29/09/2020
ধর্মজ্ঞানহীন হিন্দুদের বোকা বানাতে আবারো নতুন ভিডিও নিয়ে হাজির মোহাম্মদ ইব্রাহিম!!!!
হিন্দুদের বোকা বানাতে এই মোহাম্মদ ইব্রাহিমরা একা নয় হাজারো মোহাম্মদ ইব্রাহিম এমন ভিডিও প্রচার করছে।আসুন এদের জবাব দেই।
সম্প্রতি মুসলিমরা দাবি করছে বেদে,উপনিষদে, গীতায় নাকি আল্লাহ, মোহাম্মদের কথা উল্লেখ করছে! নবী মোহাম্মদ নাকি কল্কি অবতার!!
প্রিয় মুসলিম ভাইরা,আপনাদের ধর্মমতে কুরআন এর আগের সব ধর্মগ্রন্থ আল্লাহ বাতিল করে দিয়েছেন। কিন্তু আজ আপনাদের বাতিল ধর্মগ্রন্থ নিয়ে কেনো এই টানাটানি?? কেন নিজেদের ধর্মের সত্যায়নের জন্য এতো মিথ্যাচার??
ভিডিওর শুরুতেই বলা হয় বেদে নবী মোহাম্মদের নাম নাকি নরাশংস বলে উল্লেখ করা হয়েছে!
এছাড়াও প্রতিশব্দের অপব্যবহার করে একরকম জোর করেই বিভৎস হাসি দিয়ে প্রমাণ করতে চাইলেন নবী মোহাম্মদ ই কল্কি অবতার।
আচ্ছা ধরুন,
একজনের নাম সাগর।সে ভোর ৫টায় উঠে,১০টায় স্কুলে যায়, বিকেল ৪টায় ফিরে এবং রাত ১২টায় ঘুমায়।
আবার আরেকজনের নাম অর্ণব।সেও ৫টায় উঠে,১০টায় স্কুলে যায়, বিকেল ৪টায় ফিরে এবং রাত ১২ টায় ঘুমায়।
এখন সাগর ও অর্ণব প্রতিশব্দ। তাই শুধু মাত্র কয়েকটি কাজের মিল দেখিয়েই কি আপনি দাবি করে বসবেন যে সাগর আর অর্ণব একই ব্যাক্তি??
অবশ্যই না!!!!
কিন্তু জ্ঞানপাপীরা এই দাবি করেই হিন্দুদের ধর্মান্তরিত করার ফাঁদ পাতছে!!
আসুন এদের জবাব দেই।
নরাশংস মানে মুহাম্মদ দাবি করে বেদের মন্ত্র উল্লেখ করে । কিন্তু দুঃখের বিষয় মুসলমানরা কেন সেসব বেদের মন্ত্র এবং পরিপূর্ণ অর্থ দেয় না । শুধুমাত্র যেটুকু দিয়ে অমুসলিমদের বিভ্রান্ত করা যায় সেটুকু দিয়েই খালাস । কেন রে ভাই বেদের মন্ত্র এবং অর্থ গুলো পরিপূর্ণ দিতে কি ভয় লাগে ?
