108 ॐ Hindu Network

108 ॐ Hindu Network চারজন হিন্দু একসঙ্গে তখন-ই হাটে,
যখন প? চারজন হিন্দু একসঙ্গে তখন-ই হাটে, যখন পঞ্চম জন কাধে থাকে।
(জাগো হিন্দু : একতাবদ্ধ হও)

রাত বারোটা পেরোলেই নাকি জায়গাটা বদলে যায়।দোকানের আলো নিভে যায়। ভিড় থামে। কিন্তু অশ্বত্থ গাছটার ছায়ায় নাকি তখনও কেউ বসে থ...
16/02/2026

রাত বারোটা পেরোলেই নাকি জায়গাটা বদলে যায়।
দোকানের আলো নিভে যায়। ভিড় থামে। কিন্তু অশ্বত্থ গাছটার ছায়ায় নাকি তখনও কেউ বসে থাকে…

লোকেরা বলে—
ওটা মন্দির নয়, ওটা আদালত।
বড় আদালত। বড়কাছারি।

দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাখরাহাটের অন্দরে ঝিকুরবেড়িয়া। আজ সাধারণ গ্রাম। কিন্তু একসময় এটি ছিল শ্ম'শান-জঙ্গল। সময়টা প্রায় ১৭৫৫। বাংলার নবাব Alivardi Khan-এর শাসনের শেষ পর্ব। মারাঠা বর্গীদের তাণ্ডবে গ্রামবাসীরা আশ্রয় নিত এই নির্জন স্থানে। অঞ্চলটি ছিল Sabarna Roy Choudhury-দের তালুকের অন্তর্গত। সেই ভ'য়াবহ সময়েই জন্ম নেয় এক বিশ্বাস— এই শ্ম'শানে নাকি স্বয়ং ভূতনাথ বিচারসভা বসান।

অন্যায়ের বিচার হয়।
নিরপরাধ রক্ষা পায়।
সেই থেকে নাম—ভূতকাছারি।
আর মানুষের মুখে মুখে—বড়কাছারি।

বহু বছর পরে এক বাকসিদ্ধ সাধু এই শ্ম'শানেই আশ্রয় নেন। তারপর থেকেই আশ্চর্য ঘটনা শুরু হয়। দীর্ঘদিনের মামলা মিটে যায়। অসুখ সেরে ওঠে। নিঃসন্তান দম্পতির কোল ভরে ওঠে। মানুষ বিশ্বাস করে—তিনি সাধু নন, তিনি ভূতনাথের প্রকাশ। হঠাৎ তাঁর দেহাবসান। দাহ করা হয়নি। সমাধিস্থ করা হয় সেই শ্ম'শানেই। আর লোকমুখে প্রচলিত আছে—
সেই সমাধিক্ষেত্র থেকেই জন্ম নেয় এক অশ্বত্থ গাছ। গাছের গোড়ায় স্থাপন করা হয় শিবলি'ঙ্গ। সেই গাছই আজকের বিশ্বাসের কেন্দ্র।

১৯৭৮ সালের ভ'য়াবহ বন্যা প্রাচীন অশ্বত্থকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছিল। কিন্তু বিশ্বাস ভাঙেনি। ভক্তরা নতুন অশ্বত্থ রোপণ করেন। গড়ে ওঠে বেদী—সেটাই আজকের পূর্ণাঙ্গ মন্দির। এখানে আজও মানুষ ছোট কাগজে নিজের প্রার্থনা লিখে বেঁধে দেয়। এখানে পাণ্ডা প্রথা নেই—মানুষ নিজেই পূজা দেয়। দুধপুকুরে স্নান করে অনেকে দণ্ডি কেটে আসে। মঙ্গলবার ও শনিবার—অসংখ্য মানুষের ঢল নামে। জমিজমা বিবাদ, অসুখ, সন্তান কামনা, বিয়ে, প্রেম— সব সমস্যার শেষ ভরসা যেন এই বড় আদালত।

ইতিহাস একভাবে ব্যাখ্যা দেবে,
লোককথা আরেকভাবে বলবে।
কিন্তু যারা সন্ধ্যার পর অশ্বত্থের ছায়ায় দাঁড়িয়েছে,
তারা জানে—ওখানে বাতাসও আলাদা লাগে।

