কিছু ভালোবাসা কিছু গল্প // সব কিছু অল্প অল্প

  • Home
  • India
  • KOLKATA
  • কিছু ভালোবাসা কিছু গল্প // সব কিছু অল্প অল্প

কিছু ভালোবাসা কিছু গল্প // সব কিছু অল্প অল্প Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from কিছু ভালোবাসা কিছু গল্প // সব কিছু অল্প অল্প, KOLKATA.

উকিলের_বুদ্ধিএকজন অ্যাডভোকেট ট্রেনের এসি কেবিনে একাকী যাচ্ছিলেন। কিছুক্ষণ পরে এক সুন্দরী আসলেন এবং অপর পাশের সিটে বসে পড...
20/05/2023

উকিলের_বুদ্ধি

একজন অ্যাডভোকেট ট্রেনের এসি কেবিনে একাকী যাচ্ছিলেন। কিছুক্ষণ পরে এক সুন্দরী আসলেন এবং অপর পাশের সিটে বসে পড়লেন। আর তা দেখে পুরুষ যাত্রী মহাখুশি। দীর্ঘ যাত্রায় এরকম একজন সঙ্গী পেতে কার না ভাল লাগে। আর সে যদি হয় কোন সুন্দরী, তবে তো আর কথায় নেই!

সুন্দরী এবার উকিল সাহেবের দিকে তাকিয়ে একটা মিষ্টি হাসি দিলেন আর উকিল সাহেবের মনে হল তিনি একটি হার্টবিট মিস করলেন। কিছুসময় পরে সুন্দরীটি অপর পাশ থেকে উঠে এসে একেবারে তার পাশে গা ঘেষে বসলেন। আর এদিকে খুশিতে তো উকিল সাহেবের হার্ট এটাক করার দশা!

সুন্দরী মহিলা পুরুষটির পেশাগত পরিচয় ধারণা করতে পারেন নি তাই এবার তার কানের কাছে মুখ নিয়ে আস্তে আস্তে বলল -"তোমার মানিব্যাগ, মোবাইল, টাকা পয়সা যা কিছু আছে সব আমাকে দিয়ে দাও। না হলে আমি এখন ডেকে লোক জড়ো করব, সবাই তোমাকে গণধোলাই দিবে! "

পুরুষ যাত্রী এমন ভাব দেখালেন যেন তিনি কিছুই শুনতে পাননি। তিনি হাত দিয়ে ইশারায় বুঝাতে চাইলেন, তিনি বধির, তাই কানে শুনতে পান না। "যদি কিছু বলতে চান, তবে তা এই কাগজে লিখে দিন।" এই কথা ইশারার মাধ্যমে বুঝালেন। অতঃপর পকেট থেকে তিনি এক টুকরো কাগজ বের করে দিলেন।

সুন্দরী এবার কাগজের উপর আগের কথাগুলো লিখলেন। উকিল সাহেব এবার কাগজটি নিয়ে পকেটে রেখে দিলেন এবং হাসতে হাসতে বললেন -" এবার তুমি না আমি চিৎকার দিয়ে পুলিশ ডাকব? "

নীতিবাক্য: লিখিত প্রমাণ হাতে রাখা খুবই জরুরী।

সংগৃহীত

এই দুই বাঙালি তাঁদের জীবনের এক কঠিন সময়কে হারিয়ে দিয়ে আবার কামব্যাকের কাহিনী ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে ...
04/05/2023

