D e B S H e N a HaR HaR M a H a D e V ॐ नमो शिवाय

  • Home
  • India
  • Mumbai
  • D e B S H e N a HaR HaR M a H a D e V ॐ नमो शिवाय

D e B S H e N a  HaR HaR M a H a D e V  ॐ नमो शिवाय Jay Sri Ram
Bharat Matar Jay

ভোগ দর্শনে দূর্ভোগ কাটে।বুড়ারাজা, সম্বলপুর,আজ তৃতীয় সোমবার সবার মঙ্গল হোকॐ नमः शिवाय
04/08/2025

ভোগ দর্শনে দূর্ভোগ কাটে।
বুড়ারাজা, সম্বলপুর,
আজ তৃতীয় সোমবার
সবার মঙ্গল হোক
ॐ नमः शिवाय

শুভ সকাল লক্ষ্মী মায়ের পেঁচা মঙ্গল দর্শন 🏵️🙏🏵️ জয় মা পদ্মপ্রিয়া লক্ষ্মী মায়ের আশীর্বাদে শুভ হোক সকলের 🌺🙏🌺👣🌺🙏🌺
26/06/2025

শুভ সকাল লক্ষ্মী মায়ের পেঁচা মঙ্গল দর্শন 🏵️🙏🏵️ জয় মা পদ্মপ্রিয়া লক্ষ্মী মায়ের আশীর্বাদে শুভ হোক সকলের 🌺🙏🌺👣🌺🙏🌺

🌿🌺 ্পর্কে_বিস্ময়কর_কিছু_তথ্য❗এ পর্যায়ে আমরা আপনাদের সামনে তুলে ধরছি শ্রী জগন্নাথ পুরীধামে প্রভু জগন্নাথ, বলরাম ও শুভদ্রা...
26/06/2025

🌿🌺 ্পর্কে_বিস্ময়কর_কিছু_তথ্য❗

এ পর্যায়ে আমরা আপনাদের সামনে তুলে ধরছি শ্রী জগন্নাথ পুরীধামে প্রভু জগন্নাথ, বলরাম ও শুভদ্রা মহারানীর রথের বর্ননা।

#প্রভু জগন্নাথদেবের রথের নাম - নন্দি ঘোষ।
এই রথটি দেবরাজ ইন্দ্র শ্রীজগন্নাথদেবকে প্রদান করেন।

#রথের উচ্চা ৩৩.হাত ১ আঙ্গুল
এই রথ ৮৩২ টি কাঠদ্বারা তৈরি,
এই রথের ১৬ টি চাকা, চাকার উচ্চতা ৭ ফুট, চওড়া ৭ইঞ্চি।

>রথের রক্ষক হচ্ছেন গরুড়
>রথের ধজ্বায় হুনুমান বিরাজিত
>রথের রঙ লাল ও হলুদ
>রথের ৯ জন দেবতা অধিষ্ঠিত

>রথের ৪ টি অশ্ব/ঘোড়া, তাদের নাম
বরাহ, শংঙ্খ, সেতু ও হরিদাস,
রথের সারতীর নাম দ্বারুজ,
রথের দ্বারপাল জয়, বিজয়।

>রথের রজ্জুর নাম শঙ্খচুড়,
রথের নেত্রের নাম তৈল্ক্ষ মোহিনি,
রথের অধিশ্বর প্রভু জগন্নাথ।

#কৌলিন্য, জাঁকজমক ও জনসমারোহের হিসাবে সর্বাপেক্ষা উল্লেখযোগ্য হল পুরীর রথ। এখানকার বৈশিষ্ট্য হল -অন্য সব জায়গায় রথযাত্রায় একটা রথ দেখা গেলেও এখানে তিনটে রথ দেখা যায়। জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্র পৃথক পৃথক রথে আরোহণ করেন।

#সারা বছর পুরীর মন্দিরে জগন্নাথদেব পূজিত হলেও সেখানে সকলের প্রবেশাধিকার ছিল না। তাই আপামর জনসাধারণ যাতে জগন্নাথদেবর দর্শন করতে পায় সে জন্যই এই রথযাত্রা - জগন্নাথের গুণ্ডিচা যাত্রা। সূত সংহিতায় আছে ‘রথে তু বামনং দৃষ্ট্বা, পুনর্জন্ম ন বিদ্যতে। তাই ধর্মভীরু হিন্দুরা সহজে পুণ্যার্জনের জন্য রথের রশি একটু ছুঁতে পাগল হয়ে ওঠে। কপিল সংহিতায় উল্লেখ আছে -”গুণ্ডিচাখ্যং মহাযাত্রা যে পশ্যন্তি মুদনিতাঃ/সর্বপাপ বিনির্মুক্তাস্তে যান্তি ভুবনং মম। ” অর্থাৎ ‘গুণ্ডিচা যাত্রায় যে ব্যক্তি আমায় দর্শন করবে সে কালক্রমে সব পাপ থেকে মুক্ত হয়ে আমার (জগন্নাথ দেবের), ভুবনে যাবে। ‘আর এর জন্যই আজও রথযাত্রার দিন ছোট ছোট শিশুরা রাস্তায় যে রথ নিয়ে বের হয় তার রশি একটু টানতে বা স্পর্শ করতে দেখা যায় পথচলতি লোকেদের অনেককেই।

#জগন্নাথ দেবের রথের প্রতিটি অংশই অতি পবিত্র, কারণ তিনটি রথেই বিরাজ করেন তেত্রিশ কোটি দেবতা। তাই এই রথের রশি একটু স্পর্শ করা বা টানা মানে এই তেত্রিশ কোটি দেবদেবীর চরণ স্পর্শ করা। যাই হোক, রথ তিনটির চাকার ব্যাস সাত ফুট। প্রতি রথেই ৩৪টি অংশ — চাকা, আরা, ডাণ্ডিয়া, বেকি, হংসপট, কানি, শঙ্খদ্বার, জালি, গইপট, সিংহাসন, রুশিপট ইত্যাদি। রথের চূড়ায় কলস ও সুদর্শন চক্র এবং সবার উপরে ধ্বজা। কয়েক টন ওজনের এই রথ তিনটি টানতে যে খুব শক্তপোক্ত রশি বা দৌড়ি (ওড়িয়া ভাষায়) লাগে তাতে সন্দেহ নেই। তবে এই রশি ১৯৯০ সাল পর্যন্ত কেরল থেকে আসত। আর এখন উড়িষ্যা কয়ার বোর্ড এই দড়ি তৈরি করে দেয়।

#পুরীর এই রথ তিনটির আলাদা আলাদা নাম।
★জগন্নাথ দেবের রথ — নন্দি ঘোষ
★বলরামের রথ — তালধ্বজ ও
★সুভদ্রার রথ — দেবদলন নামে পরিচিত।

প্রতি বছর উল্টোরথের পর রথ তিনটি ভেঙ্গে ফেললেও রথের পার্শ্বদেবদেবীর মূর্তি, সারথি ও ঘোড়াগুলিকে সযত্নে তুলে রাখা হয়। এবারে রথ তিনটির একটু পরিচয় দেওয়া যাক-

