Hindu Milan Tirtha

Hindu Milan Tirtha Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Hindu Milan Tirtha, Hindu temple, Fules war(Rajbanshi para)near-11fatak, Uluberia.

_*সংসারী লোকেরা আছে বলেই, উপার্জন করে সাধুদের দান করে বলেই সাধুরা উপার্জন না করেই বেশ আনন্দে আছেন, পরজীবী অপেক্ষা শ্রমজী...
04/12/2022

_*সংসারী লোকেরা আছে বলেই, উপার্জন করে সাধুদের দান করে বলেই সাধুরা উপার্জন না করেই বেশ আনন্দে আছেন, পরজীবী অপেক্ষা শ্রমজীবী ভালো!*_

_*আপনার কথাটা কতটা যুক্তিযুক্ত আসুন আলোচনা করা যাক! কুকুরও খায়, আর মানুষও খায়, কুকুরও ঘুমায়, মানুষও ঘুমায়, কুকুর মৃত্যুকে ভয় পায় তাই আত্মরক্ষা করার প্রয়াস করে, মানুষও তাই করে, কুকুর মৈথুন ক্রিয়াদির মাধ্যমে বাচ্চা জন্ম দেয়, সময় হলে মারা যায়, মানুষও একইভাবে বাচ্চা জন্ম দেয়, সময় হলে মারা যায়! তাহলে কুকুরের সঙ্গে মানুষের তেমন কোনও পার্থক্য নেই, সে একটু অনুন্নত প্রক্রিয়ায় সমস্ত কার্যসাধন করে, আর মানুষ একটু উন্নতভাবে কার্যসাধন করে, পরে উভয়েরই মৃত্যু হয়! কুকুরের যেমন খাবারের সংস্থান ভগবান করেন, তেমনি ভগবান মানুষের খাবারের সংস্থানও করেন, এমনকি এই অনন্ত কোটি বিশ্ব-ব্রহ্মাণ্ডের অনন্ত কোটি কোটি জীবের খাবারের সংস্থান ভগবান করেন। তাহলে মূল খাদ্য প্রদাতা আসলে কে? নিশ্চয়ই ভগবান!!! কোনও মন্ত্র উচ্চারণ দ্বারা নিশ্চয়ই খাবার তৈরী হয় না, কিন্তু যিনি সমস্ত খাদ্যের যোগান দেন, সেই ভগবান প্রসন্ন হলে কারও কখনোই খাদ্যের অভাব হবে না! কর্ম না করলে খাবারের আয়োজন করা সম্ভব নয় ঠিকই, কিন্তু কর্ম করেও যদি খাবার না মেলে তখন কি হবে??? আপনি জমিতে চাষ করেছেন, কিন্তু ভগবান অপ্রসন্ন হয়ে খরা, বন্যা দিয়ে সমস্ত ফসল নষ্ট করে দিল, পৃথিবীতে ফসল ফলল না, তখন আপনার কর্ম করাও বৃথা হবে! আপনি কোনও অফিসে চাকরি করেন, সারা মাস কাজ করার পর, আপনি মালিকের সঙ্গে কোনও বিষয়ে খারাপ ব্যবহারের ফলে মালিক আপনাকে কোনও মাইনে দিল না, আপনার সংসার চলবে কি করে?? তাহলে শুধু কর্ম করলেই ফল মেলে না, মালিক প্রসন্ন হলেই তবে ফল মেলে, এবং খাবারও মেলে, তাই সবার পূর্বে সবকিছুর মালিক সেই ভগবানকে প্রসন্ন করার জন্য শাস্ত্রীয় বিধি বা ভগবানের আইন মেনে তাঁর সেবা পূজার দ্বারা প্রসন্ন করতে হবে, কৃষ্ণ-প্রীত্যার্থে সংসার গড়তে হবে, তবেই তিনি প্রসন্ন হবেন, আর খাবার সহজলভ্য হবে! কিন্তু আত্ম ইন্দ্রিয়তৃপ্তি হেতু কর্ম করে গেলে শুধু দুঃখ আর দুঃখই মিলবে, গাধার মতো পরিশ্রম করতে করতে আর সংসার প্রতিপালন করতে করতে সুদুর্লভ মনুষ্য জন্মটাই বৃথা যাবে!! তাই ভগবানকে প্রসন্ন হেতু কর্ম করার জন্য ভগবানের সংসার গড়তে হবে, অনাচার পরিত্যাগ করে দিয়ে! সাধুগণ সেই ভগবানের প্রসন্নতা হেতু কর্ম করেন, পৃথিবীর মঙ্গলের জন্য, লক্ষ লক্ষ অধঃপতিত জীবের প্রকৃত মঙ্গলের জন্য সারা পৃথিবীতে সেই প্রকৃত মঙ্গলের উপায় কি তা সবাইকে জানাচ্ছেন, যারা তা বুঝেছেন, তাদের জীবন সার্থক হয়েছে, ইহলোকও সার্থক আবার নিত্য শাশ্বত জগতে প্রবেশের যোগ্যতা লাভ করছে! তাই সাধুদের সুখের উৎস 'ভগবানের প্রসন্নতা', পৃথিবীর বহু সাধু সংসারে থেকেই অর্থ উপার্জন করে ভগবানের নিত্য সেবা করে অত্যন্ত পরমানন্দে সংসার প্রতিপালন করেন, তবে কর্মকে বাদ দিয়ে নয়, ভগবানের প্রসন্নতাযুক্ত কর্মের দ্বারা! আবার যাঁরা সংসার ত্যাগ করে পৃথিবীর বৃহত্তর মঙ্গলের জন্য, ভগবানের প্রসন্নতাবিধান করেন ভাগবত কথামৃত প্রদানের দ্বারা তাঁরা অর্থ উপার্জনের জন্য প্রয়াস না করলেও ভগবানের ইচ্ছাতে অর্থ যেকোন উপায়েই এসে যায়, কারণ ভগবান বলেছেন---"অনন্যাশ্চিন্তয়ন্ত মাং যে জনা--বহাম্যহম্!" তুমি অনন্যচিত্তে আমার চিন্তা করো, আমার প্রসন্নতাবিধান হেতু কর্ম করো, আমি তোমার চিন্তা করব, আমি তোমার সমস্ত প্রয়োজনীয় বস্তু নিজে কাঁধে করে তোমার কাছে পৌঁছে দেব,(যদি তুমি একেবারেই পূর্ণরূপে সমর্পিত মনে আমার শরণাগত হও)*_

Shibu Singha
_*এইবার যদি বলেন, সংসারী মানুষেরা উপার্জন করে সাধুদের দান করে তাই সাধুরা আনন্দে বেঁচে আছেন, কিন্তু শাস্ত্র বলছে, পৃথিবীর প্রায় ৭৭৫ কোটি মানুষ বেঁচে আছে অল্পসংখ্যক কিছু কৃষ্ণভক্ত আছে বলেই, কারণ তাঁদের জন্যই ধরিত্রীদেবী ফসল ফলায়, যাঁরা ভগবানের প্রসন্নতাবিধানের জন্য কর্ম করেন, যাঁর ফসল তাঁকেই নিবেদন করেন! না হলে ধরিত্রীদেবী কখনোই ফসল ফলাতোই না,সমস্ত মানুষ হাহাকার করত! শ্রীমদ্ভাগবতে তার একটি প্রমাণ মহর্ষি ব্যাসদেব দিয়েছেন।*_

