Malangapara Satsang Upasana Kendra

Malangapara Satsang Upasana Kendra Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Malangapara Satsang Upasana Kendra, Religious organisation, Basirhat/Taranipur, Swarupnagar.

 #নাম_করলে_কি_বিপদের_প্রতিকার_হয়❓     ***জনৈক দাদা কথাপ্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করলেন বাইরে কাজকর্ম করছি, এমন সময় হয়ত বাড়ীর কোন ...
31/01/2026

#নাম_করলে_কি_বিপদের_প্রতিকার_হয়❓
***জনৈক দাদা কথাপ্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করলেন বাইরে কাজকর্ম করছি, এমন সময় হয়ত বাড়ীর কোন বিপদের খবর পেলাম। তখন যদি খুব নাম করি, তাতে কি তার প্রতিকার হয়❓
#শ্রীশ্রীঠাকুর: নামটাম করলে বুদ্ধি একটা বেরিয়ে যায়, যা' হয়ত প্রতিকারের সহায়ক।

_আবার তুমি দূরে নিবিষ্টভাবে নামরত হ'য়ে আছ, এমন সময় যেখান থেকে হোক কেউ যদি তোমার চিন্তা করে, তাতে তার মনও নামমুখী হওয়ার প্রেরণা পায়। সেই প্রেরণা অনুযায়ী যদি সে নাম করে তাতে সেও উপকৃত হ'তে পারে। তাই নিজের ও অপরের মঙ্গলের জন্য সবসময় নামময় থাকা ভাল। তবে এইসব বুদ্ধি থেকে নাম করার থেকে আমি যেমন বলেছি তেমনটি হ'য়ে ওঠার জন্য যা' যা' করার তা' করতে থাকাই ভাল। তাতে ভিতরের রঙ ধরে। সর্বদা ভাবতে হয়-আমি ঠাকুরের, তাঁর মনোমত হ'য়ে ওঠাই আমার জীবনের একমাত্র সাধ্য। চলেই দেখ না এইভাবে। তখন আবোল-তাবোল চিন্তা করার ফুরসত পাবে না। ঠাকুরই তোমাকে পেয়ে বসবেন। তাতে যে কি সুখ, কত বড় সার্থকতা তা' বলে বোঝান যায় না। আমার ধারণা, ওকেই বলে বৈকুন্ঠে বাস। বৈকুন্ঠে বাস মানে বিগতকুণ্ঠ হয়ে বিষ্ণুলোকে বাস। বিষ্ণুলোক মানে ব্যাপ্তিলোক, ইষ্টস্বার্থী হলেই মানুষ সর্বস্বার্থী হ'য়ে ওঠে। সক্রিয় সুকেন্দ্রিকভাবে সর্বস্বার্থী হ'য়ে চলাকেই বলে ব্রাহ্মীস্থিতি। আমি কি-জন্য কী বলি, তা' তলিয়ে ভেবে দেখো ও করতে চেষ্টা করো। তখন নিজের পরিবার তো দূরের কথা শত শত পরিবারের ত্রাণকর্তা হ'য়ে উঠতে পারবে এই তুমি।

_"আ. প্র. ১৬/১০.৪.১৯৪৯।
বিষয়: সাধনা শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকুলচন্দ্রের আলোকে।

 #ময়না চন্দ্র মাষ্টারের ছোট মেয়ে। বছর চারেক হল চন্দ্র মাষ্টার গত হয়েছেন। সংসারের আয় বলতে সামান্য পেনসন এর টাকা। ময়না কাল...
16/07/2024

#ময়না চন্দ্র মাষ্টারের ছোট মেয়ে। বছর চারেক হল চন্দ্র মাষ্টার গত হয়েছেন। সংসারের আয় বলতে সামান্য পেনসন এর টাকা। ময়না কালো বলে বেশ কয়েকটা পাত্র পক্ষ এসেও বিয়েথা হচ্ছে না। অভাগী মায়ের বড্ড চিন্তা।
চন্দ্র মাষ্টার জীবিত থাকাকালীন বড় দুবোনের বিয়ে দিয়ে গেছেন। ময়না কে পাত্রস্হ করে যেতে পারবে কি না, এই নিয়ে মায়ের মনে দুঃশ্চিন্তার শেষ নেই।

পাশের বাড়ীর সোনা ভাই হঠাৎ খবর দিলেন...কাল শহরের এক পাত্র ময়নাকে দেখতে আসবে। খবরটা শোনার পর ময়নার মন দূরু দূরু। অনেক দিন পূর্বে ঠাকুরের দীক্ষা নিয়েছিল ময়না। সেদিন সারা রাত ঘুমাতে পারেনি ময়না। মনের কথা বোঝানোর মত শেষ ভরসা একমাত্র ঠাকুর। তাই অতি গোপনে ঠাকুরের ছবিটা বুকে নিয়ে মাটির ঘরের দোতালা ছাদে বসে বসে অনেক প্রার্থনা করেছে সারা রাত। হে দয়াল এবার যেন পাত্রপক্ষ আর ফিরে না যায়।

পরের দিন শহরের পাত্র সুজয় ট্রেন ষ্টেশন থেকে বেরিয়ে রিক্সা খুঁজছে। হাতে কালো সুটকেস। কিন্তু গ্রামে তো আর শহরের মত হুটহাট রিক্সা পাওয়া যায় না। কিছুদূর যাবার পর একটা রিক্সা পাওয়া গেল। বসার জায়গা হল একটা চৌকোনা কাঠের পাটাতন। অগত্যা সেটাতেই চড়ে বসা।
কিছুদূর যেতে যেতে রিক্সা চালক জিঙ্গাসা করল। বাবু জোড়া পুকুর পাড় কার বাড়ীতে যাবেন ? সুজয় উত্তর দিল চন্দ্র মাষ্টারের বাড়ী। কি ব্যাপার জানতে পারি ? না তেমন কিছু নয় | বিয়ের ব্যাপার , মেয়ে দেখা। উঃ ময়নাকে বুঝি ? তা মেয়েটা তো কালো পছন্দ হবে তো ?

