Bangladesh Deen Islam

Bangladesh Deen Islam Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Bangladesh Deen Islam, Religious organisation, New York, NY.

03/27/2026

ভ্রান্তির পথে মুসলিম নেতৃত্বঃ প্রেক্ষিত বাংলাদেশ।
স্বাধীন-সার্বভৌম ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ১৯৭১ এর যুদ্ধ, ৭৫ ও ৮১ এর ক্যু, ৯০ এর স্বৈরাচার খেদানো সংগ্রাম এবং সর্বশেষ ২০২৪ এর স্বৈরাচার/ফ্যাসিষ্ট বিতাড়ন,২০২৬ সালের নির্বাচনের পরও বাংলাদেশে শান্তির নমুনা কি তা আমরা দেখতে পাচ্ছি। আজ পর্যন্ত প্রচলিত বিধান বা নীতিমালা দিয়ে মানুষের শান্তি দেওয়া সম্ভব হয়নি। জাতীকে ক্ষুধা, দারিদ্রতা, চুরি, ডাকাতি, খুন,গুম, অরাজকতা,নিরাপত্তাহীনতা,একদলীয় স্বৈরাচারী দুঃশাসনের নিষ্পেষণ ছাড়া শান্তি দিতে পারেনি।
তাহলে শান্তি প্রতিষ্ঠার উপায় কি?
আসলে মহান আল্লাহ প্রদত্ত ইসলামী বিধানের বিপরীতে মানব রচিত বিধান দিয়ে পৃথিবীর কোন কোন দেশে বাহ্যিক দৃষ্টিতে শান্তির দেশ মনে হলেও প্রকৃত অর্থে সেখানেও কোন শান্তি নেই। আর আখেরাতে শান্তির তো প্রস্নই ওঠে না। পক্ষান্তরে যে সব দেশে মোটামুটিভাবে ইসলামী বিধান চালু আছে সেখানে অপেক্ষাকৃত অনেক বেশী শান্তি বজায় আছে। আর আখেরাতে মুক্তি ও শান্তির সম্ভাবনা তো আছেই। এই কারনে মানব রচিত বিধি-বিধানে বাংলাদেশের মানুষকে দুনিয়ায় শান্তি দিতে পারেনি,পাচ্ছে না, যার সাক্ষী আমরা নিজেরাই। আর আখেরাতেও মুক্তি মিলবে বলে মনে হয় না। তাহলে কিসে,কোথায়, কিভাবে দেশে শান্তি সহ আখেরাতে মুক্তির সম্ভাবনা ও গ্যারান্টি আছে তা জানা যাক। মহান আল্লাহতায়ালা সৃষ্টির সেরা জীব মানুষকে চিন্তা ও কর্মের স্বাধীনতা দিয়েছেন। এই স্বাধীনতা কোন খাতে কিভাবে প্রয়োগ করলে পার্থিব শান্তি ও পরকালীন মুক্তি পাওয়া যাবে তাও তিনি জানিয়ে দিয়েছেন। যেমন-এরশাদ হয়েছে-“নিশ্চয়ই যারা ঈমান এনেছে, সৎকাজ করেছে, নামাজ প্রতিষ্ঠিত করেছে এবং জাকাত দান করেছে, তাদের জন্য তাদের পুরষ্কার তাদের পালনকর্তার কাছে রয়েছে। তাদের কোনো ভয় নেই এবং তারা দুঃখিত হবে না” সুরা বাকারা-২৭৭। “ মুমিন পুরুষ ও নারীরা হচ্ছে পরস্পর একে অন্যের বন্ধু, তারা সৎ কাজের আদেশ দেয় এবং অসৎ কাজ হ’তে নিষেধ করে, আর ছালাত কায়েম করে ও যাকাত প্রদান করে, আর আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আদেশ মেনে চলে, এসব লোকের প্রতি আল্লাহ অবশ্যই করুণা বর্ষণ করবেন, নিঃসন্দেহে আল্লাহ অতিশয় সম্মানিত ও মহাজ্ঞানী” সুরা- তওবা-৭১।
সুতারং দেখা যাচ্ছে যে, ঈমানদার-মুমিন বান্দা বান্দিরা পরস্পরে বন্ধুর মতো মিলে-মিশে দল বদ্ধভাবে জীবন চালাবে আর মানুষদেরকে-
সৎ কাজের আদেশ দেবে,
অসৎ কাজের নিষেধ করবে,
সালাত কায়েম করবে,
যাকাত কায়েম করবে
এবং সার্বিকভাবে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আদেশ মেনে চলবে।
