Satsang Sammelan Official সৎসঙ্গ সম্মেলন অফিসিয়াল

  • Home
  • India
  • KOLKATA
  • Satsang Sammelan Official সৎসঙ্গ সম্মেলন অফিসিয়াল

Satsang Sammelan Official সৎসঙ্গ সম্মেলন অফিসিয়াল Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Satsang Sammelan Official সৎসঙ্গ সম্মেলন অফিসিয়াল, Religious organisation, KOLKATA.

☘️অজ্ঞানতা মানুষকে উদ্বিগ্ন করে, জ্ঞান মানুষকে শান্ত করে। অজ্ঞানতাই দুঃখের কারণ, আর জ্ঞানই আনন্দ।
তুমি যতটুকু জ্ঞানের অধিকারী হবে, ততটুকু শান্ত হবে। তোমার জ্ঞান যেমনতর, তোমার স্বচ্ছন্দে থাকবার ক্ষমতাও তেমনতর।🌸

☘️পরম পূজ্যপাদ শ্রীশ্রীআচার্য্যদেব বলছেন,💐                                    আমার কুষ্টিতে সর্প যোগ ছিল, আমি কোনদিন ভয়...
24/05/2026

☘️পরম পূজ্যপাদ শ্রীশ্রীআচার্য্যদেব বলছেন,💐
আমার কুষ্টিতে সর্প যোগ ছিল, আমি কোনদিন ভয় পাইনি, যেখানে যেতাম মাঝে মাঝেই সাপকে দেখতাম, তখন নামের মাত্রা বাড়িয়ে দিতাম। তারপর সাপটা আর দেখতে পেতাম না, একদিন ঘুম ভেঙে দেখি ঘরের মধ্যে সাপ, নামে বসে পড়লাম, কিছুখন পর সেই সাপটাকে আর দেখতে পেলাম না। ঠাকুরের কথাটা উপলব্ধি করলাম, আমাকে যে ডাকবে তার কুষ্টি ওলট-পালট করে দেব, জ্যোতিষী কি বলল ,,,কুষ্টিতে কি লেখা আছে, তা নিয়ে একদম ঘাবড়াবেন না।, সব সময় নামাময় হয়ে থাকবেন, ঠাকুরের দিকে তাকিয়ে থাকবেন, সব বাধা কেটে যাবে।
জয়গুরু।










প্রতিটা উপযোজনা কেন্দ্রে ইষ্টভৃতি অর্ঘ্য জমা দেওয়া ইন্যাক্টিভ পরিবার গুলোকে আবার এক্টিভ করিয়ে তোলা বর্তমানে এপ্রিল থেকে ...
10/05/2026

প্রতিটা উপযোজনা কেন্দ্রে ইষ্টভৃতি অর্ঘ্য জমা দেওয়া ইন্যাক্টিভ পরিবার গুলোকে আবার এক্টিভ করিয়ে তোলা বর্তমানে এপ্রিল থেকে জুলাই মাসের কাজ।

পরমপূজ্যপাদ শ্রীশ্রীঅবিন দাদা
৩৪৩তম সর্বভারতীয় সৎসঙ্গ ঋত্বিক সন্মেলন
দেওঘর, ঝাড়খণ্ড, ভারত ।
তাং-১৬/০৪/২০২৬ ইং**"প্রতিটা উপযোজনা কেন্দ্রে ইষ্টভৃতি অর্ঘ্য জমা দেওয়া ইন্যাক্টিভ পরিবার গুলোকে আবার এক্টিভ করিয়ে তোলা বর্তমানে এপ্রিল থেকে জুলাই মাসের কাজ।।

☘️পরমপূজ্যপাদ শ্রীশ্রীঅবিন দাদা🍂
















🌸শ্যামাপ্রসাদবাবু কে শ্রীশ্রীঠাকুর বললেন🍂......                                                      হিন্দু বলতে কি বুঝব...
09/05/2026

