শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু

  • Home
  • Oman
  • Muscat
  • শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু

শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু ��হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র জপ করুন সুখী হউ?

31/07/2023
31/07/2023
🙏❤যোগিনী একাদশ🙏❤                     (24-06-2023)                     পারণ(পরদিন)            সকাল ( ০৬:১৩-০৯:৪৪)🔰🔰যোগিনী...
24/06/2022

🙏❤যোগিনী একাদশ🙏❤
(24-06-2023)
পারণ(পরদিন)
সকাল ( ০৬:১৩-০৯:৪৪)

🔰🔰যোগিনী একাদশীর মাহাত্ম্য🔰🔰

ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণে আষাঢ় মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য যুধিষ্ঠির-শ্রীকৃষ্ণ সংবাদরূপে বর্ণিত আছে। যুধিষ্ঠির বললেন- হে বাসুদেব! আষাঢ় মাসের কৃষ্ণপক্ষীয়া একাদশী মাহাত্ম্য কৃপাপূর্বক আমাকে বলুন।

শ্রীকৃষ্ণ বললেন- হে মহারাজ! সকল পাপবিনাশিনী ও মুক্তপ্রদ এই উত্তম ব্রতের কথা বলছি, আপনি শ্রবণ করুন। আষাঢ় মাসের কৃষ্ণপক্ষীয়া একাদশী ‘যোগিনী’ নামে খ্যাত।

মহাপাপ নাশকারী এই তিথি ভবসাগরে পতিত মানুষের উদ্ধার লাভের একমাত্র নৌকাস্বরূপ। ব্রত পালনকারীদের পক্ষে এটি সর্বশ্রেষ্ঠ ব্রত বলে প্রসিদ্ধ। এই প্রসঙ্গে আপনাকে একটি পবিত্র পৌরাণিক কাহিনী বলছি।

অলকা নগরে শিবভক্ত পরায়ণ কুবের নামে এক রাজা ছিল। তিনি প্রত্যহ শিবপূজা করতেন। তার হেমমালী নামে একজন মালী ছিল। প্রতিদিন শিব পূজার জন্য মানস সরোবর থেকে সে ফুল তুলে যক্ষরাজ কুবেরকে দিত। বিশালাক্ষী নামে হেমমালীর এক পরমা রূপবতী পত্নী ছিল।

সে তার সু্ন্দরী পত্নীর প্রতি অত্যন্ত আসক্ত ছিল। একদিন সে তার স্ত্রীর প্রতি কামাসক্ত হয়ে পড়ল। রাজভবনে যাওয়ার কথাও ভুলে গেল। বেলা দুই প্রহর অতীত হল। অর্চনের সময় চলে যাচ্ছে দেখে রাজা ক্রুদ্ধ হলেন। মালীর বিলম্বের কারণ অনুসন্ধানে এক দূত প্রেরণ করলেন।

দূত এসে রাজাকে বলল- ‘সে গৃহে স্ত্রীর সাথে আনন্দে মত্ত। দূতের কথা শুনে কুবের অত্যন্ত রেগে তখনি মালীকে তার সামনে হাজির করতে আদেশ দিল। এদিকে মালী কুবেরের পূজার সময় অতিবাহিত হয়েছে বুঝতে পেরে অত্যন্ত ভয় পেল। তাই স্নান না করেই সে রাজার কাছে উপস্থিত হল।

তাকে দেখামাত্র রাজা ক্রোধবশে চোখ রাঙিয়ে বললেন- রে পাপিষ্ঠ, দুরাচার! তুই দেবপূজার পুষ্প আনতে অবজ্ঞা করেছিস তাই আমি তোকে অভিশাপ দিচ্ছি তুই শ্বেতকুষ্ঠগ্রস্ত হয়ে যা এবং তোর প্রিয়তমা ভার্যার সাথে তোর চিরবিয়োগ সংগঠিত হোক। রে নীচ, তুই এখনি এই স্থান থেকে ভ্রষ্ট হয়ে অধোগতি লাভ কর।

কুবেরের এই অভিশাপে হেমমালী পত্নীর সাথে স্বর্গভ্রষ্ট হয়ে দীর্ঘকাল যাবৎ কুষ্ঠরোগ ভোগ করতে লাগল। রোগের যন্ত্রণায় দিন অথবা রাত্রে কখনই সে সুখ পেত না।

এভাবে শীত গ্রীষ্মে প্রচন্ড বেদনায় বহুকষ্টে সে জীবনযাপন করতে লাগল। কিন্তু দীর্ঘদিন মহাদেবের অর্চনের ফুল সংগ্রহের সুকৃতি ফলে সে শাপগ্রস্ত হয়েও বৈষ্ণবশ্রেষ্ঠ শিবের বিস্মরণ কখনও হয়নি।

একদিন হেমমালী ভ্রমণ করতে করতে হিমালয়ে শ্রীমার্কন্ডেয় ঋষির আশ্রমে উপস্থিত হল। কুষ্ঠরোগে পীড়িত সপত্নী হেমমালীকে দর্শন করে শ্রীমার্কন্ডেয় তাকে জিজ্ঞাসা করলেন-‘তুমি কার অভিশাপে এইরকম নিন্দনীয় কুষ্ঠরোগগ্রস্ত হয়েছ?’

