Hindutva Bangla

Hindutva Bangla জয় শ্রীকৃষ্ণ জয় শ্রীরাম । hare Krishna hare Krishna Krishn

হিন্দু মেয়েদের উদ্দেশ্যে একটি নিবেদন-জানেন কি, একজন হিন্দু ছেলে কেনো স্বামী হিসেবে আদর্শ ?১. একজন হিন্দু ছেলে কখনো দ্বি...
25/06/2020

হিন্দু মেয়েদের উদ্দেশ্যে একটি নিবেদন-

জানেন কি, একজন হিন্দু ছেলে কেনো স্বামী হিসেবে আদর্শ ?

১. একজন হিন্দু ছেলে কখনো দ্বিতীয় বিয়ে করবে না এবং এ ব্যাপারে কখনো সে চিন্তাও করবে না।

২. সে কখনো আপনাকে ডিভোর্স দেবে না এবং এ ব্যাপারে ভাবতেও ভয় পাবে।

৩. স্বামীর সংসারে আপনিই একমাত্র রাণী এবং আপনার সংসার আপনারই আজীবনের রাজত্ব; সেখানে আপনার দাসী হওয়ার ভয় নেই, তালাকপ্রাপ্তা হয়ে নিজ সংসার থেকে বিতাড়িত হওয়ার ভয় নেই, পর্দার নামে আপনার ব্যক্তি স্বাধীনতাকে হরণ করা হবে না, চাকরি করতে চাইলে পাবেন অবাধ স্বাধীনতা।

৪. আপনার একবারই বিয়ে হবে এবং সেটা লাইফ গ্যারান্টি।

৫. একটি হিন্দু পরিবার মেয়েদের জন্য পৃথিবীতে সবচেয়ে নিরাপদ এবং সুখময় স্থান।

এর বিপরীতে, যদি একজন হিন্দু মেয়ে কোনো মুসলিম ছেলেকে বিয়ে করে, তাহলে যা যা হয়-

১. মেয়েটিকে হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করতে হয়, ফলে সে নিজ পরিবার থেকে বিতাড়িত হয়।

২. পিতা-মাতা, ভাই-বোনের আত্মীয়-স্বজনের অভিশাপ নিয়ে তাকে সংসার জীবন শুরু করতে হয়, যার পরিণতি কখনো শুভ হয় না।

৩. ইসলামিক কালচার নতুন করে শিখতে হয়, গরুর মাংস খেতে হয়।

৪. স্বামীর চার বিয়ের ধর্মীয় অধিকারের কারণে সব সময় সতীনের ভয়ে থাকতে হয়।

৫. স্বামী আরেকটা বিয়ে করলে নিজ সংসারে দাসীর মতো থাকতে হয়।

৬. মুসলিম সমাজের তালাক প্রথার কারণে সব সময় তালাকের ভয়ে থাকতে হয়।

৭. অবশেষে তালাক হলে তাকে পথে বসতে হয়।

৮. কোনো কারণে স্বামীর বাড়ি থেকে বিতাড়িত হলে সে বাপের বাড়িতেও যেতে পারে না, তাই শেষ পর্যন্ত তাকে আত্মহত্যা করতে হয় বা অন্যপুরুষের সাথে পুনঃবিবাহ, তালাকের চক্করে একটা জঘন্য জীবন যাপন করতে হয়, যা কোনো আত্মমর্যাদাসম্পন্ন নারী কখনোই মেনে নিতে পারে না।

জীবন আপনার, সিদ্ধান্তও আপনার; স্বজাতি হিসেবে আমি শুধু আপনাকে সচেতন করতে পারি, সেই চেষ্টাটা করলাম।
ঈশ্বর আপনার মঙ্গল করুক।

জয় সনাতন
জয় শ্রীরাম, জয় শ্রীকৃষ্ণ।

হরে কৃষ্ণ!!!১৭/০৬/২০২০,ইং"বুধবার""যোগিনী" একাদশী ব্রত উপবাস"পারণ-পরের দিনঃ সকাল ০৫ঃ১১ থেকে"০৯ঃ৪৩ মিঃ পর্যন্তঃ একাদশী পাল...
15/06/2020

হরে কৃষ্ণ!!!
১৭/০৬/২০২০,ইং"বুধবার"
"যোগিনী" একাদশী ব্রত উপবাস"
পারণ-পরের দিনঃ সকাল ০৫ঃ১১ থেকে"
০৯ঃ৪৩ মিঃ পর্যন্তঃ একাদশী পালন করুন"
ভগবান শ্রীকৃষ্ণের অশেষ কৃপা লাভ করুন"