🌸শ্যামাপ্রসাদবাবু কে শ্রীশ্রীঠাকুর বললেন🍂......
হিন্দু বলতে কি বুঝবো, তার সংজ্ঞা সর্বপ্রথম সুস্পষ্ট হওয়া আবশ্যক। কোনো আচরণই করব না অথচ মুখে বলব আমরা হিন্দু, তা’ তো হয় না। অনুষ্ঠেয় আচরণ না থাকলে, ধর্ম্মের বন্ধন থাকলে কোন প্রতিষ্ঠানই শক্তিশালী হয় না। “আর দেখুন, যদি সত্যি হিন্দুর কিছু কল্যাণ সাধন করতে চান তবে বাংলার যে সব জায়গায় হিন্দু সংখ্যালঘু সেই সব জায়গায় সংখ্যাগুরু স্থান থেকে লোক এনে বসান। যদি তা' করতে পারেন তবে পরে বুঝবেন, হিন্দুর যথার্থ কল্যাণ কিছু করলেন।”

-“নিজের ভিটেমাটি ছেড়ে কেউ কি আসতে চাইবে?” শ্যামাপ্রসাদবাবু জিজ্ঞাসা করলেন।

শ্রীশ্রীঠাকুর-“যা করলে আসে তাই করা লাগে। তাদের সুখ-সুবিধার দিকে যদি নজর দেন তবে আসবে না কেন?
শ্যামাপ্রসাদবাবু কি একটু ভেবে নিয়ে, বললেন, “আমি আবার এসে এ বিষয়ে আলোচনা করব।”
শ্রীশ্রীঠাকুর-অমন গদাই লস্করী চালে চললে কিন্তু চলবে না। যদি sincere (অকপট) হন তবে imme diately (এক্ষুণি) লাগা লাগে।

শ্রীশ্রীঠাকুরের এই স্বপ্ন বাস্তবায়ন হয়নি বাংলা দু'টুকরো হয়ে পাকিস্তানে ঢুকে পরে। পরবর্তি কালে শ্রীশ্রীঠাকুর আক্ষেপের সরে বলেছিলেন;
আমি অনেক চেষ্টা করেছিলাম, আমার ইচ্ছা ছিল বিশ লাখ family of 5 members বাংলার বাইরে থেকে আনব, অনেক চেষ্টা করেছিলামও, কিন্তু ঘর পুড়িয়ে দিল, মানুষ মেরে ফেলল। আমাদের ক্ষুদ্রশক্তি নিয়ে যথাসাধ্য করেছি। প্রত্যেকটি সৎসঙ্গী কত enthusiastic হ'য়ে লেগেছিল। আমি leader -দের কতজনকেও কত আগে থেকে বলেছি কেউ কর্ণপাত করল না।
আমার ইচ্ছা ছিল, মানুষগুলি আনিয়ে পরে census (লোকগণনা) করাব। আমার মনে হয় আমাদের Hindu ideology (হিন্দু ভাবধারা) যদি ঠিকভাবে পরিবেশন করতে পারতাম, তা'হলে একটা বিরাট কাণ্ড ঘটে যেত। আমার বয়স ছেষট্টি বৎসর, মরেও যদি যেতাম তবু একটা কাজের কাজ হতো। চল্লিশজন উপযুক্ত leader (নেতা) পেলে হত। এখানে তো কয়লাখ মানুষ আছে, কিন্তু তেমন মানুষ কোথায়?

শ্রীশ্রীঠাকুরের সেই অমোঘ কথা; "যে হনন করতে আসছে, যাকে প্রতিরোধ না করলে আমি ও গণসমূহ নিশ্চিহ্ন হ'য়ে যেতে পারি, তাকে প্রতিরোধ না করা পাপ।" (১৭.৩.১৯৫৩)

শ্যামাপ্রসাদে মৃত্যু সংবাদ শুনে শ্রীশ্রীঠাকুর বড় ব্যথিত হয়েছিলেন। ১৯৫৩ সালে হিন্দু সমাজের কথা উঠতেই ঠাকুর বললেন; 'আজ মানুষ নেই দেশে। যেমনটি যাচ্ছে তেমনটি আর হ'চ্ছে না। শ্যামাপ্রসাদ গেছেন, কিন্তু তার মতন আর একজন পাওয়া যায়নি। যখন সততা তিরস্কৃত হয়, তখন দেশের দুর্দশা হয়। ২৮.৬.১৯৫৩

সূত্র .........আলোচনা প্রসঙ্গে ও মহামানব।














একটি মেয়ে এম.  এ. পাঠরতা, প্রশ্ন করল ----- নাম করতে বসি কিন্তু কিছুতেই মন লাগে না, মন দিতে পারিনা................      ...
07/05/2026

একটি মেয়ে এম. এ. পাঠরতা, প্রশ্ন করল ----- নাম করতে বসি কিন্তু কিছুতেই মন লাগে না, মন দিতে পারিনা................

