04/12/2022
_*সংসারী লোকেরা আছে বলেই, উপার্জন করে সাধুদের দান করে বলেই সাধুরা উপার্জন না করেই বেশ আনন্দে আছেন, পরজীবী অপেক্ষা শ্রমজীবী ভালো!*_
_*আপনার কথাটা কতটা যুক্তিযুক্ত আসুন আলোচনা করা যাক! কুকুরও খায়, আর মানুষও খায়, কুকুরও ঘুমায়, মানুষও ঘুমায়, কুকুর মৃত্যুকে ভয় পায় তাই আত্মরক্ষা করার প্রয়াস করে, মানুষও তাই করে, কুকুর মৈথুন ক্রিয়াদির মাধ্যমে বাচ্চা জন্ম দেয়, সময় হলে মারা যায়, মানুষও একইভাবে বাচ্চা জন্ম দেয়, সময় হলে মারা যায়! তাহলে কুকুরের সঙ্গে মানুষের তেমন কোনও পার্থক্য নেই, সে একটু অনুন্নত প্রক্রিয়ায় সমস্ত কার্যসাধন করে, আর মানুষ একটু উন্নতভাবে কার্যসাধন করে, পরে উভয়েরই মৃত্যু হয়! কুকুরের যেমন খাবারের সংস্থান ভগবান করেন, তেমনি ভগবান মানুষের খাবারের সংস্থানও করেন, এমনকি এই অনন্ত কোটি বিশ্ব-ব্রহ্মাণ্ডের অনন্ত কোটি কোটি জীবের খাবারের সংস্থান ভগবান করেন। তাহলে মূল খাদ্য প্রদাতা আসলে কে? নিশ্চয়ই ভগবান!!! কোনও মন্ত্র উচ্চারণ দ্বারা নিশ্চয়ই খাবার তৈরী হয় না, কিন্তু যিনি সমস্ত খাদ্যের যোগান দেন, সেই ভগবান প্রসন্ন হলে কারও কখনোই খাদ্যের অভাব হবে না! কর্ম না করলে খাবারের আয়োজন করা সম্ভব নয় ঠিকই, কিন্তু কর্ম করেও যদি খাবার না মেলে তখন কি হবে??? আপনি জমিতে চাষ করেছেন, কিন্তু ভগবান অপ্রসন্ন হয়ে খরা, বন্যা দিয়ে সমস্ত ফসল নষ্ট করে দিল, পৃথিবীতে ফসল ফলল না, তখন আপনার কর্ম করাও বৃথা হবে! আপনি কোনও অফিসে চাকরি করেন, সারা মাস কাজ করার পর, আপনি মালিকের সঙ্গে কোনও বিষয়ে খারাপ ব্যবহারের ফলে মালিক আপনাকে কোনও মাইনে দিল না, আপনার সংসার চলবে কি করে?? তাহলে শুধু কর্ম করলেই ফল মেলে না, মালিক প্রসন্ন হলেই তবে ফল মেলে, এবং খাবারও মেলে, তাই সবার পূর্বে সবকিছুর মালিক সেই ভগবানকে প্রসন্ন করার জন্য শাস্ত্রীয় বিধি বা ভগবানের আইন মেনে তাঁর সেবা পূজার দ্বারা প্রসন্ন করতে হবে, কৃষ্ণ-প্রীত্যার্থে সংসার গড়তে হবে, তবেই তিনি প্রসন্ন হবেন, আর খাবার সহজলভ্য হবে! কিন্তু আত্ম ইন্দ্রিয়তৃপ্তি হেতু কর্ম করে গেলে শুধু দুঃখ আর দুঃখই মিলবে, গাধার মতো পরিশ্রম করতে করতে আর সংসার প্রতিপালন করতে করতে সুদুর্লভ মনুষ্য জন্মটাই বৃথা যাবে!! তাই ভগবানকে প্রসন্ন হেতু কর্ম করার জন্য ভগবানের সংসার গড়তে হবে, অনাচার পরিত্যাগ করে দিয়ে! সাধুগণ সেই ভগবানের প্রসন্নতা হেতু কর্ম করেন, পৃথিবীর মঙ্গলের