এই দুই বাঙালি তাঁদের জীবনের এক কঠিন সময়কে হারিয়ে দিয়ে আবার কামব্যাকের কাহিনী ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে । ২০০৫ সালে যুক্তিসঙ্গত কোনো কারণ ছাড়াই গ্রেগ চ্যাপেল আমাদের বাঙালির গর্ব সৌরভ গাঙ্গুলিকে ষড়যন্ত্র করে টিম থেকে সরিয়ে দিয়েছিলেন । কিন্তু ঘরোয়া ক্রিকেটে সৌরভের অসাধারণ পারফরম্যান্স চ্যাপেলকে বাধ্য করেছিল ২০০৬ সালে সাউথ আফ্রিকা সফরে সৌরভকে টিম ইন্ডিয়ায় জয়েন করাতে । প্রথম টেস্টে ব্যাট করতে নেমে হিন্দুস্থান এর স্কোর যখন ৩৭ রানে ৪ উইকেট তখন সৌরভ আসলেন ব্যাট হাতে । সৌরভের ব্যাট তখন কোনো কাঠের খন্ড নয়, যেন অর্জুনের গান্ধীব । ২০০৬ সালের ভয়ংকর সাউথ আফ্রিকার বিশ্বমানের সুইং আর পেস অস্ত্রকে সৌরভ তাঁর গান্ডীব থেকে একের পর এক ক্রিকেটীয় শট নিক্ষেপ করে প্রতিহত করছিলেন । ৮৩ রানের এক অবিশ্বাস্য ইনিংস খেলেছিলেন সৌরভ সেদিন । পরবর্তী শ্রীলঙ্কা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরেও সৌরভের ঝোড়ো ব্যাটিং অব্যাহত ছিল । এ সত্যিই স্বপ্নের কামব্যাক ছিল সৌরভের জীবনে ।
এরপর আমরা কয়েক দশক পিছিয়ে গিয়ে আরেকজন মহান বাঙালির কামব্যাকের দিকটা একটু লক্ষ্য করি । মাথামোটা পরিচালক আলো সরকারের হিন্দি ছবি 'ছোটি সি মুলাকাত'এ উত্তমকুমারই প্রধান নায়কের ভূমিকায় ছিলেন । এটাই উত্তমকুমারের প্রথম হিন্দি ছবি । উত্তমকুমারের মনে বলিউডে খ্যাতি পাওয়ারও সুপ্ত ইচ্ছা ছিল । তবে উত্তমবাবুর ইচ্ছেটা খুবই ন্যায়সঙ্গত । কারণ বোম্বে যদি বাংলা ছবিগুলো কপি করে ওদের ওখানে তৈরি করে ব্যবসার ভালো মুখ দেখতে পারে তবে বাংলার নায়কেরা কেনো বোম্বেতে গিয়ে হিরো হতে পারবে না । বোম্বে কি কারোর ব্যক্তিগত সম্পত্তি নাকি ? কিন্তু উত্তমবাবুর 'ছোটি সি মুলাকাত' সেখানে দাহা ফ্লপ করলো, এর জন্য মাথামোটা আলোর অদক্ষতা তো ছিলই এছাড়াও বোম্বের একটা শক্তিশালী লবি ষড়যন্ত্র করে এই ছবিকে চলতে দেয়নি । হ্যাঁ মানছি ছবিটা ভালো নয় কিন্তু নেগেটিভ পাবলিসিটি থাকলেও ছবিটি ব্যবসা করতো । কারণ বরাবরই বলিউডে কমার্শিয়াল ছবির সার্কেল অনেকটাই বড়ো । বোম্বের গুরুত্বপূর্ণ সিনেমা হলগুলোকে তাই বোম্বের শক্তিশালী লবি থেকে নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছিল 'ছোটি সি মুলাকাত' যাতে না চালানো হয় বা সেটা চালালেও রিপিট যেন খুব কম হয় । পাবলিক দেখবার সুযোগ না পাওয়ায় ব্যবসায়িক দিক দিয়ে ছবিটা মার খেয়ে গেছিল । কিন্তু ভদ্রলোকের নামটা যে 'উত্তমকুমার', পরাজয় তিনি মুখ বুজে সহ্যই বা কেনো করবেন । ১৯৭৫ সালে উত্তমবাবুর অভিনীত 'অমানুষ' হিন্দিতেও মুক্তি পেলো । ব্যাস, সব অপমানের বদলা উত্তমবাবু গুনে গুনে ষড়যন্ত্রকারীদের ফেরত দিলেন । 'অমানুষ' বোম্বেতে সুপারহিট হলো আর উত্তমবাবুর স্বপ্নের কামব্যাক ঘটলো বোম্বেতে । এবং আমরা বাঙালি হিসেবেও গর্বিত হলাম একজন বাঙালি নায়কের এমন অসাধ্য সাধন দেখে ।

সংগৃহীত...

প্রাচীন যুগে চীনারা যখন শান্তিতে বসবাসের সিদ্ধান্ত নিল তখন তারা গ্রেট ওয়াল নির্মাণ করল। চীনারা ভেবেছিল এটার উচ্চতার জন্...
04/05/2023

প্রাচীন যুগে চীনারা যখন শান্তিতে বসবাসের সিদ্ধান্ত নিল তখন তারা গ্রেট ওয়াল নির্মাণ করল। চীনারা ভেবেছিল এটার উচ্চতার জন্য কেউ টপকে তাদের আক্রমণ করতে পারবে না।

গ্রেট ওয়াল নির্মাণের প্রথম ১০০ বছরের মধ্যেই চীনারা তিনবার আক্রান্ত হয়। আশ্চর্যের বিষয় কোনোবারই আক্রমণকারীদের দেয়াল টপকানোর বা ভাঙার প্রয়োজন হয়নি। কারণ, প্রত্যেকবারই আক্রমণকারীরা দেয়াল পাহারারত রক্ষীদের উৎকোচ দিয়ে সামনের গেট দিয়ে ঢুকে গেছে। চীনারা অনেক পরিশ্রম করে মজবুত দেয়াল তৈরি করেছিল; কিন্তু তারা দেয়াল পাহারা দেওয়া রক্ষীদের চরিত্র মজবুত করতে কোনো পরিশ্রম করেনি।