সে উত্তর দিল- ‘হে মনিবর! রাজা ধনকুবেরের আমি ভৃত্য ছিলাম। আমার নাম হেমমালী। আমি প্রত্যহ মানস সরোবর থেকে ফুল তুলে শিব পূজার জন্য রাজাকে দিতাম।

কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে একদিন স্ত্রীর মনোরঞ্জন হেতু কামাসক্ত হওয়ায় সেই ফুল দিতে বিলম্ব হয়। রাজার অভিশাপে এইরকম দুর্দশাগ্রস্ত হয়েছি। পরোপকারই মাধুগণের স্বাভাবিক কর্ম। হে ঋষিশ্রেষ্ঠ! আমি অত্যন্ত অপরাধী। কৃপা করে আমার প্রতি প্রসন্ন হোন।

তখন দয়ার্দ্র চিত্ত মার্কন্ডেয় মুনি বললেন- হে মালী! তোমার মঙ্গলের জন্য শুভফল প্রদানকারী এক ব্রতের উপদেশ করছি। তুমি আষাঢ় মাসের কৃষ্ণপক্ষের ‘যোগিনী’ নামক একাদশী ব্রত পালন কর। এই ব্রতের পুণ্য প্রভাবে তুমি অবশ্যই কুষ্ঠব্যাধি থেকে মুক্ত হবে।

শ্রীকৃষ্ণ বললেন- ঋষির উপদেশ শ্রবণ করে হেমমালী তাকে প্রণাম জানাল। পরে অত্যন্ত আনন্দে ঋষির আদেশমতো নিষ্ঠার সঙ্গে যোগিনী একাদশী ব্রত পালন করল। এইভাবে হেমমালী সমস্ত রোগ থেকে মুক্ত হল ও পত্নীসহ সুখে জীবনযাপন করতে লাগল।

হে মহারাজ যুধিষ্ঠির! আমি আপনার কাছে এই ব্রত উপবাসের মহিমা কীর্তন করলাম। এই ব্রত পালনে অষ্টাশি হাজার ব্রাহ্মণকে ভোজন করানোর ফল লাভ হয়। যে ব্যক্তি এই মহাপাপ বিনাশকারী ও পুন্যফল প্রদায়ী যোগিনী একাদশীর কথা পাঠ এবং শ্রবণ করে সে অচিরেই সর্বপাপ থেকে মুক্ত হবে।

**** 🍁🌼🍁আমরা যদি প্রত্যেকদিন ভালো করে ১৬ মালা জপ করি,তাহলে যেকোন পরিস্থিতি আমরা সামাল দিতে পারবো..****🍁🌼🍁🍂🌼শ্রীল প্রভুপা...
22/06/2022

**** 🍁🌼🍁আমরা যদি প্রত্যেকদিন ভালো করে ১৬ মালা জপ করি,তাহলে যেকোন পরিস্থিতি আমরা সামাল দিতে পারবো..****🍁🌼🍁

🍂🌼শ্রীল প্রভুপাদ আমাদের আন্দোলনের নাম দিয়েছেন "হরে কৃষ্ণ" আন্দোলন...আমাদেরকে অনেকে "হরে কৃষ্ণ" বলে সম্বোধন করে..প্রভুপাদ "হরে কৃষ্ণ" সংস্কৃতি ইসকনে প্রতিষ্ঠা করেছেন, যার মাধ্যমে দৈনন্দিন কার্যক্রমে আমরা "হরে কৃষ্ণ" শব্দটি জ্ঞাতসারে বা অজ্ঞাতসারে অগণিতবার উচ্চারণ করি...এটা আমাদের আধ্যাত্মিক জীবনে অত্যন্ত মঙ্গলজনক...

🍂🍀প্রভুপাদ বিভিন্ন সময়ে এই উক্তিটি করেছেন, যখন প্রভুপাদকে অনেকে জিজ্ঞেস করেছে, “প্রভুপাদ!আমি আপনার জন্য কি করতে পারি!” অনেকে যখন প্রভুপাদকে জিজ্ঞাসা করেছে,প্রভুপাদের উত্তর ছিল, “ভালোভাবে জপ করবে”..

