Jagannath Mandir Bagbazar

Jagannath Mandir Bagbazar Inaugurated On 2023. Situated at Girish Chandra Avenue and Baghbazar Street crossing. Very famous in loaclity. Mandir Open Timing
Day - 5a.m. to 12p.m. to 10p.m.
(1)

Evening - 5p.m.

19/03/2026
!! জয় জগন্নাথ !!আগামী (৩রা মার্চ, ২০২৬) দোল পূর্ণিমা উপলক্ষে বাগবাজার শ্রী শ্রী জগন্নাথ মহাপ্রভুর মন্দিরে আংশিক সোনা বেশ...
01/03/2026

!! জয় জগন্নাথ !!
আগামী (৩রা মার্চ, ২০২৬) দোল পূর্ণিমা উপলক্ষে বাগবাজার শ্রী শ্রী জগন্নাথ মহাপ্রভুর মন্দিরে আংশিক সোনা বেশ দর্শন হবে রাত্রি ৮টা থেকে রাত্রি ১১টা অবধি । সেই দিন চন্দ্রগ্রহণ থাকায় দুপুর ১টা থেকে সন্ধ্যা ৭.৪৫ অবধি, মহাপ্রভুর দর্শন বন্ধ থাকবে। সন্ধ্যা আরতি রাত্রি ৮:৪৫ এ অনুষ্ঠিত হবে। সকল ভক্তদের উপস্থিতি ও সহযোগিতা কামনা করি! |

তারিখ - 03.03.2026 ও সময় - 8pm - 11pm

বাগবাজার জগন্নাথ মহাপ্রভু মন্দির পরিচালন সমিতি

https://maps.app.goo.gl/QFsNgeFT8CawVcf47?g_st=aw

পুরীর মন্দির : দৈনিক পতাকা পরিবর্তনের আচার 🚩🚩এবং তার বিবরণ ( ধোয়াজা পরিবর্তন )🙏🙏🙏 জয় জগন্নাথ 🙏🙏🙏
07/02/2026

পুরীর মন্দির : দৈনিক পতাকা পরিবর্তনের আচার 🚩🚩
এবং তার বিবরণ ( ধোয়াজা পরিবর্তন )
🙏🙏🙏 জয় জগন্নাথ 🙏🙏🙏

31/01/2026

সুধী জগন্নাথভক্তবৃন্দ,

ଜୟ ଜଗନ୍ନାଥ 🌸 জয় জগন্নাথ

আগামীকাল _১৮'ই মাঘ, ১৪৩২ (১'লা ফেব্রুয়ারী, ২০২৬) মাঘী পূর্নিমার পূণ্য তিথিতে বাগবাজার জগন্নাথ মন্দিরে শ্রীশ্রী জগন্নাথ মহাপ্রভুর সান্ধ্যকালীন বিশেষ মহাআরতির আয়োজন করা হয়েছে। এতদ উপলক্ষে সকলকে সন্ধ্যায় মন্দির প্রাঙ্গণে মহাপ্রভুর কৃপা দর্শন হেতু আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে।

হরেকৃষ্ণ 🪔
বাগবাজার জগন্নাথ মন্দির

*ভৈমী ও জয়া একাদশী মাহাত্ম্য:*মাঘী শুক্লপক্ষীয়া ‘জয়া’ একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য ভবিষ্যোত্তরপুরাণে যুধিষ্ঠির – শ্রীকৃষ্ণ স...
27/01/2026

