Milan Muslim Center - MMC

Milan Muslim Center - MMC Associazione culturale della comunità islamica di Milano
by
Milan Muslim Center

আসসালামু আলাইকুম,জুন মাসের নামাজের সময়সূচী।(শুধুমাত্র মিলান শহরের জন্য)
30/05/2026

আসসালামু আলাইকুম,জুন মাসের নামাজের সময়সূচী।(শুধুমাত্র মিলান শহরের জন্য)

আসসালামু আলাইকুম, Milan Muslim Center (MMC), Via Merano 18 এর পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদুল আযহার নামাজ Parco Martiri della Libe...
23/05/2026

আসসালামু আলাইকুম, Milan Muslim Center (MMC), Via Merano 18 এর পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদুল আযহার নামাজ Parco Martiri della Libertà / Turro মাঠে আয়োজন করা হয়েছে। ৩ টি জামায়াত অনুষ্ঠিত হবে।
• ১ম জামায়াত (1° Jam'aat): 07:30
• ২য় জামায়াত (2° Jam'aat): 08:00
• ৩য় জামায়াত (3° Jam'aat): 08:30
• নামাজের স্থান: Via Valtorta 59 নিকটস্থ।
• যাতায়াত: * M1 Turro নেমে পায়ে হেঁটে ১০-১৫ মিনিট।
◦ অথবা BUS 56 Fermata: Via Padova Via Mamiani নেমে পায়ে হেঁটে ৬-১০ মিনিট।

24/02/2026

ইদানিং অনেকেরই স্বর্দি কাশি (Influenza) শুরু হয়েছে। এই ক্ষেত্রে নাক বন্ধ থাকলে প্রচন্ড অস্বস্তি হয়।

নাকের স্প্রে বা ড্রপ্স ব্যবহারের ক্ষেত্রে খুব সতর্ক থাকতে হবে যেন কোনভাবেই গলা দিয়ে পেটে চলে না যায়, এতে রোজা ভেংগে যাবে। কিন্তু খুব সতর্কতার সাথে ব্যবহার করলে গলায় না গেলে সমস্যা হবে না ইনশা আল্লাহ।

চোখ এবং কানের ড্রপ্স ব্যবহারে সমস্যা নাই কেননা এর সাথে গলা ও পাকস্থলির কোন সরাসরি যোগাযোগ নাই ।

