Da'wah

Da'wah Spreading the Message of Islam!

05/04/2025

বাংলাদেশে পান থেকে চুন খসলেই যারা সংখ্যালঘু নির্যাতনের মিথ্যা অভিযোগ এবং নিন্দা জানায়, তারা দিনের পর দিন বুলডোজার দিয়ে মসজিদ ও মুসলমানদের বাড়ি-ঘর উচ্ছেদ, হোলির রং মাখতে না চাওয়া এবং গরুর গোশ্ত রাখার কল্পনার ভিত্তিতে দিন দুপুরে পিটিয়ে মুসলিমদের মেরে ফেলে, একের পর এক আইন পাশ করে সংখ্যালঘুদের অধিকার খর্ব করে, তাদের এসব অমানবিক ও সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিরুদ্ধে আমাদের শতকন্ঠে প্রতিবাদ জানানো কর্তব্য।

04/04/2025
23/11/2024

আমরা কি জানি, রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরিয়ে দেওয়া একটি হারিয়ে যাওয়া সুন্নাহ...!!

আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ইমানের শাখা ৭০টিরও কিছু বেশি। অথবা ৬০টির কিছু বেশি। এর সর্বোচ্চ শাখা হচ্ছে, আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোনো ইলাহ নেই, এ কথা স্বীকার করা, আর এর সর্বনিম্ন শাখা হচ্ছে রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরিয়ে ফেলা। আর লজ্জা ইমানের একটি বিশেষ শাখা।
[সহিহ মুসলিম: ৫৯]

আল্লাহ তাআলা আমাদের এমন একটি হারিয়ে যাওয়া সুন্নাহের উপর নিয়মিত আমল করার তাওফিক দান করুন আমিন। সাদাকায়ে জারিয়ার নিয়তে পোস্টটি বেশি বেশি শেয়ার করতে পারেন এবং এই হারিয়ে যাওয়া সুন্নাহের উপর মুসলিম উম্মাহ কে আমলে উৎসাহিত করতে পারেন, ইন শা আল্লাহ।

20/11/2024

ঘুমের সময়েও যে সাওয়াব অর্জন করা যায় তা কি আমাদের জানা আছে? ঘুম আমাদের জন্য অপরিহার্য। এই অপরিহার্য বিষয় ঘুমানোর পূর্বে কিছু আমল করলে আমরা অনেক সাওয়াব অর্জন করতে পারি। চলুন জেনে নেওয়া যাক আমলগুলো—
১. এশার পর তাড়াতাড়ি ঘুমানোর চেষ্টা করা। অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা না বলা। (বুখারী: ৬৩১১)
২. ঘুমানোর পূর্বে কাপড় পরিবর্তন করা। (সুবুলুল হুদা ওয়ার রাশাদ: ৭/৩৫৯, ইবনে আব্বাস রাদিআল্লাহু আনহু)
৩. অজু করে ঘুমানো। (বুখারী: ৫৯৯)
৪. তিনবার বিছানা ঝেড়ে শোয়া। (বুখারী: ৭৩৯৩)
৫. তিনবার ইস্তিগফার পড়া
اسْتَغْفِرُ اللهَ الْعَظِيمَ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّوْمُ وَ أَتُوْبُ إِلَيْهِ
(তিরমিযী: ৩৩৯৭)
৬. তাসবিহে ফাতেমি
سُبْحَانَ اللهُ الْحَمْدُ لِلَّهُ اللَّهُ أَكْبَر
যথাক্রমে ৩৩ বার ৩৩ বার এবং ৩৪ বার পড়া। (বুখারী: ৫৩৬১)
৭. সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক এবং সূরা নাস পড়া। (বুখারী: ৫০১৭)
৮. আয়াতুল কুরসি পড়া।(বুখারী: ২৩১১)
৯. সূরা কাফিরূন পড়া। (সহিহ তারগিব: ৬০২)
১০. সূরা বাকারাহ এর শেষ ২ আয়াত পড়া। (বুখারী: ৪০০৮)
১১. সূরা মুলক পড়া। (তিরমিযী: ২৮৯০)
১২. ডান কাতে কিবলামুখী হয়ে শুয়ে হাত চোয়ালের নিচে রাখা। (বুখারী: ৬৩১৫)
১৩. পেটের উপর উপুড় হয়ে না শোয়া। (তিরমিযী: ২৭৬৮)
১৪. ঘুমানোর দোয়া:
اللَّهُمَّ بِاسْمِكَ أَمُوْتُ وَ أَحْيَا
পড়া। (বুখারী: ৫৮৭৩)

মুমিনের জীবনের প্রতিটি মুহূর্তই গুরুত্বপূর্ণ। তাই আমাদের উচিত সর্বদা যতটা সম্ভব আমল করা। কোনোভাবেই সাওয়াব অর্জনের সুযোগ হাতছাড়া না করা।
আল্লাহ তা'আলা আমাদের উক্ত আমলগুলো করার তাওফিক দান করুক আমিন।

বিয়ের পর স্বামী-স্ত্রীর প্রতিটি সিদ্ধান্তের জন্য যদি মা-বাবার কাছে যেতে হয়, তাহলে আপনি বিয়ে করছেনই বা কেনো?আপনার বিয়ে কর...
13/05/2024

বিয়ের পর স্বামী-স্ত্রীর প্রতিটি সিদ্ধান্তের জন্য যদি মা-বাবার কাছে যেতে হয়, তাহলে আপনি বিয়ে করছেনই বা কেনো?

আপনার বিয়ে করার বয়স হয়েছে মানে সিদ্ধান্ত নেবার বয়স হয়েছে। কিন্তু, বিয়ের পর প্রতিটি সিদ্ধান্ত যদি মা-বাবাকে জিজ্ঞেস করে নিতে হয়, তাহলে আপনি স্বামী হিসেবে স্ত্রীর কাছে মর্যাদা হারাবেন।

স্ত্রীকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি যাবেন কিনা, স্ত্রী কোনো সিদ্ধান্ত নিতে চাইলে বারবার তাকে বলা- ‘মাকে জিজ্ঞেস কইরো’, স্ত্রীকে নিয়ে বাইরে যাবার আগে বাবার অনুমতি নেয়া লাগলে এটার ফল আসলেই নেতিবাচক। সাময়িক মনে হতে পারে কোনো অসুবিধা তো হচ্ছে না। কিন্তু, আপনার স্ত্রীর মনে ক্ষোভ জন্ম নেয়, আপনার প্রতি তার সম্মানবোধ উঠে যায়।

মাঝেমধ্যে তার কিছু ইচ্ছে করলে আপনি বলেন- “দেখি মা কী বলে।” তখন হয়তো সে কিছু বলে না। কিন্তু, মা যদি ‘না’ করেন, মায়ের ওপর না, বরং আপনার ওপরই তার রাগ হয়।

আপনি পারিবারিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে অবশ্যই মা-বাবার পরামর্শ নিবেন, তাদেরকে শ্রদ্ধা করবেন। কিন্তু, স্বামী হিসেবে আপনার যে কর্তৃত্ব আছে, সেই কর্তৃত্বের চর্চা আপনিই করুন; আপনার মা-বাবাকে করতে দিবেন না। স্ত্রীর কোনো আবদার নাকচ করতে চাইলে তাকে বুঝিয়ে আপনিই নাকচ করুন। নিজের মা-বাবাকে ইনভলভ করে যখন দাম্পত্য জীবনের সিদ্ধান্ত নিবেন, কোনো এক সিদ্ধান্ত ভুল হলে স্ত্রী আপনার সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলবে।

ঠিক তেমনি, স্ত্রীর বেলায়ও।

স্ত্রীরা বেশিরভাগ কথা মায়ের সাথে শেয়ার করে। স্বামী কী করলো, কী বললো, স্বামীকে এটা কীভাবে বলবে, স্বামীর কাছে কীভাবে চাইবে এগুলো নিয়ে সে মায়ের সাথে কথা বলে। মা-ও খুব আগ্রহ নিয়ে মেয়েকে বুদ্ধি দেন।

বিয়ের পর গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু ছাড়া দৈনন্দিন এসব ব্যাপারে মেয়ের মা যতো ইনভলভ হবে, পারিবারিক অশান্তি ততো বাড়বে।

মা যদি জিজ্ঞেস করে, “এটা বলার পর জামাই কী বললো?” স্ত্রীর তখন স্পষ্টভাবে বলা উচিত- “সরি মা, ও আমাকে কী বলেছে সেটা তোমাকে বলতে পারবো না।”

একজনের স্ত্রী হিসেবে স্বামীর প্রতি আপনার এই আত্মসম্মান থাকা উচিত।

আপনার দাম্পত্য জীবন নিয়ে নিজের মা-বাবার অতিউৎসাহ দেখলে তাদেরকে সম্মানের সাথে নিরুৎসাহিত করুন।

মুসলিম মানেই সব ব্যাপারে সবর রেখে সুন্নাহ পালন করা। কারণ একমাত্র তাতেই লুকায়িত আছে প্রকৃত শান্তি। তাই চলমান দাবদাহে কিছু...
29/04/2024

মুসলিম মানেই সব ব্যাপারে সবর রেখে সুন্নাহ পালন করা। কারণ একমাত্র তাতেই লুকায়িত আছে প্রকৃত শান্তি। তাই চলমান দাবদাহে কিছুটা প্রশান্তি লাভের নিয়্যাতে আসুন অনুসরণ করি সুন্নাহ। তীব্র গরমে বহুল প্রচলিত কিছু সুন্নাহঃ