🍂🌼একটা লীলা আছে.. সাল ১৯৭৭..প্রভুপাদ মনে হয় বোম্বে ছিলেন এবং প্রভুপাদের শরীর খুব খারাপ ছিলো,শরীরে হাড় ছাড়া কিছুই ছিল না..প্রভুপাদকে দেখে ভক্তরা খুব কষ্ট পেত.. প্রভুপাদ প্রায় কিছুই খাচ্ছিলেন না...দিনে হয়তো হাফ গ্লাস জুস খেতেন, আর কিছু না..

🍂🍀দক্ষিণ ভারত থেকে একজন পূজারী(priest), প্রভুপাদের এই অসুস্থতার কথা শুনে দক্ষিণ ভারত থেকে Plane - এ এসেছিলেন...,এবং ওই সময় Plane এ যাওয়া অনেক খরচের ব্যাপার ছিলো..সাধারণত ওইসময়ে প্রভুপাদ বাইরের কোন দর্শনার্থীদের সাথে দেখা করতেন না;..কিন্তু দক্ষিণভারত থেকে একজন Priest বা পূজারী Plane- এ টিকিট কেটে এসেছে শুধুমাত্র প্রভুপাদের সাথে সাক্ষাৎ করার জন্য..তাই প্রভুপাদের সেক্রেটারিরা যারা ছিলেন,সেবক যারা ছিলেন সব আলোচনা করলেন যে, উনি এতদূর থেকে এসেছে শ্রীল প্রভুপাদকে দর্শন করার জন্য, তাহলে একটা সুযোগ দেয়া হোক.. প্রভুপাদের সঙ্গে কথা বললেন, প্রভুপাদ রাজী হলেন..প্রভুপাদ উনাকে দর্শন দিনেন..কিন্তু উনি যখন আসলেন প্রভুপাদের সামনে, উনি প্রভুপাদকে একটা অনুরোধ করলেন, যে, “আমি আপনাকে একটা অনুরোধ করছি, আমি আপনার সাথে ব্যাক্তিগতভাবে কথা বলতে চাই, এখানে আর কেউ যেন না থাকে.. কেউ থাকলে হবে না”..

🍂🌼ওইসময়ে প্রভুপাদের ওই শারীরিক অবস্থায় প্রভুপাদকে একা ছেড়ে যেতে কেউ চায়নি,.. কিন্তু ওই পূজারী অনেক বিনীতভাবে প্রভুপাদকে অনুরোধ করেছিলেন যে, “প্রভুপাদ! স্বামীজি, ব্যক্তিগতভাবে আমাকে জাস্ট কিছু সময় দেন আপনার সাথে। আমি চায় না এই কোথাগুলো অন্য কেউ শুনুক” ।
তো প্রভুপাদ যখন দেখলেন যে সে সত্যিকারে বিনীতভাবে অনুরোধ করছে, তো প্রভুপাদ ওনার সেবকদেরকে বললেন যে, “ঠিক আছে, তোমরা বাইরে যাও কিছুক্ষণ”..প্রভুপাদকে একা ছেড়ে বাইরে গেছে, কিন্তু রেকর্ডারটা অন ছিল...

🍂🍀প্রথমে ওই পূজারী অনেক দুঃখ প্রকাশ করলো, “আপনার এরকম শরীর খারাপ হয়ে গেলো”.. প্রভুপাদ উনাকে বুঝাচ্ছেন, “কি করা যাবে! What can be done! এটাতো জড়জগৎ, অনিত্য, সবাইকে একদিন না একদিন এই দেহ ছাড়তে হবে”..
উনি খুব দুঃখ প্রকাশ করে প্রভুপাদকে বলছিলেন, যে উনার অনেক খারাপ লাগছে প্রভুপাদের এই অবস্থা দেখে..প্রভুপাদ সারাবিশ্বে মহাপ্রভুর বানী প্রচার করছেন, আর উনার এরকম শারীরিক অবস্থা...
তখন অনেক কিছু বলার পরে ওই পূজারী প্রভুপাদকে বললেন, যে, “আপনার শ্রীমূর্তি বৃন্দাবনে আরাধিত হচ্ছে.. সবাই এসে সেই বিগ্রহে প্রণাম করে, সবাই এসে পুষ্প দান করে..আমার মনে হয়না যে, আপনি থাকাকালীন আপনার এইরকম বিগ্রহ থাকা উচিত..কারণ তারা এসে আপনাকে প্রণাম করছে, আপনাকে পুষ্প নিবেদন করছে, শ্রীবিগ্রহের আরাধনা করছে, তার ফলে তাদের অনেকটা কর্মফল আপনাকে নিতে হচ্ছে.,হয়তো আপনার এই অসুস্থতার কারণ আপনি অনেক অগণিত জীবের কর্মের ফল গ্রহণ করছেন..