16/02/2026

জনৈক ভাই প্রশ্ন করলেন একেক মসজিদে সেহরির ইফতারের সময়ের পার্থক্য কেন?
এর প্রধান কারন অনৈক্য (বাস্তবতা স্বীকার করতে হবে)।
মুসলিম দেশগুলোতে সরকারী নির্দেশনা থাকে বিধায় এই সমস্যা হয় না।
দ্বিতীয় কারন সময়সূচী অনলাইন তথ্যের ভিত্তিতে নেওয়া হয়। যেমন সেহরির শেষ সময় বিভিন্ন মেথডে কয়েক মিনিটের হেরফের হয়।
১ম রমজানে ফজর শুরু বা সেহরির শেষ সময়
Muslim world league 18° Time 5.41
Umm Al Qura University 18.5° Time 5.38
Islamic Society of North America 15° Time 5.58
Islamic University Karachi 18° Time 5.41
দেখা যাচ্ছে ৩ থেকে ১৭ মিনিট পর্যন্ত হেরফের হচ্ছে।
মুসলিম জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের অধিকাংশই নিজেদের পর্যবেক্ষণের যে ফলাফল উল্লেখ করেছেন, তা হল- সূর্য দিগন্তের ১৮ ডিগ্রি নিচে থাকতেই সুবহে সাদিক উদিত হয়ে যায়। তাদের উল্লেখযোগ্য একটি অংশ সূর্য ১৯ ডিগ্রি নিচে থাকতেই সুবহে সাদিক উদিত হয় বলে পর্যবেক্ষণে বলেছেন।ইসলামী দুনিয়ার প্রাচীন ও ঐতিহাসিক মসজিদগুলোতে সাধারণত ১৮ ডিগ্রিতে সুবহে সাদিক ধরে আযান হয়ে আসছে। কোনো কোনো অঞ্চলে ১৯ ডিগ্রি হিসাবেও আযান হয়েছে।
মূল মাসআলাটি বোঝার সুবিধার্থে প্রথমে দুটি বিষয় জেনে নেওয়া ভালো। একটি হল, শরীয়তের দৃষ্টিতে সুবহে সাদিকের পরিচয়। দ্বিতীয়টি, এখানে ১৮º বা ১৫ ডিগ্রির কী অর্থ?
যখন এশার সময় শেষ হয় তখনই সাহরির সময় শেষ হয়ে যায় এবং এর পর থেকেই ফজরের সময় শুরু হয়। ফিকহের পরিভাষায় এই সময়টির নাম সুবহে সাদিক। এই সময়টির ব্যাপারেই আল্লাহ তাআলা কুরআন মাজীদে ইরশাদ করেন-
وَ كُلُوْا وَ اشْرَبُوْا حَتّٰی یَتَبَیَّنَ لَكُمُ الْخَیْطُ الْاَبْیَضُ مِنَ الْخَیْطِ الْاَسْوَدِ مِنَ الْفَجْرِ
আর তোমরা পানাহার কর যতক্ষণ না রাতের কাল রেখা থেকে ভোরের সাদা রেখা স্পষ্টরূপে তোমাদের নিকট প্রতিভাত হয়। -সূরা বাকারা (২) ১৮৭
এই আয়াতে ভোরের সাদা রেখার দ্বারা উদ্দেশ্য হল সুবহে সাদিকের আলো।
হাদীস শরীফে সুবহে সাদিকের পরিচয় এভাবে এসেছে- আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন-
لَا يَمْنَعَنّ أَحَدًا مِنْكُمْ أَذَانُ بِلَالٍ -أَوْ قَالَ نِدَاءُ بِلَالٍ- مِنْ سُحُورِهِ، فَإِنّهُ يُؤَذِّنُ -أَوْ قَالَ يُنَادِي- بِلَيْلٍ، لِيَرْجِعَ قَائِمَكُمْ وَيُوقِظَ نَائِمَكُمْ، وَقَالَ: لَيْسَ أَنْ يَقُولَ هَكَذَا وَهَكَذَا وَصَوّبَ يَدَهُ وَرَفَعَهَا، حَتّى يَقُولَ هَكَذَا وَفَرّجَ بَيْنَ إِصْبَعَيْهِ.
বিলালের আযান যেন তোমাদের কাউকে সাহরি থেকে বিরত না রাখে। কেননা সে তো আযান দেয়, যেন কিয়ামুল লাইলে যারা ছিল তারা বিশ্রামে যায় এবং ঘুমন্ত লোকেরা যেন জাগ্রত হয়। এরপর তিনি আঙ্গুলসমূহ মিলিত রেখে হাত উপরের দিকে উঠিয়ে বললেন, ফজরের সময় এরূপ (উপরের দিকে লম্বা) নয়। তারপর আঙ্গুলগুলো প্রশস্ত করে বললেন, যতক্ষণ না এরূপ (প্রশস্ত) হয়। -সহীহ মুসলিম, হাদীস ১০৯৩
আরেকটি বর্ণনায় এসেছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন-
لَا يَغُرّنّكُمْ مِنْ سُحُورِكُمْ أَذَانُ بِلَالٍ، وَلَا بَيَاضُ الْأُفُقِ الْمُسْتَطِيلُ هَكَذَا، حَتّى يَسْتَطِيرَ هَكَذَا وَحَكَاهُ حَمّادٌ بِيَدَيْهِ، قَالَ: يَعْنِي مُعْتَرِضًا.
বিলালের আযান এবং আকাশ প্রান্তের এ লম্বা শুভ্র আলো যেন তোমাদেরকে সাহরি খাওয়ার ব্যাপারে ধোকায় না ফেলে যতক্ষণ না এ শুভ্র আলো (পূর্ব দিগন্তে) এভাবে (অর্থাৎ উভয় দিকে) বিস্তৃত হয়। ... -সহীহ মুসলিম, হাদীস ১০৯৪
আরেক হাদীসে আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন,
لاَ يَمْنَعَنّكُمْ مِنْ سُحُورِكُمْ أَذَانُ بِلاَلٍ، وَلاَ الفَجْرُ الْمُسْتَطِيلُ، وَلَكِنِ الفَجْرُ الْمُسْتَطِيرُ فِي الأُفُقِ.
বিলালের আযান এবং দিগন্তের দৈর্ঘ্যে প্রকাশিত আলো (সুবহে কাযিব) তোমাদের যেন সাহরী থেকে বাধা না দেয়; বরং (সাহরী থেকে বাধাদানকারী হল) দিগন্তের উভয়দিকে বিস্তৃত ফজরের আলো (অর্থাৎ সুবহে সাদিক)। -জামে তিরমিযী, হাদীস ৭০৬
সহীহ বুখারীসহ প্রায় সব হাদীসের কিতাবেই এ ব্যাপারে বহু হাদীস বর্ণিত হয়েছে। এসব হাদীসে সুবহে সাদিক তথা ফজরের শুরু সময়ের যে পরিচয় বর্ণিত হয়েছে এর ব্যাখ্যা হল, রাতের শেষ দিকে পূর্ব দিগন্তে উভয় দিকে প্রশস্ত আকারে যে আলো প্রকাশ পায় তখন থেকে ফজরের ওয়াক্ত শুরু হয়। এই প্রশস্ত আলো দেখা যাওয়ার আগে দিগন্তে আরেকটি আলো প্রকাশ হয়, যা প্রশস্ত না হয়ে উপরের দিকে লম্বা থাকে। তখন ফজরের সময় শুরু হয় না। ফিকহের পরিভাষায় এটিকে সুবহে কাযিব বলা হয়।
যুগপরম্পরায় চলে আসা মুসলিম উম্মাহর আমল, মুসলিম জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের বক্তব্য ও পর্যবেক্ষণ, বিভিন্ন ফতোয়া বিভাগ ও মুফতী বোর্ডের সিদ্ধান্ত এবং বর্তমান যুগের অনেক দেশে বিজ্ঞ মুফতী ও উলামায়ে কেরামের চাক্ষুষ পর্যবেক্ষণ (observetion) দ্বারা এটি প্রমাণিত যে সুবহে সাদিক ১৮º বা তার কিছু আগেই হয়ে যায়।

