Dhamma Teaching-ধম্ম শিক্ষা

Dhamma Teaching-ধম্ম শিক্ষা পরিয়ত্তি শিক্ষা প্রকাশিত হবে।

সাধু সৎগণদের লক্ষণ (১২) প্রকার,১: সহনশীল হওয়া,২: সম্প্রলাপ না করা(অনর্থক বাক্যলাপ না করা)৩: ক্রোধের বহিপ্রকাশ না করা,৪: ...
12/08/2021

সাধু সৎগণদের লক্ষণ (১২) প্রকার,
১: সহনশীল হওয়া,
২: সম্প্রলাপ না করা(অনর্থক বাক্যলাপ না করা)
৩: ক্রোধের বহিপ্রকাশ না করা,
৪: অাত্মদম্ভ(আমিত্ব-অহংবোধ) না থাকা,
৫: উপকারীর কৃতজ্ঞতা স্বীকার করা,
৬: যশ খ্যাতির জন্যে প্রতিযোগিতা না করা,
৭: কেবল অাত্মহিতের চিন্তা না করা(প্রত্যেকটি কাজের পেছনে পরহিত চিন্তা করা),
৮:অন্যের দোষকে মনের ভেতর পোষন করে না রাখা,
৯: পাপীকে জানা সত্বেও ঘৃন্যভাষায় দোষারোপ না করা,
১০: সকল প্রকার পাপ ও কুকর্মের প্রতি ভয় লজ্জাশীলতা থাকা,
১১: কুশল বা সুকর্মের প্রতি সদাচারী হওয়া,
১২: কঠিন হতে কঠিনতর পরিস্থিতির মাঝেও ধৈর্য্যের সীমায় নিজেকৈ অবদ্ধ রাখাতে পারা৷
এই ১২টি গুণে অলঙ্কৃত থাকেন সর্বদা একজন সৎপুরুষ৷ সাধুসজ্জনগণ সর্বদা তেমন কর্মই করেন যা বিজ্ঞ পারজ্ঞ পণ্ডিতদের দ্ধারা প্রশংসনীয়৷
---আসিন ধর্মপাল

সাত প্রকার ক্ষুদ্র মৈথুন সেবন                 ------আশিন ধর্মপাল১-স্ত্রীদের(যেকোন মেয়ে এমনকি ছোট্ট বালিকাও) হাতের দ্ধারা...
09/08/2021

সাত প্রকার ক্ষুদ্র মৈথুন সেবন
------আশিন ধর্মপাল

১-স্ত্রীদের(যেকোন মেয়ে এমনকি ছোট্ট বালিকাও) হাতের দ্ধারা চন্দন সাবান যেকোন কিছুর লেপনে সুখানুভূতি নেয়া,

২-মেয়েদের সাথে হাসিঠাট্টা ও ক্রীয়া করে সুখানুভব করা,

৩- মেয়েদের প্রতি এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থেকে সুখ অনুভব করা,

৪- পূর্বে সেবন করা মৈথুনকে পুনরায় সেটার কল্পনা করে সুখ অনুভব করা,

৫- নারীর শব্দকে শুনে মনে মনে তৃপ্তি বা সুখানুভব করা,

৬-অন্যকে দেখে কামসুখ অনুভব করা(যেমন অমার্জিত ভিডিও দেখে সুখানুভব করা)

৭- এই শীলের দ্ধারা স্বর্গ লাভ করব এই বাসনা করা,

এই মৈথুন সেবনকারীর ফল,,,

১-নিজের ভাগ্যের পরিবর্তন হওয়া। অর্থাৎ ধীরে ধীরে সৌভাগ্যের সময় কমে আসতে থাকে।
ধ্যানলাভী হয়ে থাকলে তার ধ্যানবল নষ্ট হয়ে যায়।

২- জ্ঞানবল(স্মৃতিশক্তি) হ্রাস পায়।

৩- দেহকায় অস্থিতিশীল হওয়া,

সর্বদা মৈথুনকে নিয়ে চিন্তা করা ব্যক্তির শরীর স্বাভাবিক মানুষের শরীরের তূলনায় অস্থিরতা কাজ করে। মন কামরাগে উত্তপ্ত থাকার কারণে শরীরও ঐ অগ্নিতে দগ্ধ হতে থাকে। যার কারণে একজন কামরাগে দগ্ধ ব্যক্তিকে সহজেই চেনা যায়। তার চেহারায় তা ফুটে উঠে। যেভাবেএকজন রাগী ব্যক্তিকে চেনা যায়।

