সুত্রাগড় বুড়ো বারোয়ারী সম্বন্ধে :➖
"সুত্রাগড় বুড়ো বারোয়াড়ী" সূত্রগড় তথা শান্তিপুরের সর্ব প্রথম প্রাচীন দুর্গা বারোয়াড়ী। পুণ্যতােয়া ভাগীরথী কুলু কুলু বহে । শান্তিপুর-গুপ্তিপাড়া দুই তটে রহে ।। শান্তিপুরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও ধর্মীয় পরিবেশে নদীয়া তথা বাংলার শ্রেষ্ট। আর এই শান্তিপুরের সুত্রাগড় অঞ্চলে "সুত্রাগড় বুড়ো বারোয়রী" অবস্তিত । এটি সূত্রগড় তথা শান্তিপুরের সর্ব প্রথম প্রাচীন দুর্গা বা
রোয়ারী । আমাদের এই মন্দিরে প্রতি বছর দূর্গা পূজার সময় সচাল্চিত্রে সুসজিত দেবী দূর্গা ষষ্টী, সপ্তুমী ,অস্টুমী , নবমী এবং দসূমী তিথি পূজিত হয়। দসূমী তিতিথে দেবীর শোভাযাত্রা করে বিসর্জন হয়। এছারাও এই মন্দিরে কালি পূজা , সরস্বতী পূজা এবং দোলউৎসব হয়। প্রায় সারে তিনশত বছরের প্রাচীন এই "সুত্রাগড় বুড়ো বারোয়ারী" পূজা। এই বারোয়ারীর সৃষ্টির ইতিহাস কথিত আছে যে, অতীতে এই পূজা ভগির্থির নদীর অপর পারে কোনো এক ব্রাম্ভণ বাড়ীর, বৃদ্ধা মহিলার পূজা। কোনো এক বছর দুর্গা পূজার সময় বৃদ্ধার বাড়ী ভাগীরথী নদীর প্লাবনে প্লাবিত হয়। সেই সময় বৃদ্ধা শান্তিপুরের পুলিম ঠাকুর মহাশয়ের পূর্বপুরুষের বাড়ীতে আশ্রয় নেন এবং সেখানে দুর্গা পূজা সম্পূর্ণ করেন। পরবর্তিসময় সেই পূজা পুলিম ঠাকুর মহাশয়ের বাড়ীতে হতে থাকে এবং পারার লোকজন সেই পুজাই অংশগ্রহণ করতে থাকে। তার পরবর্তী সময় ইং ষোল শতকে (ইং1686 সালে) পারার লোকজন ঐ পূজা ব্রাম্ভণ বাড়ীর বাহিরে এনে সুত্রাগড় তথা শান্তিপুরের প্রথম বারোয়ারী "সুত্রাগড় বারোয়ারী " নামে দেবীর পূজা করে। তার পরবর্তী সময় যখন শান্তিপুরের অনন্য বারোয়ারী সৃষ্টি হয় , তখন এই বারোয়ারীর নাম হয় "সুত্রাগড় বুড়ো বারোয়ারী " ।
এর পরবর্তী সময় ইং1971 সালে মাননীয় সম্পাদক সুবীর দালাল মহাশয়ের তত্ত্বাবধানে বারোয়রী মন্দির পুনঃনির্মিত হয় । ইং 2020 সালে সুবীর দালাল মহাশয়ের উদ্যোক্তাই বারোয়াড়ী ট্রাস্ট রেজিস্টার হয়।
⚫ ট্রাস্টি বোর্ড সভ্যগন;
সভাপতি ~ বাসুদেব ইন্দ্র
সম্পাদক ~ সুবীর দালাল
কোষাধক্ষ্য ~ হরি কালি প্রামানিক
বোর্ড অন্যান্য সভ্যগন ~
🌟 বদল ঘোষ
🌟 চিত্তরঞ্জন প্রামানিক
🌟 শচীন সাহা
🌟 সুকান্ত ইন্দ্র
🌟 স্বপন সাহা
🌟 প্রভাত অধিকারি