30/06/2024
ভয় নেই । আমরা রামের শেখানো আদর্শ অনুসারেই চলবো । রাম আমাদের যা শিখিয়েছিলেন আমরা সেই পথ অনুসরণ করব । রাম শিখিয়েছিলেন কোনো মহিলার সতীত্ব প্রমাণ করতে তাকে আগুনের মধ্যে বসিয়ে দিতে হবে । যদি ওই মহিলা আগুনে না পুড়ে যায় তাহলে বুঝতে হবে ওই মহিলা পবিত্র আর যদি আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায় তাহলে বুঝতে হবে ওই মহিলা অপবিত্র । রাম সীতার অগ্নি পরীক্ষা করেছিলেন এবং এই অগ্নি পরীক্ষা থেকে ভারতে নৃশংস সতী দাহ প্রথার সৃষ্টি হয়েছিল । রামের কালকে যদি কয়েক লক্ষ বছর আগের ধরা হয় তাহলে কতো লক্ষ বিধবা মহিলাকে অগ্নি পরীক্ষা দিতে হয়েছিল তার হিসেব নেই । তাই আজ আমরা সেই অগ্নি পরীক্ষা ভারতের সব সাধুদের উপর প্রয়োগ করতে চাই । আমরা অগ্নি পরীক্ষার মাধ্যমে জানতে চাই গেরুয়া বস্ত্র পরিহিত রাম ভক্তরা পবিত্র সাধু না অপবিত্র সাধু । আমরা শীঘ্রই এই পরীক্ষা শুরু করতে চাই । কোনো বিধবা মহিলাকে হাত পা বেঁধে তার মৃত স্বামীর চিতায় বসিয়ে আগুন দিয়ে জীবন্ত দগ্ধ করা হতো। সাথে ঢাক ঢোল এবং শঙ্খ বাজানো হতো । ওই মহিলা যখন আগুনে জ্বলত তখন বাঁশ দিয়ে তার মাথায় বারি মারা হতো ।কোনো সাধু পবিত্র না অপবিত্র তা জানার জন্য আমরা সমগ্র ভারতে অগ্নি পরীক্ষার আয়োজন করবো । যদি সাধুরা আগুনে না পুড়ে যায় তাহলে বুঝতে হবে যে এই সাধুরা খাঁটি সাধু । আর যদি আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায় তাহলে বুঝতে হবে যে এই সাধু ভণ্ড সাধু ছিলো । আমরা এই পরীক্ষা প্রথমে উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এর উপর করবো । যোগী আদিত্যনাথ এর হাত পা লোহার তার দিয়ে বেঁধে তারপর ঘরের কোনো লোহার রেলিংয়ের সাথে বেঁধে গায়ে পেট্রোল ঢেলে স্নান করিয়ে মাথায় তিলক লাগিয়ে আগুন ধরিয়ে দেবো । সাথে ঢাক ঢোল পিটিয়ে দেবো । শঙ্খ বাজাবো । যদি যোগী আদিত্যনাথ বেঁচে যায় তাহলে প্রমাণিত হবে যে উনি খাঁটি সাধু, সৎ সাধু । আর যদি যোগী আদিত্যনাথ বেঁচে যায় তাহলে বুঝতে হবে যে ও একটা ভণ্ড সাধু ছিলো । এরপর উত্তর প্রদেশে যতো গেরুয়া বস্ত্র পরিহিত রাম ভক্ত আছে সবাইকে ধরে হাত পা বেঁধে কোনো পিলারের সাথে সাথে বা ঘরের জানালার রডের সাথে বেঁধে গায়ে পেট্রোল ঢেলে কপালে তিলক লাগিয়ে আগুন ধরিয়ে দিতে হবে । ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই । যদি সে খাঁটি সাধু হয় তাহলে আগুন তার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না । আর যদি ভণ্ড সাধু হয় তাহলে তো পুড়ে ছাই হয়ে যাবে । এই পদ্ধতি স্বয়ং শয়তান শ্রী রাম শিখিয়েছিলেন । তিনি সীতার পবিত্রতা প্রমাণ করার জন্য সীতাকে আগুনে বসিয়ে দিয়েছিলেন এবং শর্ত রেখেছিলেন