Rasasindhu Gopesh Dasa

Rasasindhu Gopesh Dasa Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Rasasindhu Gopesh Dasa, Hindu temple, Navadwip.

10/02/2025
Joy Gurudev
31/03/2022

Joy Gurudev

হরে কৃষ্ণ,              আজ ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২ পরমদয়াল পতিতপাবন প্রেমদাতা নিত্যানন্দ প্রভুর আর্বিভাব তিথি  শুভ নিত্যানন্দ...
14/02/2022

হরে কৃষ্ণ,
আজ ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২
পরমদয়াল পতিতপাবন প্রেমদাতা নিত্যানন্দ প্রভুর আর্বিভাব তিথি শুভ নিত্যানন্দ ত্রয়োদশী।
অর্ধবেলা উপবাস। বীরভূম জেলায় অবস্থিত একচক্রাধামে কলিযুগপাবনাবতার, প্রেমদাতা, পরমদয়াল, করুনাময় শ্রী নিত্যানন্দ প্রভুর আর্বিভূত হন। পিতা নাম শ্রী হাড়াই পন্ডিত, মা শ্রীমতি পদ্মাবতী। পিতামাতার কোলে সাতটি সন্তানের মধ্যে নিত্যানন্দ ছিলেন জ্যেষ্ঠ। অন্যদের নাম কৃষ্ণানন্দ, সর্বানন্দ, ব্রহ্মানন্দ, পুর্ণানন্দ, প্রেমানন্দ, ও বিশুদ্ধানন্দ। প্রভুর শিশুবেলার নাম ছিল কুবের। শৈশবে মাত্র বার বছর বয়সে জনৈক সন্ন্যাসীর সাথে তীর্থ ভ্রমণ বের হন। তখন তিনি অবধুত সংস্কারমুক্ত ও পরম পবিত্র । কোন সংকীর্ণতা স্পর্শ করতে পারেনি এই অবধুত সন্ন্যাসীকে। দয়াল নিতাই প্রেমময় নিতাই গোপবেশে বৃন্দাবনে জনে জনে জিজ্ঞাসু নয়নে খুজে বেড়িয়েছেন ভাই কানাইয়ের অনুসন্ধানে । শুনলেন নবদ্বীপে গিয়েছেন ভাই কানাই। নন্দনাচার্য্যের বাড়ীতে প্রথম মিলন হয় গৌরাঙ্গ মহাপ্রভু সাথে পরম দয়ালু নিত্যানন্দের। শ্রীবাস আঙ্গিনা থেকে শুরু হয় আমাদের পরমদয়াল পতিতপাবন প্রেমদাতা নিত্যানন্দের হরিনাম সংকীর্তনের বিজয়যাত্রা ।
পদকর্তা-শ্রীল নরোত্তম দাস ঠাকুর
বলছেন
========================
নিতাই-পদকমল, কোটিচন্দ্র-সুশীতল,
যে ছায়ায় জগৎ জুড়ায়।
হেন নিতাই বিনে ভাই, রাধাকৃষ্ণ পাইতে নাই,
দৃঢ় করি’ ধর নিতাইর পায়।।
সে সম্বন্ধ নাহি যা’র বৃথা জন্ম গেল তা’র,
সেই পশু বড় দুরাচার।
নিতাই না বলিল মুখে, মজিল সংসার সুখে,
বিদ্যা-কুলে কি করিবে তার।।
অহঙ্কারে মত্ত হৈঞা, নিতাই-পদপাসরিয়া,
অসত্যেরে সত্য করি’ মানি।
নিতাইয়ের করুনা হ’বে, ব্রজে
রাধাকৃষ্ণ পাবে,
ধর নিতাইয়ের চরণ দু’ খানি।।
নিতাইয়ের চরণ সত্য, তাঁহার সেবকনিত্য,
নিতাই-পদ সদা কর আশ।
নরোত্তম বড় দুঃখী, নিতাই
মোরে কর সুখী,
রাখ রাঙ্গা-চরণের পাশ।।

