Halisahar Ramprasad Vita : Kalimandir

Halisahar Ramprasad Vita : Kalimandir Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Halisahar Ramprasad Vita : Kalimandir, Hindu temple, Ramprasadh Kali Mandir, Halisahar, Kolkata, West Bengal 743134, Kanchrapara.

❤️🌺🌼 #শুভ_শারদীয়া 🌼🌺❤️জগজ্জননী মা সকলকে ভালো রাখুন । সুস্থ রাখুন ।খারাপ সময় শীঘ্রই দূর হোক .......🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏Halis...
22/10/2020

❤️🌺🌼 #শুভ_শারদীয়া 🌼🌺❤️
জগজ্জননী মা সকলকে ভালো রাখুন । সুস্থ রাখুন ।
খারাপ সময় শীঘ্রই দূর হোক .......
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
Halisahar Ramprasad Vita : Kalimandir

11/08/2020

"শিব রূপে ধরো শিঙ্গা, কৃষ্ণ রূপে বাজাও বাঁশী,
রাম রূপে ধরো ধনু, কালী রূপে করে অসি।
মন কর না দ্বেষাদ্বেষি।"
(সাধক রামপ্রসাদ)

🌺🙏🌺🙏🌺🙏 জয় মা 🌺🙏🌺🙏🌺🙏
26/06/2020

🌺🙏🌺🙏🌺🙏 জয় মা 🌺🙏🌺🙏🌺🙏

"জান না রে মন, পরম কারণ, শ্যামা শুধু মেয়ে নয়।
সে যে মেঘের বরণ করিয়ে ধারণ,
কখন কখন পুরুষ হয়।।
কভু বাঁধে ধড়া, কভু বাঁধে চূড়া,
ময়ূরপুচ্ছ শোভিত তায়।
কখন পার্বতী, কখন শ্রীমতী,
কখন রামের জানকী হয়।।
হয়ে এলোকেশী, করে লয়ে অসি,
দানবচয়ে করে সভয়।
কভু ব্রজপুরে আসি, বাজাইয়ে বাঁশী,
ব্রজবাসীর মন হরিয়ে লয়।।
যে রূপ যে জন, করয়ে ভজন,
সেই রূপ তাঁর মানসে রয়।
কমলাকান্তের হৃদি-সরোবরে,
কমল-মাঝারে করে উদয়।
পদকর্তা :- সাধক কমলাকান্ত ভট্টাচার্য
ছবি সৌজণ্য : আকাশজোতি দে
==================================

26/06/2020

গুরুপূর্ণিমার উপলক্ষ্যে কালী কল্পতরু- kali kalpataru ফেসবুক পেজের বিশেষ নিবেদন,,,,,,,
#তস্মৈ_শ্রীগুরবে_নমঃ।।
=================
সাধক কবি রামপ্রসাদ সেন এর একদিন মন্দিরে বসে মায়ের পুজো করার সময় হঠাৎই ইচ্ছা হল মায়ের রাঙাচরণে পদ্মফুল অর্পণ করার। পুষ্পপাত্রে ফুল থাকলেও পদ্মফুল ছিল না। তিনি অস্থির হয়ে কাঁদতে কাঁদতে বলেছিলেন, ' মা - মা, তুই সত্য, তুই সর্বনিয়ন্তা, তোর ভিতরেই না জগৎ বিধৃত হয়ে আছে, তুই আমার বাসনা পূর্ণ করে দেন মা, তোর রাঙাচরণে পদ্মফুল অঞ্জলি দেবার জন্য আমার প্রাণ যে বড়ই ব্যাকুল মা।' অবিরাম কেঁদে চলেছেন প্রসাদ। এমন সময় তাঁর মনের ভেতর থেকে কে যেন বলে উঠল
প্রসাদ, তুমি একটা কাজ করো। ওই যে বাড়ির কোণেতে ওই গাছটি দেখছ, ওখানে গেলেই তুমি পদ্মফুল পাবে। সেটি ছিল গাব গাছ। রামপ্রসাদ সেই গাছে উঠে অবাক হয়ে দেখলেন থরে থরে পদ্মফুল ফুটে আছে। তিনি মনের সুখে সেই ফুল সংগ্রহ করে এনে মায়ের চরণে পুষ্পাঞ্জলি দিয়ে তৃপ্ত হলেন। সঙ্গে গান করলেন ,,,,,,
"মুক্ত কর মা মুক্ত কর মা - মুক্তকেশী।
ভবে যন্ত্রণা পাই দিবানিশি।।"