জন্য, লক্ষ লক্ষ অধঃপতিত জীবের প্রকৃত মঙ্গলের জন্য সারা পৃথিবীতে সেই প্রকৃত মঙ্গলের উপায় কি তা সবাইকে জানাচ্ছেন, যারা তা বুঝেছেন, তাদের জীবন সার্থক হয়েছে, ইহলোকও সার্থক আবার নিত্য শাশ্বত জগতে প্রবেশের যোগ্যতা লাভ করছে! তাই সাধুদের সুখের উৎস 'ভগবানের প্রসন্নতা', পৃথিবীর বহু সাধু সংসারে থেকেই অর্থ উপার্জন করে ভগবানের নিত্য সেবা করে অত্যন্ত পরমানন্দে সংসার প্রতিপালন করেন, তবে কর্মকে বাদ দিয়ে নয়, ভগবানের প্রসন্নতাযুক্ত কর্মের দ্বারা! আবার যাঁরা সংসার ত্যাগ করে পৃথিবীর বৃহত্তর মঙ্গলের জন্য, ভগবানের প্রসন্নতাবিধান করেন ভাগবত কথামৃত প্রদানের দ্বারা তাঁরা অর্থ উপার্জনের জন্য প্রয়াস না করলেও ভগবানের ইচ্ছাতে অর্থ যেকোন উপায়েই এসে যায়, কারণ ভগবান বলেছেন---"অনন্যাশ্চিন্তয়ন্ত মাং যে জনা--বহাম্যহম্!" তুমি অনন্যচিত্তে আমার চিন্তা করো, আমার প্রসন্নতাবিধান হেতু কর্ম করো, আমি তোমার চিন্তা করব, আমি তোমার সমস্ত প্রয়োজনীয় বস্তু নিজে কাঁধে করে তোমার কাছে পৌঁছে দেব,(যদি তুমি একেবারেই পূর্ণরূপে সমর্পিত মনে আমার শরণাগত হও)*_
Shibu Singha
_*এইবার যদি বলেন, সংসারী মানুষেরা উপার্জন করে সাধুদের দান করে তাই সাধুরা আনন্দে বেঁচে আছেন, কিন্তু শাস্ত্র বলছে, পৃথিবীর প্রায় ৭৭৫ কোটি মানুষ বেঁচে আছে অল্পসংখ্যক কিছু কৃষ্ণভক্ত আছে বলেই, কারণ তাঁদের জন্যই ধরিত্রীদেবী ফসল ফলায়, যাঁরা ভগবানের প্রসন্নতাবিধানের জন্য কর্ম করেন, যাঁর ফসল তাঁকেই নিবেদন করেন! না হলে ধরিত্রীদেবী কখনোই ফসল ফলাতোই না,সমস্ত মানুষ হাহাকার করত! শ্রীমদ্ভাগবতে তার একটি প্রমাণ মহর্ষি ব্যাসদেব দিয়েছেন।*_
_*🌼🌼🌼এইবার প্রশ্ন হতে পারে অভক্তদের !তারা যদি বলে ওহে সাধু-তোমরা যে এত পবিত্রতা অবলম্বন করছো আর ভগবানের সেবা দিচ্ছো,তা আমাদের মতো নিচু জাতের অভক্ত যদি না ফসল ফলাতো তাহলে কি করে তোমাদের ভগবান খেত?????*_
_*🌼সাধুর উত্তরঃ-আচ্ছা বলুন তো আপনারা যে ফসল ফলানোর অহংকার করছেন তা কেমন করে ফলাতেন যদি ধরিত্রী মাতা বীজের উৎপাদন না করতো????*_
_*এইবার আসি ধরিত্রী মাতা কেন ফসল ফলায়?শ্রীমদ্ভাগবতের বর্ণনা অনুযায়ী পৃথু মহারাজের উপাখ্যানে দেখা যায়,পৃথু মহারাজ যখন রাজত্ব করতে শুরু করলেন তখন পৃথিবীতে কোনও ফসল ফলতো না।চারিদিকে হাহাকার,অনাহারে প্রজাগণ মৃত্যুমুখে পতিত হতে শুরু করে !তখন পৃথু মহারাজ তাঁর ভগবত্তা শক্তি প্রদর্শন করিয়ে ধরিত্রী মাতার দিকে তীর নিক্ষেপ করতে ধাবিত হন।