তাহলে দেখা যাচ্ছে দেয়াল মজবুত করা থেকে চরিত্র মজবুত করার প্রশ্নটিই আগে আসে। শুধু দেয়াল মজবুত করার ফলাফল শূন্য।

তাই অনেক আগেই একজন প্রাচ‍্যদেশীয় দার্শনিক বলে গেছেন, তুমি যদি কোনো সভ্যতা ধ্বংস করতে চাও, তাহলে তিনটি কাজ করো :

১. যে জাতিকে পদানত করতে চাও তার পারিবারিক গঠন আগে ধ্বংস করো। পারিবারিক গঠন ধ্বংস করতে হলে সংসারে মায়ের ভূমিকাকে খাটো করে দেখাও, যাতে সে গৃহবধূ পরিচয় দিতে লজ্জাবোধ করে।

২. শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস করে দাও। এটা করতে হলে শিক্ষককে প্রাধান্য দিয়ো না। সমাজে তাঁর অবস্থান নীচু করে দেখাও, যাতে তাঁর ছাত্ররাই তাঁকে উপহাস করে।

৩. তরুণসমাজ যেন অনুসরণ করার মতো কোনো রোলমডেল না পায়, তাই তাদের জ্ঞানীদের নানাভাবে অপমান করো। রোলমডেলদের নামে অসংখ্য মিথ্যা কুৎসা রটাও, যাতে তরুণসমাজ তাঁদের অনুসরণ করতে দ্বিধাবোধ করে।

Collected

বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া মেয়েটির সাথে বাবা দেখা করতে এসেছেন। দোকানে নিয়ে গিয়ে বাবা বললেন,কী খাবি অর্ডার দে।মেয়েটি বললো, তুমি ব...
02/05/2023

বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া মেয়েটির সাথে বাবা দেখা করতে এসেছেন। দোকানে নিয়ে গিয়ে বাবা বললেন,
কী খাবি অর্ডার দে।

মেয়েটি বললো,
তুমি বল তুমি কী খাবা?
বাবাটি হেসে বললো,
আমি তো জানিনা এখানে কী ভালো পাওয়া যায়?
তুই যা খাবি আমিও তাই খাব।
মেয়েটি দুই গ্লাস জুস নিয়ে আসলো।
ক্লান্ত বাবাটির খুব ভালো লাগলো ঠান্ডা জুস খেতে।
সে বললো, বাহ খুব মজাতো।
এবার তোর মাকে আনলেও এই জুস খাওয়াব।
মেয়েটি হাসলো।
বাবা মেয়েটিকে কিছুক্ষণ লক্ষ্য করে বললো,
খাওয়া দাওয়া ঠিক মতো করিস তো?
- হুমম করি।
- তাহলে এমন শুকিয়ে গেছিস কেন?
মেয়েটি হাসলো।বাবা এবার চাপা গলায় বললেন,
তোকে যে টাকা দেই,তোর ঠিকমতো চলেতো?
- হুমম চলে।
- কোন অসুবিধা হলে আমাকে বলিস।
- হুমম বলবো।
মেয়েটির আজ খুব ভালো লাগছে।
বাবাকে ছোটবেলা থেকে ও খুব ভয় আর সমিহ করে চলেছে।
বাবা কোনদিন সরাসরি ওর কোন খোঁজ খবর নেননি। মার সাথেই মন খুলে কথা বলা যেত।
বাবার সাথে ছিল সবসময় এক অদৃশ্য দুরত্ব।
অথচ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর এই নিয়ে দুই বার বাবা এসে দেখা করে গেলেন।
আর কেমন করে যেন দুরত্বটা কমিয়ে দিলেন।
কেমন মায়া করে কতো রকম কথা বলেন বাবা এখন। মেয়েটির খুব ভালোলাগে।
আজ যাওয়ার সময় বাবাকে খুব জড়িয়ে ধরতে ইচ্ছা করছে।
কিন্তু কেমন জানি লজ্জাও লাগছে মেয়েটির।
বাবাকে বলতে ইচ্ছা করছে,
তোমাকে অনেক ভালোবাসি বাবা।কিন্তু বাবা তোমাকে কখনো বলতে পারি না । 😘😍🥰
Love you baba😍

সংগ্রহকৃত.....