কলকাতা শহরের ২৫ মাইল উত্তরে হুগলি নদীর তীরে অবস্থিত হালিশহর গ্রামে (বর্তমানে শহর) এক তান্ত্রিক বৈদ্য পরিবারে রামপ্রসাদ সেনের জন্ম।তাঁর জন্মের প্রকৃত তারিখটি জানা যায় না। তবে বিভিন্ন তথ্যপ্রমাণ বিশ্লেষণ করে অনুমিত হয় যে, তাঁর জন্ম হয়েছিল ১৭১৮ অথবা ১৭২৩ সালে।রামপ্রসাদের পিতা রামরাম সেন ছিলেন একজন আয়ুর্বৈদিক চিকিৎসক ও সংস্কৃত পণ্ডিত। রামপ্রসাদের মা সিদ্ধেশ্বরী দেবী ছিলেন রামরাম সেনের দ্বিতীয়া পত্নী।সেকালের রীতি অনুযায়ী, বাল্যকালে রামপ্রসাদকে একটি সংস্কৃত টোলে শিক্ষালাভের জন্য প্রেরণ করা হয়। সেখানে তিনি সংস্কৃত ব্যাকরণ, সাহিত্য, ফারসি ও হিন্দি ভাষা শিক্ষা করেন। ছেলেবেলা থেকেই কাব্যরচনা ও নতুন নতুন ভাষাশিক্ষায় তাঁর আগ্রহ ছিল প্রবল।
রামরাম সেন চেয়েছিলেন যে, তাঁর পুত্রও পারিবারিক চিকিৎসক বৃত্তি গ্রহণ করুক। কিন্তু রামপ্রসাদের সেদিকে আগ্রহ ছিল না। বরং আধ্যাত্মিক জীবনযাপনেই তিনি অধিকতর সুখী ছিলেন। এতে উদ্বিগ্ন হয়ে তাঁর পরিবারবর্গ সর্বাণী নামে এক বালিকার সঙ্গে বাইশ বছর বয়সী রামপ্রসাদের বিবাহ দেন।বিবাহের পর পারিবারিক প্রথানুযায়ী নবদম্পতি কুলগুরু মাধবাচার্যের নিকট দীক্ষা গ্রহণ করেন। কথিত আছে, দীক্ষাগ্রহণকালে গুরু তাঁর কানে মন্ত্রপ্রদান করলে তিনি দেবী কালীর অনুরক্ত হয়ে পড়েন। এক বছর পর তাঁর গুরুর মৃত্যু হয়।এরপর রামপ্রসাদ তান্ত্রিক যোগী ও পণ্ডিত কৃষ্ণানন্দ আগমবাগীশের শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন। কৃষ্ণানন্দ আগমবাগীশ ছিলেন বঙ্গদেশে কালী আরাধনার প্রবর্তক এবং সুপ্রসিদ্ধ শাক্ত তন্ত্রগ্রন্থ তন্ত্রসারের রচয়িতা। আগমবাগীশ রামপ্রসাদকে তন্ত্রসাধনা ও কালীপূজার পদ্ধতি শিক্ষা দেন।

