Dakshineswar Temple

Dakshineswar Temple Dakhineswar Temple is on the bank of River Ganga near Calcutta, West Bengal, India. The Deity is Goddess Kali named as MAA BHAVATARINI. A HOLY PLACE.......

আগামীকাল বৃ্হস্পতিবার ২৪/০৬/২০২১ থেকে খুলছে দক্ষিণেশ্বর মন্দির।সময় থাকবে সকালে ৭টা থেকে ১১টা, বিকেলে ৩টে থেকে সন্ধ্যারতি...
23/06/2021

আগামীকাল বৃ্হস্পতিবার ২৪/০৬/২০২১ থেকে খুলছে দক্ষিণেশ্বর মন্দির।সময় থাকবে সকালে ৭টা থেকে ১১টা, বিকেলে ৩টে থেকে সন্ধ্যারতি পর্যন্ত। কোভিড বিধি প্রযোজ্য।

হোলি উৎসব বিশ্বের বৃহত্তম রঙের উৎসব, বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন নামে পরিচিত। বাংলায় তা দোল পূর্ণিমা বা দোল উৎসব নামে পরিচি...
28/03/2021

হোলি উৎসব বিশ্বের বৃহত্তম রঙের উৎসব, বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন নামে পরিচিত। বাংলায় তা দোল পূর্ণিমা বা দোল উৎসব নামে পরিচিত। তবে সবাই একই উৎসাহের সঙ্গে এই উৎসব উদযাপিত করে। প্রত্যেকেই নিজস্ব ঐতিহ্যটি তাদের নিজস্ব উপায়ে উদযাপন করে থাকেন। এই দিনেই নবযৌবনা রাধার শরীর রঙে ঢেকে দিয়েছিলেন শ্রীকৃষ্ণ।
যার পছন্দ যাই হোক না কেন, সবাই সবার নিজের মত করে এই উৎসব উৎযাপিত করেন। এই উৎসব বেশিরভাগ জায়গায় হোলি নামে পরিচিত আর বাংলায় দোল উৎসব। তবে এই উৎসবের মধ্যে পার্থক্যটা কোথায়। দোল উৎসব হোলির একদিন আগে পালিত হয়। কেন দুটি আলাদা আলাদা দিনে একই উৎসব পালনের রীতি রয়েছে! একই উৎসব একই রীতি তবে ভিন্ন দিনে কেন!
হিন্দুধর্মের এক ঐতিহ্যবাহী উৎসব, যার
কারণ অনেকের মতে, হোলি উৎসব ভগবান বিষ্ণুভক্ত প্রহ্লাদের কিংবদন্তির কাহিনির উপর ভিত্তি করে নির্মিত হয়েছে। আর দোল উৎসব কৃষ্ণ এবং রাধার প্রেমের কাহিনির উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। কৃষ্ণ এবং প্রহ্লাদ উভয়ই ঘটনাক্রমে ভগবান বিষ্ণুর অবতার হিসাবে বিবেচিত। সাধারণত বাংলার ফাল্গুন মাসের পূর্ণিমা রাতের পরের দিন দোল উৎসব পালিত হয়। এই বিশেষ দিনেই, রাধা ও তাঁর সখীরা দল বেঁধে রঙ খেলায় মেতে উঠেছিলেন। তখন ভগবান কৃষ্ণ তাঁর মুখটি সুগন্ধি ফুলের কুড়ির রঙ দিয়ে গন্ধযুক্ত করলেন। কৃষ্ণ রাধার প্রতি সেই প্রথম প্রেম প্রকাশ করেছিলেন বলে মনে করা হয়। এই মুহূর্তটি উদযাপন করার জন্য দু'জনকেই বর্ণময় পালকিতে নিয়ে বৈষ্ণব ধর্মাবলম্বীরা নগর কীর্তনে বের হন।
বৈষ্ণব বিশ্বাস অনুযায়ী, ফাল্গুনী পূর্ণিমা বা দোলপূর্ণিমার দিন বৃন্দাবনে শ্রীকৃষ্ণ আবিরবা গুলাল নিয়ে রাধিকা ও অন্যান্য গোপীগণের সঙ্গে রং খেলায় মেতেছিলেন। সেই ঘটনাথেকেই দোল খেলার উৎপত্তি হয়। দোলযাত্রার দিন সকালে তাই রাধা ও কৃষ্ণের বিগ্রহ আবির ও গুলালে স্নাত করে দোলায় চড়িয়ে কীর্তনগান সহকারে শোভাযাত্রায় বের করা হয়। এরপর ভক্তেরা আবির ও গুলাল নিয়ে পরস্পর রং খেলেন। দোল উৎসবের অনুষঙ্গে ফাল্গুনী পূর্ণিমাকে দোলপূর্ণিমা বলা হয়। আবার এই পূর্ণিমা তিথিতেই চৈতন্য মহাপ্রভুর জন্ম বলে একে গৌরপূর্ণিমা নামেওঅভিহিত করা হয়।