_*🌼🌼🌼এইবার প্রশ্ন হতে পারে অভক্তদের !তারা যদি বলে ওহে সাধু-তোমরা যে এত পবিত্রতা অবলম্বন করছো আর ভগবানের সেবা দিচ্ছো,তা আমাদের মতো নিচু জাতের অভক্ত যদি না ফসল ফলাতো তাহলে কি করে তোমাদের ভগবান খেত?????*_
_*🌼সাধুর উত্তরঃ-আচ্ছা বলুন তো আপনারা যে ফসল ফলানোর অহংকার করছেন তা কেমন করে ফলাতেন যদি ধরিত্রী মাতা বীজের উৎপাদন না করতো????*_
_*এইবার আসি ধরিত্রী মাতা কেন ফসল ফলায়?শ্রীমদ্ভাগবতের বর্ণনা অনুযায়ী পৃথু মহারাজের উপাখ্যানে দেখা যায়,পৃথু মহারাজ যখন রাজত্ব করতে শুরু করলেন তখন পৃথিবীতে কোনও ফসল ফলতো না।চারিদিকে হাহাকার,অনাহারে প্রজাগণ মৃত্যুমুখে পতিত হতে শুরু করে !তখন পৃথু মহারাজ তাঁর ভগবত্তা শক্তি প্রদর্শন করিয়ে ধরিত্রী মাতার দিকে তীর নিক্ষেপ করতে ধাবিত হন।ধরিত্রী মাতা তখন একটা গাভীর রূপ ধারণ করে ভীত হয়ে ছুটতে ছুটতে শুরু করেন!কিন্তু রাজা সর্বদাই গো অর্থাৎ গাভী ও ব্রাহ্মণকে রক্ষা করে থাকেন,হত্যা করতে পারেন না!তাই গাভীর দিকে ধাবিত হতে থাকেন।একসময় ছুটতে ছুটতে গাভী ক্লান্ত হয়ে পৃথু মহারাজের কাছে আত্মসমর্পণ করেন !যখন গাভীকে তীর নিক্ষেপ করতে উদ্যত হন তখন ধরিত্রী মাতা স্বরূপিনী গাভী বলেন,হে মহারাজ আমার দোষ কি?তখন মহারাজ বলেন,তোমার এত বড় স্পর্ধা যে আমার রাজ্যে তুমি ফসল ফলাও না!আমার সমস্ত প্রজা মৃত্যুমুখে পতিত!তুমি কেন এরকম করছো?*_
_*তখন ধরিত্রী মাতা বললেন,হে মহাত্মা রাজা যখন অধার্মিক হয় তখন সমস্ত প্রজাও অধার্মিক হয়ে যায়।আপনাকে যাঁর উরু মন্থন করে ব্রাহ্মণগণ সৃষ্টি করেছেন সেই বেণ রাজার রাজত্বকালে সমস্ত প্রজা বেণ রাজার মতো অধার্মিক হয়ে যায়!আর আমি শস্যপূর্ণ হয়ে ফসল ফলাই একমাত্র আমার প্রভূ গোবিন্দ ও তাঁর ভক্তদের সেবার জন্য!😭😭😭এখন যেহেতু রাজ্যে একজনও ভক্ত নেই আর প্রাণ গোবিন্দের সেবা দেওয়ার জন্য, তাই আমি কার জন্য ফসল ফলাবো???তাই আমি সমস্ত বীজ আমার গর্ভে লুকিয়ে নিয়েছি!*_
_*ধরিত্রী মাতার এই কথা শ্রবণ করে রাজা মর্মাহত হলেন আর ধরিত্রী মাতাকে কথা দিলেন যে আমার রাজ্যে সবাই আবার গোবিন্দ সেবায় নিয়োজিত হবেন!তাই ধরিত্রী মাতা পুণরায় সন্তুষ্ট হয়ে বললেন যে যা যা প্রয়োজনীয় বস্তু আমাকে দোহন করে একে একে গ্রহণ করে আমার প্রভূর নিত্য সেবায় নিয়োজিত করুন!আর রাজা তাই করলেন*_
_*তাহলে এখান থেকে পরিস্কার প্রমাণিত যে এই পৃথিবীতে গোবিন্দ সেবা দেওয়ার জন্য হাজার হাজার ভক্ত সাধু,গুরু,বৈষ্ণব আছেন বলেই ধরিত্রী মাতা ফসল ফলায় আর কোটি কোটি অভক্তের দুবেলা অন্ন জোটে!তাই যদি পৃথিবীতে কৃষ্ণ ভক্ত না থাকে তাঁদের আরাধ্য ভগবান শ্রীকৃষ্ণ কে প্রীতসাধন করার জন্য তাহলে এই পৃথিবী জীবশূণ্য মরুভূমিতে রূপান্তরিত হয়ে যাবে!*_

*•••••••┈┉━❀❈🙏🏻❈❀━┉┈•••••••* _*┉❀❈❀"জীবে দয়া পরম ধর্ম", জীবকে কেমনভাবে দয়া করা যায়? কোন্ দয়া সর্বশ্রেষ্ট?❈❀━┉*_
*•••••••┈┉━❀❈🙏🏻❈❀━┉┈•••••••*
_*❈❀━┉এই পৃথিবীতে মানুষ মায়াবদ্ধ হয়ে, ভগবানের সঙ্গে নিত্য সম্পর্কের কথা ভুলে গিয়ে মায়ার দাসত্ব করতে থাকে। ভগবানের স্মৃতি মানুষের মস্তিষ্ক থেকে যে বিলুপ্ত হয়ে যায় সে কথা স্বয়ং পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন--*_
_*"সর্বস্ব চাহং হৃদি সন্নিবিষ্টো মত্তঃ স্মৃতির্জ্ঞানমপোহনং চ।"*_
_*অর্থাৎ,"আমি সবার হৃদয়ে অবস্থিত এবং আমার থেকে সমস্ত জীবের স্মৃতি ও জ্ঞান উৎপন্ন হয়। আবার বিলুপ্ত হয়।"(গীতা-১৫/১৫)*_

_*❈❀━┉এই মায়াবদ্ধ জীবদের প্রকৃত দয়া কিভাবে করা সম্ভব? শাস্ত্রে বদ্ধ জীবেদের প্রতি তিন প্রকারে দয়া করা যেতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে--*_
_*(১)দেহ-সম্বন্ধীয় দয়া,*_
_*(২)মন-সম্বন্ধীয় দয়া,*_
_*(৩)আত্মা-সম্বন্ধীয় দয়া।*_

_*❈❀━┉(১)দেহ-সম্বন্ধীয় দয়াঃ- আমাদের এই স্থূল দেহ-সম্বন্ধীয় দয়া বলতে বোঝায়-ক্ষুধার্ত জীবকে খাদ্য দান, পীডিত জীবকে ঔষধ দান, তৃষ্ণার্ত জীবকে জল দান, শীত পীড়িত জীবকে আচ্ছাদন দান ইত্যাদি। যদিও আমাদের এই সমস্ত দান করা কর্তব্য তথাপিও এই দান সর্বশ্রেষ্ট নয়, কারণ এই সমস্ত দানে জীবের প্রকৃত কল্যাণ হয় না, ক্ষণস্থায়ী একটু সুখ প্রদান করা যায় মাত্র, চিরস্থায়ী সমাধান বা সুখ প্রদান করা যায় না। আবার এই দয়া দ্বারা কিছু পূণ্য লাভও করা যায়, তার ফলে ক্ষণস্থায়ী কিছু শুভ ফল অথবা স্বর্গলোকে কিছুকাল সুখে বাস হতে পারে, কিন্তু সেই সুখও অনিত্য। তাছাড়া পাপ ও পূণ্য দুটোই ভব-বন্ধনের কারণ, জন্ম-মৃত্যুর চক্রে আবদ্ধ থাকার মূল কারণ হল ঐ পাপ ও পূণ্য।*_

_*❈❀━┉(২)মন-সম্বন্ধীয় দানঃ- মন সম্বন্ধীয় দান বলতে বোঝায়, জড়-বিদ্যা যাকে বলা হয় অবিদ্যা দান করা, কোনও সংকটকালীন পরিস্থিতিতে কাউকে বুদ্ধি দান করা ইত্যাদি। কিন্তু এই দয়াও জীবের প্রকৃত কল্যাণ করতে পারে না। কারণ জড়-বিদ্যা, বুদ্ধি দান করলেও জীবকে এই জড় জগতের বন্ধনেই আবদ্ধ করে রাখে।*_