রামপ্রসাদের পিতামাতা তাঁকে উপার্জনক্ষম করে তুলতে চাইলেও, রামপ্রসাদ অধিকাংশ সময়ই সাধনায় অতিবাহিত করতেন। এমতাবস্থায় রামরাম সেনের মৃত্যু হলে দারিদ্র্যের বশবর্তী হয়ে রামপ্রসাদকে বিষয়কর্মে প্রবৃত্ত হতে হয়। কলকাতায় এসে দুর্গাচরণ মিত্র নামে এক ধনীর কাছারিতে মাসিক ত্রিশ টাকা বেতনে কেরানির কাজ শুরু করেন তিনি।
কিন্তু রামপ্রসাদ এর সেই কাজে মন থাকে না তাই হিসেবে বার বার ভুল হয়
কথিত আছে, কাছারির হিসাবের খাতায় সদ্যরচিত শ্যামাসঙ্গীত লিখতে শুরু করলে, অন্যান্য কর্মচারীরা তাঁদের মালিকের নিকট রামপ্রসাদের বিরুদ্ধে নালিশ জানান।কিন্তু দুর্গাচরণ মিত্র গানগুলি পড়ে রামপ্রসাদের কবিত্বশক্তিতে মুগ্ধ হয়ে যান। তিনি কবিকে কেরানির কাজ থেকে অব্যহতি দিয়ে স্বগ্রামে প্রেরণ করেন এবং তাঁর মাসিক ভাতার ব্যবস্থা করেন।

গ্রামে ফিরে রামপ্রসাদ কঠোর সাধনায় মগ্ন হন। জানা যায়, এই সময় তিনি আকণ্ঠ গঙ্গাজলে নিমজ্জিত অবস্থায় শ্যামাসঙ্গীত গাইতেন।তান্ত্রিক প্রথা অনুযায়ী, তন্ত্রসাধনার আদর্শ পবিত্র এক পঞ্চবটীর (বট, বেল, আমলকি, অশোক ও অশ্বত্থ গাছের সম্মিলিত রূপ) তলায় পঞ্চমুণ্ডীর আসনে (সাপ, ব্যাঙ, খরগোশ, শৃগাল ও মানুষের করোটীর দ্বারা সৃষ্ট আসন) বসে তিনি ধ্যান ও সাধনা করতেন। লোকবিশ্বাস অনুযায়ী, দেবী কালী আদ্যাশক্তি মহামায়া রূপে তাঁকে দর্শন দিয়েছিল ।।

মাতৃসাধক রামপ্রসাদ কোনও এক সময়ে বাগহাটির জঙ্গল ধরে ত্রিবেনীর ফেরিঘাটে ফিরছিলেন।
এমন সময়ে রঘু ডাকাতের লোকজন এসে তাকে নরবলি দেবে বলে ধরে নিয়ে এসে জঙ্গলে বেঁধে রাখে।
রঘু ডাকাত ও তার দলবল দিনের বেলা ক্ষেতমজুরের কাজ করত ও রাতের বেলা এলাকার ধনী ও প্রভাবশালী ব্যক্তির বাড়িতে ডাকাতি করে বেড়াত।
ডাকাত দল জঙ্গলের ভিতর দিয়ে কোন কাউকে আসতে দেখলেই তাকে ধরে গাছে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখত, এরপর ঢাকঢোল বাজিয়ে মায়ের কাছে তার বলি দিত।
মায়ের কাছে নিবেদন করা ল্যাটা মাছ পোড়া প্রসাদ খেয়ে ডাকাতির উদ্দেশ্যে বেরোত।
রাতে সাধক রামপ্রসাদকে বলি দেওয়ার সমস্ত রকম প্রস্তুতি সারতে থাকেন রঘুডাকাত ও তার দলবল।
বলি দেওয়ার ঠিক আগের মুহূর্তে রামপ্রসাদ রঘু ডাকাত কে বলেন তোরা তো আমায় মেরেই ফেলবি তাই মরার আগে মাকে আমি একটি গান শুনাতে চাই। পেশায় নিষ্ঠুর ডাকাত হলেও রঘু ডাকাত ছিলেন একজন কালী সাধক, মায়ের ভক্ত রঘু গান শোনানোর অনুমতি দিলে রামপ্রসাদ গান শুরু করলেন
"তিলেক দাঁড়া ওরে শমন
বদন ভরে মা কে ডাকি
আমার বিপদ কালে ব্রহ্মময়ী
আসেন কি না আসেন দেখি"
কথিত আছে রামপ্রসাদের গান শুনতে শুনতে রঘু হাড়িকাঠে রামপ্রসাদের পরিবর্তে কালী মাতা কে দেখতে পান।
তারপরেই রঘু ডাকাত নিজের ভুল বুঝতে পেরে বলি বন্ধ করে রামপ্রসাদের সেবার ব্যাবস্থা করেন, এবং পরের দিন রামপ্রসাদকে বাড়িতে পৌছে দিয়ে আসেন ।।

