Subrato Krshna Das

Subrato Krshna Das ishvarah paramah krishnah
sac-cid-ananda-vigrahaha
anadir adir govindaha
sarva-karana-karanam

19/09/2022

Heart touching Kirtan

১০০ টাকা মন্দিরে যতটা বড় দেখায়, শপিং মলে তা ঠিক ততটাই ছোট!★ মন্দিরে বসে ২ ঘন্টা প্রার্থনা করা কতইনা দীর্ঘ, অথচ সিনেমা হল...
19/09/2022

১০০ টাকা মন্দিরে যতটা বড় দেখায়, শপিং মলে তা ঠিক ততটাই ছোট!
★ মন্দিরে বসে ২ ঘন্টা প্রার্থনা করা কতইনা দীর্ঘ, অথচ সিনেমা হলে তা কিছুই না!
★ ৪ ঘন্টার একটা ক্রিকেট ম্যাচ কিছুই না, অথচ মাত্র ৪ মিনিট বসে গীতা পাঠ করা অনেক বিরক্তিকর!
★ গীতার ২ টি শ্লোক পড়তে কতইনা কষ্টকর, অথচ ২০০ পৃষ্ঠার উপন্যাস ঠিক ততটাই আনন্দ দায়ক!
★ মাসিক ১০০০ টাকার প্রাইভেট ক্লাস, গানের ক্লাস, নাচের ক্লাস, ড্রয়িং ক্লাস করার অফুরন্ত সময়, অথচ মাসিক ৩০ টাকায় সপ্তাহে ৪ দিন গীতা ক্লাসের জন্য বিন্দু পরিমাণ সময় নেই!
★ গানের শিক্ষক, নাচের শিক্ষক, ড্রয়িং শিক্ষকের বেতন মাসে ৪ দিনে ৩০০০-৫০০০ টাকা, অথচ গীতা শিক্ষকের বেতন মাসে ৩০ দিনে ৫০০ টাকা!
★ আমরা আধুনিক! আমরা এমনই! গীতা কোন শেখা বা পড়ার বিষয়ই না, শুধু পড়ালেখা, নাচ, গান শিখাই জীবনের আসল ক্রেডিট।
★ বয়স যতই হোক বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে অন্যান্য যেকোন কিছু শেখা কোন লজ্জার বিষয় নয় অথচ ছেলেমেয়েদের বয়স ১৪/১৫ হলেই গীতা শেখা যেন বড়ই লজ্জার বিষয়!
★ বৃদ্ধাশ্রম কিন্তু এমনি এমনি একদিনে তৈরি হয় নাই।

আপনার সবশিক্ষাই ছিল, কিন্তু নৈতিক শিক্ষা ছিল না,ছিল না গীতা শিক্ষা!!!!!

আজকে লাভজিহাদ, হিন্দু ছেলে মেয়েরা ধর্মান্তরিত কেন হচ্ছে? ভেবে দেখেছেন কখনো??
আমাদের হিন্দু ছেলেমেয়েরা ধর্মীয় জ্ঞানে, গীতা জ্ঞানে, ও বৈদিক অনান্য শাস্ত্র গ্রন্থ ব্যাপারে অজ্ঞ।
যেসব হিন্দু ছেলে মেয়ের হৃদয়ে ধর্মীয় জ্ঞান পর্যাপ্ত, তাকে যতই প্রলোভন দেখান, তাকে ধর্মান্তরিত হয়ে মুসলিম বা খ্রিস্টান করতে পারবেন না।
দোষটা কিন্তু আমাদেরই।
স্বয়ংবিচার করুন!!!!
-সংগৃহিত

বৈষ্ণবসেবা দিলে কী হয় ?👉তুঙ্গভদ্রা নদীর ধারে একজন লোক ছিলেন তার নাম ছিল কটাল।এই কটাল তেমন ভালো মানুষ ছিলনা।দুনিয়ায় এমন ক...
10/09/2022