দৈত্যরাজ হিরণ্যকশিপুর কাহিনিআমরা অনেকেই জানি।ভক্ত প্রহ্লাদ অসুর বংশে জন্ম নিয়েও পরম ধার্মিকছিলেন।তাঁকে যখন বিভিন্নভাবে চেষ্টা করেও হত্যা করা যাচ্ছিল না তখন হিরণ্যকিশপুর বোন হোলিকা প্রহ্লাদকে কোলে নিয়ে আগুনে প্রবেশের সিদ্ধান্ত নেন।কারণ হোলিকা এই বর পেয়েছিল যে আগুনে তার কোন ক্ষতি হবে না।কিন্ত অন্যায় কাজে শক্তি প্রয়োগ করায় হোলিকা প্রহ্লাদকে নিয়ে আগুনে প্রবেশ করলে বিষ্ণুর কৃপায় প্রহ্লাদ অগ্নিকুণ্ড থেকেও অক্ষত থেকে যায় আর ক্ষমতার অপব্যবহারে হোলিকার বর নষ্ট হয়ে যায় এবং হোলিকা পুড়ে নিঃশেষ হয়ে যায়, এই থেকেই হোলি কথাটির উৎপত্তি।

অন্যদিকে বসন্তের পূর্ণিমার এই দিনে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ কেশি নামক অসুরকে বধ করেন।কোথাও কোথাও অরিষ্টাসুর নামক অসুর বধের কথাও আছে।অন্যায়কারী, অত্যাচারী এই অসুরকে বধ করার পর সকলে আনন্দ করে। এই অন্যায় শক্তিকে ধ্বংসের আনন্দ মহাআনন্দে পরিণত হয়। অঞ্চল ভেদে হোলি বা দোল উদযাপনের ভিন্ন ব্যাখ্যা কিংবা এর সঙ্গে সংপৃক্ত লোককথার ভিন্নতা থাকতে পারে কিন্ত উদযাপনের রীতি এক।
বাংলায় আমরা বলি 'দোলযাত্রা' আর পশ্চিম
ও মধ্যভারতে 'হোলি'.রঙ উৎসবের আগের দিন'হোলিকা দহন' হয় অত্যন্ত ধুমধাম করে। শুকনোগাছের ডাল, কাঠ ইত্যাদি দাহ্যবস্তু অনেক আগেথেকে সংগ্রহ করে সু-উচ্চ একতা থাম বানিয়ে তাতেঅগ্নি সংযোগ করে 'হোলিকা দহন' হয়।পরের দিন রঙখেলা। বাংলাতেও দোলেরআগের দিন এইরকম হয় যদিও তার ব্যাপকতা কমআমরা বলি 'চাঁচর' । এই চাঁচরেরও অন্যরকম ব্যাখ্যা আছে। দোল আমাদের ঋতুচক্রের শেষ উৎসব।
হিন্দু ধর্ম অনুসারে চারটি যুগ-সত্যযুগ, ত্রেতাযুগ,দ্বাপরযুগ এবং কলিযুগ. বর্তমানে চলছে কলিযুগ. এরআগের দ্বাপরযুগ থেকে শ্রীকৃষ্ণের দোলযাত্রা বা দোল উৎসব চলে আসছে।বলা হয়, শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব ঘটে ফাল্গুনী পূর্ণিমায়।তবে এর মূল তাৎপর্য-
রাধা-কৃষ্ণের সম্পর্কের উপাখ্যানে. ফাল্গুনী পূর্ণিমা তিথির এ দিনে বৃন্দাবনের নন্দন কাননে শ্রীকৃষ্ণ আবির ও গুলাল নিয়ে তাঁর সখী রাধা ও তেত্রিশ হাজার গোপীর সঙ্গে রঙ ছোড়াছুড়ির খেলায় মেতে ছিলেন।এর স্মরণে এ দিন সকালে ভগবানকৃষ্ণ ও রাধার বিগ্রহ আবির ও গুলালে স্নান করিয়ে দোলায় চড়িয়ে কীর্তন গান সহকারে শোভাযাত্রা বের করা হয়. এরপর কৃষ্ণভক্তরা আবির ও গুলাল নিয়ে পরস্পর রঙ খেলেন।এসব দিক থেকে দোল উৎসবকে দুইভাবে
দেখা যায়-হিন্দুধর্মের পৌরাণিক উপাখ্যান ও শ্রীচৈতন্যের আবির্ভাব।

