07/08/2024
ভগবান বুদ্ধ মহাপরিনির্বাণ সূত্রে আনন্দ ভান্তেকে বলেছিলেন আনন্দ, চারিজন ব্যক্তি স্মৃতি স্তম্ভ পাবার যোগ্য। যথা: ১. তথাগত অর্হৎ, সম্যকসম্বুদ্ধ, ২. প্রত্যেক-বুদ্ধ, (পচ্চেক বু্দ্ধ) ৩. তথাগত-শ্রাবক এবং ৪. চক্রবর্তী রাজা।
১) কোন হেতুবশত তথাগতের অর্হৎ, সম্যকসম্বুদ্ধ স্তূপার্হ? “এটি ভগবান অর্হৎ, সম্যকসম্বুদ্ধের স্তূপ” এরূপ মনে করে, বহুজন চিত্তকে নির্মল করণে সক্ষম হয়, তাঁরা ওই-স্থানে চিত্তের নির্মলতা প্রাপ্ত হয়ে মরণান্তে দেহের ধ্বংসে সুগতি লাভ করে স্বর্গে গমন করেন।
২) কোন হেতুবশত প্রত্যেক-সম্বুদ্ধ স্তূপার্হ? “এটি ভগবান প্রত্যেক সম্বুদ্ধের স্তূপ” এরূপ চিন্তা করে, বহুজন-চিত্তকে নির্মল করণে সক্ষম হয়, তাঁরা ওই-স্থানে চিত্তের নির্মলতা প্রাপ্ত হয়ে মরণান্তে দেহের ধ্বংসে সুগতি লাভ করে স্বর্গে গমন করেন।
৩) কোন হেতুবশত তথাগত-শ্রাবক স্তূপার্হ? “এটি ভগবান অর্হৎ, সম্যকসম্বুদ্ধের শ্রাবকের স্তূপ” এরূপ চিন্তা করে, বহুজন চিত্তকে নির্মল করণে সক্ষম হয়, তাঁরা ওই-স্থানে চিত্তের নির্মলতা প্রাপ্ত হয়ে মরণান্তে দেহের ধ্বংসে সুগতি লাভ করে স্বর্গে গমন করেন।
৪) কোন হেতুবশত রাজচক্রবর্ত্তী স্তূপার্হ? “এটি সেই ধার্মিক চক্রবর্তী রাজার স্তূপ” এরূপ চিন্তা করে, বহুজন চিত্তকে নির্মল করণে সক্ষম হয়, তাঁরাওই-স্থানে চিত্তের নির্মলতা প্রাপ্ত হয়ো মরণান্তে দেহের ধ্বংসে সুগতি লাভ করে স্বর্গে গমন করেন। (দী.নি.২.২০৬)
ঠিক তেমনি পরম পূজ্য বনভন্তেরও একজন ষড়ভিজ্ঞা অর্হৎ এবং তিনি একজন বুদ্ধের অন্যতম শ্রাবক। তাই তিনিও অবশ্যই স্মৃতি স্তম্ভ পাবার যোগ্য। সচরাচর আমরা আমাদের আত্মা মরে গেলে অনেকেই মৃত ব্যক্তির উদ্দেশ্যে স্মৃতি মন্দির নামে একটি মন্দির বানিয়ে দিয়ে থাকেন। সেটিও খারাপ নয় কৃতজ্ঞতা স্বরুপ তাকে স্মৃতি মন্দির বানিয়ে দিয়ে তাকে স্মরণ করা হয়। কিন্তু প্রকৃত পক্ষে স্মৃতি স্তম্ভ পাবার যোগ্য উপরে উল্লেখিত ব্যক্তিরা।