13/03/2017
৬ ই এপ্রিল ১৯৪৭ খৃষ্টাব্দ.....।।
কংগ্রেসের বাপুজি বলেছিল -- " মুসলমানরা যদি হিন্দুত্বের অস্তিত্ব বিলুপ্ত করেও দিতে চায়, যদি তারা এ-বিষয়ে সংকল্প করে, তবু হিন্দুর মুসলমানের উপর কখনও ক্রুদ্ধ হওয়া উচিত হবে না |তারা যদি আমাদের সকলকে হত্যাও করে, তবে আমরা বীরের মতো মাথা পেতে নেবো | "
-------- আসুন, আমরা সকলেই এই খুশিতে একটু নেচে নিই |
মুসলিম লীগ বুঝতে পেরেছিল, যতদিন গান্ধী কংগ্রেস , ততদিন ভয়ের কোনও কারন নেই | তার সাহায্যেই ভারতে আবার মুসলিম শাসন স্থাপন করতে পারবেন | ব্রিটিশরা বুঝেছিল -- এই নপুংসক যতদিন, ততদিন নো চিন্তা | নেতাজীকে নিয়েই ব্রিটিশের রাত্রিরের ঘুম হাওয়া হয়ে গেছল |
নেহেরু , -- আর এক ক্ষমতালোভী | তার প্রতিটি রক্তকনায় ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে -- মুসলিমপ্রীতি | পাকিস্তানের জন্ম হচ্ছে না বলে ১৯৪৬ খৃষ্টাব্দের ১৬ ই আগষ্টে মুসলিম লিগের ইংরেজ সরকারের বিরুদ্ধে Direct Action Day ( আসলে হিন্দুদের বিরুদ্ধে ) ঘোষনায় যখন মুসলমানরা কলকাতার পূর্ববঙ্গে নোয়াখালী জেলায় ও পশ্চিম পান্জাবে হিন্দু শিখ নিধন চালিয়ে চলেছে, শিখ নারী লুন্ঠন করে চলেছে -- তখন ভারতের অন্তর্বতীকালীন সরকারের প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল চুপ | শালা !
------ যেমনি বিহারের হিন্দুরা বীভৎস হত্যালীলার বদলা নিতে লাগল, --- নেহেরুর ডাইরিয়া শুরু হলো ! গর্জে উঠে বলল --- " এরোপ্লেনে করে আকাশ থেকে বোমা ফেলে হিন্দু গ্রামের-পর-গ্রাম ধংশ করে দেবো | "
হিন্দু জনগোষ্ঠীর অপরাধ ? ? ?
সেই জাতিদ্রোহী হিন্দু নপুংসক জনগোষ্ঠী, -- আজও চেতনাহীন , এখনও ভারতভাগের জনক, কোটি কোটি হিন্দু হত্যার রক্ত লেগে আছে যাদের দলের তাবড়-তাবড় নেতাদের হাতে --- তাদেরকেই পুনরায় ক্ষমতার সিংহাসনে বসিয়ে -- " হিন্দুর শক্র হিন্দুই " প্রমান করার আপ্রান চেষ্টা চালিয়ে চলেছে |
তারিখ আলি তাঁর বিখ্যাত গ্রণ্থ - " Can Pakistan Survive " গ্রণ্থে বলেছেন --- " এই খণ্ডীত ভারতকে মুসলমানরা নহে ; হিন্দুরাই একে ইসলাম রিপাবলিক কান্ট্রি হিসেবে ঘোষনা করবে | " চোখ-কান খোলা রেখে দেখুন -- ওনার কথা মিথ্যে নয় |
যখন সীমান্তে আপনার-আমার ঘরের ছেলেদের নির্মম ভাবে হত্যা করছে, -- দেশের অভ্যন্তরে " পাকিস্তান জিন্দাবাদ ", " আফজল গরু জিন্দাবাদ " বলছে ---- তখন সেই সীমান্তে নিষ্ঠুর -নির্মম ভাবে হারিয়ে যাওয়া আত্মারা এইসব কুকুর কির্ত্তন দেখে তাদের হাসি পায় না ? ?
----- খেয়াল রাখবেন বন্ধুগন , ঐ দেশদ্রোহী জানোয়ারটাকে ফাঁসি জনগন দেয়নি , দিয়েছে মহামান্য আদালত " সংবিধান অনুযায়ীই "! অর্থাৎ -- এরাও দেশদ্রোহী!
