Islam Know And Tell/ইসলাম কে জান ও জানাও

Islam Know And Tell/ইসলাম কে জান ও জানাও আপনার একটি লাইক ই পারে এই ইসলামিক
পেজটিকে সচল রাখতে,তাই লাইক করে ইসলাম কে আরও এগিয়ে নিয়ে যান।

05/02/2026

23/02/2022
********জুতো পায়ে কি জানাজার নামাজ হবে?****জানাযার নামাযে আমাদের অনেকের একটা দ্বন্দ-সন্দেহ কাজ করে। জানাযা পড়তে গিয়ে ...
21/11/2016

********জুতো পায়ে কি জানাজার নামাজ হবে?****
জানাযার নামাযে আমাদের অনেকের একটা দ্বন্দ-সন্দেহ কাজ করে। জানাযা পড়তে গিয়ে দেখি জুতো ও স্যান্ডেল পায়ে লোকেরা জানাযার নামায পড়ে ফেলছে। মনে প্রশ্ন জাগে, এটা কি ঠিক?

তাদের নামায হচ্ছে তো? কারণ ৫ ওয়াক্ত নামায আমরা জুতো ছাড়াই আদায় করি। জানাযা নামাযও সাধারণতঃ জুতা ছাড়া আদায় করা হয়।

তাহলে এভাবে যারা জুতো নিয়ে জানাযার নামাযে শরীক হচ্ছেন তাদের নামায কি আদৌ হচ্ছে? কিংবা জুতো খুলে তার ওপরে দাঁড়িয়ে আবার অনেকে নামায আদায় করেন তাদের নামাযের-ই বা কী বিধান? আসুন, বিষয়টি জানার চেষ্টা করি।

এখানে মূলকথা হলো, স্যান্ডেল বা জুতোয় কোনো নাপাক বা অপবিত্র বস্তু না থাকলে তাতে নামায পড়াতে কোনো অসুবিধে নেই। নাপাক বা অপবিত্র বস্তু স্যান্ডেলের নিচে থাকলে সেটা খুলে তার ওপরে দাঁড়িয়ে নামায আদায় করতে পারবে। তবে ভূমি পবিত্র থাকলে স্যান্ডেল বা জুতো খুলে পবিত্র মাটিতে দাঁড়িয়ে নামায আদায় করা উত্তম ।

সুত্র: আল বাহরুর রায়েক: ২/৩১৫; ফাতাওয়া আলমগিরি : ১/৬২; এমদাদুল আহকাম : ২/৪৪৬

নবীজী (সাঃ) এর নাম শুনলে দুরুদ শরীফ পাঠ করতে হয় কেন ?আমরা সবাই জানি আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর নাম শুনলে ...
20/08/2016

নবীজী (সাঃ) এর নাম শুনলে দুরুদ শরীফ পাঠ করতে হয় কেন ?

আমরা সবাই জানি আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর নাম শুনলে অথবা বললে দুরূদ শরীফ পাঠ করতে হয়। কিন্তু কেন দুরুদ শরীফ পাঠ করতে হয় এর কারণ আমরা অনেকেই হয়তো জানি না। আসুন জেনে নেই কেন এই দুরুদ শরীফ পাঠ করতে হয়।

দুরুদ অর্থ শুভকামনা বা কল্যাণ প্রার্থনা। আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর নাম শুনলে অবশ্যই আপনাকে দুরুদ পাঠ করতে হবে। দুরুদ বলতে ‘সলাত আলান নাবি’ অর্থাৎ নবী করিম সা. এর প্রতি দুরূদ পাঠ বা তাঁর জন্য শুভকামনা, গুণকীর্তন, তাঁর প্রতি আল্লাহর দয়া-করুণা ও প্রার্থনা বোঝায়। দুরুদ বিষয়টি অতীব মর্যাদা ও সম্মানের। তাই শুধু দুরুদ শব্দটি ব্যবহার না করে এর সঙ্গে ‘শরীফ’ তথা সম্মানিত বিশেষণ যুক্ত করে বলা হয় ‘দুরুদ শরিফ’। আরবিতে ‘সাল্লাল্লাহু আলা মুহাম্মাদ’ বা ‘সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ই হলো দরুদ শরীফ। প্রতিটি মুসলিমের জন্য জীবনে একবার হলেও দুরুদ শরীফ পাঠ করা ফরজ।

