108 ॐ Hindu Network

108 ॐ Hindu Network চারজন হিন্দু একসঙ্গে তখন-ই হাটে,
যখন প? চারজন হিন্দু একসঙ্গে তখন-ই হাটে, যখন পঞ্চম জন কাধে থাকে।
(জাগো হিন্দু : একতাবদ্ধ হও)

রাত বারোটা পেরোলেই নাকি জায়গাটা বদলে যায়।দোকানের আলো নিভে যায়। ভিড় থামে। কিন্তু অশ্বত্থ গাছটার ছায়ায় নাকি তখনও কেউ বসে থ...
16/02/2026

রাত বারোটা পেরোলেই নাকি জায়গাটা বদলে যায়।
দোকানের আলো নিভে যায়। ভিড় থামে। কিন্তু অশ্বত্থ গাছটার ছায়ায় নাকি তখনও কেউ বসে থাকে…

লোকেরা বলে—
ওটা মন্দির নয়, ওটা আদালত।
বড় আদালত। বড়কাছারি।

দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাখরাহাটের অন্দরে ঝিকুরবেড়িয়া। আজ সাধারণ গ্রাম। কিন্তু একসময় এটি ছিল শ্ম'শান-জঙ্গল। সময়টা প্রায় ১৭৫৫। বাংলার নবাব Alivardi Khan-এর শাসনের শেষ পর্ব। মারাঠা বর্গীদের তাণ্ডবে গ্রামবাসীরা আশ্রয় নিত এই নির্জন স্থানে। অঞ্চলটি ছিল Sabarna Roy Choudhury-দের তালুকের অন্তর্গত। সেই ভ'য়াবহ সময়েই জন্ম নেয় এক বিশ্বাস— এই শ্ম'শানে নাকি স্বয়ং ভূতনাথ বিচারসভা বসান।

অন্যায়ের বিচার হয়।
নিরপরাধ রক্ষা পায়।
সেই থেকে নাম—ভূতকাছারি।
আর মানুষের মুখে মুখে—বড়কাছারি।

বহু বছর পরে এক বাকসিদ্ধ সাধু এই শ্ম'শানেই আশ্রয় নেন। তারপর থেকেই আশ্চর্য ঘটনা শুরু হয়। দীর্ঘদিনের মামলা মিটে যায়। অসুখ সেরে ওঠে। নিঃসন্তান দম্পতির কোল ভরে ওঠে। মানুষ বিশ্বাস করে—তিনি সাধু নন, তিনি ভূতনাথের প্রকাশ। হঠাৎ তাঁর দেহাবসান। দাহ করা হয়নি। সমাধিস্থ করা হয় সেই শ্ম'শানেই। আর লোকমুখে প্রচলিত আছে—
সেই সমাধিক্ষেত্র থেকেই জন্ম নেয় এক অশ্বত্থ গাছ। গাছের গোড়ায় স্থাপন করা হয় শিবলি'ঙ্গ। সেই গাছই আজকের বিশ্বাসের কেন্দ্র।

১৯৭৮ সালের ভ'য়াবহ বন্যা প্রাচীন অশ্বত্থকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছিল। কিন্তু বিশ্বাস ভাঙেনি। ভক্তরা নতুন অশ্বত্থ রোপণ করেন। গড়ে ওঠে বেদী—সেটাই আজকের পূর্ণাঙ্গ মন্দির। এখানে আজও মানুষ ছোট কাগজে নিজের প্রার্থনা লিখে বেঁধে দেয়। এখানে পাণ্ডা প্রথা নেই—মানুষ নিজেই পূজা দেয়। দুধপুকুরে স্নান করে অনেকে দণ্ডি কেটে আসে। মঙ্গলবার ও শনিবার—অসংখ্য মানুষের ঢল নামে। জমিজমা বিবাদ, অসুখ, সন্তান কামনা, বিয়ে, প্রেম— সব সমস্যার শেষ ভরসা যেন এই বড় আদালত।

