RSL ashram

Directions Website

RSL ashram আমাদের জীবনে চলার পথে পাথেয় হল গীতা অর্থাত্
জীবন সংগীত |সেই সংগীত কেমন হওয়া উচিত ?

29/01/2025

শুভ দুপুর বন্ধুরা 🥰

⭕আমাদের দেশ ভারত যেখানে *সম্রাট অশোক* এর সিম্বল ছাড়া দেশ অচল কিন্তু তার জন্মবার্ষিকী, মৃত্যুবার্ষিকী কিছুই পালিত হয় না...
20/04/2024

⭕আমাদের দেশ ভারত যেখানে *সম্রাট অশোক* এর সিম্বল ছাড়া দেশ অচল কিন্তু তার জন্মবার্ষিকী, মৃত্যুবার্ষিকী কিছুই পালিত হয় না❗😥
সম্রাটের নামের সাথে সারা বিশ্বের ইতিহাসবিদরা *"মহান"* শব্দটি লাগান‼️

🛑 যে সম্রাটের রাজকীয় প্রতীক *"অশোক চক্র"* ভারতীয়রা তাদের পতাকায় রাখে‼️

🛑 সম্রাট যার রাষ্ট্রীয় প্রতীক *"চারমুখী সিংহ"* ভারতীয় জাতীয় প্রতীক হিসাবে বিবেচিত হয় এবং সরকার পরিচালনা করে❗

🛑 যে দেশের সেনাবাহিনীর সর্বোচ্চ যুদ্ধ সম্মান সম্রাট অশোকের নামে *"অশোক চক্র"* দেওয়া হয়‼️

🛑 সম্রাটের আগে বা পরে এমন কোন রাজা বা সম্রাট ছিলেন না, যিনি *"অখন্ড ভারত"* (যেটি আজকের নেপাল, বাংলাদেশসহ, সমগ্র ভারত, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান) এর মতো বিশাল ভূখণ্ডের উপর এক ছত্রে শাসন করেছেন‼️

🛑 সম্রাট অশোকের সময়ে 23টি বিশ্ব বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। যার মধ্যে তক্ষশীলা, নালন্দা, বিক্রমশীলা, কান্দাহার প্রভৃতি বিদ্যালয় ছিল বিশিষ্ট।
এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদেশ থেকে শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষার জন্য ভারতে আসত❗

🛑 যে সম্রাটের রাজত্বকালকে বিশ্বের বুদ্ধিজীবী ও ইতিহাসবিদরা ভারতীয় ইতিহাসের স্বর্ণযুগ বলে মনে করেন‼️

🛑 সম্রাটের আমলে "ভারত বিশ্বের গুরু, সোনার চিড়িয়া" ছিল, "মানুষ সুখী ও বৈষম্যহীন" ছিল‼️

🛑 সম্রাটের আমলে *"Grand Trunk Road"* এর মত বিখ্যাত হাইওয়ে রোড নির্মিত হয়েছিল, মধ্য দিল্লি তে যা আকবর রোড নামে পরিচিত, 2,000 কিমি দীর্ঘ, দুই পাশে গাছ লাগানো হয়েছিল, সরাইখানা নির্মিত হয়েছিল। প্রথমবারের মতো, মানুষের পশুদের জন্যও মানব হাসপাতাল খোলা হয়েছিল, পশু হত্যা বন্ধ হয়েছিল❗

🛑 এমন একজন মহান সম্রাট অশোক, যার জন্মবার্ষিকী তার নিজের দেশ ভারতে পালিত হয় না‼️

🛑 এটা দুঃখজনক যে নাগরিকদের এই জন্মবার্ষিকী উদযাপন করা উচিত তাদের নিজেদের ইতিহাস ভুলে গেছে, এবং তারা জানে এবং তারা জানে না কেন তারা উদযাপন করতে চায় না‼️

🛑 *সম্রাট অশোক*

জন্ম - 14 এপ্রিল
জন্ম সাল - 302 বিসি
রাজ্যাভিষেক - 268 বিসি
মৃত্যু - 232 বিসি
পিতার নাম - বিন্দুসার
মায়ের নাম - সুভদ্রাণী

সকলকে অনুরোধ, আসুন প্রতিবছর 14 এপ্রিল সম্রাট অশোকের জন্মদিন শ্রদ্ধা এবং উৎসাহের সাথে উদযাপন করার চেষ্টা করি।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏

প্রসঙ্গ: মণিপুর বাপ্পাদিত্য পাণ্ডেদুটো উলঙ্গ নারী, প্রাণ ভয়ে ছুটছে । যৌনাঙ্গ থেকে ঝরছে রক্ত  ।  সেটাও হাত দিয়ে ঢাকার ব...
22/07/2023

প্রসঙ্গ: মণিপুর
বাপ্পাদিত্য পাণ্ডে

দুটো উলঙ্গ নারী, প্রাণ ভয়ে ছুটছে । যৌনাঙ্গ থেকে ঝরছে রক্ত । সেটাও হাত দিয়ে ঢাকার ব্যার্থ প্রয়াস । সাথে ছুটছে নারীকে বধ করা কিছু যুবকের উল্লাস । কিছু মানুষ ব্যস্ত তাদের উলঙ্গ যৌবন ক্যামেরাবন্দী করতে । ঘটনা - একবিংশ শতকের মণিপুর।