নদিয়ার মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র রায় রামপ্রসাদের গান শুনে মুগ্ধ হন। তিনি নিজেও ছিলেন কালীভক্ত। তাই রামপ্রসাদকে তিনি সভাকবির মর্যাদা দেন।রামপ্রসাদ অবশ্য মহারাজের রাজসভায় বিশেষ আসতেন না। তিনি তন্ত্রসাধনা ও কালীপূজাতেই অধিকাংশ সময় অতিবাহিত করতেন।কৃষ্ণচন্দ্র তাঁকে ১০০ একর (০.৪০ বর্গকিলোমিটার, ০.১৬ বর্গমাইল) নিষ্কর জমি প্রদান করেন। এর প্রতিদানে রামপ্রসাদ তাঁর বিদ্যাসুন্দর কাব্য কৃষ্ণচন্দ্রকে উৎসর্গ করেন।মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র রামপ্রসাদকে "কবিরঞ্জন "উপাধিও প্রদান করেছিলেন।
মহারাজের অন্তিম সময়ে কবিরঞ্জন রামপ্রসাদ তাঁর পাশে থেকে তাঁকে কালীর নামগান শুনিয়েছিলেন।
শোনা যায়, নবাব সিরাজদ্দৌলা ও সুফি সন্তেরাও রামপ্রসাদের আধ্যাত্মিক সংগীতে মুগ্ধ হন। নবাবের অনুরোধে রামপ্রসাদ একবার তাঁর সভাতেও গিয়েছিলেন বলে কথিত আছে।

রামপ্রসাদকে নিয়ে একটি জনপ্রিয় কিংবদন্তি হল বারাণসী যাত্রাকালে রামপ্রসাদের দেবী অন্নপূর্ণার দর্শন লাভ। একবার তিনি গঙ্গাস্নান সেরে নিত্যপূজার কাজে চলেছেন, এমন সময় একটি সুন্দরী মেয়ে তাঁর কাছে গান শোনার আবদার ধরে। পূজার দেরি হয়ে যাচ্ছে দেখে রামপ্রসাদ মেয়েটিকে একটু অপেক্ষা করতে বলেন। কিন্তু পরে ফিরে এসে তাকে আর দেখতে পান না।পরে তিনি ধ্যানে এক দিব্যজ্যোতি দর্শন করেন এবং দেবীর কণ্ঠস্বর শোনেন,
"আমি অন্নপূর্ণা,
আমি বারাণসী থেকে তোমার গান শুনতে এসেছিলাম। কিন্তু হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছি।"

রামপ্রসাদ নিজের উপর ক্রুদ্ধ হন। তখনই দেবী অন্নপূর্ণাকে গান শোনাবার মানসে কাশীধামের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। কিন্তু ত্রিবেণী সংগমে এসে তাঁর পুনরায় দিব্যজ্যোতি দর্শন হয়। দেবীর কণ্ঠে তিনি শুনতে পান,
"এখানেই আমাকে গান শোনাও। বারাণসীই আমার একমাত্র নিবাস নয়, আমি সমগ্র জগৎ চরাচরে অবস্থান করি।"

বাংলার ঘরে ঘরে রামপ্রসাদ-সম্পর্কিত নানান কিংবদন্তি প্রচলিত আছে।এগুলির মধ্যে রামপ্রসাদের বেড়া বাঁধার গল্পটি সবচেয়ে জনপ্রিয়। এই কাহিনি অনুসারে,

