মা করুণাময়ী জগৎ মাতা

মা করুণাময়ী জগৎ মাতা জয় মা জগদ্ধাত্রী।।। আমাদের ঐতিহ্য আমাদের ভালোবাসা।

(নীল ষষ্ঠীর ব্রতকথা)প্রচলিত কাহিনী অনুযায়ী, নীলকণ্ঠ শিব ও নীলাবতী (সতীর পুনর্জন্ম)‑এর বিয়ের স্মারক হিসেবে নীলপূজা অনুষ...
13/04/2026

(নীল ষষ্ঠীর ব্রতকথা)
প্রচলিত কাহিনী অনুযায়ী, নীলকণ্ঠ শিব ও নীলাবতী (সতীর পুনর্জন্ম)‑এর বিয়ের স্মারক হিসেবে নীলপূজা অনুষ্ঠিত হয়। নীলাবতী শিবের মোহিনী স্বরূপা হয়ে বিয়েতে সম্মত হন, তারপর মক্ষিপ রূপ ধারণ করেন এবং শেষে জলে নিক্ষিপ্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন; রাজা–রাণীও শোকে প্রাণত্যাগ করেন। এই ঘটনার স্মৃতি হিসেবে নীলপূজা ও নীলষষ্ঠীর ব্রত পালন হয়।

��
আরেক লোককথায় বলা হয়, এক ব্রাহ্মণ ও ব্রাহ্মণী অনেক ব্রত পালন করেও সন্তানদের দীর্ঘজীবন পান না। কাশীর ঘাটে কাঁদতে থাকতেই এক বৃদ্ধা (মা ষষ্ঠীর স্বরূপ) এসে তাদের নীলষষ্ঠীর ব্রতের গুরুত্ব বুঝিয়ে দেন। তারপর ব্রাহ্মণপরিবার খুব ভক্তিসহকারে নীলষষ্ঠী পালন করলে তাদের সমস্ত সন্তান নিরাপদে বেঁচে থাকে; পাড়ার অন্য মহিলারাও এই ব্রত নিয়ে সন্তানের মঙ্গল কামনা করতে শুরু করেন। ��
কীভাবে ব্রতকথা পাঠ করা হয়
নীলষষ্ঠী দিবসে সন্তানের নামে নির্জলা বা সাধারণ উপবাস রেখে মহিলারা গৃহে নীলের ঘর (বাসর ঘরের ছদ্মরূপ) তৈরি করেন, আল্পনা ও বিশেষ পুজো সাজান। ��
সন্ধ্যায় ব্রত ভঙ্গের আগে উপবাসী মহিলারা বাড়িতে বা পুথি থেকে “নীল ষষ্ঠীর ব্রতকথা” পাঠ করেন, যাতে সন্তানের বিপন‑মুক্তি ও দীর্ঘায়ুর অংশবিশেষ বলে বিশ্বাস রাখা হয়। ��

২০২৬ সালের ১৩ই এপ্রিল, সোমবার(৩০শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ) নীল ষষ্ঠী পালিত হবে । ভগবান শিব ও দেবী ষষ্ঠীর প্রতি উৎসর্গীকৃত ...
13/04/2026

