Sanatan Vedic Dharma

Sanatan Vedic Dharma সত্য সনাতন বৈদিক ধর্মের জয় । জয় হিন্দ । বন্দেমাতরম ।।

ॐ নমস্তে সবাইকে
19/03/2025

ॐ নমস্তে সবাইকে

25/12/2023

#হালাল বিনোদন
বড়দিন উপলক্ষে খ্রিষ্টান পোপের সঙ্গে কথোপকথন !!
- আচ্ছা বলুন তো, ঈশ্বর কে?
- যিশু!
- যিশুই কি মাতা মেরীর পুত্র?
- জ্বি।
- মাতা মেরীকে কে সৃষ্টি করেছে?
- ঈশ্বর!
- ঈশ্বর কে?
- যিশু!
- যিশুই কি মাতা মেরীর গর্ভে জন্ম নেয়া
সন্তান?
- জ্বি।
- তার পিতা কে?
- ঈশ্বর!
- ঈশ্বর কে?
- যিশু!
- যিশু কি ঈশ্বরেরর সেবক?
- জ্বি।
- যিশুকে কি শুলে চড়িয়ে হত্যা করা হয়েছিল?
- জ্বি।
- যিশু কি প্রেরিত পুরুষ?
-জ্বি।
- তাকে কে পাঠিয়েছিলেন?
-ঈশ্বর!
- ঈশ্বর কে?
- যিশু!
- আচ্ছা, যিশু কি পৃথিবীতে থাকতে উপাসনা করতেন?
- জ্বি।
- কার উপাসনা করতেন?
- ঈশ্বরের!
- ঈশ্বর কে?
- যিশু!
- ঈশ্বরের কি ‘সূচনা’ আছে?
- নাহ!
- তাহলে ২৫ ডিসেম্বরে কে জন্মগ্রহণ করেছেন?
- যিশু।
- যিশু কে?
- ঈশ্বর!
- ঈশ্বর কোথায় আছেন?
- স্বর্গে!
- স্বর্গে কতজন ‘উপাস্য’ আছেন?
- এক ও অদ্বিতীয় একজন উপাস্য আছেন।
- যিশু এখন কোথায়?
- ঈশ্বরের ডানপাশে বসে আছেন!
- তাহলে জান্নাতে কয়জন উপাস্য আছেন?
- একমাত্র একজনই আছেন!
- তাহলে কয়জন উপাস্য স্বর্গে উপবিষ্ট আছেন?
- একজন!
- যিশু কোথায় আছেন?
-ঈশ্বরের পাশে বসে আছেন!
- যিশু কে?
- ঈশ্বর!
- যিশু কোথায় আছেন?
- ঈশ্বরের পাশে বসে আছেন!
- তাহলে যিশু কে?
- ঈশ্বর!
ওয়েট! ওয়েট!! আবার নতুন করে শুরু করতে হবে....🧐
😂🤤

22/07/2023

Say no to -"INDIA"
Say yes for - "Bharat", "ভারত", "भारत", " आर्यावर्त" ।।

20/10/2021

ধন্যবাদ , ২০২১ সালে এত্ত সুন্দর একটা পূজা উপহার দেওয়ার জন্যে ।
(১৪/১০/২০২১ রোজ : বৃহস্পতিবার ) ও ( ১৫/১০/২০২১ রোজ : শুক্রবার ) মাত্র ২ দিনের অর্জনঃ
১. কুমিল্লার নানুয়া দীঘিরপাড় । ( তারপর কুমিল্লার কথা না বলাই ভালো )
২.চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে ১৫ টি পূজা মণ্ডপে হামলা ।
৩.গাজীপুরে পূজা মণ্ডপে হামলা ।
৪.মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে দুটি মণ্ডপের মূর্তি ও প্যান্ডেল এবং পাঁচটি মণ্ডপের গেট ভাঙচুর ।
৫.কুলাউড়া মণ্ডপে হামলা ।
৬.লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে পূজা মণ্ডপে হামলা ।
৭.কুড়িগ্রামের উলিপুর: তিন ইউনিয়নের সাত মন্দিরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ ।
৮.কক্সবাজারের চকরিয়া ও পেকুয়া: ৪ টি ইউনিয়নে [ ২০০+ হিন্দু ] পরিবারের উপর হামলা ।
৯.বান্দরবানের লামা হরি মন্দির হামলা , ভাংচুর ,লুটপাট ।
১০.সিলেটের জকিগঞ্জে পূজামণ্ডপে হামলা ।
১১.চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে পূজামণ্ডপে হামলা ।
১২. চাঁদপুর রামকৃষ্ণ মিশন ।
১৩.নোয়াখালী ইসকন মন্দিরে হামলা । ( ২ জন সাধুকে হত্যা )
১৪. রামঠাকুরের আশ্রম , চৌমুহুনী , নোয়াখালী। ( যেখানে ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদাররাও হামলা করেনি )
১৫. চট্টগ্রামের জে. এম হল ( যাত্রা মোহন হল ) মণ্ডপে হামলা ।
১৬. কুমিল্লা সদরের কালীবাড়িতে ।
১৬.চকবাজার থানার অধীন করুনাময়ী কালীমন্দিরে ।
১৭. ঢাকার ঢাকেশ্বরী মন্দিরে , হামলার চেষ্টা ও নসাৎ ।
১৮. খুলনার রূপসায় মহাশ্মশান ঘাটের প্রবেশদ্বার থেকে ১৮ টি বোমা উদ্ধার ।
এছাড়াও নোয়াখালীতে : ত্রিশূল , মঙ্গলা , নবদূর্গা , বিজয়া প্যান্ডেল, কোটবাড়ি মন্দির সম্পূর্ণ আগুনে জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে । বারগ্রাম, ছয়ানীবাজার ,বেগমগঞ্জ, সোনাইমুড়ীতে হিন্দুদের বাড়ি বাড়ি ঢুকে আক্রমণ করা হয়েছে , ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে ।
#হত্যা: ১. গতকালকে কুপিয়ে ফেলে দেওয়া প্রান্ত চন্দ্র দাশ নামের একজনে লাশ ভেসে উঠেছে নোয়াখালি ইস্কন মন্দিরের পুকুরে ।
২.মানিক সাহা (নিহত)-- হাজীগঞ্জ,চাঁদপুর
৩.যতন সাহা (মন্ডপ পুজারী) -- নোয়াখালি
৪. নোয়াখালি ইস্কন মন্দিরের পুরোহিত সাধু নিমাই কৃষ্ণ ও ( নাম না জানা আরেকজন সাধু )
৫. ৩ জন পুরোহিত (নাম জানা যায় নি)-- রাম ঠাকুরের আশ্রম , চৌমুহিনী
৬.রামু সার্বজনীন মন্দির (গত কাল আশঙ্কাজনক একজনের মৃত্যু ।








