স্থায়ী কমিটির ফতোয়া اللجنة الدائمة الفتوى

  • Home
  • Saudi Arabia
  • Riyadh
  • স্থায়ী কমিটির ফতোয়া اللجنة الدائمة الفتوى

স্থায়ী কমিটির ফতোয়া اللجنة الدائمة الفتوى আমার এই পেজটি সৌদি আরবের ইলমী গবেষণা ও ফতোয়া বিষয়ক স্থায়ী কমিটির অফিসিয়াল পেজ নয়।

ইলমী গবেষণা ও ফতোয়া বিষয়ক স্থায়ী কমিটি (আরবীঃ اللجنة الدائمة للبحوث العلمية والإفتاء , প্রতিবর্ণীঃ আল-লাজনাহ আদ-দায়েমাহ লিল বুহুসিল ইলমিয়াহ ওয়াল ইফতা, ইংরেজীঃ Permanent Committee for Scholarly Research and Iftaa) সৌদি আরবের একমাত্র সরকারী ফতোয়া বিষয়ক ইসলামী প্রতিষ্ঠান। মুসলিম বিশ্বে ইলমী গবেষণা ও ফতোয়া বিষয়ক স্থায়ী কমিটি খুবই সম্মানিত ও সুপরিচিত একটি নাম। বাংলাদেশে এই প্রতিষ্ঠানটি সম্বন্ধ্যে ক

ম মানুষই জানেন। উনারা সৌদি আরবের সর্বোচ্চ উলামা পরিষদের (আরবীঃ مجلس هيئة كبار العلماء , প্রতিবর্ণীঃ মজলিস হায়াত কিবার আল-উলামা, ইংরেজীঃ Council of Senior Scholars) জন্য ইসলামী ফিকাহর বিধিবিধান এবং গবেষণাকর্ম প্রস্তুত করেন। সর্বোচ্চ উলামা পরিষদ দ্বীনী ব্যাপারে সৌদি বাদশাহকে পরামর্শ দেন। ইলমী গবেষণা ও ফতোয়া বিষয়ক স্থায়ী কমিটি, সর্বোচ্চ উলামা পরিষদের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান। কুরআনুল কারীম, সহীহ হাদিস এবং সালাফে সালেহীনের ইলমের আলোকে উনারা সারা বিশ্বের মুসলিমদেরও বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। ১৯৭১ সালে তৎকালীন সৌদি বাদশাহ ফয়সাল ইবনে আব্দুল আজিজ (রাহিঃ) একটি সরকারী আদেশের মাধ্যমে সর্বোচ্চ উলামা পরিষদের পাশাপাশি এই অফিসটিও প্রতিষ্ঠা করেন। এই প্রতিষ্ঠানের বর্তমান প্রধান হচ্ছেন প্রধান মুফতি শাইখ আব্দুল আজিজ ইবনে আব্দুল্লাহ আল আশ-শাইখ (হাফিঃ)। উনার আগে এই প্রতিষ্ঠানের প্রধান ছিলেন প্রধান মুফতি শাইখ আব্দুল আযীয ইবন আবদুল্লাহ ইবন বায (রাহিঃ)। প্রতিষ্ঠানটিকে বাংলায় একাডেমিক গবেষণা ও ফতোয়া বিষয়ক স্থায়ী কমিটি, ফতোয়া বিষয়ক স্থায়ী কমিটি, সবোর্চ্চ ইসলামী গবেষণা পরিষদ ইত্যাদি নামেও ডাকা হয়। প্রতিষ্ঠানটির অফিসিয়াল ওয়েব সাইট http://www.alifta.net, http://www.alifta.com, http://www.alifta.org, http://www.alifta.gov.sa । এই ওয়েব সাইটগুলোর মাধ্যমে আরবী, ইংরেজীসহ মোট ০৯টি ভাষায় প্রতিষ্ঠানটির সহীহ, বিশুদ্ধ ফতোয়াসমূহ সকলের পড়ার জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। আমার এই পেজটি ইলমী গবেষণা ও ফতোয়া বিষয়ক স্থায়ী কমিটির অফিসিয়াল পেজ নয়। এটি আমার ব্যক্তিগত উদ্যোগ। যেহেতু উনাদের কনটেন্ট ব্যবহার করছি, তাই পেজটির ব্যাপারে অনুমোদন চেয়ে উনাদের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছি, উত্তর পাইনি। যেহেতু বাংলা ভাষা উনাদের ওয়েব সাইটে নাই, তাই আমার উদ্দেশ্য হচ্ছে, কিছু কিছু ফতোয়া বাংলায় অনুবাদ করে এই পেজের মাধ্যমে দাওয়াহর উদ্দেশ্যে প্রচার করা। আমি উনাদের ফতোয়ার হুবুহু ইংরেজী থেকে বাংলায় অনুবাদ করেছি। আরো বিস্তারিত জানার জন্য এদুটি লিংক দেখতে পারেন https://goo.gl/7TR6PL , https://goo.gl/X6ozNv