🙏যোগিনী একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য কথা🙏

ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণে আষাঢ় মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য যুধিষ্ঠির-শ্রীকৃষ্ণ সংবাদরূপে বর্ণিত আছে। যুধিষ্ঠির বললেন-হে বাসুদেব! আষাঢ় মাসের কৃষ্ণপক্ষীয়া একাদশী মাহাত্ম্য কৃপাপূর্বক আমাকে বলুন। শ্রীকৃষ্ণ বললেন-হে মহারাজ! সকল পাপবিনাশিনী ও মুক্তিপ্রদ এই উত্তম ব্রতের কথা বলছি, আপনি শ্রবণ করুন। আষাঢ় মাসের কৃষ্ণপক্ষীয়া একাদশী `যোগিনী` নামে খ্যাত। মহাপাপ নাশকারী এই তিথি ভবসাগরে পতিত মানুষের উদ্ধার লাভের একমাত্র নৌকাস্বরূপ। ব্রত পালনকারীদের পক্ষে এটি সর্বশ্রেষ্ঠ ব্রত বলে প্রসিদ্ধ। এই প্রসঙ্গে আপনাকে একটি পবিত্র পৌরাণিক কাহিনী বলছি।
অলকা নগরে শিবভক্ত পরায়ণ কুবের নামে এক রাজা ছিল। তিনি প্রত্যহ শিবপূজা করতেন। তার হেমমালী নামে একজন মালী ছিল। প্রতিদিন শিব পূজার জন্য মানস সরোবর থেকে সে ফুল তুলে যক্ষরাজ কুবেরকে দিত। বিশালাক্ষী নামে হেমমালীর এক পরমা রূপবতী পত্নী ছিল। সে তার সুন্দরী পত্নীর প্রতি অত্যন্ত আসক্ত ছিল। একদিন সে তার স্ত্রীর প্রতি কামাসক্ত হয়ে পড়ল। রাজভবনে যাওয়ার কথাও ভুলে গেল। বেলা দুই প্রহর অতীত হল। অর্চনের সময় চলে যাচ্ছে দেখে রাজা ক্রুদ্ধ হলেন। মালীর বিলম্বের কারণ অনুসন্ধানে এক দূত প্রেরণ করলেন। দূত এসে রাজাকে বলল-`সে গৃহে স্ত্রীর সাথে আনন্দে মত্ত।`` দূতের কথা শুনে কুবের অত্যন্ত রেগে তখনি মালীকে তার সামনে হাজির করতে আদেশ দিল। এদিকে মালী কুবেরের পূজার সময় অতিবাহিত হয়েছে বুঝতে পেরে অত্যন্ত ভয় পেল। তাই স্নান না করেই সে রাজার কাছে উপস্থিত হল। তাকে দেখামাত্র রাজা ক্রোধবশে চোখ রাঙিয়ে বললেন-রে পাপিষ্ঠ, দুরাচার! তুই দেবপূজার পুষ্প আনতে অবজ্ঞা করেছিস তাই আমি তোকে অভিশাপ দিচ্ছি তুই শ্বেতকুষ্ঠগ্রস্ত হয়ে যা এবং তোর প্রিয়তমা ভার্যার সাথে তোর চিরবিয়োগ সংগঠিত হোক। রে নীচ, তুই এখনি এই স্থান থেকে ভ্রষ্ট হয়ে অধোগতি লাভ কর। কুবেরের এই অভিশাপে হেমমালী পত্নীর সাথে স্বর্গভ্রষ্ট হয়ে দীর্ঘকাল যাবৎ কুষ্ঠরোগ ভোগ করতে লাগল। রোগের যন্ত্রণায় দিন অথবা রাত্রে কখনই সে সুখ পেত না। এভাবে শীত গ্রীষ্মে প্রচণ্ড বেদনায় বহুকষ্টে সে জীবনযাপন করতে লাগল। কিন্তু দীর্ঘদিন মহাদেবের অর্চনের ফুল সংগ্রহের সুকৃতি ফলে সে শাপগ্রস্ত হয়েও বৈষ্ণবশ্রেষ্ট শিবের বিস্মরণ কখনও হয়নি। একদিন হেমমালী ভ্রমণ করতে করতে হিমালয়ে শ্রীমার্কণ্ডেয় ঋষির আশ্রমে উপস্থিত হল। কুষ্ঠরোগে পীড়িত সপত্নী হেমমালীকে দর্শন করে শ্রীমার্কণ্ডেয় তাকে জিজ্ঞাসা করলেন-`তুমি কার অভিশাপে এইরকম নিন্দনীয় কুষ্ঠরোগগ্রস্ত হয়েছ?` সে উত্তর দিল-`হে মুনিবর! রাজা ধনকুবেরের আমি ভৃত্য ছিলাম। আমার নাম হেমমালী। আমি প্রত্যহ মানস সরোবর থেকে ফুল তুলে শিব পূজার জন্য রাজকে দিতাম। কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে একদিন স্ত্রীর মনোরঞ্জন হেতু কামাসক্ত হত্তয়ায় সেই ফুল দিতে বিলম্ব হয়। রাজার অভিশাপে এইরকম দুর্দশাগ্রস্ত হয়েছি। পরোপকারই সাধুগণের স্বাভাবিক কর্ম। হে ঋষিশ্রেষ্ঠ! আমি অত্যন্ত অপরাধী। কৃপা করে আমার প্রতি প্রসন্ন হোন। তখন দয়ার্দ্র চিত্ত মার্কণ্ডেয় মুনি বললেন-হেমালী! তোমার মঙ্গলের জন্য শুভফল প্রদানকারী এক ব্রতের উপদেশ করছি। তুমি আষাঢ় মাসের কৃষ্ণপক্ষের `যোগিনী` নামক একাদশী ব্রত পালন কর। এই ব্রতের পুণ্য প্রভাবে তুমি অবশ্যই কুষ্ঠব্যাধি থেকে মুক্ত হবে। শ্রীকৃষ্ণ বললেন-ঋষির উপদেশ শ্রবণ করে হেমমালী তাকে প্রণাম জানাল। পরে অত্যন্ত আনন্দে ঋষির আদেশমতো নিষ্ঠার সঙ্গে যোগিনী একাদশী ব্রত পালন করল। এইভাবে হেমমালী সমস্ত রোগ থেকে মুক্ত হল ও পত্নীসহ সুখে জীবনযাপন করতে লাগল। হে মহারাজ যুধিষ্ঠির! আমি আপনার কাছে এই ব্রত উপবাসের মহিমা কীর্তন করলাম। এই ব্রত পালনে অষ্টাশি হাজার ব্রাহ্মণকে ভোজন করানোর ফল লাভ হয়। যে ব্যক্তি এই মহাপাপ বিনাশকারী ও পুন্যফল প্রদায়ী যোগিনী একাদশীর কথা পাঠ এবং শ্রবণ করে সে অচিরেই সর্বপাপ থেকে মুক্ত হবে।

26/05/2020
যে ঘরে আল্লাহ ঈশ্বর এক, মাজার মন্দির এক, যে রাম সে আল্লাহ ইত্যাদি সর্ব ধর্ম সমন্বয়ের চর্চা হয় কিংবা যে ধর্মে ধর্মীয় গুরু...
18/05/2020

যে ঘরে আল্লাহ ঈশ্বর এক, মাজার মন্দির এক, যে রাম সে আল্লাহ ইত্যাদি সর্ব ধর্ম সমন্বয়ের চর্চা হয় কিংবা যে ধর্মে ধর্মীয় গুরুরা বুদ্ধ ইসা বিবেধ করিস চৈতন্য রাসুল কৃষ্ণ এক জানিস নে অথবা যত মত তত পথ এর মত মতবাদ তৈরি করে সে ধর্মে মারিয়াম স্বর্ণার মত মেয়েরা লাভ জিহাদে পড়ে মুসলিম কিংবা সেকুলার হবে এটাই স্বাভাবিক? আজ মারিয়াম স্বর্না লাভ জিহাদে পড়ে মুসলিম হয়ে একজন সহি মুমিনার মত ইসলাম প্রচার করছে এটার জন্য দায়ি কে? দায়ি মারিয়ম স্বর্ণা নাকি তার বেড়ে উঠা সর্ব ধর্ম সমন্বয়ের পরিবেশটা? নিশ্চয় তার মা বাবা আর তার সর্ব ধর্ম সমন্বয়ের পরিবেশটাই দায়ি।

সর্ব ধর্ম সমন্বয়ের শিক্ষা হিন্দু ধর্মের যতটা না উপকার করেছে তার থেকেও বেশী ক্ষতিটায় করেছে। হিন্দুদের কিছু কুলাঙ্গার চৈতন্যহীন ধর্মীয় গুরু হিন্দুদের মাথায় সর্ব ধর্ম সমন্বয়ের বীজ ডুকিয়ে দিয়ে হিন্দুদেরকে একেবারেই নুপুংশক বানিয়ে পেলেছে কিংবা এখনো পেলছে। সব ধর্মকে ভালবাসার গুরু দ্বায়িত্ব শুধু হিন্দু ধর্মের গুরু আর নির্বোধ হিন্দুরাই কাধে নিয়েছে আর কোন জাতি সে দ্বায়িত্ব কাধে নেয় নাই। সত্যি বলতে কি হিন্দু ধর্মের গুরুরা এক একটা দালাল হয়ে উঠেছে। এদের কাজ হল হিন্দু ধর্মে থেকে হিন্দুদেরকে ধর্মান্তর করা। এই সকল বাটপার গুরুদের মতবাদ এবং তাদের তৈরী সংগঠন থেকে হিন্দুরা যত দূরে থাকবে ততই মঙ্গল হবে।