_*❈❀━┉আত্মা-সম্বন্ধীয় দয়াঃ-আত্মা-সম্বন্ধীয় দয়া বলতে জীবাত্মার প্রকৃত ও পরম মঙ্গলের উপায় প্রদর্শন করানো অর্থাৎ পরাবিদ্যা দান করা। বদ্ধ-জীবের অনন্তকালের সমস্ত দুঃখ-কষ্ট, ত্রিতাপ-জ্বালা, উৎকট মায়া, সংসার-আসক্তি, সমস্ত পাপ-পূণ্যের বন্ধন, সমস্ত কর্তব্য, সমস্ত ঋণ থেকে মুক্তির উপায় হল একমাত্র "কৃষ্ণ-স্মৃতি জাগরিত করিয়ে, কৃষ্ণভক্তি প্রদান করা। সুতরাং জড়বুদ্ধিসম্পন্ন জীবকে জড়বিদ্যার আবরণ থেকে মুক্ত করে পরাবিদ্যা অর্থাৎ কৃষ্ণভক্তির জ্ঞান প্রদান করে সংসারক্লেশ থেকে উদ্ধার করাই হল আত্মা-সম্বন্ধীয় দয়া। এই আত্মা-সম্বন্ধীয় দয়াই হল জীবাত্মার প্রতি মহান দয়া ও এটিই সর্বশ্রেষ্ট দয়া।*_
*•••••••┈┉━❀❈🙏🏻❈❀━┉┈•••••••*

_*❈❀━┉┈কর্মকাণ্ডীয় ব্যক্তিরা জীবের পরম মঙ্গল বা নিত্য মঙ্গল সম্বন্ধে ততদূরে অন্বেষন করেন না, তাই তারা দেহ-সমন্ধীয় দয়াকেই বড়ই শুভ বলে মনে করেন।*_
_*জ্ঞানকাণ্ডীয় ব্যক্তিরা মন-সম্বন্ধীয় অর্থায় জড়-বিদ্যা সম্বন্ধীয় দয়াকেই অধিক আদর করেন। কিন্তু জীবের প্রকৃত ও পরম মঙ্গলকারী শুদ্ধ কৃষ্ণভক্তগণ ভক্তির প্রচারের দ্বারা জীবের নিত্য মঙ্গল সাধনের জন্য অধিক যত্ন করেন। অনিত্য দুঃখময় জগৎ থেকে সচ্চিদানন্দময় পরম ধামে পৌঁছাবার সুযোগ করে দেওয়াই জীবের প্রতি সর্বশ্রেষ্ট দয়া।*_

_*❈❀━┉শ্রীমদ্ভাগবতে বলা হয়েছে--*_

_*তব কথামৃতমং তপ্তজীবনং*_
_*কবিভিরীড়িতং কল্মষাপহম্।*_
_*শ্রবণমঙ্গলম্ শ্রীমদাততং*_
_*ভুবি গৃণন্তি যে ভূরিদা জনাঃ(ভাঃ১০/৩১/৯)*_
_*হে প্রভু,বহু জন্মের বহু সুকৃতিকারী মানুষেরা জগতে এসে,তোমার প্রেমতপ্ত ব্যক্তিদের জীবনস্বরূপ,কবিদের সঙ্গীত,কলুশনাশী,শ্রবণমঙ্গল,সর্বতাপক্লিষ্ট,সর্ব-ব্যাপক তোমার কথামৃত সারা জগৎজুড়ে প্রচার করেন।তাঁরাই সর্বশ্রেষ্ঠ দাতা।*_
*•••••••┈┉━❀❈🙏🏻❈❀━┉┈•••••••*
_*ভব-সমুদ্র পারের উপায়*_
*•••••••┈┉━❀❈🙏🏻❈❀━┉┈•••••••*
_*ভব-সমুদ্র পারের একমাত্র উপায় হল-"কৃষ্ণকথা শ্রবণ।*_
_*শ্রীমদ্ভাগবতেই কৃষ্ণকথা শ্রবণ মাহাত্ম্য বলা হয়েছে--*_

_*পিবন্তি যে ভগবত আত্মনঃ সতাং*_
_*কথামৃতং শ্রবণপুটেষু সম্ভূতম্।*_
_*পুনন্তি তে বিষয়বিদূষিতাশয়ং*_
_*ব্রজন্তি তচ্চরণসরোরুহান্তিকম্॥*_

_*"যাঁরা ভক্তদের অত্যন্ত প্রিয় ভগবান শ্রীকৃষ্ণের কথামৃত শ্রবণপুটে পান করেন তাঁদের জড়বিষয়ভোগে দুষিত অন্তঃকরণ পবিত্র হয়ে যায় এবং ভগবানের শ্রীপাদপদ্মসমীপে 👣 তাঁরা গমণ করেণ।"*_

☀আরও বলা হয়েছেঃ--
_*শৃণ্বতঃ শ্রদ্ধয়া নিত্যং গৃণতশ্চ স্বচেষ্টিতম্।*_
_*কালেন নাতিদীর্ঘেন ভগবান বিশতে হৃদি॥*_

_*"যাঁরা নিয়মিতভাবে শ্রদ্ধা সহকারে কৃষ্ণকথা শ্রবণ করেন,তাঁদের হৃদয়ে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অচিরেই প্রকাশিত হন।"*_

_*🌼শ্রীল পরীক্ষিত মহারাজ শ্রীমদ্ভাগবত শ্রবণ করতে করতেই ভগবদ্ধামে উন্নীত হয়েছিলেন।কৃষ্ণকথা শ্রবণ করতে শ্রদ্ধা নেই বলেই তো ভবসংসারে জীব বদ্ধ হয়ে রয়েছে।অতএব হে ভক্তবৃন্দ আসুন আমরা সর্বদাই কৃষ্ণকথারূপ পবিত্র গঙ্গায় অবগাহন করে নিজেদের হৃদয়কে পবিত্র করে সময় কে সার্থক করে তুলি।*_

_*হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।*_
_*হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥*_
🌼⚜🌼⚜🌼⚜🌼⚜🌼⚜🌼
*•••••••┈┉━❀❈🙏🏻❈❀━┉┈•••••••*

19/07/2022

ইউরোপের একটি দেশ যেখানে এই দৃশ্য অহরহ দেখতে পাবেন ।

একটি রেস্তোরা। ঐ রেস্তোরার ক্যাশ কাউন্টারে এক ভদ্রমহিলা এলেন আর বললেন ৫ টা কফি আর একটা সাসপেনশন। তারপর উনি পাঁচটি কফির বিল মেটালেন আর চার কাপ কফি নিয়ে চলে গেলেন।
কিছুক্ষণ পরে এক ভদ্রলোক এলেন আর অর্ডার করলেন দুটো লাঞ্চ প্যাক করুন আর দুটো সাসপেনশন রাখুন। উনি চারটে লাঞ্চের বিল মেটালেন আর দুটো লাঞ্চ প্যাকেট নিয়ে চলে গেলেন।
তার কিছুক্ষণ পর আরো একজন এলেন। অর্ডার করলেন দশটা কফি ছটা সাসপেনশন। উনি দশটা কফির পেমেন্ট করলেন আর চারটে কফি নিয়ে গেলেন।
এভাবেই একের পর এক চলতে লাগলো। বেশ কিছুক্ষণ পরে একজন বৃদ্ধ ব্যক্তি জর্জর অবস্থায় কাউন্টারে গিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন কোনো সাসপেনশন কফি আছে ?
কাউন্টার থেকে জানানো হলো অবশ্যই আছে এবং এক কাপ গরম কফি ওনাকে দেওয়া হলো।
তারও অল্প কিছুক্ষণ পরে এক দাড়িওয়ালা ভদ্রলোক ভিতরে এসে জিজ্ঞাসা করলেন আজ কি কোনো লাঞ্চ সাসপেনশনে রাখা আছে ? কাউন্টার থেকে যথারীতি সম্মতি জানিয়ে তাকে গরম খাবারের একটি পার্সেল আর এক বোতল পানি দেওয়া হলো।
এই ব্যাপারটা সারাদিন চলছে তো চলছেই। কিছু মানুষ নিজেদের পকেট থেকে নিজেদের অর্জিত রোজগার থেকে কিছু অজানা মানুষের খাওয়ার জন্যে পেমেন্ট করছেন আর কিছু গরীব দুস্থ মানুষ বিনা পেমেন্টে নিশ্চিন্তে খাওয়া দাওয়া করছেন। দিনভর চলছে এই কান্ড।

অথচ কেউ জানেনা কারোরই পরিচয়। না দাতা জানে গ্রহীতার পরিচয় না গ্রহীতা জানে দাতার পরিচয়।

প্রয়োজন নেই পরিচয় জানার,
প্রয়োজন নেই নিজের নাম জাহির করার।
কিন্ত প্রয়োজন আছে কিছু অভুক্ত মানুষের মুখে অন্ন তুলে দেবার এবং সেটা একেবারেই গোপনে।

মানবিকতার এই চরম শিখরে পৌঁছনো দেশটির নাম "নরওয়ে", এবং নরওয়ের দেখাদেখি এই পরম্পরা ছড়িয়ে পড়ছে ইউরোপের অন্যান্য দেশেও!!