আর এভাবেই আমরা বছরের পর বছর অতিক্রম করে চলেছি 'দোল' উৎসব আর শ্রীমান মহাপ্রভুর জন্মতিথি বা গৌরপূর্ণিমা হিসাবে।পরমকরুনাময় গোলোকপতি সচ্চিদানন্দঘন ভগবান শ্রীকৃষ্ণ ও তাঁর একান্ত হ্লাদিনী শক্তি শ্রীরাধার চরণকমলে সবার মঙ্গলময়, কল্যাণময়, সুন্দরময় আর আনন্দময় জীবনের প্রার্থনা আমাদের।

শিব ‘পঞ্চ অক্ষর’স্তোত্রের অন্দরে পাঁচটি শব্দ লুকিয়ে রয়েছে, তাই তো এই শ্লোকটিকে পঞ্চকশরা অর্থাৎ পাঁচ অক্ষর সমৃদ্ধ স্তে...
07/12/2020

শিব ‘পঞ্চ অক্ষর’স্তোত্রের অন্দরে পাঁচটি শব্দ লুকিয়ে রয়েছে, তাই তো এই শ্লোকটিকে পঞ্চকশরা অর্থাৎ পাঁচ অক্ষর সমৃদ্ধ স্তোত্র নামে ডাকা হয়ে থাকে।
প্রসঙ্গত, এই পাঁচটি শব্দ হল "ন", "মঃ","শি", "বা","য়"। অর্থাৎ "নমঃ শিবায়"।
এই পাঁচটি শব্দ যথাক্রমে মাটি, জল, আগুন, বায়ু এবং আকাশের প্রতীক। আর এই পাঁচটি উপদান দিয়েই তো মানুষের শরীর গঠিত হয়।

পঞ্চ অক্ষর’স্তোত্রে মোট পাঁচটি ধাপ থাকে। প্রথম ধাপ হল-"নাগেদ্র হারায়া ত্রিলোচনায়া, ভাশমাঙ্গে রাগায়া মহেশ্বরায়া, নিত্যায়া শুদ্ধায়া দিগমবারায়, তসমৈ না কারায়া নমহ শিবায়"।
দ্বিতীয় পাঠটি হল- "মন্দাকিনি শলিল চন্দ্রায়া চার্চিতায়া, নন্দিশ্বারয়া প্রমথা নাথ মহেশ্বরায়া, মন্দ্র পুষ্প বাহু পুষ্প সুপজিতায়া, তসমৈ মা কারায়া নমহ শিবায়।"
তৃতীয় ধাপটি হল-"শিবায় গৌরি বাদানা যা বৃন্দ, সূর্য দকশ ধোওয়ারা নশকায়া, শ্রী নীল কন্ঠ বিষ ধরায়, তসমৈ শ্রী কারায়া নমহ শিবায়"।
চতুর্থ ধাপটি হল-"বশিষ্ঠ কুম্ভদ ভাবা গৌতম আচার্য মুনিন্দর দেভা আর্চিতা শিখারায়া। চন্দ্র আর্ক বৈষবানারায় লোচনায়, তসমৈ ভা কারায় নমহ শিবায়"।
পঞ্চম পাঠটি হল-"ইজানায়া স্বরুপায়া জাটা ধারায় পিনাকা হাস্তায় সনাতনায়, দিব্যা দিবায় দিগম্বরায়া তসমৈ কারায়া নমহ শিবায়"।।

বেলুড় মঠ - ১ ঘন্টা আগে
14/11/2020

বেলুড় মঠ - ১ ঘন্টা আগে

যস্যাঃ স্বরূপং হৃদি চিন্তয়ন্তঃসন্তো বনান্তেষু সুখং বসন্তি।কাম প্রবেহা গতশোকমোহাস্তাংকালিকাম্বামনিশং স্মরামি।।অর্থাৎ, যাঁ...
14/11/2020

যস্যাঃ স্বরূপং হৃদি চিন্তয়ন্তঃ
সন্তো বনান্তেষু সুখং বসন্তি।
কাম প্রবেহা গতশোকমোহাস্তাং
কালিকাম্বামনিশং স্মরামি।।
অর্থাৎ, যাঁহার স্বরূপ চিন্তন করে সাধকগণ গহনারণ্যেও পরমানন্দে বাস করেন, যাঁহার স্মরণ মাত্রে মোহ শোক আদি দূরে চলে যায় এবং শরণাগতের কামনাপূর্তিতে সামর্থ্যলাভ হয়ে যায়, সেই জগজ্জননী শ্রীশ্যামাসুন্দরী কালিকার আমি নিরন্তর আমার হৃদয়ে স্মরণ করি।