৪- দেহবর্ণ ও সৌন্দর্য্যতা দ্রুত হ্রাস পাওয়া,

যেখানে দেহ ও মন উভই প্রতিনিয়ত দগ্ধ হতে থাকে সেখানে রূপের সৌন্দর্য্যের হ্রাস পাওয়াটাই স্বাভাবিক। কারণ একজন সাধারণ মানুষ সামান্য দুশ্চিন্তা বা ডিপ্রেশনে ভোগতেই চেহারা তা ভেসে উঠে। আর সেখানে যদি কামরাগকে প্রতিনিয়ত মনে পোষন করে তাহলে তার তন ও মনতো অবশ্যই নষ্ট হবেই। বার্ধক্যের ছাপ দ্রুত স্পষ্ট হতে থাকে।

৫- নানানরোগে ভোগা। সহজেই রোগে বাসা বাধতে পারে।

কামরাগকে চিন্তা করা ব্যক্তির মনে স্থিরতা না থাকার কারণে তার হৃদয়ের কম্পনও স্বাভাবিক থাকে না। আর হৃদয়ের কম্পন স্বাভাবিক না হলে উৎপন্ন রক্তও পরিশুদ্ধ নয়, স্বাভাবিক নয়। আর এটাই নানান রোগের কারণ হয়ে যায়। যেমন একজন ব্যক্তি রাগের মাথায় খাবার খেলে সেই খাবার শরীরের জন্যে পুরোপরি কার্যকর হয় না তেমনি কামরাগের চিন্তায় ডুবে থাকা মানুষেরও নানান রোগে বাসা বাধে। আর এটাই দেহ মনের সম্পর্ক।

-------পাতিমোক্খমেদীনি
-------পাতিমোক্খভাসাটীকা

মরনাসন্ন সময়ে চিত্ত নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে যায়। তখন দেবগতি, মনুষ্য গতি, তির্যক গতি, প্রেত গতি ও‌ নিরয় গতি - ৫টি গতি নিমিত...
03/08/2021

মরনাসন্ন সময়ে চিত্ত নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে যায়। তখন দেবগতি, মনুষ্য গতি, তির্যক গতি, প্রেত গতি ও‌ নিরয় গতি - ৫টি গতি নিমিত্তের যে কোন একটি এসে উপস্থিত হতে পারে। তাই ঐ মুহুর্তে কর্মানুযায়ী গতি কোন দিকে নির্ধারিত হবে কেউ বলতে পারে না। চিন্তা করলে সত্যি ভয় হয়।

সকলে করোনা (কোভিড-১৯) নামক কপ্প রোগ থেকে শীঘ্রই মুক্ত হোক এই কামনা করছি।

( #শুভাকাঙ্ক্ষীদের_উদ্দেশ্যে: অনুগ্রহ করে করোনা নির্মূল না হ‌ওয়া পর্যন্ত চতুর্পদী ও দ্বিপদী প্রাণীর মাংস খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। শাক সবজি বেশি করে খাবেন। তরকারিতে হ্নুং/সাবরাং (Lemon Basil) দিয়ে খাবেন। নিশ্চয়ই উপকার পাবেন।)

~ Bo Aung Marmagri

📖গ্রহদোষ কি এবং তার কারন? গ্রহদোষ মুক্ত হওয়ার উপায়🔰🔰---- সূর্যগ্রহণ চন্দ্রগ্রহন গ্রহ নক্ষত্র দোষের দিন। পালি সংস্কৃতি সা...
10/06/2021

