21/07/2020
==================================
"খানকি ”এই শব্দটি কীভাবে এলো ?
==================================
এই শব্দবন্ধটাকে আমরা সবাই ঘৃণা করি। সংস্কৃতিমনস্ক ব্যক্তি লজ্জায় মুখে আনতে দ্বিধা করেন, বাংলা অভিধানে স্থান পায়নি শব্দটি। কিন্তু প্রায় কেউই জানিনা এই শব্দটি সৃষ্টির পেছনে লুকিয়ে আছে এক করুন মর্মান্তিক ইতিহাস। যে ইতিহাস আমাদের ঘৃণা করতে শেখায়না বরং চোখে এনে দেয় অশ্রুর বন্যা। অনেক ইতিহাসের মতই এমনি অনেক শব্দগুচ্ছের প্রকৃত অর্থ আমরা জানিইনা। তাই সেইসব শব্দগুচ্ছ অন্য অর্থে হচ্ছে বহুল ব্যবহৃত।
আমরা জানি মুসলমানদের মধ্যে রয়েছে বহু উপ সম্প্রদায়। তেমনি একটি সম্প্রদায় সুফি। এদের ধর্মগুরুদের বলা হতো পীর। এই পিরেরা আঁখড়া বানিয়ে থাকতো। ওই আঁখড়ায় অতিথি আপ্যায়নের জন্য যে কক্ষ রাখা থাকতো তাকে বলা হতো খানকাহ্। এই খানকাহ্তে যে হিন্দু নারীদের যৌনদাসী বানিয়ে রাখা হতো তাদেরই বলা হত খানকী।
এবার বিশদে বলা যাক -
এই বাংলায় এসে ধর্মপ্রচার করেছে তুর্কিস্তান, মধ্য ইরাক, পারস্য থেকে আসা বহু সুফি, সন্ত, ফকির, আউলিয়া। সুফিদের বিষয়ে বইতে যে ভালো ভালো কথা লেখা হয় তা' অসম্পূর্ণ, তথ্যের বিকৃতিতে পূর্ণ। প্রতিটি সুফির থাকত এক আখড়া, একদল খিদমতগার বা চেলা এবং তাদের সকলের যৌন ক্ষুধা মেটানোর জন্য অনেক বন্দিনী হিন্দু নারী যৌনদাসী। এসব কথা সাহিত্যের আলোচনায় কোথাও কেউ লেখে না, সবাই সুফি দরবেশদের এক বিশেষ দর্শন বিষয়ে গদ গদ চিত্তে মহান বলে বর্ণনা করে। হিন্দু আহাম্মকের জাতি, তাদের নির্বুদ্ধিতা, অপাত্রে ভক্তি ও দান ছিল মুসলমান ধর্মপ্রচারকদের প্রধান অস্ত্র। বাঙালি বাদে ভারতের অন্য কোথাও এমন নির্বোধ ব্যক্তি দেখা যায় না। তাই দেশের অন্য কোথাও নেই সুফি দরবেশদের এত বেশি আখড়া, খানকাহ।
সুফিরা ছিল আল্লার অন্ধ ভক্ত এবং কোরআন - হাদিসে অটুট বিশ্বাস- ইসলামের প্রচারে এরা যে কোনও ক্রুরতা, হিংসা, অপরাধ করেছে। নারী লুঠ করে ভোগ করেছে, তাদের টোপ হিসেবে ব্যবহার করে হিন্দু রাজা জমিদার দের মুসলমান বানিয়েছে।
