17/08/2026
প্রয়াণ দিবসে সম্মান জানাই বীর বিপ্লবী শ্রী পুলিন বিহারী দাসকে।
“...(ঢাকায়) মুসলমান গাড়োয়ান, রাজমিস্ত্রী বা অন্যান্য মুসলমানগণও পথে-ঘাটে, যেখানে-সেখানে হিন্দুগণকে ভয় দেখাইতে লাগিল, যাহা খুশী তাহাই বলিতে লাগিল। একদিন ঢাকার নবাব কয়েকজন বিশিষ্ট সম্মানিত হিন্দুকে বাড়ীতে ডাকাইয়া লইয়া অপমান করিল। হিন্দুগণ এই কারণে কিছু বিচলিত হইয়া পড়িল। তাই নিয়ম করিলাম, (অনুশীলন) সমিতিতে কোন মুসলমান ছাত্র নেওয়া হইবে না। কেহ কেহ অবশ্য ইহাতে আপত্তি করিয়া বলিলেন যে, গভর্ণমেন্টই মুসলমানগণকে উত্তেজিত করিতেছে, আমরা সদ্ভাব রাখিলে মুসলমানগণও সম্ভাব রাখিবে। কিন্তু অধিকাংশ লোকেই এই যুক্তি মানিয়া লইতে পারিল না।...”
“...স্বদেশী আন্দোলনে মুসলমানদের সম্পূর্ণ সহযোগিতা না পাইলেও হিন্দুদের তীব্র দেশাত্ববোধের কিছুমাত্র লাঘব হয় নাই। কিন্তু কংগ্রেস যেদিন হইতে স্বাধীনতার জন্য হিন্দু-মুসলমানের মিলনের বাণী প্রচার করিতে লাগিল, সেদিন হইতে মুসলমানগণও ভাবিতে লাগিল যে, মুসলমানদের কৃপা ব্যতীত হিন্দুগণ নিতান্তই নগণ্য।..."
— বিপ্লবী পুলিন দাস (বিপ্লবী পুলিন দাসের আত্মকথা “বিপ্লবী পুলিন দাস”, সম্পাদক শ্রী ভবতোষ রায়)