১। গরম, যামানা এসবকে গালিগালাজ না করা। কারণ আল্লাহ রব্বুল আলামিন বলেন, "তারা যামানাকে গালি দেয়। অথচ আমিই যামানা।" সহিহ বুখারীঃ ৪৮২৬)

২। হাশরের ময়দান ও জাহান্নামের আগুনের তীব্রতা নিয়ে ভাবা। কারণ শীত ও গরমের তীব্রতা আসে জাহান্নাম থেকে (সহিহ বুখারিঃ ৩২৬০)।

৩। বেশি থেকে বেশি ক্ষমা চাওয়া, ইস্তেগফার যিকির করা।

৪। মানুষ এবং পশুপাখিকে পানি পান করানো। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে, পানি পান করানো উত্তম সাদকা (আবু দাউদঃ ৭৪৩৫)।

৫। বেশি সাওয়াবের আশায় গরমের দিনে সিয়াম পালন করা। উল্লেখ্য, সাহাবায়ে কেরামদের মাঝে এই আমলের বেশ প্রচলন ছিল।

৬। বেশি করে নফল সালাত আদায় করা। বিশেষত সম্মিলিতভাবে ময়দানে "সালাতুল ইসতিসকা" আদায় করা একটি হারিয়ে যাওয়া সুন্নাহ। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, "যখন বেশি গরম পড়বে, তখন বেশি সালাত আদায় করো। কেননা অতিরিক্ত গরম হলো জাহান্নামের নিশ্বাস" (মিশকাতঃ ৫৯৯)

৭। যোহরের সালাত একটু দেরিতে আদায় করা। অর্থাৎ সূর্যের নিচে দাঁড়ালে ছায়া দেখা যায় এমন সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করা। (বুখারিঃ ৫৩৯)

৮। আল্লাহর কাছে বৃষ্টি চেয়ে দোয়া করা।

মেনশন, শেয়ারের মাধ্যমে গরমের সুন্নাহ পুনর্জীবিত করে সাওয়াবের ভাগিদার হবেন ইনশাআল্লাহ্‌।

নিশ্চয় আসমানসমূহ ও যমীনের সৃষ্টি এবং রাত ও দিনের বিবর্তনের মধ্যে রয়েছে বিবেকসম্পন্নদের জন্য বহু নির্দশন। ( সূরাঃ আলে-ইমর...
22/04/2024

নিশ্চয় আসমানসমূহ ও যমীনের সৃষ্টি এবং রাত ও দিনের বিবর্তনের মধ্যে রয়েছে বিবেকসম্পন্নদের জন্য বহু নির্দশন। ( সূরাঃ আলে-ইমরান, আয়াতঃ ১৯০)

হাদীসে বর্ণিত যে, ১৯০নং আয়াত থেকে সূরার শেষ পর্যন্ত আয়াতগুলো নবী করীম (সাঃ) যখন রাতে তাহাজ্জুদ নামায পড়ার জন্য উঠতেন, তখন পড়তেন এবং তারপর ওযূ করতেন। (বুখারী ৪৫৬৯-মুসলিম ২৫৬নং)

এবং নিশ্চয়ই আমি তোমাদেরকে ভয়, ক্ষুধা, ধন, প্রাণ এবং ফল-ফসলের দ্বারা পরীক্ষা করব; এবং ঐ সব ধৈর্যশীলদের সুসংবাদ প্রদান কর।...
19/04/2024

এবং নিশ্চয়ই আমি তোমাদেরকে ভয়, ক্ষুধা, ধন, প্রাণ এবং ফল-ফসলের দ্বারা পরীক্ষা করব; এবং ঐ সব ধৈর্যশীলদের সুসংবাদ প্রদান কর।

সূরাঃ আল-বাকারা, আয়াতঃ ১৫৫

কোন বিপদে পতিত হওয়ার আগেই যদি সে সম্পর্কে সংবাদ দিয়ে দেয়া হয়, তবে সে বিপদে ধৈর্যধারণ সহজতর হয়ে যায়। কেননা, হঠাৎ করে বিপদ এসে পড়লে পেরেশানী অনেক বেশী হয়। যেহেতু আল্লাহ্ তা'আলা সমগ্র উম্মতকে লক্ষ্য করেই পরীক্ষার কথা বলেছেন, সেহেতু সবার পক্ষেই অনুধাবন করা উচিত যে, এ দুনিয়া দুঃখ-কষ্ট সহ্য করারই স্থান।

সুতরাং এখানে যেসব সম্ভাব্য বিপদ-আপদের কথা বলা হয়েছে, সেগুলোকে অপ্রত্যাশিত কিছু মনে না করলেই ধৈর্যধারণ করা সহজ হতে পারে।