[Cp]

এক দৌড় প্রতিযোগিতায়। কেনিয়ার হয়ে দৌড়চ্ছিলেন আবেল মুতাই। খুব ভাল দৌড়চ্ছিল, সবাইকে পিছনে ফেলে প্রায় পৌঁছে গেছেন শেষ ল্যাপে...
14/07/2022

এক দৌড় প্রতিযোগিতায়।
কেনিয়ার হয়ে দৌড়চ্ছিলেন আবেল মুতাই। খুব ভাল দৌড়চ্ছিল, সবাইকে পিছনে ফেলে প্রায় পৌঁছে গেছেন শেষ ল্যাপে।

তার পেছন পেছনই ধেয়ে আসছেন স্প্যানিশ অ্যাথলেট ইভান ফার্নান্ডেজ।

শেষ সীমানার অল্প একটু আগে পৌঁছে বিভ্রান্ত হয়ে পড়লেন আবেল মুতাই, তিনি ফিনিশিং লাইন বুঝতে না পেরে ভাবলেন তিনি জিতে গেছেন আর দৌড়ের গতি কমিয়ে দিলেন...!!

তার পেছনে থাকা স্প্যানিশ অ্যাথলেট ইভান ফার্নান্ডেজ আন্দাজ করে ফেললেন আবেল মুতাইয়ের কনফিউশানের ব্যাপারটা, আর সাথে সাথেই স্প্যানিশ ভাষায় চিৎকার করে আবেলকে বলতে শুরু করলেন, দৌড় শেষ হয়নি, তুমি দৌড়তে থাকো...!! আবেল স্প্যানিশ ভাষা না বুঝে আরো বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে। ইভান বুঝতে পারে আর কোনো উপায় নেই... সে আবেলের কাছাকাছি এসে একরকম ধাক্কা মেরে ভিক্ট্রি লাইন পার করে জিতিয়ে দেয় আবেল মুতাই কে...!!

দৌড় শেষ হবার পর সাংবাদিকরা ঘিরে ধরে ইভানকে। প্রশ্ন একটাই, তুমি এইরকম কেন করলে..??

ইভান ফার্নান্ডেজ বললেন, আমি একটি একটা সামাজিক পৃথিবী চাই যেখানে আমরা সবাই সবাইকে সাহায্য করব। সাংবাদিকরা সন্তুষ্ট হয়না এই জবাবে, সে প্রশ্ন করে, কিন্তু তুমি না জিতে ওকে জিতিয়ে দিলে কেন..??
ইভান ফার্নান্ডেজ বললেন জয়টা আমার প্রাপ্য ছিলোনা, যে প্রাপ্য ছিলো আমি তাকে সাহায্য করেছি মাত্র। আর এমন জয় দিয়ে কি পাবো, একটা মেডেল...?
যেখানে নৈতিকতা থাকবে না...
আমার মা আমাকে সে শিক্ষা দেয় নি....।

কাহিনীটা পড়ে এক অন্যরকম অনূভুতি হলো আমার...

আমাদের পরিবার-সমাজ, আমাদের শিক্ষা-সংস্কৃতি শুধুমাত্র আমাদেরকে জিততেই শিখাচ্ছে কাউকে জিতাতে শিখায়নি কখনো । আমাদের শুধু জিতা প্রয়োজন, সফল হওয়া প্রয়োজন সেটা যেভাবেই হোক যে কোন মাধ্যমেই হোক।
কাউকে জিতানোর মধ্যেও জিতে যাওয়া থাকতে পারে কাউকে সাহায্য করার মধ্যেও সফলতা থাকতে পারে এগুলা কখনোই আমাদের শিক্ষায় আমাদের চিন্তায় নেই, কেনো নেই...!!
ভাবুন। ভাবা অনুশীলন করুন।

এক মুসলিম যুবক UP র একটি বাসে চড়ে বসল আর চালককে অনুরোধ করল বাসের মিউজিক সিস্টেমে বাজতে থাকা শ্যামা সঙ্গীতটি তৎক্ষণাৎ বন্...
13/07/2022

এক মুসলিম যুবক UP র একটি বাসে চড়ে বসল আর চালককে অনুরোধ করল বাসের মিউজিক সিস্টেমে বাজতে থাকা শ্যামা সঙ্গীতটি তৎক্ষণাৎ বন্ধ করে দেবার জন্য.....
বাস চালক এর কারন জিজ্ঞেস করলে, মুসলিম যুবকটি বলল.....
ইসলামের শিক্ষানুসারে সঙ্গীত শোনা হারাম! কেননা প্রিয় নবীর সময়ে কোনো সঙ্গীত ছিল না, আর বিশেষ করে এই ধরণের মাতৃ বন্দনার সঙ্গীত তো এক্কেবারেই নয়.....
বাস চালক বিনম্রতার সাথে মিউজিক সিস্টেম বন্ধ করে দিলেন, আর বাস থামিয়ে দরজা খুলে মুসলিম যুবকটিকে বাস থেকে রাস্তায় নেমে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করলেন.....
তখন মুসলিম যুবকটি এর কারন জিজ্ঞেস করলে, বাস চালকটি বিনম্রতার সাথে উত্তর দিলেন-----
"হে আমার মুসলিম ভাই, প্রিয় নবীর সময়ে কোন ট্যাক্সি ছিল না, কোন বাস ছিল না, কোন বোমা ছিল না, বিমান অপহরণ কারীরা ছিল না, মসজিদে আজান দেওয়ার জন্য লাউড স্পীকার ছিল না, কোন আত্মঘাতী হামলা ছিল না, কোন R-D-X ছিল না, A.K.-47 ছিল না,,,,
অতএব আপনি চুপচাপ নেমে যান আর গন্তব্য পর্যন্ত পৌঁছানোর জন্য উটের অপেক্ষা করুন....!"
⚽⚽⚽⚽⚽⚽⚽⚽⚽⚽⚽⚽⚽⚽⚽

*শিক্ষা*জাপানে পড়তে যাওয়া এক ছাত্রী একদিন ফোনে বলল, "বড়োই লজ্জায় আছি ।"- "কেন কী হয়েছে ?"- "ড্রইং ক্লাসে ড্রইং বক্স নিয়ে...
27/02/2022

*শিক্ষা*

জাপানে পড়তে যাওয়া এক ছাত্রী একদিন ফোনে বলল, "বড়োই লজ্জায় আছি ।"
- "কেন কী হয়েছে ?"
- "ড্রইং ক্লাসে ড্রইং বক্স নিয়ে যাইনি ।"
- "তো ?"
- "জাপানি স্যার একটা বড় শিক্ষা দিয়েছেন ।"
- "কী করেছেন ?"
- "আমার কাছে এসে ক্ষমা চেয়েছেন । বলেছেন, আজ যে ড্রইং বক্স নিয়ে আসতে হবে, তা স্মরণে রাখার মতো জোর দিয়ে তিনি আমাকে বুঝিয়ে বলতে পারেননি । তাই তিনি দুঃখিত ।"
- "হুম ।"
- "আমি তো আর কোনদিন ড্রইং বক্স নিতে ভুলবো না । আজ যদি তিনি আমাকে বকতেন বা অন্য কোন শাস্তি দিতেন, আমি হয়তো কোনও একটা মিথ্যা অজুহাত দিয়ে বাঁচার চেষ্টা করতাম ।"

জাপানি দল বিশ্বকাপে হেরে গেলেও জাপানি দর্শকরা গ্যালারি পরিষ্কার করে তবেই স্টেডিয়াম ত্যাগ করেন ।

এ আবার কেমন কথা ?
এটা কি কোনো পরাজয়ের ভাষা ! হেরেছিস যখন রেফারির গুষ্টি তুলে গালি দে । বলে দে পয়সা খেয়েছে । বিয়ারের ক্যান, কোকের ক্যান, চিনাবাদামের খোসা যা পাস ছুঁড়ে দে । দুই দিন হরতাল ডাক । অন্তত বুদ্ধিজীবীদের ভাষায় এটা তো বলতে পারিস যে, খেলোয়াড় নির্বাচন ঠিক হয়নি, এতে সরকার বা বিরোধী দলের হাত আছে ।