◆●◆ লম্বা গলা ◆●◆সাধারণত  আমাদের  কাছে  লম্বা  গলার  মানুষ বেশি  সুন্দর  লাগে।  কিন্তু  মিয়ানমারের  অধিবাসীরা  এই  বেশি ...
22/07/2020

◆●◆ লম্বা গলা ◆●◆

সাধারণত আমাদের কাছে লম্বা গলার মানুষ বেশি সুন্দর লাগে। কিন্তু মিয়ানমারের অধিবাসীরা এই বেশি শব্দটার বলতে গেলে অপব্যাবহার করে ফেলেছে। তাদের কাছে বেশি লম্বা গলার মানুষ সুন্দর লাগে। তাই মেয়েদের ৫ বছর হলেই তাদের গলায় পিতলের বা তামার রিং লাগিয়ে দেয়া হয়। মাঝে মাঝে ছেলেরাও লাগায়। এইভাবে তারা বিয়ের আগ পর্যন্ত প্রত্যেক বছর একটি করে রিং লাগাতে থাকে, যার কারণে তাদের গলা বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা গলায় পরিণত হয়।

¶¶¶ নিখিলেশ প্যারিসে মঈদুল  ঢাকাতে নেই তারা আজ কোনো খবরে...মান্না দে’র কালজয়ী গান কফি হাউজের অন্যতম চরিত্র ঢাকার মঈদুল ...
22/07/2020

¶¶¶ নিখিলেশ প্যারিসে মঈদুল ঢাকাতে নেই তারা আজ কোনো খবরে...

মান্না দে’র কালজয়ী গান কফি হাউজের অন্যতম চরিত্র ঢাকার মঈদুল এখন গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসাধীন। গত ৫ জুলাই মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হওয়ার পর তাকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১৯৩৬ সালের ১৩ই জানুয়ারী পশ্চিমবঙ্গের ২৪ পরগনায় জন্মগ্রহন করেন কফি হাউজের সেই মঈদুল। সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজে পড়ার সময়ে বন্ধুত্ব হয় মান্না দে, অমলদের সঙ্গে।

১৯৬৪ সালে হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গার সময় ঢাকায় চলে আসে তার পরিবার। কাগজের রিপোর্টার মঈদুল, সাংবাদিকতা করেছেন দৈনিক আজাদ, ইত্তেফাক, দৈনিক বাংলা, ইনকিলাব, সংবাদ, বাংলার বানী আর দৈনিক পূর্বদেশে। ফুটবল, হকি, ভলিবল, ব্যাডমিন্টন ও অ্যাথলেটিক্সে ছিলেন সমান উজ্জ্বল। ছিলেন ক্রীড়া ধারাভাষ্যকারও। সিনেমা আর মঞ্চের জগতেও ছিল তার উপস্থিতি।

মঈদুলের কফি হাউজের সোনালী বিকেল হারিয়ে গেছে অনেক আগেই। এখন মঈদুলের বিকেল কাটছে হাসপাতালে।

(Collected)

==================================           "খানকি ”এই শব্দটি কীভাবে এলো ?==================================এই শব্দবন্ধ...
21/07/2020

==================================
"খানকি ”এই শব্দটি কীভাবে এলো ?
==================================

এই শব্দবন্ধটাকে আমরা সবাই ঘৃণা করি। সংস্কৃতিমনস্ক ব্যক্তি লজ্জায় মুখে আনতে দ্বিধা করেন, বাংলা অভিধানে স্থান পায়নি শব্দটি। কিন্তু প্রায় কেউই জানিনা এই শব্দটি সৃষ্টির পেছনে লুকিয়ে আছে এক করুন মর্মান্তিক ইতিহাস। যে ইতিহাস আমাদের ঘৃণা করতে শেখায়না বরং চোখে এনে দেয় অশ্রুর বন্যা। অনেক ইতিহাসের মতই এমনি অনেক শব্দগুচ্ছের প্রকৃত অর্থ আমরা জানিইনা। তাই সেইসব শব্দগুচ্ছ অন্য অর্থে হচ্ছে বহুল ব্যবহৃত।

আমরা জানি মুসলমানদের মধ্যে রয়েছে বহু উপ সম্প্রদায়। তেমনি একটি সম্প্রদায় সুফি। এদের ধর্মগুরুদের বলা হতো পীর। এই পিরেরা আঁখড়া বানিয়ে থাকতো। ওই আঁখড়ায় অতিথি আপ্যায়নের জন্য যে কক্ষ রাখা থাকতো তাকে বলা হতো খানকাহ্। এই খানকাহ্তে যে হিন্দু নারীদের যৌনদাসী বানিয়ে রাখা হতো তাদেরই বলা হত খানকী।