ইতিহাস একভাবে ব্যাখ্যা দেবে,
লোককথা আরেকভাবে বলবে।
কিন্তু যারা সন্ধ্যার পর অশ্বত্থের ছায়ায় দাঁড়িয়েছে,
তারা জানে—ওখানে বাতাসও আলাদা লাগে।

সব শব্দ থেমে গেলে, পাতার ফাঁকে ফাঁকে যেন কারও নীরব উপস্থিতি টের পাওয়া যায়।

হয়তো সেটা বিশ্বাস।
হয়তো ভয়।
হয়তো ভরসা।

কিন্তু একটা কথা আজও মানুষ বলে—
এই আদালতে অন্যায় টেকে না।

🔱 জয় বাবা বড়কাছারি
🔱 জয় বাবা ভূতনাথ 🙏

একটা প্রচলিত কথা আছে— যে ঘরে তুলসী থাকে, সে ঘর ফাঁকা থাকে না। কেউ না কেউ নীরবে পাহারা দেয়। বয়স্করা বলতেন, তুলসী শুধু গাছ...
03/02/2026

একটা প্রচলিত কথা আছে— যে ঘরে তুলসী থাকে, সে ঘর ফাঁকা থাকে না। কেউ না কেউ নীরবে পাহারা দেয়। বয়স্করা বলতেন, তুলসী শুধু গাছ নয়— তিনি ঘরের মঙ্গল আর অমঙ্গলের নীরব সাক্ষী। তাই তাঁর যত্নে অবহেলা হলে, সংসারের শান্তিও যেন একটু একটু করে সরে যেতে থাকে।

শাস্ত্র আর লোকাচার দুটোই মনে করিয়ে দেয়— ভুল নয়, অবহেলাই সবচেয়ে বড় সমস্যা। তাই বলা হয়, তুলসী গাছ মেঝের থেকে একটু উঁচু স্থানে রাখা ভালো,
প্রতিদিন সকালে জল অর্পণ করা আর সন্ধ্যায় প্রদীপ জ্বালানো উচিত। সন্ধ্যার পর তুলসী গাছ স্পর্শ না করাই শ্রেয়। একাদশী, রবিবার বা গ্রহণকালে তুলসী পাতা তোলা থেকে বিরত থাকাই মঙ্গলজনক। আর পাতা তোলার আগে, দু’চোখ ভরে একবার প্রণাম—এইটুকু শ্রদ্ধাই যথেষ্ট।

জল অর্পন করার পূর্বে তুলসী মন্ত্রঃ “মহাপ্রসাদ জননী, সর্ব সৌভাগ্য বর্ধিনী, আধি ব্যাধি হরা নিত্য, তুলসী ত্বং নমস্তুভ্যম্।”

এই ছোট ছোট নিয়মগুলো মানলে,
তুলসী পূজা আর শুধু আচার থাকে না—হয়ে ওঠে ঘরের নিঃশব্দ আশীর্বাদ।

🙏 জয় তুলসী মাতা 🙏

যেখানে সব আশা শেষ,সেখান থেকেই শুরু হয় জগন্নাথ দেবের করুণা।।তিনি রাজা নন,তিনি দয়ার সাগর।।তিনি দূরে নন—ভক্তের হৃদয়ের মাঝেই...
31/01/2026

যেখানে সব আশা শেষ,
সেখান থেকেই শুরু হয় জগন্নাথ দেবের করুণা।।
তিনি রাজা নন,তিনি দয়ার সাগর।।
তিনি দূরে নন—ভক্তের হৃদয়ের মাঝেই তিনি বিরাজমান।।

স্কন্দ পুরাণ (উৎকল খণ্ড)বলে—“জগন্নাথঃ স্বয়ং বিষ্ণুঃ”
অর্থাৎ জগন্নাথ দেব স্বয়ং শ্রীবিষ্ণু,কলিযুগে ভক্তদের উদ্ধারের জন্য নীলাচলে প্রকাশিত।।

যে একবার ভক্তিভরে বলে—“জয় জগন্নাথ”,
তার অশ্রু হয়ে যায় প্রার্থনা
আর তার কষ্ট হয়ে যায় ভগবানের দায়িত্ব।।

সব ছেড়ে শুধু বলো—জয় জগন্নাথ 🙏

মৃত্যু:- কোথায় যাচ্ছো?মানুষ:- বাড়িতে যাচ্ছি!!মৃত্যু:- কোথায় গিয়েছিলে??মানুষ:- বাজারে!!মৃত্যু:- তোমার হাতে এগুলো কি!!...
30/09/2025

মৃত্যু:- কোথায় যাচ্ছো?
মানুষ:- বাড়িতে যাচ্ছি!!