05/06/2021

ওঁ
গায়ত্রী মন্ত্র ।। ঋগ্বেদ ৩/৬২/২০

19/05/2021

ওঁ শান্তি শান্তি শান্তি
যজুর্বেদ ৩৬/১৭

05/03/2021

ভাগবত যে ব্যাসদেবর লেখা নয়- তার অকাট্য প্রমাণ-

ভাগবত যে ব্যাসদেবের লেখা নয়, সে সম্বন্ধে অজস্র প্রমাণ আপনাদের সামনে ঐ,ভাগবত থেকেই তুলে দিচ্ছি। যা দেখে আপনারা বুঝতে পারবেন ঐ কদর্য্য গ্রন্থে (রাসলীলা,বস্ত্রহরণ,কুব্জা বেশ্যা-সঙ্গম প্রভৃতি কদর্য্য কাহিনী ছাড়াও) এমন সব পরস্পর ঘটনা এবং কদর্য্য কথা আছে-যা বেদব্যাসে কলম থেকে বের হতে পারে না -

১। (ক) প্রথম স্কন্দের প্রারম্ভে ২নং শ্লোকে বলা হয়েছে -"শ্রীমদ্ভাগবতে মহামুনে কৃতে কিংবা পরৈরীশ্বরঃ"-মহামুনি ব্যাসের রচিত এই ভাগবতে,,,,
(খ)"যানি বেদবিদাং শ্রেষ্ঠো ভগবান বদরায়ণঃ"[ভাগবত ১।১।৭ ]-
বেদবেত্তাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ ভগবান ব্যাস,,
(গ)"এবং চাকর ভগবান ব্যাসঃ কৃপণবৎসলঃ" [ভাগবত ১।৪।২৪ ]
দীনবন্ধু ভগবান ব্যাস,,,
(ঘ)"এবং নিষম্য ভগবান্ দেবর্ষে জন্মকর্ম্মচ"[ভাগবত ১।৬।১ ]
(ঙ)"নির্গতে নারদ সুত ভগবান্ বদরায়ণঃ[ভাগবত ১।৭।১ ]-নারদ চলে যাওয়ার পরে ভগবান ব্যাস,,,
ইত্যাদি কথার দ্বারা প্রমাণ হয় যে বেদব্যাস ভাগবত লেখেন নি। কেন না কেউ নিজ রচিত গ্রন্হে নিজেকে "মহামুনি" "বেদবেত্তাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ; 'দীনবন্ধ' ভগবান্ প্রভৃতি বিশেষণে ভূষিত করেন না। ডঃ সেনগুপ্তরা আত্মাপ্রশংসা ভালবাসতে পারেন, কিন্তু বেদব্যাস নিজের গ্রন্হে নিজে আত্মশ্লাঘা করবেন এ বিশ্বাস করতে প্রবৃত্তি হয় না।বেদব্যাসের নামের পূর্বে ঐ সব অলঙ্কার দেখে মনে হচ্ছে,ভাগবত এমন লোকের লেখা যাঁর কাছে ব্যাস ভক্তির পাত্র,পূজ্য।
২।(ক) ভাগবতেই আছে ( ৭।১।৫)
"নত্বা কৃষ্ণায় মুনয়ে কথয়িষ্যে হরের্কথাম্"-ভগবান ব্যাসকে প্রণাম করে হরি কথা বলছি -
(খ) কথাং ভাগবতীং পূণ্যাং যদাহ ভগবান্ শকঃ"[ভাগবত ১।৪।২ ]
(গ) " তং ব্যাসসুনুমুপয়মি গুরুং মুনীনাম্"[ভাগবত ১।২।৩ ] মুনিদের গুরু ব্যাসপুত্র শুকদেবের শরণ নিই -
(ঘ) "যোগীন্দ্রায় নমস্তস্মৈ শুকায় ব্রহ্মরূপিনে"[ভাগবত ১২।১৩।২১ ]-
অর্থাৎ ব্রহ্মস্বরূপ যোগীন্দ্র শুকদেবকে নমস্কার ইত্যাদি।
কেউ কি স্বরচিত গ্রন্থে নিজেকে প্রণাম করে? নিজ পুত্রকে প্রণাম করে? উপরের ভাগবত -বাক্যগুলো থেকে স্পষ্টই প্রমাণিত হচ্ছে -ঐগুলি ব্যাসোক্তি নয়। এমন কি পরীক্ষিতের প্রতি শুকোক্তি-ও নয়। ঐগুলির রচয়িতা এমন একজন যার নিকট ব্যাসদেব ও শুকদেব উভয়েই পূজ্য এবং প্রণম্য। কাজেই, ঐ ভাগবত বেদব্যাসের লেখা নয়। কোন কৃষ্ণভক্তের লেখা -একথা বলাই যুক্তিযুক্ত।

বাকি রইলো অবতার সিরিয়ালের নমুনা।
নমস্তে।।

14/11/2020

*শারদীয়া নবসস্যেষ্টি (দীপাবলী) এর জন্য আপনারা সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা*

দীপাবলি কী?
দীপ = প্রদীপ
আবলী = একরেখ, কার্তিক মাসের কৃষ্ণপক্ষে অমাবস্যা তিথিতে উদযাপিত হয় দীপাবলি। এই দিনে শরতের শেষে কেবল 15 দিন বাকি রয়েছে। এর পরে কার্তিক মাসের শেষে হেমন্ত মরসুম শুরু হয়। এই রাতে, সমস্ত লোক বাড়ির আশেপাশে তেল বা ঘি প্রদীপ জ্বালায়।
এটি শারদীয়া নবশস্যেষ্টি নামেও পরিচিত।
শারদীয়া = শরত
নতুন = নতুন
শস্য = ফসল, চাষ
ইষ্টি = যজ্ঞ
[বসন্তের নতুন বছর = হোলি]

*দিওয়ালির গুরুত্ব*
বর্ষাকালে বৃষ্টির কারণে ঘরবাড়ি, বায়ুমণ্ডলটি বিকৃত হয়ে যায়, কর্দমাক্ত, দুর্গন্ধযুক্ত হয়ে যায়, জলাবদ্ধতার ক্ষয়জনিত কারণে, মশার আধিক্য এবং আর্দ্রতা (আর্দ্রতা) কারণে বর্ষাকাল, ম্যালেরিয়া জ্বর ইত্যাদি রোগ খুব ছড়িয়ে পড়ে। শারদীয়া-পূর্ণিমা, দশমী এবং দীপাবলি এই তিনটি উৎসবের তিন দিনের যজ্ঞ (হবন) এই রোগগুলির বিরুদ্ধে লড়াই করে। বায়ুমণ্ডলের পরিবর্তনটি দেবযজ্ঞ দিয়ে করা হয় এবং ঘরের স্বাস্থ্যবিধি রঙ ইত্যাদি দ্বারা সম্পন্ন হয় এই সময়ে শ্রাবণ মাসের ফসল (উড়াদ, মুগ, বাজরা, তিল, তুলা) আসে এবং এই উপলক্ষে নতুন খাবার থেকে দেবযজ্ঞ করার নিয়ম রয়েছে। এই নবসস্যেষ্টি হল দীপাবলি।