★★নন্দী ঘোষঃ- এই রথ নির্মাণে ছোট বড় ৮৩২টি কাষ্ঠখণ্ড লাগে। উচ্চতা ৪৪’২” বা ১৩.৫ মিটার ও দৈর্ঘ্য প্রস্থ ৩৪’৬” x ৩৪’৬” পূর্বে অষ্টাদশ সিদ্ধির পরিচয়জ্ঞাপক ১৮টি চাকা থাকলেও বর্তমানে ১৬টি থাকে। রথের ধ্বজার নাম ত্রৈলোক্যমোহিনী ও রশির নাম শঙ্খচূড় নাগিনী। দ্বারপাল ব্রহ্মা ও ইন্দ্র। রথে উপস্থিত নয়জন পার্শ্ব দেবগণ হলেন — বরাহ, গোবর্ধন, কৃষ্ণ/গোপীকৃষ্ণ, নৃসিংহ, রাম, নারায়ণ, ত্রিবিক্রম, হনুমান ও রুদ্র। এঁদের সঙ্গে রয়েছেন ধ্যানমগ্ন ঋষিরা-নারদ, দেবল, ব্যাসদেব, শূক, পরাশর, বশিষ্ঠ, বিশ্বামিত্র ও মরীচি। লাল ও হলুদ কাপড়ে মোড়া এই রথে কালো রঙের চারটি ঘোড়া হল — সংখ, বলাহক, শ্বেত ও হরিদাক্ষ। রথের সারথি মাতলি ও রক্ষক গরুড়। রথের কলসের নাম হিরন্ময়।

★★তালধ্বজঃ ৭৬৩টি ছোট বড় কাষ্ঠখণ্ড দিয়ে নির্মিত এই রথের উচ্চতা ১৩.২ মিটার। দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ৩৩’ x ৩৩”। চাকার সংখ্যা ১৪টি। ধ্বজার নাম উন্মনী এবং রশির নাম বাসুকী নাগ। ন’জন পার্শ্বদেবতা হলেন- গণেশ, কার্তিক, সর্বমঙ্গলা, প্রলম্ব, হলায়ুধ, মৃত্যুঞ্জয়, নাটেশ্বর, মহেশ্বর ও শেষদেব। দ্বারপাল রুদ্র ও সাত্যকি। সারথি মাতলি এবং রক্ষক বাসুদেব। রথের শ্বেতবর্ণের চারটি ঘোড়ার নাম তীব্র, ঘোর, শ্রম (স্বর্ণনাভ) ও দীর্ঘ (দীর্ঘশর্মা)। সুদর্শন চক্রের পাশে দুটি পাখির (কাকাতুয়া) নাম স্বধা ও বিশ্বাস। রথটি সবুজ ও লাল কাপড়ে মোড়া।

★★দেবদলঃ ৫৯৩টি টুকরো কাঠ দিয়ে তৈরি এই রথের উচ্চতা ৪২’৩” বা ১২.৯ মিটার এবং দৈর্ঘ্য – প্রস্থ ৩১’৬” x ৩১’৬”। চাকার সংখ্যা ১২। ধ্বজার নাম নাদম্বিক এবং রশির নাম স্বর্ণচূড় নাগ। ধ্বজার পাশের পাখি দুটির নাম শ্রুতি ও স্মৃতি। রথটি লাল ও কালো কাপড়ে ঢাকা। ন’জন পার্শ্বদেবী হলেন -চন্ডী, চামুণ্ডা, মঙ্গলা, উগ্রতারা, বনদুর্গা, শূলিদুর্গা, শ্যামাকালী, বিমলা ও বরাহি। দ্বারপালিকা- ভূদেবী ও শ্রীদেবী। সারথি অর্জুন আর রক্ষক জয়দুর্গা। লাল রঙের ঘোড়া চারটির নাম রচিকা, মোচিকা‚ জিতা ও অপরাজিতা।

#আষাঢ় মাসের শুক্লা দ্বিতীয়ায় শুরু হয় ‘পাহাণ্ডি’ (পাহাণ্ডি) হল জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার মূর্তি তিনটিকে গর্ভগৃহ থেকে বার করা ও পুনরায় প্রবেশ করানোর সময় বিশেষ কৌশলে বিগ্রহ গুলোকে দোলানো হয়। রথ এসে পৌঁছায় বড়ডাণ্ডায় (মন্দিরের সামনের বড় রাস্তা)। রাজা গজপতি উত্তর দিকের পথ সোনার ঝাঁটা দিয়ে ঝাঁট দিয়ে দিলে রথ চলা শুরু করে। প্রথমে রথ যায় গুণ্ডিচা মন্দির (গুণ্ডিচা ছিলেন দারুব্রহ্মের প্রতিষ্ঠাতা রাজা ইন্দ্রদ্যুম্নের রানী)। সেখান থেকে মাসির বাড়ি। মোট পথ ২ কি.মি. আবার উল্টো রথের দিন (নবম দিন বা দশমী) ‘গোটে পাহাণ্ডি’ প্রক্রিয়ায় গর্ভগৃহে এসে পৌঁছায় এই তিন বিগ্রহ। এইভাবে সমাপ্ত হয় রথযাত্রা মহোৎসব।