ধরিত্রী মাতা তখন একটা গাভীর রূপ ধারণ করে ভীত হয়ে ছুটতে ছুটতে শুরু করেন!কিন্তু রাজা সর্বদাই গো অর্থাৎ গাভী ও ব্রাহ্মণকে রক্ষা করে থাকেন,হত্যা করতে পারেন না!তাই গাভীর দিকে ধাবিত হতে থাকেন।একসময় ছুটতে ছুটতে গাভী ক্লান্ত হয়ে পৃথু মহারাজের কাছে আত্মসমর্পণ করেন !যখন গাভীকে তীর নিক্ষেপ করতে উদ্যত হন তখন ধরিত্রী মাতা স্বরূপিনী গাভী বলেন,হে মহারাজ আমার দোষ কি?তখন মহারাজ বলেন,তোমার এত বড় স্পর্ধা যে আমার রাজ্যে তুমি ফসল ফলাও না!আমার সমস্ত প্রজা মৃত্যুমুখে পতিত!তুমি কেন এরকম করছো?*_
_*তখন ধরিত্রী মাতা বললেন,হে মহাত্মা রাজা যখন অধার্মিক হয় তখন সমস্ত প্রজাও অধার্মিক হয়ে যায়।আপনাকে যাঁর উরু মন্থন করে ব্রাহ্মণগণ সৃষ্টি করেছেন সেই বেণ রাজার রাজত্বকালে সমস্ত প্রজা বেণ রাজার মতো অধার্মিক হয়ে যায়!আর আমি শস্যপূর্ণ হয়ে ফসল ফলাই একমাত্র আমার প্রভূ গোবিন্দ ও তাঁর ভক্তদের সেবার জন্য!😭😭😭এখন যেহেতু রাজ্যে একজনও ভক্ত নেই আর প্রাণ গোবিন্দের সেবা দেওয়ার জন্য, তাই আমি কার জন্য ফসল ফলাবো???তাই আমি সমস্ত বীজ আমার গর্ভে লুকিয়ে নিয়েছি!*_
_*ধরিত্রী মাতার এই কথা শ্রবণ করে রাজা মর্মাহত হলেন আর ধরিত্রী মাতাকে কথা দিলেন যে আমার রাজ্যে সবাই আবার গোবিন্দ সেবায় নিয়োজিত হবেন!তাই ধরিত্রী মাতা পুণরায় সন্তুষ্ট হয়ে বললেন যে যা যা প্রয়োজনীয় বস্তু আমাকে দোহন করে একে একে গ্রহণ করে আমার প্রভূর নিত্য সেবায় নিয়োজিত করুন!আর রাজা তাই করলেন*_
_*তাহলে এখান থেকে পরিস্কার প্রমাণিত যে এই পৃথিবীতে গোবিন্দ সেবা দেওয়ার জন্য হাজার হাজার ভক্ত সাধু,গুরু,বৈষ্ণব আছেন বলেই ধরিত্রী মাতা ফসল ফলায় আর কোটি কোটি অভক্তের দুবেলা অন্ন জোটে!তাই যদি পৃথিবীতে কৃষ্ণ ভক্ত না থাকে তাঁদের আরাধ্য ভগবান শ্রীকৃষ্ণ কে প্রীতসাধন করার জন্য তাহলে এই পৃথিবী জীবশূণ্য মরুভূমিতে রূপান্তরিত হয়ে যাবে!*_
*•••••••┈┉━❀❈🙏🏻❈❀━┉┈•••••••* _*┉❀❈❀"জীবে দয়া পরম ধর্ম", জীবকে কেমনভাবে দয়া করা যায়? কোন্ দয়া সর্বশ্রেষ্ট?❈❀━┉*_
*•••••••┈┉━❀❈🙏🏻❈❀━┉┈•••••••*
_*❈❀━┉এই পৃথিবীতে মানুষ মায়াবদ্ধ হয়ে, ভগবানের সঙ্গে নিত্য সম্পর্কের কথা ভুলে গিয়ে মায়ার দাসত্ব করতে থাকে। ভগবানের স্মৃতি মানুষের মস্তিষ্ক থেকে যে বিলুপ্ত হয়ে যায় সে কথা স্বয়ং পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন--*_
_*"সর্বস্ব চাহং হৃদি সন্নিবিষ্টো মত্তঃ স্মৃতির্জ্ঞানমপোহনং চ।"*_
