সনাতনে স্বাগতম - welcome to hinduism

  • Home
  • India
  • KOLKATA
  • সনাতনে স্বাগতম - welcome to hinduism

সনাতনে স্বাগতম - welcome to hinduism সনাতন পরিবারে আপনাকে স্বাগতম জানাই।

পাকিস্তানের ফুটবল দলের খেলোয়াড় শাবানা আলী। কে খ্রিস্টান ছেলে প্রেমের মধ্যে খৃস্টান ধর্ম গ্রহণ। আজ সে মারা গেছে।
11/11/2018

পাকিস্তানের ফুটবল দলের খেলোয়াড় শাবানা আলী। কে খ্রিস্টান ছেলে প্রেমের মধ্যে খৃস্টান ধর্ম গ্রহণ। আজ সে মারা গেছে।

দলিত-মুসলিম ঐক্যের স্বপ্নে যাদের চোখে কখনোই ঘুম আসেনা,... তাদের জন্যঃ- আমরা অনেকের মুখেই শুনেছি পদ্ম'র বিলে একটা দাঙ্গা ...
20/03/2017

দলিত-মুসলিম ঐক্যের স্বপ্নে যাদের চোখে কখনোই ঘুম আসেনা,... তাদের জন্যঃ

- আমরা অনেকের মুখেই শুনেছি পদ্ম'র বিলে একটা দাঙ্গা হয়েছিল, মতুয়া আর মুসলমানদের মধ্যে। কিন্তু ঘটনাটা কি ছিল ?
-------------------------------------------------------------------------------------------
বিখ্যাত পদ্মবিলের ঘটনার কোনো লিখিত বিবরণ নেই। ওই অঞ্চলের বয়স্ক মানুষজনের মুখে মুখে এই ঘটনার বিবরণ চলে আসছে , এই সম্মন্ধে কিছু ছড়া ,প্যারোডি টাইপের গান মতুয়াদের মধ্যে আজও প্রচলিত আছে।

সেটা ১৯২৩ সালের ঘটনা। ফরিদপুর জেলার ওড়াকান্দি গ্রামের কাছেই পদ্মবিল বলে একটা বিল ছিল, তার লাগোয়া পুরোপুরি হিন্দুদের একটা গ্রাম ছিল যার নাম ছিল পদ্মবিল, যার আশপাশে অনেক মুসলমান গ্রাম ছিল। শোনা যায়, সেই পদ্ম-বিলের মাছধরা নিয়ে স্থানীয় মতুয়াদের সঙ্গে মুসলমানদের সামান্য একটা গন্ডগোল হয়, যা অবশেষে মারামারির পর্যায়েই চলে যায়। কিন্তু সংঘবদ্ধতার কারণে মুসলমানেরা মারাত্মক প্রতিশোধ নেবার জন্য, হিন্দুগ্রাম লুঠপাঠ ও তাদের হত্যার জন্য অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আক্রমণের প্রস্তুতি নেয়।

পরেরদিন ছিল শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুরের জন্মদিন , প্রথামাফিক ঐদিন ওড়াকান্দিতে বারুনী মেলা ও স্নান হতো। সেই উপলক্ষে বহু মতুয়া সম্প্রদায়ের হিন্দু সেখানে জড়ো হয়েছিল।

অপরদিকে চারিদিক থেকে মুসলমানেরা প্রচুর সংখ্যায় জড়ো হবার খবর পেয়ে গুরুচাঁদ ঠাকুর খুব চিন্তিত হয়ে পড়েন। আরো খবর আসে যে কোনো সময় তারা আক্রমণ করতে পারে, কয়েক হাজার মুসলমান বিলের ধারে হাতে অস্ত্র নিয়ে প্রস্তুত। অবস্থা বেগতিক দেখে কিছু সর্দারেরা প্রতিজ্ঞা করেন, তারা হিন্দুদের রক্ষা করবেন।

- ঠাকুর লাঠি তুলে দেন তাদের হাতে , আর তাদেরকে বলেন যে, এই লাঠি এতদিন বঙ্গের হিন্দুদের রক্ষা করে এসেছে আর আজ-ও করবে । তিনি নমোঃ সর্দারদের উদ্বুদ্ধ করবার জন্য বলেছিলেন - "দেখো ডাংকার বাদ্যে যে শব্দ ' যুদ্ধ জয় যুদ্ধ জয় ' ধ্বনি উত্থিত হচ্ছে, তা তোমরা নিজ কানেই শুনতে পাচ্ছ"।
সে সময় শ্রী শ্রী ঠাকুর হঠাৎ হুঙ্কার দিয়ে উঠলেন - "আজ থেকে এই ডাংকার নাম হলো জয়ডঙ্কা"।

ঠাকুরের আদেশ পেয়ে সেদিন হাজার হাজার মতুয়া রণহুংকারে ওড়াকান্দির আকাশ বাতাস মুখরিত করে তুলেছিল। সবাই তাড়াতাড়ি বারুণীর পুন্যস্নান সেরে লাঠি আর কিছু সড়কির মাথায় লাল নিশান উড়িয়ে একসাথে জয়ডঙ্কা, কাঁশি, সিঙ্গে ফুঁকে, কপালে পুণ্যবতী মায়েদের দেওয়া সিঁদুরের টিপ্ পরে রণযাত্রা করেছিল। আর পেছনে মুহুর্মুহ উলুধ্বনি আর শঙ্খবাদন করেছিলেন, তাদের মা বোনেরা ,... বীর মতুয়াদের যুদ্ধজয়ের কামনায়।

দু পক্ষে হাজার হাজার মানুষ দাড়িয়ে, সেখানে মতুয়াদের রণসাজে সজ্জিত দেখে মুসলমানেরা হটাৎ থমকে গেল , কিছুটা ভয় ও পেলো ,পরোক্ষনেই আল্লা হু আকবর বলে প্রথম আক্রমণ করলো। এবার মতুয়ারা জয় হরিচাঁদ জয় গুরুচাঁদ ,জয় মা কালী বলে - প্রথম ঢালের মাধ্যমে আক্রমণ প্রতিহত করলো , আর পেছন থেকে তীব্রবেগে আরেক দল ভয়ঙ্কর যোদ্ধা আক্রমণ করলো তাদের। মতুয়াদের চরম প্রত্যাঘাতে মুসলমানদের বুহ্য ছিন্নভিন্ন হয়ে গেল।

হিন্দুরা তখন মারাত্মক ভাবে ক্ষিপ্ত , নাগালের মধ্যে পেয়ে মুসলমানেদের একে একে ৭২ হুরের কাছে পাঠাতে লাগলো। পরাজিত মুসলমানদের দল প্রাণভয়ে পালতে লাগলো , পিছু তাড়া করে অনেককে পেটানো হল , আর বাকিদের তাদের গ্রাম পর্যন্ত ধাওয়া করে নিয়ে গেল বীর মতুয়ারা।

( এখানে একটা কথা উল্লেখ করি যে সব অঞ্চলে মুসলমানদের আধিক্য ছিল সেখানে তারা মাঝে মধ্যেই উগ্রভাব দেখাতো , কিন্তু চতুর্দিকে মতুয়া সর্দারদের ভয়ে তারা বেশি বাড়াবাড়ি করতো না , হিন্দুরা ঠাট্টা করে এই উগ্রতাকে " পিঁয়াজি রাগ " বলতো। নমঃ সমাজের মধ্যে কৌতুক প্রচলিত ছিল -
" মিঞাসাহেবকে বল ভাই ,
হাতে একখানা লাঠি চাই।
যদি মিঞা রোহে,
- ঘা দিয়ো তার কোঁহে। "
অর্থাৎ একখানা লাঠি দেখলেই মিঞাদের রাগ ঠান্ডা হয়ে যেত।

সে সময় নমঃ সর্দাররা হাতে একখানা লাঠি নিয়ে চলাফেরা করতো , আর খাদ্যাভাস , শরীরচর্চার ফলে এদের শরিরে ছিল হাতির মতো শক্তি ,চিতার মতো ক্ষিপ্রতা। এরা চাইলে, যেকোনো সময় ১২/১৪ জনকে কুপোক্যাত করতে পারতো। )