বৈষ্ণবসেবা দিলে কী হয় ?
👉তুঙ্গভদ্রা নদীর ধারে একজন লোক ছিলেন তার নাম ছিল কটাল।
এই কটাল তেমন ভালো মানুষ ছিলনা।
দুনিয়ায় এমন কোন পাপ কাজ ছিলনা যা সে করেনি,অনেক পাপি ছিল সে।লিখতে লিখতে যমরাজের খাতার পৃষ্ঠা আর বাকি রইলো না।
👉️একদিন রাতে প্রচুর ঝড় বৃষ্টি ঐদিন কটাল আর ঘর থেকে বের হতে পারে নাই,ঘরেই শুয়ে ছিল।তখন এক বৈষ্ণব ঝড় বৃষ্টির মধ্য দিয়ে কটালের ঘরের দরজায় এসে আশ্রয় নেয়।
কটাল বুঝতে পেরে দরজা খুলে দেখে এক ব্যক্তি দরজায় দাড়িঁয়ে আছে।
তখনও কটালের ভিতর ঐ ধরণের কোন জ্ঞান ছিলনা।যে কে সাধু কে বৈষ্ণব কে সাধারণ মানুষ।কটালের মনে হঠাৎ কিসের একটি দয়া মায়া হলো।
তখন কটাল কী করলো?
ঐ লোকটাকে ডেকে ঘরে এনে চেয়ারে বসালো।
তারপর কটাল আবার ঘুমিয়ে পড়লো।যখন ঝড় বৃষ্টি থেমে গেলো বৈষ্ণব চলে গেলো।
👉তার কিছুদিন পর কটালের মৃত্যু হলো।
মৃত্যুর পর যখন যমালয়ে গেলেন, যমরাজ চিত্রগুপ্তকে বললো দেখতো এই ব্যক্তির লিষ্টে কি লেখা আছে।
চিত্রগুপ্ত খুজে দেখে সব জায়গায় লাল আর লাল কোথাও কোন ফাকাঁ নাই।
হঠাৎ দেখতে পায়,একবারে শেষের পৃষ্ঠায় একটু লেখা আছে নীল কালি দিয়ে।চিত্রগুপ্ত তখন যমরাজকে বলে,এইতো পেয়েছি একটা নীল দাগ।
যমরাজ তখন কটালকে বললো তুমি একবার মানব জনম পাবে,আর বাকি সব নরক।তা তুমি আগে কোনটা নিবে মানব জনম নাকি নরক?
কারণ তুমি একবার নরকে গেলে কবে যে, মানব রূপ পাবে সেটা আমিও ঠিক বলতে পারছিনা।
তখন কটাল যমরাজকে বললো আমি কী এমন কাজ করছি যার কারণে আমায় মানব রূপ পেতে হচ্ছে?
👉তখন যমরাজ বললেন,এক ঝড়বৃষ্টির রাতে এক বৈষ্ণব তোমার ঘরের দরজায় এসে দাড়িয়েছিল,তুমি তাকে ঘরের ভিতরে এনে চেয়ারে বসিয়েছিলে।
তার জন্য তুমি মানব জনম পাবে।তখন কটাল বললো আমি তো তাকে খেতে দেইনি,আর খাওয়া তো দুরের কথা আমি তো তাকে পাখার একটা হাওয়াও করিনি।
কটাল বললো তাহলে সুযোগ যখন পেয়েছি,আগে মানব জন্ম নিবো।
কিন্তু আমার একটা আবদার আছে।
👉যমরাজ বললো কী?
আমায় এই আর্শীবাদ করুন,আমি জন্ম নেওয়ার পরে যেনো আমার ভিতর আত্মজ্ঞান প্রকাশ পায়,যেনো আমি বৈষ্ণব দেখে কোন নিন্দা না করি,বৈষ্ণবদের সম্মানের সহিত যেনো ভক্তিভরে সেবা করতে পারি।
যমরাজ তখন কটালকে তথাস্তু দিয়ে দিলেন,এই দেখুন যমরাজ ছিলেন চারজন মহাজনের মধ্যে একজন,তারঁ কথার অনেক মূল্য আছে।
আর কটাল যেহেতু বিষ্ণুভক্ত সেবা দিতে চাইছে,এখানে কোন বাধাঁ দিতে পারেনা।
কৃষ্ণ বলেছেন যদি কেউ ঘরে বসে মনে মনে আমার নাম জপ করে,আমি তৎক্ষণাৎ তার হৃদয়ে বাস করি।
আবার দেখেন কেউ যদি মৃত্যু সময় বিষ্ণুদূতের চরণে নমস্কার জানাতে পারেন,তার আয়ু তৎক্ষণাৎ বৃদ্ধি পায়।
কিন্তু এই সুযোগ কে পাবে,পেয়েছিল একমাত্র অজামিল।
পৃথিবীতে একবারই বিষ্ণুদূত আর যমদূতের মাঝে মারপিট হয়,অজামিলকে নিয়ে।
আবার কটাল যখন জন্ম নিলেন সেখানে সে বৈষ্ণব সেবা শুরু করলেন,আর কটাল যতবার বৈষ্ণব সেবা দেয়,ঠিক ততবার একটা একটা করে তার পাপ ক্ষয় হয়।
ক্ষয় হতে হতে একদিন দেখা গেলো,তার সব পাপ ক্ষয় হয়ে গেছে।
👉এরপর তার পূণ্যফল শুরু হলো।
শেষে এত পূণ্যফল হলো,কটালের মৃত্যুর পর বিষ্ণুদূতেরা রথ এনে কটালকে সম্মানের সাথে বিষ্ণুলোকে নিয়ে গেলো।
এই হলো সংক্ষেপে বৈষ্ণব সেবার ফল
পৃথিবীর শ্রেষ্ঠসেবা বৈষ্ণব সেবা।
শ্রেষ্ঠ নাম কৃষ্ণ নাম। ❤️
পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সঙ্গ সাধুসঙ্গ। ❤️
শ্রেষ্ঠ মন্ত্র হরেকৃষ্ণ মহামন্ত্র। ❤️❤️
🙏হরিবোল🙏
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ, কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম, রাম রাম হরে হরে।।
( Collected )