15/01/2020

এ ফতোয়ায় অশ্লীল ও যৌন পত্রপত্রিকার ভয়াবহতা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

15/01/2020

ফতওয়া : ষাটজন মিসকিনকে এক সাথে খাদ্য দান কি জরুরী? নিজ পরিবারভুক্তদের কাফ্ফারার খাদ্য দেয়া যাবে কি?

মুফতি : ইলমী গবেষণা ও ফতোয়া বিষয়ক স্থায়ী কমিটি
অনুবাদ: সানাউল্লাহ নজির আহমদ
সম্পাদনা: আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া
উৎস: ইসলাম প্রচার ব্যুরো, রাবওয়াহ, রিয়াদ

বর্ণনা : ফতোয়াটি একটি প্রশ্নের উত্তর। প্রশ্নটি হল: আমি ইচ্ছাকৃতভাবে কোন রমজানে ইফতার করেছি, এখন ৬০ জন মিসকিনকে খাদ্য দান করতে চাই। প্রশ্ন : এক সাথে দান করা জরুরী, না প্রতিদিন ৪ বা ৩ জন মিসকিন খাওয়ানোর সুযোগ রয়েছে, আমার পরিবারভুক্ত কেউ যদি গরিব হয়, তাদেরকে খাদ্য দান কি বৈধ হবে? যেমন আমার মা ও ভাই বোন?

বিস্তারিত ফতওয়াটি পডতে বা ডাওনলোড করতে নিচের লিঙ্কটি ক্লিক করুন :
https://islamhouse.com/bn/fatwa/321619/

25/12/2018

ফাতওয়া : মুসলিম শাসকের প্রতি জনগণের দায়িত্ব ও কর্তব্য

মুফতি : ইলমী গবেষণা ও ফতোয়া বিষয়ক স্থায়ী কমিটি

বিস্তারিত ফতওয়াটি পডতে বা ডাওনলোড করতে নিচের লিঙ্কটি ক্লিক করুন : https://islamhouse.com/bn/fatwa/823064/... See More

25/12/2018

এটি রাজকীয় সৌদী আরবের ফতোয়া ও ইলমী গবেষণা বিভাগের স্থায়ী কমিটির পক্ষ থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বর্ণনা। যাতে ‘দক্ষিন আফ্রিকাস্থ আহলে কিতাব ইনস্টিটিউট’ নামক খ্রিষ্টান সংস্থার পক্ষ থেকে ইসলামের মূল ও সর্বশেষ দুর্গ আরব উপদ্বীপের বিভিন্ন ব্যক্তি, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের কাছে চিঠির মাধ্যমে পেশকৃত শিক্ষা গ্রহণ…

বাংলা ভাষাভাষী প্রত্যেক মুসলিমের জন্য ২টি মহা সুসংবাদঃ=========================================================১। কিছু দ...
22/10/2018