২০২৬ সালের ১৩ই এপ্রিল, সোমবার(৩০শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ) নীল ষষ্ঠী পালিত হবে । ভগবান শিব ও দেবী ষষ্ঠীর প্রতি উৎসর্গীকৃত এই ঐতিহ্যবাহী বাঙালি উৎসবটি সন্তানদের মঙ্গল ও দীর্ঘ জীবনের জন্য উদযাপন করা হয় এবং এই উৎসবে মায়েরা ঐতিহ্যগতভাবে কঠোর নির্জলা উপবাস পালন করেন ।
নীল ষষ্ঠী 2026-এর মূল বিবরণ:
তারিখ: সোমবার, ১৩ই এপ্রিল, ২০২৬।
শুভ সময় (নীল বাতি): সন্ধ্যার প্রদীপ জ্বালানো এবং শিবকে জল নিবেদন করার সর্বোত্তম সময় সাধারণত বিকেল ৫:০২ থেকে সন্ধ্যা ৭:১৫-এর মধ্যে।
প্রথা: ভক্তরা খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠে স্নান করেন এবং সারাদিন উপবাস রাখেন। সন্ধ্যায় মায়েরা শিব মন্দিরে যান অথবা বাড়িতে পূজা করেন। তাঁরা শিবলিঙ্গে জল, দুধ, বেলপাতা, ফুল এবং ফল (যেমন ফল) অর্পণ করেন এবং এরপর প্রদীপ (নীলবাটি) জ্বালান।
তাৎপর্য: বিশ্বাস করা হয় যে এই উপবাস পালন করলে শিশুরা সুস্থ থাকে এবং রোগমুক্ত থাকে।

পূজার প্রয়োজনীয় সামগ্রী (সামগ্রী):
কাদামাটি (গঙ্গা মাটি)
বেল পাতা (বেল পাতা)
গঙ্গার জল, দুধ, দই, ঘি, মধু
ফল (কলা, বেরি)
অপরাজিতা মালা
'নীল বাতি'-র জন্য মোমবাতি/প্রদীপ

হনুমান জয়ন্তী হল হিন্দু ধর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎসব, যেদিন ভগবান হনুমানের জন্ম উদযাপন করা হয়। ভারতের বিভিন্ন অংশে এট...
02/04/2026

হনুমান জয়ন্তী হল হিন্দু ধর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎসব, যেদিন ভগবান হনুমানের জন্ম উদযাপন করা হয়। ভারতের বিভিন্ন অংশে এটি চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের পূর্ণিমা তিথিতে পালিত হয়; পূর্ব ও উত্তর ভারতেই এটাই সর্বাধিক প্রচলিত।

��
হনুমান জয়ন্তী কী নিয়ে
হনুমান জয়ন্তী অর্থ হল বজরংবলী (হনুমান)‑এর জন্মোৎসব। লোকমতে তিনি শ্রীরামের পরম ভক্ত, শক্তির, সাহসের ও সংকটমোচনের প্রতীক বলে গণ্য হন। �� এই দিনে ভক্তরা মন্দিরে জাঁকজমক পূজা, ভজন, হনুমান চালিসা পাঠ, নানান ভোগ ও সিঁদুর‑নিবেদন করে থাকেন।

��
২০২৬ সালে তারিখ ও সময়
২০২৬ সালে হনুমান জয়ন্তী পালিত হচ্ছে ২ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার (১৮ চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ)। পূর্ণিমা তিথি শুরু হচ্ছে প্রায় ১ এপ্রিল সকাল ৭:০৬ থেকে এবং ২ এপ্রিল সকাল ৭:৪০ পর্যন্ত থাকছে; স্থানভেদে সামান্য সময়‑পার্থক্য হতে পারে। �

��
বাড়িতে/মন্দিরে পূজা ও অনুষ্ঠান
ভোরে স্নানান্তে হনুমানের মূর্তি বা ছবি প্রক্ষালন করে লাল বস্ত্র, সিঁদুর, চন্দন, ফুল, তুলসী‑মালা ও ফল নিবেদন করা হয়। ��
ঘিয়ের দীপ, লাড্ডু ও মিষ্টি ভোগ রাখা হয় এবং কয়েকবার হনুমান চালিসা বা মন্ত্র জপ করে ভগবানের কৃপা প্রার্থনা করা হয়।

���
আধ্যাত্মিক তাৎপর্য
হনুমান জয়ন্তীতে বিশ্বাস করা হয় যে এই দিনে তাঁর কৃপা পেলে ভয়, অশুভ শক্তি, রোগ ও দুর্ভাগ্য দূর হয় এবং কাজে শক্তি ও সাফল্য লাভ হয়। ��� অনেকে এদিন উপবাস রেখে পূর্ণ দিন ধ্যান, প্রার্থনা ও সেবাকাজে কাটান। ��
#হনুমান