🍂🌼তাই আমার অনুরোধ, আপনি দয়া করে আপনার শিষ্যদেরকে নির্দেশ দেন, বিগ্রহ আপনি থাকাকালীন আরাধনা না করতে..ওরা ছবিতে আরাধনা করুক..
ওই পূজারী এমনকরে বলছিলেন যেন প্রভুপাদ এটা জানতেন না...প্রভুপাদ খুব স্পষ্টভাবে বললেন, “আমি জানি.. আমি জীবের দুঃখ-কষ্ট স্বীকার করার জন্যই এসেছি..কোন অসুবিধা নেই”..প্রভুপাদের এই কথা শুনে, ওই পূজারী অবাক হয়ে গেছে....

🍂🌼আমরা সবাই প্রভুপাদের নাতি-নাতনী..আর সব নাতি-নাতনী দাদুকে খুব ভালোবাসে. আর দাদুও আমাদেরকে খুব ভালোবাসে..প্রভুপাদ হচ্ছেন আমাদের দাদু..তাহলে আমরা কি চাই,আমাদের জন্য প্রভুপাদ কষ্ট স্বীকার করুক..?

🍀🌼সেইজন্য সমস্ত ভক্তদেরকে আমি অনুরোধ করছি ভালো করে প্রত্যেকদিন ১৬ মালা জপ করুন....আমি জানিনা আপনাদের ব্যক্তিগত জীবন, আমি জানি না কোন পরিস্থিতির মধ্যে আপনি এখন আছেন, আপনার মানসিক অবস্থা কি রকম, শারীরিক অবস্থা কেমন, পারিবারিক অবস্থা কেমন, আমি জানি না... কিন্তু একটা জিনিস জানি, যদি শ্রীল প্রভুপাদের মনোভিলাস, আমরা পূরণ করতে পারি,অর্থাৎ প্রত্যেকদিন ভালো করে ১৬ মালা জপ করা; তাহলে এই জড়জগতে আমাদের আর ফেরা লাগবে না...🍀🌼

🍂🌼প্রকৃতপক্ষে আমরা কেউ ভালো নেই এই জড়জগতে.. সম্ভব না...আমরা কৃত্রিমভাবে চেষ্টা করছি ভালো থাকার কিন্তু সম্ভব না..আজ ভালো কিন্তু কাল খারাপ..
সেইজন্য আমাদের চেষ্টা থাকবে প্রভুপাদকে সন্তুষ্ট করার.. প্রভুপাদকে সন্তুষ্ট করা মানে ভগবানকে সন্তুষ্ট করা..

🍂🍀যখন আমরা দীক্ষা নেই, গুরুদেবের কাছে আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই, ভালো করে ১৬ মালা জপ করার.. এখন প্রত্যেক ভক্ত আমরা যদি চেষ্টা করি ভালো করে ১৬ মালা জপ করতে, জীবনটা পুরো পাল্টে যাবে আমাদের.. তখন যেকোনো পরিস্থিতি আমরা হাসিমুখে সামাল দিতে পারবো, এতো কষ্ট পাবো না..

🍂🌼এই জগতে জীবনধারণ করার জন্য যদি আধ্যাত্মিক শক্তি আমাদের না থাকে, আমরা পুরো ভেঙে পড়বো..
আর এখন আমাদের ভক্তদের মধ্যেও হতাশা রয়েছে..ভক্তরা হতাশ হয়ে যাচ্ছে কেন? তার মূল কারণ হচ্ছে,প্রভুপাদের নির্দেশ আমরা ঠিকমতো পালন করছি না...প্রভুপাদের নির্দেশ পালন না করে আমরা সুখে থাকবো এই জগতে..? প্রভুপাদের নির্দেশ, গুরুদেবের নির্দেশ আমরা যদি পালন করি,অর্থাৎ আমরা যদি ভালো করে ১৬ মালা জপ করি.,তাহলে আমরা যেকোনো পরিস্থিতিকে সামাল দিতে পারবো...

🌸“নাম বিনা কিছু নাহিক আর চৌদ্দ ভুবন মাঝে”🌸
কিচ্ছু থাকবে না আমাদের এই জড়জগতে..এই জড়জাগতিক সম্পত্তি,বন্ধুবান্ধব কেউ যাবেনা আমাদের সাথে..ভগবদ্ভক্তি থাকবে, সাধু, গুরু, বৈষ্ণবের প্রতি আমাদের যে শ্রদ্ধা সেটা থাকবে.. উনাদেরকে সন্তুষ্ট করার যে মানসিকতা, সেটাই আমাদেরকে উদ্ধার করবে..এই জড়জাগতিক টাকা-পয়সা, ধনসম্পত্তি, জড়জাগতিক সম্পর্ক আমাদেরকে উদ্ধার করবে না..সাধু, গুরু, বৈষ্ণবকে খুশি করার যে প্রয়াস, যে চেষ্টা, সেইটাই আমাদেরকে উদ্ধার করবে এই জড়জগত থেকে..

🍀🌼তাই আমি সবাইকে বিনীতভাবে অনুরোধ করছি যে যেই পরিস্থিতিতেই থাকুন, ভালো করে ১৬ মালা জপ করুন..

-শ্রীপাদ নাড়ু গোপাল দাস প্রভু,(জপক্লাস,২১-০৬-২০২১)

****আপনারাও সকলে হরিনামের আরো অধিক মাহাত্ম্য ও জীবনকে সঠিক ভাবে নিয়ন্ত্রনের বিশেষ উপায় প্রভুর শ্রীমুখ থেকে শ্রবন করতে চাইলে,প্রতিদিন জপ ক্লাসে অংশ নিতে পারেন...

জুম আইডি- 7482827426, page- Naru Gopal Das...
বাংলাদেশ সময় -সকাল- ০৫.৩০ এবং ভারতীয় সময় সকাল-৫.০০....

হরিবোল..🙏

☘️🌹শ্রীজগন্নাথ ও তার প্রিয় জয়দেব ☘️🌹একদিন কবি জয়দেব দুপুরের তপ্ত রৌদ্রের নিচে তার খড়ের ঘরের চালা বাধছিলেন। তিনি নিচে কাজ...
22/06/2022

☘️🌹শ্রীজগন্নাথ ও তার প্রিয় জয়দেব ☘️🌹

একদিন কবি জয়দেব দুপুরের তপ্ত রৌদ্রের নিচে তার খড়ের ঘরের চালা বাধছিলেন। তিনি নিচে কাজ করছিলেন আর কেউ উপরে খড়ের ফাক দিয়ে দড়ি নিয়ে পাঠিয়ে দিচ্ছিলো। জয়দেব ভাবলেন স্ত্রী পদ্মাবতী কত কষ্ট করছেন! কাজ শেষ করে তিনি পদ্মাবতীর নাম ধরে ডাকলেন। পদ্মাবতী বললেন,তিনি তো উপরে ছিলেন না। তাহলে উপরে কে ছিলো? জয়দেব তার প্রিয় রাধামাধব বিগ্রহের সামনে গেলেন। দেখলেন, মাধব বিগ্রহের হাতদুটো চালার কালি লেগে কালো হয়ে আছে। জয়দেব প্রেমাশ্রু বিসর্জন দিয়ে বলতে লাগলেন, "হে জগন্নাথ! হে মাধব! তুমিই এই তপ্ত রৌদ্রে আমাকে সাহায্য করতে এসেছিলে। আর আমি এতোই অধঃপতিত যে তোমায় দর্শন করা আমার ভাগ্যে হলো না।"
কবি জয়দেব জগন্নাথের অত্যন্ত প্রিয় ছিলেন। বার্ধক্যে উপনীত হয়ে তিনি একদা তার জন্মস্থান কেন্দুবিল্ব গ্রামে যান। জয়দেব অনেকখানি পথ পায়ে হেটে প্রত্যেহ গঙ্গাস্নান করতে যেতেন। শ্রীজগন্নাথদেব চাননি যে তার প্রিয় ভক্ত এতো কষ্ট করুক। তাই জগন্নাথের নির্দেশে গঙ্গামাতা একদিন কেন্দুবিল্ব গ্রামে প্রবাহিত হন। ভগবানের শুদ্ধভক্ত জয়দেবের জন্য সমগ্র গ্রামবাসী গঙ্গাদেবীর কৃপালাভে সমর্থ হলো। শ্রীল ভক্তিসিদ্ধান্ত স্বরস্বতী ঠাকুর প্রভুপাদের মতে, জয়দেব তার জীবনের শেষদিনগুলো নীলাচলক্ষেত্রে তার প্রিয় প্রভু জগন্নাথের কাছেই অতিবাহিত করেন।

 #প্রেমের যোগ্য পাত্র...?একটি মানুষ জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত কারো সাথে প্রেম না করে থাকতে পারে না। যেমন- জন্মের পর মায়ের...
21/06/2022

