DawahBd.com

DawahBd.com Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from DawahBd.com, Religious organisation, Jalan Zamrud, Kajang.

The Prophet (peace and blessings of Allah be upon him) said:
"Recite from me even a verse." — Saheeh Bukhari, Hadeeth: 3461

নবী করিম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "আমার পক্ষ থেকে পৌঁছে দাও, একটিমাত্র আয়াত হলেও।"
— সহিহ বুখারি, হাদিস: ৩৪৬১

22/04/2026
২. জান্নাতে প্রবেশনিঃসন্দেহে মুমিনদের আনন্দ হবে তুলনাহীন, যখন তাদেরকে সম্মান ও মর্যাদার সাথে দলে দলে জান্নাতের বরকতময় উ...
17/01/2026

২. জান্নাতে প্রবেশ

নিঃসন্দেহে মুমিনদের আনন্দ হবে তুলনাহীন, যখন তাদেরকে সম্মান ও মর্যাদার সাথে দলে দলে জান্নাতের বরকতময় উদ্যানসমূহের দিকে নিয়ে যাওয়া হবে।

যখন তারা জান্নাতে পৌঁছাবে, তখন তাদের জন্য জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেওয়া হবে। সম্মানিত ফেরেশতাগণ তাদেরকে স্বাগত জানাবে এবং দুনিয়ার জীবনে অসংখ্য কষ্ট সহ্য করা ও ভয়াবহ পরিস্থিতির সম্মুখীন হওয়ার পর নিরাপদে পৌঁছানোর জন্য অভিনন্দন জানিয়ে বলবে:

“আর যারা তাদের রবকে ভয় করত, তাদেরকে দলে দলে জান্নাতের দিকে নিয়ে যাওয়া হবে। অবশেষে যখন তারা সেখানে পৌঁছাবে, তখন তার দরজাগুলো খুলে দেওয়া হবে এবং তার প্রহরীরা বলবে ‘তোমাদের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক! তোমরা উত্তম কাজ করেছ। অতএব, এখানে প্রবেশ করো চিরস্থায়ী বসবাসের জন্য।’”
(সূরা যুমার ৩৯:৭৩)

অর্থাৎ, তোমাদের কথা, চিন্তা ও কর্ম ছিল উত্তম। এর ফলে তোমাদের হৃদয় ও আত্মা পবিত্র হয়েছে, আর সেই পবিত্রতার কারণেই তোমরা জান্নাতের উপযুক্ত হয়েছ।

জান্নাতে প্রবেশের পূর্বে মুমিনদের পরিশুদ্ধ করা হবে

মুমিনগণ সিরাত (জাহান্নামের ওপর স্থাপিত সেতু) অতিক্রম করার পর জান্নাত ও জাহান্নামের মধ্যবর্তী একটি সেতুতে অবস্থান করবে। সেখানে দুনিয়ার জীবনে পরস্পরের মাঝে সংঘটিত যেকোনো অন্যায় ও অধিকারসংক্রান্ত বিষয়ের নিষ্পত্তির মাধ্যমে তাদেরকে পরিশুদ্ধ করা হবে। এরপর তারা যখন জান্নাতে প্রবেশ করবে, তখন তারা হবে সম্পূর্ণ পবিত্র ও নির্মল, কারো অন্তরে কারো প্রতি কোনো বিদ্বেষ থাকবে না, কেউ আর কারো কাছে কোনো দাবি পেশ করবে না।

ইমাম বুখারি রহিমাহুল্লাহ আবু সাঈদ আল-খুদরি (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:

“মুমিনদেরকে আগুন থেকে রক্ষা করা হবে। এরপর তাদেরকে জান্নাত ও জাহান্নামের মধ্যবর্তী একটি সেতুতে রাখা হবে। সেখানে দুনিয়ার জীবনে তাদের মাঝে যে কোনো অন্যায় সংঘটিত হয়েছিল, তার হিসাব তারা পরস্পরের সাথে নিষ্পত্তি করবে যতক্ষণ না তারা সম্পূর্ণভাবে পরিশুদ্ধ ও পরিষ্কার হয়ে যায়। অতঃপর তাদেরকে জান্নাতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে। সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মদের প্রাণ, তাদের প্রত্যেকেই জান্নাতে নিজের বাসস্থান সম্পর্কে দুনিয়ার নিজের বাসস্থানের চেয়েও অধিক সুস্পষ্টভাবে জানবে।”
(সহিহ আল-বুখারি, কিতাবুর রিকাক, বাবুল কিসাস ইয়াওমাল কিয়ামাহ; ফাতহুল বারী ১১/৩৯৫)

আমাদের নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হবেন সেই প্রথম ব্যক্তি, যিনি জান্নাতের দরজা খুলে দেওয়ার জন্য আবেদন করবেন। মানবজাতির পিতা আদম (আঃ) এবং অন্যান্য সকল মহান নবী এই দায়িত্ব গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানাবেন।

জান্নাতে প্রবেশকারী প্রথম ব্যক্তিবর্গ

মানবজাতির মধ্যে সর্বপ্রথম জান্নাতে প্রবেশ করবেন আমাদের নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। আর সর্বপ্রথম যে উম্মত জান্নাতে প্রবেশ করবে, তা হবে তাঁর উম্মত। এই উম্মতের মধ্য থেকে সর্বপ্রথম জান্নাতে প্রবেশ করবেন আবু বকর আস-সিদ্দীক (রাঃ)।

ইবন কাসীর রহিমাহুল্লাহ একাধিক হাদিস উল্লেখ করেছেন (আন-নিহায়াহ ২/২১৩)। এর মধ্যে মুসলিম শরিফে আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত এক হাদিসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন:

“আমি হব সেই প্রথম ব্যক্তি, যে জান্নাতের দরজায় কড়া নাড়বে।”

মুসলিম শরিফেই আনাস (রাঃ) থেকে আরও বর্ণিত হয়েছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:

“আমি জান্নাতের দরজায় এসে তা খুলে দেওয়ার অনুরোধ করব। প্রহরী জিজ্ঞেস করবে, ‘আপনি কে?’ আমি বলব, ‘মুহাম্মদ’। তখন প্রহরী বলবে, ‘আপনার আগে কারো জন্য এই দরজা খুলতে আমাকে আদেশ দেওয়া হয়নি।’”

ইমাম বুখারি, মুসলিম ও নাসাঈ আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:

“আমরা দুনিয়ায় সর্বশেষে আগমন করেছি, কিন্তু কিয়ামতের দিন আমরা হব প্রথম। মানবজাতির মধ্যে আমরাই সর্বপ্রথম জান্নাতে প্রবেশ করব।”

আবু দাউদ আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:

“জিবরাঈল আমার কাছে এসেছিলেন এবং আমাকে জান্নাতের সেই দরজাটি দেখিয়েছিলেন, যার মাধ্যমে আমার উম্মত প্রবেশ করবে।”
আবু বকর (রাঃ) বললেন, “হে আল্লাহর রাসূল! যদি আমি আপনার সাথে থেকে সেটি দেখতে পারতাম!”
তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন,
“কিন্তু হে আবু বকর, আমার উম্মতের মধ্য থেকে সর্বপ্রথম জান্নাতে প্রবেশ করবে তুমি।”

১. জান্নাত: চিরস্থায়ী আবাসজান্নাত হলো সেই মহিমান্বিত ও চূড়ান্ত পুরস্কার, যা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা তাঁর প্রিয় বা...
13/01/2026

১. জান্নাত: চিরস্থায়ী আবাস

জান্নাত হলো সেই মহিমান্বিত ও চূড়ান্ত পুরস্কার, যা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা তাঁর প্রিয় বান্দাদের (আওলিয়া) এবং তাঁর অনুগত মুমিনদের জন্য প্রস্তুত করে রেখেছেন। এটি পরিপূর্ণ আনন্দ, শান্তি ও তৃপ্তির আবাস—যেখানে কোনো কিছুর ঘাটতি নেই, নেই কোনো দুঃখ, কষ্ট বা অশান্তির লেশমাত্র। জান্নাত সম্পর্কে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের যা জানিয়েছেন, তা মানুষের বোধশক্তিকে অভিভূত করে দেয়; কারণ মানব মস্তিষ্ক এমন অতুলনীয় নিয়ামতের মহিমা সম্পূর্ণরূপে কল্পনা করতে অক্ষম।

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা হাদিসে কুদসিতে বলেন:

“আমি আমার সৎ ও নেককার বান্দাদের জন্য এমন সব নিয়ামত প্রস্তুত করে রেখেছি, যা কোনো চোখ কখনো দেখেনি, কোনো কান কখনো শোনেনি এবং কোনো মানুষের কল্পনাতেও কখনো উদিত হয়নি।”

