মা চিন্ময়ী কালী মন্দির

মা চিন্ময়ী কালী মন্দির Developed & Maintained by:
MAA CHINMOYEE KALI TEMPLE SEVASHRAM SANGHA

আগামী ১০ই সেপ্টেম্বর ২০২৬ বৃহস্পতিবার।।৪৯ তম কৌশিকী অমাবস্যার শুভ সূচনা।।সকলকে অগ্ৰিম আমন্ত্রণ জানালাম।।সকল ভক্তদের মনস্...
27/07/2026

আগামী ১০ই সেপ্টেম্বর ২০২৬ বৃহস্পতিবার।।
৪৯ তম কৌশিকী অমাবস্যার শুভ সূচনা।।
সকলকে অগ্ৰিম আমন্ত্রণ জানালাম।।
সকল ভক্তদের মনস্কামনা পূর্ণ হোক।।

সৌজন্যে:
মা চিন্ময়ী কালিমন্দির সেবাশ্রম সংঘ,
বাগুইআটি, জর্দ্দাবাগান, কলি-৭০০০৫৯।।
7003638175

*"যিনি ব্রহ্ম তিনিই মা তিনিই অবতার"* — এই কথাটা ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের। অদ্বৈত বেদান্তের সার কথা তিনি এক লাইনে ব...
19/06/2026

*"যিনি ব্রহ্ম তিনিই মা তিনিই অবতার"* — এই কথাটা ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের। অদ্বৈত বেদান্তের সার কথা তিনি এক লাইনে বুঝিয়ে দিয়েছেন।

*১. তিন রূপে একই সত্তা*

*ব্রহ্ম* = নির্গুণ, নিরাকার। কোনো রূপ নেই, গুণ নেই। যেমন বিশাল সমুদ্র — স্থির, অনন্ত। এটা বেদান্তের "ব্রহ্ম সত্য জগৎ মিথ্যা"র সেই ব্রহ্ম।

*মা* = সগুণ, সাকার। সেই নির্গুণ ব্রহ্মই যখন শক্তি হয়ে সৃষ্টি-স্থিতি-লয় করেন, তখন তিনি মা কালী, দুর্গা, জগজ্জননী। সমুদ্রে যখন ঢেউ ওঠে, সেটাই শক্তি। ঠাকুর বলতেন, "ব্রহ্ম আর শক্তি অভেদ। আগুন আর তার দাহিকা শক্তি যেমন আলাদা নয়।"

*অবতার* = যখন সেই ব্রহ্ম-মা জীবের কল্যাণে মানুষ রূপে আসেন, তখন তিনি অবতার। রাম, কৃষ্ণ, বুদ্ধ, চৈতন্য, রামকৃষ্ণ। সমুদ্রের জলই যখন বরফ হয়ে ভাসে, তাকে ধরা যায়, ছোঁয়া যায় — সেটাই অবতার।

*২. ঠাকুর কী বোঝাতে চেয়েছেন?*

১. *ঝগড়া নেই*: শাক্ত বলবে মা বড়, বৈষ্ণব বলবে কৃষ্ণ বড়, বেদান্তী বলবে ব্রহ্মই সব। ঠাকুর বললেন, তর্ক কোরো না। যাঁকে ব্রহ্ম বলছ, তাঁকেই মা ডাকছ, তিনিই আবার যুগে যুগে আসছেন।

২. *রূপ আর অরূপ এক*: কেউ নিরাকারে ডাকে, কেউ মূর্তি পুজো করে, কেউ গুরুকে মানে। সব পথই একই ছাদের দিকে যাচ্ছে। "যত মত তত পথ" এর ভিত্তি এটাই।

৩. *ভয় ভাঙানো*: অনেকেই ভাবে নির্বিকল্প সমাধিতে ব্রহ্মজ্ঞান হলে মা-কালী মিথ্যে হয়ে যায়। ঠাকুর তোতাপুরীর কাছে অদ্বৈত সাধনার সময় মা কালীকে "খড়্গ দিয়ে দু-খণ্ড" করতে গিয়েও কাঁদলেন। শেষে বুঝলেন — যে ব্রহ্ম, সেই মা।