নৈহাটি বড়মা বলতে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার নৈহাটি শহরের একটি অত্যন্ত প্রসিদ্ধ কালীমূর্তিকেই বোঝানো হয়; এঁকে স্থানীয় ভক্তদে...
31/03/2026

নৈহাটি বড়মা বলতে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার নৈহাটি শহরের একটি অত্যন্ত প্রসিদ্ধ কালীমূর্তিকেই বোঝানো হয়; এঁকে স্থানীয় ভক্তদের মধ্যে “বড় কালী ঠাকুর” বা সংক্ষেপে “বড়মা” বলে ডাকা হয়। এই মন্দিরটি নৈহাটির অরবিন্দ রোডের ধর্মশালার কাছে অবস্থিত এবং প্রায় ১০০ বছরের বেশি ঐতিহ্যবহ একটি স্থান হিসেবে পরিচিত। ��

কেন “বড়মা” ডাকা হয়?
স্থানীয় লোককথা ও প্রচলিত বর্ণনা অনুযায়ী, মন্দিরের কালীমূর্তিকে অত্যন্ত বড় বা মহিমান্বিত এক জাগ্রত দেবী হিসেবে ভাবা হয়, তাই তাঁকে “বড়মা” (অর্থাৎ বড় মা) বলে ডাকা হয়। এই ডাকনামটি বছরের পর বছর ধরে এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে এবং ভক্তদের মধ্যে এক বিশেষ আবেগ ও ঘনিষ্ঠতার সম্পর্ক গড়ে দেয়।

স্বপ্নে মায়ের আদেশ ও প্রথম মানত
বড়মার উৎপত্তির সঙ্গে জড়িয়ে থাকা আরেক গল্পে বলা হয়, প্রতিষ্ঠাতা ভবেশ চক্রবর্তী নবদ্বীপে এক ভাঙা রাসের মেলায় এক বিরাট কালীমূর্তি দেখে মুগ্ধ হন এবং নিজের ঘরে বড় কালীপূজা শুরু করার ইচ্ছা করেন। তারপর স্বপ্নে মায়ের আদেশ পান যে “বাড়ির পুজোটা বড় করা যেতে পারে”।
��
এই স্বপ্নের পর থেকে ঘরোয়া পুজো জনসাধারণের মানতের কেন্দ্র হয়ে ওঠে; অসুস্থ সন্তান, চাকরির সংকট, বিবাহ–সমস্যা—এমন নানা কারণে মানুষ এসে মানত করে পরে সেই মানত পূরণ হওয়ার কথা বলে বেড়ান, যা এই মন্দিরের কিংবদন্তি গড়ে তোলে
#মা

রামপ্রসাদ সেন ছিলেন ১৮শ শতাব্দীর বিখ্যাত শাক্ত কবি ও সাধক, যিনি মা কালীর (শ্যামা মা) একনিষ্ঠ ভক্ত ছিলেন এবং তাঁর নামে রা...
28/03/2026

রামপ্রসাদ সেন ছিলেন ১৮শ শতাব্দীর বিখ্যাত শাক্ত কবি ও সাধক, যিনি মা কালীর (শ্যামা মা) একনিষ্ঠ ভক্ত ছিলেন এবং তাঁর নামে রামপ্রসাদী শ্যামাসঙ্গীত রচনা করেছিলেন। "মা তাঁরা" বলতে সম্ভবত মা তারা (Tara) দেবীকে বোঝানো হয়েছে, যিনি শক্তির দশ মহাবিদ্যার একজন এবং কালীর সঙ্গিনী হিসেবে পরিচিত, যদিও রামপ্রসাদের প্রধান আরাধ্য ছিলেন কালী।