আর নবীজীর নাম শুনলে বেশ কয়েকটি কারণে দুরুদ পাঠ করতে হবে। তবে প্রধানত ৩টি কারণে নবীজী (সা.) এর নাম শুনলে আপনাকে দুরুদ পাঠ করতে হয়। যথাঃ-

১। হজরত মুহাম্মদের নাম শুনলে দুরুদ শরীফ পাঠ করা ওয়াজিব, তাই আপনাকে অবশ্যই দুরুদ পাঠ করতে হবে। একই মজলিসে বারবার নাম শুনে দুরুদ শরীফ পাঠ করা সুন্নত।

২। নবী করিম সা. বলেন, ‘যে আমার প্রতি একবার দুরুদ পাঠ করল, আল্লাহ তার প্রতি ১০টি রহমত নাজিল করেন, তাকে ১০টি নেকি দান করেন, তার ১০টি গোনাহ মাফ করেন।’ (বোখারি ও মুসলিম)

৩। কোরআনুল কারিমে রয়েছে, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালা নবীজির ওপর রহমত বর্ষণ করেন, ফেরেশতারা তাঁর প্রতি রহমত কামনা করেন; হে বিশ্বাসী মোমিনরা তোমরা তাঁর প্রতি দুরূদ পাঠ করো।’ সূরা আহজাব : ৫৬

আর তাই নবীজীর (সাঃ) এর সুন্নত পালন করতে এবং মহান আল্লাহ তাআলার নির্দেশে দুরুদ শরীফ পাঠ করতে হয়।

দোয়া শব্দের অর্থ আহ্বান করা, ডাকা, প্রার্থনা করা ইত্যাদি। ইসলামি বিধানে ‘দোয়া উপাসনার সারাংশ’ বিশেষ। আর আল্লাহ তায়ালা...
29/07/2016

দোয়া শব্দের অর্থ আহ্বান করা, ডাকা, প্রার্থনা করা ইত্যাদি। ইসলামি বিধানে ‘দোয়া উপাসনার সারাংশ’ বিশেষ। আর আল্লাহ তায়ালা কোরানে কারিমে বলেছেন, ‘আমায় ডাকো; আমি উত্তর দেব (তোমাদের প্রার্থনার)।’ এই আয়াতের আলোকে মুসলমানরা সব ধরনের প্রয়োজনে আল্লাহ তায়ালার কাছে প্রার্থনা করেন। তবে সব দোয়া সমানভাবে কবুল হয় না। কিছু কিছু দোয়া আছে বিলম্বে কবুল হয়; আবার অনেক দোয়া কবুল হয় না। তবে কিছু দোয়া এমন আছে যা সরাসরি কবুল হয়ে যায়; এতে কোনো প্রতিবন্ধকতা থাকে না।

ইসলামের বিধানে আল্লাহ তায়ালা যেসব ব্যক্তির দোয়া দ্রুত কবুল করেন তারা হলেন অতি নিগৃহীত পেরেশান ব্যক্তি, অত্যাচারিত ব্যক্তি, মাতা-পিতার দোয়া সন্তানের জন্য সন্তান ভালো হোক বা মন্দ, ন্যায়পরায়ণ বাদশাহ ও বিচারকের দোয়া, আদর্শপরায়ণ ও সৎলোকের দোয়া (অবশ্য সম্পর্ক ছিন্ন বা কোনো পাপের কাজে জড়ানো থেকে মুক্ত হতে হবে), উত্তম চরিত্রবান ও আদর্শ সন্তানের দোয়া মাতা-পিতার জন্য, মুসাফিরের দোয়া সে দোয়া চাই নিজের জন্যই হোক বা অন্য কারো জন্য, এক মুসলমানের দোয়া আরেক মুসলমানের জন্য তার অনুপস্থিতিতে, ইফতারের সময় রোজাদারের দোয়া, তওবাকারীর দোয়া, রাতের বেলায় নিদ্রা থেকে জেগে যে ব্যক্তি এই দোয়া পাঠ করে, ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা- শারিকালাহু লাহুল মুলকু ওয়া-লাহুল হামদু ওয়াহুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদির। আলহামদু লিল্লাহি ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবার, ওয়া লা হাওলা ওয়ালা কুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহি, আল্লাহুম্মাগফিরলি’ অথবা অন্য যেকোনো দোয়া।

