Religion Centre

Religion Centre Welcome Everyone

19/01/2026
13/01/2026

যাদের চিত্তে জ্ঞান থাকে, তারাই বৌদ্ধধর্ম আচরণ করতে পারে। যাদের চিত্তে জ্ঞান থাকে না, তারা বৌদ্ধধর্ম আচরণ করতে পারে না। চিত্তে জ্ঞান থাকলে পাপ চেতনা উদয় হয় না। কিন্তু চিত্তে জ্ঞান না থাকলে পাপ চেতনা উদয় হয় প্রতিনিয়ত। প্রতিনিয়ত পাপ চেতনা উদয় হলে বৌদ্ধধর্ম আচরণ করা যায় না। বুদ্ধের সমকালীন নরনারীদের চিত্তে জ্ঞান ছিল বিধায় তারা সহজে বৌদ্ধধর্ম আচরণ করেছিল। নরেরাও অর্হত্ত্ব লাভে সমর্থ হয়েছিলেন। নারীরাও অর্হত্ত্ব লাভে সমর্থ হয়েছিলেন। কীভাবে হয়েছিলেন? তাদের চিত্তে জ্ঞান ছিল বিধায় অর্হত্ত্ব লাভে সমর্থ হয়েছিলেন। বর্তমানে তোমাদের চিত্তে জ্ঞান নেই বলে তোমরা অর্হত্ত্ব লাভে সমর্থ হচ্ছো না। মনে রাখবে, বৌদ্ধধর্ম সাধারণ জ্ঞান দিয়ে আচরণ করা যায় না। সে অবস্থায় কিছুতেই অর্হত্ত্ব লাভ করা যায় না। তোমাদের যদি জ্ঞান থাকে, তাহলে তোমরা সাংসারিক জীবনযাপন করবে না। সাংসারিক জীবন ত্যাগ করে নির্বাণ লাভে সচেষ্ট থাকবে।

📌পূজ্য বনভান্তে- 🙏☸️🙏☸️🙏

fbadcode-Q_GkBQh2VSh3MnNKEj9VCX_i34Ra-4dzc036RJZNUoqZE_HjV8cvXjjyE8FNk70fiA

゚ #রাঙ্গামাটি #বনবিহার #সাধনানন্দ #অরহৎ #ধুতাঙ্গভান্তে #রাজবনবিহার #বনভান্তে #ত্রিপিটক

13/01/2026

বুদ্ধ কি কোন অলৌকিক দেবতা ছিলেন?

বুদ্ধ কোনো দেবতা ছিলেন না। তিনি ছিলেন আপনার-আমার মতোই একজন মানুষ, এবং তিনিও আমাদের মতোই দুঃখ ভোগ করেছেন। আমরা যদি খোলা হৃদয় নিয়ে বুদ্ধের কাছে যাই, তিনি করুণায় ভরা চোখে আমাদের দিকে তাকিয়ে বলবেন,
“তোমার হৃদয়ে যেহেতু দুঃখ আছে, তাই তুমি আমার হৃদয়ে প্রবেশ করতে পারো।”

গৃহী বিমলকীর্তি বলেছেন,
“পৃথিবী অসুস্থ বলেই আমি অসুস্থ। মানুষ যেহেতু কষ্ট পায়, আমাকেও কষ্ট পেতে হয়।”
এই কথাটিই বুদ্ধও বলেছেন। দয়া করে এমন ভেবো না যে তুমি অসুখী বলেই, তোমার হৃদয়ে ব্যথা আছে বলে, তুমি বুদ্ধের কাছে যেতে পারবে না। ঠিক উল্টোটা সত্য তোমার হৃদয়ে যেহেতু ব্যথা আছে, তাই যোগাযোগ সম্ভব। তোমার দুঃখ আর আমার দুঃখই হলো সেই মৌলিক শর্ত, যার মাধ্যমে আমরা বুদ্ধের হৃদয়ে প্রবেশ করি, এবং বুদ্ধ আমাদের হৃদয়ে প্রবেশ করেন।

পঁয়তাল্লিশ বছর ধরে বুদ্ধ বারবার বলেছেন,
“আমি শুধু দুঃখ এবং দুঃখের রূপান্তরই শিক্ষা দিই।”
আমরা যখন নিজের দুঃখকে চিনি এবং স্বীকার করি, তখন বুদ্ধ অর্থাৎ আমাদের ভেতরের বুদ্ধ সেই দুঃখের দিকে তাকান, খুঁজে দেখেন কী কারণে তা সৃষ্টি হয়েছে, এবং এমন একটি পথ নির্দেশ করেন যার মাধ্যমে দুঃখ শান্তি, আনন্দ ও মুক্তিতে রূপান্তরিত হতে পারে। দুঃখই ছিল সেই মাধ্যম যার দ্বারা বুদ্ধ নিজেকে মুক্ত করেছিলেন, আর সেই দুঃখই আমাদেরও মুক্ত হওয়ার পথ হতে পারে।।

゚ fans

13/01/2026
13/01/2026
29/12/2025

সুজাতা কেন বুদ্ধদেবকে পায়েস খাইয়েছিলেন?

