Ramakrishna Ashrama Thakurbari রামকৃষ্ণ আশ্রম ঠাকুরবাড়ী

  • Home
  • India
  • Medinipur
  • Ramakrishna Ashrama Thakurbari রামকৃষ্ণ আশ্রম ঠাকুরবাড়ী

Ramakrishna Ashrama Thakurbari রামকৃষ্ণ আশ্রম ঠাকুরবাড়ী Ramakrishna Ashrama Thakurbari is a social, charitable, welfare, and religious organization in Medinipur Town, Paschim Medinipur.

Inspired by Shri Ramakrishna, Maa Sarada Devi, and Swami Vivekananda, its motto; “Atmano Mokshartham Jagat Hitaya Cha.”

★ অমৃতকথা ★**************বেলুড় মঠ, ১৩৩৮-৩৯, বিভিন্ন সময়ে–১৯৩২।মঠে দুর্গাপূজা হইতেছে। মহানবমীর রাত্রি। অন্য অন্য বৎসর এই ...
21/08/2026

★ অমৃতকথা ★
**************

বেলুড় মঠ, ১৩৩৮-৩৯, বিভিন্ন সময়ে–১৯৩২।
মঠে দুর্গাপূজা হইতেছে। মহানবমীর রাত্রি। অন্য অন্য বৎসর এই রাত্রিতে কত ভজন-কীর্তনাদিতে মঠপ্রাঙ্গণ মুখরিত থাকিত; কিন্তু এবার মহাপুরুষজীর শরীরের সঙ্কটাপন্ন অবস্থা। তাই আজ মঠভূমি নীরব। একটু অধিক রাত্রে মহাপুরুষজী ভজনাদির শব্দ না পাইয়া মঠের সাধুবৃন্দকে নিকটে ডাকাইয়া বলিলেন; "আজ মহানবমীরাত্রি, মহা আনন্দের সময়, ভজনাদি কিছু না করে তোমরা চুপচাপ আছ যে? কি ব্যাপার?"
জনৈক সাধু বলিলেন; মহারাজ, আপনার শরীরের এই অবস্থা। আমরা কেমন করে ভজন করি? গোলমালে আপনার হার্টের অবস্থা আরো খারাপ হবে। তাই ভজনাদি কিছু করছিনে।
মহারাজ বলিলেন; "কেন, তাতে হয়েছে কি? আমি বেশ আছি। ভজন শুনলে আমি বেশ ভাল থাকি। এ দেহের অসুখ বলে তোমরা আমার আনন্দময়ী মাকে ভজন শোনাবে না, আনন্দ করবে না? আমার কোনও কষ্ট হবে না। যাও, তোমরা ভজন করগে।"
সকালবেলা মঠের সন্ন্যাসী ব্রহ্মচারীদের মধ্যে অনেকেই মহাপুরুষ মহারাজকে প্রণাম করিয়া চলিয়া গিয়াছেন। জনৈক সন্ন্যাসী প্রণামান্তে নিজের প্রাণের মহা অশান্তি ও বৈরাগ্যের কথা অতি কাতরভাবে নিবেদন করাতে মহাপুরুষজী বলিলেন; "ভয় কি, বাবা। শরণাগত হয়ে পড়ে থাক তাঁর দুয়ারে। তিনি কাউকে বিমুখ করেন না।"
সন্ন্যাসী বলিলেন; এতদিন বৃথা কেটে গেল; এখনো ভগবান লাভ হলো না, শান্তিলাভ হলো না। এক এক সময় দারুণ অবিশ্বাস মনকে আচ্ছন্ন করে ফেলে। এতকাল আপনাদের যে-সব উপদেশ বাক্য শুনেছি, সে-সবেও সন্দেহ এসে যায়।
এ কথা শুনিয়া মহাপুরুষ মহারাজের মুখমণ্ডল একেবারে রক্তিম হইয়া উঠিল।
তিনি একটু উত্তেজিত হইয়া বলিলেন; "দেখ, বাবা, ঠাকুর যদি সত্য হন তো আমরাও সত্য। যা বলছি, ঠিক ঠিক বলছি; আমরা লোক ঠকাতে আসিনি। যদি আমরা ডুবি তো তোমরাও ডুববে; কিন্তু তাঁর কৃপায় জেনেছি যে, আমরা ডুবব না, আর তোমরাও ডুববে না।"
মহাপুরুষ মহারাজ বেশি চলাফেরা করিতে পারেন না। সেজন্য একজন সেবকের উপর ভার ছিল যে, রোজ বিকালে ঘণ্টা দেড়েক সারা মঠ ঘুরিয়া অসুস্থ সাধুব্রহ্মচারীদের, গরুবাছুরগুলির এবং মঠের অন্যান্য বিষয়ের যাবতীয় খবর লইয়া সব তাঁহাকে বিস্তারিতভাবে জানাইবে। একদিন যথারীতি সারা মঠ ঘুরিয়া সব খবরাদি জানিয়া সেবক উপরে গিয়া দেখে যে, মহাপুরুষজী একা খুব গম্ভীরভাবে বসিয়া আছেন। চক্ষু অর্ধনিমীলিত, যেন জোর করিয়া বাহিরের দিকে দৃষ্টিপাত করিতেছেন। সেবক সামনে গিয়ে দাঁড়াইলেও অন্যদিনের ন্যায় কোন প্রশ্নই তিনি করিলেন না। মনে হইল যেন সেবকের উপস্থিতি তিনি আদৌ জানিতে পারেন নাই। তাঁহার এই প্রকার ভাবান্তর দেখিয়া সেবক স্তম্ভিত হইয়া একপাশে সরিয়া গেল। এইভাবে অনেকক্ষণ অতিবাহিত হইবার পরে যখন তিনি এদিকে সেদিকে একটু চাহিতে লাগিলেন, তখন সেবক সামনে গিয়া অন্য দিনের মতন সব খবর বলিতে আরম্ভ করামাত্রই মহাপুরুষজী ধীরভাবে বলিলেন; "দেখ, আমার কাছে এ জগৎটার কোন অস্তিত্বই নেই; একমাত্র ব্রহ্মই রয়েছেন। নেহাত মনটা নিচে নামিয়ে রাখবার জন্য কথাবার্তা বলি এবং পাঁচরকম খবরাখবরও নিই।" এইমাত্র বলিয়া পুনরায় গম্ভীর হইয়া বসিয়া রহিলেন। সেইদিন আর কোন খবরই শুনিলেন না।

