Harichand-Guruchand International Motua Mission, USA

Harichand-Guruchand International Motua Mission, USA Sri Sri Harichand Thakur was born in 1812 at Safaldanga, Gopalgaunge, and He moved to Odakandi, Faridpur. Always tell the truth,

2. Honor your parents,

4.

At a very early age he accepted the path of religious reformation for giving service to and uplifting the subaltern people of Bengal. BANDHANA :-

JAY JAY HARICHAND JAY KRISHNADAS
JAY SRI VAISHNAV DAS JAY GOURIDAS

JAY SRI SWARUPDAS PANCHA SAHADOR
PATIT PABAN HETU HOILA ABATAR

JAY JAY GURUCHAND JAY HIRAMON
JAY SRI GOLOK CHANDRA JAY SRI LOCHON

JAY JAY DASHARATH JAY MRITYUNJAY
JAY JAY MAHANANDA PR

EMANANDA MOY

JAY NATU JAY BRAJA JAY BISWANATH
NIJO DAS KORI MORE KORO ATTASAT

Twelve Commands Of Sri Sri Harichand Thakur:

1. Respect women as your mother,

3. Love the world,

5. Do not discriminate honest people based on caste,

6. Do not condemn to any other religions,

7. Do not practice asceticism in a garb,

8. Utter the name of your Lord while working,

9. Establish Harimandir (temple of the Lord),

10. Control the six cardinal passions,

11. Pray everyday, and

12. Sacrifice yourself to God,

04/13/2021

Hori Kotha

04/13/2021

হরিবোল, হরিবোল, জয় হরিবোল। Orakandi, Gopalganj, Bangladesh. Narendra Modi in 2021

