Shree Guru Prapanna Ashram

Shree Guru Prapanna Ashram An organisation to preach the holy name of the Supreme Lord Sri Krishna,which is given by the golden Avtar Lord Chaitanya Mahaprabhu.

পুরুষোত্তম মাসে এই ৩৫টি কাজ অবশ্যই করুন। কার্তিক মাসের থেকেও হাজার গুন বেশি মাহাত্ম্য। 🙏আমরা তো সব কিছুতেই একটু বেশি চাই...
17/05/2026

পুরুষোত্তম মাসে এই ৩৫টি কাজ অবশ্যই করুন। কার্তিক মাসের থেকেও হাজার গুন বেশি মাহাত্ম্য। 🙏

আমরা তো সব কিছুতেই একটু বেশি চাই, তাই না? কেনাকাটা করতে গেলে যেখানে ডিসকাউন্ট বা অফার থাকে, সেখানেই আমরা ভিড় করি। পুরুষোত্তম মাস বা অধিক মাস চলে এসেছে ঠিক তেমনই এক বিশাল সুযোগ নিয়ে! যেখানে অল্প ভক্তিতেই মিলবে বহুগুণ বেশি ফল।

🚩 পুরুষোত্তম মাসের গুরুত্বপূর্ণ নিয়মসমূহ:
১. ব্রহ্ম মুহূর্তে জাগরণ: সকালে ব্রহ্ম মুহূর্তে জাগা উচিত। ব্রহ্ম মুহূর্ত ভোর ৪:০০ টা থেকে ৪:৫৮ মিনিট পর্যন্ত হয়। অর্থাৎ সকাল ৪টেয় জেগে যাওয়া উচিত।

২. প্রাতঃক্রিয়া ও পূজা: প্রাতঃক্রিয়া সেরে নিজের মঙ্গল আরতি, পূজা এবং যে হরিনাম জপ হয় তা করা উচিত।

৩. নাম জপ: আপনারা সবাই বৈষ্ণব, সবাই ভক্ত। যারা হরিনাম জপ করেন না (হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র), অন্তত এই পুরুষোত্তম মাসে এই মন্ত্র জপ করা উচিত।

৪. জপ সংখ্যা বৃদ্ধি: যারা ১৬ মালা জপ করেন, তাদের ২৫ মালা, ৩৩ মালা বা ৬৪ মালা—অর্থাৎ আরও বাড়ানো উচিত। বিশেষ করে ৩৩ মালার জপের মহিমা অনেক।

৫. আচার্যদের প্রার্থনা: এই মাসে বিশেষ রূপে ভগবানের কাছে প্রার্থনা করতে হয় এবং এই প্রার্থনা আচার্যদের শ্লোকের মাধ্যমে করা উচিত।

৬. জয় রাধা মাধব: ঠাকুর ভক্তিবিনোদ যেমন লিখেছেন—নিয়ম করা উচিত যে সকালে উঠে আমরা 'জয় রাধা মাধব' গাইব।

৭. চৌরাষ্টকম পাঠ: দুপুরে 'চৌরাষ্টকম' গাইবেন, তাতেও পুরুষোত্তমের মহিমা বলা হয়েছে।

৮. অষ্টকম পাঠ: সন্ধ্যায় বা দিনে একবার 'নন্দনন্দন অষ্টকম', 'শ্রী জগন্নাথ অষ্টকম' বা 'শচীসুত অষ্টকম'—এই তিনটি অষ্টকমের মধ্যে যেকোনো একটি আমরা গাইব।

৯. রোটেশনে গায়ন: নিয়মটি রোটেশনে রাখা উচিত—আজ নন্দনন্দন তো কাল জগন্নাথ অষ্টকম, তারপর শচীসুত।

১০. বিশেষ মন্ত্র জপ: দিনে ৩৩ বার এক সময়ে এই মন্ত্রটি পুনরাবৃত্তি করা উচিত:
"গোবর্ধনধরং বন্দে গোপালং গোপারূপিণম্। গোকুলোৎসবমীশানং গোবিন্দং গোপিকাপ্রিয়ম্।।"
এবং সাথে ভগবানের সম্মুখে ৩৩ বার প্রনাম। ( পুরুষদের দন্ডবৎ, মাতাজিদের পঞ্চাঙ্গ প্রনাম)

১১. গীতা পাঠ: ভগবদ্গীতার ১৫তম অধ্যায়ের (পুরুষোত্তম যোগ) পাঠ করা উচিত। এর শ্লোকগুলো বোঝার মতো সুন্দর, যা পাঠ করলে কথা শোনার সময় বড় আনন্দ আসবে।

১২. ব্রহ্ম স্তুতি: ভাগবতমের দশম স্কন্ধের ১৪তম অধ্যায়—'ব্রহ্ম স্তুতি', যা ব্রহ্মা ভগবান কৃষ্ণকে করেছেন (তা পাঠ করা)।

১৩. সরল জীবন: 'সিম্পল লিভিং হাই থিংকিং'। নিজের জীবনযাত্রা সহজ করে দেওয়া উচিত এবং বিচার বা চিন্তা উন্নত রাখা উচিত।