শুধু ভারত বা মণিপুর নয়, ইতিহাস ঘাঁটলে সেই অনাদিকালের থেকে একই ছবি পাওয়া যাবে । মহাভারতে আমরা দ্রৌপদীর বস্ত্র হরণ দেখেছি । সব রথী মহারথী সেদিনও রাজ শাসনের কাছে নীরব ছিল । সেই একই ঘটনা । উন্মত্ত দুর্যোধনের দল দ্রৌপদীর নগ্নতা মাখতে ব্যস্ত ।

আজকেও তাই । ব্যতিক্রম একটাই । সেদিনের নারীর অবমাননা সৃষ্টি করেছিল কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের । আবার সীতা হরণকারী রাবণ সহ স্বর্ণ লঙ্কা শেষ হয়েছিল রামচন্দ্রের কাছে । আজ সেই প্রেক্ষাপট কই ? আজ যত না অপরাধীদের ধরার জন্য প্রতিবাদ হচ্ছে তার থেকেও রাজনৈতিক ফায়দা ওঠানোর চেষ্টা চলছে । আজকেও সেই রাজ শক্তির আড়ালে বন্দী সবাই । মুখ খোলা যাবে না । মণিপুর আজ দীর্ঘ কয়েক দশক অশান্ত। তদানীন্তন ও বর্তমান কেন্দ্র সরকার উভয়েই এতে অনেকটাই দর্শকের ভূমিকাতে আছে এটাও সত্য । তবে রাজনীতি করার আগে প্রকৃত অপরাধীদের শাস্তির দাবী বেশি জোরদার হওয়া দরকার। শুনলাম গতকাল নাকি অভিযুক্তদের বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে । এই গণরোষ কোথায় ছিল যখন তাদের নগ্ন করে দৌড়ানো হচ্ছিল !

শুধু কি মণিপুর ? এই রাজ্যে এমন হয় নি ? উদাহরণ দিচ্ছি না । আমরা শিশু কন্যাকেও ধর্ষণের খবর পাই । তার যন্ত্রণা কি ওই উলঙ্গ নারীর থেকে কম ! মণিপুরে দেরিতে হলেও ব্যবস্থা হচ্ছে । এরাজ্যের মতো তুচ্ছ ঘটনা, বিরোধীদের চক্রান্ত বলে চালানো হয় নি । যদিও নিরপেক্ষ ভাবে বিচার করলে কেন্দ্রের এই প্রতিশ্রুতিও কিন্ত পরিস্থিতি শান্ত করার কৌশল । আমাদের আইন এ থাকলেও নির্ভয়া কাণ্ডের পর আর কারও চরম শাস্তি হয় নি । অথচ নির্ভয়া কাণ্ডের থেকেও নৃশংস ঘটনা ঘটে দিন দিন বেড়ে চলেছে ।

মণিপুরের এই ঘটনা বারে বারে ঘটবে যদি না রাজনৈতিক আখের গোছানো থেকে ফিরে আসা হয় । মণিপুর থেকে পশ্চিমবঙ্গ -- একই ছবি । বিজেপি শাস্তিত রাজ্যে হলে তৃণমূল চিৎকার করে , তৃণমূলের রাজ্যে হলে বিজেপি চিৎকার করে । অপরাধী বহাল তবিয়তে থাকে । মণিপুরের ঘটনাও স্তিমিত হয়ে যাবে । যেখানে প্রামাণ্য ভিডিও ফুটেজ আছে তবু বিচার চলবে দীর্ঘ কয়েক দশক । এটাই বাস্তব ।

এখন শ্রীকৃষ্ণ বা রামচন্দ্রের আদর্শের অভাব এই ভারতে । সেই আদর্শিত যুবক যতদিন না জাগ্রত হয় চলবে এই জোর পূর্বক নগ্ন নারী শরীর ঘিরে উল্লাস । আর নারী আজও দ্রৌপদী বা কালীর মতো জাগ্রত হতে পারে নি । মেকি স্বাধীনতার আড়ালে হারিয়ে গেছে সেই শক্তি ।

রাজনৈতিক নেতারা শুধু কৌশল করে যাবে । তাই প্রতিবাদে এগিয়ে আসতে হবে সাধারণ মানুষকেই - কোন রাজনৈতিক আশ্রয় ছাড়া । তীব্র প্রতিবাদ সহ দ্রুত শাস্তির দাবীতে লড়াই হবে । সাথে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের কাছে অনুরোধ মানুষ অনেক আশা নিয়ে একটু শান্তিতে বাঁচার জন্য আপনাদের হাতে শাসন ভার তুলে দিয়েছে । রাজনৈতিক বিরোধিতা থাক, কিন্ত চরম অপরাধকে আড়াল করে নয় । না হলে সারা দেশে বাড়বে রক্তাক্ত যৌনাঙ্গে নারীর দুর্দশা ।