14/11/2020

১৪, নভেম্বর, ২০২০

করোনা আবহে কালীপুজোয় দর্শণার্থীদের জন্য আরও বেশি সময় ধরে মন্দির খোলা থাকবে। শনিবার সকাল ৭টা থেকে রাত সাড়ে ৩টে পর্যন্ত দক্ষিণেশ্বর খোলা রাখা হবে। সেই সঙ্গে এই প্রথম অনলাইনেও পুজো দেখা সুযোগ থাকবে।

লকডাউনের পর মন্দির খুললেও এই প্রথম কালীপুজো উপলক্ষে মন্দির খোলা রাখার সময়সীমা বাড়ানো হল। এর আগে মন্দির স্বল্প সময়ের জন্য খোলার পর তা বন্ধ রাখা হত। তবে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি মেনেই দর্শণার্থীদের মন্দিরে প্রবেশ করতে হবে। সেই সঙ্গে এই প্রথম পুজোর সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। অনলাইনেও কালীপুজোর অঞ্জলি দিতে পারবেন ভক্তেরা। তা ছাড়া, দর্শণার্থীদের সুবিধায় সেই সম্প্রচার বড় স্ক্রিনেও দেখানো হবে। ‘কালীপুজোর দিনে বহু মহিলাই অঞ্জলি সেরে তার পর উপবাস ভঙ্গ করেন। সে জন্য এ বার ভার্চুয়াল পুজোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ ভাবে ভার্চুয়াল পুজো আগে কখনও করা হয়নি।’

সময়সীমা বাড়ানো হলেও মন্দির প্রবেশের জন্য দর্শণার্থীদের যাবতীয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। মন্দিরের ভিতরে মাস্ক পরা এবং স্যানিটাইজারের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সেই সঙ্গে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। সারাদিন ধরে খোলা থাকলেও মন্দির চত্বরে ভিড় করতে বা বেশি ক্ষণ থাকতে পারবেন না ভক্তেরা। মন্দিরের ঘাটে এবং পঞ্চবটী বাগানেও জমায়েত করা যাবে না। পুজোর জন্য মন্দিরে কোনও ফুল নিয়ে ঢোকা যাবে না বলেও নিয়ম করা হয়েছে। কোভিডের সংক্রমণে এড়াতে চলতি বছর পুজোর ভোগ বিতরণও বন্ধ ।

প্রার্থনা করুন যেন এই বিপদকাল অতিক্রম করে আবার যথাস্থানে আমরা সবাই ফিরে আসতে পারি। মা ভবতারিণী সবার মঙ্গল করুন।
জয় মা ভবতারিণী!!

আগামী  শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২০ খুলে যাচ্ছে মা ভবতারিণীরদক্ষিণেশ্বর মন্দির। সকল ভক্তদের আমন্ত্রণএবং সেই সঙ্গে অনুরোধস্বাস্থ...
11/06/2020

আগামী শনিবার,
১৩ই জুন, ২০২০
খুলে যাচ্ছে
মা ভবতারিণীর
দক্ষিণেশ্বর মন্দির।
সকল ভক্তদের আমন্ত্রণ
এবং সেই সঙ্গে অনুরোধ
স্বাস্থ্যবিধি এবং নির্দেশনামা
মেনে চলুন।

মা কে প্রণাম!
জয় মা ভবতারিণী!

দৈত্যরাজ হিরণ্যকশিপুর কাহিনি আমরা সকলে জানি। তাঁর পুত্র ' ভক্ত প্রহ্লাদ' অসুর বংশে জন্ম নিয়েও পরম ধার্মিক ছিলেন। তাঁকে য...
09/03/2020

