07/16/2020
ডাক্তার সমীর সরকারের অণু হয়ে আমেরিকার মতুয়া মিশন-এ প্রবেশ এবং পারমাণবিক বোমা হিসাবে প্রকাশ: কাহিনী-১
২০১৩ সালে জুন মাসের শনিবারের একদিন সমীর সরকার হঠাৎ আমাকে ফোন করে বললেন আমি জ্যামাইকা হসপিটালে চাকুরী করি, শুনলাম আপনি এখানে (নিউয়র্কে) একটি হরিচাঁদ ঠাকুরের মতুয়া মিশন সংগঠন করতে চাচ্ছেন। উদ্দেশ্য এবং কার্যক্রম সম্পর্কে জানতে চাইলে সংক্ষেপে বলি: আপাততঃ প্রতিমাসে একটি হরিসভা করবো , বৎছরে একটি বারুনী করবো এবং সমাজে সচেতনতা সৃষ্টি হলে হরি মন্দিরের উদ্যোগ নিবো। সাথে সাথে বললেন, এখানে একটি মতুয়া মিশন আসে আপনার আবার আর একটি মতুয়া মিশন করার দরকার কি। আমি বিনয়ের সাথে বলি যে আমি খোঁজ নিয়ে দেখেছি এখানে কোনো মতুয়া মিশন নেই, যদি থাকে আমাকে যোগাযোগের ঠিকানা দিন আমি তাদের সাথে কাজ করবো । উনি বললেন ঠিক আছে 'আমি আপনাকে আধা ঘন্টা পরে ফোন করবো'। উনি আধা ঘন্টা পরে ফোন করে বললেন, উনাকে তার এক ঘনিষ্ট ভদ্রলোক (নামটি উহ্য রাখলাম। মতুয়া মিশন সংগঠনটি করার ব্যাপারেতার সাথে একটি মিটিং করি) হাসপাতাল থেকে ডেকে এনে আমার উদ্যোগের কথা বলে এবং আমার উদ্যোগে সংগঠনটির মিটিং (১৭ অগাস্ট, ২০১৩) করার আগেই মতুয়া মিশন এর নামে একটি কমিটি করে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেয়ার জন্যেই প্রস্তূতি নেয়। আমার মিটিং এর সকল প্রস্তূতি জেনে উনি যোগদান করতে সম্মত হন এবং ১৭ই আগস্ট আমাদের বাড়িতে প্রথম মিটিং এ যোগদান করে। প্রথম মিটিংয়ের পরেই ক্রমান্নয়ে হরিসভা করে যাচ্ছি। তখন নির্দিষ্ট করা একটি হরিসভা বাধ দিয়ে চতুর্থ হরিসভাটি সমীর সরকারের অনুরোধে তার বাড়িতে দেই। সবার উপস্থিতিতে উনি বলেন, আমাদের বাড়িতে অনুষ্ঠিত তৃতীয় হরিসভার মাতমে উনার স্ত্রীর জন্যে করা মানসাটি পূর্ণ হওয়ায় চতুর্থ হরিসভার আয়োজন করেছিলেন। আরো জানালেন তার ঠাকুরমার কয়েকটি মৃত সন্তান হওয়ার পর, তার ঠাকুরমা গুরুচাঁদ ঠাকুরের রান্নাঘরে কাজ নেয় এবং গুরুচাঁদ ঠাকুর আশীর্বাদ করলে সমীর সরকারের বাবা -কাকারা ভূমিষ্ট হয়ে আর মরে নি। খুব আবেগ আপ্লুত হয়ে কথাগুলি বলে কাঁদতে থাকে। আমাদের বাড়িতে হরিসভায় উনি একই কথাগুলি বলে কয়েকবার কেঁদেছেন। আমার আগের লেখায় বলেছিলাম উনি আমাকে সংগঠনের রেজিস্ট্রেশন করতে দুরভিসন্ধি মূলকভাবে বাধা দেয়। আমি দৃঢ়তার সাথে ঠাকুরের কৃপায় বাধা অতিক্রম করি ও রেজিস্ট্রেশন করতে সমর্থ হই। সমীর সরকার এখনো ইন্ডিয়ান একজন যোগী বাবার শিষ্য এবং তার অনুসারী। উনি আবার ব্যক্তিগতভাবে শিবের উপাসক। তার বাড়িতে (কথিত হরিমন্দিরে) কিছুদিন পূর্বে অনুকূল ঠাকুরের এক অনুষ্ঠানে নিজে বক্তব্যে বলেন, তার বাবা ছিলেন অনুকূল ঠাকুরের শিষ্য। বর্তমানে সমীর সরকার আমার রেজিস্টার্ড করা 'শ্রী শ্রী হরিচাঁদ -গুরুচাঁদ আন্তর্জাতিক মতুয়া মিশন' নামটি ব্যবহার করে হরিচাঁদ ঠাকুরের আদর্শের পরিপন্থী কাজ করে চলেছেন। ভবিষ্যতে হয়তো আমার দেয়া নামটি বাদ দিয়ে এবং শ্রী শ্রী হরি মন্দির নামটি বাদ দিয়ে অন্য কোনো নামে কার্যক্রম চালাবে। বর্তমানে যারা ওখানে কাজে সম্পৃক্ত আছেন তাদের কাছে সবিনয় অনুরোধ, আপনারা সজাগ দৃষ্টি রাখবেন সমীর সরকার যেন দুরভিসন্ধি মূলকভাবে এমন ঘৃণ্য কাজ করতে না পারে এবং সচেষ্ট থাকেন ভক্তদের অনুদানে কেনা বাড়িটি তার কাছ থেকে জোর করে কিভাবে ঠাকুরের নামে হস্তান্তর করা যায়। হরিবোল (চলবে ।....)
বিনয়াবনত,
নীহার সরকার MBBS, MPH (Australia), MA (USA)
• Founder, Sanatan Sebashram Foundation Inc, USA
• Ex Scientific Secretary and Life Member of “Bangladesh Medical Association, NY”
• Ex Treasurer and Life Member-Sylhet Medical College
Association, USA
• Ex Vice President- Greater Khulna Society USA Inc.
• Ex Secretary, Intern Doctors' Association, Sylhet Medical College
• Ex Executive Council Member, Nutrition Society of Bangladesh
• Founder, Negative Blood-Group Association, Bangladesh