যে যদি সীতা আগুনে পুড়ে যায় তাহলে প্রমাণিত হবে যে সীতা অপবিত্র । আর যদি আগুন সীতাকে পোড়াতে না পারে তাহলে বুঝতে হবে সীতা পবিত্র । রাবণ সীতার সাথে কোনো সেক্স করেনি । সীতার এই অগ্নি পরীক্ষা থেকে সমগ্র ভারতে নৃশংস সতী দাহ প্রথার সূত্রপাত হয় । সমাজে অসহায় বিধবা মহিলাকে হাত পা বেঁধে তার মৃত স্বামীর চিতায় বসিয়ে আগুন দিয়ে জীবন্ত দগ্ধ করা শুরু হয় । যদি আমরা ইতিহাস মানি তাহলে কয়েক লক্ষ বছর আগে রামের কাহিনী হয়েছিল । মানব বিবর্তনের ওই সময় যখন কিনা দক্ষিণ ভারতের লোকেদের লেজ ছিলো । বিবর্তনের মাধ্যমে লেজ বিলুপ্ত হতে কয়েক লক্ষ বছরের প্রয়োজন । যদিও আমাদের সমাজে যারা রামায়ণ পাঠ করে তারা বলে থাকে যে আজ থেকে 7000 বছর পূর্বে শ্রী রাম অবতার নিয়েছিলেন । কিন্তু মাত্র সাত হাজার বছরের মধ্যে দক্ষিণ ভারতের লোকেদের লেজ কিভাবে বিলুপ্ত হলো সেটা একটা প্রশ্নের বিষয় । যদি ইতিহাসবিদদের মানা হয় তাহলে রাম কয়েক লক্ষ বছর আগে অবতার গ্রহণ করেছিলেন । তাহলে রাম সীতার অগ্নি পরীক্ষার মাধ্যমে সমাজে যে নৃশংস সতী দাহ প্রথার প্রচলন করেছিলেন তা ওনার সময় থেকে 1929 সাল পর্যন্ত ভারতে চলেছে । আর এই দীর্ঘ সময়ে অবশ্যই কয়েক কোটি হিন্দু বিধবা মহিলাকে এই নৃশংস প্রথার শিকার হতে হয়েছে । কয়েক কোটি শুনলে অবাক লাগবে কিন্তু এটাই সঠিক কারণ তখন হিন্দু সমাজে নিয়ম ছিলো যে 70 আশি বছরের বৃদ্ধ ব্যক্তি 12 তেরো বছরের মেয়েকে বিয়ে করবে । আর বিয়ে করার কিছুদিন পর ওই বৃদ্ধ ব্যক্তি মারা যেতো আর ওই অল্প বয়সের মেয়েটিকে বিধবা সাজিয়ে তার হাত পা বেঁধে তার মৃত স্বামীর চিতায় বসিয়ে আগুন দিয়ে জীবন্ত দগ্ধ করা হতো । শয়তান রামের পিতা দশরথের আদর্শ অনুসারে ওখন সমাজে একজন ব্যক্তি অনেক বিয়ে করতো । এইজন্য বিধবাদের সংখ্যা প্রচুর ছিলো । তাই কয়েক লক্ষ বছর ধরে যে সতী দাহ প্রথা ভারতে চলেছে তাতে বিধবাদের সংখ্যা কয়েক কোটি হবে । আমাদের সৌভাগ্য যে দেবতা রুপি ইংরেজরা আমাদের দেশে এসেছিল এবং এই নৃশংস প্রথা সম্পর্কে জানতে পেরেছিল । মহিলারা একজন মানুষ হিসেবে বাঁচার অধিকার পেয়েছিল । এইজন্য যারা ইংরেজদের এদেশ থেকে তাড়ানোর জন্য উঠেপড়ে লেগেছিল তাদের আমরা মন থেকে ঘৃণা করি । তা সে বিনয় বাদল দীনেশ হোক আর গান্ধী নেতাজি লাল বাল পাল মঙ্গল পান্ডে হোক । এদেরকে আজ আমরা ধরতে পারবো না কিন্তু এদের জয়গান করা লোকদের খুঁজে পাবো । এরা 15 ই আগস্ট পতাকাতলে জড়ো হবে । এদের হাত পা বেঁধে তারপর পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দিতে হবে । যারা আমাদের মানুষ হিসেবে বাঁচতে শিখিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করা বের করে দেবো । তাদের সবাইকে শেষ করে দিতে