আচার্য্যদেব ------ মনের ধারণা হচ্ছে প্রবাহমানতা | তাকে কোন কিছু খুঁটিনাটি বিষয়ে কখনো বেঁধে রাখতে যাবে না | আর একটা বিষয় হল কোন কাজ incomplete ( অসম্পূর্ণ) রাখবে না | যে যে কাজগুলো incomplete, আগে সেগুলো করে ফেলো | কাজ করে উঠলে কী হবে ----- তোমার নিজের মধ্যে একটা আত্মবিশ্বাস বাড়বে | তখনই মন বসবে | আর মনকে মুক্ত রাখতে হলে কি করতে হবে? মনের মধ্যে একটা প্রেমের গল্প গড়ে তুলতে হবে | প্রেম দু' প্রকার হয়, এক হয় নিজের সাথে প্রেম; তাতে সবসময় আমি চাই, আমি এইরকম চাই, আমার এটা চাই, এই ব্যবহারটা আমার চাই ----- তার সবটাই আমি কেন্দ্রিক | অর্থাৎ, নিজের সাথে প্রেম, যাকে বলে আত্মকেন্দ্রিক বাঁচা | আর, আরেকটা হল আমার থেকেও বড় যিনি, সেই বড় আমির সাথে প্রেম | মানে ঠাকুরের সাথে প্রেম | তখন মনের ভাবটা হবে তুমি যেমন চাও, আমি তেমন হব | আমার হওয়াটা হবে তোমার মত | এটা হলেই মন মুক্ত হয়ে উঠবে | জীবনটাকে দেখবার দৃষ্টিভঙ্গিটাকে এভাবে বদলাতে হয় | তাহলেই দেখবে সবকিছুর সমাধান হয়ে গেছে | কখনো কখনো মন চিরাচরিত গতানুগতিকতার মধ্যে আটকে যায় | জীবনের যে প্রকৃত শক্তি সেই কথাটা ভুলে যায় | বিষয়টা কি রকম ? ধরা যাক একজন মেথর কাজ করছে | তার কাজ হল দিনরাত মল ঘাঁটা | আবার একজন প্যাথলজিস্ট , সেও কাজ করছে মল নিয়ে | তাহলে একজন মেথর আর একজন প্যাথলজিস্ট এর মধ্যে তফাৎ কোথায়? যে মেথর তার কাজের মধ্যে রয়েছে গতানুগতিকতা | কী করে বুঝবো মেথরের কাজটা গতানুগতিকতা ? কারণ দেখো, মেথর যে কাজটা করছে সে চোখ বুজেও সেই কাজটা করে যেতে পারবে | কিন্তু প্যাথলজিস্ট যে, তার কাজের মধ্যে রয়েছে ক্রিয়েটিভিটি, উদ্ভাবনীশক্তি | সে একই কাজ প্রতিদিন করছে, কিন্তু প্রত্যেকটা কাজই তার আলাদা | তাহলে এইভাবে বিষয়টাকে বুঝে জীবনটাকে গতানুগতিকতা থেকে মুক্ত করে তুলতে হবে | ক্রিয়েটিভ বিষয়ের সাথে নিজের মনকে যুক্ত রাখবে, তাহলেই দেখবে তুমি সব পারছ | ঠিক আছে? বুঝতে পেরেছ ? ভালো থেকো |
🏵️🌻 পরম পূজ্যপাদ শ্রীশ্রীআচার্য্যদেব 🌸🍂















শ্রীশ্রীঠাকুর তাঁর ছড়ায় বললেন.........      ' মুশকিল আসান সুরে       ঘুরে বেড়ায় ফকির ওই       সব দরজায় দিচ্ছে হানা,...
04/05/2026