*দীপাবলির ঐতিহাসিকতা*
বাল্মিকি-রামায়ণের অধ্যয়ন থেকে এটা স্পষ্ট যে শ্রী রাম *চৈত্র মাসে রাবণকে হত্যা করেছিলেন এবং চৈত্র মাসে অযোধ্যায় ফিরে এসেছিলেন।* সুতরাং কার্তিক মাসে *উদযাপিত দিওয়ালি রামের অযোধ্যা আগমনের সাথে কোনও সম্পর্ক নেই* । রামলীলা মঞ্চায়নের কারণে বিশ্বে এই বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়েছে। হ্যাঁ, দীপাবলি অবশ্যই একটি চিরন্তন উৎসব যা রামায়ণ আমলে পালিত হয়েছিল।

দ্রষ্টব্য: আপনার বাড়ি এবং স্থাপনায় অগ্নিহোত্র / হবন না করে আপনার দীপাবলি উৎসব অসম্পূর্ণ হয়ে যাবে।

03/10/2020

♦আজ আমরা দেখবো কন্যার ইচ্ছা ছাড়া বিবাহ দেওয়া ধর্ম নাকি অধর্ম?

★মনুসংহিতা ৯ম অধ্যায় এ বলা আছে–

ত্রীণি বর্ষাণ্যুদীক্ষেত কুমার্য্যৃতুমতী সতী।
উর্দ্ধন্তু কালাদেতস্মাদ্বিন্দেত সদৃশং পতিম্।। ৯০
অদীয়মানা ভর্ত্তারমধিগচ্ছেদযদি স্বয়ম্।
নৈনং কিঞ্চিদবাপ্নোতি ন চ যং সাধিগচ্ছতি।।৯১

অনুবাদঃ পিত্রাদিরা যদি গুণবান বরকে কন্যা সম্প্রদান না করে, তবে কন্যা ঋতুমতী হইলেও তিন বৎসর প্রতিক্ষা করিবে, পরে স্বয়ম্বরা হইবে” ।। ৯০
“পিত্রাদি কর্ত্তৃক অদীয়মানা কন্যা যদি যথাকালে ভর্ত্তাকে বরণ করে, তাহাতে কন্যায় কিছুমাত্র দোষ হয় না এবং উক্ত ভর্ত্তারও কোনো দোষ নাই” ।।৯১

অর্থাৎ এ থেকে স্পষ্ট যে প্রাপ্তবয়ষ্ক হবার পরে নারী তার নিজের জীবন সঙ্গী নিজে পছন্দ করে বেছে নিতে পারবে। যদি তার পিতা-মাতা তার জন্য যোগ্য পাত্র সন্ধানে ব্যর্থ হয় তাহলে সে নিজেই নিজের পাত্র বেছে নেবে। অথবা নারী এই মূহুর্তে বিবাহ করতে প্রস্তুত নয় তাই জন্য কিছু সময় প্রতিক্ষা করতে হবে।
তাই কন্যার জীবন সঙ্গী নির্ধারণ করবে তার পিতামাতা এই ধারণা বেদ বিরুদ্ধ। একজন প্রাপ্তবয়ষ্ক নারীর পূর্ণ অধিকার রয়েছে তার জীবনসঙ্গী বেছে নেবার। পিতামাতা বিবাহের সহায়ক ভূমিকা পালন করবে কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্তকারী নয়। মহাভারতেও আমরা দেখতে পায় পাত্রীর বিয়ের জন্য বিরাট স্বয়ংবর সভার আয়োজন করা হতো। কত শত রাজকুমাররা বিবাহের আশা নিয়ে আসতো কিন্তু কন্যা তার নিজের পছন্দের যোগ্যতাসম্পন্ন একজনকেই বেঁছে নিতো। এই থেকেও বুঝা যায় মহাভারত ও কত আধুনিক ছিলো। কন্যার ইচ্ছা ছাড়া বিবাহ দেওয়াকে অধর্ম বলে বিবেচিত হতো।
আজকাল কার পিতা-মাতাদের দেখে আমি হতাশ!!! কন্যার উচ্ছার মূল্যায়ন করে না বেশিরভাগই।

♦মনুস্মৃতিতে আরও বলা হয়েছে–

★যে বংশে ভগিনী ও গৃহস্থের স্ত্রী (নারীকূল) পুরুষদের কৃতকর্মের জন্য দুঃখিনী হয়, সেই বংশ অতি শীঘ্র ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। আর যে বংশে স্ত্রীলোকেরা সন্তুষ্ট থাকে, সেই বংশ নিশ্চিতভাবেই শ্রীবৃদ্ধি লাভ করে”। (মনুসংহিতা ৩/৫৭)

★যে বংশকে উদ্দেশ্য করে ভগিনী, পত্নী, পুত্রবধূ প্রভৃতি স্ত্রীলোকেরা অনাদৃত, অপমানিত বা বৈষম্যের শিকার হয়ে অভিশাপ দেন, সেই বংশ বিষপান করা ব্যক্তি ন্যায় ধন-পশু প্রভৃতির সাথে সর্বতোভাবে বিনাশপ্রাপ্ত হয়।” (মনুসংহিতা ৩/৫৮)

★যত্রৈতাস্তু ন পূজ্যন্তে সর্বাস্তত্রাফলাঃ ক্রিয়াঃ।। (মনুসংহিতা ৩/৫৬)
অর্থাৎ“যে সমাজে নারীদের যথাযথ শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শন করা হয় সেই সমাজ উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি লাভ করে। আর যারা নারীদের যোগ্য সম্মান করে না, তারা যতই মহৎ কর্ম করুক না কেন, তার সবই নিষ্ফল হয়ে যায়।”

নারীর ইচ্ছাকে সম্মান করতে শুখুন। নারীকে এই ব্যাপার এ অগ্রাধিকার দিন। এতেই কল্যান নিহিত আছে।

Collected

02/10/2020

#পবিত্র_বেদে_বস্ত্রশিল্প__বয়নশিল্প_ও_তন্তুুশিল্প।

বর্তমান আধুনিক গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিরর ধারনা ও তাঁতশিল্প একমাত্র পবিত্রবেদ থেকে এসেছে পৃথিবীর অন্যকোনো গ্রন্থ থেকে নয়।
এই বেদ গবেষনা করেই আর্য ঋষিরা বস্ত্র বনুন করতেন ও পরিধান করতেন যা বর্তমান আধুনিক রূপ গার্মেন্টস।