তাহলেই এসব লোকের প্রতি মহান আল্লাহ অবশ্যই করুণা বর্ষণ করবেন তথা দুনিয়ায় কল্যাণ ও আখেরাতে জান্নাত নামক নেয়ামত দান করবেন। মহান আল্লাহ করুণা করলে তাদের আর কি কিছু লাগে? কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ মহান আল্লাহর ঐ বিধান ব্যক্তি,পরিবার,সমাজ বা রাষ্ট্রীয় জীবনে অনুসরন বা প্রয়োগ করছে না। ফলে এ জনপদের মানব প্রকৃতি হয়ে উঠেছে স্বেচ্ছাচারী ও উচ্ছৃঙ্খল। নীতি-নৈতিকতা পরিত্যক্ত হয়ে অসততা,শঠতা, প্রতারণা,দুর্নীতি,গাজুয়ারি, উচ্ছৃঙ্খলতা ও অসভ্যতা ইত্যাদি সমাজ ও রাষ্ট্রের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঢুকে পড়েছে । রাজনৈতিক জুলুম, অর্থনৈতিক শোষণ, সামাজিক ভেদাভেদ, সাংস্কৃতিক নোংরামি ও অশ্লীলতা,সব ধরনের পাপ-পংকিলতা এবং মানবাধিকারের দলন মানুষের জীবন থেকে শান্তি কেড়ে নিচ্ছে। শান্তির নিশ্চয়তা একমাত্র ইসলাম তথা আল্লাহই দিতে পারেন। সঙ্গত কারনে যে কোন জনপদের বিভিন্ন স্তরের মুসলিম দায়িত্বশীলদের উদ্দেশ্যে মহান আল্লাহ আল-কুরআনে ৪টি মৌলিক কর্মসূচীর নির্দেশনা দিয়েছেন যেমন - “এরা (ঈমানদারা) এমন সব লোক যাদেরকে আমি যদি যমীনে কর্তৃত্ব/ক্ষমতা দান করি, তাহলে এরা সালাত কায়েম করবে, যাকাত কায়েম করবে, সৎকাজের আদেশ দেবে এবং অসৎ কাজের নিষেধ করবে, আর সমস্থ বিষয়ের পরিনাম আল্লাহর আয়ত্তে”-সুরা হাজ্জ – ৪১। কর্তৃত্ব বা ক্ষমতা পেলে যে কাজ/কর্মসূচী পালন করা ফরজ, তা ক্ষমতায় যাওয়ার আগেই ঐ ৪টি কাজের বাস্তব চর্চা থাকার অবশ্যই আবশ্যকতা রয়েছে। তা না হলে ক্ষমতায় যেয়ে উক্ত কাজ বাস্তবায়ন করা সহজ হবে না। বাংলাদেশে ১৯৭১ সাল থেকে আজ পর্যন্ত কত দল-বেদলের অসংখ্য নেতা-নেত্রী এই যমীনে ক্ষমতাপ্রাপ্ত হলেন।কিন্তু ক্ষমতা পেয়ে কেউই মহান আল্লাহর নির্দেশিত উক্ত ৪টি ফরজ দায়িত্ব বা কর্মসূচী পালন বা বাস্তবায়ন করেননি বা করার চেষ্টাও করেননি।এমন কি কোন ইসলামি দলেরও গঠনতন্ত্র বা মেন্যুফেসটুতেও ঐ শাশ্বত ৪ কর্মসূচীর বালাই নেই। ফলে বাংলাদেশে শান্তির সুবাতাস আজও অধরায় রয়ে গেল।
তবে আশার আলো দেখাতে '' বাংলাদেশ দ্বীন ইসলাম'' নামে একটা ইসলামিক দাওয়াতী সংগঠন ব্যক্তি,পরিবার ও সামাজ পর্যায়ে, মানবতার কল্যাণে মহান আল্লাহর নির্দেশিত ঐ ৪টি ফরজ কাজের প্রায়োগিক চর্চা ও দাওয়াতী কাজ করে যাচ্ছে। সুতারং আসুন বাংলাদেশ দ্বীন ইসলাম এর সাথে যুক্ত হয়ে মহান আল্লাহর নির্দেশিত উক্ত ৪টি কাজের অনুশীলন ও দাওয়ার কাজ করে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করি। আল্লাহ বলেছেন ‘’তোমরা কল্যাণমূলক ও খোদাভীরুতার কাজে পরস্পর সহযোগী হও, মন্দ ও সীমা লঙ্ঘনের কাজে পরস্পরের সহযোগী হয়ো না। ‘’ -সূরা মায়েদা: ২ । আল্লাহ আমাদের তাওফিক দান করুন।
''বাংলাদেশ দ্বীন ইসলাম'' সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে কমেন্টে দেওয়া লিঙ্কে ক্লিক করুন।

03/03/2026
রাত পোহাবার কত দেরী পাঞ্জেরী?এবারের নির্বাচনে ক্ষমতা পেলে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন এর লিখিত প...
02/11/2026

রাত পোহাবার কত দেরী পাঞ্জেরী?
এবারের নির্বাচনে ক্ষমতা পেলে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন এর লিখিত পরিকল্পনা/প্রতিস্রতি বা নির্বাচনী ইশতেহারে ইসলামিক বিধান বাস্তবায়নে মোটা দাগে কারা কতখানি অগ্রসর হতে চায় এর একটা সংক্ষিপ্ত টেক্সট নিচে উল্লেখ করা হলো। যেমন-
# BNP

১।আল্লাহর উপর পূর্ণ আচ্ছা ও বিশ্বাস এবং ন্যায়পরায়ণ বাংলাদেশ গঠন,
২। সর্বশক্তিমান আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে সংবিধানে পুনঃ স্থাপন করা হবে,
৩। ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার বিভেদ হীন বাংলাদেশি পরিচয়,
৪। বৈষম্য দূরীকরণ ও সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠ,
৫। মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম সম্প্রসারণ।

# জামায়াতে ইসলামী
১। জাতীয় স্বার্থে আপোষহীন বাংলাদেশ এই স্লোগানের আলোকে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থে আপষহীন রাষ্ট্র গঠন,
২। বৈষম্যহীন, ন্যায় ও ইনসাফ ভিত্তিক একটি মানবিক বাংলাদেশ গঠন,
৩। সৎ দক্ষ ও যোগ্য ব্যক্তিদের দিয়ে সরকার পরিচালিত হবে,
৪। সকল পর্যায়ে সৎ নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের মাধ্যমে দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র গঠন,
৫। ব্যাংক সহ সার্বিক আর্থিক খাতে সংস্কারের মাধ্যমে আস্থা ফিরিয়ে এনে বিনিয়োগ ও ব্যবসা বান্ধব টেকসই ও স্বচ্ছ অর্থনীতি বিনির্মাণ,
৬। সংখ্যাগুরু সংখ্যালঘু (মেজরিটি মাইনরিটি )নয় বরং বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে সকলের নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং পিছিয়ে থাকা নাগরিক ও শ্রেণী গুষ্টির জন্য বিশেষ সুবিধা নিশ্চিত করা,
৭। সকল পর্যায়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে সুশাসন নিশ্চিত করে একটি সুখী ও সমৃদ্ধ কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা

# ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন

১। রাষ্ট্র পরিচালনায় সর্বত্র শরিয়ার প্রাধান্য
২। ধর্মীয় স্বাধীনতা, নিরাপত্তা ও পারস্পরিক সহবস্থান নিশ্চিতকরণ,
৩। নৈতিকতায় সমৃদ্ধ কর্মমুখী ও বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা,
৪। শুধু আইনের শাসন নয় ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠা,
৫। মানুষের সার্বিক কল্যাণে ধর্ম ও রাজনীতির সমন্বয়,
৬। নারীদের শুধু সমাধিকার নাই অগ্রাধিকার প্রতিষ্ঠা,
৭। ১৮ থেকে ২৪ বছর বয়সী যুবকদের জন্য সুদমুক্ত ও জামানতবিহীন এককালীন ঋণ।
কওমি মাদরাসার ডিগ্রিধারীসহ দক্ষ ও যোগ্য ওলামায়ে কিরামকে সরকারি সুযোগ-সুবিধার আওতায় আনা।
৮। কওমি সনদের স্বীকৃতির পূর্ন বাস্তবায়ন এবং রাষ্ট্রীয় পদে ওলামায়ে কেরামের পদায়ন,

৩ জোটের নির্বাচনী ইশতেহারের ইসলাম রিলেটেড পয়েন্ট গুলোতে আল্লাহ ,রাসুল, কোরআন ,হাদীস, ইসলাম,শরিয়াহ বা ইসলামী শাসন,সালাত, যাকাত ইত্যাদির নাম BNP ও ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন কিঞ্চিৎ উল্ল্যেখ করলেও জামায়াতে ইসলামী তো একেবারেই জিরো। এর রহস্যটা কি?
অথচ মহান আল্লাহর নির্দেশ হলো- “এরা এমন সব (ঈমানদার) লোক যাদেরকে আমি যদি যমীনে কর্তৃত্ব দান করি, তাহলে এরা সালাত কায়েম করবে, যাকাত কায়েম করবে, সৎকাজের আদেশ দেবে এবং অসৎ কাজের নিষেধ করবে, আর সমস্থ বিষয়ের পরিনাম আল্লাহর আয়ত্তে”-সুরা হাজ্জ – ৪১।
মহান আল্লাহর নির্দেশ মোতাবেক দেশ চালানোর মুলনীতির ঘোষণা নির্বাচনী ইশতেহারে উল্ল্যেখ না করে , আল্লাহর বিধানের তোয়াক্কা না করে ইসলামী রাজনীতি,ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন বা ইসলামী সমাজ কায়েম তথা আল্লাহর সন্তুষ্টি হাসিল হবে কিভাবে? আসলে এটা এখন স্পষ্ট যে, হয়- বিএনপি না হয়- জামায়াত ক্ষমতায় যাবে , কিন্তু কেউই ইসলামী শাসন কায়েম করবে না। তাহলে কি দ্বীন ইসলাম, ইসলামী সমাজ ব্যবস্থা, ইসলামিক বিধান বা ইসলামী হুকমত বাংলাদেশে অধরাই থেকে যাবে?
#নির্বাচনীইশতেহার
#উন্নয়নেররূপরেখা
#ভোটাধিকার
#গণতন্ত্রেরপথে
#দেশগঠনেরশপথ
#নতুনবাংলাদেশ
#স্বচ্ছরাজনীতি
#ভবিষ্যতেরবাংলাদেশ

01/17/2026

যখন অধিকাংশ ইসলামী দল, ইসলামপন্থি মানুষ ও ইসলামী মুল্যবোধে বিশ্বাসী তরুণ প্রজন্ম নিজেদের মধ্যে বেধাভেদ ভুলে একটি জায়গায় এসেছে। তখন চরমনাই কেন্দ্রীক ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন তাদের নিছক সিট ভাগাভাগীর স্বার্থ, দুনিয়াবি ক্ষমতা ইত্যাদির প্রলোভনে পড়ে ইসলামী ঐক্য নষ্ট করার মানসে জোট থেকে বেরিয়ে একভাবে নির্বাচনের সিদ্ধান্তটা ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের জন্য, ইসলামের জন্য আত্মঘাতী প্রমানিত হবে, যার বেনিফিশিয়ারী হবে ইসলাম বিরোধী শক্তি,ফেসিষ্ট,বাম-রামদের মতো পেইড এজেন্ট গুলো।এই সব গোঁড়ামি গুলো ফেসিষ্ট,বাম-রামদের খুশি করার মতো আচরণ করে,বিভাজন তৈরী করে ইসলামি ঐক্য বিনষ্টের সুচনা করলো। আবারও সেকুলার তন্ত্র কায়েমের পটভূমি রচনা করল।বাংলাদেশে আবারও ফেসিষ্ট শাসন কায়েম হলে এর দায় ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের উপরেই বর্তাবে।

12/22/2025

বাংলাদেশের মানুষের উন্নয়ন ও শান্তির জন্য ১৯৭১ এর যুদ্ধে স্বাধীন হয়েও শান্তি আসেনি। দীর্ঘ পরিক্রমা শেষে ৫ আগস্ট -২০২৪ এর ফ্যাসিষ্ট বিতাড়নের পর বাংলাদেশের মানুষ নুতন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখেছিল।কিন্তু সে গুড়েও বালি।এ যাবত কোন সরকারই জাতীকে ক্ষুধা, দারিদ্রতা,হামলা-মামলা,দখলবাজি,চাদাবাজি,মাদক চর্চা, চুরি,ডাকাতি,ছিনতাই, খুন,গুম,ধর্ষণ,পরকিয়া, যীনা-ব্যাভিচার, ঝগড়া-কলহ,মারামারি,মাস্তানি,অরাজকতা, সামাঝিক নিরাপত্তাহীনতা ইত্যাদি থেকে মুক্তি দিতে পারেনি।
আসলে মহান আল্লাহ প্রদত্ত ইসলামী জীবন বিধানের বিপরীতে মানব রচিত তন্ত্র- মন্ত্রে গঠিত বিধান দিয়ে আদতে কোন স্থানে ,কোন কালে শান্তি আসেনি। প্রমান হিসাবে বলা যায়-যে সব দেশে মোটামুটি ভাবে ইসলামী বিধান কায়েম আছে সেখানে অপেক্ষাকৃত অনেক গুনে বেশী শান্তি বজায় আছে।মনুষ্য সমাজ- রাষ্ট্রে শান্তি প্রতিষ্ঠার উপায় সম্পর্কে মহান আল্লাহতায়ালা ব্যক্তি,পরিবার,সমাজ ও রাষ্ট্রের ক্ষমতাশালীদের উদ্দেশ্যে করে ঘোষণা করেছেন-“এরা (ঈমানদারা) এমন সব লোক যাদেরকে আমি যদি যমীনে কর্তৃত্ব দান করি, তাহলে এরা
সালাত কায়েম করবে,
যাকাত কায়েম করবে,
সৎকাজের আদেশ দেবে এবং
অসৎ কাজের নিষেধ করবে, আর সমস্থ বিষয়ের পরিনাম আল্লাহর আয়ত্তে”-সুরা হাজ্জ – ৪১।