📖গ্রহদোষ কি এবং তার কারন? গ্রহদোষ মুক্ত হওয়ার উপায়🔰🔰----
সূর্যগ্রহণ চন্দ্রগ্রহন গ্রহ নক্ষত্র দোষের দিন। পালি সংস্কৃতি সাহিত্যে চন্দ্র সূর্যসহ সকল নক্ষত্রের দোষকে অশুভ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। বুদ্ধের মহাশ্রাবক আঙ্গুলিমালার পূর্বের নাম ছিলো আহিংসক, জ্যেতিষীর ভবিষ্যত গননা করে দেখতে পেয়েছিলেন এই শিশু যেমন তীক্ষ্ণ জ্ঞানী-গুনী হবে, জম্মের সময় নক্ষত্র দোষের কারণে নরঘাতক হবে। তাই শিশুটির নাম অহিংসক রেখে নরঘাতক না হওয়ার জন্য উপযুক্ত গুরু নির্বাচন করা হলো যেন সুশিক্ষা পাই। আঙ্গুলিমাল এত পারমীবান হওয়ার সত্ত্বেও নক্ষত্র দোষকে অতিক্রম করতে পারেনি।
অামাদের বোধিসত্ত্ব ভাবিবুদ্ধ জম্মের সময় গ্রহ নক্ষত্র দোষের কারণে দুষ্টজম্ম গ্রহণ করতে বাধ্য হয়েছিলেন তার উদাহরণ অনেক জাতকে পাওয়া যায়। পক্ষী জাতকে বোধিসত্ত্ব চোরের দলপতি হয়েছিলেন মাঝে মাঝে তিনি সাধুতা করুনা ও মহানুভবতার পরিচয় দিতেন।
ভিক্ষু সংঘ পরিত্রাণ পাঠের সময় রাজাতোবা, চোরাতোবা,মানুষ্যতোবা, অমানুষ্যতোবা, নক্ষত্রতোবা উচ্চারণ করে পরিত্রাণ পাঠ করে তারপরে ও মিথ্যাদৃষ্টি নামক বোকারা নক্ষত্র অমনুষ্য উপদ্রবকে বিশ্বাস করে না।
সূর্য দেবতা এক সময় অসুরেন্দ্র রাহু কতৃক অবরুদ্ধ হয়েছিলেন। তখন সূর্য দেবতা মনে মনে ভগবান বুদ্ধকে শরণ করে বন্দনা করে বললেন, বুদ্ধ আপনি আমার শরণস্থল হোন। বুদ্ধ অসুরেন্দ্র রাহুকে বললেন, সূর্যদেবতা আমার শরণাপন্ন হয়েছে তুমি তাঁকে গ্রস-মুক্ত করে। তখন অসুরেন্দ্র রাহু ভয় পেয়ে তাড়াতাড়ি সূর্যদেবতাকে মুক্ত করে দিলেন, যদি মুক্ত করে না দিতেন অসুরেন্দ্র রাহুর মাথা সাত টুকরো হয়ে যেতো।
তেন খো পন সময়েন সুরিয়ো দেবপুত্তো রাহুনা অসুরিন্দেন গহিতো; অথ খো সুরিয়ো দেবপুত্তো ভগবন্তং অনুস্সরমানো;
চন্দ্রদেবতা ও এভাবে একসময় অসুরেন্দ্র রাহুর কতৃক গ্রাস/অবরুদ্ধ হয়েছিলেন.............. একই কাহিনী ।
যেখানে বোধিসত্ত্ব মহাসত্ত্বরা নক্ষত্র দোষের প্রভাব থেকে মুক্ত নয় সেখানে আমাদের মত সাধারণ সত্ত্বরা গ্রহ নক্ষত্র দোষের বাহিরে নয়।
(C: স্মৃতি চাকমা)
গ্রহদোষ মুক্ত হওয়ার জন্য নবগ্রহ সুত্র,জিনপন্জর গাথা,আটানাটিয়া সুত্র, চান্দা সুরিয়া গাথা প্রভৃতি পাঠ, এবং বোধিবৃক্ষ তথা পারিভোগ জাদী,অরহত,আর্যবিদ্যাধরদের পুজা বন্দনা করা উচিত।এক কথায় শীল,সমাধি,প্রজ্ঞার অনুশীলন করলে, বুদ্ধের সত্য ধর্ম যথাযথ আচরন করলে গ্রহদোষ মুক্ত হওয়া সম্ভব।বুদ্ধের ধর্মে সব সম্ভব যদি বুদ্ধের ধর্মের নীতি নিয়ম মান্য করা যায়।

জগতে সাহায্যকারী বিপদে উদ্ধারকারী পুরুষোত্তম ব্যক্তি (আর্যবিদ্যাধরগন) এখনও বিদ্যমান। বুদ্ধ শাসনের জন্য কাজ করতে চাইলে এম...
19/03/2021