আজ ভগবান শ্রীবিষ্ণুর ৫ম অবতার : বামনদেব- এঁর শুভ আবির্ভাব তিথি।।ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের দ্বাদশী তিথিতে বামনদেবের আবির্ভা...
07/09/2022

আজ ভগবান শ্রীবিষ্ণুর ৫ম অবতার : বামনদেব- এঁর শুভ আবির্ভাব তিথি।।

ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের দ্বাদশী তিথিতে বামনদেবের আবির্ভাব। ভগবান বিষ্ণু এই বামন দ্বাদশী তিথিতে বামন অবতার রূপে আবির্ভূত হয়েছিলেন।

হিরণ্যকশিপু বধের পর প্রহ্লাদ অসুরকূলের রাজা হয়েছিলেন। এরপর তাঁর পুত্র বিরোচন ও তারপর বিরোচনের পুত্র বলি অসুর সম্রাট হন। বলি রাজা হিসাবে খুবুই ধার্মিক, প্রজাহিতৈষী, দাতা ছিলেন। কিন্তু জাতের স্বভাব ও অসুর গুরু শুক্রাচার্য্যের কুমন্ত্রণার কারণে তিনি বারংবার দেবতাদের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হন।

অপরদিকে দেবতাদিগের মাতা তথা কশ্যপপত্নী অদিতি দেবতাদের দুর্দশা দেখে ভগবান হরির আরাধনা করেন। ভগবান হরি দেবমাতা অদিতির পুত্র রূপে আবির্ভূত হন। পাঁচ বছর বয়সে মহর্ষি কশ্যপ তাঁর এই পুত্রের মেধা দেখে গায়ত্রী মন্ত্রে দীক্ষা দান করলেন। সেই শিশু বয়ঃপ্রাপ্ত হলেও তাঁর দেহ খর্ব ও পাঁচ বছরের শিশুর মতোই হয়ে থাকলো। তাই তিনি ‘বামন’ নামে পরিচিত হলেন।

নর্মদা নদীর তীরে ভৃগুকচ্ছ নামক এক স্থানে মহারাজ বলি দেবতাদের সম্পূর্ণ রূপে পরাজিত করবার জন্য এক যজ্ঞের আয়োজন করেন। দৈত্যগুরু শুক্র ছিলেন সেই যজ্ঞের পরিচালক। সেখানে বেদজ্ঞ, শাস্ত্রজ্ঞ ব্রাহ্মণ, দরিদ্র সকলেই এসে স্বীয় ইচ্ছা মতো দান নিয়ে বলিকে আশীর্বাদ দিতে লাগলেন। মহারাজ বলি কার্পণ্য না করে সকলের ইস্পিত বস্তু দান করতে লাগলেন।

সেই সময় হরির অবতার ভগবান বামনদেব একটি ছাতা মাথায় উপস্থিত হলেন। মহারাজ বলি সাদরে স্বাগত জানালেন, চরণ ধুয়ে আসন, ভোজোন দিলেন। ভগবান বামনদেবকে বন্দনা পূর্বক বলি মহারাজ দান নিতে অনুরোধ জানালেন।
অপরদিকে শুক্র বুঝতে পারলো যে ভগবান হরি বামন রূপে এসেছেন। তিনি বলিকে দান দিতে নিষেধ করলেন। বামন দেব কেবল ত্রিপাদ ভূমি চাইলেন। দান দেওয়ার সঙ্কল্পের সময় অসুর গুরু শুক্র যোগবলে ক্ষুদ্র তনু ধারন করে কুমণ্ডলের ছিদ্র রোধ করলে বামনদেব অঙ্কুশ দ্বারা ছিদ্রমুখ পরিষ্কার করার সময় শুক্রের এক চোখ নষ্ট হয়। বলি রাজা ত্রিপাদ ভূমি দান দিলেন। বলির গুরুদেব শুক্র তাকে অভিশাপ দিয়ে প্রস্থান করলেন।

