Muslim's Diary

Muslim's Diary Muslims Diary is a non-profit online based Islamic platform. Its main purpose is to spread Islamic knowledge among all.

২০১৫ থেকে ১৯ এর হিসাব অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র থেকে অস্ত্র ক্রয়কারী রাষ্ট্রগুলো শীর্ষে রয়েছে সৌদি আরব। তাদের ধারে কাছেও ক...
23/10/2024

২০১৫ থেকে ১৯ এর হিসাব অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র থেকে অস্ত্র ক্রয়কারী রাষ্ট্রগুলো শীর্ষে রয়েছে সৌদি আরব। তাদের ধারে কাছেও কেউ নেই। তারপর আরব আমিরাত, কাতার ও ইরাকের মত দেশগুলো রয়েছে।

অস্ত্র কেনার সময় চুক্তিপত্রে কিছু টিক মার্ক দিতে হয়। আর এভাবেই যুক্তরাষ্ট্র অন্যান্য দেশগুলোকে নিরাপত্তার জন্য তাদের নিজেদের উপর নির্ভরশীল করে তোলে।

এখন মন থাকলেও এই অস্ত্র তো আর যুক্তরাষ্ট্রের কলি_জা (কুত্তাইল) এর উপর চালানো যাবে না। আর হারামিদের তো মনই নাই।

22/10/2024

সফট স্কিলস = আখলাক

এই ঘটনাগুলোর জন্য দুঃখিত হওয়ার কিছু নেই। এগুলো এমনই হওয়ার ছিল। তবে দুঃখ এই জন্য যে, আমরা তাদেরকে সভ্যতার আইডল মেনে আমা...
15/10/2024

এই ঘটনাগুলোর জন্য দুঃখিত হওয়ার কিছু নেই। এগুলো এমনই হওয়ার ছিল। তবে দুঃখ এই জন্য যে, আমরা তাদেরকে সভ্যতার আইডল মেনে আমাদের মন-মস্তিষ্ক, চিন্তাধারা সবকিছুই সপে দিয়েছি।

কোনটা সত্য কোনটা অসত্য, কোনটা ভালো কোনটা খারাপ- সবকিছুই তাদের মাপকাঠিতে মেপেছি। যতক্ষণে তাদের ভন্ডামীর কিছুটা বুঝতে পারছি- দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। বের হতে সময় লাগবে।

আল্লাহ্ হয়তো এই মাজলুমদের মাধ্যমে বিশ্ব মুসলিমদের পরীক্ষা নিচ্ছেন।

অনুগ্রহ করে যত বেশি পারেন রিপোস্ট করুন :বন্যায় আশ্রয়কেন্দ্র আপডেটনোয়াখালী🏫 আশ্রয়কেন্দ্র ১📍 একলাশপুর মাদরাসা, একলাশপুর উচ...
22/08/2024

অনুগ্রহ করে যত বেশি পারেন রিপোস্ট করুন :

বন্যায় আশ্রয়কেন্দ্র আপডেট

নোয়াখালী

🏫 আশ্রয়কেন্দ্র ১
📍 একলাশপুর মাদরাসা, একলাশপুর উচ্চ বিদ্যালয়
📞 01812355103

🏫 আশ্রয়কেন্দ্র ২
📍 এম এ রশিদ উচ্চ বিদ্যালয়, মাইজদি
📞 01616-537086, 01609884684

🏫 আশ্রয়কেন্দ্র ৩
📍 নোয়াখালী সরকারি কলেজের নতুন ভবন
📞 01875418577

🏫 আশ্রয়কেন্দ্র ৪
📍 লক্ষীনারায়ণপুর, মাইজদি
আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, আল ফারুক জামে মসজিদ
📞 01680943899

🏫 আশ্রয়কেন্দ্র ৫
📍 নোয়ান্নই ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়
প্রধান শিক্ষক (মোজাম্মেল স্যার): 01831873324
সহকারী প্রধান শিক্ষক (জসীম স্যার): 01813053711

🏫 আশ্রয়কেন্দ্র ৬
📍 সেনবাগ
মোহাম্মদপুর রামেন্দ্র মডেল উচ্চ বিদ্যালয়
📞 01956852538
চাঁদপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, সেনবাগ
📞 01713941594