এই শ্রেণির লোক ছাড়াও আল্লাহ তায়ালা আরো যাদের দোয়া দ্রুত কবুল করেন, তারা হলেন যে ব্যক্তি ‘ইয়া জালজালালি ওয়াল ইকরাম’ বলে দোয়া করেন, যে ব্যক্তি ‘ইয়া আরহামার রাহিমীন’ বলে দোয়া করেন, যে ব্যক্তি তিনবার জান্নাত চেয়ে দোয়া করেন, তার জন্য জান্নাত আল্লাহর কাছে সুপারিশ করতে থাকে এই বলে যে, ‘হে আল্লাহ, আমার মাঝে তাকে একটু স্থান করে দাও’, যে ব্যক্তি দোযখের আগুন থেকে তিনবার মুক্তি চায় তার জন্য দোযখ আল্লাহর কাছে সুপারিশ করতে থাকে এই বলে যে, ‘হে আল্লাহ, তাকে আমার এই ভয়াবহ অগ্নিকুণ্ডে নিক্ষেপ করো না’, হজ পালনকারীরা হজের পুণ্যময় আহকাম পালন শেষে যতক্ষণ বাড়ি প্রত্যাবর্তন না করেন, ততক্ষণ তাদের দোয়া কবুল হতে থাকে, যে ব্যক্তি নিজের প্রয়োজনে নিম্নোক্ত দোয়া পাঠ করে, ‘লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুন্তু মিনাজ জোয়ালিমীন’ এবং যে ব্যক্তি গোটা বিশ্বের মুসলমানদের কল্যাণ কামনা করে দৈনন্দিন ইস্তিগফার পাঠ করে, তার দোয়াও নিশ্চিত কবুল করা হয়।

02/07/2016

তরুণ-তরুণীর প্রেম নিয়ে ড. জাকির নায়েক যা বললেন

ডা. জাকির নায়েক বর্তমান বিশ্বের এক অন্যতম ইসলামিক চিন্তাবিদ। আর ইসলামকে প্রচার করার জন্য তিনি ‘পিচ টিভি’ নামে একটি বেসরকারী স্যাটালাইট টিভি চ্যানেল প্রতিষ্ঠা করেন। আর চ্যানেলটির প্রশ্ন পর্ব অনুষ্ঠানে তিনি বিভিন্ন ইসলামিক প্রেশ্নের উত্তর ও পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

ডা. জাকির নায়েকের কাছে আজকের প্রশ্ন: ‘একটা ছেলে ও মেয়ে দু’জন দু’জনের প্রেমে পড়েছেন। কিন্তু তাদের প্রেম নিয়ে ইসলাম কি বলে? এই প্রেমে কি পর্দা নষ্ট হবে?’

প্রশ্নের উত্তরে ডা. জাকির নায়েক বলেন, কতটা প্রেম পড়েছে সেটা আগে গুরুত্বপূর্ণ। যদি সামান্য কিছু হয়ে থাকে সেখানে বিষয়টি জটিল কিছু না। যদি তারা গভীর সম্পর্ক করে থাকে তাহলে তারা বিয়ে করে নিবে। কারণ তারা বিয়ের আগে অন্যায় করেছেন পরে ইসলাম মেনে নিলেন। এবং যদি দু’জন... পাঠক আসুন ডা. জাকির নায়েকের এই ভিডিওটি দেখে আমরা তরুণ-তরুণীর প্রেম বৈধ নাকি অবৈধ সেটা পরিস্কার হয়ে যায়।

তরুণ-তরুণীর প্রেম নিয়ে ড. জাকির নায়েক যা বললেনডা. জাকির নায়েক বর্তমান বিশ্বের এক অন্যতম ইসলামিক চিন্তাবিদ। আর ইসলামকে ...
02/07/2016

তরুণ-তরুণীর প্রেম নিয়ে ড. জাকির নায়েক যা বললেন

ডা. জাকির নায়েক বর্তমান বিশ্বের এক অন্যতম ইসলামিক চিন্তাবিদ। আর ইসলামকে প্রচার করার জন্য তিনি ‘পিচ টিভি’ নামে একটি বেসরকারী স্যাটালাইট টিভি চ্যানেল প্রতিষ্ঠা করেন। আর চ্যানেলটির প্রশ্ন পর্ব অনুষ্ঠানে তিনি বিভিন্ন ইসলামিক প্রেশ্নের উত্তর ও পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

ডা. জাকির নায়েকের কাছে আজকের প্রশ্ন: ‘একটা ছেলে ও মেয়ে দু’জন দু’জনের প্রেমে পড়েছেন। কিন্তু তাদের প্রেম নিয়ে ইসলাম কি বলে? এই প্রেমে কি পর্দা নষ্ট হবে?’