মুসলামরা তো পারবে না ,তাই আমিই দিব । তার আগে মুসলমানদের অপপ্রচার গুলো দেখে নেওয়া যাক । ।
‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘
জ্ঞানপাপীদের অপপ্রচারঃ
★ নরাশংস ও মোহাম্মাদ অর্থ প্রশংসিত
★ঋগবেদে অন্তিম ঋষিকে নরাসংস
বলা
আছে-
* ১ম মন্ডল,১৩ সুক্ত,মন্ত্র নং ৩ * ১ মন্ডল ১৮ সুক্ত মন্ত্র ৯ * ১ মন্ডল, ১০৬ সুক্ত, মন্ত্র ৪ * ১ মন্ডল, ১১৬ সুক্ত, মন্ত্র ১১ * ১ মন্ডল, ১৪২ সুক্ত, মন্ত্র ৩ * ২ মন্ডল, ৩ সুক্ত, ২ মন্ত্র
* ২ মন্ডল, ৩৪ সুক্ত, ৬ মন্ত্র * ২ মন্ডল,৩৮ সুক্ত, ১০ মন্ত্র *৩ মন্ডল, ২৯ সুক্ত, ১১ মন্ত্র
* ৫ মন্ডল, ৫ সুক্ত, মন্ত্র ২ * ৭ মন্ডল, ২ সুক্ত, মন্ত্র ২ * ৯ মন্ডল, ৮৬ সুক্ত, মন্ত্র ৪২
* ১০ মন্ডল ৬৪ সুক্ত, ৩ মন্ত্র * ১০ মন্ডল, ৭০ সুক্ত, ২ মন্ত্র * ১০ মন্ডল, ৯২ সুক্ত, ১১ মন্ত্র
* ১০ মন্ডল, ১৮২ সুক্ত, মন্ত্র ২
★কল্কিকে ঈলিত বলা।( ঈলিত- প্রশংসিত, মোহাম্মাদ সা মানে ও প্রশংসতি, ঋগবেদ ১/১৩/৪, ১/১৪২/৪
‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘
আসুন আগে নরাশংস মানে জানি,
নরাশংস = সর্বশ্রেষ্ঠ প্রশংসিত যে পুরুষ । অর্থাৎ যাহার উপর আর প্রশংসার কিছুই নাই অথবা প্রশংসিত করার মত কেহ নাই । সনাতন এবং আধ্যাতিক তত্ত্বে নরাশংস মানে সর্বশ্রেষ্ঠ প্রশংসিত পুরুষ হল পরমাত্মা । পরমাত্মা অর্থাৎ সৃষ্টিকর্তার উপর প্রশংসার যোগ্য অথবা প্রশংসিত হবার মত বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডে দ্বিতীয় কেহ নাই , একমাত্র পরমাত্মা ব্যাতীত ।
‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘
এখন আমি প্রমান করব , কি কারণে নরাশংস মানে সৃষ্টিকর্তা অর্থাৎ পরমাত্মা । ।
নরাশংস শব্দের বিশ্লেষনের জন্য প্রথমে দরকার নরা শব্দের সন্ধান করা এবং “নরা” মানে কি ? আর বেদে সর্বপ্রথম নরা শব্দ কোন বেদে আছে , আপনারা কি জানেন ?
ঋকবেদের প্রথম মন্ডল সুক্ত ২ ঋক ৬ এ সর্ব প্রথম নরা শব্দটি চোখে পড়ে । যার দ্রষ্টা হলেন মধুছন্দা ঋষি ।।
চলুন দেখে নেওয়া যাক এখন উক্ত মন্ত্রে কি আছে এবং নরা মানে কি ?
ঋকবেদ ১/২/৬ ( মধুছন্দা ঋষি )
বায়বিন্দ্রশ্চ সুন্বত আ যাতমুপ নিষ্কৃতম্ ।
মক্ষ্বিত্থা ধিয়া নরা ।। ৬ ।।
পদার্থঃ বায়বিন্দ্রশ্চ (বায়ু স্বরুপ পরমাত্মা ) সুন্বত আ (সীমাহীন ব্যাপ্তি ) যাতমঃউপ ( অতীতে অনেকেই ) নিষ্কৃতম (এই তত্তে্ অবগত হয় নি ) মক্ষ্বিত্থা (মোক্ষের সন্ধান করা অথবা মোক্ষের জন্য পরমাত্মার ধ্যান করা ) ধিয়া ( বুদ্ধিমান, জ্ঞানীগণ ) নরা (পুরুষ, পরমাত্মা ) ।
অনুবাদঃ বায়ু স্বরুপ পরমাত্মার ব্যাপ্তি সীমাহীন অতীতে অজ্ঞানীগণ এই তত্ত্ব অবগত হয় নি , তাই জ্ঞানী গণ মোক্ষের জন্য পরমাত্মার ধ্যান করেন ।
