astrologer Anirban Chakraborty

astrologer Anirban Chakraborty Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from astrologer Anirban Chakraborty, Religious Center, Prafull Kanan, KOLKATA.

04/02/2025

Maa Brahmamayee Dakshina Kali

14/12/2024
26/10/2024

কালী শব্দেই কাল শব্দটি রয়েছে। যিনি সর্ব্বভূতকে কলন করেন তিনি কাল, যিনি সেই কালকেও কলন করেন তিনি মহাকাল, সেই সর্ব্বাধার সর্ব্বসাক্ষী মহাকালকে যিনি বহন করেন ও অন্তে গ্রাস করেন, তিনিই আদি কালিকা নামে খ্যাতা।
কালকে যিনি খণ্ড খণ্ড করে জীবনের সময়সীমা নির্ধারণ করেন, তিনিই কালী, তিনিই সৃষ্টি-স্থিতি-প্রলয়কারিণী। তাই কালীই ব্রহ্ম, কালীই শক্তি তথা সৃষ্টির আধারস্বরুপা।

মহাকাল_সংহিতানুসারে, আদ্যাকালীই দক্ষিণাকালী ও মহাকালী, তিনিই আবার শ্যামবর্ণা হওয়ায় শ্যামাকালী বলে কথিতা।

পুরুষ দক্ষিনাঙ্গ স্বরূপ, প্রকৃতি বামাশক্তি স্বরুপা, যতদিন এই বাম ও দক্ষিণ, স্ত্রী ও পুরুষ সমরুপে অবস্থিত ততদিন সংসার বন্ধন। বামাশক্তি জাগরিত হয়ে দক্ষিনাঙ্গ স্বরূপ পুরুষকে জয় করে এবং স্বয়ং দক্ষিণানন্দে নিমগ্না হন অর্থাৎ বাম-দক্ষিণ উভয় অংশই তার প্রভাবে পুর্ণ হয়ে যায়। তখন সেই আনন্দরুপিণী দেবী জীবকে মুক্তি প্রদান করেন, তাই ত্রৈলোক্য মোক্ষদা মায়ের নাম "দক্ষিণাকালী"।

সর্ব্বদেবদেবীগণের আদি কারণস্বরুপা তথা সকলের কালস্বরুপা আদিভূতা বলে দেবীর নাম আদ্যাকালী, তাণ্ডব লীলাময়ী মহাশক্তিশ্বরী ভগবতী মহাকালকে নিমিত্ত করে তার মহালীলা করে চলেছেন আদি-অনন্তকাল ধরে, তাই তিনি মহাকালেরও কালস্বরুপা "কালী"।

দশমহাবিদ্যার সাধনাশক্তির ক্ষেত্রে একমাত্র দক্ষিণাকালিকার ধ্যানের দ্বারাই সিদ্ধিলাভ সম্ভব, শ্যামাকালীও দক্ষিণাকালিকার এক অভিন্ন স্বরূপ। দক্ষিণাকালীর দক্ষিণ পদ সামনে মহাকালরূপ পরমশিবের বুকে স্থাপিত।

কালী সদাই কৃষ্ণবর্ণা, তাই শ্রীকামাখ্যা তন্ত্রে বলা হয়েছে:-
কৃষ্ণবর্ণা_সদা_কালী_আগমজ্যোতি_নির্ণয়ঃ

শ্রীশ্রীমহানির্ব্বাণ তন্ত্রানুসারে:-
শ্বেত পীতাদিকো বর্ণে যথা কৃষ্ণে বিলীয়তে ।
প্রবিশন্তি তথা কাল্যাং সর্ব্বভূতানি শৈলজে ।।
অতস্তস্যা কালশক্তে নির্গুণায়া নিরাকৃতেঃ ।
হিতায়া: প্রাপ্তযোগানাং বর্ণঃকৃষ্ণঃ নিরূপিতঃ ।।

