Siddheshwari Kalibari , Pradhan Nagar , Siliguri

Siddheshwari Kalibari , Pradhan Nagar , Siliguri Dear Devotees
I have created a FB Page to share Mandir n Ma Kali related informations from sources.

আজ বন্দেমাতরম্ মন্ত্রের ঋষি বঙ্কিমচন্দ্রের প্রয়াণদিবস। আজ দর্শন করুন গঙ্গাসাগরের নিকটবর্তী পূর্ব মেদিনীপুরের মা কপালকুণ...
09/04/2026

আজ বন্দেমাতরম্ মন্ত্রের ঋষি বঙ্কিমচন্দ্রের প্রয়াণদিবস। আজ দর্শন করুন গঙ্গাসাগরের নিকটবর্তী পূর্ব মেদিনীপুরের মা কপালকুণ্ডলা কালী।

কাঁথির খুব কাছেই (১২ কিমি) বগুড়ান জলপাই সমুদ্র সৈকত থেকে পেটুয়াঘাট মৎস বন্দর অবধি সমুদ্র সৈকত বরাবর একটা বাঁধ আছে। ওই বাঁধের গায়েই জুনপুট সৈকত, বাঁকিপুট সৈকত ছাড়িয়ে একটু এগোলেই এই কপালকুণ্ডলা কালী মন্দির অবস্থিত।

এই কপালকুণ্ডলা কালী মন্দির চত্বরে আরো দুটো দর্শনীয় জিনিস আছে। কালী মন্দিরের পিছনেই বঙ্কিমচন্দ্রের স্মৃতিবিজড়িত একটা বেদী আছে। তার পিছনেই একটা বড় শিব মন্দির আছে। ওই শিব মন্দিরটা "সদাশিবের মন্দির" নামে পরিচিত।

কপালকুণ্ডলা উপন্যাস বাঙালির অতি পরিচিত। নবকুমার, কপালকুণ্ডলা ও কাপালিকের সেই কাহিনীর উপাদান বঙ্কিমচন্দ্র এখান থেকে সংগ্রহ করে থাকতে পারেন। তন্ত্রে কপালকুণ্ডলা মা কালীর অত্যন্ত প্রাচীন নাম। মা ঘন মেঘের মতো বর্ণ ধারণ করে নরকপালের মালা পরিধান করে তাণ্ডবনৃত্য করছেন, দেখে মনে হচ্ছে নীলাকাশে বলাকার দল উড়ছে। এমন বর্ণনা কালিদাসের রঘুবংশ, কুমারসম্ভবে পাওয়া যায়। আবার মায়ের এই কপালমালা ধারণ করে বলাকিনী রূপ অতীতের বলাকামুখী মাতৃকার আবহমান সাধনার দিকেও ইঙ্গিত করে।

সব মিলিয়ে মাতৃসাধনার সুপ্রাচীন ঐতিহ্য থেকে আধুনিক যুগের ঋষি বঙ্কিমের মননের জগত পর্যন্ত বাঙালির ইতিহাসের অনেক অধ্যায় জড়িয়ে আছে মা কপালকুণ্ডলা কালীর সাথে।

জয় জয় মা
কালীক্ষেত্র আন্দোলন

তথ্য : সুমন ঘোষ ও তমাল দাশগুপ্ত মহাশয়
লেখায় রক্তিম মুখার্জী

বঙ্কিমচন্দ্রের যুবক বয়সের বিরল ছবিটি তমাল দাশগুপ্ত Tamal Dasgupta পেজ থেকে প্রাপ্ত।

আজ জানব দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার ছিন্নমস্তা কালী মন্দিরের কথা।  প্রায় ৫০ বছর আগের কথা। মৃৎশিল্পী নিমাই মালাকার তখন সবে কাজ...
14/01/2026

আজ জানব দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার ছিন্নমস্তা কালী মন্দিরের কথা।

প্রায় ৫০ বছর আগের কথা। মৃৎশিল্পী নিমাই মালাকার তখন সবে কাজ শুরু করেছেন। একদিন তিনি কাজের কারণে এক স্থানে গিয়ে মা ছিন্নমস্তার একটি ছবি দেখেন।
সেদিন রাতে সেই দেবীর রূপ নিমাই মালাকার স্বপ্নে দর্শন করেন আর জানতে পারে সেই দেবীর নাম দেবী ছিন্নমস্তা কালী।