১৪. মিতাহার: খাবারে কেবল ফলার বা খাবার সীমিত করা উচিত। যতটা খান, তার চেয়ে কমানোর চেষ্টা করুন।

১৫. আলস্য ত্যাগ: ৫ বার খেলে ৪ বার খান, ৩ বার খেলে ২ বার। উদ্দেশ্য হলো যাতে আলস্য না আসে, ঘুম না আসে। তপস্যার নামে দিনভর শুয়ে থাকার চেয়ে একটু খেয়ে ভজন করাই শ্রেয়।

১৬. দেশি ঘিয়ের ভোগ: কেবল দেশি ঘি ব্যবহার করে ভোগ বানানো উচিত, অন্য কিছু নয়।

১৭. ব্রহ্মচর্য পালন: পুরুষ হোক বা স্ত্রী, এই মাসে ব্রহ্মচর্য ব্রত পালন করা।

১৮. নিষ্কাম কর্ম: যে কাজই করবেন তা যেন কেবল কৃষ্ণের জন্য হয় (ব্যবসায়াত্মিকা বুদ্ধি)।

১৯. আধ্যাত্মিক প্রগতি: অন্য কাজের জন্য কম প্রচেষ্টা করা এবং যাতে ভক্তিতে প্রগতি হয় সেই কাজে বেশি পরিশ্রম করা।

২০. জাগতিক কাজ বর্জন: মাসির বাড়ি যাওয়া বা এখানে-ওখানে যাওয়া এই মাসে কমিয়ে দিন এবং ভক্তির কাজ বাড়িয়ে দিন।

২১. অগ্রাধিকার: শারীরিক প্রয়োজন সীমিত করে আধ্যাত্মিক প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দেওয়া।

২২. সংকল্প প্রকাশ: নিজের সংকল্প গুরুর সামনে বা ভক্তদের সামনে প্রকাশ করা উচিত। কাগজে লিখে সবাইকে দেখিয়ে বেড়ানো উচিত নয়, তাহলে পরের দিনই ওটা বন্ধ হয়ে যাবে।

২৩. প্রিয় বস্তু ত্যাগ: নিজের কোনো প্রিয় বস্তু, খাবার বা দিনচর্যার কোনো একটি অঙ্গ ত্যাগ করা উচিত। যেমন—"আজ থেকে আমি করলা ত্যাগ করলাম।"

২৪. ধামবাস: এই মাসে ৩০ দিন ভগবানের ধামে বাস করা উচিত। সম্ভব না হলে ইসকন মন্দিরে বেশি বেশি যাওয়া উচিত এবং ভক্তদের সঙ্গে সঙ্গ করা উচিত।

২৫. পুষ্প অর্পণ: ভগবানকে নিত্য তুলসী দল এবং পদ্ম ফুল অর্পণ করা উচিত। না পেলে স্মরণ করেও এটি করা যায়।
সম্ভব হলে ৩৩ প্রকার পুস্প এবং ৩৩ টা তুলসী ভগবানের চরনে অর্পন করুন।

২৬. ক্রোধ বর্জন: ক্রোধ ত্যাগ করার চেষ্টা করুন এবং যে পরিস্থিতি উত্তেজিত করে তোলে তা থেকে বাঁচা উচিত।

২৭. বৈষ্ণব অপরাধ: বৈষ্ণব অপরাধ থেকে পূর্ণরূপে বাঁচার চেষ্টা করুন।

২৮. গ্রন্থ বিতরণ: গীতা, ভাগবত বা পুরুষোত্তমের কথা আছে এমন বই বেশি করে বিতরণ করুন। আমাদের আচার্যরা এই গ্রন্থগুলোর জন্য অনেক পরিশ্রম করেছেন।

২৯. প্রসাদ সেবা: বৈষ্ণবদের সেবা করা এবং তাদের প্রসাদ খাওয়ানো উচিত।

৩০. শ্রবণ ও শুদ্ধিকরণ: হরি কথা দিয়ে নিজের শুদ্ধিকরণ করুন। রোজ নিয়ম করে কথা শোনা উচিত এবং তার সময়সীমা বাড়ানো উচিত।

৩১. পরিক্রমা: ধাম পরিক্রমার বিশেষ গুরুত্ব আছে। সম্ভব না হলে ইসকন মন্দিরে বা নিজের ঘরের মন্দির বা তুলসী গাছকে ৩৩ বার পরিক্রমা করুন কীর্তন করতে করতে।

৩২. মন্দির মার্জনা: অন্তত নিজের ঘরের মন্দির রোজ পরিষ্কার রাখুন। এই মাসে মন্দিরকে ঝকঝকে রাখুন (গুন্ডিচা মার্জন)।

৩৩. পবিত্র স্নান: পবিত্র নদীতে রোজ স্নান করা উচিত। গঙ্গার ৩৩ বার ডুব দেওয়ার মাহাত্ম্য রয়েছে। সম্ভব না হলে এই শ্লোকটি বলে স্নান করলে সব নদীর ফল পাওয়া যাবে:
"গঙ্গে চ যমুনে চৈব গোদাবরি সরস্বতি। নর্মদে সিন্ধু কাবেবি জলেঽস্মিন্ সন্নিধিং কুরু।।" ৩৩ বার মাথায় জল ঢালতে পারেন।