এবার বিশদে বলা যাক -
এই বাংলায় এসে ধর্মপ্রচার করেছে তুর্কিস্তান, মধ্য ইরাক, পারস্য থেকে আসা বহু সুফি, সন্ত, ফকির, আউলিয়া। সুফিদের বিষয়ে বইতে যে ভালো ভালো কথা লেখা হয় তা' অসম্পূর্ণ, তথ্যের বিকৃতিতে পূর্ণ। প্রতিটি সুফির থাকত এক আখড়া, একদল খিদমতগার বা চেলা এবং তাদের সকলের যৌন ক্ষুধা মেটানোর জন্য অনেক বন্দিনী হিন্দু নারী যৌনদাসী। এসব কথা সাহিত্যের আলোচনায় কোথাও কেউ লেখে না, সবাই সুফি দরবেশদের এক বিশেষ দর্শন বিষয়ে গদ গদ চিত্তে মহান বলে বর্ণনা করে। হিন্দু আহাম্মকের জাতি, তাদের নির্বুদ্ধিতা, অপাত্রে ভক্তি ও দান ছিল মুসলমান ধর্মপ্রচারকদের প্রধান অস্ত্র। বাঙালি বাদে ভারতের অন্য কোথাও এমন নির্বোধ ব্যক্তি দেখা যায় না। তাই দেশের অন্য কোথাও নেই সুফি দরবেশদের এত বেশি আখড়া, খানকাহ।
সুফিরা ছিল আল্লার অন্ধ ভক্ত এবং কোরআন - হাদিসে অটুট বিশ্বাস- ইসলামের প্রচারে এরা যে কোনও ক্রুরতা, হিংসা, অপরাধ করেছে। নারী লুঠ করে ভোগ করেছে, তাদের টোপ হিসেবে ব্যবহার করে হিন্দু রাজা জমিদার দের মুসলমান বানিয়েছে।

কিছু অতি বড় আহাম্মক হিন্দু সস্ত্রীক যেত সুফির আখড়ায়। এই আখড়া হত গ্রামের সীমানায় দখল করা ভূমিতে, জমিদারও ভক্তিতে কিছু বলত না যদি নবাবের কাছে নালিশ করে দেয়! সুফিরা প্রত্যেকে অস্ত্র শস্ত্র রাখত লুকিয়ে। সরল হিন্দু পরিবারগুলি সাধুবাবা মনে করে দেখা করতে এলে এরা তাদের দুপুরে খেয়ে যেতে বলত। আহারের ব্যবস্থা করে দিতে যাত্রীরা নিজেরাই ভাত ফুটিয়ে খেত। অসতর্ক, অসহায় পরিবারগুলিকে আক্রমণ করে সহিহ ইসলামি কায়দায় পুরুষদের হত্যা করে মাটিতে পুঁতে ফেলত। এ কারণে যে কোন পীরের মাজারে গেলে দেখতে পাবেন আশেপাশে বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে কবর ক্ষেত্র।
পীরের নির্দেশে তার চেলারা হিন্দু বালিকা থেকে যুবতী মেয়েদের ধরে আনত। এরপর এদেরকে অন্ধকার ঘরে আটকে রেখে চলত অবাধ ধর্ষণ, গরুর মাংস খাওয়ানো, মুসলমান করা। সুফি দরবেশদের আখড়ার সংলগ্ন থাকত ধর্ম আলোচনার জন্য বাঁধানো চাতাল, কিছু কক্ষ। একে বলে খানকাহ। হিন্দু জমিদার দের আপ্যায়ন করে এই খানকাহে রেখে বন্দিনী মেয়েদের সঙ্গে কৌশলে সঙ্গম করানো হত। তারপর নানাভাবে চাপ দিয়ে তাদের মুসলমান করার খেলা। হতভাগিনী যৌনদাসীরা এভাবে ইসলাম ছড়াতে সাহায্য করত। এইসব মেয়েদের জন্য ঘৃণামেশানো এক শব্দ চালু হয়েছে খানকি মাগি। দ্যর্থহীন ভাষায় বলতে চাই চরম আহাম্মক হিন্দুজাতি এভাবেই ক্ষয় হয়েছে, ধর্মান্তরিত হয়েছে।

সুফিদের মধ্যে প্রায় কেউই সৎ মানুষ ছিল না, সবাই ছিল সশস্ত্র জিহাদি। সিলেটের বিখ্যাত সুফি শাহজালাল বিষয়ে আংশিক জানি আমরা। এই শাহজালাল তার ঘোড়সওয়ার বাহিনী নিয়ে যুদ্ধ করে পরাজিত ও নিহত করে উত্তর বাংলার রাজা কৃষ্ণগোবিন্দকে, রাজশাহি ও সিলেট ইসলামের কবলে চলে যায়। বেড়াচাঁপায় গৌরচাঁদ পীর রাজা চন্দ্রকেতু এবং তার দুই সেনাপতিকে নির্মমভাবে হত্যা করে। মজার কথা হলো আজও দেগঙ্গা বেড়াচাঁপায় বহু হিন্দু এই গোরাচাঁদ পীরকে শ্রদ্ধা করে। উত্তর বাংলার অন্য এক রাজার সাত সুদর্শন রাজপুত্রদের সঙ্গে নিজের সাত কন্যার বিবাহ দেন গৌড়ের সুলতান হোসেন শাহ। অসহায় পিতা নীরবে মেনে নেন সুলতানের এই অত্যাচার। গোটা পূর্ববঙ্গ ধর্মান্তরিত মুসলমানে ভরে যায়। সেটা ১২১০ খ্রীঃ থেকে ১৬শ শতাব্দীর প্রথমভাগ অবধি চলেছে প্রবলভাবে।