যে মেয়ে ছোট থেকে আল্লাহ ঈশ্বর এক শুনে শুনে বড় হয় সে মেয়ে ইসলামের মধ্য দিয়ে আল্লাহকে খুঁজে নিলে সমস্যা কোথায়? আল্লাহ ঈশ্বরতো এক। এখানে ক্ষতিটা কাদের? ক্ষতিটা শুধু মা বাবা আর হিন্দু সংস্কৃতির। কি লাভ ছেলে মেয়েদেরকের ছোট থেকে সর্ব ধর্ম সমন্বয়ের শিক্ষা দিয়ে আদা মুসলিম বানানোর? বরং সব ধর্ম সমান শিক্ষা পাওয়া মেয়ে গুলো মা বাবার মুখে চুন কালি দিয়ে রাতের অন্ধকারে বিধর্মী ছেলের হাত ধরে পালায়।

আমাদের মা বাবার উচিত আমাদের ভাই বোনদেরকে ছোট থেকে সর্ব ধর্ম সমন্বয়ের শিক্ষা না দিয়ে বরং হিন্দু ধর্মের বীরত্বের গাঁথা শিক্ষা দেয়া। বরাহ মিহির, আর্য ভট্ট, আচার্য শুশ্রুত, আচার্য কনার্ড এই সকল সনাতনী বিজ্ঞানীদের গৌরবগাঁথাময় আবিস্কারের শিক্ষা দেয়া। হিন্দু ধর্মের ইতিবাচক বিজ্ঞান বিষয়ক শিক্ষা দেয়া। বিশ্ব সৃষ্টিতে হিন্দুদের অবধানের শিক্ষা দেয়া। হিন্দুদের কে শত্রু কে বন্ধু এই শিক্ষা দেয়া। ছোট থেকে যদি হিন্দু ছেলে মেয়েরা হিন্দু ধর্মীয় এই ইতিবাচক শিক্ষা পায় তাহলে সে বড় হয়ে হিন্দু ধর্ম নিয়ে গর্ব করার মত একটা বিষয় খুঁজে পাবে। অন্য ধর্মের ইতিবাচক কথা শুনলে কিংবা বিধর্মীরা ব্রেইনওয়াস করলেও সে অন্য ধর্মের প্রতি ঝুকে পড়বে না। এখন যদি একটি হিন্দু মেয়েকে হিন্দু ধর্মে গর্ব করার মত কি আছে জিজ্ঞাস করেন, দেখবেন সে উত্তর দিতে পারছে না? সে উত্তর দিবেওবা কেমনে? তার সমাজ, তার মা বাবা, তার ধর্মীয় গুরুরাতো তাকে উচু-নিচু,জাত-পাত এগুলো ছাড়া হিন্দু ধর্ম নিয়ে গর্ব করার মত কিছুই শিখায়নি। এই উত্তর দিতে না পারা থেকে হিন্দু সংস্কৃতির প্রতি তার একটা হীনমন্যতা তৈরী হয় এবং অন্য ধর্মের প্রতি ভালবাসা জাগ্রত হয়। আর এইভাবে হিন্দু ধর্ম থেকে অনেক হিন্দু ছেলে মেয়েরা প্রতিদিন হারিয়ে যাচ্ছে।
https://www.facebook.com/shornali.shornali.52

মেয়েদের বিয়ের পরের জীবন নিয়ে কিছু কথা, দয়া করে খারাপ মন মানসিকতা নিয়ে পড়বেন না…মেয়েটি প্রেগন্যান্ট হয়ে দিনে ২০-৩০ বার...
13/05/2020