***************************************

সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন ও আনন্দে থাকুন ঠাকুর, মা ও স্বামীজীর কাছে আন্তরিক —এই প্রার্থনা করি।
জয় মা
জয় ঠাকুর।

হরি ওঁ রামকৃষ্ণ।
সর্বে ভবন্তু সুখিনঃ
সর্বে সন্তু নিরাময়াঃ।।

******************************************

শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণো জয়তি

প্রিয়ভাজনেষু,
পরমারাধ্য ভগবান শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংস দেবের রামকৃষ্ণ আশ্রম ঠাকুরবাড়ীতে 'চিন্ময় বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা তিথি' উপলক্ষ্যে আগামী ১৮ই ভাদ্র (সাধারণ পঞ্জিকা মতে ১৭ই ভাদ্র), ১৪৩৩ (ইং-৪ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬) শুক্রবার জন্মাষ্টমী তিথিতে বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা অনুসারে রামকৃষ্ণ আশ্রম ঠাকুরবাড়ীর শ্রীরামকৃষ্ণ মন্দিরে বিশেষ পূজানুষ্ঠান এবং হোম-যজ্ঞ অনুষ্ঠিত হইবে।
অত্যন্ত শুভ এই মহতী আনন্দ-যজ্ঞানুষ্ঠানে আপনাকে সপরিবারে এবং সবান্ধবে যোগদান করিয়া আনন্দবর্ধন করিবার জন্য সাদর আমন্ত্রণ জানানো হইতেছে।

বিনীত -
স্বামী জয়ানন্দ
অধ্যক্ষ
রামকৃষ্ণ আশ্রম ঠাকুরবাড়ী
রবীন্দ্রনগর, ডাকঘর-মেদিনীপুর
জেলা- পশ্চিম মেদিনীপুর, পিন-৭২১১০১
দূরভাষঃ (০৩২২২) ২৬৪৫৯৭

*****************************************

অনুষ্ঠান সূচী:-
মঙ্গলারতি: ভোর ০৪.০০ টায়
বিশেষ পূজা: সকাল ০৭.৩০ টায় আরম্ভ
হোম: সকাল ১০.০০ টায়
অঞ্জলি: সকাল ১১.০০ টায়
ভোগ আরতি: সকাল ১১.৪৫ টায়
প্রসাদ বিতরণ: দুপুর ১২ .০০টায়
সন্ধ্যারতি: সন্ধ্যা ০৬.২০ টায়

সভামণ্ডপে:-
সকাল ০৮.০০ টায় - হরিনাম সংকীর্তন
দুপুর ১২.০০ টায় - লীলা কীর্তন - গোরা কুমোর
বিকেল: ০৪.০০ টায়- ভক্তিগীতি পরিবেশনায়- দেবাশীষ গিরি, তবলা সঙ্গতে- বিশ্বনাথ দত্ত
বিকেল: ০৫.০০ টায়- ভক্তিগীতি পরিবেশনায়- সুনন্দা দাস তবলা সঙ্গতে- বিদ্যুৎ বিকাশ দাস
সন্ধ্যা ০৭.৩০ টায় - পালা কীর্তন - গয়াসুরে হরিসাধনা

• ভগবান শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংস দেবের 'চিন্ময় বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা তিথি' উপলক্ষ্যে যে কোন প্রকার দান সাদরে গৃহীত ও স্বীকৃত হইবে।