শ্রীশ্রীঠাকুর তাঁর ছড়ায় বললেন.........
' মুশকিল আসান সুরে
ঘুরে বেড়ায় ফকির ওই
সব দরজায় দিচ্ছে হানা,
বাঁচা বাড়ায় চললে কই ?"
বাঁচা এবং বৃদ্ধি পাওয়ার যে প্রকৃত পথ সে পথ চেনাতে পারেন একমাত্র আমাদের আদর্শ। যাঁকে উদ্দেশ্য করে আমার মন গেয়ে ওঠে --
"আমার হাত ধরে তুমি নিয়ে চলো সখা আমি যে পথ চিনি না" তাঁতে সংযুক্ত না হলে বাহ্যিক প্রতিষ্ঠা ,অর্থ, বৈভব মানুষকে প্রকৃত শান্তি এনে দিতে পারে না।
একদিন আমার (ধৃতি মঞ্জু ঘোষ )ঋত্বিক দেবতা শ্রদ্ধেয় ননীদা শ্রীশ্রীঠাকুরকে বললেন--
" আমাদের ভালো মন্দের দায়িত্ব তো আমাদের তাহলে পরম পিতার এক্ষেত্রে কি কিছুই করার নেই?"
শ্রীশ্রীঠাকুর বললেন "তুম জৈসা শ্রীরাম কো/ তুমকো তৈইসা রাম/ ডানে যাও তো ডাইন/ বাঁয়ে যাও তো বাম/।" আরো বললেন-

" মনে করো এখন বাইরে বেশ রোদ্দুর শীতকাল ।রোদে বেশ আরাম । কিন্তু তুমি যদি ঘরে থাকো এবং সেই ঘরে রোদ না ঢোকে তাহলে রোদের আরাম কি করে পাবে বলো? রোদ তো তোমাকে উত্তাপ দেবার জন্য তৈরি আছে। তুমি যদি রোদের কাছে না যাও রোদ কি করতে পারে বলো?"
পরমপিতা ও তেমনি তাঁর দয়া নিয়ে সর্বদা প্রস্তুত হয়ে আছেন যাতে আমরা ভালো হই, যাতে আমরা সুখী হই , সপরিবার সপরিবেশ আনন্দে থাকতে পারি, তা দেওয়ার জন্য ।শুধু আমরা দয়া করে তাঁর সেই দয়াটুকু গ্রহণ করলেই হয় ।
দয়া কথাটি এসেছে দয়া ধাতু থেকে। যার অর্থ রক্ষা করা এবার আমরা যদি তাকে আমাদের জীবনে রক্ষা করে না চলি তিনি কিভাবে পারবেন আমাদের দয়া করতে?সবটাই নির্ভর করে আমাদের করার উপর।
জয়গুরু বন্দে পুরুষোত্তমম্














পরমারাধ্যা জগজ্জননী শ্রীশ্রীবড়মার ৫৬তম তিরোধান তিথি পালন। ১মে, শুক্রবার,২০২৬  ১৭ই বৈশাখ ১৪৩৩। 🌸সকল সৎসঙ্গীদের হবিষ্য কৃ...
30/04/2026

পরমারাধ্যা জগজ্জননী শ্রীশ্রীবড়মার ৫৬তম তিরোধান তিথি পালন। ১মে, শুক্রবার,২০২৬ ১৭ই বৈশাখ ১৪৩৩। 🌸সকল সৎসঙ্গীদের হবিষ্য কৃত। 🏵️














আচার্য্য দেব শ্রীশ্রী দাদা ও পূজনীয়া বড় বউরানীমা    ゚
25/04/2026

আচার্য্য দেব শ্রীশ্রী দাদা ও পূজনীয়া বড় বউরানীমা












 #সংহতিবিনষ্টকরা এক_মহাপাপঠাকুরের জগতে সবকিছু একটা নিয়মের মধ্য দিয়েই চলে। আমাদের সাধনা শ্রীশ্রীঠাকুর এবং শ্রীশ্রীআচার্য্...
21/04/2026

#সংহতিবিনষ্টকরা এক_মহাপাপ
ঠাকুরের জগতে সবকিছু একটা নিয়মের মধ্য দিয়েই চলে। আমাদের সাধনা শ্রীশ্রীঠাকুর এবং শ্রীশ্রীআচার্য্যদেবের নির্দেশিত পথেই চলে। এর বাইরে অতিরিক্ত আমরা করিনা,- করলে তা বিকৃতিকে আমন্ত্রন করতে পারে ভবিষ্যতে। আমার ব্যাক্তিগত ভাব বা ধ্যানধারণা অনুযায়ী চলা,- এই ভাব অন্যের মধ্যে সঞ্চারিত করার কোন সুযোগ এখানে নেই।