মেয়েদের বিয়ের পরের জীবন নিয়ে কিছু কথা, দয়া করে খারাপ মন মানসিকতা নিয়ে পড়বেন না…
মেয়েটি প্রেগন্যান্ট হয়ে দিনে ২০-৩০ বার বমি আর নানান শারীরিক সমস্যায় ভুগছে।
খেতে বসলে পেটে বাচ্চা লাথি মারে, খেতে পারেনা। রাতে ঘুমাতে গেলে যন্ত্রনায় ছটফট করে,ঘুম আসেনা। সারা দিন শরীরটা কেমন যেন করে।বসতে গেলে,শুইতে গেলে,হাটতে গেলে মাথাটা কেমন যেন ঝিমঝিম করে।
আবার মনের ভিতর ভয়ও করে। কি হবে? পারবো তো সব সামলিয়ে উঠতে ?
এভাবে নয় মাস কেটে যায়। হঠাৎ প্রসব বেদনা উঠে। চারদিকে বিষাদের ছায়া,বাঁচবে তো মেয়েটি, আর অনাগত শিশুটি ?
মৃত্যুকে হাতে নিয়ে মেয়েটি শুয়ে পড়ে। জরায়ু ছিড়ে স্রোতের মত রক্ত ঝরে। চিৎকার করে উঠে মেয়েটি, যেন পৃথীবিটা তার অবস্থানে নেই। সে সুর্যের আলো যেন আজ ক্ষীণ দেখাচ্ছে।
প্রচন্ত আলোতেও সব কিছু কেমন যেন আবছা লাগছে। চারদিকে তাকায়। আপন মানুষগুলোকে খামছে ধরে। যেন মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচার আকুতি জানাচ্ছে।
বাচ্চাটি পৃথীবির মুখ দেখে। সবাই বাচ্চাকে নিয়ে কত আনন্দ উল্লাস করে। নতুন নতুন জামা কিনে নিয়ে আসে। বাচ্চাকে নিয়ে হাজারো স্বপ্নের বীজ বপন হয়।
কে কি নামে ডাকবে তা ঠিক করতে হুলস্থুল অবস্থা শুরু হয়ে যায়। আত্মীয়় কুটুমরা বাচ্চার এ গালে, ও গালে চুমু খায়।
মেয়েটি বাচ্চার দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসে। কে জানে সেই হাসির মাঝেও কত বেদনা লুকিয়ে আছে।
নবাগত অতিথিকে পেয়ে সবাই মেয়েটির কথা বেমালুম ভুলে যায়।
মেয়েটি সেই ময়লা বেডে শুয়ে থাকে। মুখ ফুটে তার শরীরের অবস্থার কথা বলতে পারেনা। কিছুটা ভয়ে, কিছুটা লজ্জায়।
সংসারের সব কিছুর জন্য সবার হাতে টাকা থাকে, শুধু মেয়েটির চিকিৎসার জন্য কারো পকেটে টাকা থাকেনা।
ঝরে যাওয়া রক্তের পরিপূর্ণতার জন্য প্যাকেটে প্যাকেটে দুধ আসেনা। বাচ্চা গর্ভে থাকাকালীনও মেয়েটি কারো কদর পায়নি। না মায়া–দরদ, না একটু পুষ্টিকর খাবার। তবু সবার আক্ষেপ বাচ্চাটা আরেকটু মোটা হলে ভাল হতো।
কেউ বাচ্চার মায়ের কথা ভাবলো না। কি দিয়েছে বাচ্চার মাকে ??
দুধ,কলা,মাখন,কি পেয়েছে মেয়েটি ?
তিন বেলার ভাত মাছ আর সবজি ছাড়া কতটুকু পেয়েছে ?
শাড়ি খানা মলিন, মুখখানা আরো মলিন। হাতে ফোসকা ধরে গেছে। আগের মত আর মোলায়েম হাতখানা নেই বলে স্বামীর কাছেও সে অনাদৃত।
সেই লাবণ্য নেই বলে, শ্বাশুড়ী মাঝে মাঝে লোকদের কাছে বুড়ি বউ বলে সম্বোধন করে। দূর থেকে মেয়েটি শুনে। কিচ্ছু বলেনা। কাকে বলবে ??
স্বামীকে !! সে এসব কথাতে এখন কান দেয়না। এসব নাকি ন্যাকামী। দু দিন হতেই শাশুড়ী আর ননদের আক্ষেপ,বউটা এখনো রান্না ঘরে আসছেনা কেন?
মেয়েটি হাটতে পারেনা।হাটতে গেলে মনে হয় এই বুঝি পরান পাখি উড়ে গেল। লজ্জাস্থান থেকে এখনো রক্ত ঝরছে। কাতরাতে কাতরাতে মেয়েটি রান্না ঘরে আসে।
ননদ আর শাশুড়ী হুংকার দিয়ে বলে, বাচ্চা কি আমরা জম্ম দেয়নি? শুধু তুমিই মা হয়েছে ?
অসহায় চাতক পাখিটির মত মেয়েটি ভাবে পাখির ও তো একটা জায়গা আছে। এখানে ভাল না লাগলে অন্যত্র উড়ে যায়। কিন্তু, আমার!! বাবা মাকে ছেড়ে আসলাম। ভাইটিও নেই, যাকে একটু মনের কথা বলবো। স্বামী এখন এসব বুঝে না। ও নাকি কারো সাথে তর্ক করতে পারবেনা। সকালে যায় আর রাতে ফিরে।
মেয়েটি রান্না শেষ করে খাটে গিয়ে বুকে বালিশ দিয়ে টপটপ করে চোখের পানি ফেলে। ইচ্ছে করে স্বামীর কোলে শুয়ে একটু ঘুমাবে।
কিন্তু, সে তো এখন স্বামী না, বাচ্চার বাবা। তার অনেক দায়িত্ব। বাবা মাকে খুশি করতে হয়, অফিসকে খুশি করতে হয়,বন্ধু বান্ধবকে খুশি করতে হয়।
আর আমি? আমি তো স্ত্রী। আমাকে খুশি না করলেও চলবে। আমি তো আপন কেউ না।
সমাজের মানুষ বলে “পরের মেয়ে”।
ইচ্ছে করে চিৎকার দিয়ে কান্না করতে। পরক্ষণেই মেয়েটি ভাবে ওরা কি ভাববে? শরীরটা ভাল নেই। খেতে ইচ্ছে করেনা।
বুকে দুধ আসেনা। বাচ্চাটার শুকনো মুখের দিকে তাকিয়ে পাড়া প্রতিবেশি আলগা দরদ নিয়ে বলে “মাইয়াডার কারনে বাচ্চাটাও শুকিয়ে যাচ্ছে”।
হায়রে মানুষ, হায়রে সমাজ। শাশুড়ী, ননদ, অমুকের বউ বা তমুকের মেয়ে, সবাই তো নারী। অথচ, কেউ এই মেয়েটির কষ্টের কথা বুঝলো না। কেউ চিন্তাও করলো না , “মা বাঁচলেই তো বাচ্চা বাঁচে”।
মেয়েটি অভিমান নিয়ে শুয়ে থাকে। রাতে খায় না। স্বামী বাসায় এসে চেঁচিয়ে বলে “তোমার কারনে যদি আমার বাচ্চার কিছু হয়, তাহলে খবর আছে” |
এবার মেয়েটি দাঁত-মুখ খিছিয়ে বলে “হুম,কি খবর করবে ?
খবর নিয়েছো একবারও আমার ??
এটা শুনেই পাশের লোকরা বলে “কত্ত বড় বেয়াদপ মেয়ে”।
সব লাঞ্চনা-বঞ্চনার পরও মেয়েটি তার স্বামীকে ছাড়া কিছুই ভাবতে পারেনা। দিনের পর দিন অপেক্ষা করে, কবে তার স্বামীটি তাকে বুঝবে। কবে তাকে বুকে টেনে নিবে। দিন যায়, দিন আসে। হতভাগা মেয়েটির আর সুদিন ফেরেনা।
এভাবেই অনাদরে, অবহেলায় একটা মেয়ে তার জীবনকে তিলে তিলে শেষ করে দেয়।
আমরা মাঝে মাঝে তাদেরকে মায়ের জাতি,বোনের জাতি,বউয়ের জাতি বলে সান্ত্বনা দিই। কিন্তু সান্ত্বনায় আর কাজ হয়না। চল্লিশ বছরের মেয়েটিকে দেখতে এখন পয়ষট্রি বছরের বুড়ি লাগে। তাতেও সমাজের আক্ষেপ,কেন এত বুড়ি লাগে !
ভাবুন তো, আপনাকে যদি এভাবে অবহেলা করা হতো, তবে কেমন লাগতো?
ভালবাসার মানুষগুলোকে ভালবেসে কাছে রাখা যায় না কি?
নারীদের প্রতি সহমর্মিতা আর ভালবাসার মোড়কোম্মচন হোক আপনাকে দিয়ে,আমাকে দিয়ে। তবেই সমাজ বাঁচবে। বাঁচবে মানবতা।
জয় হিন্দ

 #একটি_সাহসী_সনাতণী_মেয়ের_কথা ,একটা মুসলিম ছেলে আমাকে প্রেমের প্রস্তাব দিলো।।। আমি বললাম :আপনি মুসলিম আর আমি তো হিন্দু,,...
12/05/2020