"সাধাষ্পাংসি সনতা ন উক্ষিত উষাসনাক্তা বষ্যেব রন্বিতে।
সন্তুুং ততং সম্বয়ন্তী সমীচি যজ্ঞস্য পেশঃ সুদুঘে পয়স্বতী"।।
(ঋগ্বেদ ২/৩/৬)

অনুবাদঃ হে পরমকরুনাময় ঈশ্বর,, আমাদের সকল সাধু কর্মের ফল প্রদানকারী তুমি ও তোমার পবিত্র জ্যোতিঃ। বয়ন কুশল খুব সুন্দর। রমনীরা যেমন একখানে কাজের বেলায় পরস্পরকে সহযোগী তা করে এবং আসা যাওয়া করে ঠিক তেমনি, যজ্ঞের রুপ ও বস্ত্র নির্মাণার্থে পরস্পরকে অনুকূল্য ( টাকা চালাচালি বা বিনিময়) করে বিস্তৃত তন্তুু করছি যা অত্যন্ত ফল প্রদ ও উপকারী।

"পুনঃ সমব্যদ্বিততং বয়ন্তী মধ্যা কর্তো র্ন্যধাচ্ছক্ম ধীরঃ।
উৎসংহায়াস্থাদ্ব্যুতূ রদর্ধররমতিঃ সবিতা দেব আগাৎ"।।
(ঋগ্বেদ ২/৩৮/৪)

অনুবাদঃ- বস্ত্রবয়নকারীরা অতীব জ্ঞানী। দিন রাত্রি সম্যকরুপে কাজ করেন।প্রজ্ঞাবান লোক যে কর্ম করে,, বয়নকারীরা তা করতে সক্ষম হলেও তাদের কে মধ্যস্থলে রেখে দিচ্ছে!!! বিরাম রহিত ও ঋতুর বিভাগকর্তা দ্যোতমান সুর্য যখন পুনরায় উদিত হন তখন লোক শয্যাত্যাগ করে ওঠে।

"নাহং তন্তুং ন বি জানাম্যোতুং ন যং বয়ন্তি সমরেহতমানাঃ।
কস্য স্ধিৎ পুত্র ইহ বক্ত্বানি পরো বদাত্যবরেন পিত্রা"।।
(ঋগ্বেদ ৬ /৯ ২)

অনুবাদঃ আমি তন্তুু( টানসুত্র) অথবা ওতু( পড়্যান সূত্র) জানিনা,, কিম্বা সতত চেস্টাদ্বারা যে বস্ত্র বয়ন করে তার কিছুই অবগত নই।ইহলোকে অবস্থিত পিতৃতুল্য গরুর কাছ থে শিখে বা উপদিস্ট হয়ে অন্য জগতের বক্তব্য সকল বলতে সমর্থ।

"আধীষমানায়াঃ পতিঃ শুচায়াশ্চ শুচস্য চ।
বাসোবায়োহবীনামা বাসাংসি মর্মৃজৎ"।।
(ঋগ্বেদ ১০/২৬/৬)

অনুবাদঃ গর্ভাধান গ্রহনকরার যোগ্য সুন্দরমূর্তী ছাগী এবং ছাগল,,, সকল পশুর প্রভুও তুমি। মেষলোম দ্বারা বস্ত্রবয়ন করেন এবং সেই বস্ত্রাদি ধৌতকরে পরার উপযোগী করেন।

"উভা উনুনং তদিদর্থয়েথে বি তন্বাথে ধিয়ো বস্ত্রাপসেব।
সধ্রীচীনা যাতেব প্রেমজীগঃ সুদিনেব পৃক্ষ আ তংসয়েথে"।।
(ঋগ্বেদ ১০/১০৬/১)

অনুবাদঃ হে পরমকরুনাময় ঈশ্বর, তুমি আমাদের অভিলাষ পুরন করেছো,, আমরা যে রুপ বস্ত্র সুতার পর সুতা গেঁথে গেঁথে বিস্তার করে বয়ন করি, সে রুপ আমাদের স্তব বিস্তার করে দিচ্ছ। এই যজমান ( ঈশ্বরের চাকর বা আমরা মানুষজাতী) উত্তম রূপে এই বলে স্তব করছে যে তোমরা একত্র এসো। চন্দ্র ও সূর্যের ন্যায় তোমরা খাদ্যদ্রব্যকে আলোকিত করে বসেছ।

"পুমাঁ এনং তনুতে উৎকৃনত্তি পুমান্বি তত্মে অধি নাকে অস্মিন।
ইমে ময়ুখা উপ সেদুরূ সদঃ সামানি চক্রুস্তসরান্যোতবে"।।
(ঋগ্বেদ ১০/১৩০/২)

অনুবাদঃ এক ব্যাক্তি তন্তুু বা সুতা দ্বারা বস্ত্রকে বুনন করে দীর্ঘ করছে। অপর ব্যাক্তি বিস্তারের জন্য বুনন করে প্রসারিত করছে।বস্ত্র পরিধান উপযোগী বিস্তার করা হয়েছে বা তার বেশীও বিস্তার করা হয়েছে। ঐ সকল বস্ত্র দেখতে আলোকিতময় এবং মনোরম।ঐ সকল তেজপুঞ্জ দেবতা যজ্ঞগৃহে বসেছেন। এ বস্ত্রবয়নের ব্যাপারে তসর বা বিভিন্ন রকম হয় যা পড়ার উপযোগী।

উপুর্যুক্ত আলোচনায় প্রতীয়মান হয় যে পবিত্রবেদ বর্তমান আধুনিক বস্ত্র শিল্পের উৎস।

#পবিত্র_বেদে_কৃষিবিজ্ঞান

"ক্ষেত্রস্য পতিনা বয়ং হিতে নের জয়াসমি
গামশ্বং গোয়য়িতম্বা স নো মৃলাতীদৃসে"
[ঋদ্বেদ :( ৪/৫৭/১),]

অনুবাদ: আমরা বন্ধু সদৃশ ক্ষেত্রপতির সাথে ক্ষেত্র জয় করবো। তিনি ঈশ্বর আমাদের গরু ও ঘোরাদের পুস্টি প্রদান করেন। কারন ঈশ্বর উক্ত দান করে আমাদের খাদ্য উৎপাদনে সহায়তা করেন এবং সুখী করেন।

যুনক্ত সীরা বি যুগা তনুধ্বং কৃতে যে নৌ বপতেহ বীজম।
গিরা চ শ্রূস্টিঃ সভরা অসন্নো নেদীয় ইৎসৃন্ন্যঃ পক্কমেয়াত।
(ঋগবেদ ১০/১০২/ ৩)