আজ মহাবিষ্ণু ও সদাশিবের অবতার, গৌরআনা-ঠাকুর শ্রী অদ্বৈত আচার্য প্রভুর ৫৮৮ তম শুভ আবির্ভাব তিথি। ( #দুপুর_পর্যন্ত_উপবাস)“...
07/02/2022

আজ মহাবিষ্ণু ও সদাশিবের অবতার, গৌরআনা-ঠাকুর শ্রী অদ্বৈত আচার্য প্রভুর ৫৮৮ তম শুভ আবির্ভাব তিথি। ( #দুপুর_পর্যন্ত_উপবাস)

“শ্রীল অদ্বৈত আচার্য ঠাকুর ছিলেন একজন মহাত্মা এবং মহাবিষ্ণু ও সদাশিবের অবতার। তিনি বাংলাদেশের নবগ্রাম নামক স্থানে জন্মগ্রহণ করেন, যেটি ভারত সীমান্ত থেকে ৩ কিলোমিটার দুরত্বে সিলেটে অবস্থিত। স্থানটি একটি পবিত্র নদীর তীরবর্তী। শান্তিপুর ছাড়াও নবদ্বীপে তাঁর বাড়ি ছিল।

তিনি দেখতেন, সবাই অত্যন্ত বিষয়াসক্ত এবং তিনি সকলকে কৃষ্ণপ্রেম দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি তাদের হৃদয়কে পরিবর্তিত করতে পারলেন না। তিনি তাদের মুক্তি দিতে পারতেন, কিন্তু কৃষ্ণপ্রেম দান করাটা সহজ নয়- কেবল কৃষ্ণই তা করতে পারেন।

যাই হোক, তিনি গঙ্গাজল এবং তুলসীমঞ্জরী দ্বারা শালগ্রাম শিলার অর্চনা শুরু করলেন, তিনি উপবাস করছিলেন, উচ্চৈঃস্বরে মহামন্ত্র কীর্তন করছিলেন এবং এই কীর্তন, উপবাস ও শালগ্রামশিলা অর্চনের সাথে তিনি বলছিলেন, ‘যদি আমার নাম অদ্বৈত হয়, আমি পরমেশ্বর ভগবানকে অবতীর্ণ করাবো।’

ভগবানের জন্মতিথির অধিবাস দিবসে যজ্ঞের সময় স্মরণ করা কর্তব্য যে অদ্বৈত গোসাঁই শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুকে অবতীর্ণ করাবার জন্যে কীভাবে তপস্যা করেছিলেন, উচ্চৈঃস্বরে মহামন্ত্র কীর্তন করেছিলেন, উপবাস করেছিলেন এবং শালগ্রাম শিলা অর্চন করেছিলেন।
গৌরাঙ্গ! গৌরাঙ্গ! গৌরাঙ্গ!”

➤ #শ্রীল_জয়পতাকা_স্বামী_গুরুমহারাজ | ১৭ই মার্চ, ২০১১ | শ্রীধাম মায়াপুর, ভারত!

⏰ Next Appeared : 28 January, 2023

জয় জগন্নাথ
19/01/2022

জয় জগন্নাথ

শ্রী রাধা কে?*********************ভক্তিমূলক প্রধান আচার্য্য ও দেবতার অবতার দেবর্ষি নারদজী প্রভু প্রেতাত্মা সদাশিব কেশরীর...
19/01/2022