প্রশ্নের উত্তরে ডা. জাকির নায়েক বলেন, কতটা প্রেম পড়েছে সেটা আগে গুরুত্বপূর্ণ। যদি সামান্য কিছু হয়ে থাকে সেখানে বিষয়টি জটিল কিছু না। যদি তারা গভীর সম্পর্ক করে থাকে তাহলে তারা বিয়ে করে নিবে। কারণ তারা বিয়ের আগে অন্যায় করেছেন পরে ইসলাম মেনে নিলেন। এবং যদি দু’জন... পাঠক আসুন ডা. জাকির নায়েকের এই ভিডিওটি দেখে আমরা তরুণ-তরুণীর প্রেম বৈধ নাকি অবৈধ সেটা পরিস্কার হয়ে যায়।

অনেক নারী ও তার অভিভাবক চিকিৎসার নামে ডাক্তারের সাক্ষাত সম্পর্কে শিথিলতা করেন, এটাও বড় অপরাধ। এতে রয়েছে বড় অনিষ্ট যা ...
29/06/2016

অনেক নারী ও তার অভিভাবক চিকিৎসার নামে ডাক্তারের সাক্ষাত সম্পর্কে শিথিলতা করেন, এটাও বড় অপরাধ। এতে রয়েছে বড় অনিষ্ট যা মেনে নেওয়া ও যার ওপর চুপ থাকা জায়েয নেই।

শায়খ মুহাম্মাদ ইবরাহীম [রহ.] বলেন- পর-নারীর সাথে নির্জন সাক্ষাত শরীয়তের দৃষ্টিতে হারাম, চিকিৎসক ডাক্তারের জন্যও হারাম। কারণ, নবী [সা] বলেছেন- কোনো পুরুষ নারীর সাথে নির্জনে মিলিত হবে না, হলে অবশ্যই তাদের তৃতীয়জন হয় শয়তান। (মাজমাউল ফতোয়া, ১০/১৩)

অবশ্যই নারীর সাথে কারো থাকা জরুরি, হোক সে তার স্বামী কিংবা কোনো মাহরাম পুরুষ। যদি পুরুষ না পাওয়া যায় অবশ্যই তার নিকট আত্মীয় নারী থাকা জরুরি। যদি উল্লিখিত কাউকে পাওয়া না যায়, এ দিকে অসুখও কঠিন হয় যে বিলম্ব করা সম্ভব নয়, তাহলে অবশ্যই রোগীর সাথে সেবিকা বা তার ন্যায় কাউকে উপস্থিত থাকা জরুরি, যেন নিষিদ্ধ নির্জনতা না হয়।

অনুরূপ ডাক্তারের পক্ষে কোনো পর-নারীর সাথে সাক্ষাত করা জায়েয নেই, হোক পর-নারী রোগী বা তার ডাক্তারি পেশার সঙ্গী অথবা নার্স। অনুরূপ অন্ধ শিক্ষকের সাথে ছাত্রীর নির্জন সাক্ষাত বৈধ নয়। অনুরূপ পর-পুরুষের সাথে বিমানে বিমানবালার নির্জন সাক্ষাত বৈধ নয়।

অনুরূপ বাড়ির পুরুষ সেবকের সাথে নির্জন সাক্ষাতও বৈধ নয়, হোক সে তার বাড়িতে কাজ করে। মাহরামকে অবশ্যই বড় হওয়া জরুরি, যার উপস্থিতিতে নির্জন সাক্ষাত হয় না, বাচ্চা সাথে থাকাই যথেষ্ট নয়। কতক নারী মনে করে ছোট বাচ্চা থাকলেই নির্জনতা চলে যায়. এটা ভুল ধারণা।

ইমাম নাওয়াওয়ী রহ. বলেন- যদি পর-পুরুষ পর-নারীর সাথে তৃতীয় ব্যক্তি ব্যতীত নির্জনে সাক্ষাত করে তবে তা সবার নিকট হারাম। অনুরূপ যদি তার সাথে ছোট কেউ থাকে যার উপস্থিতিতে লজ্জা হয় না বয়স কম হওয়ার কারণে, এরূপ বাচ্চা দ্বারা হারাম নির্জনতা ভঙ্গ হয় না।

মূল : ড. সালেহ ইবনে ফাওজান
ভাষান্তর : মাওলানা মনযূরুল হক

সাত শ্রেণির মানুষকে কবরে কোনো প্রশ্ন করা হবে না*********মহান আল্লাহর অনুগ্রহে কিছু মানুষ এ বৈশিষ্ট্যের অধিকারী হবেন যে, ...
18/05/2016

