Shaikh abdur raquib bukhari-madani

Shaikh abdur raquib bukhari-madani যে রাস্তা গেছে জান্নাতের দিকে, চলুন সে দিকে।

04/10/2025

সে দিন বিজয় আসবে!! #আব্দুর_রাকীব_মাদানী

01/10/2025

তাওহীদ বিধ্বংস করে দ্বীন কায়েম হতে পারে না:
التوحيد هو الصراط المستقيم
===================
একমাত্র তাওহীদ ই আপনাকে সীরাতে মুস্তাকীমে (সঠিক ও সোজা পথে) রাখতে সহায়ক, যে রাস্তা আপনাকে জান্নাতে নিয়ে যেতে পারে।

নচেৎ মানুষ আজ কুরাআন পড়ছে, হাদীস পড়ছে, কুরাআন ও হাদীসের ব্যাখ্যা করে লোকদের দাওয়াত দিচ্ছে; বরং নিজ মত, দল সংগঠনের দিকে দাওয়াত দিচ্ছে। কিন্তু তারা তৌহিদের মত ইসলামের মৌল বিষয়কে কুরবানী দিয়ে শিরক ও মুশরিকের সাথে শুধু আপোষ নয়; বরং তাদের খুশী করতে মরিয়া। (আস্তাগফিরুল্লাহ) যা এই পূজো মৌসুমে স্পষ্ট।

এখানে আমি নামকে ওয়াসতে মুসলিমদের কথা বলছি না। আর না মডারেট মুনাফেক টাইপের মুসলিমদের কথা বলছি। আর না একেবারে অজ্ঞ মুসলিমদের কথা বলছি; বরং এখানে আমি ঐ সকল মুসলিমদের কথা বলছি যারা দেশে ইসলাম কায়েম করতে চায়, যারা আল কুরাআনকে সংবিধান করার কথা বলে, যাদের আকীদা নাকি একেবারে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন, যাদের নাকি তাওহীদ শিক্ষার দরকার নেই। এমনকি যারা আমাদের এই দ্বীনের মূল দাওয়াত অর্থাৎ তৌহিদের দাওয়াত দানকারী দায়ীদের অপরিণামদর্শী আখ্যা দেন।

ভাই সকল! ইসলাম ও অন্যান্য ধর্মের মধ্যে মৌলিক পার্থক্য হচ্ছে, তৌহিদের পার্থক্য। আর তা, হল মহান আল্লাহই একমাত্র সত্য মাবুদ, উপাস্য ও ইলাহ্ তাই তিনি ব্যতীত অন্য কারো ইবাদত চরম ও মহা অপরাধ শিরক।

আপনি এই মূল নীতিকে অক্ষত রেখে, যদি নিজ বাড়ি, নিজ পরিবার, নিজ সমাজ ও রাষ্ট্র পরিচালনা করতে পারেন তো করবেন নচেৎ শিরক ও মুশরিককে খুশী করে ইসলাম থাকে না তাওহীদ থাকে না।

উল্লেখ্য, তৌহিদের মূল দাওয়াত যেমন একমাএ মহান আল্লাহর ইবাদত তেমন এক আল্লাহ্ বিরোধী ইবাদতের বিপরীত সবকিছু হতে নিজেকে মুক্ত করা, নিজেকে সে সবের সম্পর্ক হতে বিচ্ছিন্ন করা।

আপনি বিভিন্ন অবস্থায় কম করে হলে নীরব থাকতে পারেন কিন্তু একেবারে উদ্বোধন, শুভেচ্ছা, প্রসাদ বিতরণ সহ হাত ধরে মধূর মিলন!যেসব কাজ পাবলিককে বুঝানোর সময় তাগুত। আর নিজে করার সময় দ্বীন!

তাই বলছি, আবার তাওহীদ পড়ুন, শিখুন এবং অনুধাবন করুন।

30/09/2025

হাসসান বিন আতিয়াহ রহ্ বলেন:
🔸 কোনো সম্প্রদায় যখন তারা তাদের দ্বীনে কোনো বিদআত আবিস্কার করে, তখন অনুরূপ সুন্নত তাদের থেকে তুলে নেওয়া হয় এবং কেয়ামত পর্যন্ত তা পুনরায় তাদের নিকট ফেরৎ দেন না। (মিশকাত:১৮৮)

বিদআতীরা তাদের বিদআতকে করতে করতে এত পছন্দ করে বসে যে, ফরযকে ততখানি পছন্দ করে না।
অতঃপর বিদআত ছুটে গেলে তাদের অন্তর কাঁদে কিন্তু ফরয ছুটে গেলে তাদের কিছু যায় আসে না।

28/09/2025

নামাযের সালাম শেষে এই দুয়া পড়তে ভুলবেন না।
اللهم أعني على ذكرك وشكرك وحسن عبادتك