• ব্যাঙ্ক এ্যাকাউন্টের মাধ্যমে প্রণামী দিতে চাইলে আশ্রমের এ্যাকাউন্ট ডিটেলস:-
Account Name- RAMAKRISHNA ASHRAMA THAKURBARI
SBI Account Numbur : 30637509613
IFS CODE : SBIN0000132

• আশ্রমের UPI ID এর মাধ্যমে প্রণামী দিতে চাইলে দিতে পারেন-
RKMTHAKURBARI@SBI

• Online - এ আশ্রমের Bank Account-এ Donation পাঠাইলে আপনার নাম, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর, PAN নাম্বার ও Aadhaar নাম্বার আশ্রমের Whatsapp নম্বরে - 9432904900 বা ইমেলে- [email protected] অবশ্যই পাঠাইবেন।

• রামকৃষ্ণ আশ্রম ঠাকুরবাড়ী'র জন্য সকল আর্থিক দান আয়কর আইনের ৮০জি ধারা অনুসারে আয়কর মুক্ত।

*****************************************

★ অমৃতকথা ★***************বেলুড় মঠ, অগ্রহায়ণ মাস, ১৩৩৯ নভেম্বর-ডিসেম্বর।মহাপুরুষ মহারাজের শরীর অসুস্থ। রক্তের চাপ খুব বা...
20/08/2026