ইষ্টভৃতি কাঁটায় কাঁটায় ত্রিশদিনেই গুরুগৃহে পাঠাতে হয়৷ আমার হঠাৎ ভাব হল,- আমি ত্রিশদিনে নয়,- পয়ত্রিশ দিনে ইষ্টভৃতি পাঠাব এবং বাকীদেরকেও এইভাবে পাঠাতে বলব,- তা কিন্তু হবেনা। আমি যতই ক্ষমতাধর ও প্রভাবশালী হই,- নিজের ব্যাক্তিগত ধ্যানধারণা বা ভাব প্রয়োগ করার কোন উপায় নেই।

সকাল সন্ধ্যা প্রার্থনার একটা নির্দিষ্ট মুহুর্ত আছে। সারা বিশ্বে সকল গুরুভাই ও মায়েরা প্রতি মাসে এই নির্দিষ্ট মুহুর্তেই প্রার্থনা করে থাকে।

হঠাৎ যদি আমার মনে হয় যে - আমি সেই নির্দিষ্ট মুহুর্তে প্রার্থনা না করে,- প্রতিদিন সকাল সাতটায় প্রার্থনা করব এবং আশেপাশে সব্বাইকে এই সময়েই প্রার্থনা করতে অনুপ্রাণিত করব,- তাহলে কিন্তু আমি তা পারব না। আচার্য্যদেবের নির্দিষ্ট করে দেওয়া মুহুর্তেই আমাকে এবং সব্বাইকে প্রার্থনা করতে হবে।

প্রার্থনার সুর কেমন হবে, কোন ক্রমানুসারে হবে, কতটুকু সময় ধরে করতে হবে তা এক্কেবারে নির্দিষ্ট করা আছে। গুরুবন্দনার পর পরই আমরা " জয় রাধে" কীর্তন করি। সারা পৃথিবীতে একই রকমে প্রার্থনা করা হয়।

আমার যদি হঠাৎ ভাব হয় যে,- আমি " জয় রাধে" কীর্তনটা আগে করে গুরু বন্দনাটা সবার শেষে করব,- তা কিন্তু হবেনা। অথবা,- আমার মনে হল রোজ প্রার্থনার পর অমর সংগীত গাব,- তা আমি গাইতেই পারি সময় থাকলে। কিন্তু তাই বলে আমি অন্যান্য গুরুভাই ও মায়েদের এই কথা বলতে পারিনা যে,- তোমরাও প্রার্থনার পর রোজ অমর সংগীত গাইবে। এই অধিকার আমার নেই।

সৎসঙ্গ কতক্ষন হবে, সৎসঙ্গের অনুষ্ঠান কোন ক্রমানুসারে হবে- সবকিছু নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে হয়। আমরা সবাই এই নিয়ম মেনেই চলি।

আমার হয়ত দেড় ঘন্টা নয়,- তিন ঘন্টা সৎসঙ্গ করতে ভাল লাগে। আমার ভাল লাগে বলেই আমি তা করতে পারব না,- এবং অন্যকেও এইরকম করার জন্য কখনো বলতে পারব না। করলে তা অপরাধ হবে,- তা সৎসঙ্গের সংহতি ভাঙ্গনের কারন হবে।

দীক্ষার সময় শ্রীশ্রীঠাকুরের চক্রফটো সামনে রেখে ধ্যান করার বিধি শেখানো হয়। এই বিধান শ্রীশ্রীঠাকুরেরই বলে দেওয়া।

হঠাৎ আমার মনে হল,- আমি শ্রীশ্রীঠাকুরের চক্রফটো নয়,- শ্রীশ্রীআচার্য্যদেবের ফটো সামনে রেখে ধ্যান করার কথা দীক্ষার্থীদের শেখাব,- তা কিন্তু সম্ভব নয়। যদি তা করি,- তবে তা মহাপাতকের কাজ হবে।

তেমনি,- আসনে শ্রীশ্রীঠাকুরের কোন বয়সের, কোন ভঙ্গীতে বসা প্রতিকৃতি রেখে পূজা করব,- তাও নির্দিষ্ট করা আছে। আমি চাইলেই শ্রীশ্রীঠাকুরের যেকোনো বয়সের যেকোন ফটো আসনে রাখার কথা অন্যান্যদের বলতে পারিনা। এটা সৎসঙ্গের প্রথা নয়।