বাংলা ভাষাভাষী প্রত্যেক মুসলিমের জন্য ২টি মহা সুসংবাদঃ
=========================================================
১। কিছু দিনের মধ্যেই শাইখ ডঃ আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া (হাফিঃ)-এর সংক্ষিপ্ত তাফসিরসহ কুরআনের অনুবাদ বাংলাদেশ থেকেই ছাপা হয়ে বের হচ্ছে ইনশাআল্লাহ যার ফলে ঘরে ঘরে বিশুদ্ধ অনুবাদের কুরআন পৌঁছে যাবে আশা করছি ইনশাআল্লাহ, এটা তিন (৩) খণ্ডে সমাপ্ত হবে, মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫০০ টাকা।

২। মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের হাদিস বিভাগের প্রাক্তন ডীন শাইখ ডঃ মুহাম্মদ জিয়াউর রহমান আজমী (ইসলামের ১৪০০ বছরের ইতিহাসে সর্বপ্রথম) তাঁর সমগ্র সহীহ হাদিসের সংকলন “আল জামিউল কামিল ফিল হাদিস আস সহীহুশ শামিলে” পুনরাবৃত্তি ব্যতীত ১৬,০০০ সহীহ হাদিস এনেছেন https://goo.gl/smor9r । এটি ডাঃ জাকির নায়েকের প্রতিষ্ঠান আই.আর.এফ. এর সৌজন্যে দারুসসালাম সৌদি আরব থেকে আরবীতে প্রকাশিত হয়েছে। ডঃ মুহাম্মদ জিয়াউর রহমান আজমী বলেছেন, এই কিতাবটিতে কুতুবে সিত্তাহসহ ২০০ হাদিসের কিতাব থেকে পুনরাবৃত্তি ব্যতীত বিদ্যমান প্রায় সমস্ত সহীহ হাদিস আনা হয়েছে। এই সমগ্র সহিহ হাদিস সংকলনটি বাংলায় অনুবাদ হয়ে আসছে অচিরেই ইনশাআল্লাহ শাইখ ডঃ আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া (হাফিঃ)-এর তত্ত্বাবধানে। এখানে কত সংখ্যক হাদিস আছে, কবে নাগাদ কাজ শুরু হবে, কত দিনে এই কাজ সমাপ্ত হবে, এই প্রজেক্টে কি পরিমাণ অর্থ লাগবে, এখন পর্যন্ত কি পরিমাণ অর্থ জমা হয়েছে এবং এই হাদিস প্রজেক্ট সফলভাবে সম্পূর্ণ করতে পারলে বাংলা ভাষাভাষী মুসলিম উম্মাহ কি পরিমাণ উপকৃত হবেন এই বিষয়ে নিচের ভিডিওতে বিস্তারিত শুনুন শাইখের নিজের কাছ থেকেই।
=========================================================
কুরআনের বিশুদ্ধ অনুবাদের পর সব সহিহ হাদিস একত্রে পেলে এর চেয়ে বড় সুসংবাদ একজন মুসলিমের জন্য আর কি হতে পারে? সরল সঠিক পথে চলতে এটা তো তার মশাল হিসাবে কাজ করবে, এই হাদিসগুলো অন্ধকারে তাকে আলো হয়ে পথ দেখাবে, শয়তানের গোমরাহির প্রতিটা রাস্তা তার কাছে দিনের আলোর মত চকচকে পরিস্কার হয়ে ফুটে উঠবে, সে যেন সত্য মিথ্যার পার্থক্য করার হাতিয়ার নিজের ঘরেই মজুদ করে নিয়েছে, এই দুই বিরাট প্রজেক্টের ব্যাপারে মহান আল্লাহর দরবারে প্রাণ খুলে দুয়া করি, তিনি যেন এটা সহজ করে দেন, মুসলিমদের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেন এবং শাইখসহ যারাই শ্রম দিয়ে, অর্থ দিয়ে প্ল্যান দিয়ে সদকায়ে জারিয়ার এই বিরাট প্রজেক্টের জন্য চেষ্টা চালাচ্ছেন তাদেরকে এবং পাঠকদেরকে জান্নাতুল ফিরদাউসের মেহমান হিসাবে কবুল করে নেন, আমিন।