দ্বিতীয় মহাযুদ্ধে হেরে গিয়ে জাপানের সম্রাট হিরোহিতো আমেরিকার প্রতিনিধি ম্যাক আর্থারের কাছে গেলেন । প্রতীকী হিসাবে নিয়ে গেলেন এক ব্যাগ চাল । হারিকিরির ভঙ্গিতে হাঁটু গেড়ে মাথা পেতে দিয়ে বললেন, "আমার মাথা কেটে নিন আর এই চালটুকু গ্রহণ করুন । আমার প্রজাদের রক্ষা করুন । ওরা ভাত পছন্দ করে । ওদের যেন ভাতের অভাব না হয় ।"

আরে ব্যাটা, তুই যুদ্ধে হেরেছিস, তোর আত্মীয়স্বজন নিয়ে পালিয়ে যা । তোর দেশের চারিদিকেই তো জল । নৌপথে কিভাবে পালাতে হয় আমাদের ইতিহাস (লক্ষণ সেন) থেকে শিখে নে । কোরিয়া বা তাইওয়ান যা । ওখানকার 'মীর জাফর'-দের সাথে হাত মেলা । সেখান থেকে হুঙ্কার দে । সম্রাট হিরোহিতোর এই আচরণ আমেরিকানদের পছন্দ হল । দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের কুখ্যাত মহানায়কদের মধ্যে কেবলমাত্র হিরোহিতোকেই বিনা আঘাতে বাঁচিয়ে রাখা হলো ।

২০১১ সালের ১১ই মার্চ । সুনামির আগাম বার্তা শুনে এক ফিশারি কোম্পানির মালিক সাতো সান প্রথমেই বাঁচাতে গেলেন তার কর্মচারীদের । হাতে সময় আছে মাত্র ৩০ মিনিট । প্রায়োরিটি দিলেন বিদেশি (চাইনিজ)-দের । একে একে সব কর্মচারীদের অফিস থেকে বের করে পাশের উঁচু টিলায় নিজে পথ দেখিয়ে গিয়ে রেখে এলেন । সর্বশেষে গেলেন তার পরিবারের খোঁজ নিতে । ইতিমধ্যে সুনামি এসে হাজির । সাতো সানকে চোখের সামনে কোলে তুলে ভাসিয়ে নিয়ে গেল সুনামি । আজও খোঁজহীন হয়ে আছেন তার পরিবার (ইসস !!! সাতো সান যদি একবার আমাদের প্রমোটারের সাথে দেখা করার সুযোগ পেতেন) । সাতো সান অমর হলেন চায়নাতে । চাইনিজরা দেশে ফিরে গিয়ে শহরের চৌরাস্তায় ওনার প্রতিকৃতি বানিয়ে তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন ।

নয় বছরের এক ছেলে । স্কুলে ক্লাস করছিল । সুনামির আগমনের কথা শুনে স্কুল কর্তৃপক্ষকে জানালো এবং সব ছাত্রদের নিয়ে তিন তলায় জড়ো করলো । তিন তলার ব্যালকনি থেকে দেখলো তার বাবা স্কুলে আসছে গাড়ি নিয়ে । গাড়িকে ধাওয়া করে আসছে ফোসফোসে জলের সৈন্য দল । গাড়ির স্পিড জলের স্পিডের কাছে হার মেনে গেল । চোখের সামনে নেই হয়ে গেল বাবা । সৈকতের কাছেই ছিল তাদের বাড়ি । শুনলো, মা আর ছোট ভাই ভেসে গেছে আরো আগে । পরিবারের সবাইকে হারিয়ে ছেলেটি আশ্রয় শিবিরে উঠল । শিবিরের সবাই খিদে আর শীতে কাঁপছে । ভলান্টিয়াররা রুটি বিলি করছেন । আশ্রিতরা লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন । ছেলেটিও আছে ।

এক বিদেশী সাংবাদিক দেখলেন, যতখানি খাদ্য (রুটি) আছে তাতে লাইনের সবার হবে না । ছেলেটির কপালে জুটবে না । সাংবাদিক সাহেব তার কোট পকেটে রাখা নিজের ভাগের রুটি দুটো ছেলেটিকে দিলেন । ছেলেটি ধন্যবাদ জানিয়ে রুটি গ্রহণ করল, তারপর যেখান থেকে রুটি বিলি হচ্ছিল সেখানেই ফেরত দিয়ে আবার লাইনে এসে দাঁড়াল ।

সাংবাদিক সাহেব কৌতূহল চাপতে পারলেন না । ছেলেটিকে জিজ্ঞাস করলেন, "এ কাজ কেন করলে খোকা ?" খোকা উত্তর দিল, "বন্টন তো ওখান থেকে হচ্ছে । ওদের হাতে থাকলে, বন্টনে সমতা আসবে । তাছাড়া লাইনে আমার চেয়েও বেশি ক্ষুধার্ত লোকও তো থাকতে পারে ।"
সহানুভুতিশীল হতে গিয়ে বন্টনে অসমতা এনেছেন, এই ভেবে সাংবাদিক সাহেবের পাপবোধ হল । এই ছেলের কাছে কী বলে ক্ষমা চাইবেন ভাষা হারালেন তিনি ।

যাদের জাপান সম্পর্কে ধারণা আছে তারা সবাই জানেন, যদি ট্রেনে বা বাসে কোনো জিনিস হারিয়ে যায়, অনেকটা নিশ্চিন্তে থাকতে পারেন । ঐ জিনিস আপনি অক্ষত অবস্থায় ফেরত পাবেন ।

গভীর রাতে কোনো ট্রাফিক নেই, কিন্তু পথচারীরা ট্রাফিক বাতি সবুজ না হওয়া পর্যন্ত পথ পার হচ্ছেন না ।

ট্রেনে বাসে টিকিট ফাঁকি দেওয়ার হার প্রায় শূণ্যের কোঠায় ।

একবার ভুলে ঘরের দরজা লক না করে এক ভারতীয় দেশে গেলেন । মাস খানেক পর এসে দেখেন, যেমন ঘর রেখে গেছেন, ঠিক তেমনই আছে ।

*এই শিক্ষা জাপানিরা কোথায় পান ?*

সামাজিক শিক্ষা শুরু হয় কিন্ডারগার্টেন লেভেল থেকে ।

সর্বপ্রথম যে তিনটি শব্দ এদের শেখানো হয় তা হল -

*কননিচিওয়া* (হ্যালো)
- পরিচিত মানুষকে দেখা মাত্র 'হ্যালো' বলবে ।

*আরিগাতোউ* (ধন্যবাদ)
- সমাজে বাস করতে হলে একে অপরকে উপকার করবে । তুমি যদি বিন্দুমাত্র কারো দ্বারা উপকৃত হও তাহলে ধন্যবাদ দিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবে ।

*গোমেননাসাই* (দুঃখিত)
- মানুষ মাত্রই ভুল করে এবং সেই ভুলের জন্য ক্ষমা চাইবে ।

এগুলো যে স্কুলে শুধু মুখস্ত করে শেখানো হয় তা নয় । বাস্তবে শিক্ষকরা প্রোএক্টিভলি সুযোগ পেলেই এগুলো ব্যবহার করেন এবং করিয়ে ছাড়েন ।

সমাজে এই তিনটি শব্দের গুরুত্ব কত তা নিশ্চয়ই অনুধাবন করতে পারছেন । এই শিক্ষাটা এবং প্র্যাকটিসটি ওরা বাল্যকাল থেকে করতে শেখে ।

আমাদের রাজনীতিবিদরা তাদের বাল্যকালটা যদি কোনও রকমে জাপানের কিন্ডারগার্টেনে কাটিয়ে আসতে পারতেন তাহলে কী ভালোটাই না হতো ! কিন্ডারগার্টেন থেকেই স্বনির্ভরতার ট্রেনিং দেওয়া হয় ।

সমাজে মানুষ হিসাবে বসবাস করার জন্য যা যা দরকার অর্থাৎ নিজের বই-খাতা, পোষাক, খেলনা, বিছানা সব নিজে গোছানো । টয়লেট ব্যবহার করে নিজেই পরিষ্কার করা । খাবার খেয়ে নিজের খাবারের প্লেট নিজেই ও গোছানো ইত্যাদি ।