আমার শ্রীশ্রীঠাকুরের একুশ বছরের বয়সের ছবিটা খুব ভাল লাগে,- তাই বলে এই ছবিটা বসিয়ে সৎসঙ্গ করার কথা সবার মধ্যে চাড়িয়ে দিতে পারিনা৷ আমার ভাল লাগে বলেই আমি নিয়ম ও প্রথার বাইরে গিয়ে কিছু করতে পারিনা। আমার ব্যাক্তিগত ভাব অনুযায়ী চললেই তা ব্যত্যয় ডেকে আনবে। একটা সামান্য ব্যত্যয় ভবিষ্যতে আরো অনেক বড় বিকৃতিকে আমন্ত্রন জানাতে পারে।

মোদ্দাকথা,- সৎসঙ্গের মূল মন্ত্র হল,-" এক আদেশে চলে যারা, তাদের নিয়েই সমাজ গড়া। "

এই " এক আদেশ" আমরা বিনা প্রশ্নে মাথা পেতে পালন করি বলেই,- আজ সৎসঙ্গের এই ব্যাপ্তি, এত সংহতি লক্ষ করা যায়।

এই " এক আদেশ" টা কার আদেশ? অবশ্যই শ্রীশ্রীঠাকুরের আদেশ, শ্রীশ্রীআচার্য্যদেবের আদেশ অথবা শ্রীশ্রীঠাকুরের ফিলানথ্রপী থেকে প্রকাশিত নির্দিষ্ট কোন করনীয় আদেশ।

এই আদেশ হুবুহ পালন করাটাই আমাদের একমাত্র ধর্ম নয়কি? এই আদেশের অতিরিক্ত কিছু করাটা কি অনুচিত নয়?

শ্রীশ্রীঠাকুর একবার এক ভক্তকে এক গ্লাস পানীয় জল আনতে বললেন। সেই ভক্তদাদা ভাবলেন,-" যা গরম পড়েছে!! জল নয়,- শ্রীশ্রীঠাকুরের জন্য এক গ্লাস লেবু সরবত নিয়ে যাই৷ তাতে ঠাকুর খুব খুশী হবেন। "

সেই ভাব অনুযায়ী দাদাটি শ্রীশ্রীঠাকুরের জন্য এক গ্লাস লেবু সরবত নিয়ে গেলেন। কিন্তু,- শ্রীশ্রীঠাকুর তার এই আচরনে অত্যন্ত বিরক্ত হলেন। বললেন,-" আমি যা বলি এর অতিরিক্ত কিছু নিজের বুদ্ধি লাগিয়ে করতে যেও না। "

শ্রীশ্রীবড়দা একবার এক দাদাকে দশ আনার মুড়ি আনতে বললেন,- সামনে বসে থাকা কুকুরগুলির জন্য। সেই দাদা ভাবলেন,- " শুধু দশ আনার মুড়ি নেব? বিশ আনার মুড়ি নিয়ে যাই। " এই ভেবে তিনি বিশ আনার মুড়ি নিয়ে আসলেন।

শ্রীশ্রীবড়দা তা দেখে অত্যন্ত বিরক্ত হলেন। বললেন-" আমি রোজ কুকুরগুলোকে দশ আনার মুড়ি খাওয়াই। তুই যে আজকে তাদের বিশ আনার মুড়ি খাওয়ালি,- তাতে তাদের লোভ বেড়ে গেল। কাল থেকে তারা বিশ আনার মুড়ির আশা করবে? আমি দশ আনার মুড়ি দিলে আমার উপর ক্রুদ্ধ হবে। "
ভক্ত দাদাটি নিজের বুদ্ধি ও ভাব প্রয়োগ করে শ্রীশ্রীবড়দার আদেশ পালন করতে গিয়ে তাঁর বিরক্তির কারন হলেন।

শ্রীশ্রীআচার্য্যদেব একজন দাদাকে দায়ীত্ব দিয়েছেন, - রোজ সন্ধায় উনার সামনের বক্সের প্রনামীগুলি তুলে রাখার জন্য। দাদাটি ভক্তির আতিশয্যে শুধু প্রনামীগুলি তুলে রেখে ক্ষান্ত হননি। তিনি সেগুলো ভাল করে গুনে একদম গুছিয়ে সুন্দর করে রেখে দিলেন।