সব সহিহ হাদিস একত্রে এই প্রজেক্টের জন্য সাহায্য পাঠানোর ঠিকানাঃ
শুধুমাত্র শাইখের ব্যাংক একাউন্টে টাকা পাঠিয়ে এই সাদকায়ে জারিয়ায় শরিক হতে পারেন।
=========================================================
Bank Account Name: ABU BAKAR MD ZAKARIA
Bank Account No: 1191120018793
Bank: Al-Arafah Islami Bank Limited
Branch: Kushtia Branch
District: Kushtia
=========================================================
প্রত্যেকেই শেয়ার করে অন্যদের কাছে পৌঁছে দিবেন ইনশাআল্লাহ। এতে করে অনেক বেশী মানুষের কাছে কুরআনের এই বিশুদ্ধ অনুবাদ এবং সমস্ত সহিহ হাদিস সংকলন অনুবাদের বার্তা পৌঁছে যাবে ইনশাআল্লাহ।
=========================================================
প্রয়োজনে শাইখের সাথে যোগাযোগঃ
ডঃ আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া মাদানী
সহযোগী অধ্যাপক, আল-ফিকাহ বিভাগ,
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া, বাংলাদেশ।
মোবাইল: ০১৫৫২৩৭৩৭৮৭ , ০১৭৫৫৬২৮০৫০
ই-মেইল: [email protected] , [email protected]

https://www.youtube.com/watch?v=ASUHowkcQws

07/08/2018

যাকে মসজিদে পাওয়া যাবে, তাকে জান্নাতেও পাওয়া যাবে।

31/07/2018

ফতোয়া নং ৭১২২ এর দ্বিতীয় প্রশ্ন

প্রশ্ন ২ঃ জিহাদ (আল্লাহর পথে যুদ্ধ করা) কি আজকের দিনে প্রত্যেক মুসলিমের উপর পৃথক একটি ফরজ, বিশেষত মুসলিমদের অধিকার যেহেতু প্রতিনিয়ত বিদেশী আক্রমণকারীদের দ্বারা লঙ্ঘিত হচ্ছে? এইসব অসহায় মানুষদের ব্যাপারে বিধান কি যারা তাঁদের সীমাবদ্ধতার জন্য পিছনে পরে থাকে, যদিও তাদেরকে যদি বলা হয় তবে তাঁরা আল্লাহর পথে লড়াই করার জন্য প্রস্তুত? এটা মনে রাখা উচিত যে তাঁরা ঐসকল মুসলিম দেশগুলোর অবস্থার কারণে পিছনে পরে থাকে যারা শরীয়াহ আইন বাস্তবে প্রয়োগ করে না। এই বিষয়ে দয়া করে দলিলসহ একটি ফতোয়া দিন।

উত্তরঃ আল্লাহর বানীকে শ্রেষ্ঠতম প্রমাণ করতে, ইসলামকে রক্ষা করতে, ইসলামের বাণী প্রচার সহজতর করতে এবং এর পবিত্রতা রক্ষা করতে জিহাদ ঘোষণা করা যারা আল্লাহর পথে সংগ্রাম করতে সক্ষম তাদের সকলের জন্য ফরজ। তবে বিশৃঙ্খলা এবং অবাঞ্ছিত ফলাফল এড়াতে জিহাদ নিয়মিত সেনাবাহিনীর মাধ্যমে পরিচালনা করতে হবে। অতএব জিহাদ ঘোষণা করা মুসলিম শাসকের দায়িত্ব। ধর্মীয় আলেমগণের দায়িত্ব শাসককে জিহাদের দাওয়াত দেওয়া। যদি শাসক জিহাদের দাওয়াত কবুল করেন এবং মুসলিমদেরকে জিহাদে ডাকেন, তাহলে যারা লড়াই করতে সক্ষম তাঁদের প্রত্যেকেরই শাসকের সাথে জিহাদে অংশগ্রহণ করতে যেতে হবে। মানুষটিকে আল্লাহর কাছে আন্তরিক হতে হবে এবং জিহাদের মাধ্যমে হককে রক্ষা করা এবং ইসলামকে রক্ষা করার নিয়্যত করতে হবে। যে কেউ অজুহাত (ওজর) ছাড়া পিছনে থেকে যাবে, সে গুনাহগার হবে।

আল্লাহ আমাদের সাফল্য দান করুন। আমাদের নবী মুহাম্মদ (সাঃ), তার পরিবার ও সাহাবাদের (রাঃ) উপর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক।

ফতোয়া প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানঃ ইলমী গবেষণা ও ফতোয়া বিষয়ক স্থায়ী কমিটি (সৌদি আরব)।

ফতোয়া অনুমোদনকারী আলেমঃ আব্দুল্লাহ ইবনে কাওদ, আব্দুল্লাহ ইবনে ঘুদাইয়্যান, আব্দুল-রাজ্জাক আফিফী, আবদুল আজিজ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে বায।

অফিসিয়াল সাইটে মূল ফতোয়াটির লিংকঃ https://goo.gl/hNtkqa

15/07/2018

ফতোয়া নং ২০৩৮৪ এর চতুর্থ প্রশ্ন

প্রশ্ন ৪ঃ কখন অন্যদের কাছে ঝাড়ফুঁক (রুকইয়াহ বা অসুস্থ ব্যক্তির রোগ নিরাময়ের জন্য কুরআন তিলাওয়াত ও দোআ পড়া) করা যায় এবং দোআ চাওয়া যায়?

উত্তরঃ অন্যদের কাছে দোআ চাওয়া ও ঝাড়ফুঁক করা মুবাহ (বৈধ)। তবে অন্যদের কাছে না চেয়ে একজন ব্যক্তির নিজের জন্য এগুলো নিজে করাই উত্তম।

আল্লাহ আমাদের সাফল্য দান করুন। আমাদের নবী মুহাম্মদ (সাঃ), তার পরিবার ও সাহাবাদের (রাঃ) উপর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক।

ফতোয়া প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানঃ ইলমী গবেষণা ও ফতোয়া বিষয়ক স্থায়ী কমিটি (সৌদি আরব)।

ফতোয়া অনুমোদনকারী আলেমঃ বকর আবু জায়েদ, সালেহ আল-ফাওযান, আব্দুল্লাহ ইবনে ঘুদাইয়্যান, আব্দুল আজিজ আল আল-শাইখ, আবদুল আজিজ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে বায।

অফিসিয়াল সাইটে মূল ফতোয়াটির লিংকঃ https://goo.gl/d78hqy

13/07/2018

প্রবন্ধ : ইসলামি রাজনীতি কি ও কিভাবে?

লেখক : ইলমী গবেষণা ও ফতোয়া বিষয়ক স্থায়ী কমিটি

অনুবাদ: আব্দুল্লাহ আল-মামুন আল-আযহারী

সম্পাদনা: মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী

উৎস: ইসলাম প্রচার ব্যুরো, রাবওয়াহ, রিয়াদ

বর্ণনা : এ প্রবন্ধে ইসলামি রাজনীতি কী ও কীভাবে করা যাবে, কাফের দেশে কি ইসলামি রাজনীতি করা যাবে এসব প্রশ্নের উত্তর সৌদি আরবের ফতোয়া বিষয়ক স্থায়ী কমিটির কিছু ফতোয়ার আলোকে দেয়া হয়েছে।

https://islamhouse.com/bn/articles/823060/

08/07/2018

কুরআনে মোট আয়াত ৬,২৩৬ এবং সহীহ হাদিস ৩০,০০০ এর বেশি হবে না, এই হচ্ছে পূর্ণাঙ্গ ইসলাম। এর বাইরে কোন ইসলাম নেই।

28/06/2018

প্রশ্নঃ সহীহ হাদিসের সংখ্যা কত?