*৩. সহজ উদাহরণ ঠাকুরের*
"জল স্থির থাকলেও জল, হেললে-দুললেও জল, আর বরফ হলেও জল।"
- *স্থির জল* = নির্গুণ ব্রহ্ম
- *ঢেউ তোলা জল* = সগুণ মা, আদ্যাশক্তি
- *বরফ* = অবতার, মানুষের ধরাছোঁয়ার মধ্যে

*৪. আমাদের জন্য কী শিক্ষা?*
১. *ঘৃণা নয়*: কালীভক্ত বৈষ্ণবকে, বা নিরাকারবাদী সাকারবাদীকে ছোট ভাববে না। সবাই একই জনকে ডাকছে।
২. *ভয় নেই*: তুমি মা মা করে কাঁদো, না হয় ব্রহ্ম-ব্রহ্ম করে ধ্যান করো — যেটা ভালো লাগে। পৌঁছাবে একই জায়গায়।
৩. *মানুষে ঈশ্বর দেখা*: অবতার মানে শুধু রাম-কৃষ্ণ নয়। যে মানুষের মধ্যে ত্যাগ, প্রেম, জ্ঞান দেখবে, জানবে তাঁর মধ্যেই তিনি একটু বেশি প্রকাশিত।

*শেষ কথা*: ঠাকুর বলতেন, "মাটির হাঁড়িতে জল থাকে, সোনার হাঁড়িতেও জল থাকে। জলটা আসল।" ব্রহ্ম, মা, অবতার — নাম আলাদা, পাত্র আলাদা, কিন্তু বস্তু এক।

*জয় মা। ওঁ তৎ সৎ।*

আসছে অম্বুবাচী... 🌺➤ অম্বুবাচী প্রবৃত্তি: ২২ জুন ২০২৬, সোমবার🕰️ রাত্রি ৯:১০ মিনিট➤ অম্বুবাচী নিবৃত্তি: ২৬ জুন ২০২৬, শুক্...
17/06/2026

আসছে অম্বুবাচী... 🌺

➤ অম্বুবাচী প্রবৃত্তি: ২২ জুন ২০২৬, সোমবার
🕰️ রাত্রি ৯:১০ মিনিট
➤ অম্বুবাচী নিবৃত্তি: ২৬ জুন ২০২৬, শুক্রবার
🕰️ সকাল ৯:৩৪ মিনিট

বছরের মাত্র কয়েকটি দিন। কিন্তু এই কয়েকটি দিনকে ঘিরে রয়েছে এমন এক রহস্য, যার উত্তর আজও পুরোপুরি অজানা।

লোকবিশ্বাস বলে, এই সময় ধরিত্রী মাতা রজঃ'স্বলা হন। তাই প্রকৃতিও যেন কিছুক্ষণের জন্য থেমে যায়। বহু প্রাচীন গ্রন্থে এই সময়কে সৃষ্টির গুপ্তচক্রের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। আবার তন্ত্রমতে, এ সময় শক্তির প্রবাহ থাকে সবচেয়ে তীব্র।

সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয়, কামাখ্যা মন্দিরের গর্ভগৃহে পূজিত হয় না কোনো দেবীমূর্তি। সেখানে বিরাজমান এক প্রাচীন যো'নিপীঠ, যা সৃষ্টি ও মাতৃশক্তির প্রতীক। অম্বুবাচীর সময় সেই স্থানকে ঘিরে জন্ম নেয় অসংখ্য প্রশ্ন, অসংখ্য কিংবদন্তি।

কেউ বলেন এটি প্রকৃতির উৎসব।
কেউ বলেন এটি শক্তির জাগরণ।

আবার কেউ মনে করেন, এই কয়েকটি দিনের আড়ালে লুকিয়ে আছে এমন এক ত'ন্ত্ররহস্য, যা আজও সাধারণ মানুষের অজানা। 🔱🙏

জয় মা কামাখ্যা 🙏🌺

21/02/2026
মহাশিবরাত্রি ২০২৬ || চতুর্থ প্রহরের পূজার সঠিক সময়, রীতি ও নিয়ম📅 ১৬ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ (ভোর)🕯 চতুর্থ প্রহর: ভোর ২টা ৫৯ মি...
15/02/2026