এই বিখ্যাত পদ্মবিলের কাজিয়াতে কতজন মারা গেছিলো তার কোনো সরকারি পরিসংখ্যান নেই , আর অনেকদিন আগের এই ঘটনা বলে সঠিক সংখ্যা বলার মতো কোনো মানুষ আজ আর জীবিত নেই। প্রচলিত ছড়া, আর লোককথা থেকে সহজেই অনুমান করা যায় যে, বিরাট সংখ্যক মুসলিম সেদিন মারা পড়ে। মুসলিমদের গ্রাম পর্যন্ত তাড়িয়ে ফেরার পথে হিন্দুরা দেখতে পায় ,শত শত মুসলমানদের মৃতদেহ বিলের মধ্যে পড়ে আছে। তা দেখে তারা ভয় পেয়ে যায়। কিন্তু ঠাকুরের কৃপায় তাদের মাথায় একটা বুদ্ধি এসে যায়। দুই একজন একটা করে সেইসব মৃতদেহ এনে তারা বিলের অনাবাদি ঘাসের চাটানের নিচে পুঁতে দেয়।

সেদিন ঠাকুরের অশেষ কৃপা বর্ষিত হয়েছিল ওখানে। সারারাত ধরে চলে অঝোরে বৃষ্টি , যার ফলে বিলের জল ৩/৪ হাত উঁচু হয়ে সব ঢাকা পড়ে যায়। ফলে পরের দিন পুলিশ এসে দাঙ্গার কোনো চিহ্নই খুঁজে পাইনি। তাছাড়া ডাক্তার মিড সাহেবের প্রচেষ্টায় ক্রিস্টিয়ান প্রচারকেন্দ্র গড়ে ওঠে। সেখানে ক্রিস্টিয়ান পাদ্রিরা পুলিশ কে বেশি বাড়াবাড়ি করতে নিষেধ করে। প্রথম দিকে পুলিশ, কিছু মানুষকে গ্রেফতার করলেও পরে সবাই মুক্তি পান।

( সূত্র -বাঙালির মুক্তিযুদ্ধে অন্তরালের শেখ মুজিব, লেখক ডাক্তার কালিদাস বৈদ্য )

15/03/2017

আসমুদ্র হিমাচলের শক্তি রূপিণী ....
বরাভয় প্রদায়িনী...দেবী দুর্গা বেশ্যা/যৌনকর্মী !!
( বন্ধুরা প্রচুর শেয়ার করে সকলের কানে কানে পৌঁছে দিন কমিউনিষ্টদের অসভ্যতামীর ইতিবৃত্ত )

তিনি উচ্চবর্নের.... সাদা চামড়ার মোহিনী নারী, ... যিনি ছলনা করে একজন নিম্নবর্নের দলিত গোষ্ঠীপতি মহিষাসুর কে হত্যা করেছিলেন ...??

নারীকে কেবল ভোগ্যপণ্য রূপে চিত্রনকারী তথা নারী মুক্তির ভেকধারী তীব্র মাতৃশক্তি বিরোধী, আবহমানকালের দেশদ্রোহী এবং ভারত বিদ্বেষী JNU এবং যাদবপুরের কম্যুনিস্ট কানাইহাদের জানাই ..... একরাশ ঘৃনা ভরা ধিক্কার .....।।

⛔. হিন্দু মেয়েদের মুসলিম আসক্তিঃ::::::::::::::কারণ ও পরিণাম::::::::::::::::দয়া করে কেউ এড়িয়ে যাবেন না।তিন মিনিট সময় ভিক...
14/03/2017