প্রাইমারী স্কুল থেকে এরা নিজেরা দল বেঁধে স্কুলে যায় । দল ঠিক করে দেন স্কুল কর্তৃপক্ষ । ট্রাফিক আইন, বাস-ট্রেনে চড়ার নিয়ম কানুন সবই শেখানো হয় ।

(আপনার গাড়ি আছে, বাচ্চাকে স্কুলে দিয়ে আসতেই পারেন, কিন্তু উল্টে আপনাকে লজ্জা পেয়ে আসতে হবে)

ক্লাস সেভেন থেকে সাইকেল চালিয়ে তারা স্কুলে যায় ।

ক্লাসে কে ধনী, কে গরীব, কে প্রথম, কে দ্বিতীয় এসব বৈষম্য যেন তৈরি না হয় তার জন্য যথেষ্ট সতর্ক থাকেন স্কুল কর্তৃপক্ষ ।

ক্লাসে রোল নং ১ মানে এই নয় যে একাডেমিক পারফরম্যান্স সবচেয়ে ভাল । রোল নং তৈরি হয় নামের বানানের আদ্যাক্ষরের ক্রমানুসারে ।

বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমস্ত আইটেমগুলো থাকে *গ্রুপ পারফরম্যান্স দেখার জন্য, ইন্ডিভিজুয়েল নয়* ।

সারা স্কুলের ছেলে মেয়েদের ভাগ করা হয় কয়েকটা গ্রুপে । সাদা দল, লাল দল, সবুজ দল ইত্যাদি । গ্রুপে কাজ করার ট্রেনিংটা ছাত্রছাত্রীরা পেয়ে যায় স্কুলের খেলাধুলা জাতীয় এ্যাক্টিভিটি থেকে ।

এই জন্যই হয়তো জাপানে একটি তথাকথিত 'লিডার' তৈরি হয় না কিন্তু এরা সবাই এক একজন বড় লিডার ।

(সংগৃহিত)

25/01/2022

মহাভারত পড়ার সময় না থাকলেও এর মূল সূত্রগুলি আমাদের জীবনে কার্যকরী।
১। যদি আপনি সময়মতো বাচ্চাদের ভুল দাবি ও জেদ নিয়ন্ত্রণ না করেন তবে শেষ পর্যন্ত আপনি অসহায় হয়ে যাবেন। :- কৌরব
২। আপনি যতই শক্তিশালী হোন না কেন, অধর্মের পথে থাকলে আপনার জ্ঞান, অস্ত্র, শক্তি এবং আশীর্বাদগুলি সমস্তই নিষ্ফল হয়ে যাবে। :- কর্ণ
৩। বাচ্চাদের এত উচ্চাভিলাষী করবেন না যে জ্ঞানের অপব্যবহার করে, নিজেকেই ধ্বংস করে এবং সকলের অমঙ্গল করে। :- অশ্বত্থমা
৪। কখনই কাউকে এমনপ্রতিশ্রুতি দেবেন না যাতে আপনাকে অন্যায়ের কাছে আত্মসমর্পণ করতে হয়। :- ভীষ্ম পিতামাহ
৫। সম্পত্তি, ক্ষমতা এবং অপকর্মের অপব্যবহারের ফলে আত্ম-ধ্বংস হয়। :- দুর্যোধন
৬। ব্যক্তির ক্ষমতা ও অন্ধ পুত্রস্নেহ - তাকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায়। :- ধৃতরাষ্ট্র
৭। যদি ব্যক্তি জ্ঞানের দ্বারা আবদ্ধ থাকে তবে বিজয় অবশ্যই পাওয়া যায়। :- অর্জুন
৮। আপনি প্রতিটি কাজে কৌশল, জালিয়াতি এবং ঠাট্টা তৈরি করে সর্বদা সফল হতে পারবেন না। :- শাকুনি
৯। আপনি যদি নীতি, ধর্ম এবং কর্ম সফলভাবে অনুসরণ করেন তবে বিশ্বের কোনও শক্তি আপনাকে পরাস্ত করতে পারে না। :- যুধিষ্ঠির

এই সূত্রগুলি থেকে শিক্ষা না নিলে আমাদের জীবনেও কুরুক্ষেত্র ঘটে যেতে পারে।
।।।জয় শ্রীকৃষ্ণের জয়।।।

06/01/2022

🌷🌷শিক্ষার শেষ নেইঃ

১. স্ত্রীর পাশে ১-মিনিট বসুন, বুঝতে পারবেন জীবন বড় কঠিন।
২. মাতালের কাছে ১০- মিনিট বসুন, বুঝতে পারবেন জীবন খুব সহজ।

৩. সাধুদের সাথে ৩-মিনিট বসুন, আপনার সবকিছু দান করে অবসর নিতে ইচ্ছে করবে।
৪. রাজনীতিবিদের সাথে ৪-মিনিট বসুন, বুঝবেন আপনার পড়াশুনা সব বেকার, অনর্থক।

৫. একজন জীবন বীমা এজেন্টের সাথে ৫-১০ মিনিট বসুন, বুঝবেন বেঁচে থাকার চেয়ে মরে যাওয়া অনেক ভালো।

৬. একজন ব্যবসায়ীর সাথে ৬-মিনিট বসুন, আপনি বুঝতে পারবেন আপনার উপার্জন কিছুই না।

৭. একজন বিজ্ঞানীর সাথে ৭-মিনিট বসুন, আপনি বুঝতে পারবেন আপনার মধ্যে খারাপটা আপনার অজ্ঞতার কারণে।

৮. একজন ভালো শিক্ষকের সাথে ৮-মিনিট বসুন, আপনি একজন ছাত্র হয়ে ফিরে আসতে চাইবেন।

৯. একজন কৃষক বা শ্রমিকের সাথে ৯-মিনিট বসুন, আপনি বুঝতে পারবেন আপনি কঠোর পরিশ্রম করেন না।

১০. একজন সৈনিকের সাথে ১০-মিনিট বসুন, আপনি বুঝতে পারবেন আপনার কাজ এবং ত্যাগ অত্যন্ত ঘৃণ্য।

১১. কবরস্থানে ১০/১১ মিনিটের জন্য যান মনে হবে জীবনের সবকিছু তুচ্ছ মায়া, হাল ছেড়ে দেই।

১২. একজন ইতিবাচক মনোভাব সম্পন্ন ভালো, উদার মনের প্রকৃত বন্ধুর সাথে ১০-মিনিট বসুন, মনে হবে আপনার জীবন স্বর্গের চেয়েও সুন্দর।

Collected 🔰

ভগবান শ্রী রামকে ২৫ বছর বয়সে বনবাসে যেতে হয়েছিল। ভগবান শ্রী রাম এই ১৪টি স্থানে ১৪ বছর বনবাস কাটিয়েছিলেন --(১) তমসা নদ...
17/12/2021

ভগবান শ্রী রামকে ২৫ বছর বয়সে বনবাসে যেতে হয়েছিল। ভগবান শ্রী রাম এই ১৪টি স্থানে ১৪ বছর বনবাস কাটিয়েছিলেন --

(১) তমসা নদীর তীর --
মাতা সীতা এবং লক্ষ্মণের সাথে সুমন্ত্রের রথে চড়ে ভগবান শ্রী রাম বনবাসের সময় প্রথম তমসা নদীর তীরে পৌঁছেছিলেন। এটি অযোধ্যা থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ভগবান শ্রী রাম এখানে একরাত্রি শয়ন করেছিলেন।