তাই, সাদা পোশাক দেখলেই ভাববেন না লোকটা মহাপুরুষ। প্রতিটা পীর, সুফি ছিল এইরকম হিন্দুবিদ্বেষী জিহাদি। তাদের মিষ্টি কথায়, সুর্মা দেওয়া চোখ, গৌরাঙ্গ দেখে বোকা হিন্দুদের চোখে ধরা পড়েনি জিহাদি শয়তানি, মরেছে হিন্দুরা, তাদের স্ত্রী কন্যাদের বন্দী করে যৌনদাসী বানিয়েছে এই পির, সুফিরা- কেউই ছিল না জিতেন্দ্রিয় ব্রহ্মচারী।

(লেখাটি সংগৃহীত)
শুধু মাত্র তথ্য ভাগ করলাম...
কাউকে উত্যক্ত করার জন্য নয়...

◆●◆ ৩৩ নম্বরে পাশের কাহিনী ◆●◆১৮৫৮ সালে উপমহাদেশে প্রথম বারের মত মেট্রিকুলেশন পরীক্ষা চালু করা হয়। কিন্তু পাশ নম্বর কত হ...
21/07/2020

◆●◆ ৩৩ নম্বরে পাশের কাহিনী ◆●◆

১৮৫৮ সালে উপমহাদেশে প্রথম বারের মত মেট্রিকুলেশন পরীক্ষা চালু করা হয়। কিন্তু পাশ নম্বর কত হবে তা নির্ধারণ নিয়ে বোর্ড কর্তৃপক্ষ দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়ে যায়, এবং ব্রিটেনে কনসাল্টেশনের জন্য চিঠি লেখা হয়।
তখন ব্রিটেনে স্থানীয় ছাত্রদের জন্য পাশ নম্বর ছিল ৬৫। সে সময় ইংরেজ সমাজে একটা প্রচলিত ধারণা ছিলঃ
"The people of Subcontinent are half as intellectual and efficient as compared to the British".
অর্থাৎ, "বুদ্ধি ও দক্ষতায় উপমহাদেশের মানুষ কে ইংরেজদের তুলনায় অর্ধেক বলে মনে করা হতো"।

এর-ই ধারাবাহিকতায় মেট্রিকুলেশনের পাশ নম্বর ৬৫ এর অর্ধেক ৩২.৫ নির্ধারণ করা হয়। ১৮৫৮ সাল হতে ১৮৬১ সাল পর্যন্ত পাশ নম্বর ৩২.৫ ই ছিল।

১৮৬২ সালে তা গণনার সুবিধার্থে বৃদ্ধি করে ৩৩ করা হয়। সেই থেকে এই ৩৩ নম্বর-ই চলছে। ফেডারেল পাকিস্তানেও ছিল, বাংলাদেশেও তাই চলছে।

আমাদের পার্শ্ববর্তি দেশ ভারতে I.I.T তে বিষয় ভেদে পাশ নম্বর ৪১ থেকে শুরু করে ৯০ পর্যন্তও হয়ে থাকে। যুক্তরাষ্ট্রে M.I.T তে বিষয় ভেদে ৩৬ থেকে ৪৫ এমন কি বাংলাদেশেও C.A কিংবা C.M.A- তে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পাশ নম্বর নির্ধারণ করা হয়ে থাকে।

লক্ষণীয় ও আজব ব্যাপার হল!!
প্রায় দুই শতাব্দী পরেও আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় ৩৩ নম্বরে উত্তীর্ণ হওয়ার ধারাবাহিক ইতিহাস বদলায়নি।
সময় এসেছে এটাকে পরিবর্তন করার?(সংগৃহীত) #কিভাবে_এলো_৩৩_নম্বরে_পাশ?

১৮৫৮ সালে উপমহাদেশে প্রথম বারের মত মেট্রিকুলেশন পরীক্ষা চালু করা হয়। কিন্তু পাশ নম্বর কত হবে তা নির্ধারণ নিয়ে বোর্ড কর্তৃপক্ষ দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়ে যায়, এবং ব্রিটেনে কনসাল্টেশনের জন্য চিঠি লেখা হয়।
তখন ব্রিটেনে স্থানীয় ছাত্রদের জন্য পাশ নম্বর ছিল ৬৫। সে সময় ইংরেজ সমাজে একটা প্রচলিত ধারণা ছিলঃ
"The people of Subcontinent are half as intellectual and efficient as compared to the British".
অর্থাৎ, "বুদ্ধি ও দক্ষতায় উপমহাদেশের মানুষ কে ইংরেজদের তুলনায় অর্ধেক বলে মনে করা হতো"।