অনুবাদঃ লাংগল গুলি যোজনা করো। যুগগুলি বিস্তার করো(চাষ দিয়ে জমি প্রস্তুত করা) এরপর প্রস্তুত কৃত ক্ষেত্রে ফসল বীজজ বপন করো। হে ঈশ্বর আপনার কাছে আমরা এই স্তব করি যে আমাদের ফসল ভালো হোক এবং অন্ন পরিপূর্ণ হোক।ফসল যখন পক্ক হবে তখন সৃনিগুলি( কাস্তে) দ্বারা তা কর্তন করো।

উপরের বেদ মন্ন্ত্র গুলো বিশ্লেষন করলে দেখা যায় যে কিভাবে জমি প্রস্তুত করে, কিভাবে চাষ করে, কখন বীজ বপন করতে হবে, কি দিয়ে চাষ করতে হবে তা বিশ্বে একমাত্র বেদ প্রথম বর্ননা করেন। এবং বীজ বপন করে যাতে ভাল ফসল হয় তার জন্য ঈশ্বরের নিকট কি প্রাথর্না করতে হবে তা ও পবিত্র বেদ বর্ননা করে দিয়েছেন।

29/09/2020

ধর্মজ্ঞানহীন হিন্দুদের বোকা বানাতে আবারো নতুন ভিডিও নিয়ে হাজির মোহাম্মদ ইব্রাহিম!!!!

হিন্দুদের বোকা বানাতে এই মোহাম্মদ ইব্রাহিমরা একা নয় হাজারো মোহাম্মদ ইব্রাহিম এমন ভিডিও প্রচার করছে।আসুন এদের জবাব দেই।

সম্প্রতি মুসলিমরা দাবি করছে বেদে,উপনিষদে, গীতায় নাকি আল্লাহ, মোহাম্মদের কথা উল্লেখ করছে! নবী মোহাম্মদ নাকি কল্কি অবতার!!

প্রিয় মুসলিম ভাইরা,আপনাদের ধর্মমতে কুরআন এর আগের সব ধর্মগ্রন্থ আল্লাহ বাতিল করে দিয়েছেন। কিন্তু আজ আপনাদের বাতিল ধর্মগ্রন্থ নিয়ে কেনো এই টানাটানি?? কেন নিজেদের ধর্মের সত্যায়নের জন্য এতো মিথ্যাচার??

ভিডিওর শুরুতেই বলা হয় বেদে নবী মোহাম্মদের নাম নাকি নরাশংস বলে উল্লেখ করা হয়েছে!

এছাড়াও প্রতিশব্দের অপব্যবহার করে একরকম জোর করেই বিভৎস হাসি দিয়ে প্রমাণ করতে চাইলেন নবী মোহাম্মদ ই কল্কি অবতার।

আচ্ছা ধরুন,
একজনের নাম সাগর।সে ভোর ৫টায় উঠে,১০টায় স্কুলে যায়, বিকেল ৪টায় ফিরে এবং রাত ১২টায় ঘুমায়।
আবার আরেকজনের নাম অর্ণব।সেও ৫টায় উঠে,১০টায় স্কুলে যায়, বিকেল ৪টায় ফিরে এবং রাত ১২ টায় ঘুমায়।

এখন সাগর ও অর্ণব প্রতিশব্দ। তাই শুধু মাত্র কয়েকটি কাজের মিল দেখিয়েই কি আপনি দাবি করে বসবেন যে সাগর আর অর্ণব একই ব্যাক্তি??

অবশ্যই না!!!!

কিন্তু জ্ঞানপাপীরা এই দাবি করেই হিন্দুদের ধর্মান্তরিত করার ফাঁদ পাতছে!!

আসুন এদের জবাব দেই।

নরাশংস মানে মুহাম্মদ দাবি করে বেদের মন্ত্র উল্লেখ করে । কিন্তু দুঃখের বিষয় মুসলমানরা কেন সেসব বেদের মন্ত্র এবং পরিপূর্ণ অর্থ দেয় না । শুধুমাত্র যেটুকু দিয়ে অমুসলিমদের বিভ্রান্ত করা যায় সেটুকু দিয়েই খালাস । কেন রে ভাই বেদের মন্ত্র এবং অর্থ গুলো পরিপূর্ণ দিতে কি ভয় লাগে ?
মুসলামরা তো পারবে না ,তাই আমিই দিব । তার আগে মুসলমানদের অপপ্রচার গুলো দেখে নেওয়া যাক । ।
‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘
জ্ঞানপাপীদের অপপ্রচারঃ
★ নরাশংস ও মোহাম্মাদ অর্থ প্রশংসিত
★ঋগবেদে অন্তিম ঋষিকে নরাসংস
বলা
আছে-
* ১ম মন্ডল,১৩ সুক্ত,মন্ত্র নং ৩ * ১ মন্ডল ১৮ সুক্ত মন্ত্র ৯ * ১ মন্ডল, ১০৬ সুক্ত, মন্ত্র ৪ * ১ মন্ডল, ১১৬ সুক্ত, মন্ত্র ১১ * ১ মন্ডল, ১৪২ সুক্ত, মন্ত্র ৩ * ২ মন্ডল, ৩ সুক্ত, ২ মন্ত্র
* ২ মন্ডল, ৩৪ সুক্ত, ৬ মন্ত্র * ২ মন্ডল,৩৮ সুক্ত, ১০ মন্ত্র *৩ মন্ডল, ২৯ সুক্ত, ১১ মন্ত্র
* ৫ মন্ডল, ৫ সুক্ত, মন্ত্র ২ * ৭ মন্ডল, ২ সুক্ত, মন্ত্র ২ * ৯ মন্ডল, ৮৬ সুক্ত, মন্ত্র ৪২
* ১০ মন্ডল ৬৪ সুক্ত, ৩ মন্ত্র * ১০ মন্ডল, ৭০ সুক্ত, ২ মন্ত্র * ১০ মন্ডল, ৯২ সুক্ত, ১১ মন্ত্র
* ১০ মন্ডল, ১৮২ সুক্ত, মন্ত্র ২

★কল্কিকে ঈলিত বলা।( ঈলিত- প্রশংসিত, মোহাম্মাদ সা মানে ও প্রশংসতি, ঋগবেদ ১/১৩/৪, ১/১৪২/৪
‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘

আসুন আগে নরাশংস মানে জানি,

নরাশংস = সর্বশ্রেষ্ঠ প্রশংসিত যে পুরুষ । অর্থাৎ যাহার উপর আর প্রশংসার কিছুই নাই অথবা প্রশংসিত করার মত কেহ নাই । সনাতন এবং আধ্যাতিক তত্ত্বে নরাশংস মানে সর্বশ্রেষ্ঠ প্রশংসিত পুরুষ হল পরমাত্মা । পরমাত্মা অর্থাৎ সৃষ্টিকর্তার উপর প্রশংসার যোগ্য অথবা প্রশংসিত হবার মত বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডে দ্বিতীয় কেহ নাই , একমাত্র পরমাত্মা ব্যাতীত ।
‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘
এখন আমি প্রমান করব , কি কারণে নরাশংস মানে সৃষ্টিকর্তা অর্থাৎ পরমাত্মা । ।
নরাশংস শব্দের বিশ্লেষনের জন্য প্রথমে দরকার নরা শব্দের সন্ধান করা এবং “নরা” মানে কি ? আর বেদে সর্বপ্রথম নরা শব্দ কোন বেদে আছে , আপনারা কি জানেন ?
ঋকবেদের প্রথম মন্ডল সুক্ত ২ ঋক ৬ এ সর্ব প্রথম নরা শব্দটি চোখে পড়ে । যার দ্রষ্টা হলেন মধুছন্দা ঋষি ।।

চলুন দেখে নেওয়া যাক এখন উক্ত মন্ত্রে কি আছে এবং নরা মানে কি ?
ঋকবেদ ১/২/৬ ( মধুছন্দা ঋষি )
বায়বিন্দ্রশ্চ সুন্বত আ যাতমুপ নিষ্কৃতম্ ।
মক্ষ্বিত্থা ধিয়া নরা ।। ৬ ।।

পদার্থঃ বায়বিন্দ্রশ্চ (বায়ু স্বরুপ পরমাত্মা ) সুন্বত আ (সীমাহীন ব্যাপ্তি ) যাতমঃউপ ( অতীতে অনেকেই ) নিষ্কৃতম (এই তত্তে্ অবগত হয় নি ) মক্ষ্বিত্থা (মোক্ষের সন্ধান করা অথবা মোক্ষের জন্য পরমাত্মার ধ্যান করা ) ধিয়া ( বুদ্ধিমান, জ্ঞানীগণ ) নরা (পুরুষ, পরমাত্মা ) ।

অনুবাদঃ বায়ু স্বরুপ পরমাত্মার ব্যাপ্তি সীমাহীন অতীতে অজ্ঞানীগণ এই তত্ত্ব অবগত হয় নি , তাই জ্ঞানী গণ মোক্ষের জন্য পরমাত্মার ধ্যান করেন ।
( সমস্তই ভগবৎ/ পরমাত্মার সত্তায় সত্তাবান [শ্রীগীতা ৭/৮-১২] , ঈশ্বরের বিশ্বানুগতা [শ্রীগীতা ১৫/১২-১৫], [ ঋকবেদ ১/২/৪], ভক্তিমার্গের শ্রেষ্ঠতা [ শ্রীগীতা ১১/৫৪-৫৫])

ঋকবেদ ১/১৩/৩ ( অগ্নি এবং অনান্য দেবতা, কণ্বের পুত্র মেধাতিথি ঋষি )

নরাশংসমিহ প্রিয়মস্মিন যজ্ঞ উপ হ্বয়ে ।
মধুজিহ্বং হবিষ্কৃতম ।।
পদার্থঃ নরাশংসম (সর্বশ্রেষ্ঠ প্রশংসিত পুরুষ হল পরমাত্মা ) ইহ (এই ) প্রিয়ম (মঙ্গল, শুভ, ) অস্মিন ( এই ) যজ্ঞ ( নিষ্কাম কর্ম ) উপ (নিকটে , মাধ্যমে ) হ্বয়ে (আহ্বান ) মধুজিহ্বং (পবিত্র ধ্বনি ) হবিষ্কৃতম ( উৎসর্গকৃত)
অর্থঃ মঙ্গলের জন্য নিষ্কাম কর্মের মাধ্যমে সর্বশ্রেষ্ঠ প্রশংসিত পুরুষ পরমাত্মার আহ্বানে পবিত্র ধ্বনি উৎসর্গকরা হয় ।
‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘
জ্ঞানপাপীদের আর ও এক প্রকার অপপ্রচার দেখে নেওয়া যাক ।
★কল্কিকে ঈলিত বলা।( ঈলিত- প্রশংসিত, মোহাম্মাদ সা মানে ও প্রশংসতি, ঋগবেদ ১/১৩/৪, ১/১৪২/৪
‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘‘
জ্ঞানপাপীদের বলি , ঈলিত মানে প্রশংসিত নয় । ঈলিত মানে স্তুত । অগ্নির একটি নাম “ইলা” সেই নাম সুচনার্থ ঈলিত বিশেষণ প্রয়োগ হয়েছে । । ( সায়ণ )
এছাড়াও ইলা শব্দটি বিশেষ্য অর্থে পৃথিবী হয় । । আমি বুঝলাম কোন অর্থে জ্ঞানপাপীগণ , কি প্রয়োগ করে ঈলিত মানে প্রশংসিত করল ?
যেখানে সনাতন শাস্ত্র বলছে ঈলিত মানে প্রশংসিত নয় । তাই জ্ঞানপাপীরা মূর্খের মত যা বলবে তা তো বিশ্বাস করা যায় না । তাই মূর্খামির বিশ্বাস জ্ঞানপাপীদেরই থাক , ইহাতে সনাতনিদের কোন মাথা ব্যাথ্যা নাই । জ্ঞানপাপীরা যে অপপ্রচার তা তো প্রমান হয়েই যাচ্ছে ।
এখন দেখে নেওয়া যাক ঈলিত মন্ত্র যুক্ত বেদ মন্ত্র । জ্ঞানপাপীদের দাবির সাথে ঈলিত মন্ত্র যুক্ত বেদ মন্ত্র । জ্ঞানপাপীদের দাবির সাথে মিলে কি না ।

ঋকবেদ ১/১৩/৪ ( অগ্নি এবং অনান্য দেবতা, কণ্বের পুত্র মেধাতিথি ঋষি )
অগ্নে সুখতমে রথে দেবাঁ ঈল্লিত আ বহ ।
অসি হোতা মনুর্হিতঃ ।। ৪ ।।
পদার্থঃ অগ্নে (অগ্নি ) সুখতমে রথে ( দিব্য বাহন ) দেবাঁ ( শক্তি সমূহ ) ঈল্লিত (স্তুতি ) আ বহ ( আসা ) অসি ( অস্ত্র ) হোতা (নিষ্কাম কর্ম কারী, যজ্ঞকারী , ভাল কাজের উদ্যেক্তা ) মনুর্হিতঃ( মনুষ্যর উপকারে )
অর্থঃ হে ঈলিত (স্তুতিকৃত) অগ্নি , দিব্য বাহনে শক্তিসমূহ নিয়ে আস । মনুষ্যর উপকারে নিষ্কাম কর্মকারীদের ( যজ্ঞকারীদের ) অগ্নিই অস্ত্র ।
ঋকবেদ ১/১৮/৯ ( ব্রহ্মণস্পতি প্রভৃতি দেবতা । কণ্বের পুত্র মেধাতিথি ঋষি )