অর্থাৎ, শ্বেত পীতাদি বর্ণ যেমন কৃষ্ণবর্ণে বিলীন হয়ে যায়, তেমনি সর্ব্বভূত কালীর মধ্যে প্রবেশ করে। যাঁরা মোক্ষের জন্য ব্রহ্মজ্ঞান লাভ করেছেন তারা নির্গুণা নিরাকারা কল্যাণময়ী কালশক্তির কৃষ্ণবর্ণ নিরূপণ করেছেন

মহাজ্যোতিঃ কালী কৃষ্ণবর্ণা, কিন্তু জ্ঞাননেত্রে মহাজ্যোতিরূপে দেখা দেন। তিনি আবরণরহিতা, দিগবস্ত্রা। সর্ব্বাপেক্ষা সূক্ষ্ম আবরণ মায়া, পুর্ণ ব্রহ্মময়ী কালী হলেন মায়াতীতা মায়েশ্বরী পরাশক্তি, তাই তিনি আবরণশূন্যা দিগম্বরী।
মহাকালের কোলে সকলকেই লয় পেতে হয়, অনন্তকোটি ব্রহ্মাণ্ডকে মহাকাল প্রতিনিয়ত কালগ্রস্ত করে চলেছেন। মহাপ্রলয়কালে সেই সর্ব্বগ্রাসী মহাকালকেও যিনি গ্রাস করেন বা নিজ অঙ্গে লয় করে নেন, তিনিই করালবদনা কালী।

মুণ্ডক উপনিষদে কালীর উল্লেখ থাকলেও, তিনি সেখানে কোনো মূর্তিতে প্রকাশিতা নয়, দেবী সেখানে অগ্নিশিখারুপা। এই মতানুসারে, কালীর জিহ্বা যজ্ঞাগ্নির সপ্তজিহ্বার একটি জিহ্বা:-
কালী করালী চ মনোজবা চ সুলোহিতা যা চ স্বধাস্রবণা ।
স্ফুলিঙ্গিনী বিশ্বরুচি চ দেবী লোলায়মানা ইতি সপ্তজিহ্বা ।।
তন্ত্রে প্রধানত নয়প্রকার কালীমূর্তির উল্লেখ পাওয়া যায়, দক্ষিণাকালী, মহাকালী, রক্ষাকালী, চামুণ্ডাকালী, গুহ্যকালী, শ্মশানকালী, হংসকালী, কামকলাকালী এবং ভদ্রকালী।
আবার দশমহাবিদ্যায় একমাত্র পরব্রহ্ম মহামায়া কালীর অসংখ্য রূপভেদ পাওয়া যায়, শ্রীশ্রীদুর্গা, পার্ব্বতী, ভবানী, উমা, কৌশিকী, সরস্বতী, তারিণী, কামাখ্যা, জগদ্ধাত্রী, অন্নপূর্ণা, মহালক্ষ্মী, কামেশ্বরী ইত্যাদি।
শ্রীকালীবিলাস তন্ত্রানুসারে, গৌরীর দেহ হতেই কালীর প্রকাশ,
শ্রীপদ্ম পুরাণানুসারে, যখন দেবী গৌরী মাতৃগর্ভে ছিলেন তখন ব্রহ্মা কালরাত্রিকে পাঠিয়ে তাকে কৃষ্ণবর্ণ করে দেন
পৃথিবীতে সমস্ত বর্ণাদি যেরূপ কৃষ্ণবর্ণে লীন হয় সেরূপ সর্ব্বভূত দেবীকে লীন হয়। দেবীই আদি ও অন্ত হয়ে সৃষ্টির পূর্বে বাক্য ও মনের অতীত তমোরূপে বিরাজমান ছিলেন, আবার প্রলয়ের পরে তিনিই নিরাকারা হয়ে বাক্য ও মনের অতীত হয়ে একাকী অধিষ্ঠান করেন।
তিনি অনন্ত জ্যোতিস্বরুপা, আলোক শক্তিকে প্রত্যক্ষ করতে হলে তাকে যেমন কিছুর মাধ্যমে প্রতিফলিত করতে হয় নতুবা দেখা যায় না, অনন্ত জ্যোতির্ম্ময়ী দেবীকেও তেমনি হৃদয় দর্পণে প্রতিফলিত না করলে কিরূপে দেখা যাবে?