জগতে সাহায্যকারী বিপদে উদ্ধারকারী পুরুষোত্তম ব্যক্তি (আর্যবিদ্যাধরগন) এখনও বিদ্যমান। বুদ্ধ শাসনের জন্য কাজ করতে চাইলে এমন গুরুআচরিয় ব্যক্তিদের সান্নিধ্য উপভোগ্য করতে ইচ্ছুকের দান-শীল-ভাবনার কোন বিকল্প নেই। কারণ তাঁরাও সে পথ ধরে বুদ্ধ শাসনের সেবায় রত আছেন।

আপনি কি এমন পুরুষোত্তম ব্যক্তির মৈত্রী ভালোবাসা পেতে চান না??? যদি চান, তাহলে তাঁদের ন্যায় শীল,সমাধি,প্রজ্ঞা অনুশীলন করতে চেষ্টা করুন।

---বো অং মারমাগ্রী

ফটোঃ শোয়েয়াংগ্য ইচ্ছাসায়া মহীদ্ধী জে গইং আর্যবিদ্যাধর গুরু ও ছ্যায়াদবৃন্দ।

"সূরস্সতী"- নামে এক হলেও চিন্তা চেতনায়, কর্মে এবং যোগ্যতায় বিস্তর ফারাক। মূল কথা হলো তাঁরা দুজনই ভিন্ন প্রকৃতির। #একজন...
06/02/2021

"সূরস্সতী"- নামে এক হলেও চিন্তা চেতনায়, কর্মে এবং যোগ্যতায় বিস্তর ফারাক। মূল কথা হলো তাঁরা দুজনই ভিন্ন প্রকৃতির।
#একজন তুষিত দেবলোকে অবস্থানরত অনাগামী মার্গফলের অধিকারী দেবরাজ ইন্দ্র (ছাগ্রা মাং) কতৃর্ক আদিষ্ট ত্রিপিটক রক্ষাকারিনী দেবী (পিটকত্তয় সম্পূন্নং অর্থাৎ সমগ্র পিটকের জ্ঞানকে বুদ্ধের নির্দেশিত পথে যিনি নিজ জ্ঞানে উপলব্ধি করে ধারন করেছেন) যাকে আমরা (শোয়েয়াংগ্য ইচ্ছাসয় মহিদ্ধী জে গইং এর দীক্ষা প্রাপ্ত) পূজা করি। অপরজন চতুর্মহারাজিক দেবলোকের অন্তর্গত নদীর দেবী (মতান্তরে সংগীত/বিদ্যার দেবী)।
#একজনের হাতে ত্রিপিটক। অপরজনের বীণা।
#একজনের বাহন ব্রহ্মিনী পাখি। অপরজনের হংস।

© Bo Aung Marmagri

বুদ্ধের শিক্ষাকে অন্তরে ধারণ করত আসুন আমরা পরস্পরের সাথে পরস্পর মৈত্রীর বন্ধনে আবদ্ধ হ‌য়ে এই ৪ ধরনের মান বা অহংকার ত্যা...
28/01/2021

বুদ্ধের শিক্ষাকে অন্তরে ধারণ করত আসুন আমরা পরস্পরের সাথে পরস্পর মৈত্রীর বন্ধনে আবদ্ধ হ‌য়ে এই ৪ ধরনের মান বা অহংকার ত্যাগ করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হ‌ই--

#জাতি_মান - জন্ম বা বংশ পরিচয়ের অহংকার।

ান - ধন সম্পত্তি নিয়ে অহংকার।

#পঞ্ঞা_মান - জ্ঞান বা শিক্ষা নিয়ে অহংকার।

#বন্ন_মান - রূপ সৌন্দর্য নিয়ে অহংকার।

অনাগত রাম বুদ্ধের প্রথম অগ্রমহাশ্রাবক মহাসত্ত্ব পরম পূজ্য গুরুভন্তে উ পঞ্ঞা জোত মহাথের এর শিষ্য হিসেবে সর্বোপরি আমাদের মনে রাখা উচিত---

"নিজের পথ নিজেকে করতে হয় তৈরী,
যত‌ই হোক অন্তরায়, পরিবেশ বৈরী।
এতে হয় নির্বাণ অভিমুখী পারমী পূরণ,
জ্ঞাণীগণ জেনে করে তাই করণীয় সম্পাদন"।
Bo Aung Marmagri