তার পরে মা ছিন্নমস্তা আদেশ দেন তাঁর পূজা করার। নিমাই মালাকার জানান তাঁর এখন তো সামর্থ নেই। আর বলেন: মা আমার সামর্থ হলে তোমাকে পূজো দেবো। তুমি আশীর্বাদ করো ।

বেশ কিছু বছরের মধ্যে নিমাই মালাকারের আর্থিক অবস্থার উন্নতি হলে ১৯৮৯ সালে মার পুজো শুরু হয় চৈত্র মাসের অমাবস্যা তিথিতে।
এই ভাবে চলে আসছে মার পুজো এখনো।

মায়ের মূর্তি তন্ত্রে বর্ণিত মা ছিন্নমস্তার। মা নিজের মস্তক নিজের বাম হাতে ধারণ করে নিজের রুধিরধারা পানে মত্ত। তাঁর ডান হাতে খড়্গ। কন্ঠে মুণ্ডমালা। তাঁর দুই পাশে ডাকিনী ও বর্ণিনী রুধিরের অন্য দুই ধারা পান করছেন। মা পদতলে রতিমগ্ন ভৈরব ও কালরাত্রিকে দলন করছেন। তাঁর চরণের পাশে অধিষ্ঠান করছেন তিন মাতৃকা।

ছিন্নমস্তার বহুলপ্রচলিত রূপে মাতৃকা তাঁর পদতলে মিলনরত নারীপুরুষকে দলিত করেন। প্রকৃতির সমান (বা প্রকৃতির থেকে শ্রেষ্ঠ) পুরুষ কিম্বা প্রকৃতি পুরুষের মিলনে সৃষ্টির যে অর্বাচীন তত্ত্ব, যা আদি তন্ত্র ও সাংখ্যের প্রকৃতিপ্রাধান্যকে বিকৃত করে, সেই অর্বাচীন ও বিকৃত তত্ত্বকে দলন করেন দেবী এই রূপে।

প্রকৃতি একক স্রষ্টা, প্রকৃতি একক জগদকারণ। নারী পুরুষ জীব জড় নির্বিশেষে সবাই তাঁর অংশ। তাঁর স্বামী কল্পনা অন্যায়, অপ্রয়োজনীয় এবং তন্ত্রের বিকৃতি। প্রকৃতিমাতৃকাশক্তি একক, তিনিই সৃষ্টি করেন, তিনিই ধ্বংস করেন, আদিতে তিনি ব্যতীত কিছু ছিল না, অন্তে তিনি ব্যতীত কিছু থাকবে না।

পালযুগে বাঙালির আবহমানকালের তন্ত্রাশ্রয়ী মাতৃধর্মে বজ্রযোগিনীর উপাসনা অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল। পালযুগের বাঙালির আন্তর্জাতিক খ্যাতি ছিল, সর্বভারতীয় সাম্রাজ্য ছিল, ফলে বজ্রযোগিনী উপাসনাও সারা এশিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছিল। আজকের বাঙালির মধ্যে যে মা কালীর প্রাধান্য, সেই ইতিহাসে পালযুগের বজ্রযোগিনী উপাসনা বিশেষ ভূমিকা পালন করেছিল সন্দেহ নেই। পালযুগের তন্ত্রধর্মে সহজ আন্দোলন থেকে সেনযুগে শাক্তধর্মের উত্থান ঘটে, এই সেনযুগেই দশমহাবিদ্যা তত্ত্ব নির্মিত হয়েছিল। বজ্রযোগিনী সেখানে দশম মহাবিদ্যা ছিন্নমস্তা রূপে পূজিত হতে থাকেন। সমস্ত কালীপুজোয় মায়ের দুইদিকে ডাকিনী যোগিনী এই বজ্রযোগিনী মূর্তিমণ্ডলেরই স্মৃতিবাহী। এই বজ্রযোগিনী মূর্তির একটি নির্দিষ্ট রূপ হল নারোডাকিনী, যেখানে মায়ের প্রতিমামণ্ডলের নীচে মৈথুনরত নারী পুরুষ পদদলিত হয়। বর্তমানে বজ্রযোগিনী/ছিন্নমস্তা রূপে এই নারোডাকিনী প্রভাব দেখা যায়। পালযুগে গুহ্য তান্ত্রিকদের অসামাজিক অতিযৌনাচার দমন ও দলন করার নির্দেশ দিতে সহজ আন্দোলনের হোতা নারোপা একাদশ শতকে এই নারোডাকিনীর পূজা প্রচলন করেছিলেন। কথিত আছে এই রূপে মা বজ্রযোগিনী ছিন্নমস্তা স্বয়ং নারোপাকে দর্শন দিয়েছিলেন।

