13/07/2024
আমাদের Trivandrum Kerala ব্রাঞ্চ এর জন্য একজন রাঁধুনি ও একজন সহায়ক প্রয়োজন।
থাকা খাওয়া সাবান তেল জামা কাপড় ছাড়াও মাসে ১২০০০ ( রাঁধুনি) ও ১০০০০ ( সহায়ক) টাকা করে সাম্মানিক দেওয়া হবে। সুস্থ সবল আগ্রহী লোকেরা দয়াকরে যোগাযোগ করুন। তবে নিম্ন লিখিত শর্ত গুলি পালন করতে হবে।
১. Trivandrum পশ্চিম বঙ্গ থেকে অনেক দূর, ট্রেন এর কনফার্ম টিকিট কমপক্ষে তিন মাসের আগে বুক করতে হয়, অতএব ইচ্ছে করলেই বাড়ি থেকে ঘুরে আসি বলা যায় না। বৎসরে একবার
বাড়ি আসা যাওয়ার ট্রেন এর স্লিপার ক্লাস এর টিকিট ও অন্যান্য খরচ আশ্রম থেকেই দেওয়া হবে
২. আশ্রম এ বিড়ি, পান, গুঠখা, পান পরাগ, সুপারি এসব খাওয়া চলবে না। ধরা পড়লে তখুনি বিদায় করা হবে।
৩. যাদের মদ খাওয়ার নেশা আছে তারা কোনো ভাবেই আসবেন না
৪. কাজের সময় ফোন এর ব্যবহার নিষিদ্ধ। আগের যতগুলি কাজের ছেলে ছিল, তাদের সারাদিন ফোন ব্যবহারের কারণেই বিদায় করা হয়েছে এবং এই বিজ্ঞাপন দিতে হচ্ছে।
৫. আশ্রম এ তিন বার নিরামিষ আহার। সাধারনত প্রতিদিন ১০/১২ জনের খাবার বানাতে হয়, তবে বৎসরে ছয় মাস রাত্রি বেলা ৩০/৩৫ জনের খাবার বানাতে হয়
৬. খাবারে তেল ও মশলার ব্যবহার সীমিত করে করতে হয়। লঙ্কা গুড়ো আমাদের এখানে চলে না। লুকিয়ে তা দিয়ে রান্না করার জন্য এখনও অব্দি তিন জন রাঁধুনি কে বিদায় দেওয়া হয়েছে। আপনার চতুর্থ হওয়ার শখ থাকলে আসার দরকার নেই
৭. যাত্রী দের সাথে অযথা গল্পঃ করা বা তাদের সাথে ফোন নম্বর দেওয়া নেওয়া সম্পূর্ণ রূপ নিষিদ্ধ।
৮. সন্ধ্যে ৭ টার মধ্যে রান্না শেষ করে, মন্দিরের পোশাক পরে ৭.৩০ তার আগে পুজোর জন্য মন্দিরে যাওয়া কাজের ই আবশ্যিক অংশ। রান্না হয়নি বাহানাতে মন্দিরে না গেলে বেতন থেকে প্রতিদিন ১০০ টাকা করে কাটা যাবে। দৈনিক ৪০০ টাকা বেতনের ৩০০ টাকা রান্নার জন্য ১০০ টাকা পুজোর ঘরে কাজের জন্য
৯. পুজোর সময় ঢাক বাজানোর ( আমাদের আশ্রমের আরতির ছন্দে) জন্য অতিরিক্ত ৫০ টাকা হিসেবে পাবে
১০. রান্না করা ছাড়াও যাত্রী দের খাবার পরিবেশন এর কাজ ও করতে হবে। কাজের মাসি কোনো দিন ছুটি নিলে বাসন ও মাজতে হবে।
১১। আশ্রম এ পোশাক ব্যবহার চাল চলন মুখের ভাষা সমস্ত কিছু আশ্রম সুলভ হতে হবে। অন্যথায় ট্রেন এর জেনারেল কোচ এ বাড়ি যাওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।
১২. সহায়ক কে বিকেল এ রাঁধুনি কে সাহায্য ও সকালে আশ্রম এর যাত্রী নিবাসে পরিস্কার এর কাজ করতে হবে
১৩. ঘর পরিষ্কার করতে গিয়ে যাত্রী দের ভুলে যাওয়া কোনো জিনিষ পাওয়া গেলে সাথে সাথে আশ্রম ম্যানেজার কে জানাতে হবে এবং অফিস এ জমা করতে হবে। যাদের হাত টান এর অভ্যেস আছে তারা আসবেন না কারণ কেরালা তে চুরি বা চোর নেই, ধরা পড়লে কপালে বিশেষ দুর্গতি হবে।
১৪. ১৪ বৎসরে নিচে কেও আসবে না বা পাঠাবেন না, এখানে শিশু শ্রমিক আইন অত্যন্ত কঠিন ভাবে পালন করা হয় এবং স্থানীয় লোকেরাও কোনো শিশু শ্রমিক এর ব্যবহার করা হচ্ছে দেখলে তার চরম বিরোধিতা করে।
ওপরের সমস্ত নিয়ম ও শর্ত গুলি ভালো ভাবে পড়ার পর যারা উৎসাহী ও পারগ তারা যোগাযোগ করুন। যত দ্রুত সম্ভব আসার ব্যবস্থা করুন।