I'm happy to share that the Online Durga Puja ✨ we performed for our যজমান in Rome, Italy 🇮🇹 got featured in the news
15/10/2024

I'm happy to share that the Online Durga Puja ✨ we performed for our যজমান in Rome, Italy 🇮🇹 got featured in the news

14/10/2024

সর্বতোভদ্র মন্ডল কি?

সামনেই মহাপূজা দুর্গা পূজা আসছে , এই পূজার একটি মূল অঙ্গ হলো " সর্বতোভদ্র মন্ডল " যার উপর মায়ের ঘট স্থাপন করা হয় । এই সর্বতোভদ্র মন্ডল কি আসুন সকলে জেনে নিই।।

শ্রীনাথ মন্দিরের সুদর্শন চক্র , জগন্নাথ পুরীর মধ্যে ভৈরবী যন্ত্র , তিরুপতি মন্দির আর শৃঙ্গেরী মঠের মধ্যে শ্রীযন্ত্র এবং মহাকালেশ্বর মন্দিরে মহামৃত্যুঞ্জয় যন্ত্রের প্রভাব এবং চমৎকার শ্রদ্ধালুদের মধ্যে সর্ববিদিত । মন্ডল এবং যন্ত্র কে দেবদ্বার বলা হয় । সর্বতোভদ্রমন্ডল কে সর্বোচ্চ কল্যানকারী মন্ডল মানা হয় । যজ্ঞ যাগাদি , দেব প্রতিষ্ঠা , মাঙ্গলিক পূজা মহোৎসব , অনুষ্ঠান ইত্যাদি শুভ কার্যে সর্বতোভদ্রমন্ডলের সর্বাধিক ব্যবহার বৈদিক কাল থেকেই হয়ে আসছে । দুর্গা পূজার মতো মহাপূজাতেও সেই কারণেই এই মন্ডলের ব্যবহারের বিধান বিভিন্ন শাস্ত্রে পাওয়া যায় ।

সর্বতোভদ্রমন্ডলের সাধারনত অনেক অর্থ প্রাপ্ত হয় । মঙ্গলপ্রদানকারী এবং কল্যানকারী সর্বতোভদ্রমন্ডল এবং চক্রের মধ্যে সবদিকেই " ভদ্র " নামক কোষ্ঠ বা ঘর থাকে যার ফলে এটি সর্বতোভদ্রমন্ডল নামে পরিচিত । এই মন্ডলের প্রত্যেক দিশায় দুটো করে ভদ্র তৈরি করা হয় এই রুপে এই মঙ্গলকারী বিগ্রহ নিজের নামকে সর্বদা সার্থক করে ।

ভদ্র মন্ডলের বাইরে তিনটি পরিধি থাকে যার মধ্যে সাদা সত্য গুন , লাল রজো গুন আর কালো তমো গুনের প্রতীক যা ভগবতীর প্রসন্নতার জন্য নির্মিত করা হয় ।