এর-ই ধারাবাহিকতায় মেট্রিকুলেশনের পাশ নম্বর ৬৫ এর অর্ধেক ৩২.৫ নির্ধারণ করা হয়। ১৮৫৮ সাল হতে ১৮৬১ সাল পর্যন্ত পাশ নম্বর ৩২.৫ ই ছিল।

১৮৬২ সালে তা গণনার সুবিধার্থে বৃদ্ধি করে ৩৩ করা হয়। সেই থেকে এই ৩৩ নম্বর-ই চলছে। ফেডারেল পাকিস্তানেও ছিল, বাংলাদেশেও তাই চলছে।

আমাদের পার্শ্ববর্তি দেশ ভারতে I.I.T তে বিষয় ভেদে পাশ নম্বর ৪১ থেকে শুরু করে ৯০ পর্যন্তও হয়ে থাকে। যুক্তরাষ্ট্রে M.I.T তে বিষয় ভেদে ৩৬ থেকে ৪৫ এমন কি বাংলাদেশেও C.A কিংবা C.M.A- তে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পাশ নম্বর নির্ধারণ করা হয়ে থাকে।

লক্ষণীয় ও আজব ব্যাপার হল!!
প্রায় দুই শতাব্দী পরেও আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় ৩৩ নম্বরে উত্তীর্ণ হওয়ার ধারাবাহিক ইতিহাস বদলায়নি।
সময় এসেছে এটাকে পরিবর্তন করার.....(সংগৃহীত)

◆●◆ শ্রী পদ্মনাভস্বামী মন্দিরের রহস্য ◆●◆তিরুবনন্তপুরমের শ্রী পদ্মনাভস্বামী মন্দির এবং তিরুভাত্তরের শ্রী আদিকেশভ পেরুমল ...
20/07/2020

◆●◆ শ্রী পদ্মনাভস্বামী মন্দিরের রহস্য ◆●◆

তিরুবনন্তপুরমের শ্রী পদ্মনাভস্বামী মন্দির এবং তিরুভাত্তরের শ্রী আদিকেশভ পেরুমল মন্দির একে অপরের প্রতিরূপ। এগুলি ভগবান বিষ্ণুর কাছে উৎসর্গীকৃত এবং শেষনাগের বিছানায় শ্রীহরির একটি শায়িত মূর্তি মূল মন্দিরে উপস্থিত।

শ্রী পদ্মনাভস্বামী মন্দিরের গর্ভগৃহের অন্তর্গত একটি খুব বিখ্যাত রহস্য রয়েছে।

মন্দিরটিতে মোট ছয়টি ভল্ট রয়েছে এবং এর মধ্যে পাঁচটি খোলা হয়েছে। ষষ্ঠ ভল্ট (চেম্বার বি) এর কোনও লক বা হ্যান্ডেল নেই এবং এখনও সেটি খোলামেলা অবস্থায় রয়েছে।

খিলানের দরজায় একটি সাপের ছবি রয়েছে এবং এটি বিশ্বাস করা হয় যে দরজাটি "নাগ বাঁধন" বা "নাগ পাঠা" দ্বারা সুরক্ষিত করা হয়েছে এবং যেটি কেবল একজন সিদ্ধ পুরুষ দ্বারা "গরুড় মন্ত্র" উচ্চারণ করে খোলা সম্ভব হলেও হতে পারে।

এটি পূর্বে বহুবার খোলার চেষ্টা হয়েছে কিন্তু বিভিন্ন বিপর্যয়ের সম্মুখীন হওয়ার ফলে তার রহস্য আজও অধরা।

◆●◆ লুচি কথা ◆●◆Good Morning বন্ধুরা.. একাদশ শতকে পাল যুগের বিখ্যাত চিকিৎসক চক্রপাণি দত্ত রচিত 'দ্রব্যগুণ' গ্রন্থে লুচির...
20/07/2020

◆●◆ লুচি কথা ◆●◆

Good Morning বন্ধুরা..
একাদশ শতকে পাল যুগের বিখ্যাত চিকিৎসক চক্রপাণি দত্ত রচিত 'দ্রব্যগুণ' গ্রন্থে লুচির বর্ণনা পাওয়া যায়।তিনি লিখেছেন, 'সুমিতায়া ঘৃতাক্তায়া লোপ্‌ত্রীং কৃত্বা চ বেল্লয়েৎ। আজ্যে তাং ভর্জয়েৎ সিদ্ধাং শষ্কুলী ফেনিকা গুণাঃ।।' যার বাংলা অর্থ হল, 'গম চূর্ণকে ঘি দিয়ে মেখে, লেচি করে বেলে, গরম ঘিয়ে ভেজে তৈরী হয় শষ্কুলী, যার গুণ ফেনিকার মত।' শষ্কুলী লুচির আদি রূপ। পাল যুগে তিন প্রকার শষ্কুলী বা লুচি প্রচলিত ছিল - খাস্তা, সাপ্তা ও পুরি।ময়ান দিয়ে ময়দার লেচি বেলে তৈরী হত খাস্তা, ময়ান ছাড়া ময়দার লেচি বেলে তৈরী হত সাপ্তা, ময়দার পরিবর্তে আটা ব্যবহার করলে তাকে বলা হত পুরি। মানিকলাল গঙ্গোপাধ্যায় রচিত ধর্মমঙ্গলে লুচিকে জনপ্রিয় খাদ্য বলে উল্লেখ করা হয়েছে।১৮৫৪ সালে রামনারায়ণ তর্করত্ন রচিত 'কুলীন কুলসর্বস্ব' গ্রন্থে লুচিকে উত্তম ফলারের সর্বপ্রথম উপাদান হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।