সত্য প্রচারে নির্ভীক যোগ্য 🚩🚩
06/06/2023

সত্য প্রচারে নির্ভীক যোগ্য 🚩🚩

10/03/2023

' *❈ রাধাকৃষ্ণ মিলিত হয়ে*
*গৌর হল কেন?*
*❈ রাধা ও কৃষ্ণের মধ্যে*
*সম্পর্ক কি...?*
‌ ❏❖❏❖❏❖❏❖❏❖❏
🌸 একবার ললিতা বিশাখাদি সখীরা কৃষ্ণের সঙ্গে রাধারাণীর অভিসার করিয়ে যুগলমিলন করালো! তারপর রাধা ও কৃষ্ণ নানা বর্ণের পুষ্প দ্বারা সুসজ্জিত কুঞ্জে বসে পরস্পর প্রেমালাপ করতে করতে রাধা বলল── "আজ আমি যমুনাতে স্নান করতে যাচ্ছিলাম, তো তুমি আমাকে এখানে কেন ডেকে পাঠালে?"
🌿কৃষ্ণ বলল──"তোমাক দেখতে খুব মন চাইছিল তাই!"
🌸রাধা── "তুমি খুব দুষ্টু!দোলের সময় তুমি এমন দুষ্টুমি করছিলে সব্বাই দেখছিল, বলো! এমন দুষ্টুমি কেউ করে নাকি!!"
🌿কৃষ্ণ── "হ্যাঁআআআ!!!"
🌸রাধা── "কেএএএ!!!!!"
🌿কৃষ্ণ── "যে দুষ্টু সেএএএ!!"
🌸রাধা মুখ বেঁকিয়ে বলল── "হুঁ!!!"
🌿কৃষ্ণ── "এক্ষুনি তুমিই তো বললে আমি খুব দুষ্টু!!"
🌸রাধা── "হুঁ, ঠিকই তো!!"
🌿কৃষ্ণ── "আচ্ছা একটা কথা বলো- তোমার আমার দুষ্টুমি ভালো লেগেছে!!!"
🌸রাধা মুচকি হেসে বলল── "ভালো তো লেগেছে, কিন্তু!!!!
🌿কৃষ্ণ── "ভালো যদি লেগেছে তো মাঝখানে আবার কিন্তু কেন? আমার মন আমার কানে কানে বলল-কৃষ্ণ!তুই তাই কর্,যা রাধার মনকে খুশি করে!ব্যস!কৃষ্ণ তাই করেছে যা দুজনের মনকে খুশি করে!"
🌸রাধা── "দুজনের তো ভালো লেগেছে কিন্তু সমাজ কি বলবে?"
🌿কৃষ্ণ── "কৃষ্ণের সমাজের কোনও চিন্তা নেই!ব্যস! ওর রাধা খুশি হয়,তো কৃষ্ণের সমাজের কাউকে ভয় নেই!"

🌸রাধা মুচকি হেসে বলল── "এই কথা এত সহজভাবে কেবল কৃষ্ণই বলতে পারে!কারণ সে পুরুষ! রাধা নয়!"
🌿কৃষ্ণ── "কেন বলতে পারো না!!আমি তো ভেবেছিলাম কৃষ্ণ আর রাধার মধ্যে কোনও অন্তরই(ভেদ) নেই!তবে রাধা এই কথা কেন বলতে পারে না? বলোনা!!কেন বলতে পারে না!!"

🌸রাধা মুচকি হেসে বলল── "তুমি রাধা হতে তো এই কেন'র উত্তর স্বয়ংই জেনে যেতে! কখনও কখনও চিন্তা করি যদি আমি কৃষ্ণ হতাম, আর তুমি হতে রাধা, তো কত ভালো হত!!"
🌿কৃষ্ণ মুচকি হেসে বলল── "তবে কি হত!"

🌸রাধা── "তবেএএ! আমি তোমার মতো মুচকি হাসতাম আর তুমি রাধার মতো ছটফট করতে!"
🌿কৃষ্ণ── "সে তোমার ভালো লাগত?"
🌸রাধা── "হ্যাঁ!!খুব ভালো লাগত!!
🌿কৃষ্ণ── "আচ্ছা বেশ! তবে আমি রাধার রূপ ধরছি আর তুমি কৃষ্ণের রূপ ধরো!"

🌸রাধা── "তুমি রাধার রূপ ধরবে??"
🌿 কৃষ্ণ── "হ্যাঁআ!!কেন নয়?"
🌸 রাধা── কি করে?
🌿 কৃষ্ণ── "এতে কি মুসকিল আছে? একটা ঘাগরা কাঁচুলি পরতে হয়, আর চাদর জড়িয়ে নিতে হয়! ব্যস!!হয়ে যাব আমি পুরো রাধা! আর তুমি আমার ময়ূর-মুকুট পরে নাও, আর কৃষ্ণ হয়ে যাও!"

🌸 রাধা── "সত্যিই হবে রাধা!!"
🌿 কৃষ্ণ── "হ্যাঁ, কেন নয়?"
রাধা মুচকি হেসে বলল--"তো এসো! আজ আমি তোমাকে রাধাই সাজাবো! নাও! এই ঘাগরা পরে নাও!"

কৃষ্ণ তখন রাধার যমুনায় স্নান করতে যাওয়ার জন্য যে ঘাগরাটা ছিল ওটা নিয়ে পরার চেষ্টা করল! কিন্তু পারছিল না!
🌸 রাধা হাসতে হাসতে বলল── "ও আনাড়ী! ওভাবে নয়, ওটা উপর থেকে পরতে হয়।"

🌿 কৃষ্ণ── "তো দেখাও কি করে পরতে হয়!
🌸 রাধা── "(মুচকি হেসে) হ্যাঁ দেখাচ্ছি!"
🌿 এইবার কৃষ্ণ তার ময়ূর-মুকুটটা রাধার মাথায় পরিয়ে দিয়ে বলল── "এইবার তুমি পুরো কৃষ্ণ হয়ে গেলে! আমাকে রাধা সাজিয়ে দাও!" তারপর রাধা ঘাগরা কাঁচুলী পরিয়ে ওড়নাটা কৃষ্ণের মাথায় দিয়ে দিয়ে মুচকি হাসতে লাগল!

🌿 কৃষ্ণ ঘোমটা দিয়ে লাজুক চোখে রাধার দিকে মুচকি হেসে বলল── "নাও! হয়ে গেছি না পুরো রাধা!!
🌸 রাধা── "উঁহুঁ!!পুরো নয়! এ তো শুধু রাধার বাইরের রূপ ধরেছো তুমি!যখন পুরো রাধা হবে তখন এই মুচকি হাসির পিছনে প্রেমের পীড়ার অশ্রু ঝরতে থাকবে! এখন তোমার কাছে রাধার হৃদয় নেই, আর রাধার হৃদয়ে কৃষ্ণের জন্য যে প্রেম আছে, ওসব কোথায় এই নকল রাধার মধ্যে?কখনও কখনও ভাবি তোমার উপর আমার প্রেমের যে ঋণ আছে তা তুমি কখনোই শোধ করতে পারবে না।তুমি আমার কাছে চিরঋণী আর সদা ঋণীই থাকবে!"

🌿 কৃষ্ণ── "বাঃ!!কথায় ভুলিয়ে তুমি আমার তোমার চিরঋণী করিয়ে দিলে!!"
🌸 রাধা── "কেবল কথায় ভুলিয়ে নয়,সত্যি সত্যিই তুমি আমার চিরঋণী!আমার প্রেমের ঋণ আছে তোমার উপর,যাকে তুমি কখনোই শোধ করতে পারবে না!"

🌿 কৃষ্ণ── "কেন শোধ করতে পারব না?"
🌸 রাধা── "তোমার মোহের বন্ধন নেই যে! না কাউকে মোহ কর, না কাউকে প্রেম! তাই 'প্রেম' যে এক গভীর পীড়া, তা তুমি বোঝই না!কারও সঙ্গে প্রেম করলে তবেই তো বুঝতে পারবে, না!!!"
🌿 কৃষ্ণ──"কিন্তু আমি কার সঙ্গে প্রেম করব?

🌸 রাধা বিষন্ন বদনে বলল── "কেন!কেউ তোমার প্রেমের যোগ্য নয়?
🌿 কৃষ্ণ──"না!!!"
🌸 রাধা── "আমিও না?"
🌿 কৃষ্ণ──না!!
🌸 রাধা অত্যন্ত অবাক ও বিষন্ন হয়ে বলল──"আমিও না?? বলো না!!আমিও না?"
🌿 কৃষ্ণ──"দেখো রাধে!'প্রেম' কোনও অন্যের সাথে করা যায়!আমাদের মধ্যে অন্য জন কে?আমরা দুজন তো একই! আমি সর্বশক্তিমান পরমেশ্বর, আর তুমি আমার সর্বশক্তির সমূহ,মূল প্রাকৃতিক পরমেশ্বরী! যেমন আত্মা বিনা শরীর মৃত হয়ে থাকে,তেমনি শরীর বিনা আত্মাকেও দেখা যায় না! তাই আমি বিনা তুমি নির্জীব, আর তুমি বিনা আমি অদৃশ্য! আত্মা আর শরীরের একতা বিনা এই সৃষ্টি কি করে চলতে পারে?"

🌸 রাধা──"এমন মনে হচ্ছে, তুমি তোমার শব্দের জালে জড়াতে চাইছো! তোমার মায়ায় ভ্রমিত করছ!"
🌿 কৃষ্ণ── "না রাধে! দেখো এই সৃষ্টিকে!এর মধ্যে অনন্ত অনন্ত ব্রহ্মাণ্ড ভাঙতে, গড়তে আর বিলীন হতে থাকে। এই জগতে আমি স্বয়ং নিজে নিজেকে কখনও ব্যক্ত, কখনও তিরোহিত ক'রে আপন লীলার আনন্দ পেয়ে থাকি! ভালো মন্দ সব প্রাণীর মধ্যে স্বয়ং আমিই তো আছি!মারার লোকও আমি আর মরার লোকও আমি! মাতাও আমি, পুত্রও আমি! যোগীও আমি, ভোগীও আমি!কৃষ্ণ আমি আর রাধা, রাধাও আমিই!আমরা একে অপরের থেকে পৃথক নই! ফুল আর সুগন্ধের ন্যায় একে অপরের থেকে অবিচ্ছেদ্য, যেমন সূর্য আর তার তেজ, জল আর তার লহরী,একে অপরের থেকে ভিন্ন হয়না,তেমনি কৃষ্ণ আর রাধা একে অপরের থেকে ভিন্ন নয়!তা যখন অন্য কেউ নেই তো আমি প্রেম কার সঙ্গে করি!