শ্রী রাধা কে?
*********************
ভক্তিমূলক প্রধান আচার্য্য ও দেবতার অবতার দেবর্ষি নারদজী প্রভু প্রেতাত্মা সদাশিব কেশরীরীর চরণে শ্রদ্ধাভরে জিজ্ঞাসা করলেন: "হে
দারুণ অংশ! আমি তোমার দাস।
আমাকে বলুন যে, শ্রী রাধাদেবী
লক্ষ্মী না ঠাকুর বউ,
মহালক্ষী না সরস্বতী?
এরা কি অন্তরঙ্গ জ্ঞান, নাকি বৈষ্ণবী প্রকৃতি?
বলুন, এরা কি বেদকন্যা, দেবকন্যা না মুনিকন্যা? ''
সদাশিব বললেন - "হে ঋষি! আর কোন লক্ষীর কথা কি বলব, কোটি কোটি
মহালক্ষ্মীও তার পদ্ম চরণ দয়ায়
আমার সামনে এদের কে বাজে বলে।
ওহ নারদ জী! এক মুখ দিয়ে আর কি বলব? শ্রীরাধার রূপ, কমনীয়তা ও গুণাবলী বর্ণনা করতে আমি নিজেকে অক্ষম মনে করি। এমনকি তাদের চেহারা ইত্যাদি মহিমান্বিত করতেও বিব্রত বোধ করছি।
তিন জগতে কারো সৌন্দর্য বর্ণনা করার সাধ্য নেই।
করতে পারি। তার সৌন্দর্য সর্বদাই মুগ্ধকর শ্রীকৃষ্ণ, যিনি বিশ্বকে মুগ্ধ করেন। অসীম মুখে চাইলেও তাদের বর্ণনা করার সাধ্য আমার নেই। "
যে ব্যক্তি ক্রমাগত 'রাধা-রাধা' ও রাধারানী বলেন
স্মরণ, তিনি সকল তীর্থযাত্রীদের পবিত্রতা দ্বারা গঠিত, সকল প্রকার শিক্ষা আয়ত্ত করেছেন।
রাধা-রাধা বলে যে জন, রাধা-রাধ বলে সে জন পূজো করে,
শ্রীরাধাতে আনুগত্য যার, মহাভাগ শ্রীধাম বৃন্দবে সেই হতো শ্রীরাদার সঙ্গী
এটা হল।

যখন কৃষ্ণ ভক্ত বৈষ্ণব সর্বদা অনন্য শরণাগত
শ্রীরাধার ভক্তি লাভ করলে সে সুখী, বুদ্ধিমান ও নিরর্থক হয়।
শ্রীরাধা ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জীবনের নিখুঁত পুরুষোত্তম
অধীষ্ঠাত্রী দেবী, তাই ভগবান সর্বদাই তাঁর অধীন।
পূর্ণ কামনার এই রাধান (উৎস),
এই জন্যই তাঁকে শ্রীরাধা বলা হয়।
ভগবান কৃষ্ণ নিজেই বলেন, রাধা তার আত্মা, তিনি রাধাতেই আছেন, তার মধ্যেই রাধা বাস করেন!
♡ শ্রী রাধা রাধা♡
♡ শ্রী রাধা রাধা♡
♡ শ্রী রাধা রাধা♡

ভক্তি কি ?উওরঃ- পূজনীয় দেবতার বা দেবীর প্রতি বিশেষ অনুরাগ বা প্রেমকেই ভক্তি বলা হয়। ঈশ্বরের নিকট সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণের...
13/01/2022

ভক্তি কি ?
উওরঃ- পূজনীয় দেবতার বা দেবীর প্রতি বিশেষ অনুরাগ বা প্রেমকেই ভক্তি বলা হয়। ঈশ্বরের নিকট সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণের আরেক নামই ভক্তি। হিন্দুধর্মে ভক্তির দ্বারা উপাসনা বা আরাধনা করা একটি বিশেষ রীতি, অর্থাৎ যা যা পূজা করা হয় ভক্তি দ্বারাই তা করা হয় । ভক্তির দ্বারা উপাসনায় ব্রতী হওয়াই সহজ এবং উত্তম পথ | এই ভক্তির দ্বারা অসম্ভব কাজও সম্ভব হয়।

