16/05/2025
পলাশ সাহ মরে গেলো 😭😭😭
কিন্তু তার মতো হাজার ছেলের গল্প থেকে যাবে।
"মা তো ভালোবাসার জিনিসই, মাকে তো সন্তান ভালোবাসবেই।
কিন্তু ছোট থেকে বড় হয়ে উঠা বিয়ের আগে পর্যন্ত ছেলের কাছে যতটা সময় পাবে মা, বিয়ের পর কিন্তু ততটা পাবেনা -- আর মা এটা বোঝতে হবে, মেনে নিতে হবে।।
বিয়ের পর ছেলের দেখাশোনার দায়িত্বটা বউয়ের হাতে তুলে দিতে শিখতে হবে।
একটা মেয়ে তার স্বামীকে একটা ছোট বাচ্চার মত করে care করতে ভালোবাসে -- কিন্তু স্বামীকে যদি টাইম টু টাইম আলাদা করে কাছে না পায় মেয়েটা একাকীত্ব হয়ে পরে।।
একটা মেয়ের জীবনে স্বামীর চাইতে বেশি আর কিছু নাই
বিয়ের পর ছেলে বউয়ের কাছে সুখ খুজবেই,,,
মায়ের ভালোবাসা তো মায়ের জায়গায়ই থাকবে, বউয়ের সাথে কখনো মায়ের তুলনা হয়না।
ছেলে - ছেলের বউ দুজন দুজনকে অনেক প্রায়োরিটি দিচ্ছে,
দুজন দুজনকে অনেক কেয়ার করছে,
দুজন দুজনকে অনেক টাইম দিচ্ছে,
দুজন দুজনার সাথে প্রায় লেগেই আছে
--এটা দেখে মায়ের মনে সতীনের মতো হিংসা-জ্বালাপোড়া না করে,
দুজনার টাইম থেকে কিছু টাইম ভাগ না চেয়ে,
দুজনার মধ্যে বিবাদ সৃষ্টি করার চিন্তা না করে, কিংবা বউয়ের পিছে উঠে পরে না লেগে,,,
একজন মা হিসাবে মায়ের খুশি হওয়া উচিৎ এটা ভেবে যে আমার ছেলে অনেক সুখে আছে"
সমাজ কবে বুঝবে — সংসার মানে ভালোবাসা। আধিপত্যের লড়ায়।
‘বউ খারাপ’ এই ডায়লগ দিতে দিতে ছেলেকে মেরে ফেললেন মা।
কিছু বলার আছে সমাজের?
পলাশ সাহের মতো কত ছেলে যে আজও মরছে… কেউ দেখে না।
একটা ছেলে বিয়ে করলেই তার জীবন বদলে যায়।
বউ আসে, সংসার আসে।
কিন্তু এই সমাজের কিছু মা — এটা মেনে নিতে পারেন না।
বউ এলে নাকি ছেলেটা বদলে যাবে।
ছেলের সুখের সংসারে নাকি তার জায়গা কমবে।
এই ভুল মানসিকতা থেকেই সংসারে অশান্তি।
বউকে হেয় করা।
ছেলেকে চাপ দেওয়া।
আর একসময় ছেলে সিদ্ধান্ত নেয় — এই দুনিয়া ছেড়ে চলে যাওয়ার।
পলাশ সাহ চলে গেলো।
কিন্তু সমাজ কি শুধরাবে?
মা যদি সত্যি ভালোবাসেন, তবে ছেলের সুখ চাইবেন।
না হলে নিজের অহংকারে সন্তান হারানোর কষ্টটা সারা জীবন বয়ে বেড়াতে হবে।
মা, ছেলের সুখ যদি দেখতে না পারো — তবে বিয়ে দাও কেন?
বিয়ে দিলে ছেলেটার নিজের একটা সংসার হবে।
নিজের মতো করে বাঁচবে।
সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি করবে বউয়ের সাথে।
কিন্তু কিছু মা এতটা আধিপত্য দেখান,
বউকে সহ্য করতে পারেন না।
ছেলেকে দোষ দেয়।
অশান্তি তৈরি করে।