★ অমৃতকথা ★
***************

বেলুড় মঠ, অগ্রহায়ণ মাস, ১৩৩৯ নভেম্বর-ডিসেম্বর।
মহাপুরুষ মহারাজের শরীর অসুস্থ। রক্তের চাপ খুব বাড়িয়াছে। ডাক্তারদের চিকিৎসাধীন আছেন। চলাফেরা, কথাবার্তা, সবই খুব সাবধানে করিতে হয়। আজকাল আর নিচে নামিয়া বেড়াইতে পারেন না। বিকালবেলা কোন কোনদিন ঘরের পশ্চিম ধারের ছোট বারান্দায় সামান্য পায়চারি করেন, কোনদিন বা গঙ্গার ধারের বারান্দায় একটু বেড়ান। আজ একটু বেলা থাকিতে গঙ্গার দিকের বারান্দায় আসিয়াছেন, গঙ্গা দর্শন করিয়া 'জয় মা গঙ্গে' বলিয়া করজোড়ে প্রণাম করিলেন এবং বলিলেন; "ঠাকুর গঙ্গাজলকে ব্রহ্মবারি বলতেন। গঙ্গার হাওয়া যতদূর যায় ততদূর পর্যন্ত পবিত্র হয়ে যায়।"
তিনি পরে মা ভবতারিণীকে প্রণাম করিয়া শ্রীশ্রীঠাকুরের সমাধিস্থানের উদ্দেশে প্রণাম করিলেন। এইবার একগাছি ছড়িতে ভর দিয়া আস্তে আস্তে বেড়াইতেছেন। স্বামীজীর ঘরের সামনে আসিয়া করজোড়ে স্বামীজীকে প্রণাম করিলেন। পার্শ্বে একজন সেবক সর্বদাই আছে। এইবার হাঁটিতে হাঁটিতে আস্তে আস্তে কথা বলিতেছেন; "এই দেখ না, শরীরের কি অবস্থা! এখন দু-পা চলতেও কষ্ট হয়। অথচ এই শরীর, এই পা-ই তো কত পাহাড় পর্বত চলে বেড়িয়েছে, কত দেশ দেশান্তর ঘুরেছে, কত কঠোরতা করেছে। এমন অনেক সময় গেছেযখন একখানা কাপড়ের বেশি সঙ্গে থাকত না। সেই এক কাপড়েরই অর্ধেক পরে আর অর্ধেক গাঁতি মেরে গায়ে জড়িয়ে পথ চলতুম। পথ চলতে চলতে হয়তো কোন কুয়োতে স্নান করে কৌপীন পরে থেকে কাপড়খানা শুকিয়ে নিতুম। কত রাত কেটেছে গাছতলায় শুয়ে। তখন মনে তীব্র বৈরাগ্য, শারীরিক আরামের কথা মনেই হতো না। কঠোরতাতেই আনন্দ। কত তো নিঃসম্বল অবস্থায় বেড়িয়েছি, কিন্তু কখনো কোন বিপদে পড়তে হয়নি। ঠাকুরই সর্বদা সঙ্গে সঙ্গে থেকে সব বিপদ আপদ থেকে রক্ষা করেছেন, কখনো অভুক্তও রাখেননি। অবশ্য এমন দিন গিয়েছে যে, খুব সামান্যই আহার জুটেছে। একদিনের কথা বেশ মনে আছে। বিঠুরে যাচ্ছি একজন সাধুকে দর্শন করতে। দুপুরে পথে এক জায়গায় গাছতলায় বিশ্রাম করছি। খাওয়া হয়নি। নিকটে লোকালয় ছিল না। এমন সময় হঠাৎ পাশের বেলগাছ থেকে একটা পাকা বেল ধূপ করে পড়ল আর সঙ্গে সঙ্গে ফেটে গেল। আমি এদিক-সেদিক তাকিয়ে দেখলুম কেউ কোথাও নেই। তখন সেই বেলটি কুড়িয়ে এনে তাই খেয়েই সেদিন কাটিয়ে দিলুম। বেশ বড় বেল ছিল।
তখন প্রাণে খুব ব্যাকুলতা ও অশান্তি ভগবানকে পাবার জন্য। চলতে চলতে ভগবানের স্মরণ-মনন হতো, আর ব্যাকুলভাবে প্রার্থনা করতুম। লোকজনের সঙ্গ মোটেই ভাল লাগত না। যে-সব রাস্তা দিয়ে সাধারণত লোক চলাচল করে, সেই সব রাস্তা দিয়ে প্রায়ই যেতুম না। সন্ধ্যা হলে কোথাও থাকবার আস্তানা খুঁজে নিয়ে নিজের ভাবেই রাত কাটিয়ে দিতুম। সাধন-ভজনের প্রকৃষ্ট সময় তো রাত। বাইরের কোলাহল কিছুমাত্র থাকে না, মন স্বতই শান্ত হয়ে আসে। এইভাবে অনেকদিন বেড়িয়ে কাটিয়েছি। এই রকম নিঃসম্বল অবস্থায় কিছুদিন কাটালে ভগবানের উপর একটা পূর্ণ নির্ভরতা আসে। সম্পদে বিপদে তিনিই যে একমাত্র রক্ষাকর্তা-এ ভাবটা বেশ পাকা হয়ে যায়।"
এইবার মহাপুরুষজী চেয়ারে আসিয়া বসিলেন। কথা পূর্ববৎই চলিতেছে– "এখন তো ঠাকুর দয়া করে তাঁর সেবার জন্য এখানেই রেখেছেন। এখন আর কোথাও যেতে ইচ্ছে হয় না। গুরু আর গঙ্গা দুদিকে আর মাঝখানে আমি বেশ আনন্দে আছি। এ স্থান তো বৈকুণ্ঠ! স্বয়ং জগন্নাথ এখানে রয়েছেন জগতের কল্যাণের জন্য, আর স্বামীজীর মতো সিদ্ধ মহাপুরুষ এখানে ছিলেন। কত ভাব, কত মহাভাব হয়েছে এখানে! আমাদের আত্মারাম ঠাকুর রয়েছেন। আর ঠাকুরের পার্যদরা সকলেই এ স্থানে এখনো সূক্ষ্ম দেহে রয়েছেন, তাঁদের দেখাও পাওয়া যায়। কোথায় কোন একজন সাধক সিদ্ধিলাভ করেছিলেন, তাতেই সেই স্থান তীর্থে পরিণত হয়েছে; আর এ যে মহাতীর্থ! এ স্থানের প্রত্যেক ধূলিকণাও যে কত পবিত্র! ঠাকুর, স্বামীজী এঁরা যে কী ছিলেন, তা লোকের বুঝতে ও জানতে এখনো ঢের দেরি। জগতের হিতের জন্য এত বড় আধ্যাত্মিক শক্তি সহস্র সহস্র বৎসরের মধ্যেও জগতে আবির্ভূত হয়নি। বুদ্ধদেব এসেছিলেন– তার শত শত বৎসর পরে লোকে তাঁকে কতকটা বুঝতে পেরেছিল, তাঁর সেই উদার ভাব জগতে ছড়িয়ে পড়েছিল। এখন দেখনা কোথায় বুদ্ধদেবের একটি দাঁত নিয়ে গেছে, তাতেই কি কাণ্ড! কত বড় দন্তমন্দির তৈরিহয়েছে তার ওপর। আর এখানে ঠাকুর, মা, স্বামীজী এঁদের ভস্মাস্থি রয়েছে। এ-সব ভাবতে গেলেও রোমাঞ্চ হয়। এই বেলুড় মঠের ধূলিতে গড়াগড়ি দেবার জন্য দেশ দেশান্তর থেকে কত লোক ছুটে আসবে! তার সূচনাও বেশ দেখা যাচ্ছে। ঠাকুরের দেহত্যাগের পর এখনো তো পঞ্চাশ বছর হয়নি। দেখনা এরই মধ্যে তাঁকে নিয়ে সারা দুনিয়ায় কি কাণ্ডই না শুরু হয়েছে। আমরা ধন্য যে, এ-সব দেখতে পাচ্ছি। তোমরা আরো কত দেখতে পাবে!
ঠাকুরের কাজ ছিল ভাবরাজ্যে, আধ্যাত্মিক রাজ্যে। তাঁর জীবনাদর্শ সমগ্র জগতে ধর্মভাবের একটা আমূল পরিবর্তন শীঘ্রই এনে দেবে। তার লক্ষণও দেখা যাচ্ছে। যোগীন মহারাজ (স্বামী যোগানন্দ) একটা কথা বলতেন; 'নানা ধর্মমত তো চিরকালই আছে, রাশি রাশি শাস্ত্রগ্রন্থও রয়েছে, তীর্থস্থানাদিও অসংখ্য রয়েছে-সব দেশেই। তা সত্ত্বেও ধর্মের গ্লানি হয় কেন জান? কালপ্রভাবে ঐ-সবের আদর্শ নষ্ট হয়ে যায় বলে। তাই শ্রীভগবান অবতীর্ণ হন ধর্মের গূঢ় রহস্য বোঝাবার জন্য–আদর্শ দেখাবার জন্য।' ঠাকুর এবার এসেছেন জগতের সমস্ত ধর্মমতের জীবন্ত আদর্শরূপে। তাই তাঁর নানা মতে সাধনা এবং সর্বভাবে সিদ্ধিলাভ। ঠাকুরের জীবনই প্রত্যেক ধর্মাদর্শের মূর্ত বিগ্রহ। এখন দেখবে তাঁর অলৌকিক জীবন হতে প্রত্যেক ধর্মাবলম্বীরা নতুন আলোক, নতুন আশা ও প্রেরণা পাবে এবং তাঁর জীবনাদর্শে নিজেদের ধর্মজীবন গড়ে তুলবে।"
ক্রমে সন্ধ্যা হইয়া আসিল। মহাপুরুষ মহারাজ আস্তে আস্তে নিজ ঘরে আসিয়া বিছানায় পশ্চিমাস্য হইয়া করজোড়ে বসিলেন। সামনের দেওয়ালে ঠাকুরের একখানি সুবৃহৎ আলোকচিত্র। ঘরে আরো অনেক দেবদেবীর ছবি রহিয়াছে। মহাপুরুষজী ঠাকুর ও অন্যান্য সকল দেবদেবীর উদ্দেশে বারংবার প্রণাম করিয়া চুপ করিয়া বসিয়া আছেন। আরাত্রিক আরম্ভ হইয়াছে। সাধু-ভক্তগণ মধুর কন্ঠে সমস্বরে আরতির ভজন গাহিতেছেন। সর্বশেষে দেবী-প্রণাম গাওয়া হইল। মহাপুরুষজীও সেইসঙ্গে সুর করিয়া 'সর্বমঙ্গলমঙ্গল্যে শিবে সর্বার্থসাধিকে' ইত্যাদি গাহিলেন। ক্রমে চারিদিক নীরব-নিথর। মহাপুরুষজীও সেই ভাবেই বসিয়া আছেন, চক্ষু মুদ্রিত—ধ্যানস্থ।