⛔. হিন্দু মেয়েদের মুসলিম আসক্তিঃ
::::::::::::::কারণ ও পরিণাম::::::::::::::::
দয়া করে কেউ এড়িয়ে যাবেন না।তিন মিনিট সময় ভিক্ষা চাইছি।
উপমহাদেশে ইসলাম ধর্ম বিস্তারের প্রধান হাতিয়ার হিন্দু মেয়ে বিবাহ। ছলে-বলে-কৌশলে মুসলমানের সংখ্যা বৃদ্ধি করা তাদের সকল উদ্দেশ্য সাধনের অন্যতম প্রধান হাতিয়ার। অতীতে রাজ্যহারা পরাধীন হিন্দুগণ জান-মালের ভয়ে, অস্ত্বিত্ব ও জীবন রার্থে ইসলাম গ্রহণ করতে বাধ্য হত অথবা নির্যাতন, ধর্ষণ, লুণ্ঠন বা মৃত্যুকে স্বীকার করে নিত। বর্তমানে দ্বিতীয় ঘটনাটার পুনরাবৃত্তি মাঝে মাঝেই ঘটে। কিন্তু অবাক হতে হয়, হিন্দু ছেলে-মেয়েরা তাদের নিজেদের ধর্ম বা ইসলাম ধর্ম কোনটা সম্পর্কেই সুস্পষ্ট ধারণা না রেখেই স্বেচ্ছায় ধর্মান্তরিত হচ্ছে। কি সেই আকর্ষণ আর কেনই বা হিন্দু মেয়েরা মুসলিম ছেলেদের প্রতি এত আকৃষ্ট হচ্ছে?
কারণঃ কেন আসক্ত হচ্ছে?
১. সনাতন ধর্মীয় মূল্যবোধ ও জ্ঞান শূন্যতা
নিজের ধর্ম সম্পর্কে হিন্দু যুবক-যুবতীগণ একেবারেই অজ্ঞ। তাদের পরিবার থেকে যথাযথ ধর্মীয় জ্ঞান তাদের দেওয়া হয় না। সনাতন ধর্মীয় শুদ্ধ জ্ঞান লাভের উৎসেরও অভাব রয়েছে। নিজের ধর্ম সম্পর্কে অজ্ঞতার কারণে বিধর্মীদের সমালোচনার কোন সদুত্তর তারা দিতে পারে না। একসময় সত্যিই নিজের ধর্মকে ভ্রান্ত বা অর্থহীন মনে করতে দ্বিধা করে না।
২. মানসিক ধর্ষনের স্বীকারঃ একটি হিন্দু ছেলে কিংবা মেয়ে নিজ পরিবারের মা-বাবা সহ পরিবারের সকল বয়েজ্যৈষ্ঠদের কাছ থেকে শিখে ভাল আর মন্দের পার্থক্য গুলি, যেমন ভাল মানুষ ও মন্দ মানুষ। শিখে সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই। কিন্তু শিখে না যেটা বেশী দরকার তাহল এরা প্রথমে হিন্দু ও তারপর মানুষ। শিখে না এরা সংখ্যা লগু সম্প্রদায়ে জন্ম এবং বড় হয়ে প্রতিটি পদে পদে বঞ্চনা ও বিড়ম্বনার শিকার হতে হবে। অপর দিকে একটি মুসলিম সম্প্রদায়ের শিশু শিখে সে প্রথমে মুসুলমান পরে মানুষ। সে আরো শিখে সে নিজে মুসুলমান আর অন্যেরা বিধর্মী এ ধরনের পার্থক্যগুলি। ফলে যে কোন হিন্দু শিশু প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির পর থেকে সহসাথীদের নিকট শুনতে হয় ঐ হিন্দু, শিকদের নিকট শুনতে হয় তোমরা হিন্দু এবং হিন্দুদের কোন ধর্ম নাই ইত্যাদি ইত্যাদি। এভাবে হিন্দু শিশুরা মানসিক ধর্ষনের শিকার হতে থাকে এবং ধর্ষনের এধারা কোন হিন্দু শিশুর বয়ঃ বৃদ্ধির সাথে ক্রমান্বয়ে বাড়তে থাকে। পাশাপাশি পাঠ্য বইয়ে হিন্দু রাজা মহারাজা ও বীরদের কর্তৃত্ব খর্ব করে প্রকারান্তরে মুসলিম রাজা বাদশা ও লুটেরাদেরকে বীর হিসাবে উল্লেখ্য করায় এগুলো পড়ে হীনমন্যতায় ভোগে। একই সাথে তাবলীগ জামাত ও ইসলাম ধর্মের দাওয়াতকারীদের গুনকীর্তন হিন্দু শিক্ষার্থীদের মানসিক ধর্ষনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। একসময় হিন্দু ছেলে মেয়েরা ভুলে যায়ে।
৩. মিডিয়ার প্রভাবঃ হিন্দুদের কাছে মুসলিম সংস্কৃতি একেবারেই ভিন্নতর ও অজানা। অজানার বাহ্যিক চাকচিক্যের আকর্ষণ রয়েছে। সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের কারণে পাশাপাশি বাস করা হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি তাদের একটা প্রভাব তৈরি হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন সেক্যুলারবাদী খুল্লাম খুল্লা টিভি চ্যানেল ও ইসলামপন্থী টিভি চ্যানেল, সংবাদপত্র ও চলচ্চিত্রের কাহিনীতে মুসলমান চরিত্রগুলোকে বীর ও মহৎ গুণের অধিকারী রূপে দেখানো হয়। সাধারণ হিন্দুদের সাধারণ হিসেবেই দেখানো হয়। এই মিডিয়াগুলো উঠতি বয়সী যুবক-যুবতীদের মনে দারুন প্রভাব ফেলে। মুসলিমদের মানবাধিকারের কথা যতটা ফলাও করে প্রচার করা হয় হিন্দুদের সেই সাপেে উল্লেখ নেই বললেই চলে।
৪. যৌন চাহিদাঃ হিন্দু মেয়েরা বিশেষত: টিনেজারদের কাছে সাধারণত সেক্স একটা অজানা জগত। আমাদের দেশে কিশোর-কিশোরীদের যৌন শিক্ষা প্রচলিত না থাকায় তারা এই অজানা বিষয়ে খুবই আকর্ষণ বোধ করে। মুসলমান পরিবারে একটি মেয়ে অল্প বয়স থেকেই খুব ভালভাবে বুঝতে শেখে যে- সে একটা মেয়ে। তার কাছের ও দূরের আত্মীয় সম্পর্কের পুরুষদের কাছ থেকে পুরুষ মানুষ কি জিনিস তার খুব ভাল পরিচয় পেয়ে যায়। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় চাচাতো, খালাতো, মামাতো, ফুফাতো ভাই অথবা কাছের বা দূরের সম্পর্কের আত্মীয়ের সাথে সেক্স করার সুযোগ তাদের ঘটে। তাদের রাজসিক খাদ্যাভ্যাস ও জীবন প্রণালী এই কর্মে উৎসাহী করে। অন্যদিকে সাধারণত হিন্দু সমাজে দূর সম্পর্কের ভাই হলেও সে একটা মেয়েকে আপন বোনের মতই দেখে ও শ্রদ্ধা করে। হিন্দু ছেলে ও মেয়ে উভয়ের মধ্যেই তুলনামূলক বেশি নৈতিক মূল্যবোধ কাজ করে। ফলে হিন্দু পরিবারের মেয়েগুলো সেক্স বিষয়ে মুসলিমদের তুলনায় অজ্ঞ থাকে। আর কোন মেয়ে যদি তার উঠতি বয়সে বা যৌবনে বিবাহের পূর্বে সেক্স বিষয়ে আগ্রহী হয়, তবে তার চাহিদা পূরণের জন্য সাধারণত কোন সুযোগ থাকে না। এই সুযোগটা অনেকেত্রেই গ্রহণ করে মুসলিম যুবকগণ। আর যেখানে মুসলিমদের সংখ্যাই অধিক সেখানে এই ঘটনা আরও বেশি ঘটে।
৫. প্রেম মরণ ফাঁদঃ হিন্দুদের ধর্মান্তরের প্রধান মাধ্যম হলো প্রেম। মুসলিম যুবকগণ হিন্দু মেয়েদের প্রতি যেন একটু বেশিই আকর্ষণ বোধ করে। আর অজ্ঞান মেয়েগুলোও খুব সহজেই এই মোহে আক্রান্ত হয়। তাছাড়া মুসলিম বন্ধুর সাথে মিশতে মিশতে ভাল সম্পর্ক তৈরী হয়ে গেলে বা কারও প্রতি মুগ্ধ হয়ে গেলে মেয়েরা ফাঁদে পড়ে যায়। এই সুযোগের অপোয় থাকা যুবকের অনুরোধ উপো করা অনেক ক্ষেত্রেই আর সম্ভব হয়ে ওঠে না।
৬. খৎনাকরণ: লেজকাটা শিয়ালের দর্শন অনেকের ধারণা খৎনা করলে পুরুষাঙ্গের যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় ও অনেক মরণঘাতী রোগ হতে সুরক্ষা হয়। এ বিষয়ে হিন্দু মেয়েরা অনেকেই আকর্ষণ বোধ করে। মুসলিম পরিবারের এত বেশি ভাঙন কেন? খৎনা করা পুরুষের যদি এতই ক্ষমতা থাকে তবে মুসলিম স্ত্রীদের অভিসার ও ব্যভিচারের কেন এই আধিক্য? পরপুরুষের হাত ধরে স্বামীসন্তানের মায়া ফেলে পালায় কেন? এ সংক্রান্ত প্রশ্ন গুলি উত্তর খোঁজার চেষ্টা করেনা।
৭. পবিত্রতাঃ হিন্দু মেয়েরা নিজেদের দেহকে পবিত্র মনে করে। একবার মোহবশত: কোন মুসলিম ছেলের সাথে শারীরিক মিলন হলে তারা আর ফিরে আসতে চায় না। তারা নিজেদের তখন অপবিত্র মনে করে।
৮. প্রলোভনঃ পুণ্য ও বেহেশ্ত প্রাপ্তির আশায় মুসলিম নারী ও পুরুষ উভয়েই উদগ্রীব থাকে। যে কোন মুসলিম ছেলে অন্যধর্মের মেয়েকে বিয়ে করে ধর্মান্তরিত করলে পরিবারের সবাইতে তাকে এ কাজে সহায়তা করে এজন্যে যে এর সওয়াব পরিবারের সকলে ভোগ করবে। ফলে মুসলিম ছেলেটি উৎসাহ পায়। একই ভাবে মুসলিম মেয়ে হিন্দু ছেলে শিকার করতে উৎসাহী ও উদ্ধগ্রীব হয় । ফলে মুসলিম ছেলে ও মেয়েদের কুমন্ত্রণা ও প্রলোভনে হিন্দু মেয়ে ছেলেদের ধর্মান্তরের জন্য যথেষ্ট ভূমিকা রাখে।
৯. পারিবারিক হুমকি ও নীরব অত্যাচার
বিশেষত মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় হিন্দুদের জমি, সম্পত্তি ও নারীদের ওপর দুর্বৃত্তদের নজর পড়ে বেশি। হিন্দুদের ওপরে নীরব অত্যাচার একটি সাধারণ ঘটনা। জীবন, সম্পত্তি, সুখ-শান্তি ও সম্মান রার্থে অনেক সময়ই হিন্দু মেয়েদের উৎসর্গ করতে হয় মুসলিমের হাতে।
১০. সেক্যুলারইজমঃ হিন্দুদের জন্য অভিশাপ এই শব্দটা যেন ব্যবহারিকভাবে হিন্দুদের জন্যই একমাত্র প্রযোজ্য। সবাই এর কথা বলে কিন্তু এর বলি হয় শুধুমাত্র হিন্দু সম্প্রদায়। হিন্দু রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, মিডিয়া ও বুদ্ধিজীবীগণ নিজেদের সেক্যুলার, উদার ও ধর্মনিরপে হিসেবে প্রমাণ করতে মুসলিম তোষণ ও বিবাহকে উৎসাহিত করেন। যদিও তাতে ইসলামেরই জয় হয়। কারণ হিন্দুকেই তার ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম গ্রহণ করতে হয়। বিপরীতটা ঘটতে দেখা যায় না। এরই নাম তথাকথিত সেক্যুলারইজম।
১১. শিক্ষিত মেয়েদের অবস্থা বিশ্ববিদ্যালয় বা উচ্চ শিক্ষালয়ের হিন্দু ছাত্রীগণ প্রথমত কাসমেট হিন্দু ছেলেদের সাথে বন্ধুত্ব করতে বিব্রত বোধ করে। মনে করে, যদি প্রেম হয়ে যায়? হয়ত বর্ণবৈষম্যের কারণে মা-বাবা মেনে নেবেন না- এই ভয় কাজ করে। ফলে অন্যান্য ছেলেদের সাথে ভাল বন্ধুত্ব গড়ে তোলে। একসময় নিজের অজ্ঞাতেই প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে; মনে করে, এই সম্পর্ক হতে সে বেরিয়ে আসতে পারবে এবং বিয়ে পর্যন্ত গড়াবে না। কিন্তু যখন বর্বরতা বুঝতে পারে তখন অনেক দেরি হয়ে যায়, ফেরার উপায় থাকে না। আর মুসলিম বন্ধুর উদার বাণীগুলোও তাকে মুগ্ধ করে রাখে। তাদের অভিসন্ধি বোঝার মতা থাকে না। তখন মা-বাবা, আত্মীয়-স্বজন কারোর বন্ধনই আর আটকে রাখতে পারে না।
১১. তথাকথিত স্মার্টনেস: স্মার্ট ও সুন্দরী হিন্দু মেয়েগুলো তাদের যোগ্য হিন্দু বন্ধু অনেক ক্ষেত্রেই খুঁজে পায় না। মুসলিম ছেলেদের মধ্যে তাদের স্বপরে স্মার্ট গুণগুলোর উপস্থিতি দেখে তাদের চাকচিক্যের প্রতিই এরা বেশি আসক্ত হয়ে পড়ে। মুসলিম যুবকরাও এই সুযোগটার সদ্ব্যবহার করে।
🚫. লাভ জিহাদের পরিণতিঃ-
বিবাহের সুখ ও যৌনতার মোহ খুব বেশিদিন থাকে না। প্রেমঘটিত বিয়ের পর মুসলিম পরিবারে হিন্দু স্ত্রীগণকে বাস্তবব জীবনের কষাঘাতে পদে পদে লাঞ্ছিত ও অপমানিত হতে হয়। সঙ্গী হয় সারা জীবনের কানড়বা।
• মুসলমানের হিন্দু স্ত্রীদেরকে প্রথমত সাদরে গ্রহণ করা হলেও খুব শীঘ্রই তাদের উপর ইসলামী বিধানগুলো কাল হয়ে আসে। একাকী বের হওয়া যাবে না, ছবি তোলা ও চলচ্চিত্র নিষিদ্ধ, বোরখা পরতে বাধ্য হওয়া, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, ব্যক্তি-স্বাধীনতার অনুপস্থিতি, পূর্বে নিরামিষ আহারী হলেও পিয়াজ-রসুন ও গরুর মাংসের নিয়মিত বিড়ম্বনা তখন নিত্য সঙ্গী হয়। শাশুড়ি বা ননদের এমনকি স্বামীর অত্যাচারের স্বীকার হলেও প্রতিবাদ করার উপায় থাকে না। কারণ স্বামী খুব সহজেই তাকে ‘তালাক’ দিতে পারে। এমনকি সন্তানসহ তালাকও দিতে পারে। তখন হিন্দু স্ত্রীর পায়ের নিচে আর কোন মাটি থাকে না। এককথায় স্বামীর সংসারে তাকে দাসী হয়ে জীবনটা কাটাতে হয়।
• হিন্দু মেয়েরা মুসলিম পুরুষ বিয়ে করলে সাধারণত তার নিজের পরিবার ও আত্মীয়-স্বজন হতে ত্যাজ্য হয়ে যায়। একমাত্র স্বামী ছাড়া সে নিরাশ্রয় হয়ে পড়ে। তাই বাধ্য হয়ে সকল অত্যাচার মুখ বুজে সহ্য করতে হয়।
• মেয়েরা শ্বশুরবাড়ি এসে বাবার বাড়ির অহংকার করে থাকে। গল্প করে থাকে। তার বিপদে-আপদে বাবা-ভাইয়েরা এগিয়ে আসবে -এই বিশ্বাসটুকু তাদের থাকে। কোন কারণে শ্বশুরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য হলে মাথা গোঁজার ঠাই বা আশ্রয়টুকু তার থাকবে- এই ভরসা থাকে। কিন্তু কেউ ধর্মান্তরিত হলে তার পরিণতি সরস্বতী দাসের মতই হতে পারে।
• শ্বশুরবাড়িতে শ্বশুর-শাশুরি, ননদ, জা এবং আত্মীয়-স্বজন কর্তৃক প্রায়শ: ‘মালাউনের মেয়ে’ বলে গালি শুনতে হয়। এক ছেলে ও এক মেয়ের জননী সে ‘মালাউনের মেয়ে’ গালী শুনতে হয়। দুঃখের বিষয় মাঝে মাঝে আদরের সন্তানই ‘মালাউন মাগী’ বলে গালি দেয়। এটা স্বাভাবিক ঘটনা। আমি যে মুসলমান বন্ধুর সাথে একটু আগে হাসিমুখে কথা বললাম, আড়ালে হয়ত সেও আমাকে মালাউনের বাচ্চা বলে গালি দেয়।
• মুসলিম মতে তিন তালাক বললেই সম্পর্ক শেষ। যৌন আকর্ষণ বিয়ের পর খুব বেশিদিন থাকে না। তারপর শুরু হয় বাস্তÍবতা। একজন পুরুষের একইসাথে চারটি পর্যন্ত বিয়ে করা বৈধ। একজন স্ত্রীর প্রতি মোহ কমে গেলে বা নতুন কোন নারীর প্রতি আসক্ত হলে খুব সহজেই তিন তালাক দিয়ে নতুন বিয়ে করতে ইসলামে কোন বাধা নেই। মুসলিম পরিবারে নিজের পুত্রবধু থেকে শুরু করে দাসী পর্যন্ত যথাক্রমে নিকাহ্ বা ভোগ করা বৈধ। ইসলামে স্ত্রীদের শষ্যেক্ষেত্রের সাথে তুলনা করা হয় এবং পুরুষ সেখানে স্বেচ্ছাচারী যেমন খুশি গমন করতে পারে এবং স্ত্রীরা এক্ষেত্রে বাধ্য। প্রয়োজনে প্রহার করাও বৈধ। এক্ষেত্রে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয় কি না?
• গ্রামের দিকে খোঁজ নিয়ে দেখুন, যে সকল মেয়ে মুসলিম হয়েছে, যৌবনের জৌলুস কমার সাথে সাথে তালাক হয়ে গেছে, ফলে ভিক্ষা করতে হয়। গ্রামের যথেষ্ট ভিক্ষুকের মধ্যে অনেক গুলিই কনভার্ট হওয়া হিন্দু মেয়ে পাওয়া যাবে। পতিতালয়ে গিয়ে দেখুন, ওখানে পাবেন কনভার্ট হয়ে যাওয়া হিন্দু মেয়ে যে যৌবনের প্রথম প্রতুষ্যে সুখের লাগিয়া বাঁধিয়াছে ঘর মুসলিম প্রেমিকের তরে, ঠাঁই হইয়াছে শেষে পতিতালের অন্ধকার ঘরে।
• সবচেয়ে বড় সত্য হলো মুসলিম পরিবারে ধর্মান্তরিত হিন্দু স্ত্রীগণ কেউই প্রকৃতপক্ষে সুখে নেই।
সুতরাং প্রত্যেক অবিবাহিত হিন্দু যুবক যুবতী ও নারী পূরুষের সর্তক হওয়া উচিত এবং পরিবারের সকল শিশু কিশোর কিশোরী সদস্যাদের প্রতিদিনই এতদ বিষয়ে সর্তক করা উচিত।
লিখেছেন- অরুন মজুমদার,
ঢাকা, ০৬/০১/২০১২
(বিঃদ্রঃ লেখাটির কিছু কিছু অংশ নিঃশব্দ সন্ত্রাস নামক একটি বই থেকে সংযুক্ত করে সংকলন করা হয়েছে।)
সুত্র : বাঙালি হিন্দু পোস্ট