_*অর্থাৎ,"আমি সবার হৃদয়ে অবস্থিত এবং আমার থেকে সমস্ত জীবের স্মৃতি ও জ্ঞান উৎপন্ন হয়। আবার বিলুপ্ত হয়।"(গীতা-১৫/১৫)*_
_*❈❀━┉এই মায়াবদ্ধ জীবদের প্রকৃত দয়া কিভাবে করা সম্ভব? শাস্ত্রে বদ্ধ জীবেদের প্রতি তিন প্রকারে দয়া করা যেতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে--*_
_*(১)দেহ-সম্বন্ধীয় দয়া,*_
_*(২)মন-সম্বন্ধীয় দয়া,*_
_*(৩)আত্মা-সম্বন্ধীয় দয়া।*_
_*❈❀━┉(১)দেহ-সম্বন্ধীয় দয়াঃ- আমাদের এই স্থূল দেহ-সম্বন্ধীয় দয়া বলতে বোঝায়-ক্ষুধার্ত জীবকে খাদ্য দান, পীডিত জীবকে ঔষধ দান, তৃষ্ণার্ত জীবকে জল দান, শীত পীড়িত জীবকে আচ্ছাদন দান ইত্যাদি। যদিও আমাদের এই সমস্ত দান করা কর্তব্য তথাপিও এই দান সর্বশ্রেষ্ট নয়, কারণ এই সমস্ত দানে জীবের প্রকৃত কল্যাণ হয় না, ক্ষণস্থায়ী একটু সুখ প্রদান করা যায় মাত্র, চিরস্থায়ী সমাধান বা সুখ প্রদান করা যায় না। আবার এই দয়া দ্বারা কিছু পূণ্য লাভও করা যায়, তার ফলে ক্ষণস্থায়ী কিছু শুভ ফল অথবা স্বর্গলোকে কিছুকাল সুখে বাস হতে পারে, কিন্তু সেই সুখও অনিত্য। তাছাড়া পাপ ও পূণ্য দুটোই ভব-বন্ধনের কারণ, জন্ম-মৃত্যুর চক্রে আবদ্ধ থাকার মূল কারণ হল ঐ পাপ ও পূণ্য।*_
_*❈❀━┉(২)মন-সম্বন্ধীয় দানঃ- মন সম্বন্ধীয় দান বলতে বোঝায়, জড়-বিদ্যা যাকে বলা হয় অবিদ্যা দান করা, কোনও সংকটকালীন পরিস্থিতিতে কাউকে বুদ্ধি দান করা ইত্যাদি। কিন্তু এই দয়াও জীবের প্রকৃত কল্যাণ করতে পারে না। কারণ জড়-বিদ্যা, বুদ্ধি দান করলেও জীবকে এই জড় জগতের বন্ধনেই আবদ্ধ করে রাখে।*_
_*❈❀━┉আত্মা-সম্বন্ধীয় দয়াঃ-আত্মা-সম্বন্ধীয় দয়া বলতে জীবাত্মার প্রকৃত ও পরম মঙ্গলের উপায় প্রদর্শন করানো অর্থাৎ পরাবিদ্যা দান করা। বদ্ধ-জীবের অনন্তকালের সমস্ত দুঃখ-কষ্ট, ত্রিতাপ-জ্বালা, উৎকট মায়া, সংসার-আসক্তি, সমস্ত পাপ-পূণ্যের বন্ধন, সমস্ত কর্তব্য, সমস্ত ঋণ থেকে মুক্তির উপায় হল একমাত্র "কৃষ্ণ-স্মৃতি জাগরিত করিয়ে, কৃষ্ণভক্তি প্রদান করা। সুতরাং জড়বুদ্ধিসম্পন্ন জীবকে জড়বিদ্যার আবরণ থেকে মুক্ত করে পরাবিদ্যা অর্থাৎ কৃষ্ণভক্তির জ্ঞান প্রদান করে সংসারক্লেশ থেকে উদ্ধার করাই হল আত্মা-সম্বন্ধীয় দয়া। এই আত্মা-সম্বন্ধীয় দয়াই হল জীবাত্মার প্রতি মহান দয়া ও এটিই সর্বশ্রেষ্ট দয়া।*_
*•••••••┈┉━❀❈🙏🏻❈❀━┉┈•••••••*