সর্বতোভদ্রমন্ডল এর ভিতরে মোট ৩২৪ টি কোষ্ঠের মধ্যে নিম্নলিখিত ৫৭ জন দেবতাকে স্থাপন করা হয় । ১. দূর্গা ( প্রধান) ,
( অষ্টমাতৃকা )
২. মাহেশ্বরী ,
৩. বৈষ্ণবী ,
৪. ব্রাহ্মী ,
৫. ঐন্দ্রী ,
৬. বারাহী ,
৭. নরসিংহী ,
৮. কৌমারী ,
৯. চামুন্ডা ,
দেবস্থান ও যজ্ঞভাগ রাক্ষার জন্য অষ্টমাতৃকার আবির্ভাব ঘটেছে ।
১০. গনপতি ,
১১. ব্রহ্মা ,
১২. বিষ্ণু ,
১৩. মহাকাল ,
১৪. কার্তিক ,
১৫. ইন্দ্র ,
১৬. অগ্নি ,
১৭. বরুন ,
১৮. একাদশ রুদ্র ,
১৯. দ্বাদশ আদিত্য ,
২০. যম ,
২১. বায়ু ,
২২. অষ্টবসু ,
২৩. সোম ,
২৪. ঈশান ,
২৫. আশ্বিনীদ্বয় ,
২৬. নির্ঋতি ,
২৭. সপৈতৃক- বিশ্বদেব ,
২৮. নন্দী ,
২৯. দক্ষ আদি সপ্তগন ( ভগবান শঙ্করের মুখ্য সাতজন গন যথাক্রমে দক্ষ , কীর্তিমুখ , শৃঙ্গী , ভৃঙ্গী , রিটি , বান , তথা চন্ডীশ ) ,

৩০. সপ্তযক্ষ -( মনিভদ্র , সিদ্ধার্থ , সূর্যতেজা , সুমনা , নন্দন , মনিমন্ত , আর চন্দ্রপ্রভ ) এই সাতজন যক্ষ ,যজমানের কল্যান করার জন্য সর্বদা তৎপর থাকে ,
৩১. অষ্টকুলনাগ ,

(সপ্ত ঋষি)
৩২. গৌতম ,
৩৩. ভারদ্বাজ ,
৩৪. বিশ্বামিত্র ,
৩৫. কশ্যপ ,
৩৬. জমদগ্নি ,
৩৭. বসিষ্ঠ ,
৩৮. অত্রি ,
৩৯. অপ ,
৪০. মরুৎগন ,
৪১. পৃথিবী ,
৪২. সপ্তগঙ্গা ( গঙ্গা , যমুনা , নর্মদা , গোদাবরী , সরস্বতী , সিন্ধু , কাবেরী )
৪৩. সপ্তসাগর ,
৪৪. মেরু ,
৪৫. অরুন্ধতী - ব্রহ্মার মানসপুত্রী ,

৪৬. গন্ধর্ব ও অপ্সরা( দক্ষ কন্যা প্রাধা এবং প্রজাপতি কশ্যপ এর দ্বারা দশজন গন্ধর্বের সৃষ্টি হয় এনারা যথাক্রমে - সিদ্ধ , পূর্ণ , বর্হি , পূর্নায়ু , ব্রহ্মচারী , রতিগুন , সুপর্ন , বিশ্ববসু , ভানু , আর সুচন্দ্র ,
অপ্সরা ( কিছু অপ্সরা সমুদ্র মন্থন এর সময় জল থেকে উৎপন্ন হয়েছিলেন আর কিছু প্রজাপতি কশ্যপ এবং তার পত্নী প্রধার দ্বারা উৎপন্ন হয় যথাক্রমে - অলম্বুশা , মিত্রকেশী , বিদ্যুৎপর্না , তিলোত্তমা , অরুনা , রক্ষিতা , রম্ভা , মনোরমা , কেশিনী , সুবাহু , সুরতা , সুরজা , এবং সুপ্রিয়া , প্রত্যেক বৈদিক যজ্ঞে গন্ধর্ব এবং অপ্সরাও সমান পূজনীয় )