#একটি_সাহসী_সনাতণী_মেয়ের_কথা ,

একটা মুসলিম ছেলে আমাকে প্রেমের প্রস্তাব দিলো।।। আমি বললাম :আপনি মুসলিম আর আমি তো হিন্দু,, প্রেম কিভাবে সম্ভব!!তারপরে তো আমি আপনাকে চিনি না?
সেই ছেলেটি বললো : "প্রেমের মাঝে কোন ধর্ম মানে না! "
আমি বললাম : "ও আচ্ছা,তারমানে আপনার কাছে ধর্ম চেয়ে বড় হলো প্রেম "
ছেলেটি বললো : "আসলে তা নয়!! আপনি আপনার মতন ধর্ম পালন করবেন,আর আমি আমার মতন !! "
আমি বললাম : "ও আচ্ছা তাই নাকি?তাহলে কি আমাকে ব্রেন ওয়াস করছেন নাকি?"
ছেলেটি বললো : "তার মানে আপনি কি বলতে চাচ্ছেন?"
আমি বললাম : "কি আর বলবো,, আপনাদের ধর্মের কাছে তো বিধর্মী রা গনিমতের মাল,তাদের ভোগ করলে তো আপনাদের পাপ হবে না বরং আপনাদের ছোয়াব হবে!,, তাই না?আর যদি ধর্ম ত্যাগ করিয়ে মুসলিম বানাতে পারেন, তাহলে তো একদম জান্নাতে যাবেন,, তাই না?"
ছেলেটি বললো : "আসলে এটা আপনার ভুল ধারনা,,, আমি মানুষ এটাই আমার বড় পরিচয়,আর ইসলাম শান্তির ধর্ম"
আমি বললাম : "বাহ্, তাই? ইসলাম শান্তির ধর্ম,, আপনাদের কুরানে তো বিধর্মীকে নাস্তিক বলা হয়েছে, আর নাস্তিক দের ধ্বংস করা, জোর করে ধর্ম ত্যাগ করানো, আর তাদের উপর নির্যাতন করা জায়েজ আছে? এবং বাংলাদেশে তো অনেক মুসলিম হিন্দুদের উপর নির্যাতন করছে,,আবার আপনাদের কুরান থেকে জঙ্গি তৈরি হয়,,মানুষ খুন করা জঙ্গি!! তাহলে আপনাদের ধর্ম শান্তির ধর্ম হইলো কিভাবে??"
ছেলেটি বললো : "দেখুন আপনাদের হিন্দু ধর্ম পুরাই ভুয়া,, আপনারা মাটির তৈরি মুর্তি বানিয়ে পূজা করেন,,আপনাদের ঈশ্বর তো নিরাকার তাহলে মাটির পূজা করেনন কেনো,,আপনি এইসব করার চেয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহন করুন,, আপনি ভুল পথে হাটছেন ??
আমি : "হাহাহা!!! এতক্ষণে আসল চরিত্র প্রকাশ পেলো! আপনাদের মূল উদ্দেশ্য তো এটাই,,অন্য ধর্মীদের ভুলভাল বলিয়ে, তাদের ধর্ম কে ভুয়া বানিয়ে তাকে ধর্মান্তরিত করা!!!কিন্তু আমি সবার মতো অতটা মূর্খ নয়,,আমার ধর্ম সম্পর্কে আমার যথেষ্ট জ্ঞান আছে,,আপনি মূর্তি পূজার কথা বলছেন না??সেটা আসলে মূর্তি পূজা নয়,,ওটা প্রতিমা পূজা,,আর আমাদের ধর্মে সেই পূজা করার নিয়ম আছে,,প্রতিমার মধ্যে প্রান প্রতিষ্টা করা হয় তারপর সেইটাতে পূজা করা হয় মানুষের মঙ্গল এর জন্য,এইসব আপনার মাথার মধ্যে ঢুকবে না,,জানতে হলে সনাতন ধর্মগ্রন্থ গুলি পড়ুন,,আচ্ছা আমার একটা কথা,,আপনার মূর্তি পূজা বিশ্বাস করেন না,,তাহলে মক্কা মদিনায় মক্কা তৈরি করে সেখানে চুম্মা খান কেনো?
এরপর ছেলেটা একদম চুপ; আমি পরে মেসেজ করলে সিন করে তবে আর রিপ্লে দেয়না। একমিনিট পরে দেখি আমাকে ব্লক করে দিছে।
সকল হিন্দু বোনদের উদ্দেশ্যে বলছি এখনও সচেতন হও। মুসলিম ছেলেদের থেকে একশো হাত দূরে থাকবে। কোন হিন্দু মেয়ে মুসলিমকে বিয়ে করে সুখি নেই। মুসলিম পূরুষেরা হিন্দু মেয়েদেরকে যৌনদাসি হিসাবে ব্যবহার করে...।
তাই লাভ জিহাদের ফাঁদে পড়ে জীবনটাকে নষ্ট করো না।
সকল হিন্দু মেয়েদের পাঠিয়ে দিয়ে সচেতন করুন আর প্রতারনার হাত থেকে বাঁচান পরিবারকে কলংক মুক্ত রাখুন ধর্মকে সুরক্ষা রাখুন আত্মীয় স্বজনদের সম্মান রক্ষা করু।
ধর্ম রক্ষায়
এস ডি শৈশব
Jay shree Krishna..
সবাই শেয়ার করুন।

হিন্দুধর্মে সময়ের হিসেব দেখুনসত্যযুগ=১৭,২৮,০০০ বছরত্রেতাযুগ= ১২,৯৬,০০০ বছরদ্বাপরযুগ= ৮,৬৪,০০০ বছরকলিযুগ= ৪,৩২,০০০ বছরচার...
08/05/2020