একবার প্রবল দুর্যোগে গ্রামবাসী রা গৃহহারা হয়ে আশ্রয় নিয়েছিলেন প্রসাদের ভিটেতে। মায়ের করুণায় দুর্যোগের হাত থেকে সম্পূর্ণ রক্ষা পেয়েছিল প্রসাদের ভিটা বাড়িটি।
দুর্যোগ কেটে যাওয়ার পর প্রসাদ দেখলেন, মানুষের ভিড়ে তাঁর ভিটার বেড়াটি সম্পূর্ণ ভেঙে গেছে। তিনি কন্যা জগদীশ্বরীকে নিয়ে বেড়া বাঁধার কাজে হাত দিলেন। অল্পক্ষণের মধ্যেই বাবা ও মেয়ে মিলে বেড়ার কাজ অনেকটাই এগিয়ে ফেলেন। প্রসাদ দুপুরের খাবার খেয়েই বেড়া বাঁধার কাজে হাত দিয়েছিলেন কিন্তু তখনও জগদীশ্বরীর খাওয়া হয়নি। মায়ের ডাকে জগদীশ্বরী বাবাকে কিছু না বলেই ভাত খেতে চলে গেলেন। কন্যা যে খেতে গেছে তার বিন্দুবিসর্গও প্রসাদ জানতে পারলেন না। তিনি আপন মনে গান গাইতে গাইতে বেড়ার ফাঁক দিয়ে দড়ি গলিয়ে দিতে লাগলেন এবং জগদীশ্বরীর মতোই কেউ ওপ্রান্ত থেকে সেই দড়ি ফিরিয়ে দিচ্ছিলেন সাধকপ্রবরকে।
বেশ কিছুক্ষণ বাদে আহার শেষ করে কন্যা ফিরে এসে দেখলেন বেড়া বাঁধার কাজ প্রায় শেষ হয়ে এসেছে। তিনি অবাক হয়ে বাবার কাছে জানতে চাইলেন, এতখানি বেড়া তুমি একা কী করে বাঁধলে বাবা ! প্রসাদ চমকে উঠে বললেন, কেন মা ! তুমি তো আমার সঙ্গেই ছিলে। তাহলে আমি একলা কোথায় ?
জগদীশ্বরী বললেন, না বাবা, আমি তো এতক্ষণ এখানে ছিলাম না। আমি ভাত খেতে ঘরে গিয়েছিলাম। কন্যার কথা শুনে, হায় হায় করে উঠলেন রামপ্রসাদ। তিনি মায়ের কারসাজির কথা বুঝতে পেরে বললেন, ' বেটি এতক্ষণ কাছে বসে থেকে গান শুনতে শুনতে সমস্ত কাজ করে গেলেন, একবারও সাড়া দিলেন না। মা হয়ে এ কী ছলনা তিনি আমার সঙ্গে করলেন।' তারপর তিনি গাইলেন এই গানটি ---
" মন কেন মায়ের চরণ ছাড়া।
ও মন ভাব শক্তি, পাবে মুক্তি, বাঁধ দিয়ে ভক্তি-দড়া,
সময় থাকিতে না দেখলে মন, ছি ছি রে তোর কপাল পোড়া।
মা ভক্তে ছলিতে তনয়া রূপেতে, বাঁধেন আসি ঘরের বেড়া।
মায়ে যত ভালবাসে, বুঝা যাবে মৃত্যু-শেষে,
মোলে দু'চার দণ্ড কান্নাকাটি, শেষে দেবে গোবর ছড়া।। ..."

