অজানা কে জানা

অজানা কে জানা Religious

ভারতের  #প্রথম বৈধ-বিবাহ-বিচ্ছেদ-প্রাপ্ত নারী — রুক্মাবাই রাউতভারতের ইতিহাসে প্রথম যিনি বৈধভাবে  #বিবাহবিচ্ছেদ (divorce)...
16/12/2025

ভারতের #প্রথম বৈধ-বিবাহ-বিচ্ছেদ-প্রাপ্ত নারী — রুক্মাবাই রাউত

ভারতের ইতিহাসে প্রথম যিনি বৈধভাবে #বিবাহবিচ্ছেদ (divorce) নিয়েছিলেন, সেই অসাধারণ সাহসী নারী ছিলেন রুক্মাবাই রাউত( ১৮৬৪-১৯৫৫)।
রুক্মাবাই কেবল ব্যক্তিগত কষ্ট থেকে মুক্তি চাননি — তিনি চেয়েছিলেন সমাজের অন্যায়, বিশেষত নারীদের ওপর আইনি ও সামাজিক জুলুমের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে।

কেন রুক্মাবাই বিবাহবিচ্ছেদ চেয়েছিলেন..?👇

১. #শিশুবিবাহ — সম্পূর্ণ অসম্মতিতে বদ্ধ জীবন

মাত্র ১১ বছর বয়সে রুক্মাবাইকে বিয়ে দেওয়া হয় দাদাজি ভিকাজি নামের এক যুবকের সঙ্গে।
তিনি পরে স্পষ্টভাবেই বলেছিলেন —
“যে বিয়ে আমার সম্মতি ছাড়া, অজ্ঞ বয়সে হয়েছে — তা আমার কাছে বৈধ নয়।”

২. স্বামীর চরিত্র ও জীবনযাপন ছিল অসহনীয়

দাদাজি ভিকাজি ছিলেন #বেকার, #দায়িত্বহীন, #চরিত্রহীন ও #মদ্যপ।
👉 অন্যদিকে রুক্মাবাই ছিলেন #শিক্ষিত, সচেতন, আত্মনির্ভরশীল হতে #আগ্রহী।

৩. নিজের #শিক্ষা ও #ব্যক্তিস্বাধীনতা বাঁচানোর লড়াই

রুক্মাবাই পড়াশোনায় অসাধারণ ছিলেন। তাঁর মা জয়ন্তীবাই ছিলেন প্রগতিশীল —
মেয়ের #স্বাধীনতা, #পড়াশোনা, নিজের জীবন বেছে নেওয়ার অধিকারকেই তিনি #গুরুত্ব দিতেন।

স্বামী আদালতে মামলা করে দাবি করেন—
“সে আমার #স্ত্রী, তাকে আমার সঙ্গে থাকতে হবে।”

কিন্তু রুক্মাবাই দৃঢ়ভাবে বলেছিলেন—
“আমি #প্রাপ্তবয়স্ক। জোর করে আমাকে কারও সঙ্গে থাকতে বাধ্য করা যাবে না।”

৪. নারীর প্রতি সামাজিক-আইনি অত্যাচারের #বিরুদ্ধে প্রতিবাদ :-

#রুক্মাবাই শুধু নিজের জন্য লড়েননি।
তিনি বলেছিলেন—
“নারী কোনো #সম্পত্তি নয়, যাকে #পুরুষ দাবি করবে আর সমাজ তাকে তুলে দেবে।”

ফলাফল ও রুক্মাবাইয়ের বিজয়

মামলায় তিনি প্রথমে হেরে গেলেও সমাজে ব্যাপক আলোড়ন ওঠে।
অবশেষে #স্বামী #ক্ষতিপূরণ নিয়ে আলাদা থাকতে রাজি হন —
সামাজিক-আইনগত চাপের পর, ১৮৮৮ সালের জুলাইতে Dadaji Bhikaji-র দাবি বাতিল হয় — তিনি রুক্মাবাই-এর ওপর তার অধিকর থেকে সরে আসেন এবং ২০০০ রুপি ক্ষতিপূরণ নিয়ে বিবাহবিচ্ছেদ মেনে নেন।

এভাবেই রুক্মাবাই স্বাধীনতা পান।

এরপর তিনি ইংল্যান্ডে গিয়ে ডাক্তারি পড়েন এবং দেশে ফিরে অসংখ্য নারীকে চিকিৎসা সেবা দেন।

#রুক্মাবাইয়ের সংগ্রামের মূল কথা

রুক্মাবাইয়ের লড়াই শুধু বিবাহবিচ্ছেদ নয় —
এটি ছিল ভারতের নারীর নিজের জীবনের ওপর অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রথম বড় #যুদ্ধ।

13/12/2025

২০০৮ সালের ক্লিপিংস। #কলকাতায় সেবার #মারাদোনা এসেছিলেন, #অনুষ্ঠান হয়েছিল, তিনি মাঠেও নেমেছিলেন, ঘুরেছিলেন #মাঠে। বিশেষ ব্যক্তিত্বরা বাদেও সাধারণ মানুষ তাকে প্রাণভরে দেখেছিল। আমি ফুটবল খেলাটা বুঝি না , কিন্তু এইটুকু বুঝি দায়িত্ব নিয়ে ব্যবস্থা করা গেলে আজকে এমন হতো না। #অর্থ, #আশা, #অপেক্ষা অনেকটাই নষ্ট হলো সাধারণ মানুষের। কলকাতার বুকে আবার একটা #কদর্য ছবি দেখা গেল জাস্ট কয়েকজন ধান্দাবাজদের জন্য। শহরটা সত্যিই হয়তো আগে অন্যরকম ছিল ...

টাকা দিয়ে  #এসি টিকিট তো কেনা যায়, কিন্তু  #ভদ্রতা কিনবেন কোথা থেকে?ভারতীয় রেলে এসি কোচে যাত্রা করেন? তবে এই কঠোর সত্যগ...
13/12/2025

টাকা দিয়ে #এসি টিকিট তো কেনা যায়, কিন্তু #ভদ্রতা কিনবেন কোথা থেকে?

ভারতীয় রেলে এসি কোচে যাত্রা করেন? তবে এই কঠোর সত্যগুলো জেনে রাখুন

আপনারা যারা পকেটের #টাকা খরচ করে #ফার্স্ট এসি, #সেকেন্ড এসি, #থার্ড এসি বা #ইকোনমি ক্লাসের টিকিট কাটেন, তারা অনেকেই ভাবেন যে টিকিট কাটা মানেই ট্রেনের সব কিছু কিনে নেওয়া। এই ভুল ধারণা থেকে বেরিয়ে আসুন। কিছু #নিয়ম এবং শিষ্টাচার আপনাদের জানা দরকার, যা আপনারা জেনেও না জানার ভান করেন।