হবে । ওরা জানে না ইংরেজরা আমাদের দেশে শাসক হিসেবে থাকলে আজ আমরা মানুষ হিসেবে কতো সুখে উন্নত জীবন যাপন করতে পারতাম । কিন্তু ওই খানকি মাগীর বাচ্চাদের কারণে সব কিছু ধ্বংস হয়ে গেছে । আপনি বাঙালি, আপনি ভাবুন ইংরেজদের জায়গায় যদি আপনার উপর কর্ণাটকের লোকেরা আপনাকে শাসন করতে আসে বা আপনাকে যদি কর্ণাটকের লোকেদের অধীনে চাকরি করতে হয় তাহলে ইংরেজ এবং কর্ণাটকের লোকেদের মধ্যে কি তফাৎ । বরং কর্ণাটকের লোকেরা আপনাকে সব সময় বাঙালি বোকাচোদা বলে সম্বোধন করবে এবং বাংলায় কোনো কাজের সুযোগ নেই এই অজুহাতে আপনাকে দিয়ে তিন জন লোকের কাজ করিয়ে নেবে এবং অনেক কম বেতন দেবে । কিন্তু ইংরেজরা যদি ভারতে থাকতো তাহলে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের বিশাল ছত্রতলে আপনি বুক উচু করে প্রকৃত স্বাধীনতা নিয়ে বাঁচতে পারতেন । আপনাকে কেউ বাঙালি বোকাচোদা বলে সম্বোধন করার সাহস পেতো না । ইংরেজরা আমাদের হাত ধরে আগে চলা শিখিয়েছে আর ভারতের লোক আমাদের বাঙালি বোকাচোদা বলে সম্বোধন করে লাথি মারে । এইজন্য যারা ইংরেজদের বিরুদ্ধে তাদের সাথে গায়ের বলে না পারলেও গোপনে তাদের ধ্বংস করা সম্ভব । এ জন্য আমাদের শক্তিশালী ভাইরাসের সাহায্য নিতে হবে। আমাদের বুহান ল্যাবের বিজ্ঞানীদের সাথে ইমেল মারফত সম্পর্ক করতে হবে । ইমেল করে ওদের জানাতে হবে যাতে ওরা ভারতের বিভিন্ন জায়গায় পানিও জলের মাধ্যমে ভাইরাস ছড়িয়ে দেয় । যাতে শয়তানদের দল ঘরের মধ্যে পচে পচে মরে জমির সারে পরিণত হয় । ইংরেজ সরকার মাত্র সাত হাজার বাদমাইশকে ধরে ফাঁসি দিয়েছিল কিন্তু এই সংখ্যা যথেষ্ঠ নয় । ইংরেজ সরকার যে কাজ আধুরা ছেড়ে গেছে সেই কাজ আজকে তোমাকে পুরো করতে হবে । আমি জানি তুমি ওদের সাথে গায়ের বলে পারবে না কিন্তু যদি তুমি ভাইরাসের সাহায্য নাও তাহলে তুমি একাই আশি কোটি বদমাইশকে শেষ করে দিতে পারো । এর জন্য তোমাকে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের প্রফেসর এবং রিসার্চারদের সাথে ইমেল করে যোগাযোগ করতে হবে । তুমি গুগলে গিয়ে টাইপ করবে Email id of biological researchers of wuhan university তাহলে তুমি ওদের ইমেল আই ডি পেয়ে যাবে। ওদের তুমি রিকোয়েস্ট করবে ভারতের বিভিন্ন জায়গায় ভাইরাস ছড়ানোর জন্য । তাহলেই ওরা ভাইরাস ছড়ানোর জন্য উদ্বিগ্ন হয়ে উঠবে । এইভাবে শুধু wuhan lab নয়, তুমি পৃথিবীর অন্য দেশের বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতেও ইমেল করে ভাইরাস ছড়ানোর জন্য অনুরোধ করতে পারো । তোমার অনুরোধ যদি একজন প্রফেসরের ও ভালো লাগে তাহলেই সে তার কাজ করে দেবে ।