07/16/2020

আমেরিকার মতুয়া মিশন ও হরি মন্দির কাহিনী - ২

তারক দা,
আপনার পাঠানো ভিডিও ক্লিপটি আমার দৃষ্টি গোচরে এসেছে। শুনে অবাক হলাম উপস্থাপকঃ ডাঃ সমীর সরকার কে একজন সংগঠক হিসাবে পরিচয় করিয়ে দেয়ার জন্যে। দেশে বা প্রবাসে কেউ কখনো দেখেনি বা বলতে পারবেনা আমার তৈরী করা মতুয়া মিশন সংগঠনটির পূর্বে উনাকে কাউকে সংগঠিত করতে দেখেছেন।
ডাঃ সমীর সরকার ও তার স্ত্রী-তো আপনাকে কিছুদিন আগে বলেছেন, আপনি তাদের বাড়ির তথাকথিত হরি মন্দিরে কোনো কাজ করেন না! কিনতু আমি দেখেছি আপনি একজন মতুয়া হিসাবে আমার নেয়া মন্দির প্রকল্পে নিরলসভাবে পরিশ্রম করেছেন। এখন যারা ডাঃ সমীর এর সাথে তার বাড়িতে (তথাকথিত মন্দিরে!) পূজা অর্চনায় জড়িত, তারা প্রায় অধিকাংশই মতুয়া নয় । দুরভিসন্ধিমূলকভাবে ডাঃ সমীর সরকার এর প্ররোচনায় মতুয়াদের বাদ দিয়ে এবং হরিচাঁদ ঠাকুরের আদর্শ বাদ দিয়ে নিজেদের মনগড়া পূজাঅর্চনা করছে যা ঠাকুরের আদর্শের সম্পূর্ণ পরিপন্থী। ডাঃ সমীর সরকার নিজেও শ্রীকৃষ্ণ ভক্তসঙের সাথে পদ পাওয়ার আশায় দীর্ঘদিন ধরে জড়িত ছিল । সমাজে উনাকে যারা চেনে তারা একবাক্কে বলে সমীর সরকার খুব ক্ষমতা লোভী। সত্যিই মতুয়া মিশনে এসে তারই সাক্ষ্য রাখলো ।
আগে আমার এইটা জানা ছিল না । মতুয়া সেজে আমার উদ্যোগে শুরু করা সংগঠনে ঢুকে অনৈতিক কাজ শুরু করেছে। আমি মতুয়া মিশন তৈরী করা থেকে দুই লাক ডলার অনুদান উঠানো পর্যন্ত নিরমলা গোলদারের (ডা. সমীর সরকারের স্ত্রী) কোন অবদান ছিল না। সে দূর্গাপুজা করতেও প্রচন্ড বাধা দেয়। আর সমির সরকার আমাকে মতুয়া মিশন প্রতিষ্ঠা করতে নিশেধ করে কারণ হিসাবে বলে নিউইয়র্কে নাকি already একটি মতুয়া মিশন আছে যা ছিল সম্পূর্ণ ইচ্ছাকৃত একটি বিভ্রান্তিকর তথ্য। পরবর্তীতে সংগঠনের registration করতে ও বারুনিমেলা করতে বাধা দেয়। ডাঃ প্রভাত দাস এর উৎসাহে ও উদ্দীপনায় বারুনী মেলা করা সম্ভব হয়। ডাঃ প্রভাত দাস-এর অনুরোধে আমি সংগঠনটি ডাঃ সমির সরকার এর হাতে দায়িত্ব দেই কারণ সনাতন সেবাশ্রম ফাউন্ডেশন নামে সংগঠনটিও আমার দায়িত্বে চালাতে হয় ।
ডাঃ সমির সরকার ও সুশীল সিনহা এই দুইজন ছিল মন্দির করার প্রধান বাধা। কারন তারা share-এ বাড়ি কিনে basement টি আমাদের কাছে ভাড়া দিতে চেয়েছিল। সবশেষে সমির সরকার সংগঠনের account থেকে কাউকে না জানিয়ে প্রায় ২ লক্ষ ডলার তূলে নীজের নামে বাড়ীটি কিনে $৬৬,০০০ Capital Gain tax লাভ করে। husband and wife দুইজনে মিলে অনুদান দেয় $২২০০০। আমার বিনয়ের কারনে তারাই এখন মতুয়া মিশনের মালিক। বিনয়ের সাথে বলছি মতুয়া মিশনের সব সাংগঠনিক কাজ আমার করা। আমি সংগঠন শুরু করি এবং মন্দিরেরও আহবায়ক ছিলাম আমি। ডা. প্রভাত দাস, ডা. সমির সরকার, সুশিল সিনহা, অরবিন্দু (গোবিন্দ) বিশ্বাস, শ্যাম বৈদ্য সহ সকলকে আমি একত্রিত করি। Dr. Provat Das, ডা. সমির সরকার এর ২ লক্ষ ডলার তুলে নেয়া পর্যন্ত আমার সাথে ছিলেন। মাসখানেক আগে আমার পরিবারসহ সমীর সরকারের পরিবারের চার ঘন্টা ধরে একান্ত মিটিং হয় । মিটিং এর সারমর্ম হলো: ১) বাড়ির ক্লোসিং ডকুমেন্ট বা চুক্তি দেখবেন না । ২) এযাবৎ কোনো খরজের হিসাব দেবেন না ৩) বাই-ল দেখাবেন না ৪) কমিটি পরিবর্তন করবেন না; উনার কথামতো আধ্যাত্মিকভাবে সংগঠন চলবে।
সুধীজনের ধারণা সমীর সরকার নিজে প্রতিষ্ঠাতা সাজার জন্য এবং আমার নামটি মুছে ফেলার জন্য সুশীল সিনহাকে নিয়ে এমন অনৈতিক কাজে লিপ্ত হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে Lawsuit না করলে বাড়িটি সংগঠনের নামে ফেরত দেবে না।

আমি একজন হরিঠাকুরের আশীর্বাদপুষ্ট মতুয়া হয়ে চাই ভক্তদের দুই লাখ ডলারের অনুদান যেন সমীর সরকার কোনোভাবে আত্মসাৎ করতে না পারে এবং ভক্তদের প্রত্যাশিত হরিমন্দির প্রতিষ্ঠিত হয়।
হরিবোল!
বিনয়াবনত,
ডা. নীহার সরকার MBBS, MPH (Australia), MA (USA)
• Founder, Sanatan Sebashram Foundation Inc, USA
• Ex Scientific Secretary and Life Member of “Bangladesh Medical Association, NY”
• Ex Treasurer and Life Member of “Sylhet Medical College Association, USA”
• Ex Vice President of “Greater Khulna Society USA Inc.”
• Ex Secretary, Intern Doctors' Association of Sylhet Medical College
• Ex Executive Council Member, Nutrition Society of Bangladesh
• Founder, Negative Blood-Group Association, Bangladesh