মৃত্যু:- কোথায় গিয়েছিলে??
মানুষ:- বাজারে!!

মৃত্যু:- তোমার হাতে এগুলো কি!! এগুলো কার জন্য??
মানুষ:- মা, বাবা, স্ত্রী, সন্তানের জন্য জামা কাপড় আর কিছু ফল (ফ্রুট) কিনেছি __ কেন!?

মৃত্যু:- এতো কিনে কি লাভ ??
মানুষ:- নতুন চাকরির প্রথম মাসের বেতন পেয়েছি।।___এগুলো বাসায় নিয়ে গেলে সবাই খুশি হবে...!!

মৃত্যু:- সবাইকে খুশি করতে কতো কিছুই না করছো,, তাই না ??
মানুষ:- হুম সবাই আমার জন্য তো অনেক কিছু করেছে।।

মৃত্যু:- ভগবান, যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছে.... এত নিয়ম ভোগ করতে দিয়েছে... এই যে বাজার থেকে এতো কিছু নিয়ে যাচ্ছো, এই কৃপা টাও তোমাকে দিয়েছে, তুমি যে এতো ভেজাল খাবার পর ও সুস্থ আছো এই কৃপা করছে,,,তাকে খুশি করার জন্য কি কখনো কিছু করেছো...??

মানুষ:- " কিছু না "( দুঃখিত সুরে)।।
মৃত্যু:- যাইহোক অনেক দিন তো ছিলে এই মায়ার জগতে ।__ এখন আমার সঙ্গী হতে হবে ......!!

মানুষ:- আমি প্রস্তুত নই !?
মৃত্যু:- কোনো সমস্যা নেই,, আমার সঙ্গে যেতে কোনো প্রকার প্রস্তুতি নিতে হয় না....চলো তাহলে..!!

মানুষ:- একটু অপেক্ষা করো এই সব বাজার বাড়িতে দিয়ে আসি...!!
মৃত্যু:- সমস্যা নেই এগুলো এখানেই ফেলে দাও,,,,,,
এমনিতেই তোমার বাড়িতে পৌঁছে দেবে আমার শিষ্যরা ....!!

মানুষ:- একটু সময় ও কি নেই?? একটু সময় দাও আমাকে!!
মৃত্যু:- না, এক সেকেন্ড ও সময় নেই।।

মানুষ:- আচ্ছা বেস, অন্তত বাবা,মা, স্ত্রী , সন্তানের সঙ্গে শেষ বারের মত দেখা করে শেষবিদায় নিতে দাও....!!
মৃত্যু:- কখনোই না....!

মানুষ:- কল করে বাড়িতে জানিয়ে দেই.....??
মৃত্যু:- কল করতে হবেনা, তোমার চলে যাবার সংবাদ এমনিতেই পৌঁছে যাবে...!!

মৃত্যু:- কি ভাবছো ???
মানুষ:- ভাবছি , এতদিন কার জন্য কি করলাম, এই জগতে এত সুন্দর করে সাজালাম অথচ আমি থাকতে পারবো না। তাহলে এই ক্ষণস্থায়ী সামান্য জীবন নিয়ে কিসের এত অহংকার আর ক্ষমতা...l

"হে পরম দয়াময় ভগবান তুমি তোমার অধম ভক্তদের সঠিক জ্ঞান বোঝার কৃপা দান কোরো ।।

ফেসবুক থেকে সংগৃহীত।।

হরে কৃষ্ণ। রাধা রাধা

আত্মা (Soul) এবং পরমাত্মা (Supreme Soul) - এই দুটি ধারণা হিন্দু দর্শনে গুরুত্বপূর্ণ। সংক্ষেপে এদের মধ্যে পার্থক্য নিম্নর...
08/08/2025

আত্মা (Soul) এবং পরমাত্মা (Supreme Soul) - এই দুটি ধারণা হিন্দু দর্শনে গুরুত্বপূর্ণ। সংক্ষেপে এদের মধ্যে পার্থক্য নিম্নরূপ:

🔹 আত্মা (Soul) – আত্মার বৈশিষ্ট্য:

আত্মা প্রতিটি জীবের ভিতরে বিদ্যমান চেতনা বা জীবনী শক্তি।

এটি অজর, অবিনশ্বর এবং চিরন্তন।

জন্ম ও মৃত্যুর চক্রে আত্মা বারবার দেহ ধারণ করে (punarjanma)।

আত্মা সীমিত জ্ঞান ও শক্তির অধিকারী।

📚 উপনিষদে উল্লেখ:
“অজো নিত্যঃ শাশ্বতো অযং পুরাণো ন হন্যতে হন্যমানে শরীরে।”
— ভগবদ্‌গীতা ২.২০
(আত্মা জন্মায় না, মরে না; এটি চিরন্তন, অজ এবং অপরিবর্তনীয়।)

🔹 পরমাত্মা (Supreme Soul) – পরমাত্মার বৈশিষ্ট্য:

পরমাত্মা হলো ঈশ্বর বা ব্রহ্ম, যিনি সর্বশক্তিমান, সর্বজ্ঞ এবং সর্বব্যাপী।

তিনি সৃষ্টির বাহিরেও আছেন এবং সৃষ্টির অন্তরেও বিরাজমান।

তিনি আত্মার পরম গন্তব্য ও আশ্রয়স্থল।

পরমাত্মা এক ও অদ্বিতীয়।

📚 উপনিষদে উল্লেখ:
“একো দেৱঃ সর্বভূতেষু গূঢ়ঃ।”
— শ্বেতাশ্বতর উপনিষদ ৬.১১
(একই দেবতা সকল জীবের অন্তরে গোপনে বিরাজ করছেন।)

মূল পার্থক্য :

বিষয় আত্মা (Soul) পরমাত্মা (Supreme Soul)

অস্তিত্ব প্রতিটি জীবের ভিতরে সকল জীবের ভিতরে ও বাহিরে
প্রকৃতি চেতন, সীমিত চেতন, সর্বজ্ঞ, অসীম
জ্ঞান সীমিত অসীম ও পূর্ণ
জন্ম-মৃত্যু জন্ম নেয় ও দেহ ধারণ করে জন্ম-মৃত্যুর ঊর্ধ্বে
উদ্দেশ্য মুক্তি লাভ করা মুক্তিদাতা

উপসংহার:
আত্মা হল জীবের অন্তর্নিহিত চেতনা, যা মুক্তির জন্য পরমাত্মার সংযোগ চায়। পরমাত্মা সর্বোচ্চ সত্তা, যিনি আত্মাকে মুক্তির পথে পরিচালিত করেন।

Il Om nomah Narayanay ll

একটি শিশু ঈশ্বরকে জিজ্ঞেস করল," সবাই বলছে যে, তুমি আমাকে আগামীকাল পৃথিবীতে পাঠাচ্ছো। কিন্তু আমি এতো ছোট এবং অসহায় হয়ে কী...
28/07/2025

একটি শিশু ঈশ্বরকে জিজ্ঞেস করল," সবাই বলছে যে, তুমি আমাকে আগামীকাল পৃথিবীতে পাঠাচ্ছো। কিন্তু আমি এতো ছোট এবং অসহায় হয়ে কীভাবে বাঁচব?"

ঈশ্বর বললেন☝️, " তোমার দেবদূত তোমার জন্য অপেক্ষা করবে এবং তোমার যত্ন নেবে। "

তখন শিশুটি আবার জিজ্ঞাসা করল," তবে আমাকে বলুন, এখানে স্বর্গে আমি এতো খুশি আছি, সারাক্ষণ গান হাসি..... কতো আনন্দ..."