৩৪. দীপ দান: নিত্যরূপ রাধা ও কৃষ্ণকে দীপ (প্রদীপ) অর্পণ করবেন। সম্ভব হলে ৩৩ প্রদীপ অর্পন করুন।

৩৫. বৈষ্ণব ভোজন: সংকল্প শেষে বৈষ্ণবদের ডাকুন এবং ঘি দিয়ে তৈরি খাবার বা ভেট অর্পণ করুন। রোজ না পারলে ৩৩ দিনের ভোজন একদিনে করাতে পারেন।
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।।

🚩শ্রীশ্রী গুরু গৌরাঙ্গৌ জয়তঃ🚩২৯শে বৈশাখ,  ১৩/০৫/২০২৬ (বুধবার) অপরা একাদশীর ব্রতোপবাস।৩০শে বৈশাখ, ১৪/০৫/২০২৬ (বৃহস্পতিবা...
12/05/2026

🚩শ্রীশ্রী গুরু গৌরাঙ্গৌ জয়তঃ🚩
২৯শে বৈশাখ, ১৩/০৫/২০২৬ (বুধবার) অপরা একাদশীর ব্রতোপবাস।
৩০শে বৈশাখ, ১৪/০৫/২০২৬ (বৃহস্পতিবার) প্রাতঃ ৫/০১ গতে পূর্বাহ্ন ০৭/৪৫ মধ্যে একাদশী ব্রতের পারণ।

নিষিদ্ধ: ২৯শে বৈশাখ, ১৩/০৫/২০২৬ (বুধবার) সকাল ৯/৩ হইতে পর দিবস সকাল ৭/৪৫ পর্য্যন্ত দ্বাদশী তুলসী পাতা তোলা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।।

💝💝 নৃসিংহ চতুর্দশী ব্রত মাহাত্ম্য 💞👉 ১০০০ টা ব্রত পালন করলে যে পূণ্য হয়, একটা নৃসিংহ চতুর্দশী কেউ ভক্তি সহাকারে পালন কর...
30/04/2026

💝💝 নৃসিংহ চতুর্দশী ব্রত মাহাত্ম্য 💞

👉 ১০০০ টা ব্রত পালন করলে যে পূণ্য হয়, একটা নৃসিংহ চতুর্দশী কেউ ভক্তি সহাকারে পালন করলে তার সেই পূণ্য হয়।
💮 হিরণ্যকশিপু কঠোর তপস্যা করেন এবং ব্রহ্মা সন্তুষ্ট হয়ে তাকে দর্শন দেয় ও তখন সে ব্রহ্মার কাছে বর চাইলেন,অমরত্ব বর। কিন্তু ব্রহ্মা বললেন- হে হিরণ্যকশিপু! তুমি যে বর চেয়েছো, সেটা আমি দিতে পারবো না। কারণ আমি নিজেই অমর না, তাই তুমি এমন বর চাও যা আমি দিতে পারবো। তখন হিরণ্যকশিপু চিন্তা করলো আমি কি এমন বর চাইবো যাতে আমাকে কেউ হত্যা করতে পারবে না, তখন হিরণ্যকশিপু বর চাইতে লাগলেন যে, হে শ্রেষ্ঠ বরদাতা! আপনি যদি আমার অভীষ্ট বরই দান করতে চান, তবে এই বর দেন যাতে আপনার সৃষ্টির কোনো প্রাণী বা পথে, ঘাটে, দিনের বেলা, রাতের বেলা, ঘরে, বাইরে, জল, ভূমি, বা আকাশে, কোনও পশু বা কোনো অস্ত্রের দ্বারা, এসবের দ্বারা আমাকে বধ করতে না পারে বা ব্যাধিগ্রস্ত বা জরাগ্রস্ত না হই। ব্রহ্মা বললেন, তথাস্তু! তারপর শুরু হলো হিরণ্যকশিপুর অত্যাচার দেবতাদের ওপর। তখন ভগবানের লীলা শুরু হল তাঁর শুদ্ধ ভক্তের ম্যাধমে প্রহ্লাদ মহারাজ। তাই ভগবানের ভক্ত আবির্ভূত হয়ে প্রহ্লাদ মহারাজ ভগবানের আরাধনা করছিল, তখন তাঁর পিতা তাঁকে বলত লাগলো,"তোমার ভগবান, কে???" সে বলতো ,আমার ভগবান বিষ্ণু , তখন হিরণ্যকশিপু ক্ষিপ্ত হয়ে বলতে লাগলো যে, আমি তোমার জন্মদাতা পিতা তাই আমি তোমার ভগবান! কিন্তু প্রহ্লাদ মহারাজ বললো- না! তুমি আমার ভগবান না, আমার ভগবান বিষ্ণু।তিনি জগতপালক শ্রীহরি। তিনি জগতের পিতা ও বিধাতা। তুমি তো কেবল আমার এই জড় জগতের পিতা কিন্তু ভগবান আমার নিত্য পিতা। তখন হিরণ্যকশিপু তার ছেলেকে পাহাড় থেকে ফেলে দেয়, হাতির পায়ের নিচে দেয়, জলন্ত অগ্নিতে নিহ্মেপ করে, আর প্রহ্লাদ মহারাজ শুধু তার প্রভু ভগবান বিষ্ণুকে স্মরণ করতে থাকে। কথায় আছে না, "মারে কৃষ্ণ রাখে কে, রাখে কৃষ্ণ মারে কে" - ভগবান যদি চায় তাহলে পৃথিবীর কোন শক্তি তাকে হত্যা করতে পারবে না। তাই যখন কোন কিছুর দ্বারা সম্ভব হলোনা তখন প্রহ্লাদ মহারাজ কে কারাগারে নিক্ষেপ করল, শিকল দিয়ে বেঁধে রাখলো আর মারতে লাগলো আর প্রহ্লাদ মহারাজ শুধু শ্রীহরিকে ডাকতে লাগলো। তখন হিরণ্যকশিপু এসে বললো- আজ তোকে কে বাঁচায় দেখি তোর ভগবান কোথায়? তখন বৈকুণ্ঠধামে মা লক্ষ্মীদেবী বললো- হে প্রভু! এখন কি হবে প্রহ্লাদ মহারাজকে কে রক্ষা করবে? হিরণ্যকশিপু তো অমরত্বের মত বর লাভ করেছে, তাকে কে হত্যা করবে? তোমার ভক্তকে রক্ষা করবে কে? তখন ভগবান বলেন যে অমরত্বের মত বর পেয়েছে কিন্তু অমর না আর প্রহল্লাদকে রক্ষা করবে তাঁর ভক্তি। তাঁর ভক্তিই তাঁকে হিরণ্যকশিপুর হাত থেকে রক্ষা করবে। তখন হিরণ্যকশিপুর বললো- তোর ভগবান কি এখানে আছে?
প্রহ্লাদ বললো- হ্যাঁ! আমার প্রভু সর্বত্রই বিরাজমান এখানেও আছে, এই বলে হিরণ্যকশিপুর সে ঘরের চৌকাঠের স্তম্ভ আঘাত করতে লাগে। তখন হঠাৎ সে স্তম্ভ থেকে বের হয়ে আসে ভক্তের ভগবান নৃসিংহদেব । হিরণ্যকশিপুর বর অনুসারে, তাকে বধ করতে লাগলেন, সে ঘরেও না, বাইরেও না, ঘরের চৌকাঠেও না, কোন নর না, পশুও না, কোন অস্ত্রের দ্বারা না, সকালে না রাতেও না, জলেও না, মাটিতেও না, আকাশেও না, অর্ধেক পশু ও মানুষ নরসিংহ রূপে
গোধূলি লগ্নে (অর্ধেক দিন ও রাত মানে সন্ধ্যায়) নখের দ্বারা বধ করা হয়েছে। ভক্তের ডাকে ভগবান তাঁর ভক্তকে যেকোন উপায়ে রক্ষা করে। এমন কি ভগবানের এই রুপ দেখে দেবতারা ও ব্রহ্মাণ্ডও কেপে ওঠে। এ কি রুপ হঠাৎ এই রূপের আবির্ভাব কেউ বুঝতে পারেনি।