🏫 আশ্রয়কেন্দ্র ৭
📍 নুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
ব্রাদার আঁন্দ্রে উচ্চ বিদ্যালয় হয়েছে
জাফর স্যার : 01788404424

🏫 আশ্রয়কেন্দ্র ৮
📍 চৌমুহনী সরকারী এস এ কলেজ, চৌমুহনী

🏫 আশ্রয়কেন্দ্র ৯
📍 সোনাপুর ডিগ্রি কলেজ, বিজ্ঞান ভবন ১
নুরুল ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয়, শরীফপুর
📞 01820926840, 01881065039

🏫 আশ্রয়কেন্দ্র ১০
📍 জমিদারহাট বিএন উচ্চ বিদ্যালয়, রসুলপুর
আবদুর রশিদ চেয়ারম্যান
📞 01812988990

🏫 আশ্রয়কেন্দ্র ১১
📍 বেগমগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়
📞 01816780490

🏫 আশ্রয়কেন্দ্র ১২
📍 পশ্চিম চরউরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (খলিল মিয়ার দরজা) ভবন। ৬ নং নোয়াখালী ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড
📞 01712327653 (মজিব স্যার)

🏫 আশ্রয়কেন্দ্র ১৩
📍 সোনাইমুড়ি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়
যোগাযোগ:
📞 01778711108, 01835011434, 01902680292, 01754497533

🏫 আশ্রয়কেন্দ্র ১৪
📍 মফিজ উল্যাহ মেমোরিয়াল একাডেমী, মিরওয়ারিশপুর, নরোত্তমপুর

🏫 আশ্রয়কেন্দ্র ১৫
📍 নোয়াখালী স্কুল, হরিনায়ণপুর স্কুলের পাশে

🏫 আশ্রয়কেন্দ্র ১৬
📍 ব্রাইট ফিউচার মডেল হাই স্কুল, রাজাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দূর্গাপুর

🏫 আশ্রয়কেন্দ্র ১৭
📍 পৌর কল্যাণ উচ্চ বিদ্যালয়

🏫 আশ্রয়কেন্দ্র ১৮
📍 উত্তরলক্ষীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

📢 প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন:

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বন্যা নিয়ন্ত্রণ টিম:
📞 01769331519, 01769331520
🏢 AC (Land): 01307249392
🏢 PIO: 01614259627

🔥 ফায়ার সার্ভিসের হটলাইন: 102
🏢 কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ: 02223355555

⚠️ সকলের প্রতি অনুরোধ:
আবহাওয়া খুবই খারাপ, জলাবদ্ধতা বেশি হলে আশ্রয়কেন্দ্রে উপস্থিত হোন। বাড়িতে অবস্থান করতে পারলে, প্রয়োজনীয় শুকনা খাবার, পানি, স্যালাইন, মোমবাতি মজুত রাখুন।

ভরসা একমাত্র আল্লাহর উপর। তিনি আমাদের প্রতি আমাদের চেয়েও হাজার গুণ বেশি দয়ালু।

দুআ অর্থ প্রার্থনা করা, আপন রবকে একান্তে ডাকা; তাঁর সামনে নিজ সত্তাকে পেশ করা। নিজের প্রয়োজন-আরজি তুলে ধরা। দুআ হল মুনা...
13/08/2024

দুআ অর্থ প্রার্থনা করা, আপন রবকে একান্তে ডাকা; তাঁর সামনে নিজ সত্তাকে পেশ করা। নিজের প্রয়োজন-আরজি তুলে ধরা। দুআ হল মুনাজাত— প্রভুর সঙ্গে বান্দার একান্ত আলাপ।