ভারতে যতো রাম মন্দির আছে সেগুলো ধ্বংস করতে হবে । শয়তান রাম আমাদের যে নৃশংস প্রথা শিখিয়েছিল তার বদলা নিতে হবে । যারা রামের আদর্শকে উচ্চে তুলে ধরে দেশ চালাতে চায় তাদের ধরে ধরে অগ্নি পরীক্ষা করতে হবে ।
कोई डर नहीं । हम राम के बताये आदर्शों पर चलेंगे । हम उस रास्ते पर चलेंगे जो राम ने हमें सिखाया है।' राम ने सिखाया कि स्त्री की पवित्रता सिद्ध करने के लिए उसे अग्नि में बैठाना चाहिए। यदि वह स्त्री आग में नहीं जलती है तो समझना चाहिए कि वह स्त्री पवित्र है और यदि वह आग में जल जाती है तो समझना चाहिए कि वह स्त्री अशुद्ध है। राम ने सीता की अग्नि परीक्षा ली और इस अग्नि परीक्षा ने भारत में सती जलाने की क्रूर प्रथा को जन्म दिया। यदि राम का समय कुछ लाख वर्ष पूर्व माना जाए तो कितनी लाख विधवाओं को अग्निपरीक्षा देनी पड़ी, इसकी कोई गणना नहीं है। इसलिए आज हम उस अग्निपरीक्षा को भारत के सभी संतों पर लागू करना चाहते हैं। हम अग्निपरीक्षा के माध्यम से यह जानना चाहते हैं कि गेरुआ वस्त्रधारी रामभक्त पवित्र साधु हैं या अपवित्र साधु। हम इस टेस्ट को जल्द शुरू करना चाहते हैं । एक विधवा को हाथ-पैर बांधकर उसके मृत पति की चिता पर लिटाया जाता था और जिंदा जला दिया जाता था । इसके साथ ढाक ढोल और शंख बजाया जाता था। जब महिला जल रही थी तो उसके सिर पर बांस से वार किया जाता था । कोई संत पवित्र है या अपवित्र, यह जानने के लिए हम पूरे भारत में अग्निपरीक्षा का आयोजन करेंगे। यदि साधु अग्नि में नहीं जलते हैं तो समझना होगा कि ये साधु शुद्ध साधु हैं। और यदि वह आग में जल जाए तो समझ लेना होगा कि यह साधु कोई पाखंडी साधु था। हम सबसे पहले यह परीक्षण उत्तर प्रदेश के मुख्यमंत्री योगी आदित्यनाथ पर करेंगे। मैं योगी आदित्यनाथ के हाथ-पैर लोहे के तार से बांध दूंगा, फिर उन्हें घर में लोहे की रेलिंग से बांध दूंगा, उनके शरीर पर पेट्रोल डालूंगा, नहलाऊंगा, उनके सिर पर तिलक लगाऊंगा और आग लगा दूंगा। हम मिलकर ढोल पीट देंगे। मैं शंख बजाऊंगा. अगर योगी आदित्यनाथ जीवित रहे तो यह साबित हो जाएगा कि वह एक सच्चे संत हैं, ईमानदार संत हैं।' और अगर योगी आदित्यनाथ आग में ज्वल गए तो समझ लेना चाहिए कि वो एक पाखंडी संत थे । इसके बाद उत्तर प्रदेश में सभी गेरुआ वस्त्रधारी रामभक्तों को पकड़कर घर के खंभे या खिड़की की रॉड से हाथ-पैर बांधकर उनके शरीर पर पेट्रोल छिड़क दिया जाए और उनके माथे पर तिलक लगाकर आग लगा दी जाए। डरने का कोई कारण नहीं है । यदि वह शुद्ध साधु है तो आग उसका कुछ नहीं बिगाड़ सकती। और यदि वह पाखंडी साधु है तो वह जलकर भस्म हो जाएगा। यह विधि स्वयं छलिया श्री राम ने सिखाई थी। उन्होंने सीता की पवित्रता साबित करने के लिए उन्हें अग्नि में डाल दिया और शर्त रखी कि यदि