মনটা ভেঙ্গে গেল সুজয়ের। শুনলাম মেয়েটা খুব ভাল ,কিন্তু ..... হঠাৎ রিক্সার চেইনটাও ছিড়ে গেল। নাহ্ আর কোন উপায় নেই। রিক্সা চালক অপারগ | অগত্যা হেটেই যেতে হবে। কিন্তু সুটকেস হাতে আরো দেড় মাইল রাস্তা পাড়ি কি চাট্টিখানি কথা ? হঠাৎ কোথেকে এক বুড়ো লোক হাজির। আরে বাবু সুটকেস নিয়ে জোড়া পুকুর পাড় কি অত সহজ ? দেন দেন আমার হাতে সুটকেসটা দেন। সুজয়ের মনে যেন কিছুটা স্বস্তি এল।
হাঁটা পথ চলতে চলতে বুড়ো লোকটি বলতে লাগল। চন্দ্র মাষ্টারের মেয়ে দেখতে যাবেন তো ? খুব ভালো মেয়ে এই গ্ৰামে অমন লক্ষী মেয়ে মেলা ভার। ওর হাতের মৌচার ঘন্ট যে কি অপূর্ব ...তা কি আর বলব। তবে আমি যে শুনলাম মেয়েটা কালো ? উঃ তাই নাকি ,রং দেখে কি গুন বোঝা যায় ? অমন মিষ্টি মেয়ে...তা রিক্সাওয়ালা বলল বুঝি মেয়েটা কালো ?
সুজয় অবাক বিস্ময়ে মনে মনে ভাবতে লাগলো, চন্দ্র মাষ্টার, জোড়া দীঘির পাড়, রিক্সাওয়ালার বলা , এসব বুড়ো লোকটা জানল কিভাবে ? আরে সে যদি অতশত বুঝতো ,তবে কি আর রিক্সা চালিয়ে খেতে হয় ? আবার বুড়ো লোকটি বলেই চলল। আমি অকৃতি অধম গানটা শুনেছেন ? চোখে জল এসে যাবে , কি মিষ্টি গলা।
কথা বলতে বলতে কবেই রাস্তা ফুরিয়ে গেল। এই নিন বাবু ,সুটকেসটা নেন ...ঐ বাড়ীটা চন্দ্র মাষ্টারের বাড়ী ,সোজা চলে যান। কত দিতে হবে ? না না ও পরে হবে ...সোজা চলে যান। সুজয় কিছু বলার আগেই লোকটা সুটকেস ফেরত দিয়ে তাড়াহূড়ো করে চলে গেল।
সুজয় অবাক বিস্ময়ে লোকটার পিছনে থাকিয়ে
রইল। সম্বিত ফিরে আসতেই সুটকেস হাতে ধীরে ধীরে চন্দ্র মাষ্টারের বাড়ীতে প্রবেশ করল সুজয়।

শহরের পাত্র এসেছে ময়নার অভাগী মায়ের সে কি দৌড় ঝাঁপ। বাবা কোন কষ্ট হয়নি তো ? এই নাও তেল ,গামছা সাবান। পুকুরে গিয়ে স্নান করে এসো। কবে থেকে রান্না বান্না শেষ করে পথ পানে চেয়ে আছি। তা কি খাবে , যদি গ্রমের কোন খাবারের শখ থাকে নিঃসংকোচে বলতে পার।
স্নান সেরে পিড়িতে বসতেই শত ব্যাঞ্জনের থালা হাজির গরম গরম মৌচার ঘন্ট দিয়ে সুজয়ের খাবার শেষ। সত্যিই মৌচার ঘন্ট যেন অপূর্ব। হাত ধুয়ে আসতেই গামছা হাতে ময়না আড়ালে দাঁড়িয়ে। কুচকুচে কালো রংয়ের মায়াবী চেহারা ময়না আড়াল থেকে গামছাটা এগিয়ে দিতে দিতে ....এই নিন হাতটা মুছে নিন। সুজয় কাছেই চলে গেল , শুধু গামছা দিলে হয় ? গানটা যে শেনাতে হবে। মা কাছ থেকে স্ব লজ্জে সরে গেলেন। সুজয় আর ময়না অনেকটা কাছাকাছি। ঐ গান টা আমি অকৃতি অধম... ও তাই...খালী গলায় ময়না দুচোখের অস্রূধারা বর্ষন করতে করতে শুরু করল......
আমি অকৃতি অধম অবিকার বলে ,কম তো কিছু দাও নি , অকৃতি বলিয়া যা দিয়েছিলে , কেড়েও তো তুমি নাও নি...
গলা ধরে এল ময়নার ,সুজয়ের চোখে জল। আর গাইতে হবে না। ময়না আর গাইতে পারছিল না। হিক দিয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়ল। তারপর স্বলজ্জায় ময়না চলে গেল ঘরের ভিতরে।
সেই রাত কেটে গেল সুজয়ের। পর দিন খুব সকালে ট্রেন ধরতে হবে। খুব সকাল সকাল উঠে হবু শ্বাশুড়ী মাকে প্রনাম করে বেরিয়ে যাবে , অভাগী মা জানতে চাইলেন...মেয়ে তো সাদা সিধে তা কেমন লাগলো বাবা ?
আমি গিয়ে জানাবো। সুজয় চলে যাচ্ছে...যদি আর একবার ময়নার দেখা পেতাম...ফিরে ফিরে পেছনে দেখছে সুজয়। ময়না ও মাটির ঘরের ছাদ থেকে আড়ালে চেয়ে আছে। কারো চোখে চোখ পড়ে না। ফিরে গেল সুজয়।
ট্রেনে উঠে ময়নার গলার সেই গানের আওয়াজ মনে বাঁজতে বাঁজতে ঘুম চলে এল সুজয়ের। ঘুম ভাঙ্গতেই দেখল সে দিনের সেই বুড়ো লোকটা আবার হাজির। এই যে বাবু এভাবে ঘুমালে হয় ? চলুন নামিয়ে দিয়ে আসি , বলেই সুটকেস টা নিয়ে হন হন করে ছুঠে চলল। পিছন পিছন সুজয় নেমে এল। সুটকেসটা একটা জায়গায় রেখে সেই বুড়ো লোকটা কে কিছু বলার আগেই লোকরন্যে মিশে গেল। সুজয় ভাবল ভাগ্যিস বুডো লোকটা ছিল ,নয়তো কবেই ষ্টেশন পেড়িয়ে যেতাম।
বাড়ী ফিরে সুজয় বিয়ের ব্যাপারে পাকা সিদ্ধান্ত নিয়ে বাবা মাকে জানিয়ে দিল। ছেলের পছন্দ তাই সুজয়ের বাবা মা ওবিয়ের দিন ক্ষন স্হির করার সিদ্ধান্তে পাকা।
পর দিন সকাল বেলা খবরের কাগজ খুলতেই চোখে পড়ল সুজয় যে ট্রেন করে আসছিল ময়নাদের বাড়ী থেকে , সেই ট্রেন টা পড়ের ষ্টেশনের আগে কালভার্ট ভেঙ্গে নীছে পড়ে গেছে। ভাগ্যিস বুড়ো লোকটা আমায় টেনে নামিয়ে ছিল ,নতুবা আমার ভাগ্যে যে কি লিখা ছিল ? ভাবতে ভাবতে সুজয়ের মনে হল ,বুড়ো লোকটাকে চেনা হল না, টাকা পয়সা নিল না ...কে ছিল সেই লোকটা ?

বিয়ের দিন রাতে ময়নাদের বাড়ীতে সুজয় একটা আসনে বুড়ো একজনের ছবি দেখতে পেয়ে কাছে গেল। অনেকক্ষন থাকিয়ে দেখে ...এই লোকটা তো সেই সুটকেস বহনকারী লোকটা মনে হয়। ময়নাকে কাছে ডেকে জানতে চাইল সুজয় , ফটো টা কার ? ময়না উত্তর দিল উনি আমার গুরুদেব ,দেওঘরে থাকেন। বল কি?
তারপর সুজয়ের সাথে ঘঠে যাওয়া প্রথম দিনের সুটকেস বহন করা,কালো মেয়ে বলে মন খারাপ হওয়াতে ময়নার সুখ্যাতি করা,মৌচার ঘন্টের গল্প থেকে ট্রেন এক্সিডেন্টের হাত থেকে বাঁচানো সব খুলে বলল ময়নার কাছে।
অবাক হয়ে ময়না কাঁদতে লাগল। সে বুঝতে পারল ...একটা পাত্র জুটিয়ে দিতে ঠাকুর তোমার ছবি বুকে নিয়ে সারা রাত গোপনে কত কেঁদেছি। তাই তুমি নিজে সুটকেস বহন করে ,মন ভাঙ্গা পাত্রের মন জোড়া দিলে ,আবার সেই পাত্রকে মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা করে আমার স্বামী রূপে ফিরিয়ে দিলে। বুড়োর বেশ ধরে এই অভাগীকে কত সাহায্য করলে ঠাকুর। ময়না বুজলো তাঁকে মন প্রাণ সঁপে দিলে কত অসাধ্য সাধন হয়। কাহিনী নয় সত্য ঘটনা ||
(অনেক ছোট কালের শোনা ইষ্ট প্রসঙ্গের অংশ। স্হান পাত্র পাত্রীর নাম কল্পিত , ভক্ত হ্রদয়ে সারাংশ টা ভক্তি বারি সিঞ্চনে কাজে আসতে পারে ভেবে প্রসংগের অবতারনা )