আচার্য্যদেব তা জানতে পেরে দাদাটির উপর ক্ষুব্ধ হলেন। বললেন,-" আমি তোকে প্রনামীগুলি তুলে রাখতে বলেছি,- গুনে গুছিয়ে রাখতে বলিনি। আমি প্রতিদিন সন্ধায় কয়েকজন মা'কে এই প্রনামীগুলি গুনে গুছিয়ে রাখার কাজ দেই৷ আজ তাদের কি কাজ দেব? কাজ না পেয়ে তাদের মন খারাপ হবে। "

তাই ভাবের আতিশয্য দেখানোর কোন সুযোগ এখানে নেই। নিজের মনগড়া ভাব অন্যের উপর চাড়িয়ে দেওয়া অপরাধ।

"খামখেয়ালি ভাবে যা-ইচ্ছে করলে, যেমন-তেমন ভাবে করলে, বিশেষ করে সমষ্টিগত ভাবে যখন আমরা তাঁকে নিয়ে চলি, তখন কিন্তু খেয়াল-খুশি মতো চললে তা ব্যত্যয় ডেকে আনে। খামখেয়ালে চলার কোন অধিকার আমাদের নেই। নিজেদের মনগড়া রকমের সাধন-ভজন করা, যা ইচ্ছে করা, বা সেই করাতে অন্যকে সামিল করা, অন্যকে উদ্বুদ্ধ করার কোন অধিকার আমাদের নেই। যারা এমন করেন, যারা মানুষকে বিভ্রান্ত করেন নিজেদের মনগড়া রকমে চলার জন্য, তাদের বিভ্রান্তির মায়াজালে কেউ জড়িয়ে পড়বেন না।

প্রত্যেকটা করার পিছনে একটা তাৎপর্য রয়েছে, প্রত্যেকটা কাজেরই তাৎপর্য রয়েছে। সেই তাৎপর্য অনুযায়ী চলতে হয়, সেই ভাব অনুযায়ী চলতে হয়। ভাবের স্খলন হলে তখন কিন্তু প্রাপ্তির ভাঁড়ার শূন্য থেকে যায়। কিছুই পাওয়া হয় না। কেন না ভাবটাই তো নেই, ভাবহারা রকমে চললে কিছু হয় না।" ( সূত্র: আলোচনা'
জানুয়ারি ২০২২,পৃষ্ঠা : ৬৫২ এবং ৬৫৩)

সৎসঙ্গ কোন বারোয়ারী বিষয় নয়,- যে যেভাবে খুশী নিয়ম বানাতে লাগল। আচার্য্যদেব যে নির্দেশ দেন,- ফিলানথ্রপী থেকে সমগ্র সৎসঙ্গীদের উদ্দেশ্যে যে অফিসিয়াল বার্তা দেওয়া হয়,- হুবুহু তা পালন করাই আমাদের সকলের কর্তব্য।

যত বড় প্রভাবশালী লোকই হোকনা কেন,- যত ভারী দলই হোকনা কেন,- নিজেদের ভাব অন্যের উপর চাপিয়ে দেওয়ার প্রচেষ্টা ভাল নয়। তা নিজেদের সংহতি ভাঙ্গনের কারন হয়ে দাড়াতে পারে। আর,- সংহতি নষ্ট করা মহাপাপ।















অভাব তখনই প্রবল হ'য়ে দাঁড়ায় মানুষের কাছে যখন সে আর অপরের জন্য কিছু করে না। করার ক্ষেত্র যখন বিস্তৃত না হ'য়ে সঙ্কুচিত হ'য়...
19/04/2026

অভাব তখনই প্রবল হ'য়ে দাঁড়ায় মানুষের কাছে যখন সে আর অপরের জন্য কিছু করে না। করার ক্ষেত্র যখন বিস্তৃত না হ'য়ে সঙ্কুচিত হ'য়ে পড়ে তখনই ঐ অবস্থা হয়।

🌸 শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র।🌻
(দীপরক্ষী, প্রথম খণ্ড )















Address

Kolkata

Telephone

+917318669338

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Satsang Sammelan Official সৎসঙ্গ সম্মেলন অফিসিয়াল posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share