জয় মা কালী
কালীক্ষেত্র আন্দোলন

ছবি কৃতজ্ঞতা অরুণাভ দত্ত
তথ্য কৃতজ্ঞতা অরুণাভ দত্ত, তমাল দাশগুপ্ত Tamal Dasgupta ফেসবুক

05/11/2025
আজ আলোচনা করব মুর্শিদাবাদের বহরমপুর সংলগ্ন বিষ্ণুপুরের বিখ্যাত কালীক্ষেত্র করুণাময়ী কালীবাড়ি নিয়ে। এখানকার সুপ্রাচীন ...
20/06/2025

আজ আলোচনা করব মুর্শিদাবাদের বহরমপুর সংলগ্ন বিষ্ণুপুরের বিখ্যাত কালীক্ষেত্র করুণাময়ী কালীবাড়ি নিয়ে। এখানকার সুপ্রাচীন মা কালী বিষ্ণুপুরের কালী নামেই অধিক প্রসিদ্ধ। বহরমপুর অঞ্চলের সাতটি কালীপীঠের মাকে একত্রে পাঁচবোন বলা হয়। তাঁরা হলেন কৃপাময়ী, দয়াময়ী, করুণাময়ী, মঙ্গলময়ী, আনন্দময়ী, ব্রহ্মময়ী ও জয় কালী। বিষ্ণুপুরের করুণাময়ী কালী এঁদেরই অন্যতম। বহরমপুর এবং খাগড়া রেলস্টেশন থেকে অটো বা ভ্যানগাড়িতে সহজেই পৌঁছানো যায় এই প্রাচীন কালীক্ষেত্রে। এছাড়া শিয়ালদহ লালগোলা লাইনের কাশিমবাজার রেলস্টেশন এই পীঠের কাছেই অবস্থিত।

করুণাময়ী বিগ্রহ এবং তাঁর ইতিহাস বড়ো বিচিত্র। জনশ্রুতি অনুযায়ী ইনি দাক্ষিণাত্যের কোনো রাজার উপাস্য মাতৃকা ছিলেন। যবন আক্রমণের সময় মায়ের বিগ্রহ জলে বিসর্জন দেওয়া হয়। তারপর নানা ঘটনা পরম্পরার মধ্যে দিয়ে সেই মাতৃমূর্তি এসে পৌঁছায় বিষ্ণুপুরের সুবিশাল বিলে; যেটি গঙ্গার এক অত্যন্ত প্রাচীন প্রবাহের শেষ চিহ্ন।
এই অশ্বক্ষুরাকৃতি হ্রদটি মুর্শিদাবাদের এক বিশাল অঞ্চলের জীবনযাত্রার সাথে নিবিড়ভাবে সংযুক্ত এবং একাধিক প্রাচীন জনপদ, বাণিজ্যকেন্দ্র ও তন্ত্রপীঠ এই বিলের চারিধারে আজও আছে। অষ্টাদশ শতকে কৃষ্ণেন্দ্র( মতান্তরে কৃষ্ণচন্দ্র) হোতা নামে এক তন্ত্রসাধক এই অঞ্চলে থাকতেন এবং নবাব সরফরাজ খাঁর প্রশাসনিক বিভাগে কাজ করতেন। আর কাজের পর প্রতিদিন এই বিষ্ণুপুরের বিলের তীরের মহাশ্মশানে সাধনা করতেন। তাঁর মেয়ে করুণাময়ী এই বিলের জলে রহস্যজনকভাবে অন্তর্হিত হয়ে গেলে তার অনুসন্ধান করতে গিয়ে সাধক এই মাতৃমূর্তি অর্ধপ্রোথিত অবস্থায় খুঁজে পান। মা আজও সেইভাবে পূজিত হচ্ছেন। বিষ্ণুপুরের বিল সেই থেকে হোতাসাগর নামে পরিচিত।
পরবর্তী সময়ে এই অঞ্চলের এক মহামারীর সময়ে মাতৃ আদেশে মহাসাধক বামাক্ষ্যাপা এখানে এসে মা করুণাময়ীর সাধনার ধারাটির পুনরুদ্ধার করেছিলেন বলেও জানা যায়।

করুণাময়ী কালী কষ্টিপাথরের বিগ্রহ। তিনি চতুর্ভুজা, লোলরসনা, মুণ্ডমালিনী। মূর্তির নির্মাণশৈলীতে আদি মধ্যযুগের প্রাচীনত্বের ছাপ স্পষ্ট। মাতৃবিগ্রহ কোমর পর্যন্ত দেখা যায়। তার নিচের অংশ ভূগর্ভে প্রোথিত। দীর্ঘদিন ধরে এখানে তন্ত্রসাধনার ধারা বিদ্যমান ছিল। মন্দির সংলগ্ন মহাশ্মশান মুখরিত হতো সাধক সোনাঠাকুর এবং সমতুল্য অন্যান্য সাধকদের মাতৃনামগানে:
জাগো গো মা কুণ্ডলিনী মূলাধার নিবাসিনী
নিত্যানন্দস্বরূপিণী ছাড়ো ব্রহ্মগ্রন্থিদ্বার....
স্বাধিষ্ঠান মণিপুর অনাহত বিশুদ্ধায়
ললনাজ্ঞা ভেদি মন পিত্তসোম স্নেহাধার
মিলিয়ে পরমে এবে কুলকুণ্ডলিনী তবে
শোভি কেন্দ্র সহস্রারে হও মাগো একাকার

কখনও ধ্বনিত হতো মহাসাধক নাটোররাজ রামকৃষ্ণের পদ:
মন যদি যায় ভুলে
তবে বালির শয্যায় কালীর নাম দিও কর্ণমূলে
কিম্বা
ভবে সেই সে পরমানন্দ
যে জন পরমানন্দময়ীরে জানে
সে না যায় তীর্থ পর্যটনে
কালী ছাড়া কিছু শোনে না কানে

এইভাবে কালীসাধনার সুদীর্ঘ ঐতিহ্য বহন করে চলেছে বিষ্ণুপুরের হোতাসাগর বিলের ধারে করুণাময়ী কালীবাড়ি। প্রতি বছর পৌষমাসে এখানে একমাস ধরে মেলা চলে। অগণিত মানুষ আসেন করুণাময়ীর করুণা লাভ করে ধন্য হতে।আজও মুর্শিদাবাদ এবং বীরভূম অঞ্চলের মানুষের কাছে বিষ্ণুপুর কালীবাড়ি প্রধানতম কালীক্ষেত্রগুলির একটি।

জয় জয় মা কালী

© কালীক্ষেত্র আন্দোলন

সমরনায়ক দানবদলনী মা কালী। "যুদ্ধকালে সেনাপতি কালী..."★ ভারতচন্দ্র লিখে গেছেন, যুদ্ধকাল উপস্থিত হলে যশোরসম্রাট প্রতাপাদিত...
18/02/2025

সমরনায়ক দানবদলনী মা কালী। "যুদ্ধকালে সেনাপতি কালী..."