আসসালামু আলাইকুম।আসন্ন পবিত্র মাহে রমজান ২০২৬-এর সেহরি ও ইফতার এবং ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৯ মার্চ পর্যন্ত নামাজের  সময়সূচী...
15/02/2026

আসসালামু আলাইকুম।
আসন্ন পবিত্র মাহে রমজান ২০২৬-এর সেহরি ও ইফতার এবং ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৯ মার্চ পর্যন্ত নামাজের সময়সূচী আপনাদের সাথে শেয়ার করছি। ইবাদতের এই মাসে সময়ের গুরুত্ব অপরিসীম।
​একটি বিষয় লক্ষ্যণীয় যে, বিভিন্ন মসজিদ এবং মোবাইল অ্যাপের সময়সূচীতে কয়েক মিনিটের পার্থক্য বা গড়মিল দেখা যায়। ইবাদতের বিশুদ্ধতার স্বার্থে সময়সূচীর ব্যাপারে আমাদের প্রত্যেকের ব্যক্তিগতভাবে সচেতন হওয়া জরুরি।
​আল্লাহ আমাদের সবার রোজা ও ইবাদত কবুল করুন। আমিন।

27/11/2025

মহান আল্লাহর প্রথম সৃষ্টি কী? আরশ, পানি নাকি কলম? এ বিষয়ে আলেমদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে ''ব্যাখ্যার ভিন্নতার'' কারনে। বিষয়টা আমাদের জন্য অতীব জরুরী কোন বিষয় নয়।

বাংলাদেশে জনৈক ব্যক্তি যে দাবি করেছে আল্লাহ তিন রকম কথা বলেছেন *নাউযুবিল্লাহ* তা পুরোপুরি মিথ্যা। মানুষ তিনরকম ব্যাখা করেছে।

কলম সর্বপ্রথম সৃষ্টি না কি আরশ সর্বপ্রথম সৃষ্টি এ ব্যাপারে আলেমগণ থেকে দু’টি কথা বর্ণিত হয়েছে। হাফেয আবুল আলা আল-হামাদানী এ মত দু’টি উল্লেখ করেছেন। এ মত দু’টির মধ্যে সর্বাধিক বিশুদ্ধ মত হচ্ছে কলমের পূর্বে আরশ সৃষ্টি করা হয়েছে।