দৈত্যরাজ হিরণ্যকশিপুর কাহিনি আমরা সকলে জানি। তাঁর পুত্র ' ভক্ত প্রহ্লাদ' অসুর বংশে জন্ম নিয়েও পরম ধার্মিক ছিলেন। তাঁকে যখন বিভিন্নভাবে চেষ্টা করেও হত্যা করা যাচ্ছিল না তখন হিরণ্যকশিপুর বোন হোলিকা প্রহ্লাদকে কোলে নিয়ে আগুনে প্রবেশের সিদ্ধান্ত নেন। কারণ হোলিকা এই বর পেয়েছিল যে আগুনে তার কোন ক্ষতি হবে না। কিন্তু অন্যায় কাজে শক্তি প্রয়োগ করায় হোলিকা প্রহ্লাদকে নিয়ে আগুনে প্রবেশ করলে বিষ্ণুর কৃপায় প্রহ্লাদ অগ্নিকুণ্ডেও অক্ষত থেকে যায় আর ক্ষমতার অপব্যবহারে হোলিকার বর নষ্ট হয়ে যায় এবং হোলিকা পুড়ে নিঃশেষ হয়ে যায়,এই থেকেই হোলি কথাটির উৎপত্তি ।
অন্যদিকে বসন্তপূর্ণিমার এই দিনে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ কেশি নামক অসুরকে বধ করেন। কোথাও কোথাও অরিষ্টাসুর নামক অসুর বধের কথাও আছে। অন্যায়কারী, অত্যাচারী এই অসুরকে বধ করার পর সকলে আনন্দ করে। এই অন্যায় শক্তিকে ধ্বংসের আনন্দ মহানন্দে পরিণত হয়।
অঞ্চল ভেদে হোলি বা দোল উদযাপনের ভিন্ন ব্যাখ্যা কিংবা এর সঙ্গে সম্পৃক্ত লোকগাথার ভিন্নতা থাকতে পারে কিন্তু উদযাপনের রীতি এক ।বাংলায় আমরা বলি ‘দোলযাত্রা’ আর পশ্চিম ও মধ্যভারতে ‘হোলি’,। রঙ উৎসবের আগের দিন ‘হোলিকা দহন’ হয় অত্যন্ত ধুমধাম করে । শুকনো গাছের ডাল, কাঠ ইত্যাদি দাহ্যবস্তু অনেক আগে থেকে সংগ্রহ করে সু-উচ্চ একতা থাম বানিয়ে তাতে অগ্নি সংযোগ করে ‘হোলিকা দহন’ হয় । পরের দিন রঙ খেলা । বাংলাতেও দোলের আগের দিন এইরকম হয় যদিও তার ব্যাপকতা কম – আমরা বলি ‘চাঁচর’ । এই চাঁচরেরও অন্যরকম ব্যাখ্যা আছে । দোল আমাদের ঋতুচক্রের শেষ উৎসব । পাতাঝরার সময়, বৈশাখের প্রতীক্ষা। এই সময় পড়ে থাকা গাছের শুকনো পাতা, তার ডালপালা একত্রিত করে জ্বালিয়ে দেওয়ার মধ্যে এক সামাজিক তাৎপর্য রয়েছে । পুরনো জঞ্জাল, রুক্ষতা, শুষ্কতা সরিয়ে নতুনের আহ্বান হচ্ছে এই হোলি। বাংলায় দোলের আগের দিন ‘চাঁচর’ উদযাপনকে এভাবেই ব্যাখ্যা করা হয় ।

দোল এবং হোলির শুভেচ্ছা জানাই সবাইকে। সবাই খুব ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন, আনন্দে থাকুন। মা ভবতারিণী আপনাদের সবার মঙ্গল করুন।

মহাশিবরাত্রি বা শিবরাত্রি হচ্ছে হিন্দু সম্প্রদায়ের নিকট একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান। এই মহাশিবরাত্রি ফাল্গু...
21/02/2020

মহাশিবরাত্রি বা শিবরাত্রি হচ্ছে হিন্দু সম্প্রদায়ের নিকট একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান। এই মহাশিবরাত্রি ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণ পক্ষের চতুর্দশী তিথিতে পালিত হয়। মহাশিবরাত্রি হল হিন্দুধর্মের সর্বোচ্চ আরাধ্য দেবাদিদেব মহাদেব ‘শিবের মহা রাত্রি’। অন্ধকার আর অজ্ঞতা দূর করার জন্য এই ব্রত পালিত হয়। অগণিত ভক্ত এইদিন শিবলিঙ্গে গঙ্গাজল, দুধ, বেলপাতা, ফুল দিয়ে পূজা করে থাকে।