🌿🌼জয় জগন্নাথ🌼🌿

জয় বাবা ভোলানাথ 🙏💜💖
11/06/2025

জয় বাবা ভোলানাথ 🙏💜💖

🌺  #জয়_মাতা_সিদ্ধেশ্বরী_মাতার_জয় 🌺
01/11/2024

🌺 #জয়_মাতা_সিদ্ধেশ্বরী_মাতার_জয় 🌺

আজ নৈহাটি জাগ্রত বড়মার পূর্ণ দর্শন 🙇‍♀️ প্রনাম করে আশীর্বাদ নিন 💖        👣🌺 জয় বড় মা 🌺👣
01/11/2024

আজ নৈহাটি জাগ্রত বড়মার পূর্ণ দর্শন 🙇‍♀️ প্রনাম করে আশীর্বাদ নিন 💖
👣🌺 জয় বড় মা 🌺👣

দীপাবলীর রাতে কালীক্ষেত্র কালনার রূপ যেন প্রাচীন বাংলার শক্তিসাধনার সুবাস বয়ে নিয়ে আসে। ভাগীরথী তীরের এই বর্ধিষ্ণু শহর...
01/11/2024

দীপাবলীর রাতে কালীক্ষেত্র কালনার রূপ যেন প্রাচীন বাংলার শক্তিসাধনার সুবাস বয়ে নিয়ে আসে। ভাগীরথী তীরের এই বর্ধিষ্ণু শহরটির শক্তিসাধনার স্তর ভীষণই উচ্চবর্গীয়। বহমান কালচক্রের দেবীই হলেন আদ্যাশক্তি। তাই ক্রমবর্ধমান এই ইতিহাসের বিদ্যমানতার সাধনাই আমাদের আলোর উৎসব।

সকলকে কালীপূজার শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা❤🌺

🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺
30/10/2024

🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺

সবাইকে জানাই ভূত চতুর্দশীর শুভেচ্ছা!🪔✨👻🧟☠️ভূত চতুর্দশী আখ্যান 👽🧟‍♀️-------------------------------------ভূত চতুর্দশী হল ...
30/10/2024