🌸 রাধা── যদি তোমার এই দর্শন সত্য হয়, তবে আমার তোমার সঙ্গে এত প্রেম কেন? আমার হৃদয়ে ঐ প্রেমের জন্য এই ব্যাকুলতা কেন যে আমার এক মুহুর্তও ঐ বিরহ সহ্য হয়না!(কৃষ্ণ মৃদু হাসল) তুমি আমার কথায় যতই মৃদু হাসো, কিন্তু এটা ভুলবে না যে আমার প্রাণ দিয়েই তোমার শরীর রূপ নিয়েছে! আমার মন দিয়ে তোমার এই চরণকমল রূপ নিয়েছে!আর এই যে তোমার মুরলী,সে তো আমারই শরীর, তাই না!!"

🌿 কৃষ্ণ──"এ আমি কি করে ভুলতে পারি রাধে!কিন্তু আমি যে তোমার সমস্ত পীড়া আর শোককে নাশ করার আধ্যাত্মিক তত্ত্ব বলছি তা তুমি কেন শুনছো না? দেখো রাধে! সব আধেয়র এক আধার আছে, যেমন ফলের আধার ফুল হয়, ফুলের আধার পাতা, পাতার আধার বৃক্ষ হয়, আর বৃক্ষের আধার বীজ হয়! সেই প্রকার সারা ব্রহ্মাণ্ডের আধার আমি! আর আমার আধার তুমি রাধে! কেননা, আমি নিত্যই তোমাতে স্থিত! কিন্তু তুমি আমার আধারিনী শক্তি হওয়া সত্ত্বেও, আপন মায়ার ভ্রমে জড়িয়ে কখনও ভক্তদের, কখনও গোপীদের ঈর্ষা করতে থাকো, যখন কিনা আমি সব গোপীদের মধ্যেই কেবল রাধাকেই দেখি!"
"দেখো রাধে! এই সৃষ্টির মধ্যে যেখানে কোথাও যেকোন যোনি অথবা যেকোন রূপে যখন দুই প্রেমের মিলন হয়, ওরা আর কেউ নয়, স্বয়ং রাধা আর কৃষ্ণ হয়!এই তত্ত্বকে বুঝে নিয়ে আপন লীলার আনন্দ নাও!আর আমার মতো মায়া থেকে দূরে থেকে মায়ার খেলা দেখতে থাকো!"

🌸 রাধা──"মায়ার খেলা!!তুমি এই বলতে চাও যে, মায়ার কোনও তথ্য নেই?ও সব মিথ্যা?"
🌿 কৃষ্ণ──"আমি এও বলিনি যে মায়া সর্বদাই মিথ্যা হয়! যেমন স্বপ্ন সত্যি হয় না, কিন্তু স্বপ্নের একটা অস্তিত্ব তো আছে!তাই তা সম্পূর্ণ মিথ্যাও নয়! সেই প্রকার মায়াও, ও সত্য নয়, কিন্তু আবার সম্পূর্ণ মিথ্যাও নয়! তাই আমি একে খেলা বলেছি!"

🌸 রাধা──"তোমার মায়া মিথ্যা হতে পারে, সত্য হতে পারে,অথবা খেলা হতে পারে, কিছুই হতে পারে!কিন্তু যাকে 'প্রেম' বলে সে তো না খেলা,না মিথ্যা, তা তো পরম সত্য!😭 আর তাই তোমার জগতের আধার এই সত্যকে খণ্ডন করার জন্য কি তোমার কাছে কোনও যুক্তি আছে?
🌿 কৃষ্ণ──না রাধে!!

🌸 রাধা──"ঠিক বলেছ তুমি!যদি প্রেম সত্য নয়, তো ভক্তি সত্য নয়, আর যদি ভক্তি সত্য নয় তো ভগবানও সত্য নয়!"
🌿 কৃষ্ণ──"হ্যাঁ রাধে! তোমার এই তর্কের আমার কাছে কোনও উত্তর নেই! আমি হেরে গেছি রাধে!

🌸 রাধা──(মুচকি হেসে) "তো ভগবান হার মেনে নিলেন?"
🌿 কৃষ্ণ──"হ্যাঁ!!প্রেমের কাছেই তো ভগবান হেরে যান!তাই সদা ভক্তিরই জিৎ হয়!"