শিবমহাপুরাণ অনুসারে, অতি প্রাচীনকালে বারাণসী তথা কাশীধামে এক নিষ্ঠুর ব্যাধ বাস করত। সে প্রচুর জীবহত্যা করত। একদিন শিকারে বেরিয়ে তার খুব দেরী হওয়ার ফলে সে জঙ্গলে পথ হারিয়ে রাতে হীংস্র জন্তুর ভয়ে এক গাছের উপর আশ্রয় নেয় । কোনো শিকার না পেয়ে সে হতাশ হয়ে গাছ থেকে একটা করে পাতা ছিঁড়ে নীচে ফেলতে থাকে । সেই গাছটি ছিল বেলগাছ । আর সেই বেলগাছের নীচে একটি শিবলিঙ্গ ছিল। সেদিন ছিল শিবচতুর্দশী অর্থাৎ মহাশিবরাত্রি। আর ব্যাধও ছিল উপবাসী। তার ফেলা বেলপাতাগুলো শিবলিঙ্গের মাথায় পড়ে এর ফলে তার শিবচতুর্দশী ব্রতের ফল লাভ হয় তার অজান্তেই। পরদিন ব্যাধ বাড়ী ফিরে এলে তার খাবার সে এক অতিথিকে দিয়ে দেয়। এতে তার ব্রতের পারণ ফল লাভ হয়।

এর কিছুদিন পরে সেই ব্যাধ মারা গেলে যমদূতরা তাকে নিতে আসে। কিন্তু শিবচতুর্দশী ব্রতের ফল লাভ হেতু শিবদূতরা এসে যুদ্ধ করে যমদূতদের হারিয়ে ব্যাধকে নিয়ে যায়। যমরাজ তখন শিকার করেন যে শিবচতুর্দশী ব্রত পালন করে এবং শিব বা বিষ্ণুর ভক্ত যেই জন, তার উপর যমের কোনো অধিকার থাকেনা। সে মুক্তিলাভ করে। এইভাবে মর্ত্যলোকে শিবচতুর্দশী ব্রতের প্রচার ঘটে।
সব ব্রতের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ হল এই মহাশিবরাত্রি। ব্রতের আগের দিন ভক্তগণ নিরামিষ আহার করে। রাতে বিছানায় না শুয়ে মাটিতে শোয়া হয়। ব্রতের দিন তারা উপবাসী থাকে। তারপর রাত্রিবেলা চার প্রহরে শিবলিঙ্গকে দুধ, দই, ঘৃত, মধু ও গঙ্গাজল দিয়ে স্নান করানো হয়। তারপর বেলপাতা, নীলকন্ঠ ফুল, ধুতুরা, আকন্দ, অপরাজিতা প্রভৃতি ফুল দিয়ে পূজা করা হয়। আর ‘ওঁ নমঃ শিবায়’ এই মহামন্ত্র জপ করা হয় । সেদিন রাত্রি জাগরণ করা হয় ও শিবের ব্রতকথা, মন্ত্র আরাধণা করা হয়। ভারতবর্ষের বারোটি জ্যোতির্লিঙ্গ তথা সমস্ত শিবমন্দিরে এই পূজা চলে, তান্ত্রিকেরাও এইদিন সিদ্ধিলাভের জন্য বিশেষ সাধনা করে। মহাশিবরাত্রি সাধারণত ইংরাজী মাসের ফেব্রুয়ারি বা মার্চ এ অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।

হিন্দু মহাপুরাণ তথা শিবমহাপুরাণ অনুসারে এইরাত্রেই শিব সৃষ্টি, স্থিতি ও প্রলয়ের মহা তান্ডব নৃত্য করেছিলেন । আবার এইরাত্রেই শিব ও পার্বতীর বিবাহ হয়েছিল । এর নিগুঢ় অর্থ হল শিব ও শক্তি তথা পুরুষ ও আদিশক্তি বা পরাপ্রকৃতির মিলন। এই মহাশিবরাত্রিতে শিব তার প্রতীক লিঙ্গ তথা শিবলিঙ্গ রূপে প্রকাশিত হয়ে জীবের পাপনাশ ও মুক্তির পথ দিয়েছিলেন।

মাঘ মাসের শুক্লপক্ষের পঞ্চমী তিথি। শ্রীশ্রী সরস্বতী মায়ের পূজার দিন। সরস্বতী শব্দটির বুৎপত্তিগত অর্থে ‘সরস্+বতু’ স্ত্রী...
29/01/2020