07/16/2020

ডাক্তার সমীর সরকারের অণু হয়ে আমেরিকার মতুয়া মিশন-এ প্রবেশ এবং পারমাণবিক বোমা হিসাবে প্রকাশ: কাহিনী-১
২০১৩ সালে জুন মাসের শনিবারের একদিন সমীর সরকার হঠাৎ আমাকে ফোন করে বললেন আমি জ্যামাইকা হসপিটালে চাকুরী করি, শুনলাম আপনি এখানে (নিউয়র্কে) একটি হরিচাঁদ ঠাকুরের মতুয়া মিশন সংগঠন করতে চাচ্ছেন। উদ্দেশ্য এবং কার্যক্রম সম্পর্কে জানতে চাইলে সংক্ষেপে বলি: আপাততঃ প্রতিমাসে একটি হরিসভা করবো , বৎছরে একটি বারুনী করবো এবং সমাজে সচেতনতা সৃষ্টি হলে হরি মন্দিরের উদ্যোগ নিবো। সাথে সাথে বললেন, এখানে একটি মতুয়া মিশন আসে আপনার আবার আর একটি মতুয়া মিশন করার দরকার কি। আমি বিনয়ের সাথে বলি যে আমি খোঁজ নিয়ে দেখেছি এখানে কোনো মতুয়া মিশন নেই, যদি থাকে আমাকে যোগাযোগের ঠিকানা দিন আমি তাদের সাথে কাজ করবো । উনি বললেন ঠিক আছে 'আমি আপনাকে আধা ঘন্টা পরে ফোন করবো'। উনি আধা ঘন্টা পরে ফোন করে বললেন, উনাকে তার এক ঘনিষ্ট ভদ্রলোক (নামটি উহ্য রাখলাম। মতুয়া মিশন সংগঠনটি করার ব্যাপারেতার সাথে একটি মিটিং করি) হাসপাতাল থেকে ডেকে এনে আমার উদ্যোগের কথা বলে এবং আমার উদ্যোগে সংগঠনটির মিটিং (১৭ অগাস্ট, ২০১৩) করার আগেই মতুয়া মিশন এর নামে একটি কমিটি করে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেয়ার জন্যেই প্রস্তূতি নেয়। আমার মিটিং এর সকল প্রস্তূতি জেনে উনি যোগদান করতে সম্মত হন এবং ১৭ই আগস্ট আমাদের বাড়িতে প্রথম মিটিং এ যোগদান করে। প্রথম মিটিংয়ের পরেই ক্রমান্নয়ে হরিসভা করে যাচ্ছি। তখন নির্দিষ্ট করা একটি হরিসভা বাধ দিয়ে চতুর্থ হরিসভাটি সমীর সরকারের অনুরোধে তার বাড়িতে দেই। সবার উপস্থিতিতে উনি বলেন, আমাদের বাড়িতে অনুষ্ঠিত তৃতীয় হরিসভার মাতমে উনার স্ত্রীর জন্যে করা মানসাটি পূর্ণ হওয়ায় চতুর্থ হরিসভার আয়োজন করেছিলেন। আরো জানালেন তার ঠাকুরমার কয়েকটি মৃত সন্তান হওয়ার পর, তার ঠাকুরমা গুরুচাঁদ ঠাকুরের রান্নাঘরে কাজ নেয় এবং গুরুচাঁদ ঠাকুর আশীর্বাদ করলে সমীর সরকারের বাবা -কাকারা ভূমিষ্ট হয়ে আর মরে নি। খুব আবেগ আপ্লুত হয়ে কথাগুলি বলে কাঁদতে থাকে। আমাদের বাড়িতে হরিসভায় উনি একই কথাগুলি বলে কয়েকবার কেঁদেছেন। আমার আগের লেখায় বলেছিলাম উনি আমাকে সংগঠনের রেজিস্ট্রেশন করতে দুরভিসন্ধি মূলকভাবে বাধা দেয়। আমি দৃঢ়তার সাথে ঠাকুরের কৃপায় বাধা অতিক্রম করি ও রেজিস্ট্রেশন করতে সমর্থ হই। সমীর সরকার এখনো ইন্ডিয়ান একজন যোগী বাবার শিষ্য এবং তার অনুসারী। উনি আবার ব্যক্তিগতভাবে শিবের উপাসক। তার বাড়িতে (কথিত হরিমন্দিরে) কিছুদিন পূর্বে অনুকূল ঠাকুরের এক অনুষ্ঠানে নিজে বক্তব্যে বলেন, তার বাবা ছিলেন অনুকূল ঠাকুরের শিষ্য। বর্তমানে সমীর সরকার আমার রেজিস্টার্ড করা 'শ্রী শ্রী হরিচাঁদ -গুরুচাঁদ আন্তর্জাতিক মতুয়া মিশন' নামটি ব্যবহার করে হরিচাঁদ ঠাকুরের আদর্শের পরিপন্থী কাজ করে চলেছেন। ভবিষ্যতে হয়তো আমার দেয়া নামটি বাদ দিয়ে এবং শ্রী শ্রী হরি মন্দির নামটি বাদ দিয়ে অন্য কোনো নামে কার্যক্রম চালাবে। বর্তমানে যারা ওখানে কাজে সম্পৃক্ত আছেন তাদের কাছে সবিনয় অনুরোধ, আপনারা সজাগ দৃষ্টি রাখবেন সমীর সরকার যেন দুরভিসন্ধি মূলকভাবে এমন ঘৃণ্য কাজ করতে না পারে এবং সচেষ্ট থাকেন ভক্তদের অনুদানে কেনা বাড়িটি তার কাছ থেকে জোর করে কিভাবে ঠাকুরের নামে হস্তান্তর করা যায়। হরিবোল (চলবে ।....)
বিনয়াবনত,
নীহার সরকার MBBS, MPH (Australia), MA (USA)
• Founder, Sanatan Sebashram Foundation Inc, USA
• Ex Scientific Secretary and Life Member of “Bangladesh Medical Association, NY”
• Ex Treasurer and Life Member-Sylhet Medical College
Association, USA
• Ex Vice President- Greater Khulna Society USA Inc.
• Ex Secretary, Intern Doctors' Association, Sylhet Medical College
• Ex Executive Council Member, Nutrition Society of Bangladesh
• Founder, Negative Blood-Group Association, Bangladesh