28/01/2021

অরহত হ‌ওয়া কঠিন বটে।
কিন্তু বুদ্ধ শাসনের কাজ করে বুদ্ধ শাসনকে রক্ষা করা তার চেয়েও অনেক অনেক বেশি কঠিন। আর সে কাজটা সাধারনের পক্ষে করা কখনোই সম্ভব হয়ে উঠে না।B.A.M

26/09/2020

စိတ်သာချအတည် ဝိဇ္ဇာ ''မ ''မည်
-------------------- ------ ------
''ဝိဇ္ဇာတွေက လူတစ်ယောက်ကို မ လို့ရလား ''

''ဝိဇ္ဇာ မ တာတော့သိပ့်ကြားဖူးကြမှာမဟုတ်ဘူး။
အိမ်ကရှိသမျှဝိဇ္ဇာလိုလိုဘိုးတော်လိုလိုတွေ မ လို့
ပါသွားတာ တွေ တော့ ကြားဘူး တယ်လို့ပြော
ကြသူတွေများမှာကွ''

''ဗျာ--ဒါက အတု အယောင်တွေပဲဦးဂွတ်ထွီး
ရာ ''

''အေး--အစစ်မှန်တွေ ဆိုရင်လည်း မ ချင်တိုင်းမ
မရတာတွေရှိတယ်ကွ ''

''မရှင်း ဘူး ဦးဂွတ်ထွီး ရာ--။ ပုဂ္ဂိုလ်တွေမှာ
သိဒ္ဓိတန်ခိုးတွေရှိနေတာ ဘာလို့ မ မရတာလဲ
ဗျာ''

''အေး --သူမှာ မ နိူင်တဲ့စွမ်းအင်တွေရှိတယ် မ ချင်
တိုင်းမ မရတာက ။ မ ချင်တဲ့ လူတွေရဲ့ အတိတ်ကံ
ဟာ ပုဂ္ဂိုလ်ထူးတွေ မ ရမယ့်ကံပါမလာရင် ။ ပြီး
တော့ မ နိူင်လောက်တဲ့ ဉာဏ် မပြည့်စုံရင် မလို့
မရဘူး --

ကံမွဲ ဉာဏ်မွဲ ရင်မလို့မရဘူးပေါ့ ကွာ --

ဉာဏ်မွဲတဲ့သူနဲ့ မ ချင်တဲ့ သိကြားမင်းပုံပြင်ပြောပြ
မယ်---

သိကြားမင်းက သူဆင်းရဲတစ်ယောက်ကို
လေးတစ်လက်နဲ့မျှားသုံးချောင်း မ လိုက်တယ်ကွ---

မျှားတစ်ချောင်းပစ်တိုင်းလိုရာဆန္ဒတစ်ခု‌တာင်းပစ်
လိုက်ယုံနဲ့သူ့ဆုတောင်းပြည့်မယ်လို့မိန့်ခဲ့တယ်--
ဆင်းရဲဟာသွားလေရော ငယ်ပါ ဆိုပြီးပစ်
လိုက်တော့သူ့၊ငယ်ပါ ပျောက်သွားတယ်။ ဒီတော့
သူအရမ်းကြောက်လန့် ပြီး နောက်မျှားတစ်ချောင်း
နဲ့ ---

''လာလေရော ငယ်ပါ တွေ''

ဆိုပြီးပစ်လိုက်တာတစ်ကိုယ်လုံး ငယ်ပါတွေပြည့်
ကုန်တော့သူအရမ်းလန့်သွားတယ်။ ဒီတော့နောက်
ဆုံးလက်ကျန်မျှားတစ်ချောင်းကို----

''ငါ့ ငယ်ပါတစ်ခုပဲပြန်လာ''

လို့ ပြောပစ်လိုက်တော့မှပဲသူမွေးရာပါငယ်ပါပြန်
ရောက်လာတယ်တဲ့။မျှားသုံးချောင်းသာ ကုန်သွား
တယ်သူငယ်ပါဘဲ အသဲသန်နဲ့ပြန်ရလိုက်တယ်အဲ့
ဒီ့လူကတော့ထင်မယ် သိကြားမင်းက သူကိုအ
ချွန်နဲ့ မ သွားတယ် ပဲ ဉာဏ်မှ မရှိတာ --''

''ဗျာ--- ဖြစ်မှဖြစ်ရလိမ့် ''

''အေး--ဒါကြောင့်။ ဉာဏ်မွဲတဲ့လူတွေကို မ
ဖို့ ဆိုတာ မလွယ်ကူ လှဘူး။ မ လို့မမှန်းသိ
ကြမှမဟုတ်ဘူးကြောင့်ဝိဇ္ဇာတွေရဲ့ဥဒါန်းမှာ---

''မသိသူကျော်သွား သိသူဖော်စား--။ဉာဏ်တူ
ရင်ယူ ''

ဆိုပြီးကြွေးကြော်မိန့်ခဲ့ကြတာအလကားမဟုတ်ဘူးကွ။ ဒါ
ကြောင့်ဝိဇ္ဇာတွေမဖြစ်မနေ မ ချင်ရင်ပထမဆုံးအသိ
ဉာဏ်ဖွံ့ဖြိုးအောင်အရင်ဆုံးမရပြန်တယ်---

နောက်ဥပမာတစ်ခုပြောပြမယ်ကံမွဲတဲ့သူနဲ့နတ်တစ်ပါး
အကြောင်း---

နတ်တစ်ပါးဟာလူတစ်ယောက်ကိုသိပ့် မ ချင်လို့ ရွှေထုပ်ကြီးပစ်ချ‌ပေးလိုက်တယ်ဒီလူကအပေါ်
မော့သွားတော့မမြင်လိုက်ဘူး --

နောက် အပေါ်တစ်နေရာမှာ ရွှေထုပ်ကြီးချ ပေး
တယ် အဲ့ဒီ့လူက အောက်ငုံ့သွားပြန်လို့မရလိုက်ပြန်
ဘူးပေါ့ --

ဒီတော့ အရမ်း မ ချင်တဲ့ နတ်က တည့်တည့်လေး
ချ ပေးတယ် ဒါပေမယ့် အဲ့ဒီ့လူက ဘေးကြည့်သွား
ပြန်တော့မချင်လွန်းတဲ့ နတ်လည်းစိတ်ပျက်သွားတယ်
ဒီဥပမာပုံပြင်လိုပဲကံမွဲတဲ့လူ တွေကို မ မရဘူး ယုန်
တောင်ပြေး ခွေးမြောက်လိုက်ဆိုတဲ့စကားလိုပဲ ---

''ဟူးး ''

''အေး---ဒါကြောင့်အဓီက က မိမိပေါ်မူတည်တယ်
မိမိမှာအဆင်သင့်မရှိပဲဟိုလူမနိူးနိူး ဒီဝိဇ္ဇာမနိူးနိူး
မျှော်လင့်မနေပါနဲ့ကိုယ်ကအဆင်သင့်ဖြစ်အောင်
ပြင်ဆင်ထားပါမောင်ရဲဇော် ရာ ''

''ဘယ်လိုပြင်ဆင်ထားရမှာလဲ ဦးဂွတ်ထွီးရ''

''ဪ--ဘုရားဟောမှာချမ်းသာကြောင်းကဒါန
အသက်ရှည်ကြောင်းကသီလ ကံကောင်းကြောင့်
ကသမထသံသရာလွတ်မြောက်ကြောင်းကဝိပဿ
နာ လေကွာ --

ဒီလိုမှမဟုတ်ပဲ ငါ့ရပြီးရော ငါ့အတွက်တစ်ပို့ထဲ
ကြည့်ဣဿမစ္ဆိယစိတ်တွေဖုံးလွှမ်းပြီး ကိုယ်စိတ်
နှလုံးညစ်နွမ်းနေတဲ့လူတွေက--

''အဘဝိဇ္ဇာကြီးတွေ မ ပါဦး''

ဆိုတောင်းနေလို့ က တော့ စိတ်သာချအတည် ဝိဇ္ဇာ
မျက်နှာလွဲမည် ပေါ့ကွာ ။ အဲ့ဒီ့လိုတောင်းတတဲ့ဆန္ဒ
မပြည့်တဲ့အခါမိမိကိုယ်ကို ပြန်လည်မသုံးသပ်ကြပဲ
ဝိဇ္ဇာဆိုတာရှိပါဘူးကွာ အလကား၊ပါ ဆိုပြီး --