হিন্দুধর্মে সময়ের হিসেব দেখুন
সত্যযুগ=১৭,২৮,০০০ বছর
ত্রেতাযুগ= ১২,৯৬,০০০ বছর
দ্বাপরযুগ= ৮,৬৪,০০০ বছর
কলিযুগ= ৪,৩২,০০০ বছর
চারযুগ মিলে এক চতুর্যুগ= ৪.৩২ মিলিয়ন বছর
১০০০ চতুর্যুগ= এক “কল্প”= ব্রহ্মার একদিন= ব্রহ্মার একরাত= ৪.৩২ বিলিয়ন বছর
১০০ বছর হল ব্রহ্মার আয়ু= আমাদের এই ব্রহ্মান্ডের আয়ু= ৩১১.০৪ ট্রিলিয়ন বছর।
আবার এক “কল্প” সময়ের মধেয় ১৪ জন মনু আসেন। প্রথম মনুকে বলা হয় স্বায়ম্ভুব মনু এবং তাঁর স্ত্রী হলেন স্বতরুপা(এই ব্রহ্মান্ডের প্রথম নারী ও পুরুষ)। প্রত্যেক মনুর সময়কালকে বলা হয় মন্বন্তর।
১ মন্বন্তর= ৭১ চতুর্যুগ= ৩০৬.৭২ মিলিয়ন বছর
ছয়জন মনু গত হয়েছেন, মানে ৬টি মন্বন্তর চলে গিয়েছে। আমরা আছি সপ্তম মনুর অধীনে যাঁর নাম “বিবস্বত মনু”। তার মানে, এই মনুর পরে আরও ৭ জন মনু আসবেন, আরও ৭ টি মন্বন্তর অতিবাহিত হবে। তারপর পূর্ণ হবে ব্রহ্মার একদিন!! তারপর হবে রাতের শুরু!!
এখন গীতা কি বলে দেখি-
“মনুষ্যমানের সহস্র চতুর্যুগে ব্রহ্মার একদিন হয় এবং সহস্র চতুর্যুগে তাঁর এক রাত হয়।…………। ব্রহ্মার দিনের সমাগমে সমস্ত জীব অব্যক্ত থেকে অভিব্যক্ত হয় এবং ব্রহ্মার রাত্রির সমাগমে সমস্ত জীব আবার অব্যক্তে লয়প্রাপ্ত হয়।”গীতা-৮/১৭-১৮
“…কল্পের শেষে সমস্ত জড় সৃষ্টি আমারই প্রকৃতিতে প্রবেশ করে এবং পুনরায় কল্পের শুরুতে প্রকৃতির দ্বারা আমি তাদের সৃষ্টি করি।”গীতা-৯/৭
“……আমার অধ্যক্ষতার দ্বারা(পরিচালনায়) জড়া প্রকৃতি এই চরাচর বিশ্ব সৃষ্টি করে। প্রকৃতির নিয়মে এই জগৎ পুনঃ পুনঃ সৃষ্টি হয় এবং ধ্বংস হয়।”
বিঃ দ্রঃ হিন্দুদের প্রচার বিমুখতার জন্য এই গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক বিষয়গুলো আজও শুধু ধর্মগ্রন্থের পাতায় সীমাবদ্ধ! অন্যের প্রশ্নের সামনে আমরা নুয়ে পড়ি, না জানার লজ্জায়, অথচ কতো সমৃদ্ধ আমাদের ইতিহাস। সারা জীবন আমরা অন্যের উপহাসের পাত্রই রয়ে গেলাম, শুধু নিজেদের সম্বন্ধে না জানার জন্য। তাই সত্যকে জানুন, জানিয়ে দিন সবাইকে।
হিন্দুধর্ম
সনাতন ধর্মের ইতিহাস
অনেকেই বলে সনাতন ধর্মের ইতিহাস নেই, আবার অনেকেই নানা রকম যুক্তি দিয়ে আসল জিনিসটা এড়িয়ে যায় না জানার কারণে, এই কারণে বিধর্মীরা আমাদের এই সুযোগটা বেশি নেয় এই বলে যে “তোদের ধর্মের তো কোন ইতিহাসই নেই।” আসলেই সনাতন ধর্মের ইতিহাস আছে কিনা, তা আজ দ্বিতীয়বারের মত আমি তুলে ধরার চেষ্টা করব আপনাদের সামনে।
পুরাণ পড়ুন ও ডাউনলোড করুন - বাংলায়
আমরা জেনেছি, আমাদের এই ব্রহ্মান্ডের জীব সৃষ্টির দায়িত্বে নিয়োজিত দেবতা প্রজাপতি ব্রহ্মার(চতুর্মুখ ব্রহ্মার) আয়ু তথা এই ব্রহ্মান্ডের আয়ু হল ১০০ বছর(মহাভারত অনুযায়ী এক বছর= ৩৬০ দিন) মানে আমাদের সময় অনুযায়ী ৩১১.০৪ ট্রিলিয়ন বছর। ব্রহ্মার আয়ু তথা ১০০ বছর শেষ হলে ঘটবে মহাপ্রলয় বা প্রাকৃতিক প্রলয়, এই পুরা ব্রহ্মান্ড(স্থাবর জঙ্গম যা কিছু আছে) ধ্বংসপ্রাপ্ত হবে।
ব্রহ্মার ১ মাস= ৩০ দিন, এই ৩০ দিনে ৩০ টি কল্প গত হয়, কল্প বলতে প্রধানত কেবল দিবাভাগকে ফোকাস করা হয়, রাত নয়। ৩০ টি কল্পের ৩০ টি নাম আছে। প্রথম কল্পের নাম শ্বেত-বরাহ কল্প বা অনেক জায়গায় আছে শ্বেত কল্প।
এই কল্পের ১৪ জন মনুর নাম হলঃ স্বায়ম্ভুব, স্বরোচিষ, উত্তম, তামস, রৈবত, চাক্ষুস, বৈবস্বত বা সত্যব্রত, সাবর্ণি, দক্ষসাবর্ণি, ব্রহ্মসাবর্ণি, ধর্মসাবর্ণি, রুদ্রসাবর্ণি, দেবতাসাবর্ণি ও ইন্দ্রসাবর্ণি। কল্প হল ব্রহ্মার দিন বা দিবাভাগ, আরও জানুন, ২ কল্পের সমান সমাম সময়= ব্রহ্মার ১ দিন + ১ রাত; কিন্তু কল্প বলতে কেবল দিবাভাগকেই ফোকাস করা হয়। এখানে মনে রাখা দরকার, প্রত্যেক মন্বন্তর শেষে একটি করে খন্ড প্রলয় ঘটে, এই সময়ে পৃথিবী এবং জীবসমুহ অব্যক্ত বা লয়প্রাপ্ত হয়। আর ব্রহ্মার দিন বা কল্পের শেষে ঘটে নৈমিত্তিক প্রলয়। এক্ষেত্রে গীতা বলে “…কল্পের শেষে সমস্ত জড় সৃষ্টি আমারই প্রকৃতিতে প্রবেশ করে এবং পুনরায় কল্পের শুরুতে প্রকৃতির দ্বারা আমি তাদের সৃষ্টি করি।”গীতা-৯/৭
তাহলে ব্রহ্মার এক বছরে আসেন ৫০৪০ জন মনু, এবং ব্রহ্মার আয়ুষ্কাল তথা এই ব্রহ্মান্ডের আয়ুষ্কাল জুড়ে মোট ৫০৪,০০০ জন মনু আসেন এবং তাঁরা আসেন ভিন্ন ভিন্ন নামে। একেকজন মনুর আয়ুষ্কাল হল ৩০৬.৭২ মিলিয়ন বছর এবং এই সময় হল মহাবিষ্ণুর এক নিঃশ্বাস নিতে যেটুকু সময় লাগে সেইটুকু!!! মহাবিষ্ণুর প্রত্যেকটি শ্বাস-প্রশ্বাসের সাথে সাথে একজন করে মনু আসে আর যায় তথা একটি করে মন্বন্তর শেষ হয়।
আমি বলেছিলাম, এটা সপ্তম মন্বন্তর চলছে আর আমরা সপ্তম মনু “বৈবস্বত মনু” এর অধীনে আছি। তাঁর আরেক নাম সত্যব্রত। তিনি সূর্যদেব বিবস্বানের পুত্র। এ প্রসঙ্গে আমরা গীতার জ্ঞানযোগ নামক ৪র্থ অধ্যায়ের প্রথম শ্লোকে দেখতে পাই,
“……আমি পূর্বে সূর্যদেব বিবস্বানকে এই অব্যয় নিষ্কাম কর্মসাধ্য জ্ঞানযোগ বলেছিলাম। তিনি তা মানবজাতির জনক বৈবস্বত মনুকে বলেছিলেন। মনু আবার তা নিজ সন্তান ইক্ষাকুকে বলেছিলেন।”
অর্থাৎ অবতার হিসেবে শ্রীকৃষ্ণের জন্মের আগেও সর্বশেষ প্রায় ১২০.৫৩ মিলিয়ন বছর আগে এই জ্ঞান প্রদান করেন।