( সমস্তই ভগবৎ/ পরমাত্মার সত্তায় সত্তাবান [শ্রীগীতা ৭/৮-১২] , ঈশ্বরের বিশ্বানুগতা [শ্রীগীতা ১৫/১২-১৫], [ ঋকবেদ ১/২/৪], ভক্তিমার্গের শ্রেষ্ঠতা [ শ্রীগীতা ১১/৫৪-৫৫])
ঋকবেদ ১/১৩/৩ ( অগ্নি এবং অনান্য দেবতা, কণ্বের পুত্র মেধাতিথি ঋষি )
নরাশংসমিহ প্রিয়মস্মিন যজ্ঞ উপ হ্বয়ে ।
মধুজিহ্বং হবিষ্কৃতম ।।
পদার্থঃ নরাশংসম (সর্বশ্রেষ্ঠ প্রশংসিত পুরুষ হল পরমাত্মা ) ইহ (এই ) প্রিয়ম (মঙ্গল, শুভ, ) অস্মিন ( এই ) যজ্ঞ ( নিষ্কাম কর্ম ) উপ (নিকটে , মাধ্যমে ) হ্বয়ে (আহ্বান ) মধুজিহ্বং (পবিত্র ধ্বনি ) হবিষ্কৃতম ( উৎসর্গকৃত)
অর্থঃ মঙ্গলের জন্য নিষ্কাম কর্মের মাধ্যমে সর্বশ্রেষ্ঠ প্রশংসিত পুরুষ পরমাত্মার আহ্বানে পবিত্র ধ্বনি উৎসর্গকরা হয় ।
‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘
জ্ঞানপাপীদের আর ও এক প্রকার অপপ্রচার দেখে নেওয়া যাক ।
★কল্কিকে ঈলিত বলা।( ঈলিত- প্রশংসিত, মোহাম্মাদ সা মানে ও প্রশংসতি, ঋগবেদ ১/১৩/৪, ১/১৪২/৪
‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘
জ্ঞানপাপীদের বলি , ঈলিত মানে প্রশংসিত নয় । ঈলিত মানে স্তুত । অগ্নির একটি নাম “ইলা” সেই নাম সুচনার্থ ঈলিত বিশেষণ প্রয়োগ হয়েছে । । ( সায়ণ )
এছাড়াও ইলা শব্দটি বিশেষ্য অর্থে পৃথিবী হয় । । আমি বুঝলাম কোন অর্থে জ্ঞানপাপীগণ , কি প্রয়োগ করে ঈলিত মানে প্রশংসিত করল ?
যেখানে সনাতন শাস্ত্র বলছে ঈলিত মানে প্রশংসিত নয় । তাই জ্ঞানপাপীরা মূর্খের মত যা বলবে তা তো বিশ্বাস করা যায় না । তাই মূর্খামির বিশ্বাস জ্ঞানপাপীদেরই থাক , ইহাতে সনাতনিদের কোন মাথা ব্যাথ্যা নাই । জ্ঞানপাপীরা যে অপপ্রচার তা তো প্রমান হয়েই যাচ্ছে ।
এখন দেখে নেওয়া যাক ঈলিত মন্ত্র যুক্ত বেদ মন্ত্র । জ্ঞানপাপীদের দাবির সাথে ঈলিত মন্ত্র যুক্ত বেদ মন্ত্র । জ্ঞানপাপীদের দাবির সাথে মিলে কি না ।
ঋকবেদ ১/১৩/৪ ( অগ্নি এবং অনান্য দেবতা, কণ্বের পুত্র মেধাতিথি ঋষি )
অগ্নে সুখতমে রথে দেবাঁ ঈল্লিত আ বহ ।
অসি হোতা মনুর্হিতঃ ।। ৪ ।।
পদার্থঃ অগ্নে (অগ্নি ) সুখতমে রথে ( দিব্য বাহন ) দেবাঁ ( শক্তি সমূহ ) ঈল্লিত (স্তুতি ) আ বহ ( আসা ) অসি ( অস্ত্র ) হোতা (নিষ্কাম কর্ম কারী, যজ্ঞকারী , ভাল কাজের উদ্যেক্তা ) মনুর্হিতঃ( মনুষ্যর উপকারে )
অর্থঃ হে ঈলিত (স্তুতিকৃত) অগ্নি , দিব্য বাহনে শক্তিসমূহ নিয়ে আস । মনুষ্যর উপকারে নিষ্কাম কর্মকারীদের ( যজ্ঞকারীদের ) অগ্নিই অস্ত্র ।
ঋকবেদ ১/১৮/৯ ( ব্রহ্মণস্পতি প্রভৃতি দেবতা । কণ্বের পুত্র মেধাতিথি ঋষি )
নরাশংস সুধৃস্টমমপশ্যং সপ্রথস্তমম ।
দিবো ন সদ্মমখসম ।।