ভগবানের এই রূপকে দেবতারাও পর্যন্ত শান্ত করতে পারেনি। তখন দেবতারা বললো - একমাত্র একজন পারে সে হল,তাঁর ভক্ত প্রহ্লাদ তখন প্রহ্লাদ প্রভুর কাছে স্তব, প্রার্থনা করতে লাগে। তখন ভগবান ভক্তের প্রার্থনায় শান্ত হয় ও তাকে কোলে তুলে নেয় ও ভগবান বলে হে ভক্ত প্রহ্লাদ! আমি তোমাকে দর্শন দিয়েছি এখন তুমি কি বর চাও প্রার্থনা করো আমার কাছে। আমি তোমাকে বর দেবো। তখন ভক্তের কি আর কিছু চাওয়ার আছে, যে জগতের প্রভু তার সামনে তবুও ভগবান বললো তুমি একটা বর চাও যেহেতু আমি তোমার সামনে প্রকট হয়েছি। তখন ভক্ত প্রহ্লাদ বলতে লাগলো- প্রভু! তুমি আমার পিতাকে মুক্তি দাও যেহেতু তিনি আমার জড়জগতে পিতা। তখন ভগবান বললো- হে ভক্ত প্রহ্লাদ তথাস্তু! কিন্তু তোমার শুধু এই পিতাই মুক্তি লাভ করবে না, যে গৃহে তোমার মত শুদ্ধ বৈষ্ণব ভক্ত আছে, তার ২১কূল উদ্ধার হবে, পিতৃকুলের ১০ কুল,মাতৃকূলের ১০কুল ও নিজের এক কুল মুক্তি লাভ করবে। এই নৃসিংহ ব্ৰত যে পালন করবে, তারা জন্ম-মৃত্যুময় সংসারে থেকে রক্ষা পাবে।

💮 আর যিনি ব্রতদিন ব্রত লঙ্ঘন করে, চন্দ্র-সূর্য যতদিন থাকবে ততদিন নরক যাতনা ভোগ করবে।
🌸 এই ব্রত প্রভাবে অপুত্রক ভক্তপুত্র লাভ করে,
🌷দরিদ্র ধনশালী হয়,
🌼তেজস্কামী তেজঃলাভ করে,
🌻রাজ্যকামী রাজ্য পায়,
🌺 আয়ুষ্কামী দীর্ঘায়ু পায়।