৬ ই এপ্রিল ১৯৪৭ খৃষ্টাব্দ.....।।কংগ্রেসের বাপুজি বলেছিল -- " মুসলমানরা যদি হিন্দুত্বের অস্তিত্ব বিলুপ্ত করেও দিতে চায়, য...
13/03/2017

৬ ই এপ্রিল ১৯৪৭ খৃষ্টাব্দ.....।।

কংগ্রেসের বাপুজি বলেছিল -- " মুসলমানরা যদি হিন্দুত্বের অস্তিত্ব বিলুপ্ত করেও দিতে চায়, যদি তারা এ-বিষয়ে সংকল্প করে, তবু হিন্দুর মুসলমানের উপর কখনও ক্রুদ্ধ হওয়া উচিত হবে না |তারা যদি আমাদের সকলকে হত্যাও করে, তবে আমরা বীরের মতো মাথা পেতে নেবো | "
-------- আসুন, আমরা সকলেই এই খুশিতে একটু নেচে নিই |

মুসলিম লীগ বুঝতে পেরেছিল, যতদিন গান্ধী কংগ্রেস , ততদিন ভয়ের কোনও কারন নেই | তার সাহায্যেই ভারতে আবার মুসলিম শাসন স্থাপন করতে পারবেন | ব্রিটিশরা বুঝেছিল -- এই নপুংসক যতদিন, ততদিন নো চিন্তা | নেতাজীকে নিয়েই ব্রিটিশের রাত্রিরের ঘুম হাওয়া হয়ে গেছল |
নেহেরু , -- আর এক ক্ষমতালোভী | তার প্রতিটি রক্তকনায় ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে -- মুসলিমপ্রীতি | পাকিস্তানের জন্ম হচ্ছে না বলে ১৯৪৬ খৃষ্টাব্দের ১৬ ই আগষ্টে মুসলিম লিগের ইংরেজ সরকারের বিরুদ্ধে Direct Action Day ( আসলে হিন্দুদের বিরুদ্ধে ) ঘোষনায় যখন মুসলমানরা কলকাতার পূর্ববঙ্গে নোয়াখালী জেলায় ও পশ্চিম পান্জাবে হিন্দু শিখ নিধন চালিয়ে চলেছে, শিখ নারী লুন্ঠন করে চলেছে -- তখন ভারতের অন্তর্বতীকালীন সরকারের প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল চুপ | শালা !

------ যেমনি বিহারের হিন্দুরা বীভৎস হত্যালীলার বদলা নিতে লাগল, --- নেহেরুর ডাইরিয়া শুরু হলো ! গর্জে উঠে বলল --- " এরোপ্লেনে করে আকাশ থেকে বোমা ফেলে হিন্দু গ্রামের-পর-গ্রাম ধংশ করে দেবো | "

হিন্দু জনগোষ্ঠীর অপরাধ ? ? ?

সেই জাতিদ্রোহী হিন্দু নপুংসক জনগোষ্ঠী, -- আজও চেতনাহীন , এখনও ভারতভাগের জনক, কোটি কোটি হিন্দু হত্যার রক্ত লেগে আছে যাদের দলের তাবড়-তাবড় নেতাদের হাতে --- তাদেরকেই পুনরায় ক্ষমতার সিংহাসনে বসিয়ে -- " হিন্দুর শক্র হিন্দুই " প্রমান করার আপ্রান চেষ্টা চালিয়ে চলেছে |
তারিখ আলি তাঁর বিখ্যাত গ্রণ্থ - " Can Pakistan Survive " গ্রণ্থে বলেছেন --- " এই খণ্ডীত ভারতকে মুসলমানরা নহে ; হিন্দুরাই একে ইসলাম রিপাবলিক কান্ট্রি হিসেবে ঘোষনা করবে | " চোখ-কান খোলা রেখে দেখুন -- ওনার কথা মিথ্যে নয় |
যখন সীমান্তে আপনার-আমার ঘরের ছেলেদের নির্মম ভাবে হত্যা করছে, -- দেশের অভ্যন্তরে " পাকিস্তান জিন্দাবাদ ", " আফজল গরু জিন্দাবাদ " বলছে ---- তখন সেই সীমান্তে নিষ্ঠুর -নির্মম ভাবে হারিয়ে যাওয়া আত্মারা এইসব কুকুর কির্ত্তন দেখে তাদের হাসি পায় না ? ?

----- খেয়াল রাখবেন বন্ধুগন , ঐ দেশদ্রোহী জানোয়ারটাকে ফাঁসি জনগন দেয়নি , দিয়েছে মহামান্য আদালত " সংবিধান অনুযায়ীই "! অর্থাৎ -- এরাও দেশদ্রোহী!
প্রকৃতপক্ষে জওহরলাল নেহেরু, গান্ধী ( পাপাত্মা ) এই দুই কারিগর এবং কমরেড জ্যোতি বসু পাকিস্তান সৃস্টির প্রধান মহাপুরুষ | দেখুন, পাকিস্তান বা বাংলাদেশ কেহই এদেরকে পাত্তাই দেয় না , --- তবুও কারও চেতনা হয় না ; কান্ডজ্বানও নেই ! এই জন্যই বোধহয় " পাকিস্তান জিন্দাবাদ " বলে | --- শালাদের রক্তের দোষ যাবে কোথায় ! !

১৯৩০ খৃঃ লক্ষ্মৌতে অনুষ্ঠিত মুসলিম লিগের অধিবেশনে পান্জাবের রাজধানী লাহোর নিবাসী উর্দু কবি মহম্মদ ইকবাল ভারতের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রদেশ নিয়ে অর্থাৎ সমগ্র বঙ্গদেশ, সমগ্র পান্জাব, সিন্ধু, বেলুচিস্তান উত্তর পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশ নিয়ে " মুসলিম ষ্টেট " দাবী করলেন | ১৯৩১ খৃঃ ঢাকা শহরে ও সারা পূর্ববঙ্গে হিন্দু-নিধন-যজ্ঞ শুরু হল এবং তারা বছরে দু-একবার করে চালিয়ে যেতে লাগল |
দারুন ! চু-ম--ম--------ম্মা ! ! !

১৯৪৬ খৃঃ ১৬ ই আগষ্ট মুসলিম লিগের " ডাইরেক্ট এ্যাকশন ডে " থেকে ১৯৪৮ খৃঃ জানুয়ারী মাস পর্যন্ত ( ইতিমধ্যেই ১৯৪৭ খৃঃ ১৫ ই আগষ্ট ভারত ভাগ হয়ে পাকিস্তানের জন্ম হয়ে গেছে ) বঙ্গদেশে ও পান্জাবে মুসলমানরা যে প্রবল উৎসাহ উদ্দীপনায় বিক্রমে কোটি খানেক হিন্দু শিখ হত্যা, নারী ধর্ষন, বলাৎকার, লুন্ঠন ও হত্যা করেছিল, ---- হিন্দু যুবতীদের উলঙ করে প্যারেডের মতো দাঁড় করিয়ে তরবারি দিয়ে তাদের স্তন কেটে দেওয়া হয়েছিল, শিশুদের পাথরে আছড়ে হত্যা করা হয়েছিল ---- মানব জাতির সামগ্রিক ইতিহাসে এটাই ছিল মাত্র দেড় বছরের আয়তনে, সংখ্যায়, নিষ্ঠুরতায়, নৃশংসতায়, পৈশাচিকতায় বৃহত্তম ( বিখ্যাত রাজনৈতিক ভাষ্যকার লিওনার্ড মোসলে রচিত -- " ব্রিটিশ রাজত্বের শেষ দিনগুলি ") | এই সময়ে পূর্ববঙ্গের নোয়াখালী জেলাকে হিন্দু শূন্য করা হয় ---- সব হিন্দু পুরুষ বৃদ্ধানারী শিশুদের হত্যা করা হয়, যুবতীদের লুন্ঠন করা হয় |

এরপর ১৯৫০ খৃঃ ইসলামিক বাংলাদেশে, ১৯৬৫ খৃঃ ভারতের মুসলিম সংখ্যা গরিষ্ঠ কাশ্মীর উপত্যকায়, ১৯৮৯ খৃঃ, ১৯৯২-৯৩ খৃঃ ইসলামিক বাংলাদেশে, পাকিস্তানে, কাশ্মীর উপত্যকায় সু-পরিকল্পিতভাবে সংঘবদ্ধভাবে হিন্দু নিধন, হিন্দু নারী লুন্ঠন, মঠ মন্ধির ধংশ অনুষ্ঠিত হয়েছিল |
এখন ?
ঝলক দেখ লা যা !
-------------------------
পাকিস্তান প্রায় হিন্দুূ শূন্য,
কাশ্মীর উপত্যকা প্রায় হিন্দু শূন্য ,
বাংলাদেশ প্রায় হিন্দু শূন্য, ---- যেগুলো আছে, হাঁড়িতে রাখা " জিওল মাছ " ----- ধর আর খা, শালা !
বড্ড জ্বলন লাগছে বলুন, ---- মনে হচ্ছে, লন্কা যষে দিয়েছে ! ! !
ই-স-স ! ! !

( জ্বলন কমানোর ঔষধ, -- পুরো এ্যালোপ্যথি ! মেডিসিন, -- নির্যাতনের দলিল, হোমল্যান্ড, মায়ের ডাক, বাঙালী হিন্দুর বিলুপ্তি, ব্রিটিশ রাজত্বের শেষ দিনগুলি, অসংখ্য - অজস্র.......)
....লিখেছেন নিতীন কুমার....

সংক্ষেপে দোলযাত্রা বা হোলি প্রসঙ্গে কিছুকথাঃ ...সারা ভারতবর্ষের সাথে একই সাথে নেপাল,বাংলাদেশ,মরিশাস, গায়ানা, সুরিনাম,ত্র...
13/03/2017

সংক্ষেপে দোলযাত্রা বা হোলি প্রসঙ্গে কিছুকথাঃ ...

সারা ভারতবর্ষের সাথে একই সাথে নেপাল,বাংলাদেশ,মরিশাস, গায়ানা, সুরিনাম,ত্রিনিদাদ এন্ড টোবাগো, আমেরিকা, ফিজি, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, সিংগাপুর, গ্রেট ব্রিটেন সহ পৃথিবীর অনেক দেশেই যেখানে হিন্দু সংখ্যাধিক্য সেখানেই দশেরা, দেওয়ালী এবং হোলি এ প্রধান তিনটি উৎসব পালিত হয় রঙিন বর্ণাঢ্যভাবে।

হিন্দুর প্রধান এ তিনটি উৎসবের মধ্যে রূপে-রসে-গন্ধে হোলি অনন্য। 'হোলি' নামটি সাধারণত উত্তরভারতেই প্রচলিত। সেখানে হোলির আরেক নাম 'ফাগোয়া'। এ ফাগোয়া বা হোলিকেই আমরা বাঙালীরা দোলযাত্রা নামে পালন করি। এ ছাড়া সারা ভারতবর্ষে বিভিন্ন নামেই এ উৎসব পালিত হয় যেমন : ওড়িশায় দোলোৎসব, মধ্যভারতে হরি (হোলি), গোয়ায় শিমাগা, দক্ষিণভারতে মদন-দহন বা কামায়ণ ইত্যাদি।

"দোল্যতে অস্মিন কৃষ্ণনেতি দোলি" অর্থাৎ শ্রীকৃষ্ণকে দোলারোহণ করে দোল দেয়া হয়, তাই এই উৎসবের নাম দোলযাত্রা। ফাল্গুনী পূর্ণিমাতিথিতে এ উৎসব আয়োজিত হয়। যে দিন অরুণোদয় কালে পূর্ণিমাতিথি লাভ হবে, সে পবিত্র দিনেই দোলযাত্রা হবে। এ দোলযাত্রা সম্পর্কে পদ্মপুরাণের পাতাল খণ্ডে বলা আছে তা খুবই তাৎপর্যবাহী -

" কলিযুগে এই দোলোৎসব সকল উৎসবের মধ্যে অন্যতম প্রধান। যথাবিধি ভক্তিপূর্বক সাদা, লাল, গেরুয়া, হলুদ এই চারপ্রকারের ফল্গুচূর্ণ (আবির) দ্বারা এবং নানাবিধ সুগন্ধ দ্রব্য তাতে মিশ্রিত করে ভগবান শ্রীকৃষ্ণেকে সন্তুষ্ট করবে। এ দোলোৎসব পাঁচদিন বা তিনদিনব্যাপী করবে। দক্ষিণাভিমুখে কৃষ্ণকে দোলযানে স্থাপন করবে। যারা এই দোলস্থ কৃষ্ণকে দর্শন করে, তারা নিঃসংশয়ে সকল প্রকার পাপ হতে মুক্তিলাভ করে। "

শুধুমাত্র পদ্মপুরাণ, গরুড়পুরাণ, নারদীয় পুরাণই নয় স্কন্ধপুরাণের উৎকলখণ্ডের ৪২ অধ্যায়ে বিস্তারিত দোলযাত্রা বিবরণ দেয়া আছে -

"দোলোৎসবে গোবিন্দের পূজা করতে হয়। যারা দোলারূহ পূজা অবস্থায় গোবিন্দের দর্শন করে, তারা মুক্তি লাভ করে। এ সময়ে গোবিন্দকে তিনবার দোল প্রদানে পাপ নাশ হয় এবং তিনবার দোলোৎসব দর্শনে আধ্যাত্মিক, আধিদৈবিক ও আধিভৌতিক এই ত্রিতাপ হতে জীব মুক্ত হয়। যে রাজা এ দোলোৎসব আয়োজন করেন, তিনি রাজচক্রবর্তী হন। আর অন্যরা বেদবিদ হয়ে মুক্তিলাভ করেন।"

স্কন্দপুরাণ গ্রন্থের ফাল্গুনমাহাত্ম্য গ্রন্থাংশে হোলিকা ও প্রহ্লাদের উপাখ্যান বর্ণিত হয়েছে। হোলিকা ছিলেন মহর্ষি কশ্যপ ও তাঁর পত্নী দিতির পুত্র হিরণ্যকশিপুর ভগিনী। ব্রহ্মার বরে হিরণ্যকশিপু দেব ও মানব বিজয়ী হয়ে দেবতাদের অবজ্ঞা করতে শুরু করেন। কিন্তু তাঁর পুত্র প্রহ্লাদ ছিলেন বিষ্ণুর ভক্ত। প্রহ্লাদ বিষ্ণুকে নিজ পিতার উপরে স্থান দেওয়ায় ক্রুদ্ধ হয়ে হিরণ্যকশিপু নিজের পুত্রকে পুড়িয়ে মারার আদেশ দেন। দাদার আজ্ঞায় হোলিকা প্রহ্লাদকে কোলে নিয়ে আগুনে প্রবেশ করেন। কিন্তু ভগবান বিষ্ণুর কৃপায় প্রহ্লাদ অক্ষত থাকেন; বরং আগুনে পুড়ে হোলিকারই মৃত্যু হয়। হোলিকার এই অগ্নিদগ্ধ হওয়ার কাহিনিই স্মরণেই সকল অমঙ্গলের প্রতীক হোলিকার পুতুলে দোলের পূর্বদিনে আগুন জ্বালিয়ে অনুষ্ঠিত হয় হোলিকাদহন, ঢুণ্ঢারদাহ বা চাঁচর উৎসব। মহারাষ্ট্রে এ সময় আগুনের চারিদিকে তিনবার প্রদক্ষিণ করতে করতে হোলিকাসুরের উদ্দেশ্যে অনেক
অশ্লীল বাক্য ব্যবহার করে হোলিকাসুর সহ সকল অসুরদের অনুরোধ করা হয়, মানুষের ক্ষতি না করতে।

বসন্তকাল ঋতুরাজ, আর সেই ঋতুরাজের পূর্ণিমাতিথি সৌন্দর্যময়তায় অনন্য ; এর তুলনা হয় না। তাই এই বসন্তপূর্ণিমাতে প্রাচীন কাল থেকেই চলে আসছে যুবক-যুবতীর চির আকাঙ্ক্ষিত কামদেব মদনের উপাসনা। অসংখ্য সংস্কৃত গ্রন্থে বিবরণ পাওয়া যায়। সপ্তম শতাব্দীর প্রখ্যাত কবি স্থাণীশ্বরের রাজা মহারাজ হর্ষবর্ধনের বিখ্যাত নাটকত্রয়ীর অন্যতম রত্নাবলীতে সেই সময়ের বসন্ত উৎসবের একটা প্রামাণ্য দলিল বলা চলে। এই বসন্তোৎসবই আজকের দিনে হোলি উৎসবে রূপান্তরিত।

দোলযাত্রা বা হোলি আধ্যাত্মিক,সামাজিক, সাংস্কৃতিক সকল কারণ ছাপিয়ে বাঙালী জীবনে তৈরি করেছে এক অনন্য স্থান ; কারণ এই দিনেই জন্ম নিয়েছেন বাঙালীর প্রাণপুরুষ শ্রীচৈতন্যদেব।

শ্রীচৈতন্যদেবের সাথে সাথে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবনে এবং স্মৃতিতেও দোলযাত্রা এক অনন্য স্থান অধিকার করে আছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরই এ দোলকে ধর্মের আবরণ থেকে মুক্ত করে এক সর্বজনীন উৎসবে পরিণত করেন। ১৯২৫ খ্রিস্টাব্দে তাঁর স্মৃতিবাহী শান্তিনিকেতনে তিনি বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বজনীন দোল পূর্ণিমা উৎসবের প্রবর্তন করেন। দেশ-বিদেশের অসংখ্য মানুষ শান্তিনিকেতনের এ উৎসবে যোগদান করেন। শান্তিনিকেতনের গৌড় প্রাঙ্গণে বৈতালিকের মাধ্যমে শুরু হয় এ উৎসবের। অংশ নেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকাসহ বিশিষ্টজনেরা। বাসন্তী রঙের শাড়ি পরে হাতে বিভিন্ন রংয়ের আবির নিয়ে বসন্ত উৎসবে মেতে ওঠেন ছাত্র-শিক্ষক সহ সবাই । দিনভর চলে নৃত্য -গীত আর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
এই উৎসবে দেশ-বিদেশের অসংখ্য শিল্পীরা অংশ গ্রহণ করে নৃত্য -গীতে মুখরিত করে তোলে বিশ্বভারতীর গৌর প্রাঙ্গণ এবং গেয়ে চলে রবীন্দ্রনাথের দোলযাত্রার বা বসন্তের গান -

ওরে গৃহবাসী খোল্‌, দ্বার খোল্‌, লাগল যে দোল।
স্থলে জলে বনতলে লাগল যে দোল।
দ্বার খোল্‌, দ্বার খোল্‌॥
রাঙা হাসি রাশি রাশি অশোক পলাশে,
রাঙা নেশা মেঘে মেশা প্রভাত-আকাশে,
নবীন পাতায় লাগে রাঙা হিল্লোল।
দ্বার খোল্‌, দ্বার খোল্‌॥
বেণুবন মর্মরে দখিন বাতাসে,
প্রজাপতি দোলে ঘাসে ঘাসে।
মউমাছি ফিরে যাচি ফুলের দখিনা,
পাখায় বাজায় তার ভিখারির বীণা,
মাধবীবিতানে বায়ু গন্ধে বিভোল।
দ্বার খোল্‌, দ্বার খোল্‌॥

মথুরা-বৃন্দাবনের হলিও অনন্য। এর সাথে শ্রীচৈতন্যদেবের জন্মস্থান নবদ্বীপেও অতুলনীয় হলি উৎসবের আয়োজন করা হয়। নদীয়া জেলার নবদ্বীপের
এ দোলোৎসবে অংশ নেয় বিশ্বের প্রায় ৬০টির অধিক দেশসহ ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে থেকে লক্ষ-লক্ষ ধর্মপ্রাণ মানুষ। সকলের সক্রিয় অংশগ্রহণে নবদ্বীপ হয়ে ওঠে এক অক্ষয় আনন্দঘন ধামে।

সবাইকে জানাই দোলপূর্ণিমা (হোলি)
এবং গৌরপূর্ণিমার শুভেচ্ছা!

লেখক: কুশল বরণ চক্রবর্ত্তী
সহকারী অধ্যাপক, সংস্কৃত বিভাগ
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং
সভাপতি, সনাতন বিদ্যার্থী সংসদ

বাংলাদেশ ভুলে গেছে তার ভাষা আন্দোলনের রুপকার শ্রদ্ধেয় শ্রী ধীরেন্দ্রনাথ দত্তকে।ভাষার মাসেও তাঁকে স্মরণ করা হয় না।একাধারে...
21/02/2017

বাংলাদেশ ভুলে গেছে তার ভাষা আন্দোলনের রুপকার শ্রদ্ধেয় শ্রী ধীরেন্দ্রনাথ দত্তকে।ভাষার মাসেও তাঁকে স্মরণ করা হয় না।

একাধারে অভিজ্ঞ সংসদ সদস্য শ্রী ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ছিলেন একজন মহান ভাষা সৈনিক ও অবার অন্যদিকে বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী তথা নির্ভীক এই মহান ব্যক্তিত্ব ছিলেন বাঙালি আইনজীবী, সমাজকর্মী ও এক বিখ্যাত রাজনীতিবিদ। যদিও সমাজের সর্বস্তরে তাঁর পরিচিতি ছিল মূলত একজন প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ হিসেবেই। দেশ বিভাগের আগে ভারতীয় উপমহাদেশের ভারত অংশে এবং পরে পূর্ব পাকিস্তানে তিনি রাজনীতিবিদ হিসেবেই সম্পুর্ন সক্রিয় ছিলেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রথমপর্বের শহীদ ধীরেন্দ্র নাথ দত্তই ছিলেন ভাষা আন্দোলনের প্রথম নায়ক।

ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ১৮৮৬ সালের ২ নভেম্বর তৎকালীন বেঙ্গল প্রদেশের ত্রিপুরা জেলার (বর্তমানের বাংলাদেশ) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার রামরাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা জগবন্ধু দত্ত ছিলেন কসবা ও নবীনগর মুন্সেফ আদালতের সেরেস্তাদার। ধীরেন্দ্রনাথ পড়াশোনা করেছেন নবীনগর হাই স্কুল, কুমিল্লা কলেজ, এবং কলকাতার সুরেন্দ্রনাথ কলেজে। তিনি ১৯০৪ সালে নবীনগর হাই স্কুল হতে প্রবেশিকা, ১৯০৬ সালে কুমিল্লা কলেজ থেকে এফ.এ. ১৯০৮ সালে কলকাতা রিপন কলেজ হতে বি. এ এবং ১৯১০ সালে একই কলেজ হতে বি.এল পরীক্ষা পাস করেন। ১৯০৬ সালের ৭ ডিসেম্বর সুরবালা দেবীর সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। এর পর তিনি প্রায় একবছরকাল কুমিল্লার মুরাদনগর বাঙ্গুরা উমালোচন হাই স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে কাজ করেন। আইন ব্যবসা করার জন্য ১৯১১ সালে তিনি কুমিল্লা জেলা বারে যোগদান করেন। তিনি ১৯০৭ সালে ‘ত্রিপুরা হিতসাধনী সভা’র সেক্রেটারি নির্বাচিত হন এবং ১৯১৫ সালের ভয়াবহ বন্যার সময় বন্যার্তদের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরণের কাজে অংশগ্রহণ করেন। মহাত্মা গান্ধীর আদর্শ অনুসরণে তিনি ‘মুক্তি সংঘ’ নামে একটি সমাজকল্যাণমূলক সংস্থা গঠন করেন। কুমিল্লার ‘অভয় আশ্রম’-এর কর্মকাণ্ডের সাথেও তিনি জড়িত ছিলেন এবং ১৯৩৬ সালে ত্রিপুরা (বর্তমানে কুমিল্লা) জেলা বোর্ডের সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষের সময় ত্রাণসামগ্রী বিতরণে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

১৯৪৮ সাল থেকে ১৯৭১ সাল পযর্ন্ত পুর্ববঙ্গের সকল আন্দোলনেই ধীরন্দ্রেনাথ দত্তের ছিল অকুন্ঠ সমর্থন ও অগ্রনী ভূমিকা। পাকিস্তান গন পরিষদে প্রথম বাংলা ভাষার মর্যদা দাবির প্রস্তাব উত্থাপক ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত। ভাষা আন্দোলনের অন্যতম রূপকার ছিলেন ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত। ১৯৪৮ সালের ২৪শে জানুয়ারি তিনিই প্রথম পাকিস্তানের আইন পরিষদের অধিবেশনে সংখ্যাগরিষ্ঠের ভাষা বাংলাকে রাস্ট্র ভাষার মযার্দাদানের আহবান জানিয়েছিলেন। সেটা অনুষ্ঠিত হয়েছিল করাচিতে। সেদিন ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত সেই প্রস্তাবনাতে বলেছিলেন, 'Out of six crores and ninety lakhs people inhabiting this state, 4 crores and 40 lakhs of people speak Bengali language. So, sir, what should be the State language of the state? The state language of the state should be the language which is used by the majority of the people of the state, and for that, sir, I consider that Bengali language is a lingua franca of our state .'

পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠি সেদিন ধীরেন্দ্র নাথ দত্তের এই প্রস্তাবে এবং এর সর্মথনে আইনসভায় তাঁর ভাষনে বিচ্ছিন্নতার গন্ধ আবিস্কার করেন এবং তাকে ভারতীয় দালাল হিসেবে চিহ্নিত করার সর্বপ্রকারে অপপ্রয়াস চালান। এরপর পাকিস্তানে সামরিক শাসন জারি হলে, ১৯৬০ সালে ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের উপর ‘এবডো’ (Elective Bodies Disqualification Order) প্রয়োগ করা হয়। ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের সময় তাঁকে গৃহবন্দি করে রাখা হয় এবং তখন থেকে তিনি সক্রিয় রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করা থেকে বিরত থাকেন। এতদসত্ত্বেও বাঙালি জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত গুরুত্বপূর্ণ বাঙালি নেতৃবৃন্দের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক বজায় রাখতেন।

১৯৭১ সালে সীমান্ত পার হয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার সুযোগ ছিল তাঁর। কিন্তু দেশের মানুষের কথা ভেবে তিনি তা করেননি। পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর গণহত্যার সুচনা পর্বেই ১৯৭১ সালের ২৯ মার্চ রাতে পাক হানাদার বাহিনী তাঁকে ও তাঁর কনিষ্ঠ পুত্র দিলীপ দত্তকে ধরে নিয়ে যায়। কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টে স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখা ও অন্যদের তা দেখানোর অপরাধে তাঁর উপর নির্মম নির্যাতন চালানো হয়। হানাদার বাহিনী ভারি কিছুর সাহায্যে তাঁর হাঁটু ভেঙে দেয় এবং চোখ উপড়ে ফেলে। অবশেষে ১৪ এপ্রিল তাঁকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা এই বীর দেখে যেতে পারেননি তাঁর রক্তের উপরে জন্ম নেয়া স্বাধীন বাংলাদেশকে। চাক্ষুষ করতে পারেন নি, বাংলায় বাংলার ... জয়গান।

একুশে ফেব্রুয়ারী দিচ্ছে ডাক ....আরব সাম্রাজ্যবাদ নিপাত যাক ...।।একুশে ফেব্রুয়ারি এলেই আমাদের কেউ কেউ আবেগে থর থর করে কাঁ...
21/02/2017

একুশে ফেব্রুয়ারী দিচ্ছে ডাক ....
আরব সাম্রাজ্যবাদ নিপাত যাক ...।।

একুশে ফেব্রুয়ারি এলেই আমাদের কেউ কেউ আবেগে থর থর করে কাঁপতে থাকেন। কোন বাংগালী, কিসের বাংগালী?

বলুন তো, বাংলাভাষার আন্দোলন থেকে এবং বাংগালীর জন্যই সৃষ্ট যে বাংলাদেশে শুধুমাত্র হিন্দু বলে রবীন্দ্রনাথ, শরৎ, বঙ্কিম, সুনীলের মত বাংলা ভাষার পথিকৃৎদেরই ব্রাত্য করে দেওয়া হয় , যে দেশের সংখ্যাগুরু দের কাছে এঁরা শুধুই মালাউন, বাংগালী হওয়া সত্বেও বাংগালীর জন্য সৃষ্ট যে স্বাধীন বাংলাদেশ থেকে আমাদের পূর্বপুরুষদের সব ফেলে পালিয়ে আসতে হয়, সেই বাংলাদেশের সংগে আমার বাংগালী আবেগ কেন সম্পৃক্ত রাখব? আমার দাদুর যে ভাই বুকে বুলেটের ক্ষত আর 'জয় বাংলা' র স্বপ্ন নিয়ে পাক্কা ছয়দিন বেঁচে ছিলেন, যে দাদুর পরিবারকে হাজার বলেও এপারে আনা যায় নি, সেই দাদুর পরিবারই আজ বাংলাদেশে শুধুই মালাউন, অবাঞ্ছিত, অভিশপ্ত।

সর্বোপরি, বাংলাদেশীরা নিজেদের কতটুকু বাংগালী হিসেবে ভাবতে চায়? বাংলাভাষার আন্দোলন থেকে যে দেশের জন্ম, সেই দেশেই আজ বাংগালীর প্রধান উৎসব বাংলা নববর্ষ পালনকে ইসলাম বিরোধী আখ্যা দিয়ে প্রায় বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে লড়াই করে লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে প্রাপ্ত এই স্বাধীন বাংলাদেশের নতুন প্রজন্ম আজ সেই পাকিস্তানেরই অন্ধ সমর্থক, কারণ ধর্ম। নকাব, হিজাব, ঢোলা পাঞ্জাবী আর গোড়ালির উপর পর্যন্ত পাজামা পরা এরা তো বাংগালী নয়, আরবী। উর্দু চাপিয়ে দেওয়ার বিরোধীতা থেকে যে দেশের জন্ম, সেই দেশের মানুষের ভাষায় আজ সেই উর্দুরই ছড়াছড়ি। কই, হিন্দির এত দাপট, আগ্রাসনও তো আমাদের মুখ থেকে বাংলা 'জল' শব্দটা কেড়ে নিতে পারে নি। কেন বাংগালী হিসেবে সেই দেশের সংগে নিজেকে সম্পৃক্ত করব?

সবকিছুর উপরে এদের ধর্মীয় সত্তা। সেই ধর্মীয় সত্তাই এদের বাংগালী হতে বাধা দিচ্ছে। বলছে, বাংলা ভাষায় তো হিন্দুয়ানীর ছড়াছড়ি , বাংগালী সংস্কৃতি তো হল হিন্দুয়ানী সংস্কৃতি! ইসলাম তো আর হিন্দু ধর্মের মত নয় যে, যার যার জাতিগত লোকাচার, সংস্কৃতি পালন করতে পারবে। ধর্মই এদের সব নিয়ন্ত্রক। এই ধর্মান্ধদের সংগে আমার আবেগ সম্পৃক্ত রাখব কেন? আমার আবেগ বরং তোলা থাক শিলচরের সেই এগারো জন ভাষা শহীদের জন্য।

একুশে ফেব্রুয়ারি বাংগালীর কাছে স্মরণীয় দিন সন্দেহ নেই। কিন্তু একুশে ফেব্রুয়ারির ভাষা আন্দোলন থেকে যে স্বপ্ন হিন্দু মুসলমান নির্বিশেষে বাংগালী জাতি দেখা শুরু করেছিল, যে স্বাধীন ধর্ম নিরপেক্ষ বাংলাদেশের জন্য হিন্দু মুসলিম মিলে পাক হানাদার বাহিনীর সংগে লড়াই করেছিল, উভয় সম্প্রদায়ের মিলিত আত্মত্যাগে বাংগালী জাতির জন্য সৃষ্ট সেই স্বাধীন বাংলাদেশ থেকেই হিন্দু বাংগালীদের চৌদ্দ পুরুষের ভিটেমাটি থেকে তাড়ানো হল। বাংগালী হয়েও বাংগালীর জন্য সৃষ্ট সেই স্বাধীন বাংলাদেশে এদের ঠাঁই হল না শুধু হিন্দু হওয়ার অপরাধে। স্বপ্নের সেই ধর্ম নিরপেক্ষ বাংলাদেশের রাষ্ট্র ধর্ম আজ ইসলাম। কই, বাংগালী হিসেবে সংখ্যাগুরুরা তো বাধা দেয় নি। যে নির্যাতন চলছে, বাংলাদেশ বাংগালী হিন্দু শূন্য হয়ে শুধু মুসলমানদের হতে আর দেরী নেই। আর সেই মুসলমান কিন্তু বাংগালী মুসলমান নয়, পোষাক পরিচ্ছদ, ভাষা, আচার আচরণ বা খাদ্যাভ্যাসে একেবারে পাক্কা আরবী।

আসলে বাংগালী জাত্যাভিমানের সুড়সুড়ি দিয়ে বৃহত্তর ইসলামিক বাংলাদেশ বা বাংলাস্তান গঠনের, হিন্দু নির্যাতনের পরিধি বিস্তৃত করার এটা একটা কৌশল। যারা বাংগালী জাতির জন্য দুই বাংলা মিলিয়ে আলাদা স্বাধীন বংগভূমির স্বপ্ন দেখছেন, তারা কি বাংলাদেশের হিন্দুদের অবস্থা দেখতে পাচ্ছেন না, দেখতে পাচ্ছেন না এদেশেরই পঃ বঙ্গের মুসলিম অধ্যুষিত বিভিন্ন এলাকায় হিন্দুদের উপর চলতে থাকা অত্যাচার? আর যারা স্বপ্নটা দেখাচ্ছেন, তারা পরিষ্কার তাকিয়া বাজী করছেন ।

এরপরও আমরা আবেগে ভাসব একুশে ফেব্রুয়ারি নিয়ে। কিন্তু ভুলে যাব ১৯৬১ সালের ১৯ শে মে র শিলচরের ১১ জন ভাষা শহীদদের কথা, যারা বাংলা ভাষার স্বীকৃতির জন্য প্রান দিয়েছিলেন । কারণ সেটা মনে রাখার মধ্যে কোন আঁতলামী নেই।

Address

Dum Dum
Kolkata
70074

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সনাতনে স্বাগতম - welcome to hinduism posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share