শেষ জীবনে রামপ্রসাদের দেখাশোনা করতেন তাঁর পুত্র রামদুলাল ও পুত্রবধূ ভগবতী। রামপ্রসাদের মৃত্যু নিয়ে একটি কিংবদন্তি প্রচলিত আছে। রামপ্রসাদ প্রতি বছর দীপান্বিতা অমাবস্যায় কালীপূজা করতেন।
একবার সারারাত পূজা ও গানের পর ভোরে জগদীশ্বরী আদেশ পেলেন,
প্রসাদ ,তোর ভবলীলা সাঙ্গ হয়েছে ফিরে আয়, কাল এই কালী প্রতিমা বিসর্জন দিবি ।।
কালীপ্রতিমা মাথায় করে নিয়ে বিসর্জনের পথে বের হন রামপ্রসাদ। ভক্তগণ তাঁর পিছন পিছন বিসর্জন শোভাযাত্রায় অংশ নেন। স্বরচিত শ্যামাসঙ্গীত
"ডুব দে রে মন কালী বলে",,,,,,

গাইতে গাইতে গঙ্গার জলে প্রতিমা বিসর্জনার্থে অবগাহন করেন রামপ্রসাদ। প্রতিমা বিসর্জনের সঙ্গে সঙ্গেই তাঁর প্রাণ বহির্গত হয়। মনে করা হয়, এটি ১৭৭৫ সাল।
অষ্টাদশ শতাব্দীর বাংলার ভক্তি আন্দোলনের অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব হলেন রামপ্রসাদ সেন।তিনিই বাংলায় ভক্তিবাদী শাক্তধর্ম ও দেবী কালীর লীলাকীর্তন শ্যামাসংগীতের ধারাটিকে জনপ্রিয় করে তোলেন। রামপ্রসাদ সেনই প্রথম কবি যিনি এই প্রকার গভীর ভক্তিসহকারে দেবী কালীর লীলাকীর্তন গান রচনা করেন। তাঁর গানেই প্রথম কালীকে স্নেহময়ী মাতা এমনকি ছোটো মেয়ের রূপেও দেখা যায়। তাঁর পরে একাধিক শাক্ত কবি এই কালীভক্তি প্রথাটিকে উজ্জীবিত করে রাখেন।।

তৎকালীন বাংলায় ছিয়াত্তরের মন্বন্তর, আর্থিক দুরবস্থা ও গ্রামীণ সংস্কৃতির অবক্ষয়ের প্রেক্ষাপটে এই কালীভক্তি আন্দোলনের উদ্ভব হয়। তাঁর গানেও এই সকল ঘটনার প্রভাব সুস্পষ্ট।।

রামপ্রসাদের রচনাবলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য বিদ্যাসুন্দর বা কালিকামঙ্গল (অষ্টাদশ শতাব্দীর ষষ্ঠ অথবা সপ্তম দশক), কালীকীর্তন, কৃষ্ণকীর্তন নামক অসম্পূর্ণ খণ্ডকাব্য ও শক্তিগীতি।কালীকীর্তন গ্রন্থে গীতিকবিতা ও আখ্যানমূলক কবিতার মাধ্যমে উমার জীবনকাহিনি বর্ণিত হয়েছে। কৃষ্ণকীর্তন অসম্পূর্ণ রচনা। এই গ্রন্থে গান ও কবিতার মাধ্যমে কৃষ্ণের জীবনকথা বর্ণিত হয়েছে। এর সম্পূর্ণ অংশটি পাওয়া যায় না। বিদ্যাসুন্দর রাজকুমারী বিদ্যা ও রাজকুমার সুন্দরের বহুপ্রচলিত প্রেম ও পরিণয়কাহিনি অবলম্বনে রচিত। সেই যুগে এই কাহিনিটি বাংলায় খুবই জনপ্রিয় ছিল। রামপ্রসাদ লিখেছেন, বিদ্যা ও সুন্দরে প্রেম ও পরিণয় দেবী কালীর সহায়তায় ঘটেছিল। শক্তিগীতি রামপ্রসাদের সর্বাপেক্ষা উল্লেখযোগ্য ও প্রসিদ্ধতম রচনা। এই গানগুলির মধ্যে দেবী কালীর প্রতি তাঁর গভীর প্রেম ও শ্রদ্ধাবোধ প্রস্ফুটিত হয়েছে।

ঠাকুর শ্রী রামকৃষ্ণ দেব প্রায়শই রামপ্রসাদী গান গাইতেন। রামপ্রসