার জন্য অনেক ধন্যবাদ। এখন আর চোখে পড়তে পারি না, কিন্তু প্রতিদিন তোমার দেওয়া টিয়া পাখি আমাকে পবিত্র বাইবেলের বাণী শুনিয়ে দেয়। জীবনের এই শেষ বেলায় এটিই আমার সবচেয়ে বড় প্রয়োজন ছিল।"*

---

💬 **গল্পের শিক্ষা:**

সবচেয়ে দামী উপহার সবসময় সেরা উপহার নয়।
**যার যা প্রয়োজন, তাকে তাই দেওয়াই প্রকৃত ভালোবাসা।**

তৃতীয় ছেলে হয়তো সবচেয়ে কম দামী জিনিস দিয়েছিল — কিন্তু সে মায়ের *হৃদয়ের* কথা বুঝেছিল। বৃদ্ধ মায়ের আর কিছু চাই না — শুধু ঈশ্বরের বাণী, প্রতিটি দিন, প্রতিটি মুহূর্তে।

এই মা দিবসে আমরা কি ভাবতে পারি — আমাদের মায়েদের *আসল* প্রয়োজনটা কী? 🙏

**Happy Mother's Day** 💐

@followers

নিজের শত্রু নিজেই তৈরি করাহিতোপদেশ ৬:৩৪ — একটি সতর্কতামূলক বার্তা # # # # # # # # # # # # # # # #📖 মূল শাস্ত্রপদহিতোপদেশ...
05/09/2026

নিজের শত্রু নিজেই তৈরি করা

হিতোপদেশ ৬:৩৪ — একটি সতর্কতামূলক বার্তা
# # # # # # # # # # # # # # # #
📖 মূল শাস্ত্রপদ
হিতোপদেশ ৬:৩৩-৩৫ (NIV অনুবাদ)
“কারণ ঈর্ষা একজন স্বামীর ক্রোধকে জাগিয়ে তোলে, এবং সে প্রতিশোধ নেওয়ার সময় কোনো দয়া দেখাবে না। সে কোনো ক্ষতিপূরণ গ্রহণ করবে না; সে যত বড় উপহারই হোক না কেন ঘুষ প্রত্যাখ্যান করবে।”

ভূমিকা: আজকের প্রজন্মের এক বিপজ্জনক পাপ
প্রিয় ভাই ও বোনেরা,
আজকে আমি আপনাদের সামনে এমন একটি সত্য তুলে ধরতে চাই যা শুনতে কঠিন লাগতে পারে, কিন্তু এটি ঈশ্বরের বাক্য থেকে আসছে — এবং ঈশ্বরের বাক্য সবসময় আমাদের প্রেমের সাথে সতর্ক করে।
আজকের প্রজন্মে এমন একটি পাপ মহামারীর মতো ছড়িয়ে পড়েছে যা মানুষকে নিজের হাতে নিজের শত্রু তৈরি করতে বাধ্য করছে। সেই পাপের নাম হলো ব্যভিচার এবং যৌন অনৈতিকতা।
সামাজিক মিডিয়া, অ্যাপ, গোপন চ্যাট, বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্ক — এই প্রজন্মের মানুষ ভাবছে, “কেউ জানবে না।” কিন্তু ঈশ্বরের বাক্য আজ থেকে হাজার বছর আগেই বলে দিয়েছে — এই পাপ তোমার জীবনে এমন শত্রু তৈরি করবে যাকে তুমি কোনো অর্থ দিয়েও থামাতে পারবে না।

১ম পয়েন্ট: পাপ গোপন থাকে না
লূক ১২:২ — “এমন কিছুই ঢেকে রাখা নেই যা প্রকাশ পাবে না, এবং এমন কিছুই গোপন নেই যা জানা যাবে না।”
আজকের মানুষ মনে করে প্রযুক্তি তাদের পাপ লুকিয়ে রাখবে। কিন্তু দেখুন — প্রতিদিন কত পরিবার ভেঙে পড়ছে, কত সংসার ধ্বংস হচ্ছে, কত মানুষ সামাজিকভাবে লাঞ্ছিত হচ্ছে।

হিতোপদেশ ৬:২৭-২৮ বলে: “কেউ কি বুকে আগুন নিয়ে চলতে পারে, আর তার কাপড় না পুড়ে? কেউ কি জ্বলন্ত কয়লার উপর হাঁটতে পারে, আর তার পা না পুড়ে?”

পাপের সাথে খেলা করা মানে আগুনের সাথে খেলা করা। একদিন না একদিন সেই আগুন ছড়িয়ে পড়বেই।

২য় পয়েন্ট: ব্যভিচার নিজের শত্রু নিজে তৈরি করে

হিতোপদেশ বলে যে যে স্বামী/স্ত্রী প্রতারিত হয়েছেন, তাঁরা উগ্র ঈর্ষায় জ্বলে উঠবেন। যারা প্রতিশোধ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, তারা দয়া দেখাতে রাজি নন। ইতিহাস এবং সংবাদ পত্রিকা ভরা আছে সেই ঘটনায় যেখানে প্রতারিত স্বামী ঈর্ষার ক্রোধে কী করেছেন। 
ভাই ও বোনেরা, লক্ষ্য করুন —
• স্বামী বা স্ত্রীকে প্রতারণা করলে আপনি একজন নিষ্ঠুর শত্রু তৈরি করছেন।
• সেই শত্রুকে কোনো টাকা দিয়ে শান্ত করা যায় না।
• সেই শত্রুকে কোনো উপহার দিয়ে থামানো যায় না।
• হিতোপদেশ ৬:৩৫ বলে, “সে কোনো ক্ষতিপূরণ গ্রহণ করবে না; সে যত বড় ঘুষই হোক প্রত্যাখ্যান করবে।” 
এই শত্রু আপনার নিজের হাতে তৈরি করা! আপনি নিজে নিজের বিরুদ্ধে অস্ত্র তুলে নিয়েছেন!

৩য় পয়েন্ট: আত্মিক ব্যভিচারও সমান বিপজ্জনক
খ্রিস্টানদের জন্য, যীশু খ্রিস্টই হলেন স্বামী, এবং তিনি সম্পূর্ণ আনুগত্য দাবি করেন। ঈশ্বর বিবেচনা করেন যে জগতের সাথে যেকোনো বন্ধুত্ব তাঁর বিরুদ্ধে আত্মিক ব্যভিচার। আত্মিক ব্যভিচার হলো এই জগতের জিনিস বা মিথ্যা ধর্মকে ভালোবাসা সত্যিকার ঈশ্বরের পরিবর্তে। 
যাকোব ৪:৪ বলে: “হে ব্যভিচারিণীরা, তোমরা কি জানো না যে জগতের বন্ধুত্ব ঈশ্বরের শত্রুতা?”
আজকের প্রজন্মের খ্রিস্টানরা —
• মন্ডলীর চেয়ে সোশ্যাল মিডিয়াকে বেশি ভালোবাসছে।
• ঈশ্বরের বাক্যের চেয়ে সংস্কৃতির প্রবাহকে বেশি অনুসরণ করছে।
• প্রার্থনার চেয়ে পার্টিকে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছে।
এটিও এক ধরনের ব্যভিচার — আত্মিক ব্যভিচার — এবং এটিও ঈশ্বরের ক্রোধকে জাগিয়ে তোলে।

৪র্থ পয়েন্ট: পরিণতি অবশ্যম্ভাবী
গালাতীয় ৬:৭-৮ — “নিজেদের প্রতারণা করো না, ঈশ্বরকে ঠাট্টা করা যায় না। কারণ মানুষ যা বপন করে, তাই কাটবে। যে নিজের পাপিষ্ঠ স্বভাবের জন্য বপন করে, সে সেই স্বভাব থেকে ধ্বংস কাটবে।”

ব্যভিচারের পরিণতি কী?

শারীরিক পরিণতি: পরিবার ভাঙা, সন্তানদের মানসিক আঘাত, সামাজিক লজ্জা, রোগ।
আত্মিক পরিণতি: ঈশ্বরের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন, আত্মার মৃত্যু, চিরন্তন বিচার।
সামাজিক পরিণতি: ঈর্ষার রাগ এবং নিষ্ঠুর প্রতিশোধ হলো এই জঘন্য পাপের স্বাভাবিক পরিণতি।  ঈশ্বরকে বিশেষভাবে বিচারের ব্যবস্থা করতে হয় না — পৃথিবীর স্বাভাবিক নিয়মেই এর প্রতিশোধ আসে।

৫ম পয়েন্ট: আজকের প্রজন্মের জন্য বিশেষ সতর্কতা
প্রিয় তরুণ ভাই ও বোনেরা, আজকের যুগে এই পাপ নতুন রূপ নিয়েছে:
• অনলাইনে গোপন সম্পর্ক — ঈশ্বর দেখছেন।
• পর্নোগ্রাফি — এটিও হৃদয়ের ব্যভিচার (মথি ৫:২৮)।
• বিবাহ-পূর্ব যৌন সম্পর্ক — ঈশ্বর বিবাহের বাইরে কোনো যৌন সম্পর্ক অনুমোদন করেন না।
• মানসিক ব্যভিচার — হৃদয়ে অন্যকে স্থান দেওয়া।
১ করিন্থীয় ৬:১৮-১৯ — “যৌন অনৈতিকতা থেকে পালাও। তোমরা কি জানো না যে তোমাদের শরীর পবিত্র আত্মার মন্দির?”

সমাপ্তি: ক্ষমা আছে, কিন্তু ফেরার পথ নিতে হবে এখনই
প্রিয় বন্ধুরা, এই সার্মন কাউকে দোষী করার জন্য নয়। এটি ঈশ্বরের প্রেমের সতর্কবার্তা।
যীশু সেই মহিলাকে বলেছিলেন যাকে ব্যভিচারে ধরা হয়েছিল: “আমিও তোমাকে দোষী করি না। যাও, আর পাপ করো না।” (যোহন ৮:১১)
ঈশ্বর ক্ষমা করতে প্রস্তুত। কিন্তু আপনাকে আজই ফিরে আসতে হবে।
আজই সিদ্ধান্ত নিন:
✅ গোপন পাপ স্বীকার করুন ঈশ্বরের কাছে।
✅ সেই সম্পর্ক বা পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসুন।
✅ জবাবদিহিতার জন্য একজন বিশ্বস্ত ভাই বা বোনকে খুঁজুন।
✅ ঈশ্বরের বাক্যে নিজেকে গড়ে তুলুন।

হিতোপদেশ ৬:৩৪ আমাদের মনে করিয়ে দেয় — ব্যভিচার এমন শত্রু তৈরি করে যাকে কোনো অর্থ বা উপহার দিয়ে থামানো যায় না। কিন্তু ঈশ্বরের অনুগ্রহ সেই সমস্ত শত্রুতার চেয়েও বড়। তাঁর কাছে ফিরে আসুন — আজই।
আমেন।

এই সার্মন হিতোপদেশ ৬:২০-৩৫, যোহন ৮:১-১১, ১ করিন্থীয় ৬:১৮-২০, গালাতীয় ৬:৭-৮, এবং যাকোব ৪:৪ এর উপর ভিত্তি করে রচিত।

Resource by Claude

“দেশে দুর্ভিক্ষ হইল, তখন অব্রাম মিসরে প্রবাস করিতে যাত্রা করিলেন; কেননা (কনান) দেশে ভারী দুর্ভিক্ষ হইয়াছিল।”‭‭আদিপুস্তক‬...
05/03/2026

“দেশে দুর্ভিক্ষ হইল, তখন অব্রাম মিসরে প্রবাস করিতে যাত্রা করিলেন; কেননা (কনান) দেশে ভারী দুর্ভিক্ষ হইয়াছিল।”
‭‭আদিপুস্তক‬ ১২:‭১০বিবিএস‬

প্রাচীন মিশরের ইতিহাস : আদিপুস্তক ১২
প্রাচীন মিশরে অভিবাসন ব্যবস্থা
অব্রাহামের মিশর ভ্রমণের প্রেক্ষাপট
আদিপুস্তক ১২:১০–২০
সময়কাল: প্রায় ২০০০–১৮০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ | মধ্য ব্রোঞ্জ যুগ


১. কেন অব্রাহাম মিশরে গেলেন?
কেনান দেশে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছিল। তাই অব্রাহাম তাঁর পরিবার ও সম্পদ নিয়ে মিশরে যান, কারণ মিশরে তখন খাবারের অভাব ছিল না। নীলনদের কারণে সেখানে সবসময় ফসল ভালো হতো।
ইতিহাস থেকেও জানা যায়, আশেপাশের দেশ থেকে অনেক মানুষ তখন মিশরে আশ্রয় নিতে আসত — বিশেষ করে কেনান ও সিরিয়া অঞ্চল থেকে।

২. মিশরে ঢোকার নিয়ম কী ছিল?
মিশরে ঢোকা সহজ ছিল না। সীমান্তে কড়া নিয়ম ছিল:
✦ মানুষকে নির্দিষ্ট পথ দিয়ে ঢুকতে হতো (সিনাই দিক দিয়ে)
✦ সীমান্তে কর্মকর্তারা তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করতেন
✦ নাম, কোথা থেকে এসেছে, কেন এসেছে — সব লিখে রাখা হতো
✦ অনুমতি না পেলে ঢোকা যেত না

৩. ফৌরনের কর্মকর্তারা কী করতেন?
রাজকীয় কর্মকর্তারা বিদেশিদের খেয়াল রাখতেন। আদিপুস্তকে বলা হয়েছে, তারা সারাইকে দেখে ফারাওকে জানায়। এর মানে হলো — কোনো গুরুত্বপূর্ণ বা আকর্ষণীয় মানুষ এলে তা সরাসরি ফারাওকে জানানো হতো।

৪. বিদেশিরা কেমনভাবে থাকত?
বিদেশিরা মিশরে থাকতে পারত, কিন্তু কিছু নিয়ম মানতে হতো:
✦ তারা স্থায়ী নাগরিক ছিল না
✦ সরকার তাদের তালিকাভুক্ত রাখত
✦ কর দিতে হতো
✦ ব্যবসা করতে পারত

অব্রাহামও এই ধরনের অতিথি হিসেবে ছিলেন। ফৌরন্ তাঁকে সম্মান করে গবাদিপশু ও দাস-দাসী উপহার দিয়েছিলেন।

৫. ফৌরনের ক্ষমতা কতটা ছিল?
মিশরে ফৌরনের ক্ষমতা ছিল সর্বোচ্চ। তিনি যেকোনো বিদেশিকে থাকতে দিতে বা বের করে দিতে পারতেন। অব্রাহামকে শেষে সম্মানের সঙ্গে দেশ ছেড়ে যেতে বলা হয়েছিল।

৬. সংক্ষেপে মিশরের অভিবাসন ব্যবস্থা
✦ সীমান্তে কড়া নিয়ন্ত্রণ ছিল
✦ বিদেশিদের নাম নথিভুক্ত করা হতো
✦ ফৌরনের চূড়ান্ত ক্ষমতা ছিল
✦ দুর্ভিক্ষের সময় মানুষকে ঢুকতে দেওয়া হতো
✦ প্রয়োজনে তাদের বের করে দেওয়া হতো

৭. এই তথ্যের প্রমাণ কোথায়?
ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব থেকে এই বিষয়গুলো জানা যায়, যেমন:
✦ মিশরের পুরনো সমাধির ছবি — যেখানে বিদেশিদের প্রবেশ দেখা যায়
✦ প্রাচীন লেখাগুলো, যেখানে সীমান্ত নিয়মের বর্ণনা আছে
✦ সরকারি নথি, যেখানে বিদেশিদের তথ্য লেখা থাকত

উপসংহার
আদিপুস্তকে অব্রাহামের মিশর ভ্রমণের যে বর্ণনা আছে, তা ইতিহাসের সাথে অনেকটাই মিলে যায়। মিশরে তখন নিয়ম মেনে বিদেশিদের প্রবেশ, তাদের নিবন্ধন, এবং ফৌরনের শক্তিশালী নিয়ন্ত্রণ — সবই বাস্তব ঘটনা ছিল।

Resource by Claude

আপনার বোঝা ভাগ করে নিন
04/29/2026

আপনার বোঝা ভাগ করে নিন

လက်တွဲဖော်ရှိသော ခရီး
"ငါဆင်းလာ၍ ထိုနေရာ၌ သင်နှင့်စကားပြောမည်။ ငါသည် သင်၌ရှိသည့်ဝိညာဉ်တော်ကိုနုတ်ယူ၍ ထိုသူတို့ထဲသို့ သွင်းပေးမည်။ သူတို့သည် သင်နှင့်အတူ ထိုလူမျိုး၏ဝန်ကို ထမ်းကြရလိမ့်မည်။ သို့ဖြစ်၍ သင်တစ်ယောက်တည်း ထမ်းရတော့မည်မဟုတ်။" (တောလည်ရာ ၁၁း၁၇)

ကျွန်ုပ်တို့ လူသားများသည် "စူပါမန်း" များ မဟုတ်ကြပါ။ မောပန်းတတ်သည်၊ စိတ်ဓာတ်ကျတတ်သည်၊ အင်အားကုန်ခမ်းတတ်သည်။ မောရှေသည် ဣသရေလလူသန်းပေါင်းများစွာ၏ ဝန်ကို တစ်ယောက်တည်း ထမ်းရွက်နေရသဖြင့် "ကျွန်ုပ်တစ်ယောက်တည်း မတတ်နိုင်ပါ၊ ဝန်လေးလွန်းပါသည်" ဟု ဘုရားသခင်ထံ ညည်းတွားခဲ့သည်။ ဘုရားသခင်၏ အဖြေမှာ ထိုဝန်ကို ပယ်ဖျက်ပေးလိုက်ခြင်း မဟုတ်ဘဲ၊ ထိုဝန်ကို ဝိုင်းဝန်းသယ်ပိုးမည့် "လက်တွဲဖော်" များကို ဖန်တီးပေးခြင်း ဖြစ်သည်။

ဘုရားသခင်၏ နည်းလမ်းမှာ သင်တစ်ယောက်တည်း ကြံ့ကြံ့ခံနေရန် မဟုတ်ဘဲ၊ ဝိညာဉ်တော် ခွန်အားတူညီသော သူများနှင့်အတူ လက်တွဲလျှောက်လှမ်းရန် ဖြစ်သည်။

ဝန်ကို တစ်ယောက်တည်း မထမ်းဘဲ လက်တွဲဖော်ရှိမှသာ ပန်းတိုင်ရောက်နိုင်ကြောင်းကို ၁၉၅၃ ခုနှစ်၊ မေလ (၂၉) ရက်နေ့ ကမ္ဘာ့အမြင့်ဆုံး ဧဝရက်တောင် (Mount Everest) ကို ပထမဆုံး တက်ရောက်နိုင်ခဲ့သည့် သမိုင်းဝင်ဖြစ်ရပ်နှင့် နှိုင်းယှဉ်ကြည့်နိုင်ပါသည်။

နယူးဇီလန်နိုင်ငံသား အက်မွန် ဟစ်လာရီ (Edmund Hillary) နှင့် ရှာပါလူမျိုး တင်းဇင်း နော်ဂေး (Tenzing Norgay) တို့ နှစ်ဦးသည် ကမ္ဘာ့အမြင့်ဆုံး တောင်ထိပ်သို့ အတူတကွ ရောက်ရှိခဲ့ကြသည်။ သူတို့ မတက်ရောက်ခင်က လူပေါင်းများစွာ ကြိုးစားခဲ့သော်လည်း တစ်ကိုယ်တော် စွမ်းရည်ပြလိုသူများ၊ အဖွဲ့အစည်း မခိုင်မာသူများ ကျဆုံးခဲ့ကြသည်။ ဟစ်လာရီနှင့် တင်းဇင်းတို့သည် တစ်ယောက်နှင့်တစ်ယောက် အောက်ဆီဂျင်ဘူးများ၊ ရိက္ခာများနှင့် တောင်တက်ပစ္စည်း ဝန်ထုပ်ဝန်ပိုးများကို မျှဝေထမ်းပိုးခဲ့ကြသည်။ တစ်ယောက်ခြေချော်လျှင် တစ်ယောက်က ကြိုးဆွဲတင်ပေးရင်း အသက်ရှင်သန်ခဲ့ကြသည်။

တောင်ထိပ်ရောက်ပြီးနောက် ဟစ်လာရီက "တင်းဇင်းသာ မပါလျှင် ကျွန်တော် ဒီနေရာကို ဘယ်တော့မှ ရောက်လာနိုင်မှာ မဟုတ်ဘူး" ဟု ဝန်ခံခဲ့သည်။ ဧဝရက်တောင်ထိပ်ကို တစ်ယောက်တည်း တက်၍မရသကဲ့သို့၊ ဘဝ၏ ကြီးမားသော ဝန်ထုပ်များကိုလည်း တစ်ယောက်တည်း ထမ်း၍မရပါ။ ဘုရားသခင်သည် မောရှေအတွက် အကြီးအကဲ (၇၀) ကို ပြင်ဆင်ပေးသကဲ့သို့၊ သင့်အတွက်လည်း ဆုတောင်းဖက်များ၊ မိတ်ဆွေစစ်များနှင့် မိသားစုကို "တင်းဇင်း" ကဲ့သို့ ဝန်ကို မျှဝေထမ်းပိုးရန် သင့်ဘေးနားတွင် ထားရှိပေးထားပါသည်။

ဆင်ခြင်လုပ်ဆောင်ရန်
- တစ်ကိုယ်တော် မနေပါနှင့်
အခက်အခဲကြုံလာချိန်တွင် တစ်ယောက်တည်း ကြိတ်မှိတ်ခံစားမနေဘဲ၊ ဘုရားသခင် ပြင်ဆင်ပေးထားသော ယုံကြည်စိတ်ချရသူ မိတ်ဆွေစစ်များထံ ရင်ဖွင့်တိုင်ပင်ပါ။

- မာနကို ချထားပါ
"ငါ့အကြောင်း ငါပဲသိတယ်၊ ဘယ်သူ့အကူအညီမှ မလိုဘူး" ဟူသော မာနသည် သင့်ကို ပို၍ ပင်ပန်းစေသည်။ အကူအညီတောင်းခံခြင်းသည် အားနည်းခြင်းမဟုတ်ဘဲ ဉာဏ်ပညာရှိခြင်း ဖြစ်သည်။

- ဝန်ကို မျှဝေပါ
သင့်မိသားစု၊ သင့်အသင်းတော်၊ သင့်လုပ်ငန်းခွင်တွင် အရာရာကို ခေါင်းခံမနေဘဲ၊ အခြားသူများကိုလည်း တာဝန်ခွဲဝေပေးခြင်းအားဖြင့် သူတို့၏ အရည်အချင်းကို မြှင့်တင်ပေးရာရောက်သလို၊ သင့်ဝန်လည်း ပေါ့ပါးသွားစေရန် လုပ်ဆောင်ပါ။

(အထက်ပါစာသားလေးဟာ သင့်အတွက် ကောင်းကြီးဖြစ်ခဲ့ရင် ကျေးဇူးပြုပြီး
"မှတ်ချက်" တစ်ခုရေးပေးပါ၊
Like လုပ်ပေးပါ၊
မျှဝေပေးပါလို့ တောင်းဆိုပါရစေ..။)

ဘုရားရှင် ကောင်းကြီးပေးပါစေ။

#ရွှေခါနာန်ဝိညာဉ်အာဟာရ
#ဝိညာဉ်ရေးရာ #ဝတ်ပြုကိုးကွယ်ခြင်း #ဆုတောင်းခြင်း #နေ့စဉ်နှုတ်ကပါတ်တော် #ခရစ်ယာန် #အသင်းတော် #ဝိညာဉ်ခွန်အား

প্রভু যীশুর পুনরুত্থান থেকে স্বর্গারোহণের সময়ের গুরুত্বআমোষ দেউরীভূমিকা:আমাদের মনে রাখা প্রয়োজন যে, খ্রীষ্টের পুনরুত্থ...
04/27/2026

প্রভু যীশুর পুনরুত্থান থেকে স্বর্গারোহণের সময়ের গুরুত্ব

আমোষ দেউরী

ভূমিকা:
আমাদের মনে রাখা প্রয়োজন যে, খ্রীষ্টের পুনরুত্থানেই পবিত্র বাইবেলের সব শেষ হয়ে যায় না। খ্রীষ্টের পুনরুত্থান থেকে স্বর্গারোহণের ৪০ দিন এই পৃথিবীতে খ্রীষ্টের অত্যন্ত মহিমান্বিত সময়। এই দিনগুলোতে যীশু কমপক্ষে বারোবার শিষ্যদের দেখা দিয়েছেন, যা পবিত্র নতুন নিয়মের লেখকগণ লিপিবদ্ধ করেছেন।
এই সময়ে যীশু ঈশ্বরের রাজ্যের বিভিন্ন বিষয়ে তাঁদের শিক্ষা দিয়েছেন:
“আপন দুঃখভোগের পরে তিনি অনেক প্রমাণ দ্বারা তাঁহাদের নিকটে আপনাকে জীবিত দেখাইলেন, ফলতঃ চল্লিশ দিন যাবৎ তাঁহাদিগকে দর্শন দিলেন, এবং ঈশ্বরের রাজ্যের বিষয় নানা কথা বলিলেন।”
— প্রেরিত ১:৩
খ্রীষ্ট সম্পর্কে সব ঘটনা পবিত্র বাইবেলে লিখিত হয়নি। সেই কারণে প্রেরিত যোহন স্মরণ করিয়ে দেন:
“যীশু আরও অনেক কর্ম করিয়াছিলেন; সেই সকল যদি এক এক করিয়া লেখা যায়, তবে আমার বোধ হয়, লিখিতে লিখিতে এত গ্রন্থ হইয়া উঠিত যে, জগতেও তাহা ধরিত না।”
— যোহন ২১:২৫
যীশুর পুনরুত্থানের পরবর্তী ঘটনাগুলোর তাৎপর্য আমাদের জানা ও ধ্যান করার বিষয় রয়েছে।

প্রথমত: কেন ৪০ দিন?

পবিত্র বাইবেলে ৪০ সংখ্যাটি ১৪৬ বার প্রকাশিত হয়েছে। এই সংখ্যার মধ্য দিয়ে অনেক মহিমা ও গুরুত্ব প্রকাশিত হয়েছে। যেমন:
• নোহের সময় — ৪০ দিন-রাত বৃষ্টি হয়েছিল।
• মোশি — ৪০ বছর মরুভূমিতে এবং ৪০ দিন পর্বতে ছিলেন।
• যোনা ভাববাদী — ৪০ দিন নীনবীর অধিবাসীদের মন পরিবর্তনের সময় দিয়েছিলেন।
• যীশু — ৪০ দিন উপবাস করেছিলেন ও শয়তান দ্বারা প্রলোভিত হয়েছিলেন; পুনরুত্থানের পরেও ৪০ দিন পৃথিবীতে ছিলেন।

৪০ দিনের মাহাত্ম্য: St. Thomas Aquinas-এর দুটি প্রাথমিক কারণ
১. পুনরুত্থানের সত্যতা প্রমাণ:
প্রভু যীশু অনেকবার শিষ্যদের দেখা দিয়েছেন, কথা বলেছেন, তাদের সাথে খাওয়া-দাওয়া করেছেন এবং তাঁকে স্পর্শ করতে দিয়েছেন।
২. পুনরুত্থানের মহিমা প্রকাশ:
যীশু ক্রমাগতভাবে শিষ্যদের সাথে থাকেননি, কারণ তারা যেন মনে না করেন যে যীশু আগের মতোই তাদের সাথে আছেন। পুনরুত্থানের প্রমাণ শিষ্যরা মেনে নেওয়ার পর বারবার দর্শন দেওয়ার প্রয়োজন ছিল না।
(সূত্র: Summa Theologiae, Part III, Q. 55, Art. 3)

দ্বিতীয়ত: পুনরুত্থানের পরে যীশু শিষ্যদের বুদ্ধির দ্বার উন্মুক্ত করেছেন
যীশুর সাথে থাকা সত্ত্বেও শিষ্যরা তাঁর শিক্ষা সম্পূর্ণ বুঝতে পারেননি। উদাহরণস্বরূপ, যীশু যখন প্রথম যিরূশালেম মন্দির পরিষ্কার করেন, তখন যিহূদীরা চিহ্ন চাইলে যীশু বলেছিলেন:
“তোমরা এই মন্দির ভাঙ্গিয়া ফেল, আমি তিন দিনের মধ্যে ইহা উঠাইব। তখন যিহূদীরা কহিল, এই মন্দির নির্মাণ করিতে ছেচল্লিশ বৎসর লাগিয়াছে; তুমি কি তিন দিনের মধ্যে ইহা উঠাইবে? কিন্তু তিনি আপন দেহরূপ মন্দিরের বিষয় বলিতেছিলেন। অতএব যখন তিনি মৃতগণের মধ্য হইতে উঠিলেন, তখন তাঁহার শিষ্যদের মনে পড়িল যে, তিনি এই কথা বলিয়াছিলেন; আর তাঁহারা শাস্ত্রে এবং যীশুর কথিত বাক্যে বিশ্বাস করিলেন।”
— যোহন ২:১৯-২২
“তখন তিনি তাঁহাদের বুদ্ধিদ্বার খুলিয়া দিলেন, যেন তাঁহারা শাস্ত্র বুঝিতে পারেন; আর তিনি তাঁহাদিগকে কহিলেন, এইরূপ লিখিত আছে যে, খ্রীষ্ট দুঃখভোগ করিবেন, এবং তৃতীয় দিনে মৃতগণের মধ্য হইতে উঠিবেন।”
— লূক ২৪:৪৫-৪৬
প্রকৃতপক্ষে, যীশু বুদ্ধি উন্মুক্ত না করলে খ্রীষ্টের মৃত্যু ও পুনরুত্থানের তাৎপর্য বোঝা সম্ভব নয়।

তৃতীয়ত: যীশু সুসমাচার প্রচারের নির্দেশনা দিয়েছেন
“আর তাঁহার নামে পাপমোচনার্থক মন পরিবর্তনের কথা সর্বজাতির কাছে প্রচারিত হইবে — যিরূশালেম হইতে আরম্ভ করা হইবে। তোমরাই এই সকলের সাক্ষী।”
— লূক ২৪:৪৭-৪৮

চতুর্থত: শিষ্যদের পবিত্র আত্মার জন্য অপেক্ষা করতে বলা হয়েছে
“আর দেখ, আমার পিতা যাহা প্রতিজ্ঞা করিয়াছেন, তাহা আমি তোমাদের নিকটে প্রেরণ করিতেছি; কিন্তু যে পর্যন্ত ঊর্ধ্ব হইতে শক্তি পরিহিত না হও, সেই পর্যন্ত তোমরা এই নগরে অবস্থিতি কর।”
— লূক ২৪:৪৯
পবিত্র আত্মার শক্তি ছাড়া সুসমাচার প্রচার করা অর্থহীন।

উপসংহার
৪০ দিনের পুনরুত্থান-পরবর্তী খ্রীষ্টের মিশন অত্যন্ত মহিমান্বিত একটি অধ্যায়, যা শিষ্যদের দিয়েছে পুনরুত্থানের নিশ্চয়তা ও মহিমার প্রমাণ। তাছাড়া আমরা দেখেছি, খ্রীষ্ট শিষ্যদের বুদ্ধির দ্বার উন্মুক্ত করেছেন যেন তারা পবিত্র শাস্ত্র বুঝতে পারেন এবং পবিত্র আত্মার শক্তিতে সুসমাচার প্রচারের কাজ করতে পারেন — যেন পাপী মানুষ পরিত্রাণ পেয়ে খ্রীষ্টের সাথে অনন্তকাল থাকতে পারেন।
আমেন।

তথ্যসূত্র:
https://www1.cbn.com/churchandministry/what-did-jesus-do-those-40-days
https://ebible.com/questions/7554-how-long-did-jesus-stay-on-earth-after-the-resurection-and-why
http://blog.adw.org/2017/04/didnt-christ-stay-disciples-continually-resurrection-ascension/

04/26/2026

পবিত্র ত্রিত্ব ঈশ্বরের মতবাদ: বুঝা কঠিন কিন্তু সত্য

— আমোষ দেউরী

ভূমিকা
বিংশ শতাব্দীর অন্যতম খ্রীষ্ট ধর্মতত্ত্ববিদ J.I. Packer পাঠকদের স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন ত্রিত্ব ঈশ্বর সম্পর্কে — "it is not easy; but true" (সহজ বিষয় নয়; কিন্তু সত্য)। প্রকৃতপক্ষে ঈশ্বর তাঁর মণ্ডলীকে অনেক বড় আশীর্বাদ দিয়েছেন এই শিক্ষা প্রকাশের মধ্য দিয়ে।
ত্রিত্ব ঈশ্বর সম্পর্কে প্রকৃত মণ্ডলী কী শিক্ষা দেয়?

ঈশ্বর এক — এক ঈশ্বরের তিন ব্যক্তি; প্রত্যেক ব্যক্তি সম্পূর্ণ ঈশ্বর; তারা হলেন পিতা, পুত্র ও পবিত্র আত্মা।
(সূত্র: Mark Driscoll & Gerry Breshears, "Doctrine: What Christians Should Believe", page 30)

ত্রিত্ব ঈশ্বর

ত্রিত্ব শব্দ বাইবেলে না থাকলেও পিতা, পুত্র ও পবিত্র আত্মা — এই মিলে এক সত্তা (one substance) — এক ঈশ্বর। কিন্তু তিনজন ব্যক্তি। যীশু তাঁর মহান আদেশে বলেছেন: "অতএব শিষ্য কর, পিতা ও পুত্র এবং পবিত্র আত্মার নামে তাহাদিগকে বাপ্তাইজ কর" — যা ত্রিত্ব ঈশ্বরকে প্রকাশ করে। যীশুর বাপ্তিস্ম গ্রহণের সময় পিতা, পুত্র ও পবিত্র আত্মার উপস্থিতি ছিল (মথি ৩:১৬-১৭)।

ত্রিত্ব শব্দ আমরা কীভাবে পেয়েছি?
'ত্রিত্ব' শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন আন্তিয়খিয়ার থিওফিলাস (Theophilus of Antioch) — ১৮০ খ্রিস্টাব্দে। (Dictionary of the Christian Church, 1641)
কেন এই শব্দের প্রয়োজন ছিল?
পবিত্র বাইবেলে ঈশ্বরকে যেভাবে প্রকাশ করা হয়েছে তা প্রকাশ করার জন্য একটি ধর্মতাত্ত্বিক শব্দের প্রয়োজন দেখা যায়। F.C. Baur বলেন: "বাইবেলের পিতা, পুত্র (Logos) ও আত্মা সংক্রান্ত ভাষা থেকে ত্রিত্ববাদ মতবাদ বিকশিত হয়েছে, কারণ চার্চের বিস্তারই প্রতিফলন, স্বীকারোক্তি ও সংলাপের প্রয়োজন তৈরি করেছিল।" (Dictionary of the Christian Church, 1641)
ধর্মতত্ত্ববিদ Loraine Boettner বলেন: "'Trinity' শব্দ বাইবেলে পাওয়া যায় না; তবে এটি যে ধারণা প্রকাশ করে তা শাস্ত্রসম্মত। আমরা অন্য কোনো শব্দ জানি না যা এই ধারণা এত ভালোভাবে প্রকাশ করে। আমরা যখন বলি ঈশ্বরের মধ্যে তিনটি আলাদা ব্যক্তি আছে, তখন এর মানে এই নয় যে প্রত্যেকে অন্যের থেকে আলাদা, যেমন এক মানুষ অন্য মানুষ থেকে ভিন্ন।" (Studies in Theology, pg. 109)

ত্রিত্ব শব্দ বাইবেলে না থাকলেও ত্রিত্ববাদ ধারণা নতুন কিছু নয়। পুরাতন নিয়মেই ঈশ্বর নিজেকে বহুবচনে প্রকাশ করেছেন (আদি ১:২৬; আদি ১১:৭)। সাধু পৌল তাঁর আশীর্বচনে ত্রিত্ব ঈশ্বরের কথা বলেছেন (২ করি ১৩:১৪)। সেই জন্য ত্রিত্ব ঈশ্বর প্রেরিত পৌলের সৃষ্টি নয় — সৃষ্টির শুরু থেকেই ত্রিত্ব ঈশ্বরের উপস্থিতি আছে। বাইবেলের প্রথম অধ্যায়ে পিতা, তাঁর পুত্র যীশু (অনন্তকালীন বাক্য) ও পবিত্র আত্মার উপস্থিতি রয়েছে (আদি ১:১-২)। (The MacArthur Study Bible, pg. 16)
ত্রিত্ব ঈশ্বর সম্পর্কে যেসব ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে (Heresies)

১. মডালিজম (Modalism)
এই শিক্ষা অনুসারে পিতাই পুত্র হয়েছেন, পুত্রই পবিত্র আত্মা হয়েছেন। মূলকথা, তারা মনে করে শুধু রূপের (mode) পরিবর্তন হয় — ত্রিত্ব ঈশ্বরের তিন ব্যক্তির আলাদা অস্তিত্ব স্বীকার করে না। এ দলের মধ্যে The United Pentecostal Church অন্যতম।

২. এরিয়ানিজম (Arianism)
যারা যীশুর ঈশ্বরত্বে বিশ্বাস করে না। যীশুকে তারা ঈশ্বরের সর্বোচ্চ সৃষ্টি হিসেবে বিশ্বাস করে। পবিত্র আত্মাকে ব্যক্তি হিসেবে নয়, বরং শক্তি হিসেবে বিবেচনা করে। ৩২৫ খ্রিস্টাব্দে মণ্ডলী কর্তৃক ভ্রান্ত দল হিসেবে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। তাদের শিক্ষা আজও Jehovah's Witnesses ও Christadelphians-সহ অনেক দলে বিদ্যমান।

৩. ত্রিঈশ্বরবাদ (Tritheism)
তারা মনে করে না যে এক ঈশ্বরের তিন ব্যক্তি আছে। তারা মনে করে তিন আলাদা ঈশ্বরে তিন সত্তা বিদ্যমান। Mormonism এই ভ্রান্ত মতের সাথে সম্পর্কিত। (সূত্র: Mark Driscoll & Gerry Breshears, "Doctrine", page 31-32)
সাধু পৌল কীভাবে ত্রিত্ব ঈশ্বরকে দেখেছেন?
পিতা ঈশ্বর:
"তবুও আমাদের জন্য ঈশ্বর মাত্র একজনই আছেন। তিনিই পিতা; তাঁরই কাছ থেকে সব কিছু এসেছে আর তাঁরই জন্য আমরা বেঁচে আছি। আর প্রভুও আমাদের মাত্র একজন, তিনি যীশু খ্রীষ্ট।" (১ করি ৮:৬) — আরও পড়ুন: গালা ১:১; ফিলিপীয় ২:১১।
পুত্র ঈশ্বর:
"পিতৃপুরুষেরা তাহাদের, এবং মাংস অনুসারে তাহাদেরই মধ্য হইতে খ্রীষ্ট উৎপন্ন হইয়াছেন, যিনি সর্বোপরিস্থ ঈশ্বর, যুগে যুগে ধন্য, আমেন।" (রোমীয় ৯:৫) — ঈশ্বরের মতো খ্রীষ্টেরও কোনো পাপ নেই (২ করি ৫:২১)। আরও পড়ুন: কলসীয় ২:৯; তীত ২:১৩।
পবিত্র আত্মা ঈশ্বর:
ঈশ্বরের আশীর্বচনে (২ করি ১৩:১৪) পিতা ও পুত্রের মাঝখানে পবিত্র আত্মাকে সমমর্যাদায় বসানো হয়েছে। তুলনীয়: ১ করি ১২:২২; ৫:৫। (The MacArthur Study Bible, pg. 1785)
যীশু কীভাবে ত্রিত্ব ঈশ্বরকে উপস্থাপন করেছেন?
পিতা ঈশ্বর:
"যীশু তাঁহাকে কহিলেন, আমাকে স্পর্শ করিও না, কেননা এখনও আমি ঊর্ধ্বে পিতার নিকটে যাই নাই... তাঁহার নিকটে আমি ঊর্ধ্বে যাইতেছি।" (যোহন ২০:১৭; যোহন ৪:২৩)
পুত্র ঈশ্বর হিসেবে যীশু নিজে:
প্রেরিত থোমা বলেছিলেন, "প্রভু আমার, ঈশ্বর আমার!" (যোহন ২০:২৮) — যীশু তা অস্বীকার করেননি। পিতা ও পুত্র সমান (যোহন ১০:৩০)। বিশ্রামবারের কর্তা (যোহন ৫:১৮)। পাপ ক্ষমা করেন ঈশ্বরের মতো (মার্ক ২:৫)। অনন্তকালীন বাক্য হিসেবে ঈশ্বর (যোহন ১:১)। তিনি পুনরুত্থান ও জীবন (যোহন ১১:২৫)। একমাত্র পথ, সত্য ও জীবন (যোহন ১৪:৬)। সব সময় অপরিবর্তনীয় (মথি ২৮:২০)। সর্বজ্ঞ (যোহন ২:২৫)। পিতা ঈশ্বরের সাথে একই সম্মান (যোহন ৫:২৩)।

পবিত্র আত্মা ঈশ্বর:
পিতা ও পুত্রের সাথে সমকক্ষ (মথি ২৮:১৯; ২ করি ১৩:১৪; ১ করি ১২:৬,১১)। প্রজ্ঞার উৎস (যোহন ১৬:১৩; ১৪:২৬)। যীশু সম্পর্কে সাক্ষ্য দেন (যোহন ১৫:২৬)। বাপ্তিস্মসূত্র (মথি ২৮:১৯)। শিক্ষাদাতা (লূক ১২:১২)। তাঁর বিরুদ্ধে পাপের ক্ষমা নেই (মথি ১২:৩১-৩২)। তাঁর শক্তিতে যীশুর কুমারীগর্ভে জন্ম (লূক ১:৩৫)। যীশুর বাপ্তিস্মে উপস্থিত ছিলেন (মথি ৩:১৬)। নতুন জন্মদান করেন (যোহন ৩:৫)।
প্রভু যীশুর শিক্ষার সাথে প্রেরিত পৌলের শিক্ষার কোনো বৈসাদৃশ্য আছে কি?

একেশ্বরবাদ: প্রভু যীশু শিক্ষা দিয়েছিলেন ঈশ্বর এক (মার্ক ১২:২৯)। সাধু পৌলও শিক্ষা দিয়েছেন ঈশ্বর এক (গালা ৩:২০)। তিনি এই শিক্ষার সাথে কখনও আপোষ করেননি। তিনি সমস্ত পৌত্তলিকতার বিরুদ্ধে কথা বলেছেন (গালা ৪:৮; ১ করি ৮:৪-৬)। পবিত্র বাইবেলে আদিপুস্তক থেকে প্রকাশিত বাক্য পর্যন্ত — "ঈশ্বর এক।"

কেন আমাদের ত্রিত্ব ঈশ্বর সম্পর্কে অধ্যয়ন করা উচিত?
• এটি সত্যের মহা আশীর্বাদ।
• বিশ্বাসীদের তাদের প্রাপ্ত পরিত্রাণের জন্য আরও ঈশ্বরের প্রশংসা করতে সাহায্য করে।
আমাদের পরিত্রাণ সম্পন্ন হয়েছে ত্রিত্ব ঈশ্বরের কাজ ও মহিমায়:
প্রেমময় পিতা ঈশ্বর সম্পর্কে প্রেরিত পৌল বলেছেন:
"আর শান্তির ঈশ্বর আপনি তোমাদিগকে সর্বতোভাবে পবিত্র করুন; এবং তোমাদের অবিকল আত্মা, প্রাণ ও দেহ আমাদের প্রভু যীশু খ্রীষ্টের আগমনকালে অনিন্দনীয়রূপে রক্ষিত হউক।" (১ থিষল ৫:২৩)
পুত্র ঈশ্বর তাঁর মণ্ডলীকে ভালোবেসে জীবন দিলেন:
"খ্রীষ্টও মণ্ডলীকে প্রেম করিলেন, আর তাহার নিমিত্ত আপনাকে প্রদান করিলেন; যেন তিনি জলস্নান দ্বারা বাক্যে তাহাকে শুচি করিয়া পবিত্র করেন, যেন আপনি আপনার কাছে মণ্ডলীকে প্রতাপান্বিত অবস্থায় উপস্থিত করেন, যেন তাহার কলঙ্ক বা সঙ্কোচ বা এই প্রকার আর কোন কিছু না থাকে, বরং সে যেন পবিত্র ও অনিন্দনীয় হয়।" (ইফিষীয় ৫:২৫-২৭)
পবিত্র আত্মা ঈশ্বর যিনি আমাদের পবিত্র করেন:
"আমাদের ঈশ্বরের আত্মায় আপনাদিগকে ধৌত করিয়াছ, পবিত্রীকৃত হইয়াছ, ধার্মিক গণিত হইয়াছ।" (১ করি ৬:১১)
উপসংহার
আমরা যত পিতা ঈশ্বরপ্রদত্ত পরিত্রাণের মহত্ত্ব গভীরভাবে জানতে পারব, প্রভু যীশুর বলিদান সম্পর্কে বুঝতে পারব এবং পবিত্র আত্মার মুদ্রাঙ্ক সম্পর্কে অবহিত হব, তত বেশি আমরা ত্রিত্ব ঈশ্বরের ব্যক্তিদের প্রতি কৃতজ্ঞতায় ধন্যবাদ দিতে পারব।
আমেন।।

গ্রন্থপঞ্জি (Bibliography)
Boettner, Loraine. Studies in Theology. The Presbyterian and Reformed Publishing Company: Pennsylvania, 1970.
Berkhof, Louis. A Summary of Christian Doctrine. The Banner of Truth: London, 1960.
Driscoll, Mark & Breshears, Gerry. Doctrine: What Christians Should Believe. Crossway: Wheaton, 2010.
Stott, John R.W. The Message of Galatians. IVP: Leicester, 1968.
Tenney, Merril C. New Testament Survey. Bengali Translation by Michael Susmay Das. CDC Publication: Dhaka, 1978.
MacArthur, John (Author & Ed.). The MacArthur Study Bible. Thomas Nelson: Nashville, 1979.
Elwell, Walter A. (Ed.). Evangelical Dictionary of Theology. Baker Book House: Michigan, 1984.

আজকের যে কোনো অবস্থা আপনার ভবিষ্যত তৈরির জন্য হতে পারে ==================“কিন্তু সদাপ্রভু যোষেফের সহবর্তী ছিলেন, এবং তাঁ...
04/23/2026

আজকের যে কোনো অবস্থা আপনার ভবিষ্যত তৈরির জন্য হতে পারে
==================

“কিন্তু সদাপ্রভু যোষেফের সহবর্তী ছিলেন, এবং তাঁহার প্রতি দয়া করিলেন; ——।”
‭‭আদিপুস্তক‬ ৩৯:‭২১বিবিএস‬

যোসেফের জীবনের প্রথম পর্যায়ে তিনি আত্মিকভাবে পরিপক্ব ছিলেন না। তিনি তাঁর পিতা যাকোবের প্রিয়পাত্র ছিলেন, কিন্তু তাঁর এই বিশেষ প্রিয়তা যে ভাইদের উপর কী প্রভাব ফেলছিল, তা তিনি বুঝতে পারেননি। তাই যখন তিনি দুটি স্বপ্ন দেখলেন—যা প্রতীকীভাবে তাঁর ভবিষ্যৎ, অর্থাৎ মিশর ও নিজের পরিবারের উপর নেতৃত্বের কথা জানাচ্ছিল—ফলে তিনি তাঁর ভাইদের ক্রোধের কারণ হন।

দ্বিতীয় পর্যায়ে যোসেফের জীবনে আত্মিক যাত্রা শুরু হয়। এটি শুরু হয় যখন তাঁর ঈর্ষান্বিত ভাইয়েরা তাঁকে মিশরে দাস হিসেবে বিক্রি করে দেয়। যদিও তাঁর জীবন কঠিন ও কষ্টপূর্ণ ছিল, তবুও তা ইতিবাচক ছিল। কারণ এই সময়েই—পটিফরের বাড়িতে এবং কারাগারে—তিনি সেইসব বিষয় শিখেছিলেন, যা ভবিষ্যতের জন্য তাঁর প্রয়োজন ছিল।

তৃতীয় পর্যায়ে যোসেফ তাঁর জীবনের পূর্ণতায় পৌঁছান। তিনি ফৌরণের স্বপ্নের ব্যাখ্যা দেন এবং মিশরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শাসক হন। দাসত্বের সময়ে যা কিছু তিনি শিখেছিলেন, তা তখন কাজে লাগে। আরও, তাঁর স্বপ্নগুলো পূর্ণ হয় যখন তাঁর ভাইয়েরা এসে তাঁর সামনে নত হয়।

আজকের পদটি যোসেফের জীবনের দ্বিতীয় পর্যায় সম্পর্কে আমাদের কিছু জানায়। যদিও তিনি তখন মিশরের কারাগারে ছিলেন, তবুও প্রভু তাঁর সঙ্গে ছিলেন এবং তাঁর প্রতি দয়া প্রদর্শন করছিলেন। যদিও তিনি তখনও তাঁর নিয়তি অর্জন করেননি, তবুও প্রভু তাঁকে কারাগারের প্রধান করে দয়া প্রদর্শন করেছিলেন।

হয়তো আপনি এখন আপনার জীবনের দ্বিতীয় পর্যায়ে আছেন। হয়তো এটি আপনার জন্য যোসেফের মতোই কঠিন। তবুও প্রভু প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে তিনি কখনো আমাদের ব্যর্থ করবেন না বা ত্যাগ করবেন না (দ্বিতীয় বিবরণ ৩১:৮)। আমরা হয়তো ঈশ্বরের বৃহত্তর পরিকল্পনা এখনো দেখতে পাচ্ছি না, কিন্তু আমরা বিশ্বাস করতে পারি যে অপেক্ষার মধ্যেও তাঁর আমাদের জন্য একটি উদ্দেশ্য রয়েছে।

From Bible League International: Morning Devotion

“কারণ আমার পিতার ইচ্ছা এই, যে কেহ পুত্রকে দর্শন করে ও তাঁহাতে বিশ্বাস করে, সে যেন অনন্ত জীবন পায়; আর আমিই তাঁহাকে শেষ দি...
04/22/2026

“কারণ আমার পিতার ইচ্ছা এই, যে কেহ পুত্রকে দর্শন করে ও তাঁহাতে বিশ্বাস করে, সে যেন অনন্ত জীবন পায়; আর আমিই তাঁহাকে শেষ দিনে উঠাইব।” পবিত্র বাইবেল
‭‭যোহন‬ ৬:‭৪০বিবিএস‬

যে স্থির দৃষ্টি সব কিছু বদলে দেয়
……………………….

যোহন ৬:৪০ একটি সরল, জীবন-পরিবর্তনকারী আমন্ত্রণ জানায়: যীশুর দিকে তোমার চোখ ফেরাও, তাঁকে বিশ্বাস করো, এবং আবিষ্কার করো যে তোমার ভবিষ্যৎ একটি সুতোয় ঝুলছে না। ঈশ্বর তোমার জন্য যা চান তা হলো বিভ্রান্তি, ভয় বা আধ্যাত্মিক অনুমান নয়—বরং প্রকৃত জীবনের একটি স্পষ্ট পথ যা এখনই শুরু হয় এবং কবরের বাইরেও প্রসারিত হয়।

পুত্রের দিকে তাকাও:

যীশু সম্পর্কে জানা এবং সত্যিকার অর্থে তাঁর দিকে তাকানোর মধ্যে পার্থক্য আছে। তাকানো মানে হলো তুমি আর বিকল্প পরিকল্পনার জন্য চারদিকে তাকাবে না—তোমার কর্মক্ষমতা, তোমার ইচ্ছাশক্তি, তোমার সুনাম—বরং তুমি সেখানে তোমার দৃষ্টি স্থির করবে যেখানে আশা সত্যিকার অর্থে বাস করে। শাস্ত্র এটিকে একটি জটিল অনুসন্ধান হিসেবে উপস্থাপন করে না; এটি একটি ব্যক্তির দিকে সরাসরি দৃষ্টিপাত। “আসুন আমরা যীশুর দিকে দৃষ্টি স্থির করি, যিনি আমাদের বিশ্বাসের লেখক এবং পরিপূর্ণকারী” (ইব্রীয় ১২:২)।
এবং লক্ষ্য করো এটি কতটা ব্যক্তিগত: তোমাকে প্রথমে নিজেকে পরিষ্কার করতে বলা হচ্ছে না, বরং আসতে বলা হচ্ছে। যীশু বলেন, “পিতা আমাকে যাদের দেন তারা সকলেই আমার কাছে আসবে, এবং যে আমার কাছে আসে আমি তাকে কখনো তাড়িয়ে দেব না” (যোহন ৬:৩৭)। যদি তুমি ইতস্তত করছো কারণ তুমি নিজেকে অনেক বেশি নোংরা, অনেক দেরি হয়ে গেছে, বা অনেক দুর্বল মনে করছো—ঠিক এই কারণেই এই আমন্ত্রণটি সুসংবাদ: তাঁর কাছে আসা শক্তির পুরস্কার নয়; এটি শক্তির সূচনা।

বিশ্বাস করো এবং বাঁচো

বিশ্বাস করা মানে ভান করা নয় যে তোমার কোনো প্রশ্ন নেই; এটি হলো তুমি সেই প্রশ্নগুলো নিয়ে কোথায় অবতরণ করবে তা বেছে নেওয়া। বিশ্বাস হলো খ্রীষ্টের উপর তোমার আত্মার পূর্ণ ভার ঠেলে দেওয়া—তাঁর ক্রুশ, তাঁর পুনরুত্থান, তাঁর প্রতিশ্রুতি—এবং তুমি সত্যিই নিরাপদ কিনা সেই বিতর্কটি মীমাংসা করতে দেওয়া। “কারণ ঈশ্বর জগতকে এতটাই ভালোবাসলেন যে তিনি তাঁর একমাত্র পুত্রকে দিলেন, যাতে যে কেউ তাঁকে বিশ্বাস করে সে বিনষ্ট না হয় বরং অনন্ত জীবন পায়” (যোহন ৩:১৬)।

সেই ধরনের বিশ্বাস শুধু অনন্তকাল নয়, আজকের দিনকেও নতুন রূপ দেয়। যখন অপরাধবোধ তোমার নাম পরিবর্তন করতে চায়, ঈশ্বর উত্তর দেন, “তাই যারা খ্রীষ্ট যীশুতে আছে তাদের এখন আর কোনো দণ্ডাজ্ঞা নেই” (রোমীয় ৮:১)। যখন তুমি আটকে আছো বলে মনে হয়, মনে রেখো তুমি একা বিশ্বাস তৈরি করার চেষ্টা করছো না: “কারণ ঈশ্বরই তোমাদের মধ্যে কাজ করছেন তাঁর সৎ উদ্দেশ্যের জন্য ইচ্ছা ও কাজ করতে” (ফিলিপীয় ২:১৩)। বিশ্বাস কোনো অস্পষ্ট আশাবাদ নয়—এটি এমন একজন ত্রাণকর্তার প্রতি সমর্পিত আস্থা যিনি সত্যিই রক্ষা করেন।

শেষ দিনে পুনরুত্থিত

যীশু কেবল একটি উন্নত অভ্যন্তরীণ জীবন প্রদান করেন না; তিনি একটি চূড়ান্ত, শারীরিক বিজয়ের প্রতিশ্রুতি দেন। খ্রীষ্টীয় আশা পৃথিবী থেকে পলায়ন নয় বরং একটি পুনরুদ্ধার করা পৃথিবীতে পুনরুত্থান, খ্রীষ্ট নিজেই ফলাফলের নিশ্চয়তা দিচ্ছেন। অনন্ত জীবন কেবল অন্তহীন সময় নয়—এটি ঈশ্বরের সাথে অবিচ্ছেদ্য সহভাগিতা যা মৃত্যু বাতিল করতে পারে না। “আমাদের প্রভু যীশু খ্রীষ্টের পিতা ঈশ্বর ধন্য হোন! তাঁর মহান দয়ায় তিনি আমাদের মৃতদের মধ্য থেকে যীশু খ্রীষ্টের পুনরুত্থানের মাধ্যমে একটি জীবন্ত আশায় নতুন জন্ম দিয়েছেন” (১ পিতর ১:৩)।
তাই যখন তুমি ভবিষ্যৎকে ভয় পাও—তোমার স্বাস্থ্য, তোমার পরিবার, তোমার অসমাপ্ত গল্প—তোমার হৃদয়কে সেখানে নোঙর করো যা ঈশ্বর ইতিমধ্যে সাক্ষ্য দিয়েছেন: “ঈশ্বর আমাদের অনন্ত জীবন দিয়েছেন, এবং এই জীবন তাঁর পুত্রে আছে। যার পুত্র আছে তার জীবন আছে” (১ যোহন ৫:১১-১২)। শেষ দিন যারা খ্রীষ্টে আছে তাদের জন্য কোনো হুমকি নয়; এটি সেই দিন যখন পিতার ইচ্ছা সম্পূর্ণরূপে দেখা যাবে, যখন যীশু যা শুরু করেছিলেন তা শেষ করবেন এবং তোমার আশা দৃষ্টিতে পরিণত হবে।

হে পিতা, আপনার পুত্র পাঠানোর এবং যারা বিশ্বাস করে তাদের সকলকে অনন্ত জীবন দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। আমাকে আজ যীশুর দিকে দৃষ্টি স্থির করতে, তাঁকে সম্পূর্ণরূপে বিশ্বাস করতে এবং পুনরুত্থানের আশা সত্যিকার বলে মনে করে জীবনযাপন করতে সাহায্য করুন। আমেন

From Dawn to Dusk ( morning devotion)

Address

33
Washington D.C., DC
20001

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Amos Deori posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share