পদার্থঃ নরাশংস (সর্বশ্রেষ্ঠ প্রশংসিত পুরুষ হল পরমাত্মা ) সুধৃস্টঃ (বিক্রমশালী ) মম ( আমি) পশ্যং (দেখেছি) সপ্রথস্তমম (আকাশের ন্যায় ) দিবো ( প্রকাশিত ) ন সদ্মমক্ষসম (সুবিখ্যাত ও প্রাপ্ততেজা, সকলের পালনকর্তা কোথায় নাই )
অর্থঃ বিক্রমশালী , আকাশের ন্যায় সর্বশ্রেষ্ঠ প্রশংসিত পুরুষ পরমাত্মাকে আমি দেখেছি । সুবিখ্যাত ও প্রাপ্ততেজা , সকলের পালনকর্তা কোথায় প্রকাশিত নয় ।
ঋকবেদ ১/১০৬/৪ ( বিশ্ব দেবগণ দেবতা , অঙ্গিরসের পুত্র কুৎস ঋষি )
নরাশংস বাজিনং বাজয়ন্নিহ ক্ষয়দ্বীরং পূষণাং সুম্নৈরীমহে ।
রথং ন দুর্গাদ্বসবঃ সুদানবো বিশ্বস্মান্নো অংহসো নিষ্পি পর্তম ।।
পদার্থঃ নরাশংস (সর্বশ্রেষ্ঠ প্রশংসিত পুরুষ হল পরমাত্মা) বাজিনং (শক্তি ) বাজয়ন্নিহ ( শক্তিসমূহ) ক্ষয়দ্বীরং ( অধর্মের ক্ষয় অথাব নষ্ট ) পূষণাং (প্রকাশিত ) সুম্নৈরীমহে (নিরপেক্ষতার সহিত ) রথং (বাহন) ন দুর্গাদ্বসবঃ (দুর্গম হতে যিনি রক্ষা করেন, রক্ষক, দুর্গার স্তুতি অথবা পরমাত্মার স্তুতি ) সুদানবো (দানশীন ) বিশ্বস্মান্নো ( সকলের পালনকর্তা ) অংহসো ( যারা ধার্মিক ) নিষ্পি ( উদ্ধার করা ) পর্তম ( পাপ থেকে )
অর্থঃ সর্বশ্রেষ্ঠ প্রশংসিত পরমাত্মার শক্তি নিরপেক্ষতার সহিত প্রকাশিত অধর্মের শক্তিসমূহকে নাশ করে । রক্ষক,দানশীলি এবং সকলের পালনকর্তা , তোমার রথ ধার্মিকদের পাপ থেকে উদ্দার করে ।
আশাকরি নরাশংস মানে কি প্রত্যক সনাতনি জানতে পেরেছেন।
এবার আসি কল্কি অবতার নিয়ে এই মূর্খ যে অপপ্রচার চালাচ্ছে সেটা নিয়ে।
@@@@@@@
জ্ঞানপাপীটা বলছে তার বাবার হবে বিষ্ণুযশ যার অর্থ
সৃষ্টিকর্তার গোলাম।অপরদিকে নবী মুহাম্মদ এর পিতার
নাম আব্দুল্লাহ শব্দের অর্থও সৃষ্টিকর্তার গোলাম!
ব্যাকরণে অতি দুর্বলতার লক্ষন হল এটি।বিষ্ণুযশ শব্দের
অর্থ "ঈশ্বরের মহিমা",সৃষ্টিকর্তার গোলাম নয়।এছাড়া
পদ্ম পুরাণ,সৃষ্টিখণ্ড (৬.২৪২.৮-১২) তে বর্ণিত আছে বিষ্ণুযশ
প্রথমে স্বয়ম্ভু মনু(প্রথম সৃষ্ট মানুষ) রুপে জন্ম গ্রহন
করেছিলেন যিনি কঠোর তপোস্যা করে ঈশ্বরের কাছ
থেকে বর(ইচ্ছা) প্রার্থনা করেছিলেন ঈশ্বর যেন তার
পুত্র রুপে আবির্ভুত হন। ঈশ্বর তাঁকে কথা দিয়েছিলেন
তিনি ৩ বার তাঁর পুত্র রুপে অবতীর্ণ হবেন। পরবর্তীতে
দশরথ রুপে স্বয়ম্ভু মনু জন্ম গ্রহন করেন এবং ঈশ্বর রাম রুপে
তাঁর ঘরে অবতীর্ণ হন তারপরে স্বয়ম্ভু মনু বাসুদেব রুপে
জন্ম গ্রহন করেন তখন ঈশ্বর শ্রীকৃষ্ণ রুপে তাঁর ঘরে
অবতীর্ণ হন এবং সর্বশেষে স্বয়ম্ভু মনু কলিযুগের শেষে
বিষ্ণুযশ রুপে জন্ম গ্রহন করবেন এবং ঈশ্বর তখন তাঁর ঘরে
অবতীর্ণ হবেন।অপরদিকে মুসলিমরা তো জন্মান্তরবাদেই
বিশ্বাসী নন!সুতরাং মুহাম্মদকে কল্কি অবতারের সাথে
মেলাতে হলে আব্দুল্লাহকেও স্বয়ম্ভু মনুর মত ই তিনবার
পুনর্জন্ম নিতে হয় যে!