_*❈❀━┉┈কর্মকাণ্ডীয় ব্যক্তিরা জীবের পরম মঙ্গল বা নিত্য মঙ্গল সম্বন্ধে ততদূরে অন্বেষন করেন না, তাই তারা দেহ-সমন্ধীয় দয়াকেই বড়ই শুভ বলে মনে করেন।*_
_*জ্ঞানকাণ্ডীয় ব্যক্তিরা মন-সম্বন্ধীয় অর্থায় জড়-বিদ্যা সম্বন্ধীয় দয়াকেই অধিক আদর করেন। কিন্তু জীবের প্রকৃত ও পরম মঙ্গলকারী শুদ্ধ কৃষ্ণভক্তগণ ভক্তির প্রচারের দ্বারা জীবের নিত্য মঙ্গল সাধনের জন্য অধিক যত্ন করেন। অনিত্য দুঃখময় জগৎ থেকে সচ্চিদানন্দময় পরম ধামে পৌঁছাবার সুযোগ করে দেওয়াই জীবের প্রতি সর্বশ্রেষ্ট দয়া।*_
_*❈❀━┉শ্রীমদ্ভাগবতে বলা হয়েছে--*_
_*তব কথামৃতমং তপ্তজীবনং*_
_*কবিভিরীড়িতং কল্মষাপহম্।*_
_*শ্রবণমঙ্গলম্ শ্রীমদাততং*_
_*ভুবি গৃণন্তি যে ভূরিদা জনাঃ(ভাঃ১০/৩১/৯)*_
_*হে প্রভু,বহু জন্মের বহু সুকৃতিকারী মানুষেরা জগতে এসে,তোমার প্রেমতপ্ত ব্যক্তিদের জীবনস্বরূপ,কবিদের সঙ্গীত,কলুশনাশী,শ্রবণমঙ্গল,সর্বতাপক্লিষ্ট,সর্ব-ব্যাপক তোমার কথামৃত সারা জগৎজুড়ে প্রচার করেন।তাঁরাই সর্বশ্রেষ্ঠ দাতা।*_
*•••••••┈┉━❀❈🙏🏻❈❀━┉┈•••••••*
_*ভব-সমুদ্র পারের উপায়*_
*•••••••┈┉━❀❈🙏🏻❈❀━┉┈•••••••*
_*ভব-সমুদ্র পারের একমাত্র উপায় হল-"কৃষ্ণকথা শ্রবণ।*_
_*শ্রীমদ্ভাগবতেই কৃষ্ণকথা শ্রবণ মাহাত্ম্য বলা হয়েছে--*_
_*পিবন্তি যে ভগবত আত্মনঃ সতাং*_
_*কথামৃতং শ্রবণপুটেষু সম্ভূতম্।*_
_*পুনন্তি তে বিষয়বিদূষিতাশয়ং*_
_*ব্রজন্তি তচ্চরণসরোরুহান্তিকম্॥*_
_*"যাঁরা ভক্তদের অত্যন্ত প্রিয় ভগবান শ্রীকৃষ্ণের কথামৃত শ্রবণপুটে পান করেন তাঁদের জড়বিষয়ভোগে দুষিত অন্তঃকরণ পবিত্র হয়ে যায় এবং ভগবানের শ্রীপাদপদ্মসমীপে 👣 তাঁরা গমণ করেণ।"*_
☀আরও বলা হয়েছেঃ--
_*শৃণ্বতঃ শ্রদ্ধয়া নিত্যং গৃণতশ্চ স্বচেষ্টিতম্।*_
_*কালেন নাতিদীর্ঘেন ভগবান বিশতে হৃদি॥*_
_*"যাঁরা নিয়মিতভাবে শ্রদ্ধা সহকারে কৃষ্ণকথা শ্রবণ করেন,তাঁদের হৃদয়ে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অচিরেই প্রকাশিত হন।"*_
_*🌼শ্রীল পরীক্ষিত মহারাজ শ্রীমদ্ভাগবত শ্রবণ করতে করতেই ভগবদ্ধামে উন্নীত হয়েছিলেন।কৃষ্ণকথা শ্রবণ করতে শ্রদ্ধা নেই বলেই তো ভবসংসারে জীব বদ্ধ হয়ে রয়েছে।অতএব হে ভক্তবৃন্দ আসুন আমরা সর্বদাই কৃষ্ণকথারূপ পবিত্র গঙ্গায় অবগাহন করে নিজেদের হৃদয়কে পবিত্র করে সময় কে সার্থক করে তুলি।*_
_*হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।*_
_*হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥*_
🌼⚜🌼⚜🌼⚜🌼⚜🌼⚜🌼
*•••••••┈┉━❀❈🙏🏻❈❀━┉┈•••••••*