ভক্তি কয় প্রকার ?
উওরঃ- ভক্তি নয় প্রকার।

নয় প্রকারের ভক্তি বা নবধা ভক্তি কি কি ?
উওরঃ- নয় প্রকারের ভক্তি বা নবধা ভক্তি হলো - শ্রবণ, কীর্তন, স্মরণ,পাদসেবন, অর্চন,বন্দন, দাস্য, সখ্য ও আত্মনিবেদন এই নয়টি।

=> যে ব্যক্তি স্থির হয়ে সমগ্র মনকে ইষ্টকেন্দ্রিক করে আসনে উপবেশন করে শরীর ও মনের দ্বারা ইষ্টকথা ইষ্ট কীর্তনে শ্রদ্ধা ও সম্মান জ্ঞাপন করে প্রসণ্ণতাপূর্বক সেই অমৃত সমান কথা-কীর্তন রস পান করেন তার সেই ভক্তিকে বলা হয়ে থাকে শ্রবণ।

=> যিনি তার হৃদাকাশে ইষ্টদেব বা দেবীর দিব্য জন্ম-কর্ম-লীলা চিন্তা করে প্রেমভরে তা উদাত্তকণ্ঠে গীত করেন তার এই ভক্তিকে বলা হয় কীর্তন।

=> নিত্য ইষ্টদেব বা দেবীকে সর্বদা ও সর্বত্র ব্যাপক (সকল বস্তুর মধ্যেই তিনি বিদ্যমান) জেনে যিনি বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডে সব সময়ে নির্ভয়ে থাকেন তার সেই ভক্তিকে বলা হয়ে থাকে স্মরণ।

=> অরুণোদয় থেকে শুরু করে সব সময়ে প্রভুর কৃপাকে বা তার অনুকূলতাকে মনে রেখে মন-বুদ্ধি-চিত্ত-হৃদয় এবং ইন্দ্রিয়াদির দ্বারা নিরন্তর ইষ্টদেব বা দেবীর সেবা করা হয় সেই সেবন নামক ভক্তিকে বলা হয় পাদসেবন ।

=> নিজ ক্ষমতা অনুযায়ী শাস্ত্রীয় বিধি দ্বারা পরমাত্মারূপী ইষ্টদেব বা দেবীকে সর্বদা পাদ্য-অর্ঘ্য ইত্যাদি ষোড়শোপচারে বা পুষ্প-গন্ধ ইত্যাদি পঞ্চোপচারে পূজন করাকেই অর্চন বলা হয়ে থাকে।

=> অন্তরে ধ্যান ও বাক্য দ্বারা স্তোত্র বন্দনামূলক মন্ত্রাদির পাঠ করতে করতে শরীরের আট অঙ্গে ভূমি স্পর্শ করে ইষ্টদেব বা দেবীকে নমস্কার করাকে বলা হয় বন্দন।

=> নিজেকে প্রভুর সেবক মনে করে অন্তর থেকে সর্বদা ইষ্টদেব বা দেবীর প্রিয় সম্পাদন করাকে দাস্য বলা হয়।

=> প্রাণেশ্বর ইষ্টদেব বা দেবীর মঙ্গল-অমঙ্গল যা কিছুই সংঘটিত করেন না কেন তা ভক্তের মঙ্গল সাধনের জন্য অন্তরের এই রকম দৃঢ় ভক্তিকে বলা হয়ে থাকে সখ্য।

=> দেহ ইত্যাদি যা কিছু বস্তু নিজের বলে মনে করা হয়, সেই সমস্ত কিছু ভগবানের প্রসন্নতার জন্য তাকে সর্ব সমর্পণ করে নিজের জন্

🙌🏾             💁🏾‍♂️  #গোমাতার_মহিমা:গাভীর আবির্ভাবঃ একসময় অমৃত লাভের ইচ্ছার দেবতা ও অসুর কর্তৃক সমুদ্র মন্থনকালে পাঁচটি...
12/01/2022

🙌🏾

💁🏾‍♂️ #গোমাতার_মহিমা:

গাভীর আবির্ভাবঃ একসময় অমৃত লাভের ইচ্ছার দেবতা ও অসুর কর্তৃক সমুদ্র মন্থনকালে পাঁচটি গাভী উত্থিত হয়েছিল। তাঁদের নাম,— সুরভি, নন্দা, সুভদ্রা, সুশীলা ও বহুলা।

মহর্ষি জমদাগ্নী,ভরদ্বাজ, বশিষ্ঠ, অসিত ও গৌতম মুনিকে তখন এ গাভীদের সমর্পিত করেছিল। সারা বিশ্বে যত গোবংশ আছে তা পঞ্চ গাভীর সন্তান।

ভগবান শ্রীকৃষ্ণ গো এবং ব্রাহ্মনদের হিতকারী। তাই তিনি গো-কুলে আবির্ভূত হন আর গোলক ধামে থাকেন।

গাভীদের আনন্দ দানের জন্য তার আরেক নাম গোবিন্দ, গাভীদের পালন করার জন্য তার নাম গোপাল।

গাভী সনাতন সংষ্কৃতির মূল আধার। বেদে বলা হয়েছে,—
" #মাতরঃ_সর্বভূতানাং_গাবঃ"

গাভী,— পৃথিবীর সমস্ত প্রানীর জননী। শাস্ত্রে সাত প্রকার মায়ের কথা বলা হয়েছে তার মধ্যে গাভী মাতাও রয়েছেন।

শ্রীল প্রভুপাদ বলেছেন,— ব্রাহ্মণেরা হচ্ছেন আধ্যাত্নিক শিক্ষার প্রতীক আর গাভী হচ্ছে সবচেয়ে মুল্যবান খাদ্যের উৎস। বেদে আরও বলা হয়েছে,—

" #সর্বে_দেবাঃ_স্থিতা_দেহে_সর্বদেবময়ী_হি_গৌঃ"

গাভীর দেহে সমস্ত দেব-দেবীদের বাস হওয়াতে গাভী সর্বদেবময়ী।

" #নিবটং_গোকুলং_যত্র_শ্বাসং_মুচিত_নির্ভয়ম্"

গোমাতা যে স্থানে বসে শ্বাস নেয় সেই স্থানের শোভা বৃদ্ধি পায়।

" #গাবো_লক্ষ্ম্যাঃ_সদা_মূলং"

গো-মাতা মহালক্ষীর মূল। বৈদিক যুগে সব থেকে ধনী তাকে বলা হতো যার যত গাভী ছিলো। নন্দ মহারাজের নয় লক্ষ গাভী এবং বৃষভানু রাজার ১২ লক্ষ গাভী ছিল।

পদ্মপুরাণ ভবিষ্য পুরাণ, স্কন্দ পুরাণ, ব্রহ্মাণ্ড পুরান ও মহাভারতে গাভীর অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে দেব-দেবীর স্থিতির বর্ননা রয়েছে। গাভীর মস্তকে ব্রহ্মা,ললাটে মহাদেব,উদরে কার্তিক, নেত্রে চন্দ্র ও সূর্য,জিহ্বাতে বরুণ, স্বরে সরস্বতী,গোবরে শ্রীলক্ষী, মূত্রে গঙ্গা। অথর্ব বেদে বলা হয়েছে গাভীই ভাগ্য আর গাভীই ঐশ্বর্য- ৪/২১/৫

দানের মধ্য শ্রেষ্ট দান হলো গাভী দান। পুন্যও পবিত্রে ত্রিলোকের মধ্যে কিছু নেই। গাভীদের স্থান দেবতাদের উপরে। তাই বসুন্ধরা নিজের সুরক্ষার জন্য ত্রিলোক ঘুরে গাভীতে আশ্রয় গ্রহন করেন। গাভী দান করে মনিষীরা স্বর্গে গমন করে।
_____________________^^_______________

Address

Navadwip
741313

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rasasindhu Gopesh Dasa posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category