ঈশ্বর বললেন, ☝️" তোমার দেবদূত তোমার জন্য গান করবেন এবং তোমার জন্য হাসবেন। "

বাচ্চাটি বলল, " কিন্তু ভাষা না জানলে সবাই আমার সাথে কথা বলবে কীভাবে? আর আমিই বা তাদের ভাষা কীভাবে বুঝতে সক্ষম হব?"

ঈশ্বর বললেন,☝️" তোমার দেবদূত তোমাকে সবচেয়ে সুন্দর এবং মধুর শব্দগুলি শোনাবে যা তুমি শুনবে এবং খুব ধৈর্য্য এবং যত্ন সহকারে তোমার দেবদূত তোমাকে কীভাবে কথা বলতে হয় তা শিখিয়ে দেবে। "

" এবং আমি যখন আপনার সাথে কথা বলতে চাইব তখন কী করব?" -- বাচ্চাটি জিজ্ঞাসা করল ঈশ্বরকে।

ঈশ্বর বললেন,"☝️ তোমার দেবদূত তোমার হাত একসাথে রাখবেন এবং তোমাকে কীভাবে প্রার্থনা করতে হয় তা শিখিয়ে দেবেন। "

বাচ্চাটি জিজ্ঞেস করল," কে আমাকে রক্ষা করবে? "

ঈশ্বর বললেন," ☝️তোমার দেবদূত তোমাকে রক্ষা করবেন। দরকার পড়লে সে তার নিজের জীবন দিয়ে তোমাকে রক্ষা করবেন। "

বাচ্চাটি আবারও জিজ্ঞাসা করল," প্রভু আমি এতো ছোট, ঠিকমতো খেতে পাব তো?"

ঈশ্বর বললেন,"☝️ আমি যাকে জন্ম দিই তার খাবারের ব‍্যবস্থা করেই রাখি। কিন্তু মনে রাখবে, আমি খাবারের ব‍্যবস্থা করি কিন্তু নিজের শরীরের রক্ত খাওয়াই না। কিন্তু তোমার দেবদূত নিজের শরীরের রক্ত পর্যন্ত তোমাকে খাওয়াতে প্রস্তুত। ভবিষ্যতেও দরকার পড়লে সে নিজে না খেয়ে তোমাকে খাওয়াবে। "

" কিন্তু তাও আমি সর্বদা দুঃখিত থাকব কারণ আপনাকে আর দেখতে পাব না। " বাচ্চাটি বলল।

ঈশ্বর বললেন,☝️" তোমার দেবদূত সর্বদা তোমার সাথে আমার সম্পর্কে কথা বলবেন এবং আমার কাছে ফিরে আসার উপায় তোমাকে শিখিয়ে দেবেন। যদিও আমি সর্বদাই তোমার পাশে থাকব "

সেই মুহুর্তে স্বর্গে অনেক শান্তি ছিল কিন্তু পৃথিবী থেকে ডাক শোনা গেল এবং শিশুটি তাড়াতাড়ি জিজ্ঞাসা করল, " ঈশ্বর, আমি যদি এখনই চলে যাই দয়া করে আমার দেবদূতের নাম তো বলুন। "

ঈশ্বর বললেন☝️, একজন নয় - দুজন। তুমি তাদের শুধু " মা " আর " বাবা "বলে ডাকবে। 🙏🙏
🙏🙏 #হরে_কৃষ্ণ 🙏🙏

[ সেদিন অর্থাৎ রথেরদিন পা দিয়ে জুতো পরে রথের দড়ি মাড়ানো, নারকেল না ভেঙে ভলিবলের মতো ছুঁড়ে ফেলেছিল দেখে খুবই মর্মাহত হয়েছ...
14/07/2025

[ সেদিন অর্থাৎ রথেরদিন পা দিয়ে জুতো পরে রথের দড়ি মাড়ানো, নারকেল না ভেঙে ভলিবলের মতো ছুঁড়ে ফেলেছিল দেখে খুবই মর্মাহত হয়েছিলাম।
নীরবে প্রভুর কাছে শুধু প্রার্থনা করেছিলাম।]

❣️ পবিত্র জগন্নাথ ধামের ধ্বজ অর্থাৎ পতাকা সবসময় ইঙ্গিতবাহী। বড় কিছু ঘটার আগে এই ধ্বজ কিছু না কিছু ইঙ্গিত দিয়ে যায়। যেমন আমেদাবাদ প্লেন ক্র্যাশের আগে চিলে এই ধ্বজ নিয়ে চলে যায়।

যাইহোক, পবিত্র জগন্নাথ ধামের অনুকরণে দীঘায় জগন্নাথ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র বানানো হয়েছে। আর সেখানে প্রথম থেকেই অনাচার চলছে - যেমন, বিধর্মীদের সেখানে প্রবেশের অনুমতি, আমিষ ভক্ষণ করে প্রভু জগন্নাথ দেবের পুজো, চটি পড়ে রথের দড়িতে টান বা জুতো পড়ে রথের পবিত্র দড়ি মাড়িয়ে দেওয়া।

হিন্দু সনাতনীদের ধর্মীয় ভাবাবেগে এইভাবে বারেবারে কদর্যভাবে আঘাত করা হয়েছে দীঘায়। আর আজ বাজ পড়ে দীঘায় জগন্নাথ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের মাথায় যে ধ্বজটি ছিল সেটা পুরোপুরি পুড়ে ভস্মীভূত হয়ে গেছে। যাঁরা জগন্নাথ প্রভুকে মানেন, তাঁরা বলছেন - যে বা যারা জগন্নাথ প্রভুকে নিয়ে এইভাবে অনাচার করেছে, এবার তাদের চরম শাস্তি পেতে হবে, তাই এই বজ্রপাত তারই আগাম ইঙ্গিত। নাহলে আশেপাশে কোথাও কিছু হলনা, শুধুমাত্র ওই ধ্বজটিই শুধুমাত্র ভস্মীভূত হল কেন? 🤔

ভারতের ইঞ্জিনিয়ারিং সাফল্য এখন বিশ্বজয়ী!ভারতে সাফল্যের পর, কম্বোডিয়া ভারতের থেকে ৪৫টি বন্দে ভারত ট্রেন কোচ আমদানি করত...
13/07/2025

ভারতের ইঞ্জিনিয়ারিং সাফল্য এখন বিশ্বজয়ী!
ভারতে সাফল্যের পর, কম্বোডিয়া ভারতের থেকে ৪৫টি বন্দে ভারত ট্রেন কোচ আমদানি করতে চলেছে।

মেড ইন ইন্ডিয়া, বিশ্বজোড়া ভরসা! 🇮🇳🚆

কোন ব্যক্তি পান্ডুরোগ (জন্ডিস) দ্বারা আক্রান্ত থাকার ফলে মিষ্টি ও তার কাছে তেঁতো লাগে।পান্ডুরোগীর মিছরির স্বাদ নিতে পারে...
12/07/2025

কোন ব্যক্তি পান্ডুরোগ (জন্ডিস) দ্বারা আক্রান্ত থাকার ফলে মিষ্টি ও তার কাছে তেঁতো লাগে।পান্ডুরোগীর মিছরির স্বাদ নিতে পারেনা কিন্তুএই মিছরি নিয়মিত খেলে তবেই এই রোগ সারবে,এটা মহৌষধ।এই জেনে প্রতিদিন যদি সে মিছরি খায় তবে ধীরে ধীরে মিষ্টি লাগবে এবং তাতে রুচি জন্মে। ঠিক সেইভাবে যার ভক্তিতে রুচি নেই , যদি সে পুনঃপুনঃ ভগবানের নাম শ্রবণ ,কীর্তন, ভক্তিযোগের অনুশীলন করে তাহলে তার অবিদ্যাদি রোগ দূর হবে এবং ভক্তি মুলক কাজে রুচি জন্মে ও ভগবানে আসক্তি জন্মে।