(অষ্ট আয়ুধ)এই অষ্ট আয়ুধের প্রত্যেকেই দেবস্বরুপ আর মানব কল্যাণের জন্য বিভিন্ন দেবী দেবতাদের হাতে সুশোভিত থাকে সর্বদা এবং এই অষ্ট আয়ুধ প্রকৃত পক্ষে উত্তর, ঈশান , পূর্ব আদি আট দিশার সোম , ঈশান , ইন্দ্র আদি দেবতার স্বরুপ মনে করা হয় ,
৪৭. ত্রিশুল ,
৪৮. সুদর্শন ,
৪৯. বজ্র ,
৫০. গদা,
৫১. দন্ড ,
৫২. খড়গ ,
৫৩. পাশ ,
৫৪. অঙ্কুশ ,
৫৫. মৃত্যুরোগ ,
৫৬. স্বাহা,
৫৭. স্বধা ,

এই ৫৭ জন দেবতাকে স্থাপন করা হয় ভদ্রমন্ডলে ।

যজ্ঞ এবং মাঙ্গলিক কার্যে , মাঙ্গলিক মহোৎসব , প্রতিষ্ঠা কর্ম , ইত্যাদি বিভিন্ন শুভ কার্যে সর্বতোভদ্রমন্ডল নির্মাণ করার রিতি বৈদিক যুগ থেকেই চলে আসছে । মন্ডলের স্থাপনা এবং উপযুক্ত দেবী দেবতার বৈদিক মন্ত্রের দ্বারা প্রতিষ্ঠা এবং পূজা - অর্চনা করা হয় । এই মন্ডলের প্রভাবে সাধক , উপাসক এবং পূজক এর সর্ববিধ কল্যাণ এবং মঙ্গল হয় ।

ভদ্র মার্তন্ডাদি গ্রন্থের মধ্যে সর্বতোভদ্রমন্ডলের প্রমুখতা এবং উপযোগিতা বর্নিত রয়েছে ।

সর্বতোভদ্রমন্ডলের রচনা করার পদ্ধতি অদ্ভুত।এই মন্ডল নির্মানের জন্য প্রথমে এক-হস্ত প্রমাণ সম-চতুষ্কোন মন্ডল অঙ্কন করে তার মধ্যে দক্ষিণ থেকে উত্তরে তথা পশ্চিম থেকে পূর্বে সমান রুপে দুটো রেখা অঙ্কিত করার বিধান রয়েছে । তারপর উক্ত চারটি কোষ্ঠ এর কোনাকুনি দুটি রেখা অঙ্কিত করতে হবে । এই রুপে বারবার কোনাকুনি রেখা এবং মধ্যরেখা অঙ্কন করে মোট ৪৫৬ টি কোষ্ঠে( ঘরে) ভাগ করতে হবে । তারপর মাঝখানের ৩৬ টি ঘর নিয়ে একটি পদ্ম অঙ্কন করে তার বাইরের পঙ্কতিতে বীথি, তার বাইরের দ্বারের শোভা( লাল রঙ ) এবং কোন রচনা করতে হবে । এবার পদ্মের বাইরের দ্বাদশাংশ ত্যাগ করে অবশিষ্ট অংশকে সমান তিনভাগে বৃত্ত দ্বারা ভাগ করতে হবে । প্রথম ভাগে কর্নিকা( হলুদ রঙ) , দ্বিতীয় ভাগে কেশর (লাল রঙ)এবং তৃতীয় ভাগে পদ্মের পাপড়ি আঁকতে হবে । এইভাবে মোট আটটি পাপড়ি আঁকতে হবে । প্রতিটি পত্রের( সাদা রঙ) মূলভাগে দুটি করে ১৬টি কেশর(লাল রঙ) তৈরি করতে হবে।পরে চারকোনে তিনটি করে কোষ্ঠায় পীঠকোন আঁকতে হবে । তারপর পীঠক্ষেত্রের অবশিষ্ট কোষ্ঠে পীঠপত্র( সাদা রঙ) আঁকতে হবে । বাইরের পঙক্তি দুটিতে বীথিস্থান রচনা করতে হবে । এবার চারদিকে বাইরের পঙ্কতি দুটির মাঝখানের চারটি কোষ্ঠা ও তার উপরের পঙক্তির দুটি কোষ্ঠা ও ছয়টি কোষ্ঠা দিয়ে দ্বার আঁকতে হবে । তারপর তিন ও এক , চারি কোষ্ঠায় শোভা( লাল রঙ) , আবার তিন ও এক , চারি কোষ্ঠায় উপশোভা ( হলুদ রঙ) অাঁকতে হবে । অবশেষে ছয় কোষ্ঠায় চারটি কোন আঁকতে হবে । এইভাবে চারদিকে চারটি দ্বার , দ্বারের উভয় পাশে দুটি করে শোভা( লাল রঙ) , শোভা দুটির পাশে আবার দুটি করে উপশোভা ( হলুদ রঙ) আঁকতে হবে । তাহলে চার চারটি দ্বার, আটটি শোভা , আটটি উপশোভা , নির্মান হবে । সবশেষে বাইরে তিনটি রেখা আঁকতে হবে , তাহার একটি সাদা , দ্বিতীয়টি লাল , ও তৃতীয়টি কালো হবে । এর মধ্যে সবমিলিয়ে মোট ১০৮ টি সাদা রঙের কোষ্ঠ , ৮৮ টি লাল রঙের কোষ্ঠ , ২০ টি হলুদ রঙের কোষ্ঠ ,২০ টি কালো রঙের কোষ্ঠ রয়েছে ।