হাদীস শরীফে দুআকে বলা হয়েছে ইবাদতের মূল-মগজ। কারণ, দুআর মধ্যে রবের সামনে বান্দার আবদিয়াত ও দাসত্ব পূর্ণরূপে প্রকাশ পায়। এসময় বান্দা আল্লাহ ছাড়া সবকিছু থেকে মুখ ফিরিয়ে, সকল উপায়-উপকরণকে পিছে ঠেলে একমাত্র দয়মায় প্রতিপালকের সামনে হাজির হয়। নিজের দীনতা ও হীনতা স্বীকার করে রবের সামনে নিজ উপায়হীনতা, অসহায়ত্ব ও মুখাপেক্ষিতা প্রকাশ করে। নিজ সত্তা ও ক্ষমতা সবকিছুকে তুচ্ছ জ্ঞান করে কায়োমনে ধরনা দেয় প্রভুর দরবারে। এজন্যই দুআকে বলা হয়েছে ইবাদতের মূল-মগজ। বরং বলা হয়েছে ‘দুআই ইবাদত’ —ইবাদতের প্রকৃত ও সর্বোচ্চ মাধ্যম। নুমান ইবনে বাশীর রা. থেকে বর্ণিত, নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন—

الدُّعَاءُ هُوَ العِبَادَةُ.

দুআই ইবাদত।

এরপর নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই আয়াত তিলাওয়াত করেন—

وَ قَالَ رَبُّكُمُ ادْعُوْنِيْۤ اَسْتَجِبْ لَكُمْ ؕ اِنَّ الَّذِيْنَ يَسْتَكْبِرُوْنَ عَنْ عِبَادَتِيْ سَيَدْخُلُوْنَ جَهَنَّمَ دٰخِرِيْنَ.

তোমাদের প্রতিপালক বলেছেন, তোমরা আমাকে ডাকো। আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেব (দুআ কবুল করব)। নিশ্চয়ই অহংকারবশে যারা আমার ইবাদত থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, তারা লাঞ্ছিত হয়ে জাহান্নামে প্রবেশ করবে। [সূরা মুমিন (৪০) : ৬০] —সুনানে আবু দাউদ, হাদীস ১৪৭৯; জামে তিরমিযী, হাদীস ২৯৬৯

আল্লামা তীবী রাহ. বলেন, দুআ হচ্ছে আল্লাহর কাছে বান্দার সবোর্চ্চ বিনয় প্রদর্শন এবং তাঁর নিকট নিজের মুখাপেক্ষিতা প্রকাশ করা এবং তাঁরই কাছে আশ্রয় গ্রহণ করা। —তুহফাতুল আহওযায়ী ৯/২২০

পরিভাষায় দুআ হচ্ছে, স্রষ্টার নিকট বান্দার সাহায্য কামনা, তাঁকে ডাকা, তাঁর প্রতি নিজের মুখাপেক্ষিতা প্রদর্শন, সামর্থ্য সক্ষমতা তারই কাছে প্রার্থনা করা আর সকল কিছু থেকে নিজেকে বিমুখ করা। এতে আল্লাহর প্রশংসাও থাকে এবং অনুগ্রহপ্রাপ্তি তাঁরই প্রতি সম্পর্কিত করা হয়। —তাফসীরে কাবীর ৫/৯৭

ইমাম যাজ্জাজ রাহ. (মৃ. ৩১১ হি.) বলেন, দুআ তিন প্রকার :

১. আল্লাহর প্রশংসা ও তাওহীদ। যেমন, ‘লা—ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলা।

২. আল্লাহর কাছে ক্ষমা ও রহমত প্রার্থনা করা। যেমন, রাব্বিগফির লানা (হে আমার রব! আমাদের ক্ষমা করুন) বলা।

৩. দুনিয়ার সমস্যা সমাধান ও দুনিয়ার কল্যাণ কামনা করা। যেমন, হে আল্লাহ রিযিক দিন, সন্তান দিন ইত্যাদি বলা। [দ্র. আদাবুদ দুআ, ইউসুফ ইবনু আব্দুল হাদী, পৃ. ৩৫, দারুন নাওয়াদির, বৈরুত]
......