মাঘ মাসের শুক্লপক্ষের পঞ্চমী তিথি। শ্রীশ্রী সরস্বতী মায়ের পূজার দিন। সরস্বতী শব্দটির বুৎপত্তিগত অর্থে ‘সরস্+বতু’ স্ত্রী লিঙ্গে ‘ঈ’ প্রত্যয় যুক্ত যোগে ‘সরস্বতী’। ‘সতত রসে সমৃদ্ধা’। তিনি শুক্লবর্ণা, শুভ্র হংসবাহনা, ‘বীণা-রঞ্জিত পুস্তক হস্তে’ অর্থাৎ এক হাতে বীণা ও অন্য হাতে পুস্তক।
সেগুলোর গূঢ় রহস্য তথা যথার্থ তাৎপর্য হৃদয়ে ধারণ করে মাকে পূজার্চনা করা উচিত। নয়তো পূজার আড়ম্বরতা যতই হোক না কেন তা অর্থহীন। শিক্ষার্থীরা দেবী সরস্বতীর পূজা বেশি করে। কেন? কারণ তিনি জ্ঞানদায়িনী বিদ্যার দেবী সরস্বতী। বিদ্যা দান করেন তিনি। মানুষ জ্ঞান পিপাসু। সর্বদা জ্ঞানের সন্ধান করে। ‘শ্রদ্ধাবান লভতে জ্ঞানং তৎপরঃ সংযতেন্দ্রিয়'(শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা-৪/৩৯) অর্থাৎ শ্রদ্ধাবান ব্যক্তি জ্ঞান লাভ করে থাকেন।
শ্রদ্ধাবোধ জাগ্রত হয় কীভাবে? শ্রদ্ধাবোধ গড়ে তোলার জন্য পারিবারিক শিক্ষা অতীব গুরুত্বপূর্ণ। বাল্যকাল থেকেই ধর্মীয় আচার-আচরণের শিক্ষা দেয়া প্রয়োজন। সনাতন ধর্মাবলম্বী ছোটদেরকে ধর্মীয় চেতনা দান করার জন্য শ্রীশ্রী সরস্বতী পূজা অন্যতম একটি উৎসব।
পূজার আগের দিন সংযম পালন সনাতন ধর্মাবলম্বীদের গভীর শিক্ষা দেয়। ছোটবেলায় শ্রীশ্রী সরস্বতী পূজায় সংযমের দিন মাছ-মাংস পরিহার, নিরামিষ আহার, আতপ চালের ভাত খাওয়া, উপোস থাকা সম্ভব হবে কি-না এসব নিয়ে এবং পূজার দিন উপবাস থাকা, পুষ্পাঞ্জলি অর্পণে হয় আনন্দঘন এক আয়োজন! আর এ সময়ই একজন সনাতন ধর্মাবলম্বী তথা কোমলমতি শিক্ষার্থীও ধর্মীয় চেতনা পেয়ে থাকে। লক্ষণীয়, আমরা (বড়রা) প্রতিমায় ভক্তি নিবেদনের ক্ষেত্রে ওই প্রতিমার প্রণাম-মন্ত্রটুকুও জানি না! প্রণাম নিবেদনেও যে কত আধুনিকতা যুক্ত হয়েছে, তা ভাবলে অবাক হতে হয়!
শিক্ষার্থীসহ পূজিত সবাই যেন তার তাৎপর্য ও পূজার মূল আচরণে পূজিত হন সে কথা বিচার্য রেখে তার বর্ণনায় লক্ষ্য করা যাক:
দেবী শুক্লবর্ণা: শুক্লবর্ণ মানে সাদা রং। সত্ত্বগুণের প্রতীকও হলো সাদা। পবিত্র গীতার চতুর্দশ অধ্যায়ের ৬নং শ্লোকে আছে ‘তত্র সত্ত্বং নির্মলত্বাৎ’ অর্থাৎ সত্ত্ব, রজঃ ও তমোগুণের মধ্যে সত্ত্বগুণ অতি পবিত্র গুণ, স্বচ্ছতার প্রতীক, নির্মলতার প্রতীক। আবার ওই অধ্যায়েরই ১৭নং শ্লোকে আছে, ‘সত্ত্বাৎ সংজায়তে জ্ঞানং’ অর্থাৎ সত্ত্বগুণে জ্ঞান লাভ হয়। তাই জ্ঞানময়ী সর্বশুক্লা দেবী শ্রীশ্রী সরস্বতী জ্ঞানে গুণান্বিত বলে তার গায়ের রং শুক্লবর্ণা অর্থাৎ দোষহীনা ও পবিত্রতার মূর্তি। আর জ্ঞানদান করেন বলে তিনি জ্ঞানদায়িনী। ‘নহি জ্ঞানেন সদৃশং পবিত্রমিহ বিদ্যতে'(শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা-৪/৩৯) অর্থাৎ ‘জ্ঞানের মতো পবিত্র আর কিছু নেই’। আমরাও যেন সে গুণের অধিকারী হতে পারি এ আমাদের প্রার্থনা।