“ মুমিন পুরুষ ও নারীরা হচ্ছে পরস্পর একে অন্যের বন্ধু, তারা সৎ কাজের আদেশ দেয় এবং অসৎ কাজ হ’তে নিষেধ করে, আর ছালাত কায়েম করে ও যাকাত প্রদান করে, আর আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আদেশ মেনে চলে, এসব লোকের প্রতি আল্লাহ অবশ্যই করুণা বর্ষণ করবেন, নিঃসন্দেহে আল্লাহ অতিশয় সম্মানিত ও মহাজ্ঞানী” সুরা- তওবা-৭১। এখানে দেখা যাচ্ছে যে, মানুষের উপরল্লেখিত কাজের কারনে তাদের ওপর আল্লাহ অবশ্যই করুণা বর্ষণ করবেন আর তাদের কোনো ভয় থাকবে না । মহান আল্লাহ যাদের ওপর করুণা বর্ষণ করেন তাদের দুনিয়ায় আর কোনো ভয় মানে ক্ষুধা,দারিদ্র,হামলা-মামলা,দখলবাজি, চাদাবাজি চুরি,ডাকাতি,ছিনতাই, খুন,গুম,ধর্ষণ, অরাজকতা,নিরাপত্তাহীনতা তথা অশান্তির কোন কারন থাকতে পারে? অবশ্যই না। আর আখেরাতেরও রাস্তা পরিষ্কার- মানে চিন্তা নেই।
বাংলাদেশে ১৯৭১ থেকে আজ পর্যন্ত কত দল-বেদলের অসংখ্য লোক, নেতা বা সরকার এই যমীনে ক্ষমতাপ্রাপ্ত হলেন।কিন্তু কেউই মহান আল্লাহর নির্দেশিত সেই সার্বজনিন মৌলিক ৪টি দায়িত্ব বা কর্মসূচী পালন বা বাস্তবায়ন করেননি বা করার চেষ্টাও করেননি। ফলে বাংলাদেশে শান্তি আজও অধরায় থেকে যাচ্ছে।
তবে আশার কথা “বাংলাদেশ দ্বীন ইসলাম” বাংলাদেশের মানুষের কল্যাণে মহান আল্লাহর নির্দেশিত ঐ ৪টি মৌলিক দায়িত্ব বা কর্মসূচী নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। আপনারা বাংলাদেশ দ্বীন ইসলাম এর সাথে যুক্ত হয়ে মহান আল্লাহর নির্দেশিত উক্ত ফরজ কাজের চর্চা করে আল্লাহর সন্তুষ্টি ও করুনা অর্জনের চেষ্টায় শামিল হতে পারেন। কারন মহান আল্লাহ বলেছেন ‘'তোমরা কল্যাণমূলক ও খোদাভীরুতার কাজে পরস্পর সহযোগী হও, মন্দ ও সীমা লঙ্ঘনের কাজে পরস্পরের সহযোগী হয়ো না। সূরা মায়েদা-২ । উক্ত কর্মসূচী গুলো কিভাবে কায়েম করা যেতে পারে তার বিস্তারিত বিবরণ পেতে নীচের কমেন্টের লিঙ্কে ক্লিক করে পড়ার অনুরোধ রইল।
মহান আল্লাহ আমাদের বাংলাদেশের সকল মানুষকে শান্তিতে রাখুন, আমীন।

12/21/2025

সহমত

Good delivery
12/21/2025

Good delivery

আর্থিক সহায়তা বা অনুদান নয়, অসমাপ্ত বি'প্ল'ব সমাপ্ত করতে চাই: হাদির ভাই...

12/21/2025

এটা কি কোন মানুষের কাজ ?
কোন ধর্ম এটা সমর্থন করে ?
এটা কি করলেন আপনারা ?
যারা এ কাজ করেছে ,
যারা দেখেছে ,
যারা পাশে ছিল ...
আমি সবার একই শাস্তি কামনা করছি !
এ ভিডিওটা সারা বিশ্ব দেখেছে ,
আমরা যে কতটা বর্*বর ,
কতটা নিষ্*ঠুর ,
তা মানুষ জেনে গেছে

🇧🇩 #বাংলা #বাংলাদেশের

12/19/2025

এক নজরে শরীফ ওসমান হাদির জীবন বৃত্তান্ত

#এখনটিভি

12/19/2025

Address

New York, NY
1205

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangladesh Deen Islam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Bangladesh Deen Islam:

Share