মহাশিবরাত্রি ২০২৬ || চতুর্থ প্রহরের পূজার সঠিক সময়, রীতি ও নিয়ম

📅 ১৬ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ (ভোর)
🕯 চতুর্থ প্রহর: ভোর ২টা ৫৯ মিনিট থেকে ভোর ৬টা ০৮ মিনিট পর্যন্ত

মহাশিবরাত্রির রাত্রি যখন শেষের পথে, তখন শুরু হয় চতুর্থ প্রহর — এটি হলো আলোকপ্রাপ্তি ও সমাপনের পর্ব। সারারাতের জাগরণ, জপ, তপস্যা ও অভিষেকের পর এই প্রহরে ভোরের প্রথম আলো শিবকৃপা ও আশীর্বাদের প্রতীক হয়ে ওঠে। এই সময় পূজা মানে — অন্ধকার পেরিয়ে আলোর পথে অগ্রসর হওয়া।

✨ চতুর্থ প্রহরের শাস্ত্রসম্মত রীতিঃ

🔹 ১. প্রহর সূচনার প্রস্তুতি (০২:৫৯-এর আগে)
তৃতীয় প্রহরের পূজা শেষে শিবলি ঙ্গ হালকা জল দিয়ে পরিষ্কার করুন। আগের নৈবেদ্য সরিয়ে নতুন উপাচার সাজান। শান্ত মনে আসন গ্রহণ করুন।
সংকল্প করুন—
“এই প্রভাতের প্রহরে শিবকৃপায় জীবনের নতুন সূচনা চাই।”

🔹 ২. অভিষেক (মুখ্য আচার)
শাস্ত্র ও প্রচলিত রীতি অনুযায়ী এই প্রহরে
মধু বা পঞ্চামৃত দ্বারা অভিষেক করা শুভ।
পঞ্চামৃতের উপাদান—
✔ দুধ
✔ দই
✔ ঘি
✔ মধু
✔ চিনি বা গুড়
অভিষেকের সময় উচ্চারণ করুন—
🔱 “ওঁ নমঃ শিবায়”
মধু বা পঞ্চামৃতের অভিষেক মানে —
রাত্রির তপস্যাকে মধুর ফলপ্রাপ্তিতে রূপান্তর করা।

🔹 ৩. ধ্যান ও জপ
ভোরের শান্ত আলোয় চোখ বন্ধ করে ধ্যান করুন।
মনে জপ করুন—
🕉 ওঁ নমঃ শিবায়
এই সময় মন স্বাভাবিকভাবেই প্রশান্ত থাকে —
ধ্যান গভীর হয়।

🔹 ৪. পঞ্চোপচার ও সমাপন (সূর্যোদয়ের আগে)
গন্ধ (চন্দন), পুষ্প, ধূপ, দীপ ও সাত্ত্বিক নৈবেদ্য নিবেদন করুন।
ঘিয়ের প্রদীপে আরতি করে প্রার্থনা করুন—
“হে মহাদেব, এই প্রভাতের মতো আমার জীবন আলোকিত করো।”
সূর্যোদয়ের সঙ্গে পূজা সমাপ্ত করুন।

🌄 চতুর্থ প্রহরের অন্তর্নিহিত অর্থঃ

প্রথম প্রহর — আত্মশুদ্ধি
দ্বিতীয় প্রহর — আত্মসমর্পণ
তৃতীয় প্রহর — আত্মজাগরণ
চতুর্থ প্রহর — আলোকপ্রাপ্তি

রাত্রির গভীরতম অন্ধকারের পরেই আসে ভোরের আলো। ঠিক তেমনি শিবসাধনায় তপস্যার পরেই আসে কৃপা। যারা সারারাত চার প্রহরে পূজা করেন, তাঁদের জন্য এই প্রহর হলো আশীর্বাদের মুহূর্ত।

🔱 শিবনামে জীবন হোক আলোকিত। 🕉

Address

Vidyasagar Pally
North 24 Parganas
700059

Opening Hours

Monday 9am - 5pm
Tuesday 9am - 5pm
Wednesday 9am - 5pm
Thursday 9am - 5pm
Friday 9am - 5pm
Saturday 9am - 5pm
Sunday 9am - 5pm

Telephone

+919231480582

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মা চিন্ময়ী কালী মন্দির posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to মা চিন্ময়ী কালী মন্দির:

Shortcuts

Share

Category