পরীক্ষায় সমগ্র উম্মত সমষ্টিগতভাবে উত্তীর্ণ হলে পরে সমষ্টিগতভাবেই পুরস্কার দেয়া হবে; এছাড়াও সবর-এর পরীক্ষায় ব্যক্তিগত পর্যায়ে যারা যতটুকু উত্তীর্ণ হবেন, তাদের ততটুকু বিশেষ মর্যাদাও প্রদান করা হবে।

মূলত, মানুষের ঈমান অনুসারেই আল্লাহ্ তা'আলা মানুষকে পরীক্ষা করে থাকেন। হাদীসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,

“সবচেয়ে বেশী পরীক্ষা, বিপদাপদ-বালা মুসিবত নবীদেরকে প্রদান করেন। তারপর যারা তাদের পরের লোক, তারপর যারা এর পরের লোক, তারপর যারা এর পরের লোক।” [মুসনাদে আহমাদ: ৬/৩৬৯]

অর্থাৎ প্রত্যেকের ঈমান অনুসারেই তাদের পরীক্ষা হয়ে থাকে। তবে পরীক্ষা যেন কেউ আল্লাহর কাছে কামনা না করে। বরং সর্বদা আল্লাহর কাছে নিরাপত্তা কামনা করাই মুমিনের কাজ।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এক লোককে বলতে শুনেছেন যে,

“হে আল্লাহ! আমাকে সবরের শক্তি দান কর। তখন তিনি বললেন, তুমি বিপদ কামনা করেছ, সুতরাং তুমি নিরাপত্তা চাও।” [মুসনাদে আহমাদ: ৫/২৩১,২৩৫]

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও বলেছেন, মুমিনের উচিত নয় নিজেকে অপমানিত করা। সাহাবায়ে কিরাম বললেন, কিভাবে নিজেকে অপমানিত করে? রাসূল বললেন, "এমন কোন বালা-মুসিবতের সম্মুখীন হয় যা সহ্য করার ক্ষমতা তার নেই”। [তিরমিযী: ২২৫৪]

اَللّٰهُ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا هُوَ ؕ لَهُ الۡاَسۡمَآءُ الۡحُسۡنٰیআল্লাহ, তিনি ব্যতীত সত্যিকারের কোন ইলাহ নেই, সুন্দর নামস...
18/04/2024

اَللّٰهُ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا هُوَ ؕ لَهُ الۡاَسۡمَآءُ الۡحُسۡنٰی

আল্লাহ, তিনি ব্যতীত সত্যিকারের কোন ইলাহ নেই, সুন্দর নামসমূহ তাঁরই।
সূরাঃ ত্ব-হা, আয়াতঃ ৮

এ আয়াতটিতে তাওহীদকে সুন্দরভাবে ফুটে তোলা হয়েছে। এখানে প্রথমেই মহান আল্লাহর নাম উল্লেখ করে তাঁর পরিচয় দেয়া হয়েছে যে, তিনি ব্যতীত সত্য কোন ইলাহ (উপাস্য বা ইবাদতের যোগ্য) নেই। তারপর বলা হয়েছে যে, সুন্দর সুন্দর যত নাম সবই তাঁর। আর এটা সুবিদিত যে, যার যত বেশী নাম তত বেশী গুণ। আর সে-ই মহান যার গুণ বেশী।

আল্লাহর প্রতিটি নামই অনেকগুলো গুণের ধারক। কুরআন ও হাদীসে আল্লাহর অনেক নাম ও গুণ বর্ণিত হয়েছে। তার নাম ও গুণের কোন সীমা ও শেষ নেই। কোন কোন হাদীসে এসেছে যে, মহান আল্লাহর এমন কিছু নাম আছে যা তিনি কাউকে না জানিয়ে তার ইলমে গায়েবের ভাণ্ডারে রেখে দিয়েছেন।

কোন কোন হাদীসে এ সমস্ত নামের মধ্যে ৯৯টি নামের সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, সেগুলো সঠিকভাবে অনুধাবন করে সেগুলো দ্বারা আহবান জানালে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ

“অবশ্যই আল্লাহর ৯৯টি নাম রয়েছে। কেউ সঠিকভাবে সেগুলোর মাধ্যমে আহবান করলে জান্নাতে প্রবেশ করবে।" [বুখারী: ২৭৩৬, মুসলিম: ২৬৭৭]

কিন্তু এর অর্থ এ নয় যে, শুধু এ ৯৯টিই আল্লাহর নাম, বরং এখানে আল্লাহর নামগুলোর মধ্য থেকে ৯৯টি নামের ফযীলত বর্ণনা করাই উদ্দেশ্য।

Address

Al-Jahra
Salmiya
03001

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Da'wah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share