নরাশংস সুধৃস্টমমপশ্যং সপ্রথস্তমম ।
দিবো ন সদ্মমখসম ।।
পদার্থঃ নরাশংস (সর্বশ্রেষ্ঠ প্রশংসিত পুরুষ হল পরমাত্মা ) সুধৃস্টঃ (বিক্রমশালী ) মম ( আমি) পশ্যং (দেখেছি) সপ্রথস্তমম (আকাশের ন্যায় ) দিবো ( প্রকাশিত ) ন সদ্মমক্ষসম (সুবিখ্যাত ও প্রাপ্ততেজা, সকলের পালনকর্তা কোথায় নাই )
অর্থঃ বিক্রমশালী , আকাশের ন্যায় সর্বশ্রেষ্ঠ প্রশংসিত পুরুষ পরমাত্মাকে আমি দেখেছি । সুবিখ্যাত ও প্রাপ্ততেজা , সকলের পালনকর্তা কোথায় প্রকাশিত নয় ।

ঋকবেদ ১/১০৬/৪ ( বিশ্ব দেবগণ দেবতা , অঙ্গিরসের পুত্র কুৎস ঋষি )
নরাশংস বাজিনং বাজয়ন্নিহ ক্ষয়দ্বীরং পূষণাং সুম্নৈরীমহে ।
রথং ন দুর্গাদ্বসবঃ সুদানবো বিশ্বস্মান্নো অংহসো নিষ্পি পর্তম ।।
পদার্থঃ নরাশংস (সর্বশ্রেষ্ঠ প্রশংসিত পুরুষ হল পরমাত্মা) বাজিনং (শক্তি ) বাজয়ন্নিহ ( শক্তিসমূহ) ক্ষয়দ্বীরং ( অধর্মের ক্ষয় অথাব নষ্ট ) পূষণাং (প্রকাশিত ) সুম্নৈরীমহে (নিরপেক্ষতার সহিত ) রথং (বাহন) ন দুর্গাদ্বসবঃ (দুর্গম হতে যিনি রক্ষা করেন, রক্ষক, দুর্গার স্তুতি অথবা পরমাত্মার স্তুতি ) সুদানবো (দানশীন ) বিশ্বস্মান্নো ( সকলের পালনকর্তা ) অংহসো ( যারা ধার্মিক ) নিষ্পি ( উদ্ধার করা ) পর্তম ( পাপ থেকে )
অর্থঃ সর্বশ্রেষ্ঠ প্রশংসিত পরমাত্মার শক্তি নিরপেক্ষতার সহিত প্রকাশিত অধর্মের শক্তিসমূহকে নাশ করে । রক্ষক,দানশীলি এবং সকলের পালনকর্তা , তোমার রথ ধার্মিকদের পাপ থেকে উদ্দার করে ।

আশাকরি নরাশংস মানে কি প্রত্যক সনাতনি জানতে পেরেছেন।

এবার আসি কল্কি অবতার নিয়ে এই মূর্খ যে অপপ্রচার চালাচ্ছে সেটা নিয়ে।

@@@@@@@
জ্ঞানপাপীটা বলছে তার বাবার হবে বিষ্ণুযশ যার অর্থ
সৃষ্টিকর্তার গোলাম।অপরদিকে নবী মুহাম্মদ এর পিতার
নাম আব্দুল্লাহ শব্দের অর্থও সৃষ্টিকর্তার গোলাম!
ব্যাকরণে অতি দুর্বলতার লক্ষন হল এটি।বিষ্ণুযশ শব্দের
অর্থ "ঈশ্বরের মহিমা",সৃষ্টিকর্তার গোলাম নয়।এছাড়া
পদ্ম পুরাণ,সৃষ্টিখণ্ড (৬.২৪২.৮-১২) তে বর্ণিত আছে বিষ্ণুযশ
প্রথমে স্বয়ম্ভু মনু(প্রথম সৃষ্ট মানুষ) রুপে জন্ম গ্রহন
করেছিলেন যিনি কঠোর তপোস্যা করে ঈশ্বরের কাছ
থেকে বর(ইচ্ছা) প্রার্থনা করেছিলেন ঈশ্বর যেন তার
পুত্র রুপে আবির্ভুত হন। ঈশ্বর তাঁকে কথা দিয়েছিলেন
তিনি ৩ বার তাঁর পুত্র রুপে অবতীর্ণ হবেন। পরবর্তীতে
দশরথ রুপে স্বয়ম্ভু মনু জন্ম গ্রহন করেন এবং ঈশ্বর রাম রুপে
তাঁর ঘরে অবতীর্ণ হন তারপরে স্বয়ম্ভু মনু বাসুদেব রুপে
জন্ম গ্রহন করেন তখন ঈশ্বর শ্রীকৃষ্ণ রুপে তাঁর ঘরে
অবতীর্ণ হন এবং সর্বশেষে স্বয়ম্ভু মনু কলিযুগের শেষে
বিষ্ণুযশ রুপে জন্ম গ্রহন করবেন এবং ঈশ্বর তখন তাঁর ঘরে
অবতীর্ণ হবেন।অপরদিকে মুসলিমরা তো জন্মান্তরবাদেই
বিশ্বাসী নন!সুতরাং মুহাম্মদকে কল্কি অবতারের সাথে
মেলাতে হলে আব্দুল্লাহকেও স্বয়ম্ভু মনুর মত ই তিনবার
পুনর্জন্ম নিতে হয় যে!