আল্লাহ আরও বলেন:

“কোনো প্রাণই জানে না তাদের জন্য কী কী নয়নপ্রীতিকর সুখ গোপন করে রাখা হয়েছে, তাদের কৃতকর্মের প্রতিদান হিসেবে।”
(সূরা সাজদা ৩২:১৭)

জান্নাতের আনন্দ ও সুখ দুনিয়ার সব ভোগ-বিলাসের তুলনায় অসীমভাবে শ্রেষ্ঠ। দুনিয়ার সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য জান্নাতের আনন্দের সামনে একেবারেই তুচ্ছ ও নগণ্য। ইমাম বুখারি রহিমাহুল্লাহ সাহল ইবন সা‘দ আস-সাঈদী (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:

“জান্নাতে চাবুকের সমান একটি স্থানও এই দুনিয়া এবং এতে যা কিছু রয়েছে—সবকিছুর চেয়ে উত্তম।”
(ফাতহুল বারী ৬/৩১৯; ইমাম নববীর মুসলিম শরিফের ব্যাখ্যা ১৭/১৬৬)

যেহেতু জান্নাতে প্রবেশ এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তি সম্পূর্ণভাবে আল্লাহর ইচ্ছা ও ন্যায়বিচারের ওপর নির্ভরশীল, তাই এটি প্রকৃতপক্ষে এক মহাবিজয় ও পরম সাফল্য। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা বলেন:

“যাকে আগুন থেকে দূরে রাখা হলো এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হলো—নিশ্চয়ই সে-ই প্রকৃত সফলকাম।”
(সূরা আলে ইমরান ৩:১৮৫)

আল্লাহ আরও বলেন:

“আল্লাহ মুমিন পুরুষ ও নারীদের জন্য প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন—এমন জান্নাতসমূহ, যার নিচ দিয়ে নদী প্রবাহিত হয়, যেখানে তারা চিরকাল বসবাস করবে; এবং চিরস্থায়ী জান্নাতে মনোরম প্রাসাদসমূহ। তবে আল্লাহর সন্তুষ্টিই হলো সর্বশ্রেষ্ঠ নিয়ামত। এটিই পরম সাফল্য।”
(সূরা তাওবা ৯:৭২)

আরও বলেন:

“…আর যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করবে, আল্লাহ তাদেরকে এমন জান্নাতে প্রবেশ করাবেন, যার নিচ দিয়ে নদী প্রবাহিত হবে; তারা সেখানে চিরকাল থাকবে। আর এটাই হলো সর্বোচ্চ অর্জন।”
(সূরা নিসা ৪:১৩)

The Messenger of Allah ﷺ gave glad tidings of a special group from this Ummah who will be admitted into Jannah without r...
31/08/2025

The Messenger of Allah ﷺ gave glad tidings of a special group from this Ummah who will be admitted into Jannah without reckoning or punishment. These are the ones who were foremost in Īmān, Taqwā, righteous deeds, and perfect submission to Allah’s commands. Their faith was pure, their trust in Allah was complete, and their reliance was free from shirk or superstition.

The Messenger of Allah ﷺ gave glad tidings of a special group from this Ummah who will be admitted into Jannah without reckoning or punishment. These are the ones who were foremost in Īmān, Taqwā, righteous deeds, and perfect submission to Allah’s commands. Their faith was pure, their trust i...

The very first of mankind to enter Paradise will be our beloved Prophet Muhammad ﷺ. As for the first nation to be admitt...
29/08/2025

The very first of mankind to enter Paradise will be our beloved Prophet Muhammad ﷺ. As for the first nation to be admitted into Paradise, it will be his Ummah (nation). From among this Ummah, the very first to enter will be Abu Bakr as-Siddiq (رضي الله عنه).



The very first of mankind to enter Paradise will be our beloved Prophet Muhammad ﷺ. As for the first nation to be admitted into Paradise, it will be his Ummah (nation). From among this Ummah, the very first to enter will be Abu Bakr as-Siddiq (رضي الله عنه).

