Islamic 24 Tv Bangla

Islamic 24 Tv Bangla জীবন শুধু বিনোদনের জন্যে নয়

 # বর্তমান সমাজের দ্বীনের নামে নারী বাদিদের নতুন ফিত্নার ভয়ংকর তম রূপ!!!আল্লাহ এমন ফিতনা থেকে হিফাযত করুন,হিদায়েত দান কর...
02/12/2022

# বর্তমান সমাজের দ্বীনের নামে নারী বাদিদের নতুন ফিত্নার ভয়ংকর তম রূপ!!!

আল্লাহ এমন ফিতনা থেকে হিফাযত করুন,হিদায়েত দান করুন আমিন,আমিন,আমিন।

- উনারা স্বামীর আনুগত্যে বাধ্য নন।
- উনারা স্বামী-স্ত্রী সহবাসে বাধ্য নন।
- উনারা নিজ সন্তানকে দুগ্ধদানে বাধ্য নন।
- উনারা স্বামীর সেবাযত্নে বাধ্য নন।
- উনারা নিজ সংসারে রান্নাবান্না করতে বাধ্য নন।
- উনারা শ্বশুড়-শ্বাশুড়ির সেবাযত্ন করতে বাধ্য নন।
- উনারা কোনো উপায়ে আয় করলে তা নিজ সংসারে ব্যয় করতে বাধ্য নন।

মানে উনারা কোনো কিছুতেই বাধ্য নন। বিপরীতে যাবতীয় সবকিছুতেই পুরুষরা বাধ্য!

তাহলে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা তাদেরকে কী কারণে সৃষ্টি করেছেন? সৃষ্টির উদ্দেশ্য কী? শুধু ঘুমানো, খাওয়া-দাওয়া করা আর (!) ত্যাগ করা?

হে বোন,স্ত্রী, মেয়ে,মায়েরা শুনুন, দেখুন পরিবার,সমাজ,রাষ্ট্র,বিশ্বের দিকে তাকান,অন্তর দিয়ে অবলোকন করুন আপনারা নারী বাদির ফিত্নায় পতিত হয়ে আজ এমন ধরনের অবাধ্যতায় নিজেদের লিপ্ত করে নিজেদের ভাই,সন্তান,স্বামী দের পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্রকে প্রকৃতপক্ষে নিজেদের সাথে নিজেরাই ধোঁকাবাজি করেছেন এমন কি, সব কিছু ধ্বংস করে দিচ্ছেন।
সময় আছে সাবধান হোন,সতর্ক হোন,সংযত হোন। নিজেদের আর মহান আল্লাহর অবাধ্যতায় নিমজ্জিত করবেন না,,নারীবাদের মুখে চপেটাঘাত করে ফিরে আসুন নিজেকে রক্ষা করুন,নিজের ভাই,স্বামী, সন্তানদের ধ্বংসের হাত থেকে তুলে আনুন,নিজেদের প্রতি, পরিবারের প্রতি অবিচার,ধোঁকাবাজি বন্ধ করুন,,,,,,,,,,,!

আল্লাহহুম মাগফিরলি, ওয়ামা তৌফিকি ইল্লা-বিল্লাহ আমিন,আমিন,আমিন।

   India
09/06/2022

India

ইবনুল কাইয়্যেম রাহিমাহুল্লাহ বলেন:নামাযের মধ্যে ৬ টি বৈশিষ্ট মুনাফিকের আলামত:(১) অলসতা সহ নামাযে দাঁড়ানো,(২) মানুষকে দে...
07/06/2022

ইবনুল কাইয়্যেম রাহিমাহুল্লাহ বলেন:
নামাযের মধ্যে ৬ টি বৈশিষ্ট মুনাফিকের আলামত:

(১) অলসতা সহ নামাযে দাঁড়ানো,
(২) মানুষকে দেখানোর জন্য নামায পড়া,
(৩) নামাযকে বিলম্বে আদায় করা,
(৪) তাড়াহুড়া করে নামায শেষ করা,
(৫) নামাযের দুয়া ও যিকির খুব সামান্য করা,
(৭) জামাতে উপস্থিত না হওয়া

(সালাত এবং তা বর্জন করার হুকুম: পৃ:১৭৩)