🙏🙏🙏শুভ সকাল🙏🙏🙏🙏🙏🙏জয় গীতা 🙏🙏🙏৮ম অধ্যায় ১৫ নং শ্লোকমামুপেত্য পুনর্জন্ম দুঃখালয়মশাশ্বতম্৷নাপ্নুবন্তি মহাত্মানঃ সংসিদ্ধিং পর...
23/04/2020

🙏🙏🙏শুভ সকাল🙏🙏🙏
🙏🙏🙏জয় গীতা 🙏🙏🙏
৮ম অধ্যায় ১৫ নং শ্লোক
মামুপেত্য পুনর্জন্ম দুঃখালয়মশাশ্বতম্৷
নাপ্নুবন্তি মহাত্মানঃ সংসিদ্ধিং পরমাং গতাঃ৷৷১৫

অর্থ: ভক্তিপরায়ণ যোগীগণ, আমাকে লাভ করে আর এই দুঃখ্পূর্ণ নশ্বর সংসারে পুনরায় জন্মগ্রহণ করেন না, তারা সর্বোচ্চ সিদ্ধি লাভ করেন।

গঙ্গা গীতা চ সাবিত্রী সীতা সত্যা পতিব্রতা ।
ব্রহ্মাবলির্ব্রহ্মবিদ্যা ত্রিসন্ধ্যা মুক্তিগেহিনী ।৪৯।

অর্থ: গীতা গঙ্গা, সাবিত্রী, সীতা, সত্যা, পতিব্রতা, ব্রহ্মাবলী, ব্রহ্মবিদ্যা, ত্রিসন্ধ্যা, মুক্তি-গেহিনী ।
অর্দ্ধমাত্রা চিতা নন্দা ভবঘ্নী ভ্রানি-নাশিনী ।
বেদত্রয়ী পরানন্দা তত্ত্বার্থজ্ঞানমঞ্জরী ।৫০।

অর্থ: অর্ধমাত্রা, চিতানন্দা, ভবঘ্নী, ভ্রানি-নাশিনী, বেদত্রয়ী, পরনন্দা, তত্ত্বার্থজ্ঞানমঞ্জরী।
ইত্যেতানি জপেন্নিত্যং নরো নিশ্চলমানসঃ ।
জ্ঞানসিদ্ধিং লভেন্নিত্যং তথানে- পরমং পদম্ ।৫১।

অর্থ: গীতার এই সকল নাম কয়টি যিনি স্থির করিয়া একাগ্রচিত্তে জপ করিবেন, তিনি নিত্যজ্ঞান সিদ্ধিলাভ করেন এবং সেইভাবে অন্তে পরমপদ লাভ করিয়া থাকেন ।

ওঁ যদক্ষরং পরিভ্রষ্টং মাত্রাহীনঞ্চ যদ্‌ ভবেৎ ।
পূর্ণং ভবতু ত্বৎ সর্বং ত্বৎ প্রসাদাৎ জনার্দ্দন ।।
মন্ত্র হীনং ক্রিয়া হীনং ভক্তিহীনং জনার্দ্দন ।
যৎ পূজিতং ময়া দেব পরিপূর্ণং তদস্স্তূমে ।।

১.শ্রীকৃষ্ণ কে?২.শ্রীকৃষ্ণ এত আকর্ষনীয় কেন?৩.শ্রীকৃষ্ণ কোথায় অবস্থান করেন ?৪.শ্রীকৃষ্ণ কেন আবির্ভূত হন ?১.শ্রীকৃষ্ণ কে...
15/04/2020

১.শ্রীকৃষ্ণ কে?
২.শ্রীকৃষ্ণ এত আকর্ষনীয় কেন?
৩.শ্রীকৃষ্ণ কোথায় অবস্থান করেন ?
৪.শ্রীকৃষ্ণ কেন আবির্ভূত হন ?

১.শ্রীকৃষ্ণ কে?
উত্তর: শ্রীকৃষ্ণ হচ্ছেন পরমেশ্বর ভগবান, পরমব্রহ্মও অনাদির আদি।
শ্রীকৃষ্ণই সকল সত্তার উৎস। শ্রীকৃষ্ণইআদি, মধ্য এবং অন্ত্য । সর্বকারনের পরম কারণ ।শ্রীকৃষ্ণ পূর্ণ-পুর্নম।

২. শ্রীকৃষ্ণ এত আকর্ষনীয় কেন?
উত্তর: শ্রীকৃষ্ণ সর্ব ঐশ্বর্যে পূর্ণ । তাঁর মধ্যে*সকল ঐশ্বর্য *সকল শ্রী * সকল বীর্য *সকল জ্ঞান*সকল যশ *সকল বৈরাগ্য পূর্ণরূপে বিরাজমান ।

৩. শ্রীকৃষ্ণ কোথায় অবস্থান করেন ?
উত্তর: চিৎ জগতের গোলক বৃন্দাবনে শ্রীকৃষ্ণ স্বয়ংবিরাজমান। গোলক বৃন্দাবন বেষ্টনকারী অন্তহীনচিৎজগতের বৈকুন্ঠধামে শ্রীকৃষ্ণ চতুর্ভুজরূপী নারায়নরূপে বিরাজমান। শ্রীকৃষ্ণ মহাবিষ্ণুরূপে নিজেকে বিস্তারকরেন এবং এই সীমাবদ্ধ জড়ো বিশ্বব্রহ্মান্ডসৃষ্টিকরেন।শ্রীকৃষ্ণ প্রতিটি ব্রহ্মান্ডে গর্ভোদকশায়ী বিষ্ণুরূপেপ্রবেশ করেন এবং সেগুলিকে পরিচালনা করেন।শ্রীকৃষ্ণ প্রতিটি জীবসত্তা , জড়বস্তু , সক্রিয় কিংবানিস্ক্রিয় শরীরে ক্ষীরোদকশায়ী বিষ্ণুরূপেপ্রবেশ করেন এবং তাদের প্রতিপালন করেন।

৪. শ্রীকৃষ্ণ কেন আবির্ভূত হন ?
উত্তর: যখন এবং যেখানে ধর্মীয় অনুশাসনের অধ:পতনঘটে এবং অধর্মের অভূত্থান ঘটে ঠিক তখনি সাধুদেরপরিত্রান করার জন্য এবং দুস্কৃতিকারীদেরবিনাশ করার জন্যশ্রীকৃষ্ণ যুগে যুগে অবতীর্ণ হন ।
শ্রীকৃষ্ণ ব্রহ্মারজীবনাবসানের একদিনে একবার বা প্রতি ৮৬০ কোটি বছর পর একবার আবির্ভূত হন ।
☞ভালো লাগলে ফ্রেন্ট রিকোয়েস্ট দিবেন!

14/04/2020

MADHUR KRITAN

বাংলা নববর্ষের কে? সহজ উত্তর গৌড় বঙ্গের প্রথম সার্বভৌম রাজা শশাঙ্কআসছে বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন। আমরা কি জানি এই বাংলা ...
13/04/2020

বাংলা নববর্ষের কে?

সহজ উত্তর গৌড় বঙ্গের প্রথম সার্বভৌম রাজা শশাঙ্ক

আসছে বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন। আমরা কি জানি এই বাংলা নববর্ষ পদ্ধতি কখন থেকে চালু হয়েছে? কে এই বঙ্গাব্দের স্রষ্টা? অনেকেই কিন্তু সঠিক ইতিহাস জানিনা। আসুন আমরা আজ সেই সঠিক ইতিহাসটি জানি। দয়া করে আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়বেন। আর ভালো লাগলে অবশ্যই সবাইকে জানানোর জন্য পোস্টটি শেয়ার করবেন।বঙ্গাব্দের উৎপত্তি নিয়ে অনেকগুলো মতের মধ্যে প্রধানমত মত হলো চারটি:১. সম্রাট আকবর২. সুলতান হুসেন শাহ৩.তিব্বতীয় শাসক স্রং-সন-গাম্পো৪. গৌড় বঙ্গের প্রথম সার্বভৌম রাজা শশাঙ্ক

এর মধ্যে সম্রাট আকবরকে নিয়ে প্রথম মতটি অনেক শক্তিশালী। পাকিস্থান আমল থেকে বিশেষ রাজনৈতিক কারণে এই মতটিকে ব্যাপকভাবে প্রচারণা চালানো হয়। বলা হয়ে থাকে সম্রাট আকবরের সিংহাসন আরোহণের বছর ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দ, হিজরী ৯৬৩ সালকে বঙ্গাব্দের প্রথম বছর ধরে আমীর ফতই উল্লাহ সিরাজির প্রচেষ্টায় বঙ্গাব্দের প্রবর্তন করেন। এই যুক্তি অনুসারে ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দের আগে কোন বঙ্গাব্দ ছিলো না। সত্যি কি তাই!
তবে কেন বাকুড়ার একটা মন্দিরে ১০২ বঙ্গাব্দের উল্লেখ আছে? এবং বৃন্দাবনচন্দ্র পুততুণ্ড রচিত “চন্দ্রদ্বীপের ইতিহাস” গ্রন্থে ৬০৬ বঙ্গাব্দের উল্লেখ আছে?এমন অসংখ্য দৃষ্টান্ত দেয়া যায় শুধুমাত্র নয়, যারা পাণ্ডুলিপি বা পুরাতত্ত্ব নিয়ে গবেষণা করছেন তারা দেখেছেন বা দেখবেন যে ; সম্রাট আকবরের সময়ের বা ১৬ শতাব্দীপূর্ব পাণ্ডুলিপিগুলিতে অনেক স্থানেই বঙ্গাব্দের নিদর্শন পাওয়া যায়। বাংলা অঞ্চলে পাওয়া পাণ্ডুলিপিতে অধিকাংশ স্থানেই শকাব্দ এবং কিছুকিছু স্থানে শুধুমাত্রই তারিখ দেয়া আছে, সেই তারিখগুলি সুস্পষ্টরূপে বঙ্গাব্দের। যারা আকবরকে বঙ্গাব্দের প্রবর্ত্তক বলেন এবং বলেন ৯৬৩ হিজরী সালকে বঙ্গাব্দে প্রতিস্থাপন করেই বঙ্গাব্দ যাত্রা শুরু করেছে ; এটা যে কত হাস্যকর এবং বালখিল্য কথা তা একটা বাচ্চা ছেলেও বুঝবে। শুধুমাত্র গায়ের জোড়ে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় বলা হচ্ছে। যার বাস্তব ভিত্তি অনেক নড়বড়ে।
বঙ্গাব্দের উৎপত্তি নিয়ে ২ এবং ৩ নং মতটির পক্ষে বিশেষ যুক্তি নেই তাই, এ নিয়ে বিশেষ আলোচনায় যাচ্ছি না।আমরা এখন চতুর্থ জোরালো মত নিয়ে আলোচনা করে দেখবো এর পক্ষে যুক্তিসমূহ –

পঞ্জিকার বর্ষগণনা অনেক জটিল, আমরা তাই কোন জটিল এবং কুটিল পথে না যেয়ে সহজভাবে দেখার চেষ্টা করবো। ধরুন এখন ইংরেজি চলছে ২০১৮ সাল এবং বাংলার চলছে ১৪২৪ বঙ্গাব্দ। ইংরেজি কত খ্রিস্টাব্দ থেকে বঙ্গাব্দ শুরু হয়েছে এটা জন্যে আমাদের ২০১৮ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৪২৪ বঙ্গাব্দকে বিয়োগ করলে আমরা ৫৯৪ খ্রিস্টাব্দ পাই। অর্থাৎ ইংরেজি ৫৯৪ খ্রিস্টাব্দেই বঙ্গাব্দের প্রবর্তন হয়।
সেইসময় বাংলার বিভিন্ন জনপদে বিভক্ত বাংলার শাসক কে ছিলেন?
সহজ উত্তর গৌড় বঙ্গের প্রথম সার্বভৌম রাজা তখন শশাঙ্ক। তিনি বিভিন্ন জনপদগুলোকে এক করে গৌড় সাম্রাজ্যের প্রবর্তন করেন।
লোডস্টার, প্ল্যানেটরিয়াম সহ বিভিন্ন জ্যোতিষ বিজ্ঞানে সফটওয়্যারের মাধ্যমে যদি দিনটিকে আমরা বিশ্লেষণ করি তবে দেখতে পাবো ১ বঙ্গাব্দের ১ বৈশাখ তারিখটি ছিলো – ৫৯৪ খ্রিস্টাব্দের ১২ এপ্রিল সোমবার।৫৯৪ খ্রিস্টাব্দটি ছিলো সম্ভবত গৌড় বঙ্গের প্রথম সার্বভৌম রাজা শশাঙ্কের রাজ্যাভিষেকের বছর। আর রাজা শশাঙ্ক যে কট্টরপন্থী শৈব ছিলেন, তা ইতিহাস পাঠকমাত্রই জানেন। এবং তাই শৈবপন্থী কোন রাজা অবশ্যই শৈবদের কাছে পরম পবিত্র সোমবার দিনটিকেই যে রাজ্যাভিষেক,অব্দ প্রবর্তন সহ সকল কাজেই বেছে নিবেন ; তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
(এই বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্যে আগ্রহীরা পড়তে পারেন সুনীলকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা, “বঙ্গাব্দ প্রসঙ্গ”)

Address

Kolkata

Telephone

+16045553636

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hindutva Bangla posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share