লিখেছেন মারকাযুদ দাওয়াহ্ আল ইসলামিয়া এর শিক্ষক মাওলানা মোহাম্মদ নুরুল্লাহ হাফিজ হাফিজাহুল্লাহু।

পুরো লেখাটি পড়ুন: https://www.alkawsar.com/bn/article/3422/

01/08/2024
হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু এর কাছে একজন গোলাম এসে কিছু ঋণ চাইলে তিনি তাকে এই দোয়াটি শেখান। কারণ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লা...
04/07/2024

হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু এর কাছে একজন গোলাম এসে কিছু ঋণ চাইলে তিনি তাকে এই দোয়াটি শেখান। কারণ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে ঋণ মুক্তির জন্য এ দোয়াটি শিখিয়েছিলেন।

ব্যাখ্যাসহ হাদিসটি পড়ুন:
https://dorar.net/hadith/sharh/81122

উচ্চারণ সহ দোয়াটি শুনুন:
https://dua.gtaf.org/dua/131/

20/03/2024

ইফতারির পূর্ব মুহূর্ত দোয়া কবুলের সময়। বাহারি রকম ইফতার সামনে রেখে ফিলিস্তিনকে যেন না ভুলি।

ঘটনা প্রায় পনের বছর আগের। এক আত্মীয় বেড়াতে এলেন। দু'জন মিলেকথা বলছি । তিনি একটা গল্প শোনালেন। তার জীবনের বাস্তব অভিজ্...
08/08/2022

ঘটনা প্রায় পনের বছর আগের। এক আত্মীয় বেড়াতে এলেন। দু'জন মিলে
কথা বলছি । তিনি একটা গল্প শোনালেন। তার জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা ।
শুনেছি সেই কবে, এত বছর পরও কুরআন কারীম নিয়ে বসলেই ঘটনাটা মনে
পড়ে,

-আমি প্রতি বছর কিছুদিনের জন্যে, শহর ছেড়ে দূরের এক পল্লী এলাকায় চলে
যেতাম । উদ্দেশ্য ছুটি কাটানো। সেখানে জায়গা কিনে মনোরম এক ভিলা
বানিয়ে রেখেছি । নিরিবিলি এলাকা। শহুরে কোলাহলমুক্ত । নির্ঝঞ্ঝাট নিস্তরঙ্গ
জীবন । ব্যস্তসমস্ত ‘লাইফ' ছেড়ে এখানে এসে কয়েকটা দিন থাকতে, বেশ
লাগত । ভিলার অদূরে স্থানীয় অধিবাসীদের কয়েকটা বাড়ি আছে । ছোট্ট একটা
মসজিদও আছে । এখানে এলে ঘর ছেড়ে বড় একটা বের হতাম না । মসজিদেও
যাওয়া হত না ।

সেবার অবকাশযাপকেন্দ্রে গেলাম। ঘুমুতে ঘুমুতে অনেক রাত হয়ে গেল।
শুয়েও ঘুম আসছিল না। এপাশ-ওপাশ করে সময় রাতের নিরব প্রহরগুলো
কেটে যাচ্ছে । রূমের আবহাওয়া কেমন গুমোট আর ভ্যাপসা মনে হতে লাগল।
এসি বন্ধ করে, জানালা খুলে দিলাম। চারদিক অন্ধকার । দূর থেকে ক্ষীণ এক
আওয়াজ ভেসে এল। উৎকর্ণ হয়ে শোনার চেষ্টা করলাম। কেউ একজন
কাঁদছে। মানুষটা কি বিপদে পড়েছে? দ্রুত ছাদে গেলাম। আওয়াজ আরও
পরিষ্কার, একজন কুরআন কারীম পড়ছে। বৃদ্ধ মানুষ । গ্রামীণ ঢঙে তিলাওয়াত
করছে। অদূরের মসজিদ থেকেই মন কেমন করা আওয়াজটা ইথারে ভেসে
আসছে। প্রতিটি শব্দ পরিষ্কার শোনা যাচ্ছে। বোঝা যাচ্ছে। উচ্চারণে ভুল
থাকলেও, বৃদ্ধ মানুষটা অত্যন্ত দরদ নিয়ে পড়ছে। কান্নার সুরে । একটানা।
ভেঙে ভেঙে । শুনতে থাকলাম। সময় পেরিয়ে যেতে লাগল । ফজরের সময়
ঘনিয়ে এলে তার তেলাওয়াত শেষ হল ।

সারাদিন এটাসেটা নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটালেও, মনের গহীনে কিছু একটার অধীর
প্রতীক্ষা ছিল । দুপুরে ঘুম থেকে উঠে বুঝে উঠতে পারছিলাম না, কেন মনটা
উদাসী হয়ে আছে! মনটা কিসের অভাব বোধ করছে? খোঁজাখুঁজি করলাম ।
কিছুতেই মনে পড়ল না। মনোভাবনার সুলুকসন্ধানেই দিন কেটে রাত ঘনাল ।
রাতে খাওয়া-দাওয়ার পর শোয়ার আয়োজন করতে গিয়েই চট করে মনে পড়ে
গেল, গত রাতের অপূর্ব সুরের কথা। নিরব সুনসান নিস্তব্ধ রাতের অপার্থিব
মূর্ছনার কথা । ও আচ্ছা! মন আমার ভেতরে ভেতরে কুরআনী সুরের প্রতীক্ষায়
ছিল? ঘুম আর এল না । শুরু হল প্রতীক্ষা । কখন রাতের তৃতীয় যাম আসবে
আর আমি সেই অচীন সুরে আচ্ছন্ন হবো!

ঠিক করলাম বাড়ির ছাদ নয়, সরাসরি মসজিদের কাছাকাছি গিয়ে তাকে দেখব ।
চিন্তা এল, আজ কি তিনি তিলাওয়াত করবেন নাকি গতকালই শুধু কোনও
কারণে তিলাওয়াত করেছিলেন? এটা কি তার নিয়মিত অভ্যেস নাকি
অনিয়মিত? অপেক্ষার পালা শেষ। কানে ভেসে এল সেই হৃদয় শীতল করা
‘নাগমা’ । লাহান । তারতীল ।

ত্রস্তপদে চুপিচুপি কাছে গেলাম। বয়সের ভারে নুয়ে পড়া এক বৃদ্ধ, মসজিদের
বারান্দায়, খোলা আকাশের নিচে, লাখো তারার টিমটিমে আলো আঁধারিতে,
মৃদুমন্দ হাওয়ায়, আত্মমগ্ন হয়ে সালাতে দাঁড়িয়ে কুরআন কারীম তিলাওয়াত
করছেন । কিছুক্ষণ পরপর দাড়িতে হাত বোলাচ্ছেন । মনে হচ্ছে বেশি সূরা মুখস্থ
নেই । ঘুরে ফিরে কয়েকটা সূরাই পড়ছেন। যা হোক, তন্ময় হয়ে শুনতে
লাগলাম সেই সুর । এরপর থেকে প্রতি রাতে তার কেরাত শোনা আমার কেমন যেন নেশায় পরিণত হয়েছিল। শহরে চলে এলেও সুযোগ হলেই ছুটে যেতাম
সেই সুরের দুর্নিবার টানে! এমন রূহানি তিলাওয়াত আর কোথাও শুনিনি । তার
কিরাতে তাজভীদ ছিল না, তবে ভালোবাসা ছিল। ভক্তি ছিল। গভীর শ্রদ্ধা
ছিল । দৃঢ় বিশ্বাস ছিল । একীন ছিল। নূর ছিল ।

কুরআন কারীম এক অফুরন্ত শক্তির আধার। কুরআন কারীমের তিলাওয়াতে,
শ্রবণে, তাদাব্বুরে অকল্পনীয় শক্তি অর্জিত হয় কলবে । কুরআন কারীম দ্বারা যে
কেউ প্রভাবিত হয় । মুমিন ও কাফির সবাই । ঘটনাটা শোনার পর আরেকটা
বিষয় মাথায় ঝিলিক দিয়ে উঠেছে,

দিনের চেয়ে রাতের বেলা কুরআন কারীম তুলনামূলক বেশি প্রভাববিস্তারী ।
রাতের প্রথম ভাগের চেয়ে রাতের শেষ আরও বেশি প্রভাববিস্তারী। রাতের
নিরবতা কুরআন কারীমের তিলাওয়াত ও শ্রবণে নিয়ে আসে ভিন্ন মাত্রা । অন্য
এক জান্নাতী আমেজ। বান্দার মধ্যে সৃষ্টি করে আখেরাতী আবহ ।
তিলাওয়াতকারীকে একটানে নিয়ে যায় ভিন্ন জগতে। একটি আয়াতে রাব্বে
কারীম এদিকেই বোধ হয় ইঙ্গিত করেছেন,

إِنَّ نَاشِئَةَ ٱلَّیۡلِ هِیَ أَشَدُّ وَطۡـࣰٔا وَأَقۡوَمُ قِیلًا
অবশ্যই রাত্রিকালের জাগরণ এমন যা কঠিনভাবে প্রবৃত্তি দলন করে
এবং যা কথা বলার পক্ষে উত্তম। (মুযযাম্মিল ৬)

সেই কুরআনি বৃদ্ধ মারা গেছেন অনেক আগে। তার গল্প এখন মনে পড়ে।


#তাদাব্বুরে_কুরআন

কারো সঙ্গে ইসলাহী সম্পর্ক স্থাপনের উদ্দেশ্য রেওয়াজী কোনো সম্পর্ক স্থাপন করা নয়; বরং প্রকৃত অর্থেই তার উদ্দেশ্য হবে নিজ...
20/07/2022

কারো সঙ্গে ইসলাহী সম্পর্ক স্থাপনের উদ্দেশ্য রেওয়াজী কোনো সম্পর্ক স্থাপন করা নয়; বরং প্রকৃত অর্থেই তার উদ্দেশ্য হবে নিজের আমল ও আখলাক সংশোধনের নিয়তে এমন কোনো ব্যক্তির শরণাপন্ন হওয়া যার প্রতি আমার পূর্ণ বিশ্বাস ও আস্থা আছে যে, তিনি আমার আত্মিক রোগব্যাধি বুঝবেন এবং কল্যাণকামিতার সঙ্গে সেগুলোর চিকিৎসার পথ বাতলে দিবেন।

সুতরাং ইসলাহী সম্পর্কের উদ্দেশ্য এমন না হওয়া চাই যে, এর দ্বারা আমার কোনো দুনিয়াবী উদ্দেশ্য পূর্ণ হবে। যেমন ব্যবসায় বরকত হবে, চাকরি পাব, ঋণ পরিশোধ হবে, রোগবালাই থেকে মুক্তি পাব ইত্যাদি। এমনিভাবে এমন কোনো উদ্দেশ্যও না হওয়া চাই যে, এ সম্পর্কের উসিলায় তাবিজ-তুমার দিতে পারব, ঝাড়ফুঁক করতে পারব বা স্বপ্নের ব্যাখ্যা জানতে পারব। বিশেষত আমি তো এসব বিষয়ে একেবারেই বেখবর। সুতরাং আমাকে অন্তত এ জাতীয় খেদমতে মাজুর মনে করুন।

ইসলাহী সম্পর্কের উদ্দেশ্য যেহেতু নিজের আমল ও আখলাকের সংশোধন করা তাই নিম্নোক্ত বিষয়গুলোর উপর এখন থেকেই কাজ শুরু করে দিন।

১. মুহতারাম আববাজানের পুস্তিকা ‘তাসহীলু কাসদিস সাবীল’ মনোযোগের সঙ্গে পড়ুন। বিশেষ করে তাতে তওবার যে আলোচনা রয়েছে তার উপর গুরুত্বসহকারে আমল করুন।

২. তওবা দু’রকম : এক. এজমালী বা সংক্ষিপ্ত। দুই. তাফসীলী বা বিস্তারিত। সংক্ষিপ্ত তওবার জন্য সালাতুত তওবার নিয়তে দুই রাকাত নামায পড়ে অতীত জীবনের ছোট বড় সকল গুনাহ থেকে বিনীত ও বিগলিত হৃদয়ে আল্লাহর কাছে তওবা করুন এবং এই সংকল্প করুন যে, ভবিষ্যত জীবনে আর কখনও এসব গুনাহের কাছেও যাব না।

তারপর বিস্তারিত তওবা হল, জীবনে যত অন্যায় কাজ করেছেন তাতে যেগুলোর ক্ষতিপূরণ সম্ভব সেগুলো ক্ষতিপূরণের চেষ্টা করুন। যেমন :