ছহীহ বুখারীতে আব্দুল্লাহ বিন আমর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেন, রসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,

كتب الله مقادير الخلائق قبل أن يخلق السماوات والأرض بخمسين ألف سنة قال: وعرشه على الماء

‘‘আল্লাহ তা‘আলা আসমান-যমীন সৃষ্টির পঞ্চাশ হাজার বছর পূর্বে সমস্ত সৃষ্টির তাকদীর লিপিবদ্ধ করেছেন। তখন তার আরশ ছিল পানির উপর’’।[ছহীহ বুখারী, হা/৩১৯১।]

এখানে সুষ্পষ্টরূপে বর্ণনা করা হয়েছে যে, আরশ সৃষ্টির পর তাকদীর লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। আর কলম সৃষ্টি করার সময় তাকদীর লিখা হয়েছে। উবাদাহ বিন সামেত রাদ্বিয়াল্লাহুর হাদীছ দ্বারা এটি সাব্যস্ত।

নাবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বাণী: أَوَّلُ مَا خَلَقَ اللَّهُ الْقَلَمَ ‘‘আল্লাহ তা‘আলা সর্বপ্রথম কলম সৃষ্টি করেছেন...’’ পুরো হাদীছ মিলে বাক্য মাত্র একটি হতে পারে আবার দু’টিও হতে পারে। বাক্য যদি একটি হয়, তাহলে অর্থ হবে আল্লাহ তা‘আলা কলম সৃষ্টি করে তাকে প্রথম আদেশ দিলেন, লিখো।

এ হাদীছের শব্দ থেকে বুঝা যায়। নাবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,

أَوَّلَ مَا خَلَقَ اللَّهُ الْقَلَمَ فَقَالَ: لَهُ اكْتُبْ এখানে اولَ শব্দের লাম বর্ণের উপর যবর এবং القلم শব্দের মীম বর্ণের উপর যবর দিয়ে পড়া থেকে বুঝা যায় বাক্য মাত্র একটি। আর যদি বাক্য দু’টি হয়, তাহলে এখানে اولَ শব্দের লাম বর্ণের উপর পেশ এবং القلم শব্দের মীম বর্ণের উপরও পেশদিয়ে পড়তে হবে। এতে করে অর্থ হবে কলএ প্রথম সৃষ্টি । এতে করে উবাদাহ ইবনে সামেত এবং আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমার হাদীছের মধ্যে সমন্বয় করা সম্ভব হয়। কেননা আব্দুল্লাহ ইবনে আমরের হাদীছে সুস্পষ্টভাবেই উল্লেখ রয়েছে যে, তাকদীর সৃষ্টির আগেই আরশ ছিল। আর তাকদীর ও কলম একসাথেই সৃষ্টি করা হয়েছে। অন্য বর্ণনায় এসেছে,

«لما خلق الله القلم قال له: اكتب»

‘‘আল্লাহ তা‘আলা যখন কলম সৃষ্টি করলেন, তখন কলমকে বললেন, লিখো’’।[ত্ববারানী, মু‘আজুম কাবীর]

সুতরাং কলএ হলো প্রথম কলম, সর্বোত্তম কলম ও সর্বশ্রেষ্ঠ কলম। একাধিক মুফাস্সির বলেন, এটি হলো সেই কলম, যার মাধ্যমে আল্লাহ তা‘আলা সূরা কলমের শুরুতেই শপথ করেছেন। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

ن وَالْقَلَمِ وَمَا يَسْطُرُونَ

‘‘নূন, শপথ কলমের এবং লেখকরা যা লিখে চলেছে তার’’। (সূরা কালাম: ১-২)

দ্বিতীয় কলম হলো, অহী লিখার কলম। এর মাধ্যমে নাবী-রসূলদের প্রতি প্রেরিত আল্লাহর অহী লিখা হয়। এ কলমের ধারকরাই সৃষ্টিজগতের সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে। দুনিয়ার সমস্ত কলম তাদের কলমের সেবক।