পুরান মতে ভগবান জগন্নাথ চার ভাবেএই বিশ্বে প্রতিভাত হলেও তিনি ভোজনের জন্য পুরী ধামে আবিভূত হয়েছেন-ক) বদ্রীনাথ ধামে তিনি ধ...
30/06/2025

পুরান মতে ভগবান জগন্নাথ চার ভাবে
এই বিশ্বে প্রতিভাত হলেও তিনি ভোজনের জন্য পুরী ধামে আবিভূত হয়েছেন-

ক) বদ্রীনাথ ধামে তিনি ধ্যান মগ্ন
খ) রামেশ্বরম ধামে স্নান লীলা
গ) দ্বারকায় শয়ন এবং
ঘ) পুরী ধামে ভোজন

এই চার ধামের মধে তিনি শ্রীক্ষেত্র পুরী
ধামেই নিত্য আহার করেন, তাই পুরী ধামের
ভোগের মহত্ব এত অসীম।
এই পুরী ধামে শ্রী ভগবানের নিত্য সেবা হয় ৫৬
রকমের ভোগ দিয়ে।
স্বয়ং মাতা লক্ষী দেবীই যেন প্রতিদিন প্রভু
জগন্নাথের জন্য এই ভোগ রান্না করেন।
জগন্নাথ দেবের ভোগ গ্রহনের পর মাতা বিমলা
দেবী সেই প্রসাদ গ্রহণ করেন। তাই এই প্রসাদ
মহাপ্রসাদ নাম জগত বিখ্যাত। এই মহাপ্রসাদে
থাকে ৯ রকমের চালের পদ, ১৪ রকমের সবজি
৯ রকমের দুধের জিনিস, ১১রকমের মিষ্টি,২৩ রকমের পিঠা-পুলি, মালপোয়া ও অনন্য জিনিস। জগন্নাথের ৫৬ ভোগ গুলো হচ্ছে

১) উকখুড়া অর্থাৎ মুড়ি, ২) নাড়িয়া কোড়া অর্থাৎ নারকেল নাড়ু, ৩) খুয়া অর্থাৎ খোয়া ক্ষীর, ৪) দই, ৫) পাচিলা কাঁদালি অর্থাৎ টুকরো টুকরো কলা ৷ ৬) কণিকা অর্থাৎ সুগন্ধী ভাত, ৭) টাটা খিঁচুড়ি অর্থাৎ শুকনো খিঁচুড়ি, ৮) মেন্ধা মুন্ডিয়া অর্থাৎ বিশেষ ধরণের কেক, ৯) বড়া কান্তি অর্থাৎ বড় কেক, ১০) মাথা পুলি অর্থাৎ পুলি পিঠে, ১১) হামসা কেলি অর্থাৎ মিষ্টি কেক ৷ ১২) ঝিলি অর্থাৎ এক ধরণের প্যান কেক, ১৩) এন্ডুরি অর্থাৎ নারকেল দিয়ে তৈরি কেক, ১৪) আদাপচেদি অর্থাৎ আদা দিয়ে তৈরি চাটনি, ১৫) শাক ভাজা, ১৬) মরীচ লাড্ডু অর্থাৎ লঙ্কার লাড্ডু, ১৭) করলা ভাজা, ১৮) ছোট্ট পিঠে, ১৯) বারা অর্থাৎ দুধ তৈরি মিষ্টি ২০) আরিশা অর্থাৎ ভাত দিয়ে তৈরি মিষ্টি, ২১) বুন্দিয়া অর্থাৎ বোঁদে, ২২) পাখাল অর্থাৎ পান্তা ভাত, ২৩)খিড়ি অর্থাৎ দুধভাত, ২৪)কাদামবা অর্থাৎ বিশেষ মিষ্টি ৷ ২৫) পাত মনোহার মিষ্টি ২৬) তাকুয়া মিষ্টি, ২৭) ভাগ পিঠে, ২৮) গোটাই অর্থাৎ নিমকি, ২৯) দলমা অর্থাৎ ভাত ও সবজি ৩০) কাকারা মিষ্টি ৷ ৩১) লুনি খুরুমা অর্থাৎ নোনতা বিস্কুট, ৩২) আমালু অর্থাৎ মিষ্টি লুচি, ৩৩) বিড়ি পিঠে, ৩৪) চাড়াই নাডা মিষ্টি ৩৫) খাস্তা পুরি, ৩৬) কাদালি বারা, ৩৭) মাধু রুচী অর্থাৎ মিষ্টি চাটনি, ৩৮) সানা আরিশা অর্থাৎ রাইস কেক, ৩৯) পদ্ম পিঠে ৪০) পিঠে, ৪১) কানজি অর্থাৎ চাল দিয়ে বিশেষ মিষ্টি. ৪২) দাহি পাখাল অর্থাৎ দই ভাত, ৪৩) বড় আরিশা, ৪৪) ত্রিপুরি ৪৫) সাকারা অর্থাৎ সুগার ক্যান্ডি, ৪৬) সুজি ক্ষীর, ৪৭) মুগা সিজা, ৪৮) মনোহরা মিষ্টি, ৪৯) মাগাজা লাড্ডু ৫০) পানা, ৫১) অন্ন, ৫২) ঘি ভাত, ৫৩) ডাল, ৫৪) বিসার অর্থাৎ সবজি, ৫৫) মাহুর অর্থাৎ লাবরা, ৫৬) সাগা নাড়িয়া অর্থাৎ নারকেলের দুধ দিয়ে মাখা ভাত ৷