সবাইকে জানাই ভূত চতুর্দশীর শুভেচ্ছা!🪔✨👻
🧟☠️ভূত চতুর্দশী আখ্যান 👽🧟‍♀️
-------------------------------------
ভূত চতুর্দশী হল একটি বার্ষিক হিন্দু উৎসব, যা দীপাবলির পাঁচ দিনব্যাপী উৎসবের দ্বিতীয় দিন। এটি হিন্দু পঞ্জিকার কার্তিক মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশী তিথিতে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। পশ্চিম ও দক্ষিণ ভারতে এই তিথিটি নরক চতুর্দশী নামে পরিচিত। এ ছাড়াও কোথাও কোথাও ছোট দিওয়ালি, রূপ চৌদাস, নরকা চৌদাস, রূপ চতুর্দশী বা নরক পূজা নামেও পরিচিত। এই দিনে চোদ্দশাক খাওয়া এবং চোদ্দ প্রদীপ প্রজ্বলনের রীতি প্রচলিত আছে৷ হিন্দু গ্রন্থ মতে, এই দিনে কৃষ্ণ ও সত্যভামা নরকাসুরকে বধ করেছিলেন।
উৎসবটিকে কালি চৌদাসও বলা হয়। কালি মানে অন্ধকার ও চৌদস মানে চৌদ্দ তারিখ। এটি কার্তিক কৃষ্ণপক্ষের চান্দ্র মাসের ১৪ তম দিনে পালিত হয়। ভারতের কিছু অঞ্চলে, কালি চৌদাস হল মহাকালী বা শক্তি উপাসনার নির্ধারিত দিন। কালি চৌদাস হল অলসতা ও মন্দতা দূর করার দিন যা মানুষের জীবনে আলো প্রদান করে। মৃত্যুর দেবতা যমকেও এই দিনে প্রদীপ জ্বালিয়ে পূজা করা হয় যা নরকের যন্ত্রণা থেকে রক্ষা করে বলে বিশ্বাস করা হয়।এই তিথিতে চোদ্দ বাতি বা চোদ্দ প্রদীপ প্রজ্বলনও করা হয়৷ মনে করা হয় চতুর্দশ ঊর্ধ্বতন পূর্বপুরুষের উদ্দেশে এই প্রদীপ প্রজ্বলন করা হয়৷ গৃহকোণ পরিষ্কার করে ফুল এবং বিভিন্ন রকমের রঙ্গোলি বা আলপনায় আঁকা হয়৷ হয়।
কিংবদন্তি---- দৈত্যরাজ বলীর কথাঃ
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
দৈত্যরাজ বলী স্বর্গ, মর্ত্য ও পাতাল দখল করলে অসুররা সবার উপর অত্যাচার শুরু করে । বলিকে থামানোর জন্য ভগবান বিষ্ণু বামন অবতারে বলির কাছে তিন পা জমি চাইলেন । দৈত্যরাজ এতে রাজি হলেন । বামন অবতার দুই পা স্বর্গ ও মর্ত্যে দিলেন । এরপর নাভি থেকে বের হওয়া তৃতীয় পা বলির মাথায় দিয়ে তাকে পাতালে পাঠিয়ে দিলেন । নিজের কথা রাখায় ও তাকে চিনেও দান দেয়ায় বামন রূপি বিষ্ণু বলিকে প্রতি বছর পৃথিবীতে পূজা পাওয়ার আশীর্বাদ করলেন । এরপর থেকে কালীপূজার আগের রাতে রাজা বলি পাতাল থেকে পৃথিবীতে পূজা নিতে আসেন। তার সাথে সহস্র ভূত, প্রেতাত্মা এবং অশরীরী এ সময় আসে।
ভগবান শ্রীকৃষ্ণের নরকাসুর বধঃ
---------------------------------------------------------------------------
নরকাসুর নামে এক রাক্ষস ছিল এবং সে পৃথিবীতে মানুষের উপর অত্যাচার করছিল। তিনি ১৬০০০ গোপীকে বন্দী করেছিলেন। তারা সকলেই ভগবান কৃষ্ণের কাছে তাদের সাহায্য করার জন্য এবং রাক্ষসকে হত্যা করার জন্য প্রার্থনা করেছিলেন। নরকাসুর ব্রহ্মার কাছ থেকে একটি বর পেয়েছিলেন যে তিনি কেবল তাঁর মায়ের দ্বারাই নিহত হতে পারেন। তাই ভগবান শ্রীকৃষ্ণ তাঁর স্ত্রী সত্যভামা সহ সমস্ত মেয়েদের উদ্ধার করতে যান। কারণ সত্যভামা পূর্বজন্মে তাঁর মা ছিলেন। চতুর্দশীর এই দিন তারা রাক্ষসকে বধ করে সবাইকে রক্ষা করেছিলেন।
অন্য মতে চামুণ্ডা রূপে মা কালী এ দিন চৌদ্দখানা ভূতকে সাথে নিয়ে ভক্তের বাড়ি থেকে অশুভ শক্তিকে দূর করতে পৃথিবীতে আসেন।

🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺
30/10/2024

🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺

Address

Mumbai
400064

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when D e B S H e N a HaR HaR M a H a D e V ॐ नमो शिवाय posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to D e B S H e N a HaR HaR M a H a D e V ॐ नमो शिवाय:

Share

Category