🌸 রাধা──"তবে স্থির হয়ে গেছে যে, তুমি আমার প্রেমের ঋণী,আর সদাই ঋণী থাকবে"
🌿 কৃষ্ণ──"এই ঋণ শোধ করার কোনও রাস্তা আছে?"
🌸 রাধা──"হ্যাঁ!!একটা রাস্তা আছে!!"
🌿 কৃষ্ণ──"কি সেটা?"
🌸 রাধা──"প্রেম" যখন এই বৈরাগী মনকে ত্যাগ করে রাধার ন্যায় হৃদয় তুমি তোমার বক্ষে ধারণ করবে, আর সেই হৃদয়,প্রেমের তরঙ্গ এক ঝঞ্ঝাবর্তের মতো উঠবে, আর যখন সেই প্রেমের আনন্দের মধ্যেও পীড়া, আর তার পীড়ার মধ্যেও আনন্দের অনুভব করবে,তখন আপনি স্বয়ংই বুঝতে পারবেন যে রাধার প্রেমের ঋণ কি করে শোধ করা যায়!"
🌿 কৃষ্ণ──"আচ্ছা বেশ! আমি তোমার এই ঋণ অবশ্যই শোধ করে দেব!"
🌸 রাধা──"কবে?"
🌿 কৃষ্ণ──"আমি স্থির করেছি যে কলিযুগে আমি এমন এক অবতার নেব যার শরীর তো কৃষ্ণেরই হবে কিন্তু হৃদয় রাধার হবে!"
🌸 রাধা──(আপ্লুত হয়ে) "আহাঃ!! কত আনন্দের কথা যখন রাধার মতো কাতর হয়ে,কেবল 'কৃষ্ণ কৃষ্ণ নাম বলতে থাকবে!"
🌿 কৃষ্ণ──"হ্যাঁ!!তাই করব!তাইই করব!!চৈতন্যের রূপে নবদ্বীপ থেকে বৃন্দাবন অবধি কৃষ্ণ কৃষ্ণ নাম নিয়ে বেড়াব, যাতে তোমার ন্যায় কৃষ্ণপ্রেমের পীড়া সহ্য করতে পারি!"
🌸 রাধা──"সেই ব্যাকুলতার পুরো আনন্দ পেতে চান তো এক কাজ করো!"
🌿 কৃষ্ণ──"কি রাধে!"
🌸 রাধা──"আমায় মুরলী বাজানো শিখিয়ে দাও!"
🌿 কৃষ্ণ──"মুরলী!!"
🌸 রাধা──"যখন তুমি বিরহ পীড়ায় পীড়িত হবে তখন তোমার ন্যায় বৃন্দাবনেতে নিশ্চিন্ত মনে আমি মুরলী বাজাব, যার সুর শুনে তুমিও আমার ন্যায় বিবশ হয়ে যাবে!"

হরিইইইইইই হরিইইইইইইবোল!!!এইভাবেই শ্রীরাধার প্রেমের ঋণ শোধ করার জন্য এই কলিযুগে নবদ্বীপে স্বয়ং কৃষ্ণ, রাধার হৃদয় ও কান্তি নিয়ে প্রছন্ন অবতারীরূপে আবির্ভূত হন।
▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒
𝖍𝖆𝖗𝖊 𝖐𝖗𝖎𝖘𝖍𝖓𝖆 𝖍𝖆𝖗𝖊 𝖐𝖗𝖎𝖘𝖍𝖓𝖆
𝖐𝖗𝖎𝖘𝖍𝖓𝖆 𝖐𝖗𝖎𝖘𝖍𝖓𝖆 𝖍𝖆𝖗𝖊 𝖍𝖆𝖗𝖊|
𝖍𝖆𝖗𝖊 𝖗𝖆𝖒 𝖍𝖆𝖗𝖊 𝖗𝖆𝖒
𝖗𝖆𝖒 𝖗𝖆𝖒 𝖍𝖆𝖗𝖊 𝖍𝖆𝖗𝖊 ||
*🧚‍♂️𝄞⋆⃝ 🧚‍♂️𝖍𝖆𝖗𝖎𝖇𝖔𝖑🧚‍♂️𝄞⋆⃝🧚‍♂️*
*_━────⊱❉✸❉⊰─────━_*
*⚜️জয় শ্রীরাধাকৃষ্ণ⚜️*
🙏🏻 👣👣🙏🏻

১) আজকের তিথিতেই ভীষ্মদেব মৃত্যুবরন করতে চাইলেন কেনো?😕মকরসংক্রান্তি’-র পৌরাণিক ব্যাখ্যা যথেষ্ট চমকে দেওয়ার মত। সূর্য নাক...
15/01/2023