আজ ৩০ এপ্রিল বৃহস্পতিবার বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্দশী তিথিতে ভক্তবৃন্দ অবশ্যই পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের অবতার শ্রীনৃসিংহ দেবের পবিত্র আবির্ভাব দিবসে গোধূলীলগ্ন পর্যন্ত উপবাস ব্রত ভক্তিভরে পালন করুন। পারণের সময় হল - পরদিবস ৫/৯ গতে পূর্বাহ্ণ ৯/২৬ মিনিটের মধ্যে।

🍇🍎 ❛মোহিনী একাদশী❜ 🍎🍉         ইং ২৭শে এপ্রিল ২০২৬         বাং ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩     সোমবার মোহিনী একাদশী            পারন-   ...
26/04/2026

🍇🍎 ❛মোহিনী একাদশী❜ 🍎🍉
ইং ২৭শে এপ্রিল ২০২৬
বাং ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
সোমবার মোহিনী একাদশী
পারন-
পরের দিন মঙ্গলবার সকাল
পশ্চিমবঙ্গঃ- ০৫ঃ১১ মিঃ-০৯ঃ২৭ মিঃ
বাংলাদেশঃ-০৫ঃ২৬ মিঃ-০৯:৪৬ মিঃ

✦পারণ মন্ত্র✦⊰─•
"একাদশ্যাং নিরাহারো ব্রতেনানেন কেশব।
প্রসীদ সুমুখ নাথ ঙ্গানদৃষ্টিপ্রদো ভব।।"
*_━─────⊱❉✸❉⊰──────━_*
*✺ মোহিনী একাদশী মাহাত্ম্য ✺*
⊰᯽⊱┈───◑❊◑┈───┈⊰᯽⊱
✦ কূর্মপুরাণে বৈশাখ শুক্লপক্ষের 'মোহিনী' একাদশীর ব্রত মাহাত্ম্য বর্ণনা করা হয়েছে।
✦ মহারাজ যুধিষ্ঠির বললেন--হে জনার্দন! বৈশাখ শুক্লপক্ষীয়া একাদশীর কি নাম, কি ফল, কি বিধি--এসকল কথা আমার নিকট বর্ণনা করুন।
✦ উত্তরে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বললেন--হে ধর্মপুত্র! আপনি আমাকে যে প্রশ্ন করেছেন পূর্বে শ্রীরামচন্দ্রও বশিষ্ঠের কাছে এই একই প্রশ্ন করেছিলেন।
✦ তিনি জিজ্ঞাসা করেছিলেন--হে মুনিবর! আমি জনকনন্দিনী সীতার বিরহজনিত কারনে বহু দুঃখ পাচ্ছি। তাই একটি উত্তম ব্রতের কথা আমাকে বলুন। যার দ্বারা সর্বপাপ ক্ষয় ও সর্বদুঃখ বিনষ্ট হয়।
✦ এই কথা শুনে বশিষ্ঠ বললেন--হে রামচন্দ্র! তুমি উত্তম প্রশ্ন করেছ। যদিও তোমার নাম গ্রহণেই মানুষ পবিত্র হয়ে থাকে। তবুও লোকের মঙ্গলের জন্য তোমার কাছে সর্বশ্রেষ্ঠ ও পরমপবিত্র একটি ব্রতের কথা বলছি।
✦ বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষীয়া একাদশী 'মোহিনী' নামে প্রসিদ্ধা। এই ব্রত প্রভাবে মানুষের সকল পাপ, দুঃখ ও মোহজাল অচিরেই বিনষ্ট হয়। তাই মানুষের উচিত সকল পাপক্ষয়কারী ও সর্বদুঃখবিনাশী এই একাদশী ব্রত পালন করা। একাগ্রচিত্তে তার মহিমা তুমি শ্রবণ কর। এই কথা শ্রবণমাত্রেই সমস্ত পাপ বিনষ্ট হয়।
✦ পবিত্র সরস্বতী নদীর তীরে ভদ্রাবতী নামে সুশোভনা নগরী ছিল। চন্দ্রবংশজাত ধৃতিমান নামে এক রাজা সেখানে রাজত্ব করতেন। সেই নগরীতেই ধনপাল নামে এক বৈশ্য বাস করতেন। তিনি ছিলেন পুণ্যকর্মা ও সমৃদ্ধশালী ব্যক্তি। তিনি নলকূপ, জলাশয়, উদ্যান, মঠ ও গৃহ ইত্যাদি নির্মাণ করে দিতেন। তিনি ছিলেন বিষ্ণুভক্তি পরায়ণ ও শান্ত প্রকৃতির মানুষ। সুমনা, দ্যুতিমান, মেধাবী, সুকৃতি ও ধৃষ্টবুদ্ধি নামে তার পাঁচজন পুত্র ছিল। পঞ্চম পুত্র ধৃষ্টবুদ্ধি ছিল অতি দুরাচারী। সে সর্বদা পাপকার্যে লিপ্ত থাকত। পরস্ত্রী সঙ্গী, বেশ্যাসক্ত, লম্পট ও দ্যূতক্রীড়া প্রভৃতি পাপে সে অত্যন্ত আসক্ত ছিল। দেবতা, ব্রাহ্মণ ও পিতা-মাতার সেবায় তার একেবারেই মতি ছিলনা। সে অন্যায় কার্যে রত, দুষ্টস্বভাব ও পিতৃধন ক্ষয়কারক ছিল। সবসময় সে অভক্ষ ভক্ষণ ও সুরাপানে মত্ত থাকত।
✦ পিতা ধনপাল একদিন পথ চলছিলেন। হঠাৎ তিনি দেখতে পেলেন ধৃষ্টবুদ্ধি এক বেশ্যার গলায় হাত রেখে নিঃসংকোচে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তার নির্লজ্জ পুত্রকে এইভাবে চৌরাস্তায় ভ্রমণ করতে দেখে তিনি অত্যন্ত মর্মাহত হলেন। এই কুস্বভাব দর্শনে ক্রুদ্ধ হয়ে তিনি তাকে গৃহ থেকে বের করে দিলেন। তার আত্মীয়-স্বজনও তাকে পরিত্যাগ করল। সে তখন নিজের অলংকারাদি বিক্রি করে জীবন যাপন করত। কিছুদিন এইভাবে চলার পর অর্থাভাব দেখা দিল। ধনহীন দেখে সেই বেশ্যাগনও তাকে পরিত্যাগ করল।
অন্নবস্ত্রহীন ধৃষ্টবুদ্ধি ক্ষুধা-তৃষ্ণায় অত্যন্ত কাতর হয়ে পড়ল।
✦ অবশেষে নিজের গ্রামে সে চুরি করতে লাগল। একদিন রাজপ্রহরী তাকে ধরে বন্দী করল। কিন্তু পিতার সম্মানার্থে তাকে মুক্ত করে দিল। এভাবে বারকয়েক সে ধরা পরল ও ছাড়া পেল। কিন্তু তবুও সে চুরি বন্ধ করল না। তখন রাজা তাকে কারাগারে বদ্ধ করে রাখলেন। বিচারে সে কষাঘাত দন্ড ভোগ করল। কারাগারের পর অনন্য উপায় ধৃষ্টবুদ্ধি বনে প্রবেশ করল। সেখানে সে পশুপাখি বধ করে তাদের মাংস ভক্ষণ করে অতি দুঃখে পাপময় জীবন যাপন করতে লাগল।
দুষ্কর্মের ফলে কেউ কখনও সুখী হতে পারে না। তাই সেই ধৃষ্টবুদ্ধি দিবারাত্রি দুঃখ শোকে জর্জরিত হল।
✦ এভাবে অনেকদিন অতিবাহিত হল। কোন পুণ্যফলে সহসা একদিন সে কৌণ্ডিন্য মুনির আশ্রমে উপস্থিত হল। বৈশাখ মাসে ঋষিবর গঙ্গাস্নান করে আশ্রমের দিকে প্রত্যাবর্তন করছিলেন। শোকাকুল ধৃষ্টবুদ্ধি তার সম্মুখে উপস্থিত হল। ঘটনাক্রমে ঋষির বস্ত্র হতে এক বিন্দু জল তার গায়ে পড়ল। সেই জলস্পর্শে তার সমস্ত পাপ দূর হল। হঠাৎ তার শুভবুদ্ধির উদয় হল।
✦ ঋষির সামনে সে কৃতাঞ্জলিপুটে প্রার্থনা করতে লাগল 'হে ঋষিশ্রেষ্ঠ! যে পুণ্য প্রভাবে আমি এই ভীষণ দুঃখ যন্ত্রণা থেকে মুক্তি লাভ করতে পারি, তা কৃপা করে আমাকে বলুন। '
✦ ঋষিবর বললেন--'বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষে মোহিনী নামে যে প্রসিদ্ধ একাদশী আছে, তুমি সেই ব্রত পালন কর। এই ব্রতের ফলে মানুষের বহু জন্মার্জিত পর্বত প্রমাণ পাপরাশিও ক্ষয় হয়ে থাকে। ' ✦ মহামুনি বশিষ্ঠ বললেন-- কৌণ্ডিন্য ঋষির উপদেশ শ্রবণ করে প্রসন্ন চিত্তে ধৃষ্টবুদ্ধি সেই ব্রত পালন করল।
🍓 হে মহারাজ রামচন্দ্র! এই ব্রত পালনে সে নিষ্পাপ হল। দিব্যদেহ লাভ করল। অবশেষে গরুড়ে আরোহণ করে সকল প্রকার উপদ্রবহীন বৈকুণ্ঠধামে সে গমন করল। হে রাজন! ত্রিলোকে মোহিনী ব্রত থেকে আর শ্রেষ্ঠ ব্রত নেই। যজ্ঞ, তীর্থস্থান, দান ইত্যাদি কোন পুণ্যকর্মই এই ব্রতের সমান নয়। এই ব্রত কথার শ্রবণ কীর্তনে সহস্র গোদানের ফল লাভ হয়।
জয় মোহিনী একাদশী

