28/08/2026
#শ্রাবণী_পূর্ণিমা
পাঞ্চভৌতিক উপাদানে তৈরী এই জড় জগৎটাকে যেমন উপেক্ষা করা যায় না, মানুষের মন যা চৈত্তিক ধাতু (Ectoplasmic stuff) দিয়ে তৈরী, তাকেও তেমনি উপেক্ষা করা যায় না। ঘর্ষণে প্রতিঘর্ষণে জড়জগৎ থেকেই মনের উদ্ভব হয়। আবার ঘর্ষণে প্রতিঘর্ষণে মানসিক অনুশীলনে মন থেকেই আত্মার বিস্তৃতি ঘটে। এই কারণে মানসিক অনুশীলনকেও উপেক্ষা করা যায় না। আর মানসিক অনুশীলনের পরে যখন মানুষের সত্তা অধিকতর আত্মিক স্তরে উন্নীত হতে থাকে তখন স্বাভাবিক নিয়মেই সে পরমপুরুষের সঙ্গে মিলে যেতে চায়, মিশে যেতে চায়। ক্ষুদ্রত্বকে বৃহত্বে পর্যবসিত করতে চায়, কারণ বিস্তারিত হওয়া একটা মানবধর্ম-এটা একটা ভাগবৎ ধর্ম।
বিস্তার, রস, সেবা, তস্থিতি-এই চারটি মুখ্য গুণ নিয়েই মানুষের অস্তিত্ব। তাই জীবনে তিনটে দিকেই দেখতে হৰে সৰ্বক্ষেত্রে মানুষ যখন এগোতে চাইৰে তখন কী হবে? যেমন থীসিস-এ্যান্টিথীসিস্-সীন্থীসিস্। দ্বিতীয় স্তরে সীন্থীসিসটাই হয়ে যাচ্ছে থীসিস। তার পাল্টা আসছে এ্যান্টিথীসিস, সংঘর্ষের ফলে আবার সীনথীসিসের রূপ পরিগ্রহ করছে। এই যেমন ভাবলোকের জিনিস আবার ঠিক তেমনি স্থূল জাগতিক জিনিসও। স্থূলজগতে এই যে এগিয়ে চলা, এই এগিয়ে চলতে হয় সর্বক্ষেত্রেই ইনারসিয়ার বিরুদ্ধে কঠোরভাবে, নির্মমভাবে সংগ্রামের মাধ্যমে। এই সহজ সরল তথ্যটা, সত্যটা অনেকে বলতে ভয় পায়, অনেকের বলতে ভাল লাগে না, কারো কারো আবার নাকি শুণতে ভাল লাগে না। যেমন, মধ্যযুগে নিয়ম ছিল যে সবাই জমি চাষ করবে না, চাষ করা নাকি পাপ। আমি যখন এই ভাবজড়তাটা ভাঙ্গতে চেষ্টা করেছিলুম নিজে লাঙ্গল টেনে, অনেকেই নিন্দা করেছিল। "না-না-না, লাঙ্গল আপনার ছোঁয়া নিষেধ, তা করবেন না”-বলল তারা। আমিও শুণলুম না, আমি জোর করে করলুম। দেখলুম, কোন ক্ষতিই হল না। ওরা বলল, সর্বনাশ হবে। দেখলুম, -কোন ক্ষতিই হল না। এটা একটা ৰাজে ভাবজড়তা (Dogma) মাত্র। কারণ, যেখানে যুক্তিজালবর্জিতভাবে মানুষকে চলতে বলা হয় বা চলতে বাধ্য করা হয় সেটাই ভাবজড়তা। লাঙ্গল ঠেলা নিষেধ কেন? তাতে পাপ হৰে কেন? কিন্তু লাঙ্গল ঠেলে যে ফসল উৎপন্ন হয় সেই ফসলটি খাওয়া তো নিষেধ নয়। তার মানে আমি যে ফসলটি খাব তজ্জন্যে লাঙ্গল ঠেলে একজন লোক পাপ-ভাগী হবে এ কেমন যুক্তি হল? যুক্তি ঠিক হল না। তা, বাস্তব জগতে এই যে ইনারসিয়া। -এর বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে যেতে হবে। যা তোমার অস্তিত্বকে বিঘ্নের দ্বারা প্রতিবন্ধ করে রেখেছে সেই বিঘ্নের শৃঙ্খল ভেঙ্গেই না তুমি নোতুনত্বের আলোক দেখতে পাবে!