১) আজকের তিথিতেই ভীষ্মদেব মৃত্যুবরন করতে চাইলেন কেনো?😕
মকরসংক্রান্তি’-র পৌরাণিক ব্যাখ্যা যথেষ্ট চমকে দেওয়ার মত। সূর্য নাকি এই লগ্নে তাঁর ছেলে মকর অধিপতি শনির বাড়ি যাত্রা শুরু করেছিলেন। তাই এই দিনটিকে বাবা-ছেলের সম্পর্কের মিলনের দিন হিসেবে পালন করা হয়। আবার মহাভারতে ভীষ্মের শরশয্যার সঙ্গে মকরসংক্রান্তির ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের গল্প পেয়েছে আলাদা মাত্রা। প্রিয় প্রপৌত্র অর্জুনের অগুন্তি শরে কুরুক্ষেত্রের ভূমিতে শরশয্যা হয়েছিল ভীষ্মের। ভীষ্ম পিতা শান্তনুর থেকে পেয়েছিলেন স্বেচ্ছামৃত্যুর বর। তাই শরশয্যায় শুয়েও তিনি সহ্য করে গিয়েছিলেন মৃত্যুর অধিক যন্ত্রণা। কারণ, সেইসময় চলছিল সূর্যের দক্ষিণায়ন। দেবলোকে দক্ষিণায়নকে তুলনা করা হয় রাতের সঙ্গে। রাতের বেলা সবাই যেমন ঘরের দরজা-জানলা বন্ধ করে ঘুমোন, তেমনই ওই সময় দেবতারাও স্বর্গদ্বার বন্ধ করে ৬ মাস টানা বিশ্রাম নেন। ওইসময় যদি ভীষ্ম স্বেচ্ছা মৃত্যু বরণ করতেন, তাহলে তাঁকে স্বর্গের দরজায় দাঁড়িয়ে দেবতাদের ঘুম ভাঙার অপেক্ষা করতে হত। তাছাড়া কথিত আছে সূর্যের দক্ষিণায়নে দেহত্যাগ মানে প্রাণের পুনর্জন্ম। আর উত্তরায়ণে মৃত্যু মানে পৃথিবী থেকে চিরমুক্তি।

তাই মর্ত্যে থেকে শরশয্যার যন্ত্রণা সহ্য করা অনেক ভালো বলেই মনে হল ভীষ্মের কাছে। সেইসঙ্গে উপরি পাওনা কৃষ্ণের মধুর বচন। এই ভেবে ভীষ্ম অপেক্ষা করতে লাগলেন সূর্যের উত্তরায়ণের জন্য। অবশেষে এল সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। মকরসংক্রান্তির পুণ্যক্ষণে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন পিতামহ ভীষ্ম। অন্যদিকে সূর্যের উত্তরায়ণের শুরু মাত্রই খুলে গেল স্বর্গের দ্বার। ঘুম ভাঙল দেবতাদের। তাঁদের তুষ্ট করতে মর্ত্যলোকে শুরু হয়ে গেল যজ্ঞ, উপাদেয় মিষ্টান্ন সহযোগে পুজোপাঠ। অন্যদিকে ভীষ্মের মহাপ্রয়াণকে স্মরণে রেখে মর্ত্যবাসীর কাছে ‘কর্কট সংক্রান্তি’-র চেয়ে অধিক গ্রহণীয় হয়ে উঠল ‘মকরসংক্রান্তি’। সবশেষে সবাইকে জানাই শুভ মকরক্রান্তির প্রীতি এবং শুভেচ্ছা 💐💐 গুরুজনদের স্বশ্রদ্ধ প্রনাম🙏 ছোটদের ভালোবাসা ❤ শেয়ার করে সবাইকে জানার সুযোগ করে দেবেন_______ ধন্যবাদ 🙏

🛐 সবাইকে তুলসী পূজন দিবসের শুভেচ্ছা 🙏💐🕉🚩আমরা প্রতিনিয়ত অপসংস্কৃতিতে ডুবে যাচ্ছি😒নিজের চিরন্তন সনাতন সংস্কৃতি থেকে আমরা ...
24/12/2022

🛐 সবাইকে তুলসী পূজন দিবসের শুভেচ্ছা 🙏💐🕉🚩আমরা প্রতিনিয়ত অপসংস্কৃতিতে ডুবে যাচ্ছি😒
নিজের চিরন্তন সনাতন সংস্কৃতি থেকে আমরা পিছিয়ে পরছি; আসুন অন্ততঃ নিজের জন্য সচেতন হই এবং সনাতন চিরন্তন ধারাকে টিকিয়ে রাখি ; ২৫ ডিসেম্বরে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা বড়দিন পালন করবে আর আমরা নিজের গুরুত্বপূর্ণ দিনকে ভুলে গিয়ে শুধু তাদের শুভেচ্ছা দেবো তা কেনো হবে ॥ আসুন সবাই মিলে ২৫ ডিসেম্বরে পরিবারের সবাই মিলে শুদ্ধ মনে তুলসী দেবীর পুজো করি এবং সকল সনাতনীদের সচেতন করার জন্য আপনি কি করেছেন তা পোস্ট করুন ॥
চাইলে এই পোস্টটি সবাইকে শেয়ার করুন এবং এই দিনে ছোটবড় সকল বর্ণের সবাইকে তুলসী পুজার প্রেরণা দিন ।🛐🚩

জয় সনাতন ধর্ম 🚩 জয় সনাতন সংস্কৃতি 🚩 জয় দেবী তুলসী 🕉🚩

আসুন নিজে জানি সবাইকে জানাই🚩🚩পবিত্র বেদ অনুযায়ী সনাতন ধর্ম নারীকে কতটুকু অধিকার দিয়েছে।১/ পিতার সম্পত্তিতে নারী ও পুরু...
21/12/2022

আসুন নিজে জানি সবাইকে জানাই🚩🚩
পবিত্র বেদ অনুযায়ী সনাতন ধর্ম নারীকে কতটুকু অধিকার দিয়েছে।

১/ পিতার সম্পত্তিতে নারী ও পুরুষের সমান অধিকার রয়েছে। ( ঋগবেদ ৩/৩১/১ )