জয় গৌরসুন্দরজয় গুরুমহারাজ 🙏🙏🙏🙏
21/04/2026

জয় গৌরসুন্দর
জয় গুরুমহারাজ
🙏🙏🙏🙏

🍑🍉🍏বরুথিনী একাদশী🍏🍉🍎🍇🍇🍇🍇🍇🍇🍇🍇🍇🍇🍇🍇🍇🍇 🍎একাদশী তিথি শুরুঃ-  ইং-১২ এপ্রিল ২০২৬, বাং ২৮শে চৈত্র ১৪৩২ রবিবার, রাত্রি ৯.৩২ মিনিট...
13/04/2026

🍑🍉🍏বরুথিনী একাদশী🍏🍉🍎
🍇🍇🍇🍇🍇🍇🍇🍇🍇🍇🍇🍇🍇🍇
🍎একাদশী তিথি শুরুঃ- ইং-১২ এপ্রিল ২০২৬, বাং ২৮শে চৈত্র ১৪৩২ রবিবার, রাত্রি ৯.৩২ মিনিটে থেকে।
🍏একাদশী তিথি শেষঃ- ইং - ১৩ এপ্রিল ২০২৬, বাং ২৯ চৈত্র ১৪৩২,সোমবার, রাত্রি ৯.৩৯ মিনিট পর্যন্ত।
ইং ১৩ই এপ্রিল ২০২৬
বাং ২৯শে চৈত্র ১৪৩২
সোমবার বরুথিনী একাদশী।
🍉পারন-
পরের দিন মঙ্গলবার সকাল
পশ্চিমবঙ্গঃ- ০৫ঃ২৩ মিঃ-০৯:৩৩ মিঃ
🚩পারণ মন্ত্র-
একাদশ্যাং নিরাহারো ব্রতেনানেন কেশব।
প্রসীদ সুমুখ নাথ ঙ্গানদৃষ্টিপ্রদো ভব।।
বরুথিনী একাদশী মাহাত্ম্য
🥭🥭🥭🥭🥭🥭🥭🥭🥭🥭🥭🥭
✦ বৈশাখ কৃষ্ণপক্ষীয়া বরুথিনী একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য ভবিষ্যোত্তর পুরাণে যুধিষ্ঠির শ্রীকৃষ্ণ সংবাদে বর্ণনা করা হয়েছে।
✦ যুধিষ্ঠির মহারাজ শ্রীকৃষ্ণকে বললেন--হে বাসুদেব! আপনাকে প্রণাম। বৈশাখ মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশী কি নামে প্রসিদ্ধ এবং তার মহিমাই বা কি তা কৃপা করে আমাকে বলুন।।
✦ শ্রীকৃষ্ণ বললেন-- হে রাজন! ইহলোক ও পরলোকে বৈশাখ মাসের কৃষ্ণপক্ষীয়া একাদশী 'বরুথিনী' নামে বিখ্যাত। এই ব্রত পালনে সর্বদা সুখলাভ হয় এবং পাপক্ষয় ও সৌভাগ্য প্রাপ্তি ঘটে। দুর্ভাগা স্ত্রীলোক এই ব্রত পালনে সর্বসৌভাগ্য লাভ করে থাকে। ভক্তি ও মুক্তি প্রদানকারী এই ব্রত সর্ব পাপহরণ ও গর্ভবাস যন্ত্রণা বিনাশ করে। এই ব্রত প্রভাবে মান্ধাতা, ধুন্ধুমার আদি রাজারা দিব্যধাম লাভ করেছেন। এমনকি মহাদেব শিবও এই ব্রত পালন করেছিলেন। দশ হাজার বৎসর তপস্যার ফল কেবলমাত্র এক বরুথিনী ব্রত পালনে লাভ হয়। যে শ্রদ্ধাবান ব্যক্তি এই ব্রত পালন করেন তিনি ইহলোক ও পরলোকে সমস্ত প্রকার বাঞ্ছিত ফল লাভ করেন।
✦ হে নৃপশ্রেষ্ঠ! অশ্বদান অপেক্ষা গজদান শ্রেষ্ঠ, গজদান থেকে ভূমিদান, তা থেকে তিলদান, তিলদান থেকে স্বর্ণদান এবং তা অপেক্ষাও অন্নদান শ্রেষ্ঠ। অন্নদানের মতো শ্রেষ্ঠ দান আর নেই। পিতৃলোক, দেবলোক ও মানুষেরা অন্নদানেই পরিতৃপ্ত হন। পন্ডিতেরা কন্যাদানকে অন্নদানের সমান বলে থাকেন। স্বয়ং ভগবান গোদানকে অন্নদানের সমান বলেছেন। আবার এই সমস্ত প্রকার দান থেকেও বিদ্যাদান শ্রেষ্ঠ। কিন্তু এই বরুথিনী ব্রত পালনে সেই বিদ্যাদানের সমান ফল লাভ হয়ে থাকে।
✦ পাপমতি যেসব মানুষ কন্যার উপার্জিত অর্থে জীবনধারণ করে, পুণ্যক্ষয়ে তাদের নরকযাতনা ভোগ করতে হয়। তাই কখনও কন্যার উপার্জিত অর্থ গ্রহণ করা উচিত নয়। যে ব্যক্তি বিভিন্ন স্বর্ণালঙ্কার সহ কন্যাদান করেন তাঁর পুণ্যের হিসাব স্বয়ং চিত্রগুপ্তও করতে অসমর্থ হন। কিন্তু 'বরুথিনী' ব্রত পালনকারী কন্যাদান থেকেও বেশি ফল লাভ করে।
✦ ব্রতকারী ব্যক্তি দশমীর দিনে কাঁসার পাত্রে ভোজন, মাংস, মসুর, ছোলা, শাক, মধু, অন্যের প্রদত্ত অন্নগ্রহণ, দুইবার আহার ও মৈথুন পরিত্যাগ করবে। দ্যূতক্রীড়া, নেশাজাতীয় দ্রব্য, দিবানিদ্রা, পরনিন্দা-পরচর্চা, প্রতারণা, চুরি, হিংসা, মৈথুন, ক্রোধ ও মিথ্যাবাক্য একাদশীর দিনে বর্জনীয়। কাঁসার পাত্রে ভোজন, মাংস, মসুর, মধু, তেল, মিথ্যাভাষন, ব্যায়াম্, দুইবার আহার ও মৈথুন এসব দ্বাদশীর দিনে পরিত্যাজ্য।
✦ হে রাজন! বিধি অনুসারে বরুথিনী ব্রত পালনে সকল প্রকার পাপের বিনাশ ও অক্ষয়গতি লাভ হয়। যিনি হরিবাসরে রাত্রিজাগরণ করে ভগবান জনার্দনের পূজা করেন, তিনি সর্বপাপ মুক্ত হয়ে পরমগতি লাভ করেন।
✦ তাই সূর্যপুত্র যমরাজের যাতনা থেকে পরিত্রাণের জন্য পরম যত্নে এই একাদশী ব্রত পালন করা কর্তব্য। বরুথিনী একাদশীর ব্রতকথা শ্রদ্ধাভরে পাঠ বা শ্রবণ করলে সহস্র গোদানের ফল লাভ হয় এবং সর্বপাপ থেকে মুক্ত হয়ে বিষ্ণুলোকে গতি হয়।
🍓জয় বরুথিনী একাদশী🍓