কিছু অতি বড় আহাম্মক হিন্দু সস্ত্রীক যেত সুফির আখড়ায়। এই আখড়া হত গ্রামের সীমানায় দখল করা ভূমিতে, জমিদারও ভক্তিতে কিছু বলত না যদি নবাবের কাছে নালিশ করে দেয়! সুফিরা প্রত্যেকে অস্ত্র শস্ত্র রাখত লুকিয়ে। সরল হিন্দু পরিবারগুলি সাধুবাবা মনে করে দেখা করতে এলে এরা তাদের দুপুরে খেয়ে যেতে বলত। আহারের ব্যবস্থা করে দিতে যাত্রীরা নিজেরাই ভাত ফুটিয়ে খেত। অসতর্ক, অসহায় পরিবারগুলিকে আক্রমণ করে সহিহ ইসলামি কায়দায় পুরুষদের হত্যা করে মাটিতে পুঁতে ফেলত। এ কারণে যে কোন পীরের মাজারে গেলে দেখতে পাবেন আশেপাশে বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে কবর ক্ষেত্র।
পীরের নির্দেশে তার চেলারা হিন্দু বালিকা থেকে যুবতী মেয়েদের ধরে আনত। এরপর এদেরকে অন্ধকার ঘরে আটকে রেখে চলত অবাধ ধর্ষণ, গরুর মাংস খাওয়ানো, মুসলমান করা। সুফি দরবেশদের আখড়ার সংলগ্ন থাকত ধর্ম আলোচনার জন্য বাঁধানো চাতাল, কিছু কক্ষ। একে বলে খানকাহ। হিন্দু জমিদার দের আপ্যায়ন করে এই খানকাহে রেখে বন্দিনী মেয়েদের সঙ্গে কৌশলে সঙ্গম করানো হত। তারপর নানাভাবে চাপ দিয়ে তাদের মুসলমান করার খেলা। হতভাগিনী যৌনদাসীরা এভাবে ইসলাম ছড়াতে সাহায্য করত। এইসব মেয়েদের জন্য ঘৃণামেশানো এক শব্দ চালু হয়েছে খানকি মাগি। দ্যর্থহীন ভাষায় বলতে চাই চরম আহাম্মক হিন্দুজাতি এভাবেই ক্ষয় হয়েছে, ধর্মান্তরিত হয়েছে।
সুফিদের মধ্যে প্রায় কেউই সৎ মানুষ ছিল না, সবাই ছিল সশস্ত্র জিহাদি। সিলেটের বিখ্যাত সুফি শাহজালাল বিষয়ে আংশিক জানি আমরা। এই শাহজালাল তার ঘোড়সওয়ার বাহিনী নিয়ে যুদ্ধ করে পরাজিত ও নিহত করে উত্তর বাংলার রাজা কৃষ্ণগোবিন্দকে, রাজশাহি ও সিলেট ইসলামের কবলে চলে যায়। বেড়াচাঁপায় গৌরচাঁদ পীর রাজা চন্দ্রকেতু এবং তার দুই সেনাপতিকে নির্মমভাবে হত্যা করে। মজার কথা হলো আজও দেগঙ্গা বেড়াচাঁপায় বহু হিন্দু এই গোরাচাঁদ পীরকে শ্রদ্ধা করে। উত্তর বাংলার অন্য এক রাজার সাত সুদর্শন রাজপুত্রদের সঙ্গে নিজের সাত কন্যার বিবাহ দেন গৌড়ের সুলতান হোসেন শাহ। অসহায় পিতা নীরবে মেনে নেন সুলতানের এই অত্যাচার। গোটা পূর্ববঙ্গ ধর্মান্তরিত মুসলমানে ভরে যায়। সেটা ১২১০ খ্রীঃ থেকে ১৬শ শতাব্দীর প্রথমভাগ অবধি চলেছে প্রবলভাবে।
তাই, সাদা পোশাক দেখলেই ভাববেন না লোকটা মহাপুরুষ। প্রতিটা পীর, সুফি ছিল এইরকম হিন্দুবিদ্বেষী জিহাদি। তাদের মিষ্টি কথায়, সুর্মা দেওয়া চোখ, গৌরাঙ্গ দেখে বোকা হিন্দুদের চোখে ধরা পড়েনি জিহাদি শয়তানি, মরেছে হিন্দুরা, তাদের স্ত্রী কন্যাদের বন্দী করে যৌনদাসী বানিয়েছে এই পির, সুফিরা- কেউই ছিল না জিতেন্দ্রিয় ব্রহ্মচারী।
(লেখাটি সংগৃহীত)
শুধু মাত্র তথ্য ভাগ করলাম...
কাউকে উত্যক্ত করার জন্য নয়...