২/ গর্ভের সন্তান ছেলে হােক বা মেয়ে হােক সে যেন ভালো থাকে । ( অথর্ববেদ ২/৩/২৩ )

৩/ একজন নারীর কখনো যেন কোনাে সতীন না থাকে৷ ( অথর্ববেদ ৩/১৮/২ )

৪/ নারী হল মঙ্গলময়ী লক্ষী৷(অথর্ববেদ ৭/১/ ৬৪ )

৫/ নারী হল জ্ঞানের ধারক। (অথর্ববেদ ৭/৪৭/ ১)

৬/ নারী হল শিশুর প্রথম জ্ঞানদাতা ।( অথর্ব বেদ ৭/৪৭/২ )

৭/ নারী শিক্ষা গ্রহণ শেষে পতিগৃহে যাবে ।( অথর্ববেদ ১১/৫/১৮ )

৮/ নারীর যেন দুঃখ কষ্ট না হয়।( অথর্ববেদ ১২/২/৩১ )

৯/ নারীকে উপহার হিসাবে জ্ঞান উপহার দাও।( অথর্ববেদ ১৪/১/৬ )

১০/ যেসকল নারী দেহ রুপ দেখিয়ে অপরের সাথে বন্ধুত্ব করতে চায়, তারা হায়েনাদের মত এবং তাদের জন্য নরকভোগ অনিবার্য, তাদের পরিত্যাগ কর ( ঋগবেদ ১০/৯৫/১৫ )

১১/ সনাতন ধর্মে বিধবা বিবাহ সমর্থন করে পরাশর সংহিতায় বলা হয়েছে :

🕉️ নষ্ট মৃতে প্রব্রজিতে ক্লীবে চ পতিতে পতৌ। পচস্বাপতসু নারী রাং পতিরন্যো বিধোযতে” (পরাশর স্মৃতি সংহিতা ৪/২৭)

অনুবাদঃ- নারীর যদি স্বামী মারা যায়, তাঁর স্বামী যদি গােপনে সন্ন্যাস গ্রহণ করে নিখোঁজ হয়ে যায়, স্বামী যদি নিখোঁজ হয়ে যায়, স্বামী যদি সন্তান উৎপাদনে অক্ষম হয়, স্বামী যদি অধার্মিক ও অত্যাচারী হয় তবে নারী এই স্বামী ছেড়ে পুনরায় বিবাহ করতে পারে

১২।হে বিদ্বান্ গণ! যে পত্নী ও পতি একসঙ্গে একমনে যজ্ঞ করে। উপাসনা দ্বারা যাহাদের মন পরমাত্মার দিকে ধাবমান হয় তাহারা নিত্য পরমাত্মার আশ্রয়েই সব কার্য্য করে। (ঋগ্বেদ ৮।৩১।৫)

১৩।যে পত্নী ও পতি একসঙ্গে মিলিয়া যজ্ঞ করে তাহারা উভয়েই নানা ভোগ্য পদার্থ উপভোগ করে এবং অন্নের জন্য ইতস্ততঃ ভ্রমন করে না।
(ঋগ্বেদ ৮।৩১।৬)

১৪।একসঙ্গে মিলিয়া যজ্ঞ করিলে পত্নী ও পতির পুত্র পুত্রী, কুমার কুমারী লাভ হয়। তাঁহার পূর্ণ আয়ু ভোগ করেন এবং উভয়ে নিষ্কলঙ্ক চরিত্রের স্বর্ণ ভূষণে দীপ্যমান হন।
(ঋগ্বেদ ৮।৩১।৮)

১৫।হে দম্পতি! শান্তি পূর্ণ গৃহে জ্ঞান লাভ করিয়া, হাস্য ও আনন্দ কর। সচ্চরিত্র পুত্র লাভ কর এবং শান্তিতে জীবন অতিবাহিত কর।
(অথর্ব্ব বেদ ১৪।২।৪৩)

১৬।হে স্বামী! আমি যেরূপ জ্ঞানী, তুমিও সেইরূপ জ্ঞানী। আমি সাম মন্ত্র, তুমি ঋগ্বেদ মন্ত্র। আমি দ্যুলোক, তুমি পৃথ্বীলোক। আমরা উভয়ে এই ভাবে মিলিয়া সন্তানোৎপাদন করিব।
(অথর্ববেদ ১৪/২/৭১)

অনেক মূর্খ বলবে বেদে পাঠে নাকি নারীর অধিকার নেই!!
আরে মূর্খ যেখানে নারী ঋষিরা বেদের দ্রষ্টা সেখানে কি করে নারীর বেদপাঠে অধিকার থাকে না?বেদের দ্রষ্টা নারী ঋষিরা হলেন লোপামুদ্রা ,বিশ্ববারা ,অপালা, ঘোষা, সূর্যা, বাকৃ এবং ইন্দ্রানী।

আসুন দেবীরা আমরা ধর্মজ্ঞানী হই।

জয় হোক সত্য,শান্তি, সুন্দর সনাতনের।

জয় সনাতন শাস্ত্র

Address

Kumarghat

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when RSL ashram posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category