মসজিদ, মাদরাসা, দাওয়াতি কাজের ফলাফল কী?নবী মুহাম্মাদ স.মক্কায় ১৩ বছর দাওয়াত দেবার পর মদীনায় এসে ১০ বছর দাওয়াহ দিলেন কিতা...
15/08/2025

মসজিদ, মাদরাসা, দাওয়াতি কাজের ফলাফল কী?
নবী মুহাম্মাদ স.মক্কায় ১৩ বছর দাওয়াত দেবার পর মদীনায় এসে ১০ বছর দাওয়াহ দিলেন কিতালের মাধ্যমে। তিনি বিজয়ি হলেন চূড়ান্ত গন্তব্য টাচ করলেন। ফাতহিম মুবীন দেখলেন। সাহাবীগণ নামাযে ইমামতি করেন সেটাও দেখলেন। তৃপ্তি পেলেন। তিনি চলে গেলেন, আসহাবে রাসুল দূরন্ত গতিতে পৃথিবীর সব প্রান্তে ‘ইসলাম’ পৌঁছেদিলেন।
আমরা ১৫৫০ বছর পরে ইসলামের কাজ করছি,কিন্তু আমি ব্যক্তিগতভাবে ফলাফল নিয়ে প্রায়ই হতাশ হই। ৯৮% মানুষকে সেক্যুলার শিক্ষার মাধ্যমে ইসলামের বিপরীত পক্ষ নাগরিক করে তৈরী করা হচ্ছে, আমরা তাদের পেছনে দৌড়াচ্ছি এ জন্য যে, ভাই, ’ইসলাম সত্য ধর্ম’ ‘ শরীয়া অনুপাতে রাস্ট্র পরিচালনার একটি পদ্ধতি ইসলামে আছে’ এগুলো বুঝানোর জন্য।
কালিমা শেখানো, নামায ফরয এগুলো স্বীকার করে নামাযে আনার জন্য আমরা দিনরাত মেহনত করছি। এটাই আমাদের চূড়ান্ত দাওয়াহ। এরা নামায পড়ছে, দুআ দরুদ পড়ছে, তাহাজ্জুদ পড়ছে আর আমরা এর বিনিময়ে ছওয়াব পাচ্ছি, এইতো? এর জন্যই আমাদের এত আয়োজন? এ জন্যই আমরা এত আলেম তৈরী হচ্ছি? প্রশ্ন হলো, এভাবে কতকাল চলবে? আমাদের গন্তব্য কী? শতভাগ মানুষ নামাজি বানানোর দাওয়াতই কি আমাদের চূড়ান্ত দাওয়াহ?
এভাবে ছাত্র পড়াবো, কিছু লোককে দাওয়া দিবো, কিছু মানুষ নামাযি হবে-এটাই যখন চূড়ান্ত কাজ হিসেবে সামনে দেখি, আমি তৃপ্ত হতে পারি না। আমার মনে হয় এটা আমাদের গন্তব্য নয়। আমরা চলমান নদীর পানি সিঞ্চন করছি, মাছ ধরা বা পানি শুনানোর মত কোন গন্তব্য নেই। ফলে, হতোদ্যম হই। শক্তি পাইনা সামনে যাওয়ার। তবে আবার একা একা শক্তি খুঁজে চলার চেষ্টা করি।
মনে হয়, পুরো দেশটা ডিজাইন করে ১০ অথবা ২০ বছরের একটা রোডম্যাপ দিয়ে আমাদের বড়রা যদি বলতো, বিশ বছরে তোমরা এই ফিল্ড তৈরী করো যেন ৪কোটি শিক্ষার্থী আমাদের হয়ে বড় হয়। এরপর বিপ্লব। আমরা জান প্রাণ দিয়ে এই মিশন বাস্তবায়ন করার চিন্তা মেহনত করতে পারতাম। কিন্তু কি জানি কি, গন্তব্যহীন মিশন, মিশনহীন কাজ।

Mufty Monoar Hossen

The Day of Judgment has ended. The reckoning is complete. Some have entered Paradise, while others have been sent to Hel...
13/08/2025

The Day of Judgment has ended. The reckoning is complete. Some have entered Paradise, while others have been sent to Hell. But deep within Hell, there still remains one man, whose fate will be decided last of all.

He is burned by fire, exhausted, and wounded. At times he crawls, at times he stumbles, and at times the flames touch him. Finally, by the mercy of Allah, he manages to cross the boundary of Hell and come out. Turning back to look at Hell, he exclaims with emotion:
“Glorious is He who has saved me from you! Today I have been given something that neither anyone before me, nor anyone after me will be given.”

The Day of Judgment has ended. The reckoning is complete. Some have entered Paradise, while others have been sent to Hell. But deep within Hell, there still remains one man, whose fate will be decided last of all.

Address

Jalan Zamrud
Kajang
43000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when DawahBd.com posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share