***************************************

সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন ও আনন্দে থাকুন ঠাকুর, মা ও স্বামীজীর কাছে আন্তরিক —এই প্রার্থনা করি।
জয় মা
জয় ঠাকুর।

হরি ওঁ রামকৃষ্ণ।
সর্বে ভবন্তু সুখিনঃ
সর্বে সন্তু নিরাময়াঃ।।

*****************************************

শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণো জয়তি

প্রিয়ভাজনেষু,
পরমারাধ্য ভগবান শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংস দেবের রামকৃষ্ণ আশ্রম ঠাকুরবাড়ীতে 'চিন্ময় বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা তিথি' উপলক্ষ্যে আগামী ১৮ই ভাদ্র (সাধারণ পঞ্জিকা মতে ১৭ই ভাদ্র), ১৪৩৩ (ইং-৪ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬) শুক্রবার জন্মাষ্টমী তিথিতে বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা অনুসারে রামকৃষ্ণ আশ্রম ঠাকুরবাড়ীর শ্রীরামকৃষ্ণ মন্দিরে বিশেষ পূজানুষ্ঠান এবং হোম-যজ্ঞ অনুষ্ঠিত হইবে।
অত্যন্ত শুভ এই মহতী আনন্দ-যজ্ঞানুষ্ঠানে আপনাকে সপরিবারে এবং সবান্ধবে যোগদান করিয়া আনন্দবর্ধন করিবার জন্য সাদর আমন্ত্রণ জানানো হইতেছে।

বিনীত -
স্বামী জয়ানন্দ
অধ্যক্ষ
রামকৃষ্ণ আশ্রম ঠাকুরবাড়ী
রবীন্দ্রনগর, ডাকঘর-মেদিনীপুর
জেলা- পশ্চিম মেদিনীপুর, পিন-৭২১১০১
দূরভাষঃ (০৩২২২) ২৬৪৫৯৭