সব শব্দ থেমে গেলে, পাতার ফাঁকে ফাঁকে যেন কারও নীরব উপস্থিতি টের পাওয়া যায়।

হয়তো সেটা বিশ্বাস।
হয়তো ভয়।
হয়তো ভরসা।

কিন্তু একটা কথা আজও মানুষ বলে—
এই আদালতে অন্যায় টেকে না।

🔱 জয় বাবা বড়কাছারি
🔱 জয় বাবা ভূতনাথ 🙏

একটা প্রচলিত কথা আছে— যে ঘরে তুলসী থাকে, সে ঘর ফাঁকা থাকে না। কেউ না কেউ নীরবে পাহারা দেয়। বয়স্করা বলতেন, তুলসী শুধু গাছ...
03/02/2026

একটা প্রচলিত কথা আছে— যে ঘরে তুলসী থাকে, সে ঘর ফাঁকা থাকে না। কেউ না কেউ নীরবে পাহারা দেয়। বয়স্করা বলতেন, তুলসী শুধু গাছ নয়— তিনি ঘরের মঙ্গল আর অমঙ্গলের নীরব সাক্ষী। তাই তাঁর যত্নে অবহেলা হলে, সংসারের শান্তিও যেন একটু একটু করে সরে যেতে থাকে।

শাস্ত্র আর লোকাচার দুটোই মনে করিয়ে দেয়— ভুল নয়, অবহেলাই সবচেয়ে বড় সমস্যা। তাই বলা হয়, তুলসী গাছ মেঝের থেকে একটু উঁচু স্থানে রাখা ভালো,
প্রতিদিন সকালে জল অর্পণ করা আর সন্ধ্যায় প্রদীপ জ্বালানো উচিত। সন্ধ্যার পর তুলসী গাছ স্পর্শ না করাই শ্রেয়। একাদশী, রবিবার বা গ্রহণকালে তুলসী পাতা তোলা থেকে বিরত থাকাই মঙ্গলজনক। আর পাতা তোলার আগে, দু’চোখ ভরে একবার প্রণাম—এইটুকু শ্রদ্ধাই যথেষ্ট।

জল অর্পন করার পূর্বে তুলসী মন্ত্রঃ “মহাপ্রসাদ জননী, সর্ব সৌভাগ্য বর্ধিনী, আধি ব্যাধি হরা নিত্য, তুলসী ত্বং নমস্তুভ্যম্।”

এই ছোট ছোট নিয়মগুলো মানলে,
তুলসী পূজা আর শুধু আচার থাকে না—হয়ে ওঠে ঘরের নিঃশব্দ আশীর্বাদ।

🙏 জয় তুলসী মাতা 🙏

যেখানে সব আশা শেষ,সেখান থেকেই শুরু হয় জগন্নাথ দেবের করুণা।।তিনি রাজা নন,তিনি দয়ার সাগর।।তিনি দূরে নন—ভক্তের হৃদয়ের মাঝেই...
31/01/2026

যেখানে সব আশা শেষ,
সেখান থেকেই শুরু হয় জগন্নাথ দেবের করুণা।।
তিনি রাজা নন,তিনি দয়ার সাগর।।
তিনি দূরে নন—ভক্তের হৃদয়ের মাঝেই তিনি বিরাজমান।।

স্কন্দ পুরাণ (উৎকল খণ্ড)বলে—“জগন্নাথঃ স্বয়ং বিষ্ণুঃ”
অর্থাৎ জগন্নাথ দেব স্বয়ং শ্রীবিষ্ণু,কলিযুগে ভক্তদের উদ্ধারের জন্য নীলাচলে প্রকাশিত।।

যে একবার ভক্তিভরে বলে—“জয় জগন্নাথ”,
তার অশ্রু হয়ে যায় প্রার্থনা
আর তার কষ্ট হয়ে যায় ভগবানের দায়িত্ব।।

সব ছেড়ে শুধু বলো—জয় জগন্নাথ 🙏

Address

Mayapur
Navadwip
741302

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when 108 ॐ Hindu Network posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to 108 ॐ Hindu Network:

Shortcuts

Share