07/16/2020

আমেরিকার মতুয়া মিশন-হরি মন্দির কাহিনী -৩

সুশীল সিনহাকে যেভাবে পেলাম :

যেখানে যাই ঘুরে ফিরে মতুয়া বা হরিঠাকুরের অনুসারীদের খুঁজে বের করি। তখন এপ্রিল মাস, সনাতন সেবাশ্রম ফাউন্ডেশন-এর (এই সংগঠনটিও আমার তৈরী করা) ২০১৩ জুনে প্রথম আন্তর্জাতিক সম্মেলন উপলক্ষ্যে পোস্টার লাগাতে যাই ওজন পার্কে, সাথে মৃগেন রায় দাদা। সেখানে দুলাল বিশ্বাস-এর স্যালুনে একটি পোস্টার লাগাই এবং তার বাড়ি গোপালগঞ্জ হওয়ায় তার কাছে জানতে চাই তার সন্ধানে কোনো হরিভক্ত আছে কিনা। দুলাল বিশ্বাস আমাকে সুশীল সিনহার ফোন নম্বর দেয়। তৎক্ষণাৎ আমি সুশীল সিনহাকে ফোন করি । সে কাছাকাছি থাকায় আমার সাথে দেখা করতে চলে আসে । দুজনে মিলে চা পান করি এবং আমার মতুয়া মিশন সংগঠিত করার অভিমত জানাই । আমার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে হরিচাঁদ ঠাকুরের মতুয়াদের জন্যে তার শ্বশুর কার্তিক ঠাকুরের অবদানের কথা তুলে ধরেন। তার স্ত্রী শিখা রানী ঠাকুরের সাথে ঐদিনই দেখা করি । শিখা রানী ঠাকুরের মুখ থেকে মতুয়াদের জন্যে তার বাবার অবদানের কথা শুনে সত্যিই অভিভূত হই। আমি মতুয়া মিশন সংগঠনটি করার জন্য আরো উৎসাহিত হই । আমি সুশীল সিনহাকে সবচেয়ে বেশি ভালবাসতাম এবং বিশ্বাস করতাম। অধিকাংশ কাজে আমার সাথে তাকে রাখতাম এবং কথাবার্তা বলেই সিদ্ধান্ত নিতাম। দুঃখের বিষয় সুশীল সিনহা সমীর সরকারের দেয়া টোপে পড়ে স্বার্থ উদ্ধারের জন্যে অনৈতিক কাজের সহযোগি হয়ে পড়ে। সমীর সরকারের ফ্যামিলি তাকে শেয়ার-এ বাড়ি কিনে দেয়ার লোভ দিলে, উভয়েই মন্দির করার বিপক্ষে অবস্থান নেয়। আমাকে প্রস্তাব দেয় মতুয়া মিশন এর জন্যে বেসমেন্ট ফ্লোরটি ভাড়া নিতে। সুশীল সিনহা কয়েকজনকে দিয়ে আমাকে মন্দির প্রকল্প বন্ধ রাখতে বলে । অরবিন্দ বিশ্বাস গোবিন্দ-কে অনুরোধ করি সে যেন সুশীল সিনহাকে বুঝিয়ে প্রতিবন্ধকতা থেকে বিরত রাখে। গোবিন্দ-দা সফল হয় এবং সুশীল সিনহা প্রতিবন্ধকতার অবস্থান থেকে সরে গিয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়।
আমি সব বাঁধা অতিক্রম করে সামনের দিকে এগিয়ে গেছি, কিনতু পরিতাপের বিষয় শেষ নামাতে পারিনি। এই সুশীল সিনহাকে আমি গানের তালিম দিয়ে স্টেজে গান করার সুযোগ করে দিয়েছি, আর শিখা ঠাকুরকে আমার নাট্যরূপ দেয়া (হরিঠাকুরের বাল্যলীলা ও নিমাই সন্ন্যাস) দুটি নাটকে অভিনয়ের সুযোগ করে দিয়ে প্রবাসে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করেছি।