*****************************************

অনুষ্ঠান সূচী:-
মঙ্গলারতি: ভোর ০৪.০০ টায়
বিশেষ পূজা: সকাল ০৭.৩০ টায় আরম্ভ
হোম: সকাল ১০.০০ টায়
অঞ্জলি: সকাল ১১.০০ টায়
ভোগ আরতি: সকাল ১১.৪৫ টায়
প্রসাদ বিতরণ: দুপুর ১২ .০০টায়
সন্ধ্যারতি: সন্ধ্যা ০৬.২০ টায়

সভামণ্ডপে:-
সকাল ০৮.০০ টায় - হরিনাম সংকীর্তন
দুপুর ১২.০০ টায় - লীলা কীর্তন - গোরা কুমোর
বিকেল: ০৪.০০ টায়- ভক্তিগীতি পরিবেশনায়- দেবাশীষ গিরি, তবলা সঙ্গতে- বিশ্বনাথ দত্ত
বিকেল: ০৫.০০ টায়- ভক্তিগীতি পরিবেশনায়- সুনন্দা দাস তবলা সঙ্গতে- বিদ্যুৎ বিকাশ দাস
সন্ধ্যা ০৭.৩০ টায় - পালা কীর্তন - গয়াসুরে হরিসাধনা

• ভগবান শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংস দেবের 'চিন্ময় বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা তিথি' উপলক্ষ্যে যে কোন প্রকার দান সাদরে গৃহীত ও স্বীকৃত হইবে।

• ব্যাঙ্ক এ্যাকাউন্টের মাধ্যমে প্রণামী দিতে চাইলে আশ্রমের এ্যাকাউন্ট ডিটেলস:-
Account Name- RAMAKRISHNA ASHRAMA THAKURBARI
SBI Account Numbur : 30637509613
IFS CODE : SBIN0000132

• আশ্রমের UPI ID এর মাধ্যমে প্রণামী দিতে চাইলে দিতে পারেন-
RKMTHAKURBARI@SBI

• Online - এ আশ্রমের Bank Account-এ Donation পাঠাইলে আপনার নাম, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর, PAN নাম্বার ও Aadhaar নাম্বার আশ্রমের Whatsapp নম্বরে - 9432904900 বা ইমেলে- [email protected] অবশ্যই পাঠাইবেন।

• রামকৃষ্ণ আশ্রম ঠাকুরবাড়ী'র জন্য সকল আর্থিক দান আয়কর আইনের ৮০জি ধারা অনুসারে আয়কর মুক্ত।

*****************************************

★ অমৃতকথা ★**************বেলুড় মঠ, অগ্রহায়ণ মাস, ১৩৩৯ নভেম্বর—ডিসেম্বর, ১৯৩২।একটু একটু শীতের আমেজ দিয়াছে। সন্ধ্যাকাল। আর...
19/08/2026