প্রকৃতপক্ষে জওহরলাল নেহেরু, গান্ধী ( পাপাত্মা ) এই দুই কারিগর এবং কমরেড জ্যোতি বসু পাকিস্তান সৃস্টির প্রধান মহাপুরুষ | দেখুন, পাকিস্তান বা বাংলাদেশ কেহই এদেরকে পাত্তাই দেয় না , --- তবুও কারও চেতনা হয় না ; কান্ডজ্বানও নেই ! এই জন্যই বোধহয় " পাকিস্তান জিন্দাবাদ " বলে | --- শালাদের রক্তের দোষ যাবে কোথায় ! !
১৯৩০ খৃঃ লক্ষ্মৌতে অনুষ্ঠিত মুসলিম লিগের অধিবেশনে পান্জাবের রাজধানী লাহোর নিবাসী উর্দু কবি মহম্মদ ইকবাল ভারতের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রদেশ নিয়ে অর্থাৎ সমগ্র বঙ্গদেশ, সমগ্র পান্জাব, সিন্ধু, বেলুচিস্তান উত্তর পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশ নিয়ে " মুসলিম ষ্টেট " দাবী করলেন | ১৯৩১ খৃঃ ঢাকা শহরে ও সারা পূর্ববঙ্গে হিন্দু-নিধন-যজ্ঞ শুরু হল এবং তারা বছরে দু-একবার করে চালিয়ে যেতে লাগল |
দারুন ! চু-ম--ম--------ম্মা ! ! !
১৯৪৬ খৃঃ ১৬ ই আগষ্ট মুসলিম লিগের " ডাইরেক্ট এ্যাকশন ডে " থেকে ১৯৪৮ খৃঃ জানুয়ারী মাস পর্যন্ত ( ইতিমধ্যেই ১৯৪৭ খৃঃ ১৫ ই আগষ্ট ভারত ভাগ হয়ে পাকিস্তানের জন্ম হয়ে গেছে ) বঙ্গদেশে ও পান্জাবে মুসলমানরা যে প্রবল উৎসাহ উদ্দীপনায় বিক্রমে কোটি খানেক হিন্দু শিখ হত্যা, নারী ধর্ষন, বলাৎকার, লুন্ঠন ও হত্যা করেছিল, ---- হিন্দু যুবতীদের উলঙ করে প্যারেডের মতো দাঁড় করিয়ে তরবারি দিয়ে তাদের স্তন কেটে দেওয়া হয়েছিল, শিশুদের পাথরে আছড়ে হত্যা করা হয়েছিল ---- মানব জাতির সামগ্রিক ইতিহাসে এটাই ছিল মাত্র দেড় বছরের আয়তনে, সংখ্যায়, নিষ্ঠুরতায়, নৃশংসতায়, পৈশাচিকতায় বৃহত্তম ( বিখ্যাত রাজনৈতিক ভাষ্যকার লিওনার্ড মোসলে রচিত -- " ব্রিটিশ রাজত্বের শেষ দিনগুলি ") | এই সময়ে পূর্ববঙ্গের নোয়াখালী জেলাকে হিন্দু শূন্য করা হয় ---- সব হিন্দু পুরুষ বৃদ্ধানারী শিশুদের হত্যা করা হয়, যুবতীদের লুন্ঠন করা হয় |
এরপর ১৯৫০ খৃঃ ইসলামিক বাংলাদেশে, ১৯৬৫ খৃঃ ভারতের মুসলিম সংখ্যা গরিষ্ঠ কাশ্মীর উপত্যকায়, ১৯৮৯ খৃঃ, ১৯৯২-৯৩ খৃঃ ইসলামিক বাংলাদেশে, পাকিস্তানে, কাশ্মীর উপত্যকায় সু-পরিকল্পিতভাবে সংঘবদ্ধভাবে হিন্দু নিধন, হিন্দু নারী লুন্ঠন, মঠ মন্ধির ধংশ অনুষ্ঠিত হয়েছিল |
এখন ?
ঝলক দেখ লা যা !
-------------------------
পাকিস্তান প্রায় হিন্দুূ শূন্য,
কাশ্মীর উপত্যকা প্রায় হিন্দু শূন্য ,
বাংলাদেশ প্রায় হিন্দু শূন্য, ---- যেগুলো আছে, হাঁড়িতে রাখা " জিওল মাছ " ----- ধর আর খা, শালা !
বড্ড জ্বলন লাগছে বলুন, ---- মনে হচ্ছে, লন্কা যষে দিয়েছে ! ! !
ই-স-স ! ! !
( জ্বলন কমানোর ঔষধ, -- পুরো এ্যালোপ্যথি ! মেডিসিন, -- নির্যাতনের দলিল, হোমল্যান্ড, মায়ের ডাক, বাঙালী হিন্দুর বিলুপ্তি, ব্রিটিশ রাজত্বের শেষ দিনগুলি, অসংখ্য - অজস্র.......)
....লিখেছেন নিতীন কুমার....