আমাদের এই স্থূল পাঞ্চভৌতিক জগতে রয়েছে পাঞ্চভৌতিক শরীর। সেই পাঞ্চভৌতিক শরীরের জন্যে অন্ন, বস্ত্র, শিক্ষা, বাসস্থান, চিকিৎসা ইত্যাদির প্রয়োজন রয়েছে। আর সেই জন্যে কী করতে হবে?-না, সংগ্রামের মাধ্যমেই প্রতিষ্ঠিত হতে হবে। আবার এই সংগ্রামের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা-মানুষ হল সামাজিক জীব, একক জীব নয়, এই সংগ্রামের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হতে হবে-এটা ব্যষ্টিগত প্রয়াসে ঠিকই কিন্তু সেই ব্যষ্টিগত প্রয়াসের পেছনে থাকতে হৰে সামূহিক সমর্থন ও সামূহিক আকুতি, একটা সামুহিক তত্ত্ব। এই তত্ত্বটার ভিত্তিতে মানুষ চেষ্টা করে যাৰে, সংগ্রাম করে যাবে। আর তত্ত্বটা যদি নির্ভুল হয় তাহলে মানুষ অল্পায়াসে তার অভীষ্টে প্রতিষ্ঠিত হয়ে যাবে।
তাই মানুষের দরকার একটা দৃঢ় সংকল্প ও এই দৃঢ় সংকল্পের সঙ্গে একটা মজবুৎ দর্শন। তাই ভৌতিক ক্ষেত্রে মানুষ ব্যষ্টিগত আর সামুহিক অস্তিত্বকে রক্ষা করবার জন্যে ইনারসিয়ার বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে যাবে। এই যে ইনারসিয়া-যাকে মানসিক জগতে আমি বলি 'ডগমা'-সে তার সর্ব শক্তি দিয়ে তোমার পদবিক্ষেপকে ব্যাহত করতে চেষ্টাশীল হবে। তার পক্ষে এটাই স্বাভাবিক। সুতরাং এ দেখে ঘাবড়ে গেলে চলবে না, থমকে দাঁড়ালে চলৰে না। মনে রাখতে হৰে যে এগিয়ে চলতে গেলে ইনারসিয়ার ৰাধা আসৰেই। না আসাটা অস্বাভাবিক। না-আসাটার মানে তুমি বড় বড় কথাই বলছ, তুমি চলবার চেষ্টা করনি। অনেকে বলে-এই করতে গেলুম, এই বাধা এল, অমুক কথা বলল ইত্যাদি। এইগুলোই স্বাভাবিক। কাজ করতে গেলে ইনারসিয়া নানান রূপ, নানান প্রতিরূপ নিয়ে তোমার সামনে এসে দাঁড়াবে। আর সেই ৰাধাকে তুমি সহাস্যে বরণ করবে ও বলবে-“বাধা, তুমি এসেছ, তুমি তোমার কাজ করে যাও। আমি আমার কাজ করে যাই।" 'আনন্দ সূত্রমে' বলা হয়েছে-
"বাধা সা যুষমানা শক্তিঃ সেব্যং স্থাপয়তি লক্ষ্যে"।
ঠিক তেমনি মানুষের রয়েছে মনোজগৎ যা এক্টোপ্লাজমিক ষ্টারু দিয়ে তৈরী, যা চিত্তাণু দিয়ে তৈরী, যা চূর্ণীভূত পাঞ্চভৌতিক উপাদান। মনে রাখতে হবে-বিরাট মনের জড়ীভূত রূপ হচ্ছে এই পাঞ্চভৌতিক জগৎ। আবার এই পাঞ্চভৌতিক জগৎ থেকেই সংঘর্ষ-সমিতির মাধ্যমে তৈরী হচ্ছে চিত্তাণু, মনোজগৎ, এক্টোপ্লাজমিক ওয়ার্লড। যদি ভৌতিক ক্ষেত্রে মানুষ সংগ্রামবিমুখ হয়, মানুষ যদি ৰাধাকে এড়িয়ে চলে বাঁচবার অপপ্রয়াসে রত হয়, সেতা পারবে না। বরং সংগ্রাম না করার ফলে তার চিত্তাণুর সংবৃদ্ধি হবে না। তাতে সে ক্ষতিগ্রস্ত হৰে আর ফলতঃ যখন বৃহত্তর অসুবিধা তার সামনে এসে দাঁড়াৰে তখন সে ঠিক ভাবে তার বিরুদ্ধে নিজেকে দাঁড় করাতে পারবে না। তাই ভৌতিক জগতে সংগ্রাম মানুষকে মানসিক জগতে সংগ্রামের প্রস্তুতি যোগায়। আবার ঠিক তেমনি মানসিক জগতের উন্নতির ফলে, মানসিক জগতের বিস্তৃতির ফলে নূতন নূতন তথ্য তার সামনে ফুটে