★ অমৃতকথা ★
**************

বেলুড় মঠ, অগ্রহায়ণ মাস, ১৩৩৯ নভেম্বর—ডিসেম্বর, ১৯৩২।
একটু একটু শীতের আমেজ দিয়াছে। সন্ধ্যাকাল। আরাত্রিক শেষ হইবার পর মঠের সন্ন্যাসি-ব্রহ্মচারিবৃন্দ সকলেই ধ্যানাদিতে রত। এক অনির্বচনীয় শান্তি ও গাম্ভীর্য সর্বত্র বিরাজমান।
মহাপুরুষ মহারাজের ঘরও একেবারে নিস্তব্ধ। ঘরে সবুজ রঙের একটি আলো জ্বলিতেছে। মহাপুরুষজী পশ্চিমাস্য হইয়া সুখাসনে বসিয়া আছেন-ধ্যানমগ্ন। পার্শ্বে জনৈক সেবক পাখা দ্বারা আস্তে আস্তে মশা তাড়াইতেছে। এইভাবে অনেকক্ষণ কাটিয়া গেল। ঘরের নিস্তব্ধতা যেন ক্রমেই বাড়িয়া চলিয়াছে। আর তাঁহার শান্ত মুখমণ্ডল আরো প্রদীপ্ত হইয়া উঠিয়াছে। মঠের সাধুদের মধ্যে কেহ কেহ প্রতিদিনের ন্যায় মহাপুরুষজীর ঘরে আসিয়া তাঁহাকে ধ্যানমগ্ন দেখিয়া দূর হইতে প্রণাম করিয়া চলিয়া যাইতেছেন। ক্রমে রাত্রি ৯টা বাজিয়া গেল, কিন্তু তাঁহার ধ্যানভঙ্গ হইতেছে না। কিছু পরে মহাপুরুষজী ধীরে ধীরে ওঁকার-ধ্বনি করিতেছেন, এবং ক্রমে একটু স্পষ্ট স্বরে 'হরি ওঁ হরি ওঁ' উচ্চারণ করিতেছেন। একটু পরে জিজ্ঞাসা করিলেন; "কটা বেজেছে?"
সেবক খুব সঙ্কুচিত স্বরে আস্তে আস্তে বলিলেন; নটা বেজে গেছে, মহারাজ।
মহারাজ বলিলেন; "ঠাকুরের ভোগের ঘণ্টা পড়েছে?"
সেবক বলিলেন; ভোগ অনেকক্ষণ উঠেছে। এখন তো প্রায় ভোগ নামবার সময় হলো। মহাপুরুষজী খুব বেশি বেশি ধ্যানাদি করিতেছেন দেখিয়া সেবকের মনের ভিতর মহা আন্দোলন চলিয়াছে। কারণ ডাক্তারদের বিশেষ অনুরোধ ছিল, যাহাতে মহাপুরুষজী ধ্যানাদি বেশি না করেন–উহা তাঁহার শরীরের পক্ষে খুব ক্ষতিকর। সেইজন্য আজ সেবক সাহসভরে আস্তে আস্তে জিজ্ঞাসা করিলেন; আপনাদের এত ধ্যান করবার কি প্রয়োজন? আপনারা তো অমনি সাদা চোখেই ঠাকুরকে দেখতে পান, তাঁর সঙ্গে কথাবার্তা বলতে পারেন। তবে আপনারা এত ধ্যান করেন কেন?
মহাপুরুষজী স্নেহবিগলিত কণ্ঠে আস্তে আস্তে বলিলেন; "হাঁ, বাবা, ঠিক বলেছ। তিনি দয়া করে আমাদের দর্শন দেন এবং প্রয়োজন হলে কৃপা করে কথাবার্তাও বলেন। তা ঠাকুর, মা, স্বামীজী প্রভৃতি সকলেই খুব দয়া করেন–সে নিশ্চয়। তাঁকে আবার আমরা ধ্যান করে দেখব কেন? আমি সেজন্য তো ধ্যান করিনে। তবে কি জান, এখান থেকে অনেকেই দীক্ষাদি নিয়ে যায়, কিন্তু সকলে তো আর সমান ধ্যানজপ করতে পারে না। অনেকে আবার ধ্যানজপাদি করছে, কিন্তু ধর্মপথে এমন সব বাধা বিঘ্ন আছে যে, আর সে-রাজ্যে এগুতে পারে না। তাদের জন্যই আলাদা আলাদা ভাবে বিশেষ করে প্রার্থনাদি করতে হয়। একটু মনস্থির করে বসলেই সকলের চেহারা মনে ভেসে ওঠে। তখন একে একে তাদের জন্য প্রার্থনা করি। ধর্মপথে এগুবার যে-সব প্রতিবন্ধক আসে, তা দূর করে দিতে হয়। তা ছাড়া সাংসারিক দুঃখকষ্ট তো অনেকেরই আছে, তারও ব্যবস্থা করতে হয়। ঠাকুরই ভেতরে প্রেরণা দিয়ে এ-সব করাচ্ছেন। সংসারে শোকতাপ, দুঃখকষ্টের তো ইয়ত্তা নেই। সমগ্র জগতে যাতে শান্তি বিরাজ করে, দুঃখকষ্ট কমে যায়, সব মানুষ যাতে ভগবানের দিকে এগুতে পারে, তাই তো আমাদের একমাত্র প্রার্থনা। আমরা নিজের জন্য তো কিছু করিনে, বাবা।"
মহারাজের প্রতি কথায় প্রাণের আবেগ ফুটিয়া উঠিতেছে। হৃদয়স্থ প্রেমের উৎস যেন উছলিয়া পড়িতেছে। কম্পিত কণ্ঠে মহারাজ বলিতে লাগিলেন; "তিনিই সব করাচ্ছেন। সেই প্রেমময় প্রভুই এর ভেতরে বসে নানাভাবে খেলা কচ্ছেন। তিনি যেমনটি করাচ্ছেন, তেমনি করছি; যেমন বলছেন আমি তেমনি বলছি। আমি তো তাঁর হাতের সামান্য যন্ত্রমাত্র–তাও ভাঙা যন্ত্র। তা তিনি পাকা খেলোয়াড়, কানাকড়ি দিয়েও বাজি মাত করতে পারেন–কচ্ছেনও তো তাই! নইলে আমার কি সাধ্য আছে, বলো? না আছে পাণ্ডিত্য, না আছে বাগ্মিতা, না আছে আর কিছু, না দেখতে শুনতে ভাল। এই তো বুড়ো শরীর, নিচে পর্যন্ত নামতে পারিনে সব সময়। তবু তো তিনি তাঁর কাজ চালিয়ে নিচ্ছেন। কত লোক আসছে! আমি সকলের সঙ্গে কথা বলেও উঠতে পারিনে–এত লোক আসে! তা তারা বলে– আপনার কথা বলতে হবে না। আপনাকে দেখলেই প্রাণের সব জ্বালা জুড়িয়ে যায়, সব সন্দেহ মিটে যায়। আমি কিছু জানিনে, প্রভু জয়। তোমারই জয়! ধন্য প্রভু। তোমার মহিমা কে বুঝবে বল? আমি তো সব দেখে শুনে অবাক। এই শরীরের ভেতর তিনিই কত ভাবে না লীলা করছেন! তা কাকেই বা বলি, কেই বা তা বুঝবে! এর ভেতর বার সবটা জুড়ে তিনিই খেলা করছেন।"
সেদিন সুধীর (স্বামী শুদ্ধানন্দ) জিজ্ঞাসা করছিল; 'আপনার কাছে তো এত লোক দীক্ষা নিয়ে যাচ্ছে, আপনার সকলের কথা কি মনে থাকে? সকলকে আপনি চিনতে পারেন?'
আমি বললুম; "না, বাবা, আমার অত শত মনে থাকে না। কত জনের দীক্ষা হলো, কার ঘরবাড়ি কোথায়, কে কি করে না করে তাতে আমার দরকার কি? আমি তাঁর নাম করি, তাঁর স্মরণ মনন করি, অন্য কিছুই জানিনে। দীক্ষাদির কথা যা বলছ, তাও তো তিনিই প্রেরণা দিয়ে লোকদের এখানে আনছেন, আর এর ভেতরে বসে তিনিই সকলকে কৃপা করছেন। নইলে আমাকে দেখে এত লোক আসবে কেন? তবে তিনি এখন এই শরীরটাকে আশ্রয় করে তাঁর কত লীলা করছেন, আর আমি মাঝখান থেকে ধন্য হয়ে যাচ্ছি। যারা এখানে আসে, আমি সকলকেই তাঁর পায়ে সঁপে দি। বলি, 'এই নাও, ঠাকুর, তোমার জিনিস তুমি নাও।' লোকে যেমন নানারকম ফুল দিয়ে তাঁর চরণ পুজো করে, আমিও তেমনি নানারকম মানুষ অঞ্জলি করে–তাঁর শ্রীচরণে ঢেলে দিই। তা সকলকে তিনি গ্রহণ কচ্ছেন, তা স্পষ্ট দেখতে পাই। তাঁর পায়ে সঁপে দি, আর তিনি গ্রহণ করলেই খালাস। তিনিই সব ভার নিয়ে নেন। কল্যাণ-অকল্যাণের কর্তা তো তিনি। তবে আমার মনের শুভেচ্ছা তাদের জন্য সব সময়ে রয়েছে। প্রতিনিয়ত প্রভুর ইচ্ছায় আমিও তাদের কল্যাণ চিন্তা করি, তাদের কল্যাণের জন্য প্রার্থনা করি।"