এই কোষ্ঠের মধ্যে ইন্দ্রাদি দেবতা , মাতৃ শক্তি তথা অরুন্ধতী সমেত সপ্তঋষির স্থাপন এবং পূজা করা হয় ।


সর্বতোভদ্রমন্ডল কে দেবতাদের দরজা বলা হয় , প্রাচীনকাল থেকে আজ অবধি গনেশ যজ্ঞ, লক্ষী যজ্ঞ , সূর্য যজ্ঞ , গ্রহ শান্তি কর্ম , পুত্রেষ্টি যজ্ঞ , চন্ডী যজ্ঞ , নবচন্ডী যজ্ঞ , শতচন্ডী যজ্ঞ , সহস্রচন্ডী যজ্ঞ , লক্ষচন্ডী যজ্ঞ, অযুতচন্ডী যজ্ঞ , কোটিচন্ডী যজ্ঞ প্রভৃতি যজ্ঞে ভদ্র মন্ডলের প্রমুখতা রয়েছে । সনাতন সংস্কৃতিতে জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত ষোড়শ সংস্কার যজ্ঞ থেকেই শুরু হয় আবার যজ্ঞের দ্বারাই সমাপ্ত হয়। অতঃ ভদ্র মন্ডল ছাড়া যজ্ঞ কর্ম অসম্পূর্ণ। সনাতন সংস্কৃতিতে যজ্ঞের মহিমা অসীম ,এই কারণে শাস্ত্রে একে শ্রেষ্ঠ কর্ম বলা হয়েছে " যজ্ঞোবৈ শ্রেষ্ঠকর্মঃ " । তাই কলিযুগের অশ্বমেধ যজ্ঞ এই দুর্গা পূজাতে এই ভদ্রমন্ডলের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ণ।।

14/10/2024

ততস্তু শ্রবণেনাথ দশম্যাং চণ্ডিকাং শুভাম্।
বিসৃজ্য চক্রে শান্ত্যর্থং বলনীরাজনং হরিঃ।।
-( কালিকাপুরাণম্-৬০/৩৭ )।

অনুবাদ- অনন্তর শ্রবণা-যুক্ত দশমীতে শুভদায়িনী চণ্ডিকা দেবীকে বিসর্জ্জন করিয়া ইন্দ্র, শান্তির নিমিত্ত স্বসৈন্যের নীরাজন করিয়াছিলেন।

এই সূত্রানুসারে শ্রবণা নক্ষত্রযুক্ত দশমীতে পূর্বাহ্নে দেবীর বিসর্জনকৃত্য সম্পন্ন হয়।