উত্তরঃ অনেকে ফেসবুকে লেখেন লক্ষ লক্ষ সহীহ হাদিস আছে। কথাটি মনে হয় সত্য নয়। মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের হাদিস বিভাগের প্রাক্তন ডীন শাইখ ডঃ মুহাম্মদ জিয়াউর রহমান আজমী (ইসলামের ১৪০০ বছরের ইতিহাসে সর্বপ্রথম) তাঁর সমস্ত সহীহ হাদিসের সংকলন “আল জামিউল কামিল ফিল হাদিস আস সহীহুশ শামিলে” পুনরাবৃত্তি ব্যতীত ১৬,০০০ সহীহ হাদিস এনেছেন https://goo.gl/smor9r । এটি ডাঃ জাকির নায়েকের প্রতিষ্ঠান আই.আর.এফ. এর সৌজন্যে দারুসসালাম সৌদি আরব থেকে আরবীতে প্রকাশিত হয়েছে। ডঃ মুহাম্মদ জিয়াউর রহমান আজমী নিজেও বলেছেন, এই কিতাবটিতে কুতুবে সিত্তাহসহ ২০০ হাদিসের কিতাব থেকে পুনরাবৃত্তি ব্যতীত বিদ্যমান প্রায় সমস্ত সহীহ হাদিস আনা হয়েছে। কাজেই যদি ধরেও নেই, আরো কিছু সহীহ হাদিস হয়ত পাওয়া যাবে, তথাপিও পুনরাবৃত্তি ব্যতীত সমস্ত সহীহ হাদিসের সংখ্যা ৩০,০০০ এর বেশি হবে না। ডঃ আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর এবং ডঃ আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়ার দুটি লেকচারে তেমনটিই ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

প্রশ্নঃ কাওমী আলেমদের বয়কট করে কি কুরআন ও সহীহ হাদিসের দাওয়াত পোঁছানো সম্ভব?

উত্তরঃ বাংলাদেশের বেশীরভাগ আলেম কাওমী মাদ্রাসা থেকে এবং অল্প সংখ্যক আলিয়া মাদ্রাসা থেকে পাস করেন। বাংলাদেশের যেই ১০ শতাংশ মানুষ দ্বীনদার তাদের বেশীরভাগই এই আলেমদের কাছ থেকেই দ্বীন শেখেন। কারণ উনারাই আমাদের সমাজে মসজিদের খতিব, ইমাম, মুয়াযযিন। বাকি ৯০ শতাংশ বেদ্বীনী বাংলাদেশী মুসলিমরা সুখে শান্তিতে ভাল আছেন! কাজেই এই কাওমী আলেমদের বয়কট করে কুরআন ও সহীহ হাদিসের দাওয়াত মানুষের কাছে পৌঁছানো যাবে বলে মনে হয় না। এই আলেমদের শিক্ষার মানোন্নয়ন করা দরকার। এই আলেমদের বেশীরভাগই মুতাওয়াসসিতাহ (দাখিল/ এস.এস.সি. সমমান) অথবা সানাবিয়্যাহ উলইয়া (আলিম/ এইচ.এস.সি. সমমান) পাস করে খতিব, ইমাম, মুয়াযযিন হিসেবে কাজ শুরু করেন। খুবই অল্প সংখ্যক হয়ত বা ফযীলত (ফাযীল/ স্নাতক সমমান) অথবা তাকমীল (দাওরায়ে হাদিস/ কামিল/ মাস্টার্স সমমান) পাস করে মাদ্রাসায় শিক্ষকতা পেশায় যান। এই কাওমী মাদ্রাসাগুলোর সিলেবাস উন্নত না, শিক্ষকদের মান ভাল না, যথারিতী শিক্ষার মান ভাল না। সিলেবাস আধুনিকায়ন ও ভূলভ্রান্তি দূর করা দরকার। সৌদি আরবের ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাথে আমাদের কাওমী মাদ্রাসা, আলিয়া মাদ্রাসা ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ইসলাম শিক্ষা বিভাগের শিক্ষা ও শিক্ষক বিনিময় চুক্তি করা উচিত, সিলেবাস আধুনিকায়নসহ কুরআন সুন্নাহমুখী করা উচিত। সৌদি আরবের আলেমদের আমরা দেখি উনারা শরীয়াহ, হাদিস, ফিকাহ ইত্যাদি বিষয়ে পি.এইচ.ডি. ডিগ্রিধারী (উদাহরণস্বরূপঃ শাইখ ডঃ সুদাইস, শাইখ ডঃ শুরাইম), আর আমাদের দেশের আলেমদের এই দৈন্যদশা দুঃখজনক। এইসব পদক্ষেপ নেওয়ার মাধ্যমে আমাদের দেশের ইসলামের ভুলভ্রান্তি এই আলেমদের দ্বারাই দূরীভূত হবে। উনাদেরকে কুরআন সুন্নাহর সহীহ ইসলামের উচ্চশিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত করতে হবে। তাহলে আমাদের সমাজেও কুরআন, সহীহ হাদিসের ইসলাম প্রচার প্রসার লাভ করবে। কারণ দ্বীনদার মানুষ দ্বীন শেখেন এই সকল আলেমদের থেকে। উনাদের বয়কট করে বাংলাদেশের সহীহ ইসলাম কায়েম করা যাবে বলে মনে হয় না। ভূলভ্রান্তিও দূর করা যাবে না। দ্বীন ইসলামের উন্নতি করা যাবে না। আর নয়ত দ্বীনি ব্যাপারে কাদা ছোঁড়াছুড়ি চলবে, কাজের কাজ কিছুই হবে না!