(২) শৃঙ্গবেরপুর --
এর পর ভগবান শ্রী রাম‌ তিনটি নদী পার হয়ে অয্যোধ্যার সীমান্ত পার হন। গঙ্গার শাখানদী গোমতী, বেদশ্রুতি ও সান্দিক্য নদী পার হয়ে প্রয়াগরাজ থেকে ২০ থেকে ২২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত শৃঙ্গবেরপুরে পৌঁছান। শৃঙ্গবেরপুর ছিল নিষাদরাজ বন্ধু গুহকের রাজ্য। গুহক অনুরোধ করেছিলেন এই নিষাদ রাজ্যেই চৌদ্দ বছর অবস্থান করতে। কারণ নিষাদেরা বনে জঙ্গলে থাকতো। সেখানে অবস্থান করলেও চৌদ্দ বছরের বনবাসের শর্ত পালন করা যেতো। কিন্তু নিষাদ রাজ্য অয্যোধ্যার কাছাকাছি হওয়ায় ভগবান শ্রী রাম এখানে একদিন ই অবস্থান করেছিলেন। সারথি সুমন্ত্র নিষাদ রাজ্য থেকে বিদায় নিলে নিষাদরাজ গুহক নিজে নৌকার মাঝি হয়ে শ্রী রাম, মা সীতা ও লক্ষ্মণ কে গঙ্গা পার করিয়ে দিয়েছিলেন। গঙ্গা পার হয়ে শ্রী রাম, লক্ষ্মণ এবং মা সীতা প্রয়াগে ঋষি ভরদ্বাজের আশ্রমে উপস্থিত হন। ঋষি ভরদ্বাজ তাঁদের চিত্রকূটে থাকার পরামর্শ দিয়েছিলেন।

(৩) চিত্রকূট --
সঙ্গম পেরিয়ে শ্রী রাম যমুনা নদী পার হয়ে চিত্রকূটে পৌঁছান। এই সেই জায়গা যেখানে ভরত তার গুরু এবং সেনাবাহিনী সহ বড় ভাই রামকে অযোধ্যায় ফিরিয়ে নিতে এসেছিলেন। এখানেই শ্রী রাম তাঁর পাদুকা ভরতকে দিয়েছিলেন এবং তিনি তা রেখেই রাজ্যের ভার গ্রহণ করেছিলেন।

(৪) ঋষি অত্রির আশ্রম --
চিত্রকূটের কাছে সাতনায় ঋষি অত্রির একটি আশ্রম ছিল। এখানেও শ্রী রাম কিছু সময় কাটিয়েছিলেন। এখানেই ঋষি অত্রির স্ত্রী অনুসূয়ার আশীর্বাদ থেকে ভাগীরথী গঙ্গার একটি পবিত্র স্রোত বের হয়েছিল। এই স্রোত মন্দাকিনী নামে বিখ্যাত। তাঁরা তাঁদের দণ্ডকারণ্যে থাকার পরামর্শ দিয়েছিলেন।

(৫) দণ্ডকারণ্য --
শ্রী রাম দণ্ডকারণ্যে দশ বছরের বনবাস কাটিয়েছিলেন। এটি ছিল সেই বনাঞ্চল যেটিকে শ্রী রাম তাঁর আশ্রয়স্থল বানিয়েছিলেন।

(৬) শাহদোল --
এরপর তিনি শাহদোল অর্থাৎ অমরকণ্টকে যান। এই স্থানে একটি জলপ্রপাত আছে। যে জলাশয়ে জলপ্রপাত পড়ে তার নাম সীতাকুন্ড। বশিষ্ঠ গুহাও এখানে অবস্থিত।

(৭) অগস্ত্য মুনির আশ্রম --
শ্রী রাম দণ্ডকারণ্য পঞ্চবটী অর্থাৎ নাসিকে পৌঁছানোর পর। সেখানে তিনি ঋষি অগস্ত্যের আশ্রমে কিছু সময় অতিবাহিত করেন। এই সময় ঋষি তাকে অগ্নিকুণ্ডে তৈরি অস্ত্র উপহার দেন। এই জায়গার সাথে জড়িয়ে আছে অনেক গল্প। এটা বিশ্বাস করা হয় যে পঞ্চবটী অর্থাৎ পাঁচটি গাছ (অশ্বত্থ, বট, আমলকী, বেল এবং অশোক) জানকী, রাম এবং লক্ষ্মণ নিজ হাতে রোপণ করেছিলেন। এই স্থানেই লক্ষ্মণ শূর্পণখার নাক কেটে দেন এবং রাম-লক্ষ্মণের সঙ্গে খর-দুষণের যুদ্ধ হয়।

(৮) সর্বতীর্থ --
নাসিক থেকে ৫৬ কিলোমিটার দূরে সর্বতীর্থ অবস্থিত। এই স্থানে রাবণ-জটায়ুর যুদ্ধ হয় এবং জটায়ুর মৃত্যু হয়। বনবাসের ১৩তম বছরে এই স্থানে সীতাকে অপহরণ করা হয়েছিল।

(৯) মাতা শবরীর আশ্রম --
সর্বতীর্থের পর সীতার সন্ধানে শ্রী রাম অনুজ লক্ষ্মণ সহ ঋষ্যমূক পর্বতে পৌঁছেন। এরপর তিনি মাতা শবরীর আশ্রমে যান যা বর্তমানে কেরালায় রয়েছে। এই আশ্রমটি পম্পা নদীর কাছে অবস্থিত।

(১০) ঋষ্যমুক পর্বত --
ঋষ্যমূক পর্বত ছিল বানরদের রাজধানী কিষ্কিন্ধার কাছে। এখানেই শ্রী রাম ও লক্ষ্মণ হনুমান ও সুগ্রীবের দেখা পেয়েছিলেন, যারা সীতার সন্ধানে গিয়েছিলেন।

(১১) রামেশ্বরম্ --
সীতার সন্ধানে, মর্যাদা পুরুষোত্তম লঙ্কায় আরোহণের আগে রামেশ্বরমে ভোলেনাথের পূজা করেছিলেন। এখানে তিনি শিবলিঙ্গ স্থাপন করেন।

(১২) ধানুশকোডি --
বাল্মীকি রামায়ণে উল্লেখ আছে যে ভগবান শ্রী রাম রামেশ্বরমের সামনে ধনুশকোডি নামক একটি স্থান আবিষ্কার করেছিলেন। এটি ছিল সমুদ্রের সেই বিন্দু যেখান থেকে সহজেই শ্রীলঙ্কায় পৌঁছানো যায়।

(১৩) নুয়ারা এলিয়া পর্বতশ্রেণী --
নুওয়ারা এলিয়া পাহাড় থেকে প্রায় ৯০ কিমি দূরে বান্দ্রভেলার পাশে রাবণের প্রাসাদ ছিল। এই স্থানটি মধ্য লঙ্কার উঁচু পাহাড়ের মাঝখানে ছিল।

(১৪) লঙ্কা --
ভগবান শ্রী রাম এবং লঙ্কাপতি রাবণের মধ্যে যুদ্ধ ১৩ দিন ধরে চলেছিল। এরপর রাবণ বধের মাধ্যমে রাম-রাবণের যুদ্ধ শেষ হয়।

লঙ্কা থেকে অযোধ্যায় ফিরবার পথে শ্রী রাম আবার রামেশ্বরমে পৌঁছান, এরপর নাসিক থেকে প্রয়াগে ঋষি ভরদ্বাজের আশ্রমে পৌঁছে অযোধ্যায় ফিরে আসেন।

এভাবে বনবাসের কালে উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়, মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক, তামিলনাড়ু, শ্রীলঙ্কা হয়ে আবার অযোধ্যায় ফিরে যান ।

।।।জয় শ্রীকৃষ্ণের জয়।।।


(সংগৃহীত)

কোন এক রাজ দরবারে একদিন এক জেলে একটি বড়সড় মাছ নিয়ে গেলো ।রাজামশাই মাছটি দেখে খুব খুশি হলেন কারণ মাছ তাঁর খুব প্রিয় খ...
26/11/2021