বেডরোল বা বিছানা আপনার #বাবার সম্পত্তি নয়:
রেল আপনাকে #আরামদায়ক যাত্রার জন্য দুটি #চাদর, একটি #কম্বল, একটি #বালিশ ও কভার এবং #তোয়ালে দেয়। মনে রাখবেন, এগুলো আপনাকে ব্যবহার করতে দেওয়া হয়েছে, নোংরা করতে বা #চুরি করতে নয়।
নিয়ম: গন্তব্যে পৌঁছানোর ৩০ মিনিট আগে সমস্ত বেডরোল (চাদর, কম্বল, বালিশ) গুছিয়ে অ্যাটেনডেন্টকে বুঝিয়ে দেওয়া আপনার দায়িত্ব। ট্রেনের সিটে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রেখে নেমে যাওয়াটা #ভদ্রতা নয়, ওটা #অসভ্যতা।

ট্রেনটা আপনার বাড়ির #ডাস্টবিন নয়:
পায়ের নিচে, সিটের তলায় বা #করিডোরে আবর্জনা ফেলা বন্ধ করুন। প্রতিটা বগিতে ডাস্টবিন দেওয়া থাকে, সেটা ব্যবহার করুন। আপনারা শিক্ষিত হয়ে যদি অশিক্ষিতের মতো আচরণ করেন, তবে সেই শিক্ষার কোনো দাম নেই।

অ্যাটেনডেন্টরা আপনার চাকর নন, মানুষ:
যখন আপনাদের এসি-তে ঠান্ডা লাগে বা কম্বল প্রয়োজন হয়, তখন অ্যাটেনডেন্টকে ডাকেন, "ভাই একটু দেখো, একটু ব্যবস্থা করো।" আর প্রয়োজন মিটে গেলে বা ট্রেন থেকে নামার সময় এমন ভাব করেন যেন তাকে চেনেনই না!
মনে রাখবেন, আমরাও আপনাদের মতোই মানুষ। আমরাও অন্য সময় টিকিট কেটে প্যাসেঞ্জার হয়েই যাতায়াত করি। আমরা রেলের কর্মী, আপনাদের সেবার জন্য টাকা পাই, কিন্তু আপনাদের অপমান সহ্য করার জন্য নয়। টিকিট কেটেছেন বলে মানুষ কেনেননি। অ্যাটেনডেন্টদের সাথে মানুষ হিসেবে ব্যবহার করুন, 'লেবার' ভাববেন না।

যারা ভদ্র এবং নিয়ম মেনে চলেন, তাদের প্রতি আমাদের পূর্ণ শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা। কিন্তু যারা নিজেদের 'হরিপদ' ভাবেন এবং নিয়ম ভাঙেন, তাদের জন্য বলছি—দিন পাল্টাচ্ছে। রেলের নিয়ম আরও কঠোর হচ্ছে। যেদিন ধরা পড়বেন, সেদিন কিন্তু কেউ বাঁচাতে পারবে না। তখন নিজেদের সম্মান নিজেদেরই খোয়াতে হবে।

সম্মান দিন, তবেই সম্মান পাবেন। #ভারতীয় #রেল দেশের সম্পত্তি, আর একে পরিষ্কার রাখা এবং কর্মীদের সাথে ভালো ব্যবহার করা আপনার #দায়িত্ব।

🔥 সবাই যাকে 'জগন্নাথ  #শিশু' ভাবছে, আসল  #সত্য জানলে চোখে জল আসবে! 😭গত কয়েকদিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়াতে একটি  #ভিডিও এবং ক...
12/12/2025

🔥 সবাই যাকে 'জগন্নাথ #শিশু' ভাবছে, আসল #সত্য জানলে চোখে জল আসবে! 😭
গত কয়েকদিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়াতে একটি #ভিডিও এবং কিছু ছবি তুমুল ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে একটি বাচ্চা ছেলে পুরীর জগন্নাথ দেবের মন্দিরের সামনে বসে আপন মনে করতাল বাজাচ্ছে। নেটিজেনদের অনেকে এই শিশুটিকে 'স্বয়ং জগন্নাথ দেবের প্রতিরূপ' বলে মন্তব্য করেছেন, কারণ শিশুটির মুখের আদল এবং বিশেষত্বে তাঁরা জগন্নাথ দেবের সঙ্গে এক অদ্ভুত মিল খুঁজে পেয়েছেন। 🙏
আমি আপনাদের ভাবাবেগে কোনো আঘাত না দিয়ে, শুধু সত্য ঘটনাটি সামনে আনতে চাই।

​🌟 আসল সত্যটা কী?
​১. ছেলে না মেয়ে?
​অনেকেই শিশুটিকে ভুল করে ছেলে মনে করছেন। কিন্তু ভিডিওটি যে প্রোফাইল থেকে ভাইরাল হয়েছে, তার সূত্র ধরে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে - এটি কোনো ছেলে নয়, একটি মেয়ে!
#​ভাইরাল প্রোফাইলেই শিশুটির দিদি মন্তব্য করেছেন যে এটি তাঁর বোনের ভিডিও।

​আপলোড করা ছবিগুলিতেও স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে শিশুটির পায়ে নুপূর/পায়েল পরা, যা মেয়ে হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
​তাই নেটিজেনদের কাছে অনুরোধ, শিশুটিকে ছেলে না ভেবে মেয়ে হিসেবে সম্বোধন করুন।

​২. ' #জগন্নাথ দেবের #প্রতিচ্ছবি'র নেপথ্যে:
​শিশুটির মুখের সঙ্গে জগন্নাথ দেবের একটি কাল্পনিক মিল হয়তো অনেকের মনে রেখা টানছে। তবে বাস্তব সত্য হল, শিশুটির স্কিনে যে ফাটা ফাটা ভাব বা পোড়া পোড়া দাগ লক্ষ্য করা যাচ্ছে (যা ছবিগুলিতেও স্পষ্ট), তা অত্যন্ত ম/র্মান্তিক।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: অনেকেই ভুল করে ভাবছেন যে শিশুটি হয়তো ডাউন সিনড্রোমে আক্রান্ত। কিন্তু এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল! শিশুটি শারীরিক ও মানসিকভাবে সম্পূর্ণ সুস্থ।

​ধারণা করা হচ্ছে, শিশুটি সম্ভবত কোনোভাবে অ/গ্নিদগ্ধ হয়েছিল, যার কারণেই তার ত্বক এবং মুখের কিছু অংশে এমন ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে।
​💖 আমার #আবেদন
​ধর্মীয় ভাবাবেগ অবশ্যই ব্যক্তিগত শ্রদ্ধার জায়গা। কিন্তু একজন অসহায় শিশুর শারীরিক অবস্থার কথা মাথায় রেখে কেবল তাঁকে দেবতা জ্ঞানে পুজো না করে, তার পাশে দাঁড়ানোর মানবিক দিকটি নিয়েও আমাদের ভাবা উচিত। সে যেখানেই থাকুক, সে যেন সুস্থ এবং ভালো থাকে।
​এই পোস্টের উদ্দেশ্য কাউকে আঘা/ত করা নয়। এর উদ্দেশ্য হলো নেটিজেনদের সামনে সম্পূর্ণ ও সঠিক তথ্যটি তুলে ধরা।
​আসুন, #ধর্মীয় কল্পনার ঊর্ধ্বে উঠে মানবতার জয়গান গাই।

সবারে করি আহ্বান........
11/10/2025

সবারে করি আহ্বান........