26/06/2018

ফতোয়া নং ৬৩৫৬ এর পঞ্চম প্রশ্ন

প্রশ্ন ৫ঃ যেখানে মুসলিমরা তাদের মুসলিম ভাইদের বিরুদ্ধে প্রতিদিন অপরাধ করছে সেখানে বর্তমানে আমরা কিভাবে মুসলিম বিশ্বে ঐক্য আনতে পারি? উদাহরণস্বরূপ আমাদের বিভক্ত আরব উম্মাহ (জাতি) যারা কিছুতেই একমত হতে পারে না, তাদের মধ্যে অন্যান্য দ্বন্দ্ব ছাড়াও প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশনের অভ্যন্তরে সংঘটিত অভ্যন্তরীণ কোন্দল সম্পর্কে প্রতিদিন সংবাদ আসে, ইরাক এবং ইরানের মধ্যে সমস্যা আছে ইত্যাদি।

উত্তর: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জীবনকালের ঐক্য অর্জনের মূলনীতিগুলো অনুসরণ করে বর্তমান সময়েও মুসলিমদের মধ্যে ঐক্য অর্জন করা সম্ভব। এই মূলনীতিগুলো হচ্ছে সহীহ আকীদা অনুসরণ করা, খাঁটি ঈমান (বিশ্বাস), কুরআনের শিক্ষা এবং আমাদের নবী মুহাম্মাদ (সাঃ) এর সুন্নতের উপর আমল করা, ইসলামের দাওয়াত দেয়া এবং এর জন্য কষ্ট সহ্য করা।

আল্লাহ আমাদের সাফল্য দান করুন। আমাদের নবী মুহাম্মদ (সাঃ), তার পরিবার ও সাহাবাদের (রাঃ) উপর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক।

ফতোয়া প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানঃ ইলমী গবেষণা ও ফতোয়া বিষয়ক স্থায়ী কমিটি (সৌদি আরব)।

ফতোয়া অনুমোদনকারী আলেমঃ আব্দুল্লাহ ইবনে ঘুদাইয়্যান, আব্দুল-রাজ্জাক আফিফী, আবদুল আজিজ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে বায।

অফিসিয়াল সাইটে মূল ফতোয়াটির লিংকঃ https://goo.gl/Ycy5WD

Address

Al Jaradiyah
Riyadh
12771

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when স্থায়ী কমিটির ফতোয়া اللجنة الدائمة الفتوى posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share