কোন এক রাজ দরবারে একদিন এক জেলে
একটি বড়সড় মাছ নিয়ে গেলো ।
রাজামশাই মাছটি দেখে খুব খুশি হলেন কারণ মাছ তাঁর খুব প্রিয় খাবার ছিলো ।
এজন্য রাজামশাই খুশি হয়ে জেলেকে ৫০০/-টাকা দিয়ে দিলেন ।
:
এদিকে পাশেই বসে থাকা রাণী
ফিসফিস করে রাজাকে বললেন,
এই সামান্য টাকার মাছটার দাম তুমি ৫০০/-টাকা দিয়ে দিলে....?
বড়জোর খুশি হয়ে তাকে ৮০/- থেকে ১০০/- টাকা দিতে পারতে ।
মাছ ফেরত নিয়ে টাকা দিতে বলো...!!
*
রাজামশাই বললেন, একি বলো রাণী !
রাজারা যা বলে তা নড়চড় করা অসম্ভব তাছাড়া এটাতো রাজাদের
ইজ্জতের ব্যাপার ।
:
রাণী বললেন,
আমি এমন একটা বুদ্ধি দিচ্ছি যা প্রয়োগ করলে তোমার সন্মানের কোনো হানি হবে না । জেলে মাছ নিয়ে টাকাও ফেরত দিবে।
:
রাজামশাই বললেন কি বুদ্ধি ?
*
রাণী বললেনঃ
জেলেকে ডেকে বলবে,
তোমার মাছটা কি পুরুষ না স্ত্রী ?
যদি জেলে বলে মাছ পুরুষ তাহলে তুমি বলবে আমার স্ত্রী মাছ লাগবে আর যদি জেলে বলে মাছ স্ত্রী তাহলে তুমি বলবে আমার পুরুষ মাছ লাগবে!
অতএব,
জেলে তখন মাছ ফেরত নিতে বাধ্য হবে!
*
রাজা রাণীর বুদ্ধিতে খুশি হয়ে জেলেকে ডেকে জিজ্ঞাসা করলেন,
তোমার মাছটা কোন জাতের ?
পুরুষ না স্ত্রী ?
জেলে থতমত হয়ে একটু ভেবে চিন্তে বললো,
যাঁহাপনা আমার মাছটা পুরুষও না
স্ত্রীও না ! আমার মাছটা হলো হিজড়া!
এবার রাজদরবারে হাসির রোল পড়ে গেলো, রাণীও শাড়ির আঁচল দিয়ে মুখ ঢেকে হাসলেন!
*
রাজা জেলের বিচক্ষণতা দেখে খুশি হয়ে আরও ৫০০/- টাকা দিয়ে দিলেন ।
জেলে খুশি হয়ে মোট ১০০০/- টাকার পোটলায় নিয়ে বের হয়ে যাচ্ছে । রাজমহলের মেইন গেইটের সামনে
যেতেই পোটলা থেকে পাঁচটি টাকা
মাটিতে পড়ে গেলো ।
জেলে তা তুলে চুমু খাচ্ছে কপালে লাগাচ্ছে এদিকে রাণী তা দেখে রাগে
ফোঁস ফোঁস করছে ।
*
যাঁহাপনা, এই জেলে এত লোভী কেন ? ১০০০/- টাকা থেকে মাত্র পাঁচটি টাকা পড়ে গেছে জেলের তা সহ্য হচ্ছেনা । যাঁহাপনা ! আপনি তাঁকে শাস্তি দেন ।
রাজাও ভাবলেন,
:
ঠিকই তো মাত্র ৫/- টাকা পড়ে গেছে,
গেট দিয়ে কতো গরিব মানুষ আসা যাওয়া করে তারা না হয় কুঁড়িয়ে নিতো ।
*
রাজামশাই জেলেকে ডেকে বললেনঃ
এই লোভী জেলে ?
তোমার এতো লোভ কেন ?
এতো টাকা দিয়েছি তোমায়, মাত্র ৫/- টাকার লোভ সামলাতে পারলে না ?
তা তুলে চুমু খাচ্ছো ?
তোমাকে কঠিন শাস্তি দেয়া হবে ।
:
জেলে বললঃ যাঁহাপনা !
আমি কিন্তু লোভের কারণে
ঐ টাকাটা তুলে চুমু খাইনি ।
টাকার গায়ে আমার রাজামশাই ও রাণী মা'র নাম লেখা আছে, তাই ভাবলাম, টাকাটা মাটিতে পড়ে থাকলে হয়তো অন্য কোনো মানুষ পা দিয়ে পিষবে আর আমার রাজা ও রাণী মা'র ইজ্জতের হানি হবে । তাই আমি টাকাটা তুলে চুমু খেলাম এবং কপালে ঠেকিয়ে সালাম করলাম ।
*
এবার রাজামশাই আরও খুশি হয়ে জেলেকে আরও ৫০০/- টাকা দিলেন । সর্বমোট ১৫০০ /- টাকা দিয়ে
জেলে বিদায় করলেন ।
আর রাজ ঘোষককে বললেন,
তুমি সমগ্র রাজ্যে ঘোষণা করে দাও
কেউ যেন বউয়ের বুদ্ধিতে না চলে ।
আর এটাও বলে দাও বউয়ের বুদ্ধিতে চললে 500/- টাকার জায়গায় ১৫০০/- টাকা লোকসান হয়...!
(সংগ্রহীত)

(  মৃত্যুর অর্থ কী,,,,,,,?  )অধিকাংশ লোকের কাছেই মৃত্যু এক ভয়ঙ্কর বিষয়,,, ।।শ্রীমদ্ভাগবদ্গীতায় শ্রীকৃষ্ণ ব্যাখ্যা করেছেন...
12/11/2021

( মৃত্যুর অর্থ কী,,,,,,,? )

অধিকাংশ লোকের কাছেই মৃত্যু এক ভয়ঙ্কর বিষয়,,, ।।
শ্রীমদ্ভাগবদ্গীতায় শ্রীকৃষ্ণ ব্যাখ্যা করেছেন,,,,মৃত্যুকে আমাদের নিত্যসঙ্গি বলেই মনে হয়। গীতা অনুসারে,,,, আমাদের জীবনে আমরা প্রতিনিয়তই মারা যাচ্ছি । কারণ,, মৃত্যু বলতে শরীর পরিবর্তনকে বোঝায় এবং এই শরীর পরিবর্তন আমাদের জীবনে আমুল পরিবর্তন আনে।।
যেমন ধরুন,, ছয় মাস বয়সে যাকে দেখেছেন তাকে যদি পাঁচ বছর বয়সে দেখেন,, তাহলে খুব সম্ভব তাকে আপনি চিনতে পারবেন না। ছয় মাস বয়সে আপনি যে শরীর দেখেছেন,, তা সম্পুর্ণরুপে পরিবর্তিত হয়েছে,,, এমনকি দেহকোষগুলোও পরিবর্তিত হয়েছে। এভাবে শিশুকাল থেকে বৃদ্ধকাল পর্যন্ত প্রতিটি শরীরই নিরন্তর পরিবর্তিত হচ্ছে। ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন,, শরীরের এই পরিবর্তনকে মৃত্যু বলে জানবে। ঠিক যেমন কেউ শৈশব থেকে যৌবন,, যৌবন থেকে বার্ধক্য এবং একই ভাবে মৃত্যুর সময় এক দেহ ত্যাগ করে অন্য দেহ গ্রহণ করে।।
যেমন,,, কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধে পরিবারের অনেক সদস্য নিহত হবেন ভেবে অর্জুন এতোই বিমর্ষ হয়ে পড়েন যে,, তিনি যুদ্ধ করার ইচ্ছাই হারিয়ে ফেলেন। তাই তিনি বলেন ,, ''এমন কি আমি যদি ত্রিভুবনও লাভ করি,, তবু তাদের হত্যা করে আমি সুখী হব না। অর্জুনের মতো প্রত্যেক জীবই মৃত্যু নিয়ে চিন্তিত। পরিবারের সদস্যদের আসন্ন মৃত্যু নিয়ে চিন্তিত অর্জুনকে মুক্ত করার জন্য ভগবান শ্রীকৃষ্ণ তাকে মৃত্যু সম্পর্কে বিস্তারিত বলেছেন। মৃত্যু বলতে আসলে কী বোঝায়,,? কিছু মানুষ মনে করে মৃত্যু মানে সবকিছু শেষ হওয়া। জড় দৃষ্টিকোণ থেকে এ জীবন এবং এ দেহ শেষ হওয়াকেই মৃত্যু বলে,, কিন্তু নিত্য আত্মার মৃত্যু হয় না ।।
।।।জয় শ্রীকৃষ্ণের জয়।।।
🙏🙏🙏💐💐💐🌷🌷🌷।।

Save Hindus Of Bangladesh             🔥🔥🔥🔥🔥
02/11/2021

Save Hindus Of Bangladesh
🔥🔥🔥🔥🔥

believe - We all should learn to safeguard ourselves. We all should respect each other.we request World Lea...

Address

Fules War(Rajbanshi Para)near-11fatak
Uluberia

Telephone

+919830968822

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hindu Milan Tirtha posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category