***************************************

সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন ও আনন্দে থাকুন ঠাকুর, মা ও স্বামীজীর কাছে আন্তরিক —এই প্রার্থনা করি।
জয় মা
জয় ঠাকুর।

হরি ওঁ রামকৃষ্ণ।
সর্বে ভবন্তু সুখিনঃ
সর্বে সন্তু নিরাময়াঃ।।

*******************************

পূজা-সেবা এবং সেবামূলক কাজে donation পাঠানোর জন্য আশ্রমের Bank Details:

Account Name:
RAMAKRISHNA ASHRAMA THAKURBARI

SBI Bank Account Number: 30637509613

IFS Code: SBIN0000132

UPI ID:
RKMTHAKURBARI@SBI

Donation পাঠানোর পর আপনার নাম, ঠিকানা এবং PAN Number অথবা আধার নম্বর 9432904900 এই whatsapp নম্বরে অবশ্যই পাঠাবেন।

আপনি ভারত সরকারের আয়কর আইনে 80G এর benifit পাবেন ।

স্বামী জয়ানন্দ মহারাজ
অধ্যক্ষ
রামকৃষ্ণ আশ্রম ঠাকুরবাড়ী
রবীন্দ্রনগর, মেদিনীপুর
পশ্চিম মেদিনীপুর
পশ্চিম বঙ্গ-৭২১১০১

*******************************

#রামকৃষ্ণ_আশ্রম_ঠাকুরবাড়ীRamakrishnaAshramaThakurbariMedinipurরামকৃষ্ণআশ্রমঠাকুরবাড়ীমেদিনীপুর
#রামকৃষ্ণ_আশ্রম_ঠাকুরবাড়ী


#স্বামী_জয়ানন্দ_মহারাজ
#মেদিনীপুর

#পশ্চিম_মেদিনীপুর


Address

Medinipur

Opening Hours

Monday 8:30am - 8:30pm
Tuesday 8:30am - 8:30pm
Wednesday 8:30am - 8:30pm
Thursday 8:30am - 8:30pm
Friday 8:30am - 8:30pm
Saturday 8:30am - 8:30pm
Sunday 8:30am - 8:30pm

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ramakrishna Ashrama Thakurbari রামকৃষ্ণ আশ্রম ঠাকুরবাড়ী posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Ramakrishna Ashrama Thakurbari রামকৃষ্ণ আশ্রম ঠাকুরবাড়ী:

Shortcuts

Share