★ ভারতচন্দ্র লিখে গেছেন, যুদ্ধকাল উপস্থিত হলে যশোরসম্রাট প্রতাপাদিত্যের সেনাবাহিনীর নেতৃত্ব দিতেন কালী স্বয়ং। "যুদ্ধকালে সেনাপতি কালী"। যদিও এক্ষেত্রে একটা pun আছে, প্রতাপের একজন সমরনায়কের নাম ছিল কালী। কিন্তু মা কালীর ভক্ত ছিলেন প্রতাপাদিত্য অতএব তাঁর সেনাবাহিনী মা কালীর দ্বারা পরিচালিত হত এরকম কবিকল্পনা যথার্থ।

★ প্রতাপাদিত্য ছাড়াও মধ্যযুগে বারোভুঁইয়াদের মধ্যে অনেকেই কালীভক্ত ছিলেন। চাঁদ রায়-কেদার রায় অন্যতম। এছাড়া মধ্যযুগের শেষের দিকে আরেকজন বিদ্রোহী রাজা সীতারামও মা কালীর উপাসক।

★ প্রাচীন যুগে দেখি, মহাভারতে পাণ্ডবদের যুদ্ধশিবিরে যখন অশ্বত্থামা হত্যাকাণ্ড চালাচ্ছিলেন তখন সেখানে কালীর আবির্ভাব ঘটে। কালী সেখানে বুভুক্ষু চামুণ্ডার ন্যায়, পাশহস্তে অতি ভীষণ রব করছেন। ভৈরব-ভৈরবীর অর্থই তাই, যিনি ভীষণ রব করে চতুর্দিক প্রকম্পিত করেন। সেযুগে যুদ্ধক্ষেত্রে ভয়ানক নিনাদ করে শত্রুদের অবসন্ন করার প্রথা ছিল।

★ শ্রীশ্রী চণ্ডীতেও দেখি, যুদ্ধক্ষেত্রে কালীর আবির্ভাব, তিনি বৈরী অসুরদের রক্তপান করেন, রক্তবীজ প্রজাতির অসুরদের নির্মূল করেন।

★ আধুনিক যুগেও দেখি, বাঙালি জাতির মধ্যে মা কালীর সমরনায়কত্ব অব্যাহত। অগ্নিযুগের বিপ্লবীরা যে বন্দে মাতরম মন্ত্রে অগ্নিদীক্ষা পেতেন, সে মন্ত্র বঙ্কিম মূলত মা কালীর উদ্দেশ্যে রচনা করেন, লালগোলার শিকলকালী মন্দিরে। বাঙালি বিপ্লবীরা মা কালীর সামনে শপথগ্রহণ করতেন এবং বিপ্লবের দীক্ষা পেতেন।

তথ্যসূত্র -তমাল দাশগুপ্ত Tamal Dasgupta ফেসবুক পেজ

জয় জয় মা। তোমারই প্রতিমা গড়ি মন্দিরে মন্দিরে।

কালীক্ষেত্র আন্দোলন

আজ কালীক্ষেত্র পেজে রইল উত্তর চব্বিশ পরগনার এক জাগ্রত কালীক্ষেত্রের কথা।শিয়ালদহ-বনগাঁ রেলপথের গোবরডাঙায় 1888 সালে বাংলা ...
28/01/2025

আজ কালীক্ষেত্র পেজে রইল উত্তর চব্বিশ পরগনার এক জাগ্রত কালীক্ষেত্রের কথা।

শিয়ালদহ-বনগাঁ রেলপথের গোবরডাঙায় 1888 সালে বাংলা নববর্ষের দিন স্থানীয় জমিদার কালীপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায় এই কালীমন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠাতার নাম অনুযায়ী মায়ের নাম রাখা হয় মা প্রসন্নময়ী কালী।

উঁচু বেদির উপর তৈরী এই মন্দির দক্ষিণমুখী। গর্ভগৃহে রয়েছে শ্বেতপাথরের বেদীর উপর অবস্থিত কালীমূর্তি উচ্চতায় আড়াই ফুট, কষ্টিপাথর দিয়ে তৈরি। মা কালীর পদতলে শায়িত শবশিব শ্বেতপাথরের। মা এখানে সোনা-রুপোর অলঙ্কারে সুসজ্জিতা। নিত্যভোগ ও সন্ধ্যারতি ছাড়া প্রতিবছর নববর্ষ, শারদীয়ার অষ্টমী, কার্তিক অমাবস্যা এখানে ধুমধাম করে পূজা হয়। আর, প্রতি শনি-মঙ্গলবারে হয় বিশেষ পূজা। চৈত্র সংক্রান্তিতে মন্দিরের সামনে মেলাও বসে। স্থানীয় মানুষের কাছে মা প্রসন্নময়ী রক্ষয়িত্রী, অভিভাবিকা, যিনি ভক্তের প্রার্থনা পূর্ণ করেন।

ছবিতে এই মন্দিরের মা কালী। (ছবি সংগৃহীত)

জয় মা কালী! জয় জয় মা!

The Mahakali temple famous as Bawe Wali Mata Temple in Jammu has been built on an elevated platform and houses a black s...
22/01/2025

The Mahakali temple famous as Bawe Wali Mata Temple in Jammu has been built on an elevated platform and houses a black stone coloured idol of the Goddess Mahakali.

Kali Mata Mandir is built within the premises of Bahu Fort, which overlooks the mighty Tawi River. The surrounding forest area has been converted into a beautiful park known as the “Bagh-e-Bahu”. Influenced by the Mughal gardens, the park provides a fantastic view of Jammu city.

A newly constructed aquarium is also an added tourist attraction. The fort was built by Raja Bahulochan around 3000 years ago.

Kali Pujo timings shared here with. Please visit Mandir to take blessings from Ma Kali ..🙏🏻🙏🏻
26/10/2024

Kali Pujo timings shared here with. Please visit Mandir to take blessings from Ma Kali ..🙏🏻🙏🏻

আজ কালীক্ষেত্র পেজে এমন একটি কালীমন্দিরের কথা বলব যার অবস্থান আমাদের মাতৃভূমি থেকে বহু দূরে; সুদূর গ্রেট ব্রিটেনে। সেটি ...
30/07/2024

আজ কালীক্ষেত্র পেজে এমন একটি কালীমন্দিরের কথা বলব যার অবস্থান আমাদের মাতৃভূমি থেকে বহু দূরে; সুদূর গ্রেট ব্রিটেনে। সেটি হল ওয়ালসের কার্মার্থেনশায়ারের স্কন্দ ভ্যালির মহাশক্তি মন্দির।

তন্ত্র ও মাতৃসাধনা প্রাচীন পৃথিবীর প্রথম বিশ্বজনীন ধর্ম। যিনি বাক্য মনের অতীত পরম তত্ত্ব, যিনি আদি জগতকারণ প্রকৃতি, তাঁকেই আমরা ধ্যানের সুবিধার্থে মা বলি। সুমের, মিশর, হরপ্পা, গ্রীস, কেল্টিক এই সমস্ত সভ্যতার প্রধান সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য মাতৃসাধনার ধারা। আজ আধুনিক বিশ্বে আমরাই সেই মাতৃপূজার ধারার শেষ উত্তরসূরি।

পাশ্চাত্যের সভ্যতা বহুদিন ধরেই তন্ত্রের বিষয়ে আকৃষ্ট হয়েছে। ঔপনিবেশিক শাসনকাল শুরু হওয়ার আগে থেকেই কলকাতায় মা ফিরিঙ্গি কালী পূজিত হচ্ছেন। ইস্ট ইণ্ডিয়া কোম্পানির কর্তাদের কালীঘাটে পুজো দেওয়ার নথিবদ্ধ বিবরণ আছে। এছাড়া শিবচন্দ্র বিদ্যার্ণবের শিষ্য স্যার জন উড্রফের আর্থান অ্যাভালন ছদ্মনামে তন্ত্রের বহু গ্রন্থের সম্পাদনা এবং গবেষণা তো বিশ্ববিখ্যাত।

ইংল্যান্ডের এই স্কন্দ ভ্যালি ১৯৭৬ সালে স্বামী সুব্রহ্মনিয়ম প্রতিষ্ঠা করেন। প্রথমে এখানে মুরুগন স্বামী অর্থাত কার্ত্তিকের পূজা শুরু হয়। ১৯৯১ সালে প্রতিষ্ঠা হয় মহাশক্তি মন্দির। এখানে কেন্দ্রীয় বিগ্রহ মা কালী। তাঁর চারপাশে মণ্ডল রচনা করে আছেন লক্ষ্মী, পট্টিনী, সরস্বতী, মা মেরী এবং বিভিন্ন ধর্মের উপাস্য মাতৃকাগণ।
এখানে মা কালীর ছয় ফুট উচ্চতার মূর্তিটি দাক্ষিণাত্যের শৈলীতে নির্মিত। প্রসঙ্গত বলে রাখা দরকার পালযুগের বাঙালিরা মা কালীর যে রূপ পূজা করতেন; সেই রূপই দাক্ষিণাত্যে পূজিত হয়।

মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা স্বামী সুব্রহ্মনিয়ম ১৯৮৫ সাল থেকে স্বপ্নে মা কালীর দর্শন পেয়ে এই মন্দির নির্মাণ করেছেন। এই মন্দিরে বলিদান হয় না। আমিষ খেলে পরের তিনদিন মন্দিরে ঢোকা যায় না। তবুও আমাদের মাতৃভূমি থেকে এত দূরে মায়ের এই মন্দির সত্যিই এক প্রশংসনীয় উদ্যোগ। এখানে মায়ের মূল ভক্ত প্রবাসী বাঙালি ও গুজরাটিরা।

প্রতিদিন ভোর সাড়ে ছয়টা থেকে সন্ধ্যে ছয়টা পর্যন্ত মন্দির খোলা থাকে। মায়ের আরতি, অষ্টোত্তরশতনাম পাঠ করা হয়। ভক্তরা দর্শন করেন। প্রসাদ গ্রহণ করেন।

ইউরোপের বিভিন্ন দেশে এবং আমেরিকায় মাতৃধর্ম সম্পর্কে আগ্রহ দেখলে অবাক হতে হয়। তন্ত্র এবং শাক্ত ধর্মের ইতিহাস নিয়ে পশ্চিমের বিশ্ববিদ্যালয়ে যে কাজ হয়েছে ও হচ্ছে, তার এক শতাংশ আমাদের দেশে হয় না, যা লজ্জার। কিছুদিন আগে ব্রিটিশ মিউজিয়ামে তন্ত্র ইতিহাস বিষয়ক একটি প্রদর্শনী আয়োজিত হয়েছিল, যেখানে কেন্দ্রে রাখা হয়েছিল উনিশ শতকের কৃষ্ণনগরে তৈরি এক মৃন্ময়ী কালীমূর্তি।

তন্ত্রের ইতিহাস অবৈদিক, যা পশ্চিমে স্বীকৃত। মাতৃকার আদি ধর্মের প্রত্নতত্ত্ব যেভাবে পশ্চিমে আলোচিত, পৌরাণিক গ্রন্থে এবং পরবর্তী যুগে তন্ত্রশাস্ত্রের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে যেভাবে জগন্মাতার চিত্র বিবর্তিত হল, সেই গবেষণা পশ্চিমে হয়েছে যেভাবে, তার জুড়ি নেই।

পাশ্চাত্যে তন্ত্রের প্রতি এই আগ্রহের প্রেক্ষাপটেই স্কন্দ ভ্যালির মহাশক্তি মন্দির আমাদের মাতৃপূজক ধর্মের এক ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। প্রবাসের এই কালীক্ষেত্র থেকে আজকের শিকড়বিচ্ছিন্ন বাঙালির শিক্ষা নেওয়া উচিত কিভাবে তার নষ্ট অতীতের পুনরুদ্ধার করে মাতৃনামের ধ্বনি তুলতে হয়।

জয় মা কালী

কালীক্ষেত্র আন্দোলন

Address

2/6, Nivedita Road, Pradhan Nagar
Siliguri
734403

Opening Hours

Monday 10am - 11am
6pm - 7pm
Tuesday 10am - 11am
6pm - 7pm
Wednesday 10am - 11am
6pm - 7pm
Thursday 10am - 11am
6pm - 7pm
Friday 10am - 11am
6pm - 7pm
Saturday 10am - 11am
6pm - 7pm
Sunday 10am - 11am
6pm - 7pm

Telephone

+919811076657

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Siddheshwari Kalibari , Pradhan Nagar , Siliguri posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Siddheshwari Kalibari , Pradhan Nagar , Siliguri:

Share