18/10/2025
শ্রীমদ্ভাগবত,
স্কন্ধ-৬,অধ্যায়-১৩,শ্লোক:১৯-২৩ এবং
স্কন্ধ-৬,অধ্যায়-১৪,শ্লোক:১-১০
১) এই অধ্যায়ের শেষ শ্লোকদুটি(২২ ও ২৩) হল ফলশ্রুতি। কারণ, এই যে আমরা বৃত্তাসুরের কাহিনী শুনলাম, সেটা শুনে কি লাভ হল, সেই কথাই এই শ্লোকদুটিতে বলা হয়েছে।
২) একটি বহুমূল্যের মোবাইলের গুরুত্ব জানা থাকলে, আমরা তাকে খুব সাবধানতার সাথে ব্যবহার করি, কারণ, সেই বস্তুটি এই পৃথিবীতে অত্যন্ত বিরল।
তেমনই আমরা যে কৃষ্ণভক্তি পেয়েছি, সেটা যে কত বিরল, এটা জানা আমাদের সকলের খুব দরকার।
৩) যিনি জড় জগতের নিরর্থকতা হৃদয়ঙ্গম করতে পেরেছেন, তিনি বুঝতে পারেন, এই জড়জগতে জীব আপাতদৃষ্টিতে সুখী হলেও, আসলে সেটা সুখ নয়।
৪) তুষকে যদি পেটাই করা হয়, সেখান থেকে যেমন কোনো চাল আসবে না (স্থূল-তুষাবঘাতি), তেমনই জ্ঞানীদের জ্ঞানচর্চা হল তুষকে আঘাত করার মতো, সেখান থেকে কখনই চাল অর্থাৎ ভক্তির উদয় হবে না।
৫) বৃত্রাসুরের কাহিনীটা এতটাই গুরুত্বপূর্ণ যে, এই কাহিনীটা ব্যাসদেব, নারদ, দেবল ঋষি সকলেই জানেন এবং শ্রীল শুকদেব গোস্বামীর এই তিনজনের শ্রীমুখ থেকে কাহিনীটা শোনার সৌভাগ্য হয়েছিল।
হরেকৃষ্ণ 🙏