29/05/2022
21/04/2022

রাতে প্রতিটি স্ত্রীর উচিত তার স্বামীর জন্য আলাদা করে সাজসজ্জা করা । সে তার স্বামীর সামনে এমন ভাবে উপস্হিত হবেন যেন তার স্বামীর অন্তরে তাকে দেখেই নতুন করে ভালবাসা বৃদ্ধি পান।

রাতে স্বামীর জন্য সাজ্জসজ্জা করা সুন্নত। তার সামনে ইচ্ছা করে ময়লা নোংরা ও দুর্গন্ধযুক্ত কোন কাপড়, পরিধান করে যাওয়া নিকৃষ্ট কাজ। স্ত্রী এমন ভাবে সাজবে যেন স্বামী দেখেই তার চক্ষুর শীতলতা লাভ করে।

স্ত্রী রাতে হালাল পারফিউম ইউজ করবে।
শরিরে সুগন্ধ মাখবে এবং স্বামীকে সুগন্ধী মাখাবে।
এবং সে তার নিজের দিকে স্বামীকে উৎসাহী দিবে।
নিশ্চয় এর জন্য স্ত্রী আল্লাহর কাছ থেকে উত্তম প্রতিদান পাবে। কখনো ময়লা কাপড়, ময়লা চেহারা, ময়লা দেহ নিয়ে স্বামীর সামনে যাবেনা। আমাদের মনে রাখা উচিত এ কাজটিতেও আমাদের উত্তম নেকি লেখা হচ্ছে।

ইমোশনাল এই সময়টিতে স্বামী বা স্ত্রী বিতর্কিত কোন কথা বলবেনা। তখন একে অপরের চাদরের মতো। রুমে পারফিউম ব্যাবহার করবে। বিছানা সুন্দর ও উত্তম ভাবে ঘুছিয়ে রাখবে। স্ত্রীকে সময় দেয়া সুন্নত হুট করে তার সাথে বিশেষ কাজে চলে যাওয়া অনুচিত । এসময় স্ত্রীকে দীর্ঘ সময় দেয়া উচিত।

ইসলাম সুন্দর! সুন্দর ইসলামের সব রীতিনীতি।
যদি বিবাহিত হোন পালন করুন
জীবন হয়ে উঠবে আরো সুন্দর ও আনন্দময়।

📎–মুহাম্মাদ বিন ইয়ামিন

03/02/2022

প্রিয়তমার জন্য দো'আ🖤
অবিবাহিতদের জন্য...
আগামীকাল জুম্মাবার... সো.. অবিবাহিতরা ভিডিও টা আবার দেখুন ও মহান রবের নিকট চাইতে থাকুন...

🎙Abir Hasan ভাইএর কণ্ঠে

আপনি কেনো হতাশ হচ্ছেন? আল্লাহর কাছে কোনো জিনিসের অভাব আছে বলুন? আমাদের শুধু চেয়ে নিতে হবে। এমনভাবে চান যেন আপনার রব খুশি হয়ে যান। রবকে সন্তুষ্ট করতে পারলেই তো মিলবে পরম আকাঙ্ক্ষিত সেই জন!
যিনি অবিরাম বর্ষণসহ আকাশের দরজাগুলো খুলে দিতে পারেন, তিনি আপনাকে আপনার পছন্দমত জীবনসঙ্গীও দিতে পারেন। যদি আপনি তাঁর কাছে দুআ করেন।

💕💕 নেক স্ত্রী-স্বামী এবং সন্তানের জন্য দো'আঃ

رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا

রব্বানা হাব লানা মিন আয ওয়াজিনা ওয়া জুররিয়্যিয়া তিনা কুররতা আঈয়ূ নিও ওয়া আজ আলনা লিল মুত্তাকিনা ইমামা।

অর্থ- হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদের স্ত্রীদের পক্ষ থেকে এবং আমাদের সন্তানের পক্ষ থেকে আমাদের জন্যে চোখের শীতলতা দান কর এবং আমাদেরকে মুত্তাকীদের জন্যে আদর্শস্বরূপ কর।
[সুরা ফুরকান: ৭৪]

17/11/2021

বিয়েতে দেনমোহর কত করা শরীয়ত সম্মত -শাইখ আহমাদুল্লাহ বিন দেলোয়ার হোসাইন (হাফেযাহুল্লাহ)
#আশাকরি সবাই শেয়ার করবেন........