জ্ঞানপাপী টা বলছে
@@@@@@@@@
কল্কি পুরান এ বলা আছে যে কল্কি জন্ম নিবেন একটি
মাসের ১২ তারিখে।অপরদিকে মোহাম্মদ (সঃ) ও ১২ ই
রবিউল আউয়াল মাসের ১২তারিখে জন্ম গ্রহন
করেছিলেন! এই দাবীটা সম্পুর্ন ভিত্তিহীন।কল্কি
পুরানেই দেখে নেই তার জন্মতারিখ द्वादश्यां शुक्ल-पक्षस्य
माधवे मासि माधवम्। जातं ददृशतुः पुत्रं पितरौ हृष्ट-मानसौ।।
(কল্কি পুরাণ ১.২.১৫,দ্বিতীয় অধ্যায় এর ১৫ নং শ্লোক)
অর্থাত্ মাধব(সংস্কৃত বৈশাখ মাসের) শুক্লপক্ষের দ্বাদশ
তারিখ তিনি জন্ম নেবেন যা ইংরেজী এপ্রিল-মে
মাসের সমান্তরাল। অপরদিকে মুসলিমদের নবী মুহম্মদ এর
জন্মতারিখ ১২ রবিউল আউয়াল কিনা তা নিয়ে কিন্তু
মুসলিম পণ্ডিতবর্গ এবং ঐতিহাসিক ব্যাক্তিরাই কিন্তু
নিশ্চিত নন।একনজরে দেখে নেব বিভিন্ন বিখ্যাত মুসলিম
বিশেষজ্ঞদের এই জন্মতারিখ নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন মত- ২
রবি আউয়াল-ইবনে আব্দ আল-বার ৫ রবিউল আউয়াল-
আমির উদ-দিন ৮ রবিউল আউয়াল-ইবনে আল কাইয়িম,ইবনে
ই হাজম,আজ জুহরি,ইবনে ই দিহ্যা ৯ রবিউল আউয়াল-
মুহাম্মদ সুলেমান মনসুরপুরি,মুবারকপুরি,শিবলি
নোমানি,মাহমুদ পাশা ফালাকি,আকবর শাহ নাজিব
আবাদি,মইন উদ্দিন আহমেদ নদভি,আব্দুল কালাম আজাদ
১০ রবিউল আউয়াল-আবুল ফিদা,আবু জাফর আল
বাকির,আল ওয়াকাদি,আল শাবি ১২ ই রবিউল আউয়াল-
তাবারি,ইবনে ই খুলদুন,ড. হামিদুল্লাহ,ইবনে ই
হিশাম,আল্লামা আবুল হাসান,আলি ইবনে মুহাম্মদ আল-
মাওয়ারদি,ইবনে ই ইসহাক ১৭ ই রবিউল আউয়াল-শিয়াদের
বিশ্বাস,তারা এও বিশ্বাস করে যে ওইদিন ছিল শুক্রবার
২২ ই রবিউল আউয়াল-ইবনে ই হাজম কর্তৃক প্রদত্ত অপর
সম্ভাব্য তারিখ ১০ ই মুহররম-আব্দুল কাদির জিলানী
অর্থাৎ উনার জন্মতারিখ নিয়ে অনেকগুলো মত
আছে,এমনকি কেউ কেউ তা রবিউল আউয়াল মাসে নয়
বরং মুহররম মাসেও বর্ণনা করেছেন!তবে এই তারিখগুলোর
মধ্যে ১২ ই রবিউল আউয়াল সবচেয়ে বেশী প্রচারিত।আর
মজার বিষয় হচ্ছে জ্যোতির্বিজ্ঞান অনুযায়ী ১২ রবিউল
আউয়াল ইংরেজি ডিসেম্বর মাসে ছিল অর্থাৎ কল্কি
অবতার এর জন্ম মাস বা তারিখ কোনটার কাছাকাছি ই
নয়!

জ্ঞানপাপীটা বলছে
@@@@@@
কল্কি অবতারের মায়ের নাম সুমতি।“সু” অর্থ শান্ত এবং
“মতি” অর্থ আত্মা বা হৃদয়। অর্থাৎ “সুমতি” শব্দের অর্থ
পরিতুষ্ট আত্মা। আরবীতে মুহম্মদ এর মাতার নাম
“আমিনা” শব্দের অর্থও শান্ত বা পরিতুষ্ট আত্মা।
(আমিনা নবী হযরত মুহাম্মদের মাতার নাম)] সু শব্দের অর্থ
শান্ত এমনটি কোথাও পাওয়া যায়না,বরং সু অর্থ
ভালো,মতি শব্দের অর্থ চিত্ত,আত্মা নয়,বেদান্ত
অনুযায়ী আত্মা আর চিত্ত এক জিনিস নয়।

সে এও দাবি করছে,

@@@@@@@@@@
পুরাণ অনুযায়ী কল্কি মাতা সুমতির ৪র্থ সন্তান রুপে ঈশ্বর
পৃথিবীতে আসবেন এর পূর্বে মাতা সুমতি কবি,প্রজ্ঞা ও
সুমন্ত্র নমে ৩ সন্তানর জন্ম দিবেন।অপরদিকে ইসলামি
ইতিহাস থেকে আমরা পাই যে মাতা আমিনা শুধুমাত্র
ইসলামের নবীকেই একমাত্র সন্তান হিসেবে জন্ম
দিয়েছিলেন।

@@@@@@@@@
কল্কি জন্মগ্রহন করবেন “সম্ভল” নামক গ্রামে।সংস্কৃত
ভাষায় ওই সম্ভল শব্দটি দিয়ে নাকি আরব অঞ্চলকে
বোঝানো হয়েছে! জানিনা এই অদ্ভুতুড়ে তথ্য এই
অতিউৎসাহীগণ কোথা হতে পেয়েছেন! তবে সম্ভল শব্দটি
দিয়ে কোন অঞ্চলকে নয় বরং কল্কির জন্ম নেয়া
গ্রামের নাম নির্দেশিত হয়েছে। আর এই গ্রামটি আরব এ
নয় বরং যমুনা ও গঙ্গার মাঝামাঝি উড়িষ্যায় অবস্থিত
যা বর্তমানে সম্ভলপুর নামে পরিচিত ।কল্কি পুরাণ
৩২.৫(৩.১৮.৫) এবং ১৩.৫(২.৬.৫) এ উল্লেখ করা হয়েছে সম্ভল
গ্রাম ফুল,বন,বাগান,হ্রদ,গাছপালাবিধৌত প্রাকৃতিক
সৌন্দর্যে ভরপুর।অনুর্বর,শুষ্ক মক্কা বা মদিনা নিশ্চয় এরুপ
নয়!অবশ্য প্রাচীন তিব্বতিয়ান শাস্ত্র Zhangzhung
অনুযায়ী এটি ভারতের পাঞ্জাবে অবস্থিত!

সে তার ভিডিওতে আরো দাবি করছে, ভারতে নাকি কোন উট নাই!!!!উট নাকি কেবল আরবেই!!

হায়তো মূর্খ ডাক্তার, ভারতের রাজস্থান যে উঠের জন্য বিখ্যাত সেটাও জানে না!!!!

পরিশেষে, আসুন নিজ ধর্মগ্রন্থ পড়ি,নিজ ধর্মকে জানি।
আপনার অজ্ঞানতা ও জ্ঞানহীনতাকে পুঁজি করেই এই সকল জ্ঞাবপাপীরা মিথ্যাচার করে।
আসুন এদের জবাব দেই।

সত্যমেব জয়তে
ওঁ তৎ সৎ

Address

Arya Samaj
Kolkata
700006

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sanatan Vedic Dharma posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Sanatan Vedic Dharma:

Share