সুশীল সিনহা সমীর সরকারের বাড়িটিতে (কথিত হরিমন্দিরে) মাসিক ১৭০০ ডলারের পরিবর্তে ১১০০ ডলার দিয়ে দুই বৎসর থেকে এ মাসে (অক্টোবর ২০১৭) সমীর সরকারের সহযোগিতায় বাড়ি কিনে চলে গেছে । কথিত নিজের বাড়িটি সমীর সরকার হরিমন্দিরের নাম ভাঙ্গিয়ে ভক্তদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে প্রতিমাসে মর্টগেজ দিচ্ছে। ওই বাড়িতে এখনো ফ্রেমে বাঁধানো ঠাকুরের যে বড় ছবিগুলি দেখা যায় সেগুলি আমার দায়িত্বে বাধাই করে দেয়া এবং সেই ছবি দিয়েই ওই বাড়িতে ব্যবসা করে যাচ্ছে। ঠাকুরের একটি মূর্তিও এখনো বসায়নি। শুনেছি তারা রাধা-কৃষ্ণের যুগল মূর্তি বসাতেই বেশি আগ্রহী। তাই হওয়া স্বাভাবিক, কারণ সুশীল সিনহা ও সমীর সরকার মতুয়া নয়। সুশীল সিনহার বাড়িতে প্রথমে আমি কোনো হরি ঠাকুরের ছবি বা মূর্তি দেখি নি। রাধা-কৃষ্ণের যুগল ছবি পূজা করতে দেখেছি। সরল সহজ ভক্তরা ঠাকুরের কৃপা পাওয়ার জন্য টাকা দিতে কুন্ঠা বোধ করে না। (চলবে.........)
হরিবোল!
বিনয়াবনত,
নীহার সরকার MBBS, MPH (Australia), MA (USA)

• Founder, Sanatan Sebashram Foundation Inc, USA
• Ex Treasurer and Life Member-Sylhet Medical College
Association, USA
• Ex Vice President- Greater Khulna Society USA Inc.
• Ex Secretary, Intern Doctors' Association, Sylhet Medical College
• Ex Executive Council Member, Nutrition Society of Bangladesh
• Founder, Negative Blood-Group Association, Bangladesh

Address

101-29 130th Street
Richmond Hill, NY
11419

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Harichand-Guruchand International Motua Mission, USA posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Harichand-Guruchand International Motua Mission, USA:

Share