কিয়ামতের দিন কিছু মানুষ তাদের বন্ধুর কারণে জাহান্নামে যাবে। অসৎ কাজে উৎসাহদানকারী, তাতে সাহায্যকারী বন্ধু হলো এক প্রকার ...
20/10/2021

কিয়ামতের দিন কিছু মানুষ তাদের বন্ধুর কারণে জাহান্নামে যাবে।

অসৎ কাজে উৎসাহদানকারী, তাতে সাহায্যকারী বন্ধু হলো এক প্রকার শয়তান, বরং যেন ক্ষেত্র বিশেষে শয়তানের চেয়েও নিকৃষ্ট। কারণ, শয়তান শুধু আপনাকে তার পথে ডাকবে, তাও গোপনে। আর নিকৃষ্ট বন্ধুগুলো আপনাকে প্রকাশ্যে ডাকবে, অসৎকর্ম করতে আর্থিকভাবে, মানসিকভাবেও সাপোর্ট দিবে। কিন্তু এসবকিছু ক্ষণস্থায়ী, কিয়ামতের দিন এগুলো আফসোসের কারণ হবে। তখন সে আফসোস করে বলবে,

"হায় আমার জন্য ধ্বংস, আমি যদি অমুককে বন্ধুরূপে গ্রহণ না করতাম। অবশ্যই সে আমাকে বিভ্রান্ত করেছিল আমার নিকট উপদেশ বাণী (কুরআন) পৌঁছার পর; আর শয়তান হল মানুষের জন্যে মহাপ্রতারক।" (সুরা ফুরকানঃ ২৮- ২৯)

"আর নিশ্চয় তারাই মানুষদেরকে আল্লাহর পথ থেকে বাধা দেয়। অথচ মানুষ মনে করে তারা হিদায়াতপ্রাপ্ত।

অবশেষে যখন সে আমার নিকট আসবে তখন সে [তার শয়তান সংগীকে উদ্দেশ্য করে] বলবে, ‘হায়, আমার ও তোমার মধ্যে যদি পূর্ব-পশ্চিমের ব্যবধান থাকত’ সুতরাং কতইনা নিকৃষ্ট সে সঙ্গী!

আর আজ তা [তোমাদের এই অনুতাপ] তোমাদের কোন উপকারেই আসবে না। যেহেতু তোমরা যুলম করেছিলে। নিশ্চয় তোমরা আযাবে পরস্পর অংশীদার হয়ে থাকবে।"
(সুরা আয যুখরুফঃ ৩৭- ৩৯)

"সেদিন বন্ধুরা একে অন্যের শত্রু হবে, মুত্তাকীরা ছাড়া।" (সুরা আয যখরুফঃ ৬৭)

"আর অন্তরঙ্গ বন্ধু অন্তরঙ্গ বন্ধুকে জিজ্ঞাসা করবে না।" (সুরা মকআরিজঃ ১০)

"সেদিন এক বন্ধু অপর বন্ধুর কোন কাজে আসবে না এবং তারা সাহায্যপ্রাপ্তও হবে না।" (সুরা আদ দোখানঃ ৪১)

"আর কাফিররা বলবে, ‘হে আমাদের রব, জিন ও মানুষের মধ্যে যারা আমাদেরকে পথভ্রষ্ট করেছে তাদেরকে আমাদের দেখিয়ে দিন। আমরা তাদের উভয়কে আমাদের পায়ের নীচে রাখব, যাতে তারা নিকৃষ্টদের অন্তর্ভুক্ত হয়।" (সুরা ফুসসিলাতঃ ২৯)

তাই বন্ধু নির্বাচনে আমাদেরকে খুবই সতর্ক থাকতে হবে। আমাদের সবার চিন্তা করা উচিত, আমি কার সাথে মিশি, কাকে আমি ভালোবাসি। এক্ষেত্রে অবশ্যই কুরআন ও সুন্নাহর নির্দেশনা মানতে হবে। আল্লাহ (ﷻ) ও তাঁর রাসুল (ﷺ) এক্ষেত্রে আমাদের জন্য অত্যন্ত সুস্পষ্ট নীতিমালা নির্ধারণ করে দিয়েছেন। আসুন, একবার চোখ বুলিয়ে নেওয়া যাক।

"আর তুমি নিজকে ধৈর্যশীল রাখ তাদের সাথে, যারা সকাল-সন্ধ্যায় তাদের রবকে ডাকে, তাঁর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে, এবং দুনিয়ার জীবনের সৌন্দর্য কামনা করে তোমার দু’চোখ যেন তাদের থেকে ঘুরে না যায়। আর ওই ব্যক্তির আনুগত্য করো না, যার অন্তরকে আমি আমার যিকির থেকে গাফেল করে দিয়েছি এবং যে তার প্রবৃত্তির অনুসরণ করেছে এবং যার কর্ম বিনষ্ট হয়েছে। (সুরা কাহাফঃ ২৮)

আবূ হুরাইরা (রা)হতে বর্ণিত; রাসুল (ﷺ) বলেনঃ মানুষ তার বন্ধুর রীতি নীতির অনুসারী হয়। কাজেই তোমাদের প্রত্যেকের খেয়াল রাখা উচিত সে কার সঙ্গে বন্ধুত্ব করছে। (সুনান আবু দাউদ: ৪৯৩৩, আত-তিরমিযী: ২৩৭৮, সনদ হাসান)

একজন ভালো বন্ধুর কি কি বৈশিষ্ট্য থাকে?

"আর মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারী তারা একে অপরের বন্ধু, তারা ভাল কাজের আদেশ দেয় ও অন্যায় কাজ হতে নিষেধ করে, আর তারা সালাত প্রতিষ্ঠা করে আর যাকাত প্রদান করে এবং আল্লাহ ও রাসূলের আনুগত্য করে, তাদের উপর আল্লাহ শীঘ্রই দয়া করবেন, নিশ্চয় আল্লাহ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।" (সুরা আত্-তাওবাহঃ ৭১)

"তোমাদের বন্ধু কেবলমাত্র আল্লাহ ও তাঁর রাসূল আর মুমিনগণ যারা সালাত কায়েম করে, যাকাত প্রদান করে এবং আল্লাহর কাছে অবনত হয়। আর যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূল আর মুমিনদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করে, তবে নিশ্চয় সেটি আল্লাহর দল আর তারাই বিজয়ী হবে।" (সুরা আল-মায়িদাহঃ ৫৫- ৫৬)

আবার কিছু মানুষ এমনও আছে যারা এক সময় খারাপ বন্ধুর সাথে থাকতো, কিন্তু পরে নিজের ভুল বুঝতে পেরে এদের সঙ্গ পরিত্যাগ করে। তাদের সম্পর্কেও কুরআনে এসেছে। কুরআনের এই আলোচনাটা বেশ অসাধারণ।

"অতঃপর তারা মুখোমুখি হয়ে পরস্পরকে জিজ্ঞাসা করবে।

তাদের একজন বলবে, (‘পৃথিবীতে) আমার এক সঙ্গী ছিল’

সে বলত, ‘তুমি কি সে লোকদের অন্তর্ভুক্ত যারা বিশ্বাস করে’।

আমরা যখন মরে যাব এবং মাটি ও হাড়ে পরিণত হব তখনও কি আমাদেরকে প্রতিফল দেয়া হবে’?

আল্লাহ বলবেন, ‘তোমরা কি উঁকি দিয়ে দেখবে?’

অতঃপর সে উঁকি দিয়ে দেখবে এবং তাকে (পৃথিবীর সঙ্গীকে) দেখবে জাহান্নামের মধ্যস্থলে।

সে বলবে, ‘আল্লাহর কসম! তুমি তো আমাকে প্রায় ধ্বংস করে দিয়েছিলে’।

‘আমার রবের অনুগ্রহ না থাকলে আমিও তো (জাহান্নামে) হাযিরকৃতদের একজন হতাম’।" (সুরা আস সফঃ ৫০- ৫৭)

তাহলে বুঝা যাচ্ছে যে, সে ব্যক্তি যদি সে খারাপ সঙ্গীকে ত্যাগ না করতো–তাহলে সেও জাহান্নামীদের একজন হতো। আল্লাহ আমাদেরকে বুঝার ও মানার তাওফিক দান করুন।