10/09/2024

সাদাকা বলতে কি বুঝায়?
‘সাদাকা’ শব্দটির সাধারণ বাংলা অর্থ হল ‘দান’। জুরজানী বলেন: পারিভাষিক অর্থে সাদাকা বলা হয়, এমন দানকে যার মাধ্যমে আল্লাহর নিকট সওয়াব আশা করা হয়। [আত্ তা’রীফাত/১৩৭] তবে শরীয়তে দান সাধারণত: দুই ভাগে বিভক্ত; একটি এমন দান যা বিশেষ কিছু শর্তে মুসলিম ব্যক্তির বিশেষ কিছু সম্পদে ফরয হয়, যা থেকে একটি নির্দিষ্ট অংশ দান করা তার উপর অপরিহার্য হয়। এমন দানকে বলা হয় যাকাত। আর অন্য দানটি এমন যে, মুসলিম ব্যক্তিকে তা করতে উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে কিন্তু তার উপর অপরিহার্য করা হয়নি। এমন দানকে বলা হয় সাদাকা। তবে শরীয়ার ভাষায় অনেক ক্ষেত্রে ফরয যাকাতকেও সাদাকা বলার প্রচলন আছে।

যাকাত ও সাদাকার মধ্যে পার্থক্য:

১-ইসলাম নির্দিষ্ট কিছু জিনিসে যাকাত জরুরি করেছে, তা হল: স্বর্ণ-রৌপ্য, খাদ্যশস্য, ব্যবসার সামগ্রী এবং চতুষ্পদ পশু –উট, গরু এবং ছাগল-। কিন্তু সাদাকা বিশেষ কিছুতে সীমাবদ্ধ নয়; মানুষ তার সাধ্যানুযায়ী বিভিন্ন কিছুর মাধ্যমে তা দিতে পারে।
২-যাকাতের কিছু শর্ত রয়েছে, তা বিদ্যমান থাকলেই যাকাত জরুরি হয়। যেমন এক বছর অতিক্রম করা, নিসাব পরিমাণ হওয়া এবং বিশেষ পরিমাণে তা বের করা। কিন্তু সাদাকার এমন কোনও শর্ত নেই, তা যে কোনও সময়ে এবং যে কোনও পরিমাণে দেওয়া বৈধ।
৩- আল্লাহ তায়ালা যাকাতের খাদ নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন তাই যাকাত কেবল তাদেরই দিতে হবে। আর তারা হচ্ছেন যথাক্রমে: ফকীর, মিসকিন, যাকাত উসুল কারী কর্মচারী, যাদের মন জয় করা উদ্দেশ্য (যেমন ইসলামে আগ্রহী কিংবা নওমুসলিম), দাসমুক্তি, ঋণগ্রস্ত, জিহাদ এবং মুসাফির। [সূরা তাওবা/৬০] কিন্তু সাদাকা বর্ণিত উপরোক্তদেরও দেওয়া বৈধ এবং এছাড়া অন্যদেরও।
৪-যাকাত জরুরি ছিল এমন ব্যক্তি মারা গেলে তার ওয়ারিশদের উপর জরুরি হয় যে, তারা তার সম্পদ বণ্টনের পূর্বে সেই সম্পদ থেকে প্রথমে যাকাতের অংশ বের করবে অতঃপর বাকী সম্পদ বণ্টন করবে কিন্তু তাদের উপর সাদাকা স্বরূপ কিছু বের করা জরুরি হয় না।
৫-যাকাত আদায় না কারীরর জন্য শাস্তির বর্ণনা এসেছে। (সহীহ মুসলিম নং ৯৮৭) কিন্তু সাদাকা বর্জনকারীর শাস্তির কথা উল্লেখ হয় নি।
৬-ইমাম চতুষ্টয়ের ফতোয়ানুযায়ী যাকাত উসুল ও ফুরূকে (মূল ও গৌণদের) দেওয়া নিষেধ। মীরাছের অধ্যায়ে কোনও ব্যক্তির উসুল বলতে তার মাতা, পিতা, দাদা ও দাদীদেরকে বুঝায় এবং ফুরূ বলতে নিজের সন্তান ও সন্তানদের সন্তানকে বুঝায়। কিন্তু সাদাকা উসুল ও ফুরূ সকলকে দেওয়া বৈধ।
৭-যাকাত ধনী এবং শক্তিশালী রোজগারকারী ব্যক্তিকে দেওয়া নিষেধ। (আবু দাঊদ নং ১৬৩৩, নাসাঈ, নং ২৫৯৮) কিন্তু সাদাকা তাদেরও দেওয়া বৈধ।
৮-কাফের মুশরিককে যাকাত দেওয়া অবৈধ কিন্তু সাদাকা তাদেরও দেওয়া যায়। (সূরা দাহরের ৮ নং আয়াতের তফসীরে ইমাম কুরতুবীর তফসীর দ্রষ্টব্য)।
৯-যাকাত নিজ স্ত্রীকে দেওয়া অবৈধ। ইবনুল মুনযির এ সম্পর্কে ঐক্যমত্য বর্ণনা করেছেন। কিন্তু সাদাকা নিজ স্ত্রীকেও দেওয়া বৈধ… ইত্যাদি পার্থক্য প্রমাণিত।
সাদাকার ফযীলতঃ

আল্লাহ তায়ালা বলেন:

“যারা রাতে-দিনে গোপনে ও প্রকাশ্যে তাদের মাল-সম্পদ খরচ করে, তাদের জন্য তাদের প্রতিপালকের নিকট বদলা রয়েছে, তাদের কোন ভয় নেই এবং তারা চিন্তিতও হবে না।” [সূরা বাকারাহ/২৭৪]

Address

Patna

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shaikh abdur raquib bukhari-madani posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share