জ্ঞানপাপী টা বলছে
@@@@@@@@@
কল্কি পুরান এ বলা আছে যে কল্কি জন্ম নিবেন একটি
মাসের ১২ তারিখে।অপরদিকে মোহাম্মদ (সঃ) ও ১২ ই
রবিউল আউয়াল মাসের ১২তারিখে জন্ম গ্রহন
করেছিলেন! এই দাবীটা সম্পুর্ন ভিত্তিহীন।কল্কি
পুরানেই দেখে নেই তার জন্মতারিখ द्वादश्यां शुक्ल-पक्षस्य
माधवे मासि माधवम्। जातं ददृशतुः पुत्रं पितरौ हृष्ट-मानसौ।।
(কল্কি পুরাণ ১.২.১৫,দ্বিতীয় অধ্যায় এর ১৫ নং শ্লোক)
অর্থাত্ মাধব(সংস্কৃত বৈশাখ মাসের) শুক্লপক্ষের দ্বাদশ
তারিখ তিনি জন্ম নেবেন যা ইংরেজী এপ্রিল-মে
মাসের সমান্তরাল। অপরদিকে মুসলিমদের নবী মুহম্মদ এর
জন্মতারিখ ১২ রবিউল আউয়াল কিনা তা নিয়ে কিন্তু
মুসলিম পণ্ডিতবর্গ এবং ঐতিহাসিক ব্যাক্তিরাই কিন্তু
নিশ্চিত নন।একনজরে দেখে নেব বিভিন্ন বিখ্যাত মুসলিম
বিশেষজ্ঞদের এই জন্মতারিখ নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন মত- ২
রবি আউয়াল-ইবনে আব্দ আল-বার ৫ রবিউল আউয়াল-
আমির উদ-দিন ৮ রবিউল আউয়াল-ইবনে আল কাইয়িম,ইবনে
ই হাজম,আজ জুহরি,ইবনে ই দিহ্যা ৯ রবিউল আউয়াল-
মুহাম্মদ সুলেমান মনসুরপুরি,মুবারকপুরি,শিবলি
নোমানি,মাহমুদ পাশা ফালাকি,আকবর শাহ নাজিব
আবাদি,মইন উদ্দিন আহমেদ নদভি,আব্দুল কালাম আজাদ
১০ রবিউল আউয়াল-আবুল ফিদা,আবু জাফর আল
বাকির,আল ওয়াকাদি,আল শাবি ১২ ই রবিউল আউয়াল-
তাবারি,ইবনে ই খুলদুন,ড. হামিদুল্লাহ,ইবনে ই
হিশাম,আল্লামা আবুল হাসান,আলি ইবনে মুহাম্মদ আল-
মাওয়ারদি,ইবনে ই ইসহাক ১৭ ই রবিউল আউয়াল-শিয়াদের
বিশ্বাস,তারা এও বিশ্বাস করে যে ওইদিন ছিল শুক্রবার
২২ ই রবিউল আউয়াল-ইবনে ই হাজম কর্তৃক প্রদত্ত অপর
সম্ভাব্য তারিখ ১০ ই মুহররম-আব্দুল কাদির জিলানী
অর্থাৎ উনার জন্মতারিখ নিয়ে অনেকগুলো মত
আছে,এমনকি কেউ কেউ তা রবিউল আউয়াল মাসে নয়
বরং মুহররম মাসেও বর্ণনা করেছেন!তবে এই তারিখগুলোর
মধ্যে ১২ ই রবিউল আউয়াল সবচেয়ে বেশী প্রচারিত।আর
মজার বিষয় হচ্ছে জ্যোতির্বিজ্ঞান অনুযায়ী ১২ রবিউল
আউয়াল ইংরেজি ডিসেম্বর মাসে ছিল অর্থাৎ কল্কি
অবতার এর জন্ম মাস বা তারিখ কোনটার কাছাকাছি ই
নয়!