রাজকুমার সিদ্ধার্থ তখন বুদ্ধ হননি, তিনি তপস্যা করে সিদ্ধিলাভ করতে চাইছেন । তখন তিনি সত্যজ্ঞান লাভের জন্য কঠোর তপস্যায় মগ্ন । দিনের পর দিন মাসের পর মাস কঠোর তপস্যায় , অনিদ্রায় , অনাহারে তাঁর শরীর শীর্ণ শুষ্ক হয়ে গেছে । এই সময় একদিন তিনি নদীতে স্নান করতে গেলেন । স্নান সেরে ফিরে আসার সময় তিনি শারীরিক দুর্বলতার জন্য মুছিত হয়ে পড়লেন । এমন সময় তিনি দেখতে পেলেন । এক দেবপুরুষ সেতার বাজাচ্ছেন । তাঁর সেতারের তিনটি তার , প্রথম তারটি খুব শক্ত আর খুব টান করে বাঁধা । তৃতীয় তারটি খুব আলতো করে কোনো মতে দুপ্রান্ত বাঁধা আছে , এতে কোনো রকম টান নেই , ঝুলে পড়ে আছে । আর মাঝের তারটি না খুব টান করে বাঁধা , না খুব আলতো করে সুন্দরভাবে সুর দিয়ে বাঁধা । যে দেবপুরুষ সেই সেতার বাজাচ্ছেন । তিনি শুধু মাঝের তারটিতেই মধুর সুর তুলছেন ।
বুদ্ধ উঠে দাঁড়ালেন , বললেন - বুঝেছি এটাই জীবনের সত্য । আমাদের জীবন সেতারের তারের মতো । কঠোর তপস্যা করেও নয় , চরম ভোগ বিলাসে জবন এলিয়ে দিয়েও নয় , মাঝের পথ বা মধ্যপথ ( মঝঝিম পন্থা ) হল আসল পথ , সত্য লাভের উপায় । তখনি তিনি স্থির করলেন আর চরম কৃচ্ছ ধন নয় , পরিমিত আহার করে তপস্যা করতে হবে । কঙ্কালসার দেহ নিয়ে কিছু কাজ হবে না ।
এসব ভাবতে ভাবতে এক বট গাছের তলায় এসে বসে আছেন , সেই সময় সুজাতা এসেছেন বন দেবতার পূজা দেওয়ার জন্য। পুজোর জন্য তিনি যে পায়েস এনেছিলেন তা তিনি সন্ন্যাসীকে নিবেদন করলেন। সন্ন্যাসী গৌতম সুজাতার দেওয়া সেই পায়েস গ্রহণ করলেন। পায়েস খেয়ে তিনি শরীরে বল পেলেন । তারপর তিনি সেখান থেকে উঠে গিয়ে এক অশ্বথ গাছের তলায় তপস্যা করে সিদ্ধি লাভ করলেন — তিনি বোধি লাভ করে বুদ্ধ হলেন ।
এখন প্রশ্ন হল , সুজাতা কে ছিলেন ? কেনই বা তিনি কুমার সিদ্ধার্থকে পায়েস খাইয়েছিলেন ? ঘটনা হল –
নৈরঞ্জনা নদীর তীরে বন আর বনের এক প্রান্তে সেনানী নামে একটি গ্রাম । সেই গ্রামে নন্দিক নামে এক ধনী বণিক ছিলেন , সুজাতা ছিলেন তাঁর স্ত্রী । তাদের কোনো সন্তান ছিল না , তাই তারা ওই বনের বট গাছের তলায় বন - দেবতার কাছে মানত করেছিলেন যে , এঁদের সন্তান হলে তারা দেবতার পুজো দেবেন । তাদের সন্তান হয়েছিল , তাই সুজাতা সেই আনন্দে পূর্ণা নামে এক দাসীকে সঙ্গে নিয়ে দেবতার পুজো দিতে গিয়েছিলেন । আর পুজোর জন্য অন্য উপাচারের সঙ্গে পায়েস নিয়ে গিয়েছিলেন ।
দেবতার স্থানে গিয়ে সুজাতা দেখলেন যে বট গাছের তলায় দেবতার পুজো হয় , সেই গাছের তলায় এক সন্ন্যাসী বসে আছেন । সুজাতার মনে হল ইনি হয়তো সেই দেবতা , সন্ন্যাসীর রূপ ধরে বসে আছেন । সুজাতা পুজোর সেই পায়েস ভক্তি সহকারে সন্ন্যাসীকে নিবেদন করলেন । সন্ন্যাসী সেই পায়েস গ্রহণ করলেন । আসলে এই পায়েস গ্রহণ তার সাধন পথের পরিবর্তনের সূচক , কঠোর কৃচ্ছ সাধনের পরিবর্তে মধ্যপথ গ্রহণের ইঙ্গিত । এই পায়েস মুছে দিল তার দীর্ঘ ছয় বছরের নিস্ফল কঠোর তপস্যা ।
পায়েস খেয়ে তিনি শরীরে বল পেলেন । সেখান থেকে উঠে তিনি নৈরনা নদীর তীর ধরে এগিয়ে চললেন । চলতে চলতে সন্ধ্যা নেমে এল । বৈশাখী পূর্ণিমার শুভ্র আলোকে তিনি এক অশ্বত্থ গাছের তলায় গিয়ে বসলেন । এখানেই তিনি রাতের তৃতীয় প্রহরে বুদ্ধত্ব লাভ তিনি ঋষি গৌতম থেকে হলেন প্রভু বুদ্ধ ।

Address

Kuala Lumpur
55100

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Religion Centre posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share