সাত শ্রেণির মানুষকে কবরে কোনো প্রশ্ন করা হবে না*********

মহান আল্লাহর অনুগ্রহে কিছু মানুষ এ বৈশিষ্ট্যের অধিকারী হবেন যে, তাকে কবরদেশে সুওয়াল জাওয়াবের সম্মুখীন হতে হবে না। এ বৈশিষ্ট্যের অধিকারীদের মধ্যে প্রথমে আসবে শহিদদের নাম। রাসুলে আরাবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, শহিদদেরকে কবরে প্রশ্ন করা হবে না। কেননা মাথায় তরবারির আঘাত কবরের বিপদ হতে কম নয়। যদি তার অমত্মরে আল্লাহর ভয় না থেকে মুনাফেকি থাকতো তাহলে সে তরবারির ভয়ে পালিয়ে যেতে পারতো। কিন্তু সে এমনটি করেনি। কাজেই প্রমাণিত হলো, সে তার ঈমানের ক্ষেত্রে সত্যিই মুখলিস বা নিষ্ঠাবান ছিলো।

কবরের সুওয়াল হতে মুক্তিপ্রাপ্ত দ্বিতীয় ব্যক্তি হলো, সীমান্তরক্ষী সৈনিক; যাকে প্রতিনিয়ত শত্রুদলের সঙ্গে সংগ্রাম ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা চালিয়ে যেতে হয়। এ ব্যক্তির আলোচনা কুরআনে কারিমেও এসেছে, হাদিসে রাসুলের মাঝেও এসেছে। যেমন আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করছেন,

يَاأَيُّهَاالَّذِينَآمَنُواْاصْبِرُواْوَصَابِرُواْوَرَابِطُواْ

তৃতীয় ব্যক্তি হলো, যিনি মহামারীতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন, কেননা সহিহ হাদিসের ভাষ্যমতে সেও শহিদদের মিছিলের একজন।

চতুর্থ ব্যক্তি হলো, আপাদমস্তক আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের ওপর সত্যনিষ্ঠ আস্থা ও বিশ্বাসের অধিকারী সত্যবাদী সিদ্দিক। যাঁর প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য কোথাও মিথ্যার লেশমাত্র নেই। নবিদের পরই তাঁদের স্থান। ইমাম তিরমিযি ও ইমাম কুরতুবি [রহ.] এভাবে সুস্পষ্ট বর্ণনা করেছেন। উপরোক্ত মূলনীতির আলোকে অকাট্যভাবে প্রতিভাত হয় যে, আল্লাহর প্রেরীত সকল নবি রাসুলও কবরে সুওয়াল জাওয়াবের সম্মুখীন হবেন না। কেননা তাঁদের স্থান তো সিদ্দিক থেকে কত সহস্র ঊর্ধ্বে।

পঞ্চমজন হলো, অপ্রাপ্ত বয়সে কোনো শিশু মারা গেলে তাকে সুওয়ালের সম্মুখীন হতে হবে না। প্রখ্যাত আকাইদবিদ আল্লামা নাসাফি [রহ.] দৃঢ়তার সঙ্গে বিষয়টি ব্যক্ত করেছেন। ইমাম নববি [রহ.]ও অনুরূপ অভিমত ব্যক্ত করেছেন। ইবনে সালাহ [রহ.] বলেন, শিশু মারা গেলে তাকে কালিমায়ে শাহাদাতের তালকিন করার দরকার নেই।

আর পাগল ও বোকা লোকদের কবরে সুওয়াল জওয়াব করা হবে কিনা এ বিষয়ে ইমাম ফাকেহানি [রহ.] মৌনতা অবলম্বন করেছেন। তদ্রুপ যে ব্যক্তি দুই নবির পৃথিবীতে আগমনের মধ্যবর্তী যুগে মারা গেছেন, তাকেও কবরে সুওয়াল করা হবে কিনা? এ বিষয়েও কোনো মত প্রকাশ করেননি। রওযা নামক কিতাবে এ বর্ণনা এসেছে, যে ব্যক্তি শরিয়তের দৃষ্টিতে মুকাল্লাফ [যার ওপর শরিয়তের হুকুম-আহকাম বর্তিত হয়] বা তার সমগোত্রীয়, একমাত্র তাকে সুওয়াল করা হবে। এছাড়া অন্য কাউকে নয়।

ষষ্ঠ ব্যক্তি হলো, ওই ব্যক্তি যে জুমার দিনে বা রাতে মারা যাবে তাকেও কবরে সুওয়াল করা হবে না। নবি করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমার ফজিলত সম্পর্কিত একটি হাদিসে তা উল্লেখ করেছেন।উক্ত হাদিসটিকে ইমাম তিরমিযি ও ইমাম বাইহাকি [রহ.] হাসান স্তরের হাদিস রূপে অভিহিত করেছেন এবং বিভিন্ন সনদে তার স্বপ্ন শাহিদ রেওয়ায়েতও পেশ করেছেন।

কবরের সুওয়াল হতে পরিত্রাণপ্রাপ্ত সপ্তম ব্যক্তি হলো, যে প্রতি রাতে আল্লাহর রহমত প্রাপ্তির প্রত্যাশায় সুরা তাবারাকাল্লাযি তিলাওয়াত করবে।এ সম্পর্কিত আরো কিছু হাদিস রয়েছে; যা সুনানে আবু দাউদ, তিরমিযি, নাসায়ি এবং ইবনে মাযাহ প্রভৃতি গ্রন্থে বর্ণিত রয়েছে। কোনো বর্ণনায় এ সুরার সঙ্গে সুরা সাজদাকেও সংযুক্ত করা হয়েছে।-প্রিয়.কম

09/05/2016

যারা মা-বাবাকে অবজ্ঞা করে তাঁরা পৃথিবীতেই নরক যন্ত্রণা ভোগ করে

আমেরিকার এক শহরে এক নাম করা ব্যবসায়ী ছিলো। টাকা, পয়সা, নামে, দামে, কোনো কিছুরই তার অভাব ছিলো না। কিন্তু তার আধুনিক সমাজে মুখ দেখাতে পারতোনা সুধু তার মায়ের জন্য।

কারন তার মা ছিলো অন্ধ। মায়ের মুখে ছিলো আগুনে পোড়া দাগ আর মাথায় কোনো চুল ছিলো না। তাই আধুনিক সমাজে নিজের মানসম্মান বজায় রাখার

জন্য মা কে বাসা থেকে বের করে দিলো।

বেচারি অন্ধ মা কেদে কেদে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন। হঠাৎ একটি গাড়িতে ধাক্কা খেয়ে বৃদ্ধা
মা মারা গেলেন। ছেলে শুনে খুব একটা কষ্ট পেলো না।

ভাবলো আপদ বিদায় হয়েছে। কিছুদিন পর কোনো ডকুমেন্ট খুজতে খুজতে মায়ের ঘরে মায়ের লেখা একটা ডাইরি পেল।

ডাইরিতে লেখা ছিলো
..০৫-১২-১৯৮০ — আজ আমি সুন্দরী মিস আমেরিকা হয়েছি।

০২-০৫-১৯৮৩ — আজ আমি গর্ভপাত করাইনি তাই আমার স্বামী আমাকে ছেড়ে চলে গেছে।

০৭-০৩-১৯৮৫ — আজ আমার বাড়িতে আগুন লেগেছিলো। আমি বাহিরে ছিলাম। আর আমার কলিজার
টুকরা ছেলে বাড়ির ভিতোরে ছিলো। নিজের জীবন বাজি রেখে সুধু ছেলের জীবন বাচাতে গিয়ে আগুন লেগে আমার চুল এবং মুখ পুড়ে আমার সম্মস্ত সোন্দরজ্য ছাই
হয়ে গেছে। তাতেআমার কোন দুঃখ নেই। কিন্তু তবু আমার কলিজার টুকরা ছেলের চোখ দুটো আমি বাচাতে পারিনি।

০৭-১৫-১৯৮৫ — আজ আমার নিজের চোখ দুটো আমার
ছেলে কে দিতে যাচ্ছি।

THE END OF MY LIFE DAIRY...ডাইরিটি পড়ে ছেলে পাগলের মতো কাদতে কাদতে দেয়ালে মাথা আছ ড়াতে আছড়াতে অজ্ঞান হয়ে গেল।

উপদেশঃ যারা মা- বাবাকে অবজ্ঞা করে তাঁরা পৃথিবীতেই নরক যন্ত্রণা ভোগ করে। তাই মাকে ভালোবাসা উচিত ।

Address

SWARUPNAGAR, BALTI, CHITURI
Swarupnagar
743273

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islam Know And Tell/ইসলাম কে জান ও জানাও posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Islam Know And Tell/ইসলাম কে জান ও জানাও:

Share

Category