|| গৌতম চক্রবর্তী || আগরতলা ||

Follow: 𝐍𝐢𝐫𝐦𝐚𝐥𝐥𝐲𝐚 𝐂𝐡𝐨𝐰𝐝𝐡𝐮𝐫𝐲

fans Nirmallya Chowdhury

11/07/2024

#প্রত্যেকের_উন্নতি_ও_আনন্দের_জন্য_অপরিহার্য
নিজের মোবাইলে আমরা সারাদিন কল করি, ইউটিউব ভিডিও দেখি, ফেইসবুক-ওয়াটসএপ করি,- এই করে করে মোবাইলের চার্জ কমে আসে। পরেরদিন যাতে আবার এই মোবাইল যথাযথ ব্যাবহার করা যায়,- তার জন্য রাতে চার্জে বসিয়ে দেই। চার্জ না দিলে মোবাইল অকেজো,- একটি প্লাস্টিকের খেলনা মাত্র।

অথচ,- সারাদিন নিজের শরীর-মন-আত্মা কত এনার্জি খরচ করছে,- চতুর্দিকের নেগেটিভ এনার্জির মাঝে নিজের পজিটিভ এনার্জি ক্ষয় হচ্ছে,- সেই শরীর মন আত্মাকে রিচার্জ করার কোন প্রচেষ্টাই নেই!! তাই এই শরীর অসুস্থ হচ্ছে, মন দূর্বল হচ্ছে, আত্মশক্তি হ্রাস পাচ্ছে। মানুষ বুঝতে পারছে না,- কেন সে বাঁচার আনন্দ পাচ্ছেনা৷ কোনভাবে জোর করে জীবনটা টেনে নিয়ে যাচ্ছে। এই ক্লান্তি দূর করতে ও ক্ষনিকের আনন্দ পেতে মদ্যপান করছে, সিগারেট ফুঁকছে, ব্যাভিচারীতায় লিপ্ত হচ্ছে।

ঘুম থেকে উঠেই পরিবেশ-পরিস্থিতির সাথে যুদ্ধ, উদ্বেগ-দু:শ্চিন্তা ও আশংকা নিয়ে রোজকার চলা, বিরুদ্ধ পরিস্থিতিতে টিকে থাকা, প্রতিযোগিতায় জেতার জন্য ইঁদুর দৌড়ে সামিল হউয়া,- সবকিছুর কারনে রোজ আত্মিক শক্তি একটু একটু ক্ষয় হচ্ছে, পজিটিভ এনার্জি নষ্ট হচ্ছে,শরীরের ক্ষতি হচ্ছে।

তাই,- আত্মাকে রোজ রিচার্জ করতে হয়, নিজের মন ও শরীরে রোজ পজিটিভ এনার্জির Fuel ভরতে হয়, শরীরকে একটু সময় দিতে হয়।

তাই শ্রীশ্রীঠাকুর রোজ ব্রাম্মমুহুর্তে শয্যা ত্যাগ করে অন্তত পয়তাল্লিশ মিনিট নামধ্যানের বিধান দিলেন, স্বত:অনুজ্ঞা উচ্চারন করতে বললেন, আবেগ ভরে ইষ্টভৃতি নিবেদন করতে বললেন। রোজ বিনতি প্রার্থনার বিধান দিলেন।

থানকুনি পাতা সেবনের বিধান দিলেন, যাজনে যুক্ত থাকতে বললেন, সৎসঙ্গে যুক্ত হয়ে তুমুল কীর্তনের কথা বললেন।

রোজ এই নামধ্যান, স্বত;অনুজ্ঞা, ইষ্টভৃতি, যাজন, সৎসঙ্গে যোগদান আমাদের মন ও আত্মায় পজিটিভ এনার্জি সঞ্চার করে, আত্মশক্তিতে বলীয়ান করে। তখন পরিবেশ পরিস্থিতির শত সংঘাত, প্রবল প্রতিকূলতা ও নেগেটিভ এনার্জির মাঝেও আমাদের মন হীনবল হয়না, দিব্য আনন্দের ঘাটতি হয়না, উৎসাহ ও কর্মোদ্দীপনার অভাব হয়না৷

থানকুনি পাতা সেবন, সদাচার পালন, সাত্ত্বিক আহার, সৎসঙ্গে যোগদান ও কীর্তন, নৃত্য, যাজন আমাদের শারীরিক সুস্থতা অনেকগুন বাড়িয়ে দেয়।

অনেকেই বলে,- তারা সাংঘাতিক ব্যাস্ত, তাদের অনেক চাপ, ভীষণ দায়িত্ব, সারাদিন খুব দৌড়াদৌড়ি, অনেক টেনশন,- তাই তাদের সময় হয়না ধ্যান করার, প্রার্থনা করার, সৎসঙ্গে যাওয়ার, যাজন করার। এই ব্যাস্ততম জীবনে এইসব ধর্ম কর্মের সময় কই?

বাস্তবে,- ব্যাপারটা ঠিক উলটো। যাদের জীবনে যত বেশী চাপ, যত বেশী ব্যাস্ততা, যত দু:শ্চিন্তা,- তাদেরই বেশী বেশী প্রয়োজন নামধ্যানের, ইষ্টভৃতির, প্রার্থনার,সৎসঙ্গের৷ কারন,- তাদেরই পজিটিভ এনার্জি বেশী প্রয়োজন, তাদেরই পরমাত্মার সান্নিধ্যে আরো বেশী কাটাতে হয়।

তানাহলে তাদের পজিটিভ এনার্জি দ্রুত ক্ষয় হয়ে,- একসময় নেগেটিভ এনার্জির সঞ্চার বেশী হতে থাকে। তখন দু:শ্চিন্তা তাদের মাথায় চেপে বসে, মানসিক স্বাস্থ্য নষ্ট হয়ে যায়, অনিদ্রা দেখা দেয়, আনন্দ হারিয়ে যায়, অশান্তি বিরাজ করে৷

Apple কোম্পানির মালিক রোজ ভোর চারটায় শয্যা ত্যাগ করে ধ্যান করেন, তারপর পয়তাল্লিশ মিনিট জগিং করেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এত ব্যাস্ত,- অথচ তিনি নিয়মিত যোগ করেন, ধ্যান করেন।

পৃথিবীতে যারাই উচ্চ দায়ীত্বশীল পদে থেকে দীর্ঘদিন দক্ষতার সাথে দায়ীত্ব পালন করেছেন,- তারা প্রতেকেই নিজ নিজ শরীর ও মন সুস্থ রাখার জন্য, নিজের মধ্যে পজিটিভ এনার্জি সঞ্চার করার জন্য রোজ কিছুটা সময় ব্যয় করেছেন। এটাই উপায়।