10/04/2026

Harekrishna
Jay Gurumaharaj

04/04/2026

Harekrishna
Jay Gurumaharaj
🚩🙏🚩🙏🚩🙏🚩🙏🚩

🚩🕉️🚩শ্রীরাম নবমী 🚩🕉️🚩   ২৭শে মার্চ ২০২৬, ১২ই চৈত্র ১৪৩২, শুক্রবার ভগবান শ্রীরামচন্দ্রের জন্মদিন। 🌈পারণঃ─ [ভারতীয় সময়] ...
26/03/2026

🚩🕉️🚩শ্রীরাম নবমী 🚩🕉️🚩
২৭শে মার্চ ২০২৬, ১২ই চৈত্র ১৪৩২, শুক্রবার ভগবান শ্রীরামচন্দ্রের জন্মদিন।
🌈পারণঃ─ [ভারতীয় সময়] পরের দিন সকাল ৫ঃ৩৯মিঃ থেকে ৯ঃ৪১ মিঃ এর মধ্যে।

🚩 ভগবান শ্রীরামের নাম উল্লেখ যে শুধুমাত্র প্রাচীন হিন্দু গ্রন্থে পাওয়া যায় তা নয়, জৈন এবং বৌদ্ধ ধর্ম গ্রন্থেও ভগবান রামের উল্লেখ আছে।
🚩রাম নবমীর দিনে মন্দ শক্তিকে পরাজিত করে শুভ শক্তিকে প্রতিষ্ঠা করা হয়। প্রাচীন ভারতের ধর্মগ্রন্থ রামায়ণের মতে যুগ যুগ ধরে ভগবান বিষ্ণু এ বিশ্ব সংসারের পালক।
🚩 বিভিন্ন যুগে তিনি নানা অবতার রূপে আমাদের ধরিত্রী তে অবতরণ করেন এবং এই বিশ্ব সংসারের সকল মানুষকে ন্যায়পরায়ণতার ও সত্যের পথ প্রদর্শন করতে মিথ্যার উপর সত্যের জয় প্রতিষ্ঠা করতে শিখিয়েছেন।
🚩 ত্রেতা যুগে রাম জণ্মেছিলেন ভগবান বিষ্ণুর সপ্তম অবতার রূপে। অর্থাত্‍ রাম নবমী পালন করার মূল উদ্দেশ্য হলো অধর্মকে সমূলে ধ্বংস করে ধর্মকে স্থাপন করা। মন্দ শক্তির বিনাশ করে শুভ শক্তির সূচনা করা।
🕉️🙌জয় সীতারাম🙌🕉️

24/03/2026

#মানব জীবনের কর্তব্য কি?

10/11/2025

বৃন্দাবনের পথে পথে ধূলো মেখে গায়
খুঁজিছেন কি অমূল্য রতন আদুল পায় ???

Address

14, Adhar Das Road, Budge Budge (near Budge Budge Railway Station)
Kolkata
700137

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shree Guru Prapanna Ashram posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Shree Guru Prapanna Ashram:

Share