#প্রেমের যোগ্য পাত্র...?
একটি মানুষ জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত কারো সাথে প্রেম না করে থাকতে পারে না। যেমন- জন্মের পর মায়ের সাথে শিশুর প্রেম হয় একটু বড় হলে বাবার সাথে প্রেম হয় আরো বড় হলে সহপাঠির সাথে প্রেম হয় আরো বড় হলে স্ত্রীর সাথে প্রেম হয় তারপর অফিস বা টাকা পয়সার সাথে প্রেম হয় তারপর সন্তান সন্ততির সাথে প্রেম হয়,,,মানুষের রুপ বদলে যায় কিন্তু খুজের একমাত্র বিষয় প্রেমের স্বভাব বদলায় না। তাই বলা হয় জীবনের পরম সাধন হল প্রেম। কিন্তু প্রেমের যোগ্য পাত্র না পাওয়ার কারনে সবাই প্রেম করে সুখী হতে পারে না। আসুন জেনে নেই পরম সুখ দেনে ওয়ালা প্রেম আমরা কার সাথে করব। কে সেই যোগ্য পাত্র।
প্রেমের যোগ্য পাত্র হলো অনন্ত কোটি বিশ্ব ব্রহ্মান্ডের একমাত্র মালিক,,,রসিক শেখড়,,,রস রাজ,,,প্রেমের নায়ক,,,জীবের নিত্য সুহৃদ ও পিতা,,,গোলক বিহারী শ্রী কৃষ্ণ।
যখন আমরা জীবের নিত্য প্রভু শ্রীকৃষ্ণের সাথে প্রেমের সম্পর্ক স্থাপন করবো সেই সময় থেকেই আমরা নিত্য দিব্য সুখ অনুভব করবো। পিতা মাতা পতি পত্নী বন্ধু বান্ধব আত্মীয় স্বজন আমাদের সাথে খুব বেশি দিন আগে ছিলনা বা থাকবেও না।কিন্তু ভগবান আমাদের সাথে ছিলেন, আছেন ও থাকবেন। পৃথিবীর সমস্ত মানুষ আমাদের প্রেমের মুল্য দিতে পারে না, প্রতারণা করতে পারে, কিন্তু শ্রীকৃষ্ণ আমাদের প্রেমের মূল্য দিবেন ও আমাদের সাথে প্রতারণা করবেন না। তাই তো কৃষ্ণ প্রেমিকরা কৃষ্ণের সাথে প্রেম করে সব সময় সুখে থাকেন। তাদের কোন চিন্তা নেই,কোন দুঃখ নেই,,,হারারানোর ভয়ও নেই,,,কৃষ্ণভক্তের আছে কেবল আনন্দ।
আসুন শ্রীকৃষ্ণের সাথে প্রেমের সম্পর্ক স্থাপন করি এবং সুখী হই।🥰
হরে কৃষ্ণ 🙏🙏🌳🌳🥰😍

🙏💚❤️🙏** ভগবান শ্রীকৃষ্ণেরঅবতরনের উদ্দেশ্য **🙏❤️💚🙏👉পরিত্রাণায় সাধুনাং বিনাশায় চ দুস্কৃতাম্। 👉ধর্মসংস্হাপনার্থায় সম্ভবা...
21/06/2022

🙏💚❤️🙏** ভগবান শ্রীকৃষ্ণের
অবতরনের উদ্দেশ্য **🙏❤️💚🙏

👉পরিত্রাণায় সাধুনাং বিনাশায় চ দুস্কৃতাম্।
👉ধর্মসংস্হাপনার্থায় সম্ভবামি যুগে যুগে।। (৪/৮)

🙏🙏▪️ভগবান বলেছেন, “আমি অবতীর্ণ হয়ে মূলত তিনটি কার্য সমাধা করি—

▪️১। সাধুদের পরিত্রাণ : আমার যে সকল ভক্ত আমার দর্শনাকাঙ্ক্ষায় অতিশয় উৎকন্ঠ চিত্ত, তাঁদের দর্শন দান করি। তাঁদের বিরহ বেদনা দূর করি অর্থাৎ ভক্তদের সঙ্গে লীলা আস্বাদন করি।

▪️২। দুস্কৃতি বিনাশ : সমাজে উৎপীড়নকারী অসুরদের বিনাশ করে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা করি।

▪️৩। ধর্ম সংস্হাপন: জগতে জীবের কল্যাণার্থে তাঁদের ধর্মযোগ শিক্ষা প্রদান করি, যার মাধ্যমে জীব আমার ধামে ফিরে আসতে পারে”।

▪️অসুর বিনাশ ও ধর্ম সংস্হাপন এই দুইটি গৌণ কারণ। ভগবানের অনন্ত শক্তি রয়েছে যার ভ্রুভঙ্গিতে, ইঙ্গিতে এই সমস্ত অসুর অনায়াসেই বিনাশ প্রাপ্ত হয়। এজন্য ভগবানের আসার প্রয়োজন হয় না।

