13/04/2026
(নীল ষষ্ঠীর ব্রতকথা)
প্রচলিত কাহিনী অনুযায়ী, নীলকণ্ঠ শিব ও নীলাবতী (সতীর পুনর্জন্ম)‑এর বিয়ের স্মারক হিসেবে নীলপূজা অনুষ্ঠিত হয়। নীলাবতী শিবের মোহিনী স্বরূপা হয়ে বিয়েতে সম্মত হন, তারপর মক্ষিপ রূপ ধারণ করেন এবং শেষে জলে নিক্ষিপ্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন; রাজা–রাণীও শোকে প্রাণত্যাগ করেন। এই ঘটনার স্মৃতি হিসেবে নীলপূজা ও নীলষষ্ঠীর ব্রত পালন হয়।
��
আরেক লোককথায় বলা হয়, এক ব্রাহ্মণ ও ব্রাহ্মণী অনেক ব্রত পালন করেও সন্তানদের দীর্ঘজীবন পান না। কাশীর ঘাটে কাঁদতে থাকতেই এক বৃদ্ধা (মা ষষ্ঠীর স্বরূপ) এসে তাদের নীলষষ্ঠীর ব্রতের গুরুত্ব বুঝিয়ে দেন। তারপর ব্রাহ্মণপরিবার খুব ভক্তিসহকারে নীলষষ্ঠী পালন করলে তাদের সমস্ত সন্তান নিরাপদে বেঁচে থাকে; পাড়ার অন্য মহিলারাও এই ব্রত নিয়ে সন্তানের মঙ্গল কামনা করতে শুরু করেন। ��
কীভাবে ব্রতকথা পাঠ করা হয়
নীলষষ্ঠী দিবসে সন্তানের নামে নির্জলা বা সাধারণ উপবাস রেখে মহিলারা গৃহে নীলের ঘর (বাসর ঘরের ছদ্মরূপ) তৈরি করেন, আল্পনা ও বিশেষ পুজো সাজান। ��
সন্ধ্যায় ব্রত ভঙ্গের আগে উপবাসী মহিলারা বাড়িতে বা পুথি থেকে “নীল ষষ্ঠীর ব্রতকথা” পাঠ করেন, যাতে সন্তানের বিপন‑মুক্তি ও দীর্ঘায়ুর অংশবিশেষ বলে বিশ্বাস রাখা হয়। ��