''လူမိုက်ဆန္ဒ
လိုမရ
ကြံရကဲ့ရည်ပြုတတ်သည်--

ဆိုတဲ့ ဆုံးမစာ သံပေါက်စာလို ပေါက်ပန်းလေးဆယ်
စကားတွေနဲ့ --

''ဝိဇ္ဇာတွေဘယ်ဘုံမှာနေလဲ ''

ဘာညာဝိဇ္ဇာတွေကို ဝေဖန်တဲ့မေးခွန်းတွေထုတ်ရမ်းနေ
တဲ့ လူမျိုးတွေအများကြီးရှိတယ်ကွ ။ သူ့မ မ လို့
လျှောက်ရစ်နေတာ ---

အချို့ ဆိုဉာဏ်ကောက်နေလို့ မ မရတာတွေလဲ
ရှိတယ်---

ရှေးတုန်းက ဂါထာမန္တာန်ဝိဇ္ဇာ ဆရာက တပြည့်
ကို ဘုရားသုံးပါတ်ပတ် မန္တာန် ဂါထာစုပ်ရင် မင်း
သား လေးလို လှပ လိမ့်မယ်လို့ ပြောတဲ့ ဆရာ
စကားကိုရှည်ပြီး လေးပါတ်ရွတ်ရင်ပိုကောင်းမှ
ဆိုပြီး တစ်ပါတ်ပိုသွားလို့ မင်းသားလိုမလှပတော့
ပဲ ဘီလူးကြီးဖြစ်သွားလေသတဲ့ ''

''အတတ်ကျူးဘီလူး ဖြစ် သွားတာ ပေါ့ ဦးဂွတ်
ထွီး ''

''အေး - ငါ့အမြင်တော့ ဉာဏ်ကောက်သူလို့
မြင်တယ်။ ဉာဏ်ကောက်သူတွေဆိုတာသူ့
ထင်မြင်ချက်ကိုပဲ အမြဲဦးစားပေးလိမ့်ရှိကြ
တယ်။ယုံကြည် သဒ္ဒါစိတ်အမြဲဒွိဟဆန်နေ
တတ်တယ် ။ ဝိဇ္ဇာတွေက ဘာလုပ်ပါလို့
တည့်တည့်မိန့်ရင်တောင် မယုံကြည်လို့မ
လုပ်တာ ယုံကြည်ရင်လည်း ပြောတဲ့အတိုင်း
ဖြောင့်ဖြောင့် မလုပ် ကြဘူး လေ--

ခုနစကားကိုပြန်ဆက်ရရင်
ဝိဇ္ဇာအမ ခံချင်တဲ့ လူတွေက ကြိုတင်ပြင်ဆင်
ထားရတယ်--

ပုဂံရာဇ၀င်မှာမုဆိုးမသားကွန်းစော်လုလင်ကိုလ
ယ်စောင့်နတ်ကမိန့်တယ် တစ်နေ့မင်းဖြစ်မယ့်သူ
ဖြစ်တယ်အမြဲအရှည်စွဲပြီးဂုဏ်တော်ရွတ်စေဖို့
မိန့်တယ်။ သူလည်း ရွတ်တယ် နောက်မင်းဖြစ်တယ်----

အနော်ရထာရဲ့ဖခင်ကွန်းစော်ကြောင်ဖြူမင်းပေါ့ကွာ
ဒါက မဖြစ်ခင်ထဲက ကြိုပြင်ထားတဲ့ ပြင်ဆင်မှု့တစ်
မျိုးပေါ့ကွာ''

''ဟုတ်ကဲ့ သဘောပေါက်ပါပြီ ဦးဂွတ်ထွီးရာ''

''အေး သာဓု သာဓု သာဓု ။ ကံမမွဲ ဉာဏ်မမွဲတဲ့
ပါရမီရှင်ဖြစ်ပါစေကွာ''

Dr.ရဲဇော်(ဇီးကုန်း)

ที่อยู่

Bangkok

เว็บไซต์

แจ้งเตือน

รับทราบข่าวสารและโปรโมชั่นของ Dhamma Teaching-ধম্ম শিক্ষাผ่านทางอีเมล์ของคุณ เราจะเก็บข้อมูลของคุณเป็นความลับ คุณสามารถกดยกเลิกการติดตามได้ตลอดเวลา

แชร์