সংগৃহীতঃ Alor Dishari আলোর দিশারী পেজ থেকে

বন্ধু নির্বাচন সম্পর্কে ইসলাম কি বলে...? …..........মানুষ সামাজিক জীব। সমাজ জীবনে চলতে গেলে পারস্পরিক সুসম্পর্ক অপরিহার্...
20/10/2021

বন্ধু নির্বাচন সম্পর্কে ইসলাম কি বলে...?
…..........
মানুষ সামাজিক জীব। সমাজ জীবনে চলতে গেলে পারস্পরিক সুসম্পর্ক অপরিহার্য। কেননা পারস্পরিক সুসম্পর্ক, সৌহার্দ্র্য ও সম্প্রীতি ছাড়া সমাজ জীবনে মানুষ সুন্দরভাবে চলতে পারে না।

বন্ধুত্ব হলো সমাজ জীবনের সুসম্পর্কের চূড়ান্ত পর্যায়। বন্ধুত্বের মর্যাদা রক্ষা করাও অনেক মর্যাদার। বন্ধুত্ব ও সৎ সঙ্গীদের মর্যাদা গ্রহণ করা এবং বন্ধুত্ব রক্ষার বিষয়ে কুরআন এবং হাদিসে অনেক গুরুত্ব উল্লেখ করা হয়েছে।

না জেনে কাউকে যেমন বন্ধু রূপে গ্রহণ করা যায় না। তেমনি সত্যবাদী, নামাজি, দ্বীনদার ও পরোপকারী ব্যক্তিকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ না করারও কোনো উপায় নেই।

বন্ধু নির্বাচনে সতর্কতাবন্ধু নির্বাচনের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ নিয়ে প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘মানুষ তার বন্ধু স্বভাবী হয়, তাই তাকে লক্ষ্য করা উচিত, সে কার সঙ্গে বন্ধুত্ব করছে।’ (তিরমিজি)

প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বন্ধুত্বের উদাহরণ দিয়ে বলেন, ‘সৎ সঙ্গী এবং অসৎ সঙ্গীর উদাহরণ হচ্ছে আতর বিক্রয়কারী এবং কামারের হাপরের ন্যায়। আতর ওয়ালা তোমাকে নিরাশ করবে না; হয় তুমি তার কাছ থেকে ক্রয় করবে কিংবা তার কাছে সুঘ্রাণ পাবে। আর কামারের হাপর, হয় তোমার বাড়ি জ্বালিয়ে দেবে, নচেৎ তোমার কাপড় পুড়িয়ে দেবে আর না হলে দুর্গন্ধ পাবে।’ (বুখারি)

বন্ধু নির্বাচনের দিকনির্দেশনাকুরআনে বন্ধু নির্বাচনের দিকনির্দেশনায় আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আপনি নিজেকে তাদের সংসর্গে আবদ্ধ রাখুন, যারা সকাল-সন্ধ্যায় তাদের পালনকর্তাকে তাঁর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে আহ্বান করে এবং আপনি পার্থিব জীবনের সৌন্দর্য কামনা করে তাদের থেকে নিজের দৃষ্টি ফিরিয়ে নেবেন না। যার মনকে আমার স্মরণ থেকে অবচেতন করে দিয়েছি, যে নিজের প্রবৃত্তির অনুসরণ করে এবং যার কার্যকলাপ হচ্ছে সীমা অতিক্রম করা, আপনি তার আনুগত্য করবেন না।’ (সুরা কাহাফ : আয়াত ২৮)

কোনো মানুষকে বন্ধু হিসেবে নির্বাচন করতে হলে যে গুণকে অগ্রাধিকার দিতে হবে তা বর্ণনা করতে গিয়ে আল্লাহ বলেন, ‘হে মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং সত্যবাদীদের সঙ্গী হও।’ (সুরা তাওবা : আয়াত ১১৯)

উত্তম বন্ধু নির্বাচনের ফজিলতকিয়ামতের দিন ভালো বন্ধুদেরকে আল্লাহ তাআলা আরশের নিচে ছায়া দান করবেন। হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলা বলবেন, ‘আমার মর্যাদার (আনুগত্যের) কারণে পরস্পরের বন্ধুত্বকারীরা কোথায়? আজ আমি তাদেরকে আমার ছায়া তলে আশ্রয় দেব। যেদিন আমার ছায়া ব্যতীত আর কোনো ছায়া থাকবে না। (মুসলিম)

এ কারণেই প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মুমিন ব্যক্তিকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করার নির্দেশনা প্রদান করেছেন। তিনি বলেন, ‘মুমিন ব্যতীত অন্য কাউকে সঙ্গী বা বন্ধু হিসেবে নির্বাচন করবে না। (তিরমিজি)

তাইতো যার মধ্যে কুরআন হাদিসের ভালোবাসা বা অনুভূতি নেই, ইসলাম তাকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন। আল্লাহ বলেন, ‘মুমিনগণ যেন অন্য মুমিনকে ছেড়ে কোনো কাফিরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ না করে। আর যারা এরূপ করবে, আল্লাহর সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক থাকবে না।’ (সুরা আল-ইমরান : আয়াত ২৮)

উত্তম বন্ধুর গুণাবলিকুরআনুল কারিমে আল্লাহ তাআলা একজন বন্ধুর গুণাবলি ও বৈশিষ্ট্য কি হবে তা সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন। আল্লাহ বলেন, ‘আর ঈমানদার পুরুষ ও ঈমানদার নারী একে অপরের সহায়ক। তারা ভাল কথার শিক্ষা দেয় এবং মন্দ থেকে বিরত রাখে। নামায প্রতিষ্ঠা করে, যাকাত দেয় এবং আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের নির্দেশ অনুযায়ী জীবন যাপন করে। এদেরই উপর আল্লাহ তা’আলা দয়া করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ পরাক্রমশীল, সুকৌশলী। (সুরা তাওবা : আয়াত ৭১)

হজরত আলি রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন, 'নির্বোধের বন্ধুত্ব থেকে দূরে থাকো। কারণ সে উপকার করতে চাইলেও তার দ্বারা তোমার ক্ষতি হয়ে যাবে।’

হজরত ইমাম জাফর আস-সাদিক রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন, ‘পাঁচ ব্যক্তির সঙ্গে বন্ধুত্ব করা সমীচীন নয়। তারা হলো-মিথ্যাবাদী, নির্বোধ, ভীরু, পাপাচারী ও কৃপণ ব্যক্তি।’

হজরত ইমাম গাজ্জালি রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেছেন, ‘যার সঙ্গে বন্ধুত্ব করবে তার মধ্যে পাঁচটি গুণ থাকা চাই। আর তা হলো- ‘বুদ্ধিমত্তা, সৎ স্বভাবের অধিকারী হওয়া, পাপাচারী না হওয়া, বেদআতি না হওয়া এবং দুনিয়াসক্ত না হওয়া।’

পরিশেষে...বন্ধুত্ব হতে হবে পরকালের কল্যাণে। আর পরকালের কল্যাণে দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ বন্ধু নির্বাচনে একজন মানুষ হয়ে ওঠে পরিপূর্ণ ঈমানদার। যা প্রিয়নবি ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেন, ‘যে আল্লাহর (সন্তুষ্টির) উদ্দেশ্যে (কাউকে) ভালবাসে এবং আল্লাহর উদ্দেশ্যে ঘৃণা করে, আল্লাহর উদ্দেশ্যে দান করে কিংবা না করে, সে তার ঈমান পূর্ণ করে নিল।’ (আবু দাউদ)

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহর প্রত্যেককে পারস্পরিক সুসম্পর্ক ও বন্ধুত্ব লাভে কুরআন এবং হাদিসের নির্দেশনা অনুসরণ ও অনুকরণ করার তাওফিক দান করুন।

আল্লাহ তাআলা যেন যেন মুসলিম উম্মাহকে সৎ হওয়ার এবং সৎ লোকদের সংস্পর্শে থাকার এবং আল্লাহর ওয়াস্তে বন্ধুত্ব স্থাপন করার তাওফিক দান করেন। আমিন
সংগৃহীতঃ Jagonews24.com

Address

Campuchia
Siem Reap
12508

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islamic 24 Tv Bangla posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share