পাল যুগের খাস্তা লুচিই বর্তমানে বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় নোনতা খাবার লুচি। আর সেই যুগের আটার লুচিই আজ উত্তর ভারতের জনপ্রিয় খাবার পুরি। লুচিতে কোনো পুর থাকে না। সাধারণভাবে আটার লুচি বা পুরিতেও কোনো পুর থাকে না। লুচির সমগোত্রীয় পুর দেওয়া নোনতা খাবারগুলি হল ডালপুরি, কচুরি ও রাধাবল্লভী।
শুধু লুচির ছবি দিলে রাগ হতে পারে তাই শেষে ঘুগনি আর দু পিস ল্যাংচার ছবি দিলাম যাতে মুখে জল আসে...

◆●◆ জোঁক থেরাপি ◆●◆আজ থেকে সাড়ে তিন হাজার বছর আগে মিসরীয়রা জোঁক ব্যবহার করে ব্রণ, দাঁতের সমস্যা, গর্ভকালীন রোগ, ডায়াবেটি...
14/07/2020

◆●◆ জোঁক থেরাপি ◆●◆

আজ থেকে সাড়ে তিন হাজার বছর আগে মিসরীয়রা জোঁক ব্যবহার করে ব্রণ, দাঁতের সমস্যা, গর্ভকালীন রোগ, ডায়াবেটিস, চর্মরোগ, হৃদরোগ, ইনফেকশন, স্নায়ুতন্ত্রের অস্বাভাবিকতা ইত্যাদির চিকিৎসা করতো। এখনো এই থেরাপি মাইক্রোসার্জারি ও প্লাস্টিক সার্জারিসহ নানা চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়।

জোঁকের একটি মাত্র প্রজাতি চিকিৎসাক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় যার বৈজ্ঞানিক নাম Hirudo medicinalis। হিরুডো জোঁকের তিনটি চোয়ালে সারি সারি দাঁত আছে। এই দাঁতের সাহায্যে তারা রোগীর দেহের ত্বক আঁকড়ে ধরে এবং ২০-৪৫ মিনিট ধরে সেখান থেকে রক্ত শোষণ করে। জোঁক কামড়ে ধরে প্রথমে একধরনের অ্যানেসথেটিক তরল নির্গত করে যা কামড়ে ধরা স্থান অবশ করে দেয়। তারপর জোঁকের লালা থেকে অ্যান্টিকোয়াগুলেন্ট সমৃদ্ধ হিরুডিন নামক এনজাইম রোগীর দেহে প্রবেশ করে। এই এনজাইম রক্ত বিশুদ্ধ করার পাশাপাশি নানা চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।

একটি জোঁক সাধারণত ১৫ মিলিলিটার পর্যন্ত রক্ত শোষণ করে। এরা যাতে আঁকড়ে ধরা স্থান পরিবর্তন করতে না পারে তাই অনেক সময় গ্লাসের কাপ দিয়ে স্থানটি আবদ্ধ রাখা হয়। এই চিকিৎসার ফলে দেহে Y আকৃতির কিছু দাগ দেখা যায় তবে কিছুদিন পর এই দাগ মিলিয়ে যায়। তবে এই চিকিৎসার মাধ্যমে ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আবার যাদের জোঁকের লালায় অ্যালার্জি আছে তাদের ক্ষেত্রে এই চিকিৎসা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়না।

পূর্বে কেবলমাত্র শরীরের অভ্যন্তরীণ শিরায় পুঁজ জমা হয়ে রক্তপ্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলে এই চিকিৎসা পদ্ধতির মাধ্যমে রক্তপ্রবাহ শিথিল করা হতো। তবে বর্তমানে নানা জটিল রোগের চিকিৎসায় এই থেরাপি ব্যবহার করা হয়। তাছাড়া বর্তমানে বিভিন্ন সংস্থা জোঁকের লালার রাসায়নিক উপাদান দিয়ে ওষুধ তৈরি করছে।

©Wikipedia

Address

Kolkata
700137

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when কিছু ভালোবাসা কিছু গল্প // সব কিছু অল্প অল্প posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share