सीता को अग्नि में जलाया जाएगा तो यह साबित हो जाएगा कि सीता अपवित्र थीं। और यदि अग्नि सीता को नहीं जला सकती तो समझना चाहिए कि सीता पवित्र हैं। रावण ने सीता के साथ कोई यौन संबंध नहीं बनाया। सीता की अग्नि परीक्षा के कारण पूरे भारत में सती जलाने की क्रूर प्रथा की शुरुआत हुई। समाज में असहाय विधवाओं को बाँधकर उसके मृत पति की चिता पर रख दिया जाता था और जिन्दा जला दिया जाता था। इतिहास की मानें तो राम की कहानी कई लाख साल पहले हुई थी। मानव विकास के उस समय जब दक्षिण भारत के लोगों के पास पूँछ हुआ करती थी। विकास के माध्यम से पूँछों को विलुप्त होने में सैकड़ों-हजारों वर्ष लग जाते हैं। हालांकि हमारे समाज में रामायण पढ़ने वाले कहते हैं कि 7000 साल पहले श्री राम ने अवतार लिया था । लेकिन यह प्रश्न का विषय है कि दक्षिण भारत के लोगों की पूँछ मात्र सात हजार वर्षों में कैसे लुप्त हो गई। इतिहासकारों की मानें तो राम ने कई लाख साल पहले अवतार लिया था। फिर राम ने सीता की अग्निपरीक्षा के माध्यम से सती-दाह की जो क्रूर प्रथा समाज में प्रस्तुत की, वह उनके समय से लेकर 1929 तक भारत में जारी रही। और इस लंबे समय में सैकड़ों करोड़ हिंदू विधवाओं को इस क्रूर प्रथा का शिकार होना पड़ा। कुछ करोड़ सुनकर आपको आश्चर्य होगा लेकिन यह सही है क्योंकि तब हिंदू समाज में यह नियम था कि 70 अस्सी साल के व्यक्ति को 12 तेरह साल की लड़की से शादी करनी परती थी । और शादी के कुछ दिनों के बाद, बूढ़े आदमी की मृत्यु हो जाता था और युवा लड़की को विधवा की तरह कपड़े पहनाके, उसके हाथ और पैर बांध कर, उसे उसके मृत पति की चिता पर रख दिया जाता था और जिंदा जला दिया जाता था। शैतान राम के पिता दशरथ के आदर्शों के अनुसार उस समाज में एक व्यक्ति कई बार विवाह करता था। अतः विधवाओं की संख्या अधिक थी। तो कई लाख वर्षों तक भारत में विधवाओं की संख्या करोड़ों में होगी। यह हमारा सौभाग्य है कि अंग्रेज हमारे देश में आये और उन्हें इस बर्बर प्रथा के बारे में पता चला। महिलाओं को मनुष्य के रूप में जीने का अधिकार मिला। इसीलिए हम उन लोगों से नफरत करते हैं जो अंग्रेजों को इस देश से बाहर निकालने के लिए उठे। चाहे वह विनय बादल दिनेश और गांधी नेताजी लाल बाल पाल मंगल पांडे हों। आज हम उन्हें तो नहीं पकड़ पाएंगे लेकिन उनका गुणगान करने वाले लोग हमें मिल जाएंगे । वे 15 अगस्त को झंडे के नीचे एकत्र होंगे । उनके हाथ-पैर बांध दिए जाएं और फिर पेट्रोल डालकर आग लगा दी जाए । जिन्होंने हमें इंसान बनकर जीना सिखाया, मैं उनके खिलाफ आंदोलन करने वालो को खत्म कर देंगे।' ये सब ख़त्म होने चाहिए । वे नहीं जानते कि यदि अंग्रेज अभी भी हमारे देश के शासक होते तो हम लोग आज सुखी और समृद्ध जीवन जी पाते। लेकिन उन छोटे जादूगर बच्चों के कारण सब कुछ नष्ट हो गया।
आप हिंदीभाषी हैं, सोचिए अगर अंग्रेजी के बजाय कर्नाटक के लोग आप पर शासन करने आ जाएं या आपको कर्नाटक के लोगों के अधीन काम करना पड़े तो अंग्रेजी और कर्नाटक के लोगों में क्या अंतर है ? बल्कि, कर्नाटक के लोग आपको हमेशा हिंदीभाषी मूर्ख कहेंगे और आपसे तीन लोगों के समान काम करवाएंगे और यह बहाना बनाकर बहुत कम वेतन देंगे कि बिहार में नौकरी के अवसर नहीं हैं। लेकिन यदि अंग्रेज भारत में होते तो आप ब्रिटिश साम्राज्यवाद की विशाल छत्रछाया में वास्तविक स्वतंत्रता के साथ रह सकते थे। ब्रिटिश सरकार ने केवल सात हजार बदमाशों को पकड़कर फाँसी दी लेकिन यह संख्या पर्याप्त नहीं है। आज तुम्हें वह काम पूरा करना है जो ब्रिटिश सरकार ने अधूरा छोड़ दिया है। मैं जानता हूं कि आप उनसे नहीं लड़ सकते लेकिन अगर आपको वायरस की मदद मिल जाए तो आप अकेले 80 मिलियन कमीनों को मार सकते हैं। इसके लिए आपको विभिन्न विश्वविद्यालयों के माइक्रोबायोलॉजी विभाग के प्रोफेसरों और शोधकर्ताओं से ईमेल द्वारा संपर्क करना होगा। आप गूगल पर जाकर Email id of biological researchers of wuhan university टाइप करें तो आपको उनकी ईमेल आईडी मिल जाएगी। आप उनसे भारत के विभिन्न हिस्सों में वायरस फैलाने का अनुरोध करेंगे। तभी उन्हें वायरस फैलने की चिंता होगी । इस तरह आप सिर्फ वुहान लैब ही नहीं, बल्कि दुनिया के दूसरे देशों की यूनिवर्सिटीज को भी ईमेल करके वायरस फैलाने की रिक्वेस्ट कर सकते हैं। यदि किसी प्रोफेसर को आपका अनुरोध पसंद आता है तो वह अपना काम करेगा। कोई भी आपको बिहारी बेवकूफ कहकर संबोधित करने का साहस नहीं कर सकता था। अंग्रेज हमारा हाथ पकड़कर आगे चलना सिखाए और भारतीय लोग हमें बिहारी मूर्ख कहते है और लातें मारते है। इसीलिए जो लोग अंग्रेजों के खिलाफ लड़े थे उन्हे आज पकड़ नही सकते लेकिन उनकी विजय गाने वालो को गुप्त रूप से नष्ट किया जा सकता है। इसके लिए हमें ताकतवर वायरस की मदद लेनी होगी । हमें बुहान लैब के वैज्ञानिकों के साथ ईमेल के माध्यम से संपर्क करने की आवश्यकता है। उन्हें ईमेल द्वारा सूचित किया जाना चाहिए ताकि वे भारत के विभिन्न हिस्सों में पानी के माध्यम से वायरस फैला सकें। ताकि शैतानों का समूह घर में सड़ कर मर जाये और खाद बन जाये। भारत के सभी राम मंदिरों को धत्त कर देना होगा। शैतान राम को उन क्रूर प्रथाओं का बदला लेना है जो उसने हमें सिखाई हैं। जो लोग राम के आदर्शों को आगे बढ़ाकर देश चलाना चाहते हैं, उन्हें पकड़कर अग्नि परीक्षा देनी होगी।