মিরাজের রাতে নাবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে এত উপরে উঠানো হয়েছিল যে, তিনি কলম দিয়ে অহী লিখার আওয়াজ শুনতে পেয়েছিলেন। এ কলমগুলো দিয়েই আল্লাহ তা‘আলার ঐসব অহী লিখা হয়, যার মাধ্যমে তিনি সৃষ্টিজগতের সবকিছু পরিচালনা করেন। উর্ধ্বজগৎ ও নিমণণজগতের যাবতীয় বিষয়ের অহী এ কলমগুলো দিয়েই লিখা হয়।

কুরআনের ২১টি আয়াতে আরশের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। অনুরূপভাবে সহীহ হাদীসেও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরশের বিভিন্ন বর্ণনা দিয়েছেন। সে সমস্ত হাদীস মুতাওয়াতির পর্যায়ে পৌছেগেছে। মূলতঃ আরশ হলো আল্লাহর প্রথম সৃষ্টি। সেটা প্রকাণ্ড ও সর্ববৃহৎ সৃষ্টি।

আর তিনিই আসমানসমূহ ও যমীনকে ছয় দিনে সৃষ্টি করেন, আর তাঁর ‘আর্‌শ ছিল পানির উপর [১], তোমাদের মধ্যে কে আমলে শ্রেষ্ঠ [২] তা পরীক্ষা করার জন্য [৩]। আর আপনি যদি বলেন, ‘নিশ্চয় মৃত্যুর পর তোমাদেরকে উত্থিত করা হবে’, তবে কাফেররা অবশ্যই বলবে, ‘এ তো সুস্পষ্ট জাদু [৪]। সূরা হূদ ।

১. অধিকাংশ বিদ্বানের মতে আরশ প্রথম সৃষ্টি যা ছিল পানির উপর।
২. অনেকের মতে আগে পানির সৃষ্টি তারপর আরশের।
৩. দুনিয়ার সাথে সংশ্লিষ্ট প্রথম সৃষ্টি কলমের।

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে এ প্রশ্নের ব্যাপারে জানিয়েছেন যে, কোত্থেকে এ প্রশ্নের সূত্রপাত, কিভাবে এ প্রশ্নের সমাধান দিতে হবে:

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “মানুষ প্রশ্ন করতেই থাকবে, করতেই থাকবে। এক পর্যায়ে বলবে: এ সৃষ্টিগুলোকে তো আল্লাহ্‌ সৃষ্টি করেছেন। তাহলে আল্লাহ্‌কে কে সৃষ্টি করেছে? যে ব্যক্তি এমন কোন প্রশ্নের সম্মুখীন হবে সে যেন বলে, আমি আল্লাহ্‌র প্রতি ঈমান আনলাম।”

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও বলেন, “তোমাদের কারো কাছে শয়তান এসে বলে, কে আসমান সৃষ্টি করেছে? কে জমিন সৃষ্টি করেছে? সে যেন বলে: আল্লাহ্‌। এরপর পূর্বের হাদিসের ন্যায় (আল্লাহ্‌র প্রতি ঈমান আনলাম) উল্লেখ করেছেন। সে বর্ণনাতে, رسله (রাসূলগণ) কথাটি অতিরিক্ত আছে। (অর্থাৎ আমানতু বিল্লাহি ওয়া রাসূলিহি। অর্থ- আমি আল্লাহ্‌র প্রতি ও রাসূলগণের প্রতি ঈমান আনলাম)

রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন: “তোমাদের কারো কাছে শয়তান এসে বলে: এটা এটা কে সৃষ্টি করেছে? এক পর্যায়ে বলে: তোমার প্রতিপালককে কে সৃষ্টি করেছে? যদি কারো প্রশ্ন এ পর্যায়ে পৌঁছে যায় তখন সে যেন আল্লাহ্‌র কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করে এবং এ প্রসঙ্গ বাদ দেয়।”

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন: “বান্দার কাছে শয়তান এসে বলে: এটা এটা কে সৃষ্টি করেছে?....”[উল্লেখিত সবগুলো হাদিস ইমাম মুসলিম সংকলন (১৩৪) করেছেন]

17/11/2025

আবদুল্লাহ্‌ ইবন মাসলামা (রহঃ) ..... উছমান ইবন আফফান (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি সন্ধ্যায় এ দু’আ তিনবার পড়বে, সকাল পর্যন্ত তার উপর কোন আকস্মিক বিপদ আপতিত হবে না।