ওঠে যা তাকে বস্তুজাগতিক সংগ্রামে রসদ যোগায়। আবার এই মানসিক অভিভাবন তথা মানসিক অভিভাবনিক দৃঢ়তা আত্মিক বিস্তৃতি ঘটিয়ে দেয়। আত্মিক বিস্তৃতি মানুষের মনকে আরও বেশী পরমপুরুষের অভিমুখী করে দেয়। তখন তার মন চায় যে পরমপুরুষের এই যে অনন্ত অখণ্ড বিস্তৃতি আমার ক্ষুদ্র বিস্তৃতিটা তাঁতেই মিশিয়ে দিয়ে বিরাট হয়ে যাই। আর তখন সে তার অভীষ্ট সিদ্ধিতে জনকল্যাণে, মানব কল্যাণে ও ব্যষ্টিগত জীবনে যথার্থ কল্যাণেও আরও ভালভাবে এগিয়ে যেতে পারে।
আমাদের এই শ্রাবণী পূর্ণিমা-অনেকেই জান, এটা জানা জিনিস, আমি তখন খুবই ছোট্ট। তখন বিদ্যাসাগর কলেজে পড়ি। একদিন সন্ধ্যায় একটা ঘটনা ঘটল। একজন লোক-সে লোকটি দুষ্ট প্রকৃতির ছিল। আমরা এই কথাটি ব্যবহার করছি এই জন্যে যে আজ যে মানুষটা দুষ্ট, কাল সে সাধু হতে পারে। আজ যে মূঢ় কাল সে জ্ঞানী হতে পারে-এ সব কিছু আপেক্ষিক জগতের আপেক্ষিকতার দ্বারা অভিষিক্ত। তাই এর কোন শাশ্বত রূপ নেই কোন মানুষকে স্থায়ীভাবে দুষ্ট বলা চলে না। সব সময় মনে রাখতে হবে যে আমি এই দুষ্টের ভেতরে যে ভাল জিনিসগুলো নিহিত রয়েছে সেইগুলোকেই জাগিয়ে দিয়ে, বাড়িয়ে দিয়ে একে ভাল করে তুলবো। ভাল মানে কী? -না, সংস্কৃত 'ভদ্র' শব্দ থেকে 'ভাল' শব্দটা এসেছে। সংস্কৃতে 'ভদ্র' প্রাকৃতে/পালিতে 'ভদ্দ', তাই থেকে অর্ধ প্রাকৃতে 'ভল্ল', তাই থেকে প্রাচীন বাংলায় 'ভালা'/'ভাইলা', বর্তমান বাংলায় 'ভাল'। ফরিদপুর জেলার গ্রামাঞ্চলে একটা ছড়াই ছিল-'ভালা আইল বুরা গেল'। 'ভালা' মানে 'ভাল'। আবার বার শ' বছরের পুরোনো বাংলার ছড়াতে আছে-
"পার গজর সঙ্গ সোই দুর্জন সঙ্গ অবসর তোই।
নাদন বিন্দুন রবিন শশীমণ্ডল।।
উজুরে উজু ছাড়ি না লেও রে বাংক।
নিওড়ি বোহি ন যাওরে লাংক।।
হারে কংকন, মা লেও রে দাপন।
অঙ্গনে অপ্পন বুঝত নিয় মন।।
পার গজর সোই দুর্জন সঙ্গ অবসর তোয়ি।
বাম দাহিন যো খল বিখলা।
সরহভনই বাপ্পা উজু বাট ভৈলা।।"
'ভাইলা' শব্দের নিদর্শন দেখিয়ে দিলুম। তা ভাল বলতে, সংস্কৃতে 'ভদ্র' ৰলতে তাকেই বোঝায় যে সুষ্ঠুভাবে ত্রিভূতেই-শারীরিক, মানসিক, আধ্যাত্মিকে এগিয়ে চলে। ভাল সে নয় যে বসে বসে মার খাচ্ছে, অপমান সহ্য করছে, বা শোষণের পর শোষণের পালা চলেছে আর মুখ বুজে সেটাকে বিধিলিপি বলে মেনে নিচ্ছে। এ সমস্ত ভাল লোকের লক্ষণ নয়। ভাল লোকের লক্ষণ হল যে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে, ন্যায়কে দৃঢ় হস্তে ধরে রাখে, দুর্বলকে রক্ষা করে, পাপীর বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে, সেই-ই ভাল। যারা অত্যন্ত নিরীহ, যারা শান্ত-শিষ্ট (goody goody boys) তারা ভাল নয়।
তা হয়েছিল কী?-না, একজন দুষ্ট প্রকৃতির লোক আমার কাছে এসেছিল। আমি সাধারণ একটি ছোট্ট ছেলে-আমার কাছে আর কী পাৰে? কিন্তু আমার কাছে এসেছিল। আমি তাকে মানব মনের যা স্বাভাবিক সাইকলজি তদনুযায়ী জিজ্ঞাসা করেছিলুম-কী চাও? কেন এ পথে নেমেছ? ইত্যাদি। তারপর খানিকক্ষণ আমার সঙ্গে কথাবার্তা হয়েছিল। সে বুঝেছিল-তার কিছু করা উচিত আর পরে সে দীক্ষাও নিয়েছিল। সেইটাই প্রথম দীক্ষা।