ওঁ উত্তিষ্ঠ দেবি চামুণ্ডে শুভাং পূজাং প্রগৃহ্য চ।
কুরুষ্ব মম কল্যাণমষ্টাভি শক্তিভিঃ সহ ।।
ওঁ গচ্ছ গচ্ছ পরং স্থানং স্বস্থানং দেবি চণ্ডিকে। ব্রজ্রস্রোতো জলে বৃদ্ধ্যে তিষ্ঠ গেহে চ ভূতলে।।
ওঁ দুর্গে দেবি জগন্মাতঃ স্বস্থানং গচ্ছ পূজিতে।
সম্বৎসর বাতীতে তু পুনরাগমনায় চ ।।
ইমাং পূজাং মহাদেবি ময়া ভক্ত্যা নিবেদিতং।
রক্ষার্থন্তু সমাদায় ব্রজ স্বস্থান মুক্তমম্।।
ওঁ যথাশক্তি কৃতা পূজা সমস্তাঃ শঙ্করপ্রিয়ে।
গচ্ছন্তু দেবতাঃ সর্বা দত্ত্বা তু বাঞ্ছিতং বরম্।। কৈলাসশিখরে রম্যে সংস্থিতা ভবসন্নিধৌ।
পূজিতাসি ময়া ভক্ত্যা নবদুর্গে সুরাচিতে।।
তাং প্রগৃহ্য বরং দত্বা কুরু ক্রীড়াং যথাসুখম্।
ওঁ যন্ময়োপহৃতং কিঞ্চিৎ বস্ত্রগন্ধানুলেপনম্ ।। তৎসর্বমুপভুজ্য ত্বং গচ্ছ দেবি যথাসুখম্।
ওঁ রাজ্যং শূণ্যং গৃহং শূণ্যং সর্বশূণ্যা দরিদ্রতা।
ত্বামৃতে ভগবত্যস্ব কিং করোমি বদস্ব তৎ।।

14/10/2024

দৈত্যনাশার্থবচনো দকারঃ পরিকীর্তিতঃ |
উকারো বিঘ্ননাশস্য বাচকো বেদসম্মত ||
রেফো রোগঘ্নবচনো গশ্চ পাপঘ্নবাচকঃ |
ভয়শত্রুঘ্নবচনশ্চাকারঃ পরিকীর্তিত ||

অর্থাৎ:
'দ' অক্ষরটি দৈত্য বিনাশ করে, উ-কার বিঘ্ন নাশ করে, রেফ রোগ নাশ করে, "গ" অক্ষরটি পাপ নাশ করে এবং অ-কার শত্রু নাশ করে। এর অর্থ, দৈত্য, বিঘ্ন, রোগ, পাপ ও শত্রুর হাত থেকে যিনি রক্ষা করেন, তিনিই দুর্গা।" অন্যদিকে শব্দকল্পদ্রুম বলেছে, "দুর্গং নাশয়তি যা নিত্যং সা দুর্গা বা প্রকীর্তিতা"। অর্থাৎ, যিনি দুর্গ নামে অসুরকে বধ করেছিলেন, তিনি সব সময় দুর্গা নামে পরিচিত। দেবী পার্বতী দেবগণের অনুরোধে ও শিবের আদেশে এক উগ্র রূপ ধারণ করে দুর্গম অসুর কে বধ করেন তাই তিনি 'দুর্গা' নামে অভিহিত হন।

Online Durga Puja 2024 ✨ Rome, Italy 🇮🇹
14/10/2024

Online Durga Puja 2024 ✨ Rome, Italy 🇮🇹

14/10/2024

Performed Durga Puja ✨ online 🛜 for our যজমান in Italy 🇮🇹

Address

Prafull Kanan
Kolkata
700101

Telephone

+919123733540

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when astrologer Anirban Chakraborty posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to astrologer Anirban Chakraborty:

Share