হংসঃ জ্ঞানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী সরস্বতীর বাহন শ্বেতহংস। হাঁস অসারকে ফেলে সার গ্রহণ করে। দুধ ও জল মিশ্রণ করে দিলে হাঁস জল ফেলে শুধু দুধটুকু গ্রহণ করে নেয়। কিংবা কাঁদায় মিশ্রিত স্থান থেকেও তার খাদ্য খুঁজে নিতে পারে। মায়ের সঙ্গে পূজিত হয়ে শিক্ষা দিচ্ছে- সবাই যেন সবার অসার বা ভেজাল/অকল্যাণকর পরিহার করে সার বা ভালো কিছু অর্থাৎ নিত্য পরমাত্মাকে গ্রহণ করেন এবং পারমার্থিক জ্ঞান অর্জন করে সুন্দর পথে চলতে পারি।
বীণাঃ ‘জীবন ছন্দময়’। বীণার ঝংকারে উঠে আসে ধ্বনি বা নাদ। বিদ্যাদেবী সরস্বতীর ভক্তরা সাধনার দ্বারা সিদ্ধি লাভ করলে বীণার ধ্বনি শুনতে পান। বীণার সুর মধুর। পূজার্থী বা বিদ্যার্থীর মুখ নিঃসৃত বাক্যও যেন মধুর হয় এবং জীবনও মধুর সংগীতময় হয় এ কারণেই মায়ের হাতে বীণা। হাতে বীণা ধারণ করেছেন বলেই তার অপর নাম বীণাপাণি।
পুস্তকঃ বিদ্যার্থীর লক্ষ্য জ্ঞান অন্বেষণ। আর সে জ্ঞান ও বিদ্যা অন্বেষণের জন্য জ্ঞানের ভাণ্ডার ‘বেদ’ তার হাতে রয়েছে। ‘বেদই বিদ্যা’। তিনি আমাদের আশীর্বাদ করছেন- ‘জীবনকে শুভ্র ও পবিত্র রাখ। সত্যকে আঁকড়ে রাখ। মূল গ্রন্থের বাণী পালন কর। জীবন ছন্দময় কর। স্বচ্ছন্দে থাক।’
উল্লেখ্য, প্রতিটি দেব-দেবীর প্রণাম-মন্ত্র ও পুষ্পাঞ্জলি প্রদান মন্ত্র আমাদের সবার জানা উচিত। আর তাই নিম্নোক্ত মন্ত্রগুলি বিদ্যার্থীদের অবশ্যই জানা উচিত।
সরস্বতী দেবীর প্রণাম ও পুষ্পাঞ্জলি মন্ত্রঃ
ওঁ সরস্বতী মহাভাগে বিদ্যে কমললোচনে।
বিশ্বরূপে বিশালাক্ষী বিদ্যাং দেহী নমোহস্তুতে।।
ওঁ ভদ্রকাল্যৈ নমো নিত্যং সরস্বত্যৈই নমো নমঃ।
বেদ বেদান্ত বেদাঙ্গ বিদ্যাস্থানভ্যঃ এব চ
এষ সচন্দন পুষ্প বিল্বপত্রাঞ্জলি ওঁ ঐং সরস্বত্যৈ নমঃ।।
জ্ঞানদায়িনী সরস্বতী মায়ের পূজাতে ফাঁকি না দিয়ে আমরা সবাই সঠিকভাবে তার পূজা করি। তার পূজার শিক্ষায় আমরা সর্বদা সবাই শুদ্ধ জ্ঞানচর্চায় যেন রত থাকি এবং প্রার্থনা করি-
ওঁ অসতো মা সদ্গময়
তমসো মা জ্যোতির্গময়
মৃত্যুর্মা অমৃতংগময়
আবিরাবির্ম এধি।
হে ঈশ্বর, আমাকে অসৎ থেকে সৎ লোকে, অন্ধকার থেকে আলোতে এবং মৃত্যু থেকে অমৃতে নিয়ে যাও।

আজ মকরসংক্রান্তি। গঙ্গাসাগরে পুণ্যস্নানের উদ্দেশ্যে অগণিত ভক্তবৃন্দ সমবেত হয়েছেন। প্রণাম করি দেবী সুরেশ্বরী ভগবতী মা গঙ্...
15/01/2020

আজ মকরসংক্রান্তি। গঙ্গাসাগরে পুণ্যস্নানের উদ্দেশ্যে অগণিত ভক্তবৃন্দ সমবেত হয়েছেন। প্রণাম করি দেবী সুরেশ্বরী ভগবতী মা গঙ্গাকে এই শুভকামনায়, সবার মঙ্গল হোক। সবাই ভাল থাকুন।

Address

Dakshineshwar
Kolkata
700076

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dakshineswar Temple posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category