আজ আবার সেই দিনই ঘুরে ফিরে এসেছে-
অনেক দিন হল। তখন সেটা ছিলো সম্ভবত ১৯৩৯ সাল............ একচল্লিশ বৎসর আগেকার ঘটনা।
তা মানব মনীষার কোরকে যে শুভভাব নিহিত রয়েছে তাকে জাগিয়ে তোল। তাকে জাগাতে গেলে কী করতে হয়? বকা-ঝকা, তিরষ্কার-শাসন, শক্তি প্রয়োগ সব কিছুই করতে হয়। আবার সঙ্গে সঙ্গে চেষ্টাও চালাতে হয় যাতে সেই প্রযুপ্তকোরক বিকশিত হয়। তার রূপে-রসে-গন্ধে সমগ্র সমাজ উপকৃত হয়। আজকে সেই মানুষকে প্রেরণা যুগিয়ে, দরকার মত শাসন করতে হয়।
শাসন বর্জনীয় নয়। শাস্ত্রে বলা হয়েছে-'হিতার্থে শাসনম্ ইত্যর্থে অনুশাসনম্'। ভালর জন্যে যে শাসন তাকেই বলা হয় অনুশাসন। সমাজে শাসনের প্রয়োজন রয়েছে। শাস্ত্রে বলা হয়েছে-
'নিগ্রহানুগ্রহে শক্তো গুরুরিত্যাভিধীয়তে'।
যিনি কড়া শাসন করতে পারেন আর কড়া ভালও বাসতে পারেন অর্থাৎ খুব ভালও বাসেন, আবার খুব বেশী শাসনও করনে তিনিই গুরু। যিনি কেবল শাসন করেন তিনি গুরু নন-তিনি শত্রু। যিনি কেবল ভাল বাসেন, আদর করেন তিনিও গুরু নন-তিনিও শত্রু। কারণ মাত্রাধিক্য ভালবাসায় মানুষ খারাপ হয়ে যায়। যিনি দু'টোই করতে জানেন তিনিই গুরু।
তাই তোমরা মানুষকে আদরে-শাসনে তৈরী করবে। যেখানে আদরে কাজ হল না সেখানে শাসনের প্রয়োজন আছে। ওষুধ মাত্র-ই যে মিষ্টি হবে এমন কোন কথা নেই। তেঁতো ওষুধেরও প্রয়োজন আছে। রোগী অনেক সময় তেঁতো ওষুধ খেতে চাইবে না-কাঁদৰে। কিন্তু ভাল চিকিৎসক তাকে জোর করে চেপে ধরে ওষুধ খাইয়ে দেবে। এই হচ্ছে বিধি।
তোমাদের আমি ৰলৰ-গোটা মানবসমাজ আজ ক্ষত-বিক্ষত। নানান ব্যাধিতে, নানান ভাবজড়তায় তার সর্বাঙ্গ আজ পুঁতিগন্ধময়। সর্বাঙ্গ কুষ্ঠব্যাধিগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় ভেবে চিন্তে যখন যেমনটি চিকিৎসার দরকার তখন তেমনটি চিকিৎসার ব্যবস্থাই করে মানুষ জাতকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। আর একবার বলছি, কোন মানুষকে প্রথমেই দুষ্ট বা খারাপ ৰলে সিদ্ধান্তে পৌঁছুৰে না। তার ভেতরের ভাল জিনিসগুলো খুঁজে বের করবার চেষ্টা করবে। আর ভালো জিনিসের মাত্রা বেড়ে গেলে সমাজ তাকে শ্রদ্ধা করৰে। প্ৰত্যেক মানুষকে শ্রদ্ধার আসনে বসাবার চেষ্টা করবে। কিন্তু শ্রদ্ধার আসনে বসাবার তুমি যে প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছো তা যে সমর্থন করবে না, যে মানব সমাজের অবারিতভাবে ক্ষতি করে যেতেই থাকৰে, তার বিরুদ্ধে অত্যন্ত দৃঢ়তাপূর্বক ব্যবহার তোমাদের করতে হৰে বৃহত্তর মানব জাতির স্বার্থে, ভূ-লুণ্ঠিত মানবতার স্বার্থে, পরমপুরুষের তৃপ্ত্যর্থে, প্রীত্যর্থে।
~ অভিমত ~
শ্রী প্রভাত রঞ্জন সরকার
(কলিকাতা, ২৫শে আগষ্ট, শ্রাবণী পূর্ণিমা, ১৯৮০)