তা না করে আমি যতই ব্যাস্ত থাকি, - সেই ব্যাস্ততার তুলনায় productivity ও creativity কমে যাবে। দীর্ঘসময় এই প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা মুসকিল হবে।

আমরা যে পেশাতেই যুক্ত থাকি, যত বড় পদেই আসীন হই আর যত বেশী ব্যাস্ত থাকিনা কেন,- নামধ্যান-প্রার্থনা-গুরুসেবা-সৎসঙ্গ-আচার্য্যনিষ্ঠা আমাদের প্রত্যেকের উন্নতির জন্য অপরিহার্য উপায়।
*****************
©ডা: রাজেশ চৌধুরী
আগরতলা
১০-০৭-২৪

 #এক বৃদ্ধা মাকে পরমপূজ্যপাদ শ্রীশ্রীদাদা রোজ কাঁদাতেন। অন্তরান্তাকে বিঁধবে এমন সব কথা বলতেন , তা শুনেই ঐ বৃদ্ধা মা কেঁদ...
14/05/2024

#এক বৃদ্ধা মাকে পরমপূজ্যপাদ শ্রীশ্রীদাদা রোজ কাঁদাতেন। অন্তরান্তাকে বিঁধবে এমন সব কথা বলতেন , তা শুনেই ঐ বৃদ্ধা মা কেঁদে ফেলতেন। দিনের পর দিন চলত এইসব অন্তরকে বিদ্ধ করার মতো কথাবার্তা। পাশাপাশি যারা থাকত তারা লক্ষ্য করতো। অনেকে ভাবত বৃদ্ধা মহিলার ওপর একি অবিচার! কার্যকারণ না জানলে তা ভাবাই স্বাভাবিক। ওই মহিলার দৃষ্টি প্রায় নষ্ট। চক্ষু চিকিৎসক যারা চিকিৎসা করেছেন তাঁরা বলেছিলেন দৃষ্টি শক্তি আর ফিরবে না। কিন্তু দিনের পর দিন কাঁদতে কাঁদতে মহিলা দৃষ্টি শক্তি ফিরে পান। মহিলা হচ্ছেন অসমের আশুদার মা । দৃষ্টির স্বচ্ছতা না থাকলে পরম পিতা কে যেমন ঠাহর করা যায় না,
শ্রীশ্রীদাদার ক্ষেত্রেও তাই আমরা তাঁর কাজকর্ম ভেবে কূল পাই না।
গতকাল বিনায়ক দা বলছিলেন, কাছে থাকতে থাকতে অনেক সময় বুঝতে অসুবিধা হয়। তাঁর সঙ্গে আমার ফারাকটা টের পাইনা। ক্ষুদ্র মনে ভাবি, তিনিও ক্ষুধায় খান, আমিও খাই। মশার কামড়ে তিনিও ব্যথা পান , আমিও পাই। তাই বেশি কাছে যেতে নেই। উচিত দূরত্ব বজায় রেখে সঙ্গ করা ভাল।
গতকাল কথা হচ্ছিল দশ কোটি দীক্ষার কথা , যা শ্রী শ্রী ঠাকুর চেয়েছেন। ওই সংখ্যায় পৌঁছতে গেলে বিরাট কর্মযজ্ঞ প্রয়োজন । দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় হিটলার যখন সহসা রাশিয়া আক্রমণ করে , রাশিয়ার এক - একটা জনপদ পুরুষশূন্য হয়ে যায়। যারা যুদ্ধে যাচ্ছিল তারা আর ফিরছিল না। তৎসত্ত্বেও রাশিয়ান রা থেমে যায়নি। তারা Total resistance (সর্বাত্মক প্রতিরোধ) গড়ে তোলে। মহিলা, শিশু সবাই resist (প্রতিরোধ) করেছে। এইভাবে হিটলার কে পরাস্ত করেছে।
আমাদের দীক্ষার ক্ষেত্রেও মায়েদের, যুবক দের এমনকি শিশুদেরও যাজন কাজে অভ্যস্ত করাতে হবে। তারাও ঠাকুরের অনুশাসন মেনে চলবে , ঠাকুরের ছড়া মুখস্থ করে জীবন দিয়ে তারাও অনুশীলন করবে । এভাবে চলতে থাকলে দশ কোটি দীক্ষা সহজ হয়ে উঠবে। আমাদের যাজন প্রচেষ্টাও সর্বাত্মক করে তুলতে হবে।
সামাজিক ভাবে কোনও কার্যক্রম করতে গেলে resistance (প্রতিরোধ) আসতে পারে। তোমার ঠাকুরের দীক্ষা নিতে যাবো কেন ? আরও তো কত গুরু আছেন।
আমাদের সেভাবে তৈরি থাকতে হবে, যাতে শান্ত মনে সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারি। প্রকৃতপক্ষে আমাদের চলা - বলা, কাজকর্ম সবই ত্রুটিপূর্ণ। স্বামী -- স্ত্রীর মধ্যে কথা বলছি তা - ও ত্রুটিপূর্ণ। ছেলের সঙ্গে কথা বলছি, ত্রুটিপূর্ণ। নিজের ত্রুটিতে নিজেরা হাত দিই না। কী কথা কেমন ভাবে বলতে হয়, জানি না। তাই ত্রুটি থেকেই যায়। সেখানে হাত পড়েনা । বহু অবাঞ্ছিত অভ্যাস থেকে যায়। সঞ্জীব দা বলছিলেন , কোনো ব্যাক্তি কে যখন দেখি তার পুরোটা দেখতে পাইনা। আমি তো বলি, সামনে টাও দেখতে পাইনা। হয়তো চশমা দেখছি, না হলে জামার বোতাম দেখছি। নাহলে কপাল দেখছি, সম্পূর্ণ মানুষ টাকে একসঙ্গে দেখতে পাইনা।

~পরমপূজ্যপাদ শ্রীশ্রীআচার্য‍্যদেব

সূত্র :-আলোচনা (মাঘ)
১৪২৫/ ফেব্রুয়ারি ২০১৯
 ̄ ̄ ̄ ̄ ̄ ̄ ̄ ̄ ̄ ̄ ̄ ̄ ̄ ̄ ̄ ̄ ̄ ̄ ̄ ̄ ̄
[পরবর্তী এইরকম পোষ্ট পেতে আমার এই পেজটিকে Follow করুন!]

Everyone Nirmallya Chowdhury fans
#শ্রীশ্রীঠাকুর #সৎসঙ্গ #জয়গুরু #শ্রীশ্রীঠাকুর #পূজ্যপাদ_আচার্য্যদেবকে

প্রসঙ্গঃ  #দীর্ঘায়ু_লাভের_উপায়********************************থানকুনি পাতা —সকল রোগের মহৌষধ, আয়ুর্ব্দ্ধক।  ইং ১৫/০৮/১৯...
12/05/2024

প্রসঙ্গঃ #দীর্ঘায়ু_লাভের_উপায়
********************************

থানকুনি পাতা —সকল রোগের মহৌষধ, আয়ুর্ব্দ্ধক।

ইং ১৫/০৮/১৯৫৭, বৃহস্পতিবার।

কথাপ্রসঙ্গে শ্রীশ্রীঠাকুর বললেন — .... রোজ একটা ক'রে ডাঁটা শুদ্ধ থানকুনি পাতা খাওয়া ভাল। তাতে স্বাস্থ্য ভাল থাকে।

কেষ্টদা— রোজ সকালে থানকুনি পাতা খেলে শরীরের organ-গুলি (যন্ত্রগুলি) ঠিক থাকে।

শ্রীশ্রীঠাকুর —আর, organ (যন্ত্র) ঠিক থাকলেই longevity (দীর্ঘজীবন) আসে।......রোজ সকালেই ওর একটা -দুটো খাওয়া ভাল। Big(বড়) পাতা খাওয়া লাগে।
(দীপরক্ষী—৩য় খন্ড/ইং ১৫.০৮.১৯৫৭)।
***************************

১৯৬০ ইং সালের ২৫ শে জুলাই বিকালে শ্রীশ্রীঠাকুর বড় দালানের বারান্দায় বসেছেন।
সুশীলদা (বসু) বলছিলেন—কাগজে বেরিয়েছে, এক চীনা ভদ্রলোক ২৫০ বছর বেঁচেছিলেন। তাঁর ঐ দীর্ঘজীবনের মূল কারণ হ'ল রোজ কাঁচা থানকুনিপাতার রস খাওয়া।

শ্রীশ্রীঠাকুর—তাহলে আরম্ভ করেন রোজ খাওয়া। সতীশকে বললে ঠিক যোগাড় ক'রে এনে দেবে। কাঁচা খাওয়াতেই ফল। ভগীরথ আবার ট্যাবলেট বানালো ওর থেকে।

বিশুদা (মুখোপাধ্যায়) – বীরেনদার কাছে একটা বইতে দেখেছিলাম,
থানকুনিপাতা শুকোলে ব্রহ্মহত্যার পাপ হয়।

শ্রীশ্রীঠাকুর—তার মানে ঐ গুণ নষ্ট হয়ে যায়। ব্রহ্মহত্যা মানে বৃদ্ধিকে হত্যা, বাঁচাবাড়ার সহায়ক যা' তাকে হত্যা।
আমি তো বরাবর কচ্ছি, প্রতিটি সৎসঙ্গীই থানকুনিপাতা খাবে। ব'লে ছড়া দিলেন—

"সাত্বত আচার-সন্দীপ্ত থেকে
থানকুনিপাতা এক আধ মাষা-
নিয়মমত চললে খেয়ে
দীর্ঘ আয়ুর রয় প্রত্যাশা।"

— শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র।
(দীপরক্ষী,৭ম খন্ড, ২৫/০৭/১৯৬০)।
**********************************

ইং ২৪/০১/১৯৫৮, শুক্রবার।

শ্রীশ্রীঠাকুর রাত্রে ছাউনির তলে আছেন। অনেকেই আছেন।

পশুপতিভাই (বসু)— আমার আমাশা যাচ্ছে না, কী করব?

শ্রীশ্রীঠাকুর— নিয়মিতভাবে রোজ পাঁচ -ছ'টা তাজা থানকুনি পাতা খেয়ে দেখ্ তো। ঐ খাবি, আর মাঝে -মাঝে stool examine (পায়খানা পরীক্ষা) ক'রে দেখবি। এটা nervine (স্নায়ু-পোষণী), আবার আমের পক্ষে ভালো।

(আঃপ্রঃ— খন্ড ২৩ , ইং ২৪/০১/১৯৫৮)।
**********************************
ইং ২৩/০৭/১৯৫০, সোমবার।
হেম(মুখার্জ্জী)ও রানাঘাটের অনাদিদা(সেন) এসে প্রণাম ক'রে বসলেন।

অনাদি'দার লিভার ভালো নয়।
সেই কথা শুনে শ্রীশ্রীঠাকুর বললেন — রোজ কুলেখাড়া খাওয়া ভাল।সিদ্ধ, বড়া, ঝোল, শুক্ত যেভাবেই খাও তাতেই উপকার হয়।
আমার মনে হয় করলার পাতা কিংবা থানকুনি পাতা দিয়ে শুক্ত খেলেও ভাল হয়। কটু, তিক্ত, কষায়, অম্ল, মধুর সবগুলির সমাবেশ যদি প্রত্যেকটা আহারে থাকে, তাহ'লে ভাল হয়। এটা অবশ্য সাধারণ সুস্থ লোকের পক্ষে।আর দৈ কিংবা ঘোল খাওয়া ভাল।

(আঃপ্রঃ— খন্ড ১৯ , ইং ২৩/০৭/১৯৫০)।
*******************************
ইং ২৫/১১/১৯৪৮, বৃহস্পতিবার।

কথাপ্রসঙ্গে শ্রীশ্রীঠাকুর বললেন —
তিন/চার তোলা কৃষ্ণ তিল ও চার পাঁচটা কাঠবাদাম একসঙ্গে খুব মিহি ক'রে লঙ্কা দিয়ে বেটে রোজ ভাতের সঙ্গে খেলে দাঁত ও স্বাস্থ্যের পক্ষে খুব ভাল। এতে খুব উচ্চমাত্রায় প্রোটিন ও ফ্যাট পাওয়া যায়। গরীবের পক্ষে এমন আহার কমই আছে। অবশ্য সব গরীব খেতে আরম্ভ করলে কী হবে বলা যায় না।
(আঃপ্রঃ-খন্ড ১৫, ইং ২৫/১১/১৯৪৮)।
*******************************

ইং ২৫/১০/১৯৫৯, রবিবার।

কাঁচরাপাড়া হাই স্কুলের হেডমাষ্টার সুখেন্দুদা (চক্রবর্তী) নিজের স্বাস্থ্যের কথা উল্লেখ ক'রে বললেন —ঠাকুর!আমার লো ব্লাড্ প্রেসার। ডাক্তার animal protein (জৈব প্রোটিন) খেতে বলে।

শ্রীশ্রীঠাকুর— ছানার থেকে ভাল প্রোটিন আর নেই। Animal protein(জৈব প্রোটিন) আমার বিধানের সাথে compatible(সুসঙ্গত) কিনা দেখা লাগবে তো! ডাক্তাররা জানে না, তাই কয়।
সুখেন্দুদা —Vegetable (তরিতরকারি) আমরা যেমনভাবে খাই, তাতে কাজ হয় না।
শ্রীশ্রীঠাকুর —ও যেমনভাবে খাওয়া যাক, ওর কাজ করবেই।
(দীপরক্ষী- ৫ম খন্ড , ২৫/১০/১৯৫৯)।

*******************************
ইং ২০/০৯/১৯৫৮, শনিবার।

প্রশ্ন— মাছ-মাংস কেন খাওয়া যায় না?