▪️ধর্ম সংস্হাপনার জন্য ভগবান তাঁর প্রেরিত দূত বা ভগবানের শক্তি সমন্বিত মহান শক্তিশালী আচার্যরা এই কাজটি করতে পারেন। আজও পরম্পরাক্রমে বর্তমান আচার্যগন ধর্মকে জগতের প্রতিটি দ্বারে দ্বারে পৌঁছে দেওয়ার জন্য এবং মহাপ্রভুর বাণী সার্থক করার জন্য ব্যাপৃত আছেন।

▪️মুখ্য কারণটি হলো অসুরদের উৎপাত থেকে সাধুদের পরিত্রাণ করে ভক্তদের শান্তি বিধান করা। ভক্তদের বিরহ বেদনা দূর করার জন্য, ভক্তদের আনন্দ বিধানের জন্যই তিনি এ জগতে ছুটে আসেন। অনেকের মনে প্রশ্ন আসা স্বাভাবিক ভগবান কি তাহলে সর্ব শক্তিমান নন? এ কাজটাও তো তিনি তাঁর ইঙ্গিতে করিয়ে নিতে পারেন কিন্তু করছেন না কেন?

▪️সন্তানের বিপদে কারো অপেক্ষায় না থেকে বিপদকে তুচ্ছ করে পিতামাতা তাকে রক্ষা করে নিজ সন্তানের প্রতি প্রেম-ভালবাসা প্রদর্শন করেন। ভগবান সমস্ত জীব বা অনন্ত কোটি সন্তানের পিতা, তাঁর অনন্ত প্রেম। তাই তাঁর সন্তানেরা যখন বিপদাপন্ন হয়ে আর্তিভরে তাঁকে ডাকেন, তখন কি আর তিনি স্হির থাকতে পারেন?

▪️তিনি সর্বদা সন্তানদের জন্য উদগ্রীব। তাই তিনি বারবার এই ধরাধামে স্বয়ং চলে আসেন। তাই ভগবানের আসার মুখ্য কারণটি হলো তাঁর ভক্তদের আনন্দ বিধানার্থে তাঁদের তাঁর লীলায় অংশগ্রহণ করিয়ে আনন্দ প্রদান করা।

▪️তাঁর জন্ম-মৃত্যু আমাদের জড় দৃষ্টিতে গোচরীভূত হয় মাত্র। যেমন আমরা সূর্যকে উদয় ও অস্ত যেতে দেখি, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সূর্য এক জায়গায় স্হির। সুর্য ডোবেও না ওঠেও না। আমাদের বিকৃত ইন্দ্রিয়ের প্রভাবে আমরা মনে করি সূর্য উদিত হয় এবং অস্ত যায়। ভগবানও তেমনি নিত্য। তাঁর আবির্ভাব এবং অন্তর্ধান সূর্যের মত, সাধারন মানুষের জন্ম-মৃত্যুর মতো নয।

▪️শ্রীকৃষ্ণের রাজত্বকালে তাঁকে কেউই পরমেশ্বর ভগবান বলে চিনতে পারেননি। তবে চিনতে পেরেছিলেন শুধু একজন তিনি ভীষ্মদেব। আর কৃষ্ণ নিজে প্রকাশিত হয়েছিলেন এবং বিশ্বরূপ দেখিয়েছিলেন শুধু অর্জুনকে। গীতার জ্ঞান প্রকাশিত হওয়ার পরই আজ এই কলিযুগের মানুষেরা তাঁকে ভগবান বলে চিনতে পেরেছে।

▪️কংসকে নিধন করা শ্রীকৃষ্ণের অবতরণের মুখ্য উদ্দেশ্য ছিল না, মুখ্য উদ্দেশ্য ছিল তাঁর ভক্ত দেবকী-বসুদেবকে উদ্ধার করা। কিন্তু এই দুটি কাজ একসঙ্গে সাধিত হয়েছিল। তাছাড়া কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধে দুর্যোধনাদি দুরাচারীদের বিনাশ করে ধর্ম সংস্হাপন করেন। তাই ভগবান এখানে বলেছেন, সাধুদের পরিত্রাণ আর অসাধুর বিনাশ করবার জন্য তিনি অবতরণ করেন।

▪️বৃন্দাবনে প্রদর্শিত শ্রীকৃষ্ণের লীলাবিলাস ধর্মের পূর্ণতার নিদর্শন —তা প্রেমপূর্ণ ভগবৎ-শরণাগতির পরম সারাৎসার। তাঁর দিব্যানন্দময় চিত্ত-উল্লাসকর ব্রজলীলা সম্পাদনের মাধ্যমে শ্রীকৃষ্ণ বদ্ধজীবকে প্রেম-ধর্মের পথ অনুসরণে আকৃষ্ট করেন।