*ভৈমী ও জয়া একাদশী মাহাত্ম্য:*

মাঘী শুক্লপক্ষীয়া ‘জয়া’ একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য ভবিষ্যোত্তরপুরাণে যুধিষ্ঠির – শ্রীকৃষ্ণ সংবাদরূপে বর্ণিত আছে।
শ্রীগরুড়পুরাণে মাঘ মাসের শুক্লপক্ষীয়া একাদশী তিথিকে ‘ভৈমী’ একাদশী নামে অভিহিত করা হয়েছে। পদ্মপুরান অনুসারে জৈষ্ঠ মাসের শুক্লপক্ষীয়া একাদশীর নামই ‘পান্ডবা নির্জলা বা ‘ভৈমীসেনী’ ( ভৈমী) একাদশী।
যুধিষ্ঠির বললেন- হে মহারাজ ! মাঘ মাসের শুক্লপক্ষের একাদশী জয়া নামে প্রসিদ্ধ । এই তিথি সর্বপাপবিনাশিনি, সর্বশ্রেষ্ঠা, পবিত্রা, সর্বকাম ও মুক্তি প্রদায়িনী। এই ব্রতের ফলে মানুষ কখনও প্রেতত্ব প্রাপ্তি হয় না । এই একাদশীর নিম্নরূপ উপাখ্যান শোনা যায়।
একসময় স্বর্গলোকে ইন্দ্র রাজত্ব করেছিলেন। সেখানে অন্য দেবতারাও বেশ সুখেই ছিলেন। তারা পারিজাত পুষ্প শোভিত নন্দনকাননে অপ্সরাদের সাথে বিহার করতেন। একদিন পঞ্চাশ কোটি অপ্সরা নায়ক দেবরাজ ইন্দ্র স্বেচ্ছায় আনন্দভরে তাদের নৃত্য করতে বললেন। নৃত্যের সাথে গন্ধর্বগন গান করতে লাগলেন। পুষ্পদত্ত, চিত্রসেনের পত্মীর নাম মালিনী । পুষ্পবন্তী নামে তাঁদের এক কন্যা ছিল। পুষ্পদত্তের পুত্রের নাম মাল্যবান। এই মাল্যবান পুষ্পবন্তীর রূপে মুগ্ধ হয়েছিল। পুষ্পবন্তী পুনঃ পুনঃ কটাক্ষ দ্বারা মাল্যবানকে বশীভূত করেছিল।
ইন্দ্রের প্রতিবিধানের জন্য তারা দুজনেই নৃত্যগীতের দ্বারা সেই সভায় যোগদান করেছিল। কিন্তু একে অপরের প্রতি আকৃষ্ট থাকায় উভয়েরেই চিত্ত বিভ্রান্ত হচ্ছিল। সেখানে তারা পরস্পর কেবল দৃষ্টিবদ্ধ অবস্থায় দাঁড়িয়ে থাকল। ফলে গানের ক্রম বিপর্যয় ঘটল । তাদের এইরখম তাল- মান ভঙ্গভাব দেখে তারা যে পরস্পর কামাসক্ত হয়েছে, দেবরাজ ইন্দ্র তা বুঝতে পারলেন। তখন ক্রোধবশে তিনি তাদের অভিশাপ দিলেন- রে মূঢ় ! তোমরা আমার আজ্ঞা লঙ্ঘন করেছ । তোমাদের ধিক! এখনই তেমারা পিশাচযোনী লাভ করে মর্ত্যলোকে নিজ দুষ্কর্মের ফল ভোগ কর।
ইন্দ্রের অভিশাপে তারা দুজন দুঃখিত মনে হিমালয় পর্বতে বিচরন করছিল। পিশাচত্ব প্রাপ্ত হওয়ায় তারা অত্যন্ত দুঃখ ভোগ করতে লাগল। হিমালয়ের প্রচন্ড শীতে কাতর হয়ে নিজেদের পূর্বপরিচয় বিষ্মৃত হল। এইভাবে অতিকষ্টে সেখানে দিনযাপন করতে লাগল।
একদিন পিশাচ নিজপত্নী পিশাচীকে বলল- সামান্য মাত্র পাপ করিনি । অথচ নরকযন্ত্রণার মতো পিশাচত্ব প্রাপ্ত হয়েছি। অতএব এখন থেকে আর কখনও কোন পাপকর্ম করব না । এইভাবে চিন্তা করে তারা সেই পর্বতে মৃতপায় বাস করত লাগল। মাল্যবান ও পুষ্পবন্তীর পূর্ব কোন পুন্যবশত সেই সময় মাঘী শুক্লপক্ষীয় ‘জয়া’ একাদশী তিথি উপস্থিত হল। তারা একটি অশ্বত্থ বৃক্ষতলে নিরাহারে নির্জলা অবস্থায় দিবানিশি যাপন করল। শীতের প্রকোপে অনিদ্রায় রাত্রি অতিবাহিত হল।
পরদিন সূর্যোদয়ে দ্বাদিশী তিথি উপস্থিত হল। জয়া একাদশীর দিন অনাহারে ও রাত্রি জাগরনে তাদের ভক্তির অনুষ্টান পালিত হল। এই ব্রত পালনের ফলে ভগবান বিষ্ণুর কৃপার দ্বারা পিশাচত্ব দূর হল। তারা দুজনই তাদের পূর্ব রূপ ফিরে পেল। তারপর তারা স্বর্গে ফিরে গেল। দেবরাজ তাদেরকে দেখে অত্যন্ত আশ্চর্য হলেন । তিনি জিজ্ঞাসা করলেন কোন পুণ্যফলে তোমাতের পিশাচত্ব দূর হল। আমার অভিশাপ কে তোমাদের মুক্ত করল ?
মাল্যবান বললেন- হে প্রভু ! ভগবান বাসুদেবের কৃপায় জয়া একাদশী ব্রতের পুন্যপ্রভাব আমাদের পিশাচত্ব দূর হয়েছে। তাদের কথা শুনে দেবরাজ ইন্দ্র বললেন হে মাল্যবান তোমরা এখন থেকে আবার অমৃত পান করো । একাদশী ব্রতে যাঁরা আসক্ত এবং কৃষ্ণভক্তি পারায়ন তাঁরা আমাদেরও পূজ্য বলে জানবে। এই দেবলোকে তুমি পুষ্পবন্তির সাথে সুখে বাস কর।
হে মহারাজ ! এই ‘জয়া’ ব্রত ব্রহ্মহত্যাজনিত পাপকেও বিনাশ করে। এই ব্রত পালনে সমস্ত প্রকার দানের ফল লাভ হয়। সকল যজ্ঞ ও তীর্থের পুন্যফল এই একাদশী প্রভাবে আপনা হতেই লাভ হয়। অবশেষে মহানন্দে অনন্তকাল বৈকুন্ঠ বাস হয়। এই জয়া একাদশী ব্রত কথা পাঠ ও শ্রবনে অগ্নিষ্টোম যজ্ঞের ফল পাওয়া যায়।

হরেকৃষ্ণ 🪔
জয় জগন্নাথ 🚩
ଜୟ ଜଗନ୍ନାଥ 🪷
_বাগবাজার জগন্নাথ মন্দির ভক্তবৃন্দ কর্তৃক প্রচারিত ও প্রসারিত_

জয় জগন্নাথ
18/01/2026

জয় জগন্নাথ

04/01/2026

Mahaprabhu #

Address

Jagannath Temple, Girish Avenue & Baghbazar Street Crossing
Kolkata
700003

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jagannath Mandir Bagbazar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share