এরপর খর্ব ভগবান বামনদেবের শরীরের পরিবর্তন হলো। এক চরণ দ্বারা তিনি সমস্ত আকাশ ব্যাপ্ত করলেন। প্রজাপতি ব্রহ্মা পবিত্র বারিধারা দ্বারা সেই চরণ অভিষেক করলেন, অপর চরণ দ্বারা পৃথিবী আবৃত্ত করলেন। আর এক চরণ কোথায় রাখবেন ? বলি মহারাজ ভগবান বামনদেবের সামনে করজোড়ে বসে নিজ মস্তকে এক চরণ রাখতে বললেন। ভগবান বামনদেব তাঁর তৃতীয় চরণ বলি মহারাজের মস্তকে রাখলেন।

বলি মহারাজকে বরপ্রদান করলেন - “তুমি অসুরদের নিকেতন পাতালপুরীতে আজ থেকে থাকবে। আজ থেকে তুমি অমর হবে। আজ হইতে আমি তোমার রাজ্যের দ্বার রক্ষা করবো।” বলি মহারাজ তাঁর শরণাগতি ভক্তি দ্বারা ভগবান শ্রীহরির পরম দুর্লভ শ্রীচরণ লাভ করেছিলেন। বলির দর্প হরণ করে ভগবান বামনদেব শান্তি ও ধর্ম বাণী প্রচার করলেন। এর ফলে অসুরেরা তাদের আসুরিক প্রবৃত্তি ত্যাগ করে ধর্ম পথ গ্রহণ করলো। (Courtesy: একাদশী বার্তা)

19/08/2022

হরে কৃষ্ণ,
আজকে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ৫২৪৮ শুভ জন্মাষ্টমী তিথীতে জন্মাষ্টমী ব্রত মাহাত্ম্য ‍শ্রবণ করুন।

হরে কৃষ্ণ।  আগামী ১৯শে আগষ্ট ২০২২, ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শুভ আবির্ভাব তিথি বা জন্মাষ্টমী। জন্মাষ্টমী ব্রত পালনের নিয়মঃ১। জন্...
18/08/2022

হরে কৃষ্ণ। আগামী ১৯শে আগষ্ট ২০২২, ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শুভ আবির্ভাব তিথি বা জন্মাষ্টমী।

জন্মাষ্টমী ব্রত পালনের নিয়মঃ

১। জন্মাষ্টমীর আগের দিন নিরমিষ অন্ন খেয়ে সংযম পালন করতে হবে এবং রাত ১২টার মধ্যে খেয়ে নিতে হবে। ঘুমনোর আগে অবশ্যই ভাল করে মুখ ধুয়ে ঘুমতে হবে।
২। জন্মাষ্টমীর দিন সকাল থেকে মধ্য রাত্রি পর্যন্ত উপবাস এবং জাগরণ। উপবাস থেকে হরিনাম জপ, কৃষ্ণ লীলা শ্রবণ, ভগবানকে দর্শন, ভক্ত সঙ্গে হরিনাম কীর্তন, অভিষেক দর্শন করতে হবে এবং ভগবানকে অভিষেক করে একাদশীর দিনের মতো অনুকল্প প্রসাদ সেবন করতে হবে।

৩। তবে যাঁদের উপবাস পালনে সমস্যা, অসুস্থ, তাঁরা অবশ্যই দুপুর ১২ টার পরে একটু দুধ, বা ফল খেতে পারবেন। তবে এই ব্রতে একাদশীর মতোই অন্ন-সহ পঞ্চ রবি শস্য খাবার বিধান নেই।
৪। জন্মাষ্টমীর পরের দিন সকালে স্নান করা শেষে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পারণ মন্ত্র পাঠ করে শ্রীকৃষ্ণের প্রসাদ দিয়ে পারণ করবেন।

Address

Mayapur

Opening Hours

9am - 5pm
6pm - 7pm

Telephone

+8801939205937

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Subrato Krshna Das posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Subrato Krshna Das:

Share