👉নমো ব্রহ্মণ্যদেবায় গো ব্রাহ্মণ্য হিতায় চ।
👉জগদ্ধিতায় শ্রী কৃষ্ণায় গোবিন্দায় নমো নমঃ ।।
🙏🙏🙏হরে কৃষ্ণ🙏🙏

শ্রীমদ্ভাগবতের (১২/৩/৫২ শ্লোকে) শুকদেব গোস্বামী পরিক্ষিত মহারাজকে বলেন“ কৃতে যদ্ধ্যায়তো বিষ্ণুং  ত্রেতায়াং ঘজতো মখৈ। দ...
20/06/2022

শ্রীমদ্ভাগবতের (১২/৩/৫২ শ্লোকে) শুকদেব গোস্বামী পরিক্ষিত মহারাজকে বলেন“ কৃতে যদ্ধ্যায়তো বিষ্ণুং ত্রেতায়াং ঘজতো মখৈ। দ্বাপরে পরিচর্যায়াং কলৌ তদ্ধরিকীর্তনাৎ। ” অথাৎ, সত্যযুগে বিষ্ণুকে ধ্যান করে, ত্রেতাযুগে যজ্ঞের মাধ্যমে যজন করে এবং দ্বাপর যুগে অর্চন আদি করে যে ফল লাভ হত, কলিযুগে কেবলমাত্র “ হরেকৃষ্ণ মহামন্ত্র” কীর্তনে সেই সকল ফল লাভ হয়। অথাৎ, সত্যযুগে যুগধর্ম ছিল ভগবান বিষ্ণুর ধ্যান করা। ধ্যানের মাধ্যমে ভগবানের সন্তুষ্টি বিধানের প্রয়াস করা হত। বৈদিক শাস্ত্রমতে ধর্মের চারটি স্তম্ভ যথাঃ- সত্য, দয়া, তপ ও শৌচ। সত্যযুুগে এই চারটি স্তম্ভই বর্তমান ছিল। তখন চারভাগ ধর্ম ছিল এবং মানুষের আয়ুষ্কাল ছিল ১ (এক) লক্ষ বছর। ভগবানকে সন্তুষ্টি করার জন্য হাজার হাজার বছর ধ্যান (তপস্যা) করা হত। ভগবানকে লাভ করা খুবই কষ্ঠসাধ্য ছিল। ত্রেতাযুগে যুগধর্ম ছিল যজ্ঞের মাধ্যমে ভগবানের সন্তুষ্টি বিধান করা। বিভিন্ন রকমের উপাদান যজ্ঞের অগ্নিতে আহুতির মাধ্যমে ভগবানকে আহবান করা হত। যজ্ঞে বিভিন্ন প্রকার বৈদিক মন্ত্র উচ্চারিত হত। এই যুগে তিন ভাগ ধর্ম এবং এক ভাগ অধর্ম ছিল। মানুষের আয়ু ছিল ১০ (দশ) হাজার বছর। দ্বাপর যুগে যুগধর্ম ছিল অর্চন। এ যুগে দুই ভাগ ধর্ম ও দুই ভাগ অধর্ম ছিল। মানুষের আয়ুস্কাল ছিল ১ (এক) হাজার বছর। মানুষ অর্চনের মাধ্যমে ভগবানকে সন্তুষ্ট করার জন্য চেষ্টা করত। কলিযুগের যুগধর্ম হচ্ছে নাম সংকীর্তন করা। কলিযুগে তিন ভাগ অধর্ম এবং এক ভাগ ধর্ম। মানুষ অল্প আয়ূ, অল্প মেধা,কলহ প্রিয়, এবং অধার্মিক। কিন্ত কলি যুগে সবচেয়ে বড় আশীবাদ হল খুব অল্পতেই হরিনাম সংকীর্তন করার মাধ্যমে ভগবানকে লাভ করতে পারা যায়। চৈতন্যচরিত্রামৃতে বর্ণনা হয়েছে “ কলিকালে নামরূপে কৃষ্ণ অবতার। নাম হৈতে হয় সর্বজগৎ নিস্তার ” এই কলিযুগে ভগবানের দিব্যনাম “ হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র ” হচ্ছে শ্রীকৃষ্ণের অবতার। কেবলমাত্র এই দিব্যনাম গ্রহন করার ফলে, যে কোন মানুষ সরাসরিভাবে ভগবানের সঙ্গ লাভ করতে পারেন।

Address

Muscat
3220

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share