দু’আটি হলোঃ ’বিসমিল্লাহিল্লাহী লা-ইয়াদুররু মা’আ ইসমূহু শায়উন ফিল আরদে ওয়ালা ফিস সামায়ে ওয়া-হুয়াস সামিউল আলীম।’ অর্থাৎ আমি শুরু করছি সে আল্লাহ্‌র নাম নিয়ে, যার নাম নিলে যমীন ও আসমানের কিছুই কোন ক্ষতি করতে পারে না। তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞাতা।

بِسْمِ اللَّهِ الَّذِي لاَ يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَىْءٌ فِي الأَرْضِ وَلاَ فِي السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ

আর যে ব্যক্তি সকালে এ দু’আ তিনবার পাঠ করবে, সন্ধ্যা পর্যন্ত তার উপর কোন আকস্মিক বিপদ আপতিত হবে না। ঘটনাক্রমে এ হাদীছের বর্ণনাকারী আবান ইবন উছমানের দেহের একাংশ অবশ হয়ে যায়, তখন এক ব্যক্তি, যিনি তার থেকে এ হাদীছ শোনেন, তিনি সংশয়ের দৃষ্টিতে তার দিকে তাকান। তখন আবান (রাঃ) বলেনঃ তুমি আমার কি দেখছো, আল্লাহ্‌র শপথ! আমি তো উছমান (রাঃ)-এর উপর মিথ্যা অপবাদ দেন নাই এবং উছমান (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মিথ্যা অপবাদ দেন নাই। বরং ব্যাপার হলোঃ যেদিন আমার দেহের অর্ধাংশ অবশ হয়, সেদিন আমি রাগান্বিত থাকায় এ দু’আ পড়তে ভুলে যাই। (ফলে, আমার এ পরিণতি হয়েছে।)

সুনান আবু দাউদ ৫০০০ ইসলামিক ফাউন্ডেশন। সহিহ।

আসসালামু আলাইকুম,অক্টোবর মাসের নামাজের সময়সূচী।(শুধুমাত্র মিলান শহরের জন্য)
01/10/2025

আসসালামু আলাইকুম,অক্টোবর মাসের নামাজের সময়সূচী।(শুধুমাত্র মিলান শহরের জন্য)

আসসালামু আলাইকুম,সম্মানিত মিলানস্থ মুসলিম ভাই বোনদের আনন্দের সাথে জানানো যাচ্ছে যে, Milan Muslim Center (MMC) এ আগামী 15...
13/06/2025

আসসালামু আলাইকুম,
সম্মানিত মিলানস্থ মুসলিম ভাই বোনদের আনন্দের সাথে জানানো যাচ্ছে যে,
Milan Muslim Center (MMC) এ আগামী 15 Giugno Domenica বাদ জোহর (13:45)
পবিত্র ঈদ-উল-আযহা ২০২৫ পরবর্তী ঈদ পুনর্মিলনী ও দো’আ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।
উক্ত পুনর্মিলনী ও দো’আ অনুষ্ঠানে পরিবার ও বন্ধুবান্ধব সহ উপস্থিত থাকার জন্য আপনাদের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানানো যাচ্ছে।

EID al FITR 2025VENERDI 06 GIUGNO 2025প্রথম জামা’আত      06:00    1° Jamatদ্বিতীয় জামা’আত    07:00    2° Jamatতৃতীয় জামা...
31/05/2025

EID al FITR 2025
VENERDI 06 GIUGNO 2025

প্রথম জামা’আত 06:00 1° Jamat
দ্বিতীয় জামা’আত 07:00 2° Jamat
তৃতীয় জামা’আত 08:00 3° Jamat
চতুর্থ জামা’আত 09:00 4° Jamat
পঞ্চম জামা’আত 10:00 5° Jamat

Indirizzo

Via Guido Cavalcanti, 8
Milan
20127

Sito Web

Notifiche

Lasciando la tua email puoi essere il primo a sapere quando Milan Muslim Center - MMC pubblica notizie e promozioni. Il tuo indirizzo email non verrà utilizzato per nessun altro scopo e potrai annullare l'iscrizione in qualsiasi momento.

Condividi