��
জীবনী
রামপ্রসাদের জন্ম ১৭২০ সালের আশেপাশে হালিশহরে (বর্তমান উত্তর ২৪ পরগনা), পিতা রামরাম সেন আয়ুর্বেদিক চিকিত্সক ও মাতা সিদ্ধেশ্বরী দেবী ছিলেন। তিনি কলকাতায় কেরানির চাকরি ছেড়ে কালীসাধনায় মগ্ন হন, নদীয়ার রাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায় তাঁকে কবিরঞ্জন উপাধি দেন। তাঁর রচনা যেমন কালীকীর্তন, বিদ্যাসুন্দর কালীকে মা-মেয়ের মতো করে তোলা হয়েছে।

���
মা তারার সঙ্গে সম্পর্ক
রামপ্রসাদের গানে তারা দেবীরও উল্লেখ আছে, যেমন তাঁর শ্যামাসঙ্গীতে কালী-তারার মিলনের কথা; তিনি তারাকে কালীর অংশ হিসেবে দেখতেন এবং তান্ত্রিক সাধনায় তারার উপাসনা করতেন। কিংবদন্তি অনুসারে, তিনি পঞ্চবটীর তলে তারা-কালীর দর্শন পেয়েছিলেন।

��
উল্লেখযোগ্য কাহিনী
একবার রামপ্রসাদের কন্যা বেড়া বাঁধতে গিয়ে তারা মায়ের ছদ্মবেশে সাহায্য করেন; আরেক কাহিনীতে কালীপ্রতিমা বিসর্জনে গঙ্গায় তলিয়ে মায়ের কোলে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর গান আজও কালীপূজায় গাওয়া হয়। ��
#মা

মা মনসা ব্রত হলো বাঙালি সমাজের একটি প্রচলিত ধর্মীয় অনুষ্ঠান, যা সাপের দেবী মনসা দেবীর পূজা করে সাপে কামড়ানোর ভয় নিবার...
28/03/2026

মা মনসা ব্রত হলো বাঙালি সমাজের একটি প্রচলিত ধর্মীয় অনুষ্ঠান, যা সাপের দেবী মনসা দেবীর পূজা করে সাপে কামড়ানোর ভয় নিবারণ এবং কল্যাণ লাভের জন্য পালিত হয়। এটি শ্রাবণ-ভাদ্র মাসে, বিশেষত শনি ও মঙ্গলবারে করা হয়।
��
ব্রতকথা
এক গরীব ব্রাহ্মণের সাত মেয়ের মধ্যে ছোটমেয়ে সরলার বিয়ে হয় না। শেষপর্যন্ত মনসা দেবী বুড়ি ব্রাহ্মণীর ছদ্মবেশে এসে সরলাকে সাহায্য করেন, তার সাপ-ভাইদের মাধ্যমে তার দুর্দশা জানতে পেরে পূজার প্রচার করেন। সরলা পান্তা ভাতে দেবীকে তুষ্ট করে ভাগ্যোদয় লাভ করে।
���
পূজা পদ্ধতি
মনসা গাছের ডাল বা ঘটে/ঝাঁপিতে পূজা, ধূপ নিষিদ্ধ; নৈবেদ্যে ৮টি কলা, দুধ, পান্তা ভাত।
শ্রাবণ/ভাদ্র সংক্রান্তি, নাগপঞ্চমীতে অষ্টনাগ পূজা; স্নান করে জল পান করে শুরু।
মন্ত্র: "ওঁ মনসা দেবীভ্যো নমঃ", প্রণামী দিয়ে শেষ। ���
উপকারিতা
ব্রত পালনে বাড়িতে সাপের ভয় থাকে না, সন্তান লাভ, সমৃদ্ধি এবং অলৌকিক ফল পাওয়া যায় বলে বিশ্বাস। ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণে ৫টি ফলের উল্লেখ আছে। ��
#মা

Address

Tehatta
NADIA

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মা করুণাময়ী জগৎ মাতা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share