ক) অতীতে যেসব ফরয ও ওয়াজিব (বিতর) নামায কাযা হয়ে গেছে সেগুলো গুরুত্ব সহকারে আদায় করুন। যদি কাযা নামাযের সুনির্দিষ্ট পরিমাণ জানা না থাকে তাহলে সতর্কতার ভিত্তিতে অনুমান করে একটা সংখ্যা ঠিক করে নিন। তারপর একটা খাতায় তা নোট করে নিন যে, আমার উপর এত ওয়াক্ত নামাযের কাযা রয়েছে। আজ এত তারিখ থেকে আমি তা আদায় করা আরম্ভ করলাম এবং প্রত্যেক নামাযের সঙ্গে এক ওয়াক্ত কাযা আদায় করার নিয়ত করব। এভাবে আমি নিয়মিত লিখে যাব কত ওয়াক্ত নামায আদায় হয়েছে। যদি আমার মৃত্যু পর্যন্ত এই কাযা নামাযগুলো আদায় করতে না পারি, তাহলে আমার পরিত্যক্ত সম্পদ থেকে যেন তার ফিদয়া আদায় করে দেওয়া হয়। তারপর নিয়মিত নোট করতে থাকবেন কত ওয়াক্ত নামায আদায় হয়েছে এবং উত্তম হল, নিকটতম কোনো প্রিয়জনকে এ নোটের কথা জানিয়ে রাখা।

খ) এমনিভাবে রোযারও একটা হিসাব করে কাযা রোযার পরিমাণ খাতায় নোট করে নিবেন। তারপর তা আদায় করতে আরম্ভ করবেন। আর যেগুলো বাকি থেকে যাবে সেগুলোর ব্যাপার অসিয়ত করে দিবেন। যেমন ‘ক’ তে উল্লেখিত হয়েছে।

গ) যদি যাকাত ঠিকমত আদায় করা না হয়ে থাকে তাহলে যাকাতের সতর্কতামূলক একটা হিসাব লাগিয়ে তা আদায় করার চেষ্টা করবেন। সম্ভব হলে এখনই আদায় করে দিন। অন্যথায় খাতায় হিসাব লিখে রেখে আস্তে আস্তে তা আদায় করতে থাকবেন এবং অসিয়ত করে যাবেন যে, আমি যদি তা আদায় করতে না পারি তাহলে আমার সম্পদ থেকে যেন তা আদায় করে দেওয়া হয়।

ঘ) হজ্বের ব্যাপারেও একই কাজ করবেন। যদি হজ্ব ফরয হওয়া সত্ত্বেও হজ্ব না করে থাকেন তাহলে অসিয়ত লিখে দিবেন, আমি যদি জীবদ্দশায় হজ্ব আদায় করতে না পারি তবে যেন পরিত্যক্ত সম্পদ দ্বারা বদলী হজ্ব করিয়ে দেওয়া হয়।

ঙ) নিজের উপর কারো আর্থিক হক থেকে থাকলে এখনি তা আদায় করে দেওয়ার চেষ্টা করুন। এখন আদায় করা সম্ভব না হলে পাওনাদারকে বলে সময় নিয়ে নিবেন। তারপর সময়ের মধ্যে তা আদায় করার পূর্ণ চেষ্টা করবেন এবং অন্য সব কাজের উপর অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে তা আদায় করে দিবেন।

চ) এমনিভাবে আপনার কারণে যদি কেউ কোনো কষ্ট পেয়ে থাকে, যেমন কারো গীবত হয়েছে, কেউ মনে কষ্ট পেয়েছে বা শারীরিক কোনো কষ্ট পেয়েছে তাহলে তাকে প্রতিশোধ গ্রহণের সুযোগ দিয়ে ক্ষমা চেয়ে নিবেন। যদি পৃথক পৃথক প্রত্যেকের কাছ থেকে ক্ষমা নেওয়া সম্ভব না হয় তাহলে অন্তত নিজের পরিচিত জনদের নামে একটি চিঠি দিয়ে দিবেন যাতে এই আবেদন থাকবে যে, আপনাকে আমি যে কষ্ট দিয়েছি আল্লাহর ওয়াস্তে তা আমাকে ক্ষমা করে দিন।

৩. এভাবে সংক্ষিপ্ত ও বিস্তারিত তওবার পর নিজেকে সর্বপ্রকার গুনাহ থেকে মুক্ত রাখার চেষ্টা করবেন। বিশেষ করে নজর, যবান ও কানের হেফাযত করবেন। কখনও ভুল হয়ে গেলে সঙ্গে সঙ্গে তওবা-ইস্তেগফার করবেন এবং যে কোনো মূল্যে তওবার উপর অটল থাকার চেষ্টা করবেন।

৪. প্রথম ‘তাবলীগে দ্বীন’ তারপর ‘বাসায়েরে হাকীমুল উম্মত’ পড়বেন এবং পড়ার সঙ্গে সঙ্গে সে আলোকে নিজের অবস্থার বিচার বিশ্লেষণ করবেন এবং হযরত থানভী রাহ.-এর বাতানো তাদবীরগুলোর উপরে আমল করবেন। নিজের মধ্যে কোনো মন্দ স্বভাব সম্পর্কে সন্দেহ হবে সেখানে নিজের শায়খের কাছে তা লিখে নিজের করণীয় জেনে সে অনুযায়ী আমল করবেন।

৫. আরেফ বিল্লাহ হযরত ডা. আবদুল হাই আরেফী রাহ. রচিত ‘মামূলাতে ইয়াওমিয়া’ বুঝে বুঝে পড়বেন এবং তা থেকে নিম্নোক্ত কাজগুলো এখন থেকেই শুরু করে দিবেন। ক) সামর্থ্য অনুযায়ী নিয়মিত কুরআন তেলাওয়াত খ) মুনাজাতে মাকবুল এক মঞ্জিল করে গ) নিম্নোক্ত যিকিরগুলো একশ বার করে ১. সুবহানাল্লাহ ওয়ালহামদুলিল্লাহ ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার। ২. সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহী সুবহানাল্লাহিল আযীম। ৩. ইস্তেগফার ৪. দরূদ শরীফ। এছাড়াও ‘মামূলাতে ইয়াওমিয়া’ থেকে যে যিকিরগুলো নিয়মিত করতে পারবেন সেগুলো সম্পর্কে আমার কাছে চিঠি লিখে জেনে নিবেন। তবে আমল ঐ পরিমাণ শুরু করবেন যে পরিমাণ আজীবন নিয়মিত করে যেতে পারবেন। কখনও কোনো ওজর দেখা দিলে ঐ আমলগুলো সম্পূর্ণ ছাড়বেন না। পরিমাণে কমিয়ে দিয়ে হলেও সবগুলো আদায় করে নিবেন।

৬. কমপক্ষে পনের দিনে সর্বোচ্চ এক মাসে আমাকে একটি চিঠি লিখবেন যাতে আমলগুলো নিয়মিত হচ্ছে কি না তার উল্লেখ থাকবে এবং ‘বাসায়েরে হাকীমুল উম্মত’-এর আলোকে নিজের মধ্যে কোনো ত্রুটি পরিলক্ষিত হলে তারও উল্লেখ থাকবে।

চিঠি লেখার নিয়ম হল এক কলামে লিখবেন। এক কলাম খালি রাখবেন। যাতে প্রত্যেক বিষয় সম্পর্কে তার পাশেই লেখা যায়।

৭. অধমের ‘ইসলাহী খুতবাত’ পড়তে থাকবেন বরং উত্তম হয় তার কিছু কিছু ঘরের অন্যদেরকে পড়ে শোনাবেন। যখন তার একটা বড় অংশ পড়া হয়ে যাবে তখন আস্তে আস্তে হযরত থানভী রাহ.-এর মাওয়ায়েজ ও মালফূযাত পড়া শুরু করবেন এবং সারা জীবন তা নিজের পড়ায় রাখবেন।

যারা করাচিতে আছেন তারা বাইতুল মোকাররমে বান্দার সাপ্তাহিক মজলিসে অংশগ্রহণ করার চেষ্টা করবেন। আর যারা দূরে আছেন তারা ঐ মজলিসের ক্যাসেট সংগ্রহ করে শোনার চেষ্টা করবেন এবং নিয়মিত চিঠিপত্রের আদানপ্রদান করবেন।

আহকার:
মুহাম্মাদ তকী উসমানী
(অনুবাদ : মুহাম্মাদ হেদায়েতুল্লাহ)

Address

Korangi K Area
Karachi
75050

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Muslim's Diary posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Muslim's Diary:

Share