শ্রীশ্রীঠাকুর —মাছ-মাংসে এ্যাসিড্ হয়। এ্যাসিড্ হ'য়ে longevity (আয়ু) কমিয়ে দেয়।
প্রশ্ন— ওদের দেশে তো অনেকে খায়।
শ্রীশ্রীঠাকুর — এখন খায়, কিন্তু ক'মে আসছে। আবার ওদের দেশে যারা বড় হয়েছে তারা খায় না। আইনস্টাইন, নিউটন, হিটলার এরা খেত না। বড়-বড় actor -রাও (অভিনেতারাও) খায় না।

(দীপরক্ষী—চতুর্থ খন্ড, ইং ২০/০৯/১৯৫৮)।

*******************************
ইং ১৩/০৯/১৯৫৮, শনিবার।

শচীনদা —আমি লম্বা মানুষ। কোমরে ব্যাথার জন্য কষ্ট হয়।

শ্রীশ্রীঠাকুর— ঐ যে হরিপদর (ডাঃ হরিপদ সাহা) কাছে আছে সৈন্ধবাদি তেল। সেটা ভাল ক'রে মালিশ করা লাগে। তারপর নিশিন্দা পাতার সেঁক দেওয়া লাগে। বেশীদিন ধ'রে করতে হয়। রোজ করতে-করতে সেরে যায়। হয়তো পাঁচ -সাত দিনের মধ্যে সেরে যায়। কিন্তু অনেকদিন ধ'রে maintain (পালন) করা লাগে।

(দীপরক্ষী—চতুর্থ খন্ড, ১৩/০৯/১৯৫৮)
Divine Pamper-ঐশী যত্ন

06/05/2024

*জয়গুরু🙏 সুপ্রভাত*
***********************************
*শ্রীশ্রীঠাকুর --তুমি ভোরে উঠতে পারো না, এটা কিন্তু ঠিক নয় সব জিনিসের একটা sequence (পারম্পর্য) আছে ভরে ওঠার সঙ্গে work-এ(কাজে) energy (উৎসাহ)- এর একটা সম্পর্ক আছে। ভরে উঠে প্রাতকৃত্য ও নাম ধ্যানাদি করার পর দিনের কাজের একটা ছক একে নিতে হয়। আর পরিকল্পনা অনুযায়ী কাঁটায় কাঁটায় সেগুলি করতে হয়। রাত্রে শোবার সময় ভেবে দেখতে হয় ছকমত কাজগুলি হাসিল করার ব্যাপারে চলা- বলা- করায়। কোথায় কি ত্রুটি হল ওইগুলি ধরে ধরে শোধরাতে হয়।এঁটে বেঁধে লাগলে ত্রুটিগুলি সারতে বেশিদিন লাগে না তাই ভোর চারটের সময় ওঠার অভ্যাস করা লাগে।*

* #আলোচনা_প্রসঙ্গে/৮*
* #শ্রীশ্রীঠাকুর_অনুকূলচন্দ্র*
#সৎসঙ্গ



#জয়গুরু

.         " প্রার্থনা অযথা দীর্ঘ করা ঠিক না "       *********************************বিনতি-প্রার্থনা সম্পর্কে কথা উঠল। শ...
05/05/2024

. " প্রার্থনা অযথা দীর্ঘ করা ঠিক না "
*********************************
বিনতি-প্রার্থনা সম্পর্কে কথা উঠল। শ্রীশ্রীপিতৃদেব বললেন-যারা নিয়মিত প্রার্থনা করত না তারাই এখন প্রার্থনার leader(নেতা) হ'য়ে বসেছে।অনেকেই প্রার্থনার পূর্বে আহ্বানী দেওয়ার পক্ষপাতী। আহ্বানী দিলে কোন দোষ নেই,শুধু একটাই দোষ-----তাঁর (শ্রীশ্রীঠাকুরের) আদেশ অমান্য করা হয়। কেমন ক'রে বর্তমানে প্রচলিত প্রার্থনা চালু হ'ল তা' শ্রীশ্রীপিতৃদেব বলতে লাগলেন----প্রথমে প্রার্থনাই হ'ত না। যার যখন সময় হ'ত এসে ঠাকুর-প্রণাম করত। এতে ঠাকুরের কষ্ট হ'ত। বার-বার হাতজোড় ক'রে প্রণাম ক'রতে তাঁর কষ্ট হ'ত। তাই নির্দিষ্ট সময়ে যাতে আমরা সমবেত-প্রণাম করতে পারি, তার ব্যবস্থা করা হ'ল। তাতেও ঠাকুরের কষ্ট লাঘব হ'ল না। বহুক্ষণ ধরে হাতজোড় ক'রে প্রণাম করতে থাকতেন। তাই আমি তাঁর নিকট বিনতি-প্রার্থনার জন্য নিবেদন করি। তিনি রাজী হন। তখন আহ্বানী দিয়েই শুরু হ'ত।একদিন প্রার্থনার পূর্বে ঠাকুর আমাকে ডেকে বললেন----"" প্রার্থনা অযথা দীর্ঘ করা ঠিক না"" বিনতির সুর,তাল,লয় নিজে করে দেখিয়ে দিলেন। প্রথম দিন কেবল বিনতি দুটো হ'ল।তার পরদিন তিনি গুরুবন্দনাটিও করতে বললেন। তখন থেকে তাঁর নির্দেশমতই বিনতি দু'টো ও গুরুবন্দনা করা হচ্ছে। আমার প্রতি ঠাকুরের এই আদেশ। তাই তিনি যেমন-যেমন বলেছেন এবং আমাদের অভ্যস্ত করিয়েছেন সেই মতই করা হয়। অন্যরুপ করা মানেই ঠাকুরকে অমান্য করা। অনেকে বলেন, ঠাকুর যখন অসুস্থ ছিলেন তখন প্রার্থনা short( সংক্ষিপ্ত) করেছেন। তা নয়। ঠাকুরের তখন অসুখের অ-ও না। ঠাকুর যখন যা' বলেন,তাতে সুস্থ-অসুস্থের ব্যাপার নেই। তা' না হলে---ঠাকুর এখন একটা বাণী দিলেন, পরে আরেকরকম আরেকটা বাণী দিলেন এ--রকম হ'ত! তা' হয়নি। ঠাকুর চিরন্তন। তাঁর কথা বা বাণীর ঘোরফের নেই। শ্রীশ্রীপিতৃদেব "" আলোচনা-প্রসঙ্গে'র (তৃতীয় খন্ড) ৩৩-৩৪ পৃষ্ঠা, (নতুন সংস্করণ,৩৮ পৃষ্ঠা) খুলে দেখতে বললেন, গোঁসাইদার সাথে ঠাকুরের কথা হচ্ছে। ঠাকুর বলেছেন, ---"" পৌরোহিত্য করবার সময় লক্ষ্য রাখতে হয়,কোন অনুষ্ঠানকে যেন অযথা দীর্ঘ করা না হয়।দীক্ষাদানের ব্যাপারেও ঐ-কথা।একটা সম্বেগের সঙ্গে মুখ্য করণীয় যা তা'বাদ না দিয়ে ক্ষিপ্রগতিতে কাজ সমাধা ক'রে ফেলতে হয়।শিথিল, মন্থর গতিতে দীর্ঘ সময় ধরে করলে মানুষের আগ্রহ শিথিল হ'য়ে ওঠে। তাতে মাথায় ভাল ক'রে গাঁথে না।এক বিষয়ে দীর্ঘ সময় তীব্র মনোযোগ দেবার মতো ক্ষমতাও মানুষের কম।"
◾️শুক্রবার, ২২শে ভাদ্র, ১৩৮০ (ইং৭/৯/৭৩)
◾️ইষ্টপ্রসঙ্গে প্রথম খন্ড পৃষ্ঠা ১৮।
#পথের_দিশা_পেইজ(ইষ্ট পথের দিশারী)

05/05/2024

#মেরুদেশে_শিয়ালের_মৃত্যুফাঁদ
মেরুদেশে বরফের প্রান্তরে আদিবাসীরা এক অদ্ভুত প্রক্রিয়ায় শিয়াল শিকার করে৷

তারা বরফের ভিতর একটা ধারালো চাকু খাড়া করে ঢুকিয়ে তার উপর কিছু বরফ দিয়ে ঢেকে দেয়। সেই বরফের উপর কিছু রক্ত ঢেলে দেয়।

রক্তের গন্ধে আকৃষ্ট হয়ে শিয়াল এসে সেই রক্তমাখা বরফের উপর জিভ দিয়ে চাটতে থাকে। একটু পর বরফ সরে গিয়ে ধারালো চাকু বেরিয়ে পড়ে। কিন্তু ততক্ষনে বরফের প্রচন্ড ঠান্ডায় শিয়ালের জিহবা অসার হয়ে গিয়ে ব্যাথার অনুভূতি হারিয়ে ফেলে। কিন্তু জি্হবার স্বাদ অনুভূতি নষ্ট হয়না৷ চাকুতে নিজের জিহবা ফালাফালা হয়ে কেটে যায়,- শিয়াল একটুও ব্যাথা টের পায়না৷ সেই কাটা জিহবার রক্তে বরফ ভেসে যায়। শিয়াল রক্তের স্বাদে মত্ত হয়ে নিজের রক্ত নিজে চাটতে থাকে,- জিহবা আরো কাটতে থাকে। শিয়াল তখনো রক্ত মাখা চাকু চাটতে ব্যাস্ত। এইভাবে ক্রমাগত রক্তক্ষরণ হয়ে হয়ে শিয়ালটি এক সময় নিস্তেজ হয়ে সেখানেই পড়ে মরে যায়।

ঠিক একই ঘটনা ঘটে মানুষের জীবনেও। প্রবৃত্তিতে,- তথা লোভে, কামে, ক্রোধে, মোহে আমরা প্রায়শই এমন মত্ত হয়ে যাই যে আমাদের বোধশক্তি ভোঁতা হয়ে যায়। সামনে যে আমার বিপদ দাঁড়িয়ে আছে, ধ্বংস তার বরন ডালা সাজিয়ে অপেক্ষা করছে,- তা আমরা ঠাহরই করতে পারিনা। ক্ষমতার লোভ, অর্থের লোভ, খ্যাতির লোভ, যশে লোভ, কামের লোভ আমাদেরকে সেই বরফের দেশের মূর্খ শেয়ালের মতই মৃত্যুর ফাঁদে আটকে রাখে। ভোগে এত মত্ত হয়ে যাই,- ভাল মন্দ বোধ নষ্ট হয়ে যায়৷ শিয়ালের জিহবার বোধশক্তি যেমন অসার হয়ে যায়,- তেমনি আমরাও বোধশক্তি হারিয়ে ফেলি। সেই ধ্বংসের মধ্যে বাস করেও আমরা ভাবি, - আমি তো বেশ ভালই আছি।

কিছুদিন পূর্বে এক বাড়ীতে গেলাম। বাড়ীর মালিক ও উনার স্ত্রী দীক্ষা নিয়েছেন অনেকদিন হল,- কিন্তু ইষ্টভৃতি করেন না ৷ জীবন থেকে ঠাকুরকে প্রায় দূর করে রেখেছেন। অর্থ-বিত্ত-ক্ষমতা বেশ ভালই আছে৷

যখন কথায় কথায় ইষ্টভৃতির প্রয়োজনীয়তা ও গুরুর বিধান পালনের আবশ্যিকতার ব্যাপারে বলছি,- তিনি সাথে সাথে বলে উঠলেন,-" ইষ্টভৃতি না করেই তো বেশ ভাল আছি। আমার ত কোন কিছু কম নেই জীবনে। " উনার এই বলার ভঙ্গীতে একটা উষ্মা, একটা অহমিকা বেশ ঝলকে উঠল।

আমি আর কথা বাড়ালাম না। উনার সাথে তর্ক করা,- বা যুক্তি দিয়ে বুঝাতে যাওয়া অর্থহীন মনে হল। তিনি নিজেই যেহেতু একটা সিদ্ধান্তে পৌঁছে গেছেন,- যেহেতু উনার অহং বেশ কঠিন হয়ে আছে,- তাই উনার কথার পিঠে আমি সাথে সাথে কথা না বাড়িয়ে অন্যভাবে কথা বলতে শুরু করলাম।

একটু পর উনার স্ত্রী বললেন,-" দাদা, আমার ছেলেটাকে একটা সাইকিয়াট্রিস্ট দেখাতে হবে। আপনার পরিচিত কোন ভাল সাইকিয়াট্রিস্ট আছে?"

-" কেন? কি হয়েছে তার?"

-" আমার ছেলের বয়স ২০ বৎসর। সে কারো সাথে কথা বলেনা, রাতে ঘুমায় না, কোথাও যায়না৷ সারাদিন তার ঘরে দরজা জানালা বন্ধ করে অনলাইনে ভিডিও গেইম খেলে। এই গেইম খেলে খেলে প্রচুর টাকা পয়সা নষ্ট করছে৷ কিছু বললেই প্রচন্ড রেগে যায়। খাওয়া দাওয়া অব্দি ভুলে যায় ভিডিও গেইম খেলতে খেলতে। ফ্রী ফায়ার নামে একটা ভিডিও গেইমে সে মারাত্মক ভাবে আসক্ত হয়ে গেছে। "

ছেলেটির মায়ের এই করুন কষ্টের কথাগুলো শুনতে শুনতে ছেলেটির বাবার দিকে তাকাচ্ছিলাম,- সেই মুহুর্তে মরুদেশের সেই শিয়ালটির কথা খুব মনে পড়ছিল।

আমাদের প্রত্যেকের জীবনেই সেই মরুদেশের শিয়ালের মত দুর্দশা হতে পারে। ভোগের নেশায়, লোভের আবেশে, ক্ষমতার মত্ততায় আমাদের বোধশক্তি ভীষণ রকম অসার হয়ে যায় প্রায়শ:। আমি যে ধ্বংসের সামনে দাঁড়িয়ে আছি,- তা অনুভব করার মত বোধ-জ্ঞান এক্কেবারেই হারিয়ে যায়। দৃষ্টি শুধু ভোগ্য বস্তুতেই নিবদ্ধ থাকে,- আর কিছু দেখতেই পায়না তখন।

সেই মুহুর্তেই প্রয়োজন একজন গাইড, গুরু, অভিভাবক, শাসক বা নিয়ন্ত্রক,- যিনি আমার বোধের আচ্ছন্নতা কাটিয়ে দেবেন, আমায় ধাক্কা দিয়ে ধ্বংস হতে সরিয়ে দেবেন, বিপাক পথে হাত ধরে চলা শেখাবেন। তিনিই সদগুরু বা আচার্য্য।

নিত্য ইষ্টভৃতি করলে, নিত্য নামধ্যান করলে, ইষ্টকাজে ব্যাপৃত থাকলে, আচার্য্য সঙ্গ করলে মাথায় গুরুর চিন্তা সক্রিয় থাকে। গুরু আমার চিন্তায়-ধ্যানে নিত্য অবস্থান করেন। আমার বোধ তিনি জাগিয়ে রাখেন, আমায় প্রবৃত্তির আবেশ থেকে টেনে বের করে আনেন। আমি ধ্বংস মুখ হতে ফিরে আসি,- জীবনের পথে চলার অগ্রগতি অব্যাহত থাকে।

তাই সদগুরুর দীক্ষা সকলের জীবনেই অনিবার্য।
******************
ডা: রাজেশ চৌধুরী
আগরতলা
০৫-০৫-২৪

বয়সটা যখন কাজের অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়, তখন ভবিষ্যতের জন্য অপেক্ষা করাটাই কর্মে পরিণত হয়। আর ভেঙ্গে পড়ার কোন কারণ নেই ৪ বছ...
02/05/2024

বয়সটা যখন কাজের অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়,
তখন ভবিষ্যতের জন্য অপেক্ষা করাটাই কর্মে পরিণত হয়।

আর ভেঙ্গে পড়ার কোন কারণ নেই ৪ বছর বয়স থেকে যদি ২৪ হয়েছে, তাহলে ২৪ থেকে ৪৮ হবে,৪৮ থেকে ৮৮ও হবে।

তফাৎ এখানে যেদিন ৮৮হবে, সেদিন আজকের প্রবীণরা আজকের ভবিষ্যৎ প্রবীণকে প্রবীণ হিসাবে দেখবে না।

তাই বয়স দেখে লাভ নেই যোগ্যতাটাই আসল বিষয়।
কারণ যাত্রী হিসেবে যখন গাড়িতে উঠি ড্রাইভারকে তখন তার বয়স আর গাড়ি চালানোর অভিজ্ঞতা সম্বন্ধে প্রশ্ন করি না। তাকে প্রশ্ন করি গাড়িতে বসার জন্য আমার প্রয়োজনীয় সিট আছে কিনা, আর গন্তব্যে পৌঁছে দিবে কিনা, এটাই আমার বিষয় থাকে।

30/04/2024

 #চরনামৃত_ও_ভাতের_দলার_প্রসাদ শ্রীশ্রীঠাকুর চৌবাচ্ছায় স্নান করতেন। একদিন তিনি স্নান সেরে বসে আসেন,- দেখলেন একজন মা সেই চ...
01/05/2024

#চরনামৃত_ও_ভাতের_দলার_প্রসাদ
শ্রীশ্রীঠাকুর চৌবাচ্ছায় স্নান করতেন। একদিন তিনি স্নান সেরে বসে আসেন,- দেখলেন একজন মা সেই চৌবাচ্ছা থেকে বোতল ভর্তি করে জল নিয়ে যাচ্ছেন।

শ্রীশ্রীঠাকুর জিজ্ঞেস করলেন-" কিরে,- কি নিয়ে যাস বোতলে করে?"

মা' টি বিব্রত হয়ে উত্তর দিলেন,-" ঠাকুর চৌবাচ্ছা থেকে আপনার স্নানজল নিয়ে যাই। "

-" কেন? কি করবি তা দিয়ে?"

-" ঠাকুর,- এই জল তো আপনার চরন ধোঁয়া জল। এই পবিত্র জলে অনেক অসুখবিসুখ সেরে যায়, সকলের মঙ্গল হয়। "

শ্রীশ্রীঠাকুর খুব বিরক্ত হয়ে বললেন,-" যদি সত্যি সত্যি আমার স্নানজল বা চরন ধোঁয়া জলে তোমাদের মঙ্গল হত, অসুখবিসুখ সেরে যেত তাহলে আমি সারাদিন শুধু স্নান করতাম আর তোমাদের সকলকে সেই জল বিলাতাম।

কিন্তু মনি,- তা কখনো হয়না। আমি যা বলি সেগুলো যদি কাঁটায় কাঁটায় পালন না কর, আমার বলাগুলো যদি তোমার জীবনে ফুটিয়ে না তোল,- তবে এই চরন ধোয়া জল কখনো তোমার ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারবে না। "
( ঘটনাটা একজন ভক্তদাদার কাছে শোনা। তাই ঘটনা ও কথোপকথনগুলো হুবুহু বইয়ে উল্লেখিত ঘটনার সাথে নাও মিলতে পারে।)

পরমপূজ্য শ্রীশ্রীআচার্য্যদেবও বলেন,-" আমার যদি সেই ক্ষমতা থাকত যে আমি একটু ছুঁয়ে দিলে কারো রোগ সেরে যায় তবে আমার ছেলের অসুস্থতার সময় তাকে ডাক্তারের কাছে না নিয়ে মাথায় হাত বুলিয়ে দিতাম। কলমটা আমি একটু ছুঁয়ে দিলে যদি কারো পরীক্ষায় ভাল ফল হত তবে আমার ছেলের পরীক্ষার সময় তার কলমটা ছুয়ে দিতাম। পড়াশোনা না করেই সে পাশ করে যেত।"

শ্রীশ্রীঠাকুর এবং শ্রীশ্রীআচার্য্যদেব কখনোই এইসব বুজরুকি, অলৌকিকতা, ছু-মন্তরে প্রশ্রয় দেননা। কিন্তু আমরা দীর্ঘদিনের অভ্যস্ত ভুল সংস্কার থেকে বেরুতে পারিনা।

শ্রীশ্রীঠাকুর বলেন,- চরনপূজা নয়,- চলন পূজা। অর্থাৎ গুরুর চলন অনুসরণ করাই প্রকৃত গুরুসেবা৷ গুরুর পদসেবা করা অবশ্যই পরমসৌভাগ্যের ব্যাপার,- কিন্তু চলনপূজা ছাড়া এই পদসেবা বা চরনামৃত সেবন নিরর্থক।

গুরুদেবের পা-ধোঁয়া জল সেবন করা কোন প্রকৃত গুরু প্রশ্রয় দেননা। তা অস্বাস্থ্যকর,- সেই জলের মাধ্যমে বহু রোগ সংক্রমিত হতে পারে। যিনি চরনামৃত বানাচ্ছেন তিনি যদি সদাচারী না হন, তার হাতের চামড়ায় যদি কোনপ্রকার রোগ থাকে বা ব্যাবহৃত জল যদি পরিচ্ছন্ন না হয়,- তবে সেই জল সেবন করার ফলে অনেকেই রোগাক্রান্ত হতে পারে।

তেমনি একজনের মাখা ভাতের দলা জনে জনে প্রসাদ হিসাবে বিলি করা স্বাস্থ্যকর নয়। যিনি এই ভাত মাখছেন তিনি সদাচারী কিনা তা বিচার্য বিষয়। তিনি পায়খানা সেরে যথাযথভাবে শৌচ করেন কিনা, পেচ্ছাব করার পর জল ব্যাবহার করেন কিনা-হাত ধোঁয়ার অভ্যাস আছে কিনা, নাকেমুখে হাত দিয়ে হাত ধোঁয়ার অভ্যাস আছে কিনা, সর্দি ঝেড়ে হাত ধোঁয়ার অভ্যাস আছে কিনা, তার কোন সংক্রামক ব্যাধি আছে কিনা.. এইসব কিছু যাচাই না করে যারতার হাতে মাখা ভাত ভক্তিভরে গ্রহন করা রোগব্যাধিকেই আমন্ত্রন করার সামিল।
*******************
ডা: রাজেশ চৌধুরী
আগরতলা
০১-০৫-২৪

Address

Basirhat/Taranipur
Swarupnagar
743286

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Malangapara Satsang Upasana Kendra posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share