Big shout out to my newest top fans! 💎 Shampa Sikdar, Manoj Chakrabarti, অর্ক দ্যুতি, Keka Chatterjee, Mrinal Kanti Bhat...
03/09/2025

Big shout out to my newest top fans! 💎 Shampa Sikdar, Manoj Chakrabarti, অর্ক দ্যুতি, Keka Chatterjee, Mrinal Kanti Bhattacharya, Jayasri Bhattacharya

Drop a comment to welcome them to our community,

— তাহলে, বড় হয়ে কি হবি?'— ইন্নিনিয়ার৷— কি! কি হবি?— ইননিয়ার গোওও!  #ইন্নিনিয়ার...— ও আচ্ছা৷ ইঞ্জিনিয়ার৷ তুই বড় হয়ে ইঞ্জি...
03/09/2025

— তাহলে, বড় হয়ে কি হবি?'
— ইন্নিনিয়ার৷
— কি! কি হবি?
— ইননিয়ার গোওও! #ইন্নিনিয়ার...
— ও আচ্ছা৷ ইঞ্জিনিয়ার৷ তুই বড় হয়ে ইঞ্জিনিয়ার হবি৷ তাই তো?
— হ্যাঁ৷ ইন্নিয়ার হব৷
— তারপর? বড় হয়ে #ইঞ্জিনিয়ার হলি৷ তারপর?

— তারপরে আমি এগদিন একটা বিশাআআ...ল বড় গাড়ি লিয়ে এসব৷ তখন আমি অনোক বড়লোক হইযাব ত, দিয়ে ইস্যুলটার গেটটায় দাঁড়াব গাড়িটা লিয়ে৷ তুমি তখন টিপিনে চা খেতে ব্যারাবে৷ আমি ত গাড়ির ভিদ্রে থাগব, তুমি দেখতেই পাবনি আমাকে৷ দিয়ে তুমি যখন গাড়িটার সুমুখ্যানটাকে চলে এসবে, আমি তখন এগলাফে গাড়ি থেকে নেমপড়ব৷ তুমি চোমকে যাবে...হি হি হি৷ দিয়ে তুমি আমাকে চিন্তেই পারবেনি৷ তুমি বলবে, 'কে রে! কে লাফালি রে আমার সুমুখ্যেনে?' আমি বলব, 'আমি উপু'৷ দিয়ে তুমি তখন আমাদ্দিকে দেখে হাঁ হইযাবে৷ তুমি বলবে, 'হাইরে, #উপু তুই!! আমি তোর লেগে কত মনখারাব করেচি৷ তখে কত খুঁয়েচি, দেখতেই পাইনি৷ তুই কুথা গেইলি?'
তখন কিনতুক তুমি যদি আমাকে নামতা ধর, আমি এগবারে পঁয়রর ঘর থাকতন এগবারে আশির ঘর লাগাদ, না না একশর ঘর লাগাদ ঝড়ঝড় মুখসত বলে দুব৷ তুমি ত পুরা হাঁ হইযাবে৷ তুমি বলবে, 'উপু, তুই কিকরে এতগুলান নামতা পাল্লি?' আমি তখন অনোক বড় হইযাব ত, সব মুখস্ত বলেদুব৷

— আচ্ছা! তুই তাহলে তখন গাড়ি নিয়ে স্কুল আসবি?
— বিশাআআআল বড়ো গাড়ি, লম্বা...আ৷ তুমি ত আমাকে চিন্তেই পারবেনি৷ আমি ত দুটা চশমা পরে থাগব, না না তিনটা চশমা পরব৷ আমি ত তখন জিনসের প্যান পরে থাগব, ঝকঝকা জামা পরে থাগব, এইহাতে একটা ঘোড়ি আর উইহাতে একটা ঘোড়ি পরব৷ এখনের মত থাগব নাকি? থালে তুমি কিকোরে চিনবে?
— সেই তো! আমি যদি #অপু-কে চিনতে না পারি তাহলে কি হবে? কি যে হবে....!
— আমিই তমাকে ডাগব, 'ও দীপুনবাবু... শুন শুন, আমি উপু গো...ও৷'

— আচ্ছা আচ্ছা৷ তুই যদি ডাকিস তাহলে নিশ্চই চিনতে পারবো৷
হ্যাঁ রে অপু, তুই তো এখন অনেক ছোট্ট৷ তুই যখন বড় হয়ে ইন্নিনিয়ার, ইয়ে মানে ঐ ইঞ্জিনিয়ার হবি৷ তখন তো আমি বুড়ো হয়ে যাবো৷ সব চুল পেকে সাদা হয়ে যাবে৷ তুই আমাকে চিনতে পারবি তো?
— দুর দুর৷ তমার #চুল আবার পাকে! দুর৷ তুমি য্যামন আছ, ত্যামনই থাগবে৷ দেগবে না, আমি বলে দিলুম৷
— না রে! তুই যত বড় হবি, আমি তত বুড়ো হব৷
— তুমি কুনুদিন বুড়া হবেনি৷ যারা কুটিল, যারা ঢ্যামনা...
— অ্যায়...য়!! অসভ্য কথা বলতে নেই৷ কতবার বলেছি না, এসব ভাষা বলবি না?
— আচ্ছা ঠিকাছে লাও৷ আর বলবনি৷ এগবার বলেচি, থালে এগবার কান মুলে লিচ্চি৷
— ঠিক আছে৷ এমন কথা বলতে নেই৷
— আমি কি ইচ্ছাকোরে বোলেচি নাকি! মুখ ফসকে বেরি গ্যাল ত কি করব?
— আচ্ছা, ঠিক আছে৷ বল কি বলছিলি৷
— যারা খারাপলোক তারা বুড়া হয়৷ ভগমান তাদে সব চুল পাকি দ্যায়৷ তুমি কুনুদিন বুড়া হবেনি, তমার চুলও পাগবেনি৷
— সে নাহয় হলো৷ কিন্তু ধর, আমি তো তখন রিটায়ার হয়ে যাবো, আর তোদের #স্কুলে চাকরি করবো না৷ আর আসবো না এই স্কুলে৷
— পভাসবাবু য্যামনটা হল?
— ঠিক৷ প্রভাসবাবু যেমনটা হলো৷ সে কি আর স্কুল আসে?
— তুমি থালে পভাসবাবুর মত গলায় সাদা মালা পোরবেনি বলেদিচ্চি৷ তুমি লাল মালা পরবে৷ আমরা সবাই তমাকে গড় কোত্তে যাব৷ তুমি থালে আমাদিকে মিষটি খায়াবে৷
— সে তো নাহয় মিষ্টি খাওয়ালাম৷ কিন্তু আমি স্কুল থেকে চলে গেলে তুই কি করে খুঁজে পাবি? তুই যখন ইন্নিনিয়ার হবি, বিশাল বড়ো গাড়িটা নিয়ে স্কুলের গেটের সামনেটায় দাঁড়াবি৷ তখন তো আমি স্কুলেই থাকবো না৷ তুই লাফ দিয়ে গাড়ি থেকে নেমে খুঁজে পাবি কি করে আমায়?

— সেইত গো! তুমি পালি যাবে তখন?
— হুঁউমমমম্।

— থালে আমি গাড়িটা লিয়ে সজা তমাদে ঘর চলে যাব৷ তমাদের ঘরটা কুথা বল দিখি?
— চন্দ্রকোণা৷
— ও, চন্দখানা? আমি ত চিনি৷ আমার ত মাসিঘর৷ আমি কতবার গেইনুম৷
— হ্যাঁ রে অপু৷ তুই যে ইন্নিনিয়ার বড়লোক হয়ে আমার বাড়ি যাবি, এতবড় গাড়ি নিয়ে৷ কি নিয়ে যাবি আমার জন্যে?
— কি আর লিযাব? এগ্গাদা কুরকুরা, দুটা পেলাসটিকের বোতুলে ভরা #থামসাপ, এগ্গাদা #সিঙাড়া, #ঘুগনি, মৌরি চগলেট, #নারকেল আসকিরিম৷ সব লিযাব৷ দিয়ে তমাকে #দশটাকা দুব, তুমি একটা ঘোড়ি কিনবে। এইটা ভাল্লয়...

— আচ্ছা! তাহলে তুই চন্দ্রকোণা চিনিস? কিন্তু আমার ঘর তো চিনিস না৷ কিভাবে যাবি আমার কাছে?
— চন্দখানা যেয়ে বলব লোক্কে, দীপুনবাবুর ঘর কুথা গ? তারপরে তমাদের ঘরের সামনেকে চলে যাব৷ দিয়ে তখন তুমি ঘর থাকতন বেরি এসবে৷ দিয়ে বলবে, 'হাইরে উপু এসচু?' তুমি কিন্তুক আমাকে চিন্তে পারবেনি৷ আমি কি তখন এমন #ছ্যাঁড়া_জুতা পোরে থাগব নাকি! আমি ত তখন বুটজুতা পরে থাগব৷ বিশাল বড় বড়, এই আমার আঁঠু পজ্যন্ত বুটজুতা৷ অনোক দাম৷ আমি পরব৷ আমার পা দ্যাখা যাবেনি, আমার আঙুলগুলানও আর দ্যাখা যাবেনি৷ ভিদরে মজা পরে থাগব৷ কি সুন্নর সেন মেখে এসব, গা দিয়ে কি সুন্নর গন্দ ব্যারাবে, তমার মতন গন্দ৷ তুমি ত আমাকে চিনতেই পারবেনি...
© দীপেন ভূঞ্যা, #চন্দ্রকোণা৷
( নিশ্চিন্তে share করতে পারেন )

সেন্ট  #ভ্যালেন্টাইন বা সান ভালেন্তিনো ইতিহাস:  #প্রেম,  #পুরাণ, পৌত্তলিক  #রীতি ও  #সংস্কারের মিশেল #প্রাচীন  #রোমের লু...
14/02/2025

সেন্ট #ভ্যালেন্টাইন বা সান ভালেন্তিনো
ইতিহাস: #প্রেম, #পুরাণ, পৌত্তলিক #রীতি ও #সংস্কারের মিশেল

#প্রাচীন #রোমের লুপারকালিয়া: রক্ত, উর্বরতা ও উৎসবের আগুন

কালের অতল গহ্বরে, যখন রোম ছিল দেবতা ও রাজাদের নগরী, তখনই জন্ম নিয়েছিল এক অদ্ভুত উৎসব— লুপারকালিয়া। প্রতি বছর ১৩ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি, রোমান তরুণেরা ছুটে বেরোত নগরের পথে, হাতে থাকত বলিদান দেওয়া ছাগলের চামড়া। সেই চামড়া দিয়ে তারা ছুঁয়ে দিত নারীদের, বিশ্বাস করত— এ ছোঁয়া নারীর গর্ভকে করবে উর্বর, মাতৃত্ব দেবে আশীর্বাদের ছোঁয়া।

লাল রঙে রাঙানো ছিল এই উৎসবের প্রতীক।
লাল মানে রক্ত— প্রাণের প্রতিশ্রুতি, উর্বরতার অগ্নিশিখা, বন্য উন্মাদনার রং। দেবতা লুপারকাস বা ফাউনাস, যিনি ছিলেন প্রকৃতির রক্ষক, তিনিই ছিলেন এই উৎসবের কেন্দ্রে। বলিদানের ছাগল ও কুকুরের রক্ত দিয়ে আঁকা হতো তরুণদের কপাল, আর নগরী বয়ে যেত বাঁধভাঙা উল্লাসে।

কিন্তু এই উৎসবের পেছনে ছিল এক সুপ্ত ছন্দ, যা কালের স্রোতে এক নতুন রূপ নিতে যাচ্ছিল।

ভ্যালেন্টাইনের শহীদত্ব: প্রেমের জন্য প্রাণদান

রোম যখন শাসিত হচ্ছিল সম্রাট ক্লডিয়াস II-এর কঠোর শাসনে, তখন প্রেমের মন্দিরে জমছিল কালো মেঘ। তিনি ঘোষণা দিলেন— যুবকেরা যদি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়, তবে তারা যুদ্ধে দুর্বল হয়ে পড়বে। তাই ভালোবাসার শপথ, মিলনের প্রতিশ্রুতি সবই হয়ে গেল নিষিদ্ধ।

কিন্তু এক ব্যক্তি এ আদেশ মানতে নারাজ। তিনি ছিলেন ভ্যালেন্টাইন, এক খ্রিস্টান পুরোহিত। প্রেমের শপথের সামনে শাসকের নিষেধাজ্ঞা তাঁর কাছে ছিল তুচ্ছ। তিনি গোপনে বিবাহ দিতেন প্রেমিকযুগলকে, প্রেমের পবিত্র বন্ধনে বাঁধতেন তাদের।

কিন্তু সত্য চিরকাল গোপন থাকে না। ভ্যালেন্টাইন বন্দি হলেন, শাস্তি হলো মৃত্যু।
২৬৯ খ্রিস্টাব্দের ১৪ ফেব্রুয়ারি, ভালোবাসার সেই যাজক রক্ত দিয়ে লিখলেন প্রেমের শেষ কবিতা।

একটি কিংবদন্তি বলে, মৃত্যুর আগে তিনি তাঁর প্রিয়াকে লিখেছিলেন এক চিঠি, যার শেষে ছিল— "তোমার ভ্যালেন্টাইন"।

পৌরাণিক উৎসব থেকে খ্রিস্টীয় পবিত্রতায়

কিন্তু ভালোবাসার শপথ কি কখনো হারিয়ে যায়?

সময় এগিয়ে এলো ৪৯৬ খ্রিস্টাব্দ।
পোপ গেলাসিয়াস I ঘোষণা দিলেন— "লুপারকালিয়া পাপাচার, অনৈতিক। একে বিলুপ্ত করতে হবে!"
তিনি স্থাপন করলেন ১৪ ফেব্রুয়ারিকে সেন্ট ভ্যালেন্টাইন দিবস হিসেবে, যেন ভালোবাসার নামে উৎসর্গিত হয় এই দিন, কিন্তু উন্মত্ততার নামে নয়।

তবে কি রোমানদের রক্তাক্ত উৎসব মুছে গেল?
না, মুছে গেল না, বরং রূপ নিল প্রেমের এক নতুন কাব্যে।

মধ্যযুগ ও প্রেমের কবিতা

সময় গড়ালো, ইতিহাস লিখল নতুন অধ্যায়।
১৪শ শতকের কবি জিওফ্রে চসার তাঁর কাব্যে বললেন—
"১৪ ফেব্রুয়ারি, এই দিনে পাখিরা জোড়া বাঁধে, হৃদয়ে প্রেম জাগে।"
এভাবেই সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের নাম হয়ে গেল প্রেমের কবিতার প্রতিচ্ছবি।

#শুভেচ্ছা বিনিময়ের রীতি শুরু হলো, ভালোবাসার মানুষকে লেখা হলো প্রথম "ভ্যালেন্টাইন কার্ড"।

বাণিজ্যের ছোঁয়া: প্রেম কি শুধুই ভালোবাসা?

প্রেম কি শুধুই হৃদয়ের বিষয়, নাকি এতে বাণিজ্যের গন্ধ লেগেছে?

১৮শ-১৯শ শতকে, হাতে লেখা ভালোবাসার চিঠির জায়গা নিল ছাপানো কার্ড।
২০শ শতকে, ভালোবাসার প্রতীক হয়ে উঠল চকোলেট, গোলাপ, হীরার আংটি।
"হলমার্ক" কোম্পানি শুরু করল বাণিজ্যের নতুন খেলা— "ভালোবাসা প্রকাশ করতে চাইলে উপহার দাও!"

এখন?
ভ্যালেন্টাইনস ডে মানে বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি গোলাপ বিক্রি, চকোলেটের পাহাড়, দামি উপহার আর বিলাসবহুল রেস্তোরাঁয় রাতের খাবার।

সংস্কারের রাজনীতি: কেন খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করল পৌরাণিক উৎসব?

খ্রিস্টধর্ম কি কেবল ভালোবাসার জন্যই এই দিনকে গ্রহণ করেছিল?

না, এর পেছনে ছিল রাজনৈতিক চাল খাটিয়ে মানুষকে বোকা বানিয়ে অর্থনৈতিক উদ্দেশ্য সাধন। রোমান সাম্রাজ্য ছিল বহু সংস্কৃতির মিশ্রণ, যেখানে বহু দেবতা, বহু উৎসব। যদি এই উৎসবগুলো নিষিদ্ধ করা হতো, তবে বিদ্রোহ বাঁধতে পারত।
তাই খ্রিস্টধর্ম এক চতুর পন্থা নিল— পুরোনো উৎসবগুলোর রূপ বদলে তাদের খ্রিস্টীয় রঙে রাঙিয়ে দিল।

ঠিক যেমন—
সাতুরনালিয়া থেকে হলো ক্রিসমাস,
সামহেইন থেকে হলো হ্যালোইন,
লুপারকালিয়া থেকে হলো ভ্যালেন্টাইনস ডে।

শেষ কথা: প্রেম, ইতিহাস ও পরিবর্তনের কাব্য

ভ্যালেন্টাইনস ডে কি কেবল প্রেমের? নাকি এর মাঝে মিশে আছে ইতিহাস, ধর্ম, রাজনীতি ও বাণিজ্যের সূক্ষ্ম খেলা?

প্রেম কি শুধুই হৃদয়ের, নাকি এটি এক বহুমাত্রিক রঙিন ছায়া, যেখানে একদিকে ভ্যালেন্টাইনের আত্মত্যাগ, অন্যদিকে বাণিজ্যের হাতছানি?

যাই হোক, যুগে যুগে ভালোবাসা নতুন রূপ নেয়, নতুন ভাষায় কবিতা লেখে।।

ভালোবাসা দিবসের ইতিহাসে প্রাচীন রোমের লুপারকালিয়া উৎসব থেকে শুরু করে সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের আত্মত্যাগ, সবই মিশে আছে।

লুপারকালিয়া ছিল রোমের এক প্রাচীন উর্বরতা উৎসব, যা ১৫ ফেব্রুয়ারি পালিত হতো। এই উৎসবে পুরোহিতরা পশু বলি দিয়ে তাদের চামড়া দিয়ে নারীদের স্পর্শ করতেন, যা উর্বরতার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হতো। লাল রঙ, যা রক্ত ও উর্বরতার প্রতীক, এই উৎসবে বিশেষ গুরুত্ব পেত।

তবে খ্রিস্টধর্মের প্রসারের সাথে সাথে এই পৌত্তলিক রীতির পরিবর্তন ঘটে। ২৬৯ খ্রিস্টাব্দে সেন্ট ভ্যালেন্টাইন নামের এক খ্রিস্টান পাদ্রী রোম সম্রাট ক্লডিয়াসের আদেশ অমান্য করে গোপনে বিবাহ সম্পন্ন করতেন। ফলস্বরূপ, তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয় ১৪ ফেব্রুয়ারি। তার এই আত্মত্যাগের স্মরণে পোপ জেলাসিয়াস ৪৯৬ খ্রিস্টাব্দে ১৪ ফেব্রুয়ারিকে সেন্ট ভ্যালেন্টাইন দিবস হিসেবে ঘোষণা করেন।

মধ্যযুগে কবি জিওফ্রে চসারের লেখায় ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রেমের দিন হিসেবে উল্লেখ পাওয়া যায়, যা এই দিবসকে প্রেমের সাথে আরও গভীরভাবে যুক্ত করে। পরবর্তীতে, ১৯শ শতাব্দীতে বাণিজ্যিকীকরণের ফলে কার্ড, ফুল, চকলেট ইত্যাদি উপহার দেওয়ার প্রচলন শুরু হয়, যা আজকের ভ্যালেন্টাইনস ডে উদযাপনের রূপ নিয়েছে।

-এস. এ. সবুজ

অনেকেই আমরা চৌষট্টি মোহন্তের কথা শুনেছি। কিন্তু তাঁদের নাম জানিনা। যাঁরা চৌষট্টি মোহন্ত ছিলেন, তাঁদের নামসমুহ:-=========...
10/02/2025

অনেকেই আমরা চৌষট্টি মোহন্তের কথা শুনেছি। কিন্তু তাঁদের নাম জানিনা। যাঁরা চৌষট্টি মোহন্ত ছিলেন, তাঁদের নামসমুহ:-
=====================================
পঞ্চ তত্ত্ব:- ৫, জন।
=====================================
১/ শ্রীমন্নহাপ্রভু।
২/ শ্রীনিত্যানন্দ প্রভু।
‌ ৩/ শ্রী অদ্বৈত আচার্য।
৪/ শ্রীগদাধর পণ্ডিত।
৫/ শ্রীবাস পণ্ডিত।
=====================================
‌ ‌ অষ্ট গোস্বামী:- ৮, জন।
=====================================
‌ ১/ শ্রীরুপ গোস্বামী।
২/ শ্রীসনাতন গোস্বামী।
‌ ৩/ শ্রীরঘুনাথ দাস গোস্বামী।
‌ ৪/ শ্রীরঘুনাথ ভট্র গোস্বামী।
৫/ শ্রীগোপালভট্র গোস্বামী।
‌ ৬/ শ্রীজীব গোস্বামী।
‌‌ ৭/ শ্রীলোকনাথ গোস্বামী।
৮/ শ্রীভূগর্ভ গোস্বামী।
=====================================
‌‌ দ্বাদশ গোপাল:- ১২, জন।
=====================================
১/ অভিরাম ঠাকুর।
২/ সোন্দরানন্দ ঠাকুর। ‌‌
৩/ ধনঞ্জয় পণ্ডিত।
৪/ গোরীদাস পণ্ডিত।
‌‌ ৫/ উদ্ধারণ দত্ত।
৬/ খোলাবেচা শ্রীধর।
৭/ কালাকৃষ্ণ দাস।
৮/ পরমেশ্বর দাস।
৯/ পুরুষোত্তম দাস।
‌‌ ১০/ নাগর পুরুষোত্তম দাস।
১১/ কমলাকর পিপ্পলাই।
১২/ মহেশ পণ্ডিত।
=====================================
‌ গুরুবর্গ সপ্তম ভারতী:- ৭, জন।
=====================================
‌ ‌‌ ১/ কেশব ভারতী।
২/ ব্রহ্মানন্দ ভারতী।
৩/ বলরাম ভারতী।
৪/ রামানন্দ ভারতী।
৫/ বল্লভ ভারতী।
‌ ৬/ যদুনন্দন ভারতী।
‌ ৭/ শ্যামানন্দ ভারতী।
=====================================
‌ গুরুবর্গ দশম পুরী:- ১০, জন।
=====================================
১/ মাধবেন্দ্র পুরী।
২/ ঈশ্বর পুরী।
৩/ পরমানন্দ পুরী।
৪/ বিষ্ণু পুরী।
৫/ রঘুনাথ পুরী।
৬/ কৃষ্ণানন্দ পুরী।
‌ ৭/ নৃসিংহানন্দ পুরী।
৮/ সুখানন্দ পুরী।
৯/ অনন্ত পুরী।
‌ ১০/ রামচন্দ্র পুরী।
=====================================
অষ্ট প্রধান মহোন্ত:- ৮, জন।
=====================================
১/ স্বরুপ দামোদর।
২/ রায় রামানন্দ।
৩/ সেন শিবানন্দ।
৪/ রামানন্দ বসু।
৫/ মাধব ঘোষ।
৬/ গোবিন্দানন্দ ঠাকুর।
৭/ গোবিন্দ ঘোষ।
৮/ বাসুদেব ঘোষ।
=====================================
ছয় চক্রবর্ত্তী:- ৬, জন।
=====================================
‌ ১/ শ্রীবাস।
২/ গোকুলানন্দ।
৩/ শ্যামদাস।
৪/শ্রীদাস।
৫/ গোবিন্দ।
৬/ রামচরণ।
=====================================
‌ অষ্ট কবিরাজ:- ৮, জন।
=====================================
১/ রামচন্দ্র।
২/গোবিন্দ।
৩/ কর্ণপুর।
৪/ নৃসিংহ।
৫/ভগবান।
৬/বল্লভ দাস।
৭/ গোপীরমণ।
৮/ গোকুল।
=====================================
এছাড়া আরো আছে আবেশ বা শক্ত্যাবেশ অবতার ভগবানের নিত্য পার্ষদঃ- ৪, জন।
==================================
১/ নরোত্তম দাস ঠাকুর।
২/ হরিদাস ঠাকুর।
৩/ শ্যামানন্দ দাস।
৪/ শ্রী নিবাস আচার্য্য।
==============================
🙏🏼জয় রাধে জয় গৌর বিষ্ণুপ্রিয়া 🙏🏼

কোকিলকণ্ঠী, কিংবা সুরসম্রাজ্ঞী, যে নামেই তাঁকে ডাকা হোক না কেন, তিনি আমাদের একমেবাদ্বিতীয়ম্ লতা মঙ্গেশকর।শুধুমাত্র ভারত...
07/02/2025

কোকিলকণ্ঠী, কিংবা সুরসম্রাজ্ঞী, যে নামেই তাঁকে ডাকা হোক না কেন, তিনি আমাদের একমেবাদ্বিতীয়ম্ লতা মঙ্গেশকর।
শুধুমাত্র ভারত নয়, গোটা বিশ্বের সংগীতপ্রেমীদের হৃদয়ে চিরস্থায়ী আসন তাঁর।

ভারতীয় সঙ্গীত শিল্পে আট দশকের বেশি সময় অবদানের জন্য তিনি "সুরের রাণী", "ভারতের পাপিয়া", ও "সহস্রাব্দের কণ্ঠ"-সহ একাধিক সম্মানসূচক উপাধি পেয়েছেন।

১৯২৯ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর, ইন্দোরে জন্ম। জন্মের পর বাবা-মা নাম রেখেছিলেন হেমা। পরে নাম বদলে লতা করা হয়। বাবা দীননাথ মঙ্গেশকর ছিলেন গোয়ার মঙ্গেশি গ্রামের পূজারী ব্রাহ্মণ এবং শাস্ত্রীয় সংগীতের এক প্রতিষ্ঠিত গায়ক ও মারাঠি নাট্যব্যক্তিত্ব। যিনি ‘মাস্টার দীননাথ’ নামেও খ্যাত ছিলেন।

শৈশবে বাড়িতে থাকাকালীন কে এল সায়গল ছাড়া আর কিছু গাইবার অনুমতি ছিল না তার। বাবা চাইতেন ও শুধু ধ্রপদী গান নিয়েই থাকুক। জীবনে প্রথম রেডিও কেনার সামর্থ্য যখন হলো, তখন তার বয়স আঠারো। কিন্তু রেডিওটা কেনার পর প্রথমবার নব ঘোরাতেই যে খবরটি তাকে শুনতে হয় তা হল, কে. এল. সায়গল আর বেঁচে নেই। সঙ্গে সঙ্গেই রেডিওটা ফেরত দিয়ে দেন তিনি। ৫ বছর বয়সে বাবার পরিচালিত গীতি-নাট্যে অভিনয় করেন।

ছোটবেলায় বাবার সান্নিধ্যে সংগীতের প্রথম পাঠ শুরু হলেও, মাত্র তেরো বছর বয়সে বাবাকে হারানোর পর জীবনের পথ এক নতুন দিকে বাঁক নেয়। পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে তিনি সবার বড় ছিলেন। ফলতঃ সংসারের দায়িত্ব এসে পড়ে তার কাঁধে। পেটের তাগিদে অভিনয় করতে হলেও, সেদিন তিনি দিশেহারা হননি, Jack of all trades হয়ে যাননি। তিনি নিজেই বলতেন — "আমি একজন অভিনেত্রী হিসেবে শুরু করেছিলাম। কিন্তু আমি কখনোই অভিনয় পছন্দ করতাম না।" ভাগ্যিস পছন্দ করেননি! নইলে বোধহয় তাঁর ঈশ্বরপ্রদত্ত প্রতিভাই হোক, কিংবা কোটি কোটি সুরপিপাসু আত্মা, কোনোটার প্রতিই সুবিচার হত না।

অভিনয়ের শুরুর দিনগুলোয় একবার এক ঘটনা ঘটে...
১৯৪২ সাল, তখন তার বয়স মাত্র তেরো-চোদ্দ বছর। এক সিনেমার শুটিং চলছিল, যেখানে তাকে এক কড়া মায়ের চরিত্রের সামনে দাঁড়াতে হয়েছিল। চরিত্রের স্বাভাবিকতা আনতে গিয়ে সেই অভিনেত্রী এতটাই জোরে লতাকে চড় মেরে বসেন যে তিনি সেটেই পড়ে যান! এমনকি তার কান থেকে রক্ত পর্যন্ত বের হতে থাকে। মুহূর্তের মধ্যেই সেটের পরিবেশ পাল্টে যায়। ডাক্তার এসে তার চিকিৎসা করেন ও ওষুধ দেন এবং সে দিনের মতো শুটিং বন্ধ হয়ে যায়।

কিন্তু সেদিন মনে মনে তিনি যেন আরও একবার প্রতিজ্ঞা করেছিলেন— সঙ্গীতই হবে তার জীবন। যদিও তার পরেও সাংসারিক চাপে বেশ কয়েক বছর অভিনয়ের কাজ চালিয়ে যেতে হয়, কিন্তু পাশাপাশি চলতে থাকে গানও। তিনি আমান আলী খান এবং আমানত খানের মতো উস্তাদদের কাছ থেকেও শিক্ষা লাভ করেছিলেন।

১৯৪১ সালে রেডিওতে দুটি গান রেকর্ড করেন, বাবার মৃত্যুর পর পেশা জীবনে পা রাখেন। ১৩ বছর বয়সে মারাঠি গানের রেকর্ড হয়, কিন্তু সে গান সিনেমা থেকে বাদ যায়। তাঁর প্রথম হিন্দি গান মারাঠি 'জগভাউ' নামক ছবিতে। হিন্দি চলচ্চিত্র 'আপ কি সেবা মে' প্রথম হিন্দি গান গেয়েছেন তিনি। তারপর ১৯৪৮এ প্রযোজক শশধর মুখোপাধ্যায়-এর ছবি 'শহিদ' ছবিতে তিনি সুযোগ পান এবং মজবুর সিনেমায় 'দিল মেরা তোড়া' গানে তিনি বিশেষ জনপ্রিয়তা পান। এর পরের বছর অর্থাৎ ১৯৪৯ সালে, মুক্তিপ্রাপ্ত ‘মহল’ সিনেমার ‘আয়েগা আনেওয়ালা’ গানটির মাধ্যমে সারা দেশে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন লতা মঙ্গেশকর। ক্ষেমচাঁদ প্রকাশের সুরারোপিত এই গানটি শুধু চলচ্চিত্র জগতেই নয়, বরং ভারতীয় সঙ্গীতের ইতিহাসেও এক মাইলফলক হয়ে ওঠে। বলা যায়, এই গানটির মাধ্যমেই বলিউডে লতা মঙ্গেশকরের স্বর্ণযুগের সূচনা হয়।
সঙ্গীতের প্রতি ছোট থেকেই তাঁর এই তাগিদের প্রতিফলনই আমরা পরবর্তীতে দেখি তার অসংখ্য গানে, যেখানে প্রতিটি সুর তাঁর আত্মার প্রকাশ।

তিনি সঙ্গীতের টলমলে স্বচ্ছ জলের সেই দিঘী, যার কাছে তৃষ্ণার্ত সঙ্গীতপিপাসুরা সুরের তৃষা নিয়ে বারেবারে ছুটে আসি তৃপ্ত হতে, রসসিক্ত হতে... গানের মধ্যে তিনি যেমন প্রেমকে ধারণ করেছেন, তেমনি জাতীয়তাবোধকেও এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছেন।

‘অ্যায় মেরে ওয়াতন কে লোগো’ গানটি আজও দেশের প্রতিটি নাগরিকের হৃদয়ে দেশপ্রেমের আবেগ জাগিয়ে তোলে। স্বয়ং ভারতের প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু জী কেঁদে ফেলেছিলেন এই গান শুনে।
তাঁর কন্ঠে ‘লাগ যা গলে’ যেন এক ব্যথাতুর প্রেমের দলিল, যেখানে বিদায়ের বেদনাও সুরের মধ্যে আশ্রয় খুঁজে পায়। ‘প্যার কিয়া তো ডরনা ক্যা’ ছিল নারীর অব্যক্ত প্রতিজ্ঞার প্রতিধ্বনি। শচীন দেব বর্মণের সুরে ‘আজ ফির জিনে কি তামান্না হ্যায়’ প্রতিটি হৃদয়কে উদ্বেলিত করে।

তেমনই বাংলাতে—
‘একবার বিদায় দে মা ঘুরে আসি’, ‘আকাশপ্রদীপ জ্বলে’, ‘ও পলাশ ও শিমুল’, ‘কত নিশি গেছে নিদহারা’, ‘ও মোর ময়না গো’— এমন বহু গানে তার কণ্ঠের সুরেলা আবেশে বাংলা সংগীত সমৃদ্ধ হয়েছে। এই তালিকা শেষ হবার নয়..

মাত্র তিন বছর আগে, ২০২২ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি, অর্থাৎ আজকের দিনে, ৯২ বছর বয়সে তিনি পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে পাড়ি দেন সুরলোকের পথে। তবে ৬ ফেব্রুয়ারি শুধু তাঁর প্রয়াণ দিবসই নয়, ১৯৯৭ সালের এই দিনেই বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে একযোগে লতা মঙ্গেশকরও ‘দেশিকোত্তম’ সম্মানে ভূষিত হন।

তাঁর সুর এখনও বাতাসে ভাসে, আমাদের নানান অনুভূতিতে ধ্বনিত হয়, স্পন্দিত হয়। তিনি সঙ্গীতের সেই মহীরুহ, যার স্নিগ্ধ ছায়ায় দাঁড়িয়ে অপসংস্কৃতির দহনে দগ্ধ সঙ্গীতপ্রেমীরা অহরহ শীতল হই, প্রাণ জুড়াই..

সংগীত জগতের এক উজ্জ্বলতম নক্ষত্রের এই বিদায় নিঃসন্দেহে এক গভীর শূন্যতার সৃষ্টি করেছে, কিন্তু একজন প্রকৃত শিল্পীর কখনোই মৃত্যু হয় না। তাঁর কণ্ঠ আজও বেঁচে আছে রেডিওর তরঙ্গে, ইউটিউবের প্লে-লিস্টে, কমপ্যাক্ট ডিস্ক-এর প্রতিটি বিট এ, পুরনো রেকর্ডের ঘুর্ণনে, আর সর্বোপরি আমাদের মতো অসংখ্য গান প্রেমীদের হৃৎস্পন্দনে।
শিল্পের মৃত্যু নেই, কারণ মানুষের আবেগের মৃত্যু হয় না।

শ্রদ্ধা, ভালোবাসা, কৃতজ্ঞতা— এই তিনটি শব্দই যথেষ্ট নয় তাঁর অবদানের ঋণ শোধ করতে। তবু, আজ এই বিশেষ দিনে মনে হয়, তিনি আছেন। তিনি থাকবেন। তার কণ্ঠস্বরেই তিনি চিরঞ্জীব।
মহান প্রতিভাবান শিল্পীর প্রতি রইল আমাদের গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি। 🙏🙏
_______________________________
©️ কিছু কথা ॥ কিছু সুর

আজ সকালে ট্রেনে উঠেই দেখলুম ভীড়ের গল্প নেই। ভীড় না থাকার কারণটা হলো পর পর দুটো ট্রেন পাঁশকুড়া মুখী। পর পর দুটো ট্রেন থাক...
21/01/2025

আজ সকালে ট্রেনে উঠেই দেখলুম ভীড়ের গল্প নেই। ভীড় না থাকার কারণটা হলো পর পর দুটো ট্রেন পাঁশকুড়া মুখী। পর পর দুটো ট্রেন থাকলে পিছনের ট্রেনটা সাধারণত ফাঁকাই থাকে। আমি উঠেছি পাঁশকুড়া লোকালে, সামনে যাচ্ছে মেদিনীপুর লোকাল। ট্রেনে উঠে সীট পেয়ে বসেও গেলুম। আমার পাশে বসে আছেন তখন এক বয়স্ক ভদ্রলোক, বয়স ষাট কি বাষট্টি হবে। দেখলাম হাতে রয়েছে মোবাইল, বসে বসে রিল দেখছেন। আর আমার অনতিদূরের সীটে বসেছে কলেজ পড়ুয়া চারজন ছেলে। আজকের গল্প ওই চারজনকে নিয়েই।

দেখলাম চারজনের গ্রুপে তিনজন বসেছে একদিকে, আর একজন অপর দিকে। অপর দিকে যে বসেছে তাকে উদ্দেশ্য করে ওই তিনজন বন্ধু একসাথেই বলে চলেছে,

"ছি ছি ছি ননী, ছি! শেষ পর্যন্ত কি না এটাও শুনতে হলো।"

ছি ছি করছে দেখে, যাকে উদ্দেশ্য করে ওই তিনজন বলছে, সেই ছেলেটির দিকে তাকালুম। দেখলুম ছেলেটি মোবাইল হাতে নিয়ে কিছু একটা করছে, আর বন্ধুদের কথাতে পাত্তাই দিচ্ছে না। পাত্তা না দিলে কী হবে, ওই তিনজন বন্ধু সম স্বরে একই ভাবে বলে যাচ্ছে, ছি ছি ছি ননী ছি। সত্যিই তো কতক্ষণ আর চুপ থাকা যায়। ওই ছেলে এবার মুখ খুলল। বলল, তোদের কাজ কম্ম কি নেই? আমাকে এসব বলে কিছু হবে? যার নাম ননী তার কাছে গিয়ে বল।

বুঝলুম, ছেলেটির নাম ননী নয়, ননী তাহলে অন্য কেউ। কিছু তো একটা ব্যাপার আছে, যার জন্য হয়তো মজা করেই ছি ছি বলছে। তবে ননীটা কে, সে কী করেছে সেটা জানার জন্য মনটা ব্যাকুল হয়ে উঠল। যাকে বলে অহেতুক কৌতূহল। হঠাৎ করেই আমার পাশে বসে রিল দেখতে থাকা বয়স্ক মানুষটির মোবাইল থেকে একটি গান ভেসে আসল। কানে আসছে, ছি ছি ছি রে ননী ছি! ছি ছি ছি রে ননী ছি!

গানটা শুনে মনে পড়ে গেল, আরে এটা তো সেই গানটা। দশ মিনিট ফেসবুক স্ক্রল করলে কুড়ি বার শুনতে হয় এই গানটা। গান শুনে ছেলেগুলির হাসি তো ধরে না। ওদের মধ্যে থেকে একজন বলে উঠল, শোন শোন দাদুও বুঝে গেছে! তাই তো দাদুও তোর ব্যাপার বুঝতে পেরে তোকে শোনাচ্ছে, ছি ছি ছি রে ননী ছি। এদিকে দাদু মানে ওই বয়স্ক ব্যক্তি তখন রিলের ওই গানটা বার বার শুনতে লাগলেন। মনে হলো গানটা ওনার ভালো লেগে গেছে। ছেলেগুলিও গাইতে শুরু করেছে বন্ধুর দিকে তাকিয়ে। মনে মনে ভাবছি কি গান এটা, এর মাথা মুণ্ডু বোঝা কঠিন। আর কি যে ভাষা সেটা বোঝাও মুশকিল। তবে এটা যে ব্রেকাপ হয়ে দুঃখ পাওয়ার গান, সেটা বুঝতে পারছি। তা নাহলে নায়ক মেয়েটিকে কেন অভিযোগ করে ছি বলবে? সে যাইহোক, এই ছেলেটিকেই কেন বা ননী বলে ছি ছি করছে, কিছু তো একটা ব্যাপার আছে?

ব্যাপারটা আসলে কী, সেটা জানব বলে আগ্রহ নিয়ে বসে আছি। ননীর সাথে এই ছেলেটির কিসের সম্পর্ক, সেটাও তখন ভাবছি! মনে হয় গার্লফ্রেন্ড হবে! বন্ধুদের অত্যাচারে বিরক্ত হয়ে ছেলেটি এবার বিরক্ত হয়ে বলল, শ্লা চুপ করবি! তখন থেকে ছি ছি ননী! সাহস থাকে তো ননীর সামনে গিয়ে বল।

একজন বন্ধু বলল, মাথা খারাপ! ননী তোরই বারোটা বাজিয়ে ছেড়েছে, আর আমরা কখনো সামনে যাই? ননী যা সাংঘাতিক! বাপরে বাপ! আর প্রেম করবি? এবার প্রেম করলে ভাই দেখে শুনে করিস!

বুঝতেই পারলাম ননীর সাথে প্রেম করতে গিয়ে ঝাড় খেয়েছে ছেলে। তাই বন্ধুরা এমনটা বলছে। আমার ধারণাটাই ভুল। বন্ধুর কথা শুনে ছেলেটি এবার হেসে ফেলল। হেসেই বলল, তা যা বলেছিস! প্রেম করার আগে গার্লফ্রেন্ডের খোঁজ না নিয়ে গার্লফ্রেন্ডের মা কেমন সেটা আগে খোঁজ নিতে হবে। কি ডেঞ্জারেস মা, ফোন করে আমাকে বলে, আমার মেয়ের সাথে যে প্রেম করিস, তা তোর কী যোগ্যতা আছে? তুই আমার মেয়ের সাথে কথা বলিস একবার, তোর হাত পা ভেঙে হসপিটালে যদি পাঠাতে না পেরেছি, আমার নাম ননী নয়।

আমিও বলে দিয়েছি, কাকিমা তুমি ননী নও, তুমি একেবারে সাক্ষাৎ ফণী! বলেই কলটা কেটে সঙ্গে সঙ্গে ব্লক করলাম। বাপরে বাপ! নামে ননী, কাজে একেবারে ফণী(সাপ)।

কথাটা শুনে ওদের মধ্যে থেকে একজন বলে উঠল, সাধে কি আর বলছি তোকে। ছি ছি ছি রে ননী ছি!

কলমে: সরজিৎ ঘোষ। Sarajit Ghosh

Address

Rasulpur
713151

Telephone

+919339789639

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when অজানা কে জানা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to অজানা কে জানা:

Share