জ্ঞানপাপীটা বলছে
@@@@@@
কল্কি অবতারের মায়ের নাম সুমতি।“সু” অর্থ শান্ত এবং
“মতি” অর্থ আত্মা বা হৃদয়। অর্থাৎ “সুমতি” শব্দের অর্থ
পরিতুষ্ট আত্মা। আরবীতে মুহম্মদ এর মাতার নাম
“আমিনা” শব্দের অর্থও শান্ত বা পরিতুষ্ট আত্মা।
(আমিনা নবী হযরত মুহাম্মদের মাতার নাম)] সু শব্দের অর্থ
শান্ত এমনটি কোথাও পাওয়া যায়না,বরং সু অর্থ
ভালো,মতি শব্দের অর্থ চিত্ত,আত্মা নয়,বেদান্ত
অনুযায়ী আত্মা আর চিত্ত এক জিনিস নয়।
সে এও দাবি করছে,
@@@@@@@@@@
পুরাণ অনুযায়ী কল্কি মাতা সুমতির ৪র্থ সন্তান রুপে ঈশ্বর
পৃথিবীতে আসবেন এর পূর্বে মাতা সুমতি কবি,প্রজ্ঞা ও
সুমন্ত্র নমে ৩ সন্তানর জন্ম দিবেন।অপরদিকে ইসলামি
ইতিহাস থেকে আমরা পাই যে মাতা আমিনা শুধুমাত্র
ইসলামের নবীকেই একমাত্র সন্তান হিসেবে জন্ম
দিয়েছিলেন।
@@@@@@@@@
কল্কি জন্মগ্রহন করবেন “সম্ভল” নামক গ্রামে।সংস্কৃত
ভাষায় ওই সম্ভল শব্দটি দিয়ে নাকি আরব অঞ্চলকে
বোঝানো হয়েছে! জানিনা এই অদ্ভুতুড়ে তথ্য এই
অতিউৎসাহীগণ কোথা হতে পেয়েছেন! তবে সম্ভল শব্দটি
দিয়ে কোন অঞ্চলকে নয় বরং কল্কির জন্ম নেয়া
গ্রামের নাম নির্দেশিত হয়েছে। আর এই গ্রামটি আরব এ
নয় বরং যমুনা ও গঙ্গার মাঝামাঝি উড়িষ্যায় অবস্থিত
যা বর্তমানে সম্ভলপুর নামে পরিচিত ।কল্কি পুরাণ
৩২.৫(৩.১৮.৫) এবং ১৩.৫(২.৬.৫) এ উল্লেখ করা হয়েছে সম্ভল
গ্রাম ফুল,বন,বাগান,হ্রদ,গাছপালাবিধৌত প্রাকৃতিক
সৌন্দর্যে ভরপুর।অনুর্বর,শুষ্ক মক্কা বা মদিনা নিশ্চয় এরুপ
নয়!অবশ্য প্রাচীন তিব্বতিয়ান শাস্ত্র Zhangzhung
অনুযায়ী এটি ভারতের পাঞ্জাবে অবস্থিত!
সে তার ভিডিওতে আরো দাবি করছে, ভারতে নাকি কোন উট নাই!!!!উট নাকি কেবল আরবেই!!
হায়তো মূর্খ ডাক্তার, ভারতের রাজস্থান যে উঠের জন্য বিখ্যাত সেটাও জানে না!!!!
পরিশেষে, আসুন নিজ ধর্মগ্রন্থ পড়ি,নিজ ধর্মকে জানি।
আপনার অজ্ঞানতা ও জ্ঞানহীনতাকে পুঁজি করেই এই সকল জ্ঞাবপাপীরা মিথ্যাচার করে।
আসুন এদের জবাব দেই।
সত্যমেব জয়তে
ওঁ তৎ সৎ