একবার ইস্কন প্রতিষ্ঠাতা শ্রীলপ্রভুপাদ
আমেরিকায় রথযাত্রার সময় উপস্থিত ছিলেন
সেখানে ওয়াশিংটনে প্রথম ইস্কনের
রথযাত্রা শুভ সূচনার সময়। ৫৬ ভোগ দিতে গিয়ে
দেখা যায় বহু বিদেশীরাই ভারতীয় রান্নার
এতগুলি নিরামিষ পদ আয়ত্ত করতে পারছিলেন
না। তখন তিনি নিজে দাড়িয়ে নিরামিষ পদ
কেক, প্যাটিস বানানো শিখিয়েছিলেন বিদেশী ভক্তদের।
তবে শ্রীক্ষেত্র পুরীতে যারা গেছেন তারা

সকলেই অবগত আছেন পুরীধামের রান্নাঘরের মাহাত্ম্যা সম্পর্কে।
সে এক দেখার মতই রান্নাঘর, প্রতিদিন ৭৫২টি
উনুনে রান্না হয়, ৬০০জন রাঁধুনি, আর ১,০০০
সহকারী এই কাজ করেন নিষ্ঠা সহকারে।
জগন্নাথ দেবের রান্নায় সব সবজি লাগলেও
কিছু সবজি একেবারেই নিষিদ্ধ যেমন -
সাধারণ আলু (একমাত্র ক্ষামআলু ব্যবহার করা হয়)
লঙ্কা, গাজর, রসুন, পিয়াজ, টমেটো প্রভৃতি।
আশ্চর্যের বিষয় এই পাকশালায় কোনো
বৈদ্যুতিক বাতি নেই। কুপি বা লম্ফ জ্বেলে দক্ষ
পাণ্ডারা এই রান্না করে যাচ্ছেন সেই
আদ্দিকাল থেকে আজ একই ভাবে। সব রান্নাই
হয় মাটির হাড়িতে করে, কোনো ধাতব পাত্র
ব্যবহার হয়না।

সব থেকে আশ্চর্যের বেপার হলো উনোনের উপর
একটা হাড়ির উপর আর একটা হাড়ি চাপিয়ে
দেওয়া হয়, এই ভাবে পর পর ৯টি হাড়ি
চাপানো থাকে আর শেষ হাড়ির নিচে
থাকে গনগনে উননের আচ কিন্তু সব থেকে
উপরের হাড়ির রান্না শেষ হয় সবার প্রথমে।
এমন বিচিত্র লীলা লীলাময়ের দ্বারাই একমাত্র সম্ভব।

30/05/2025

Address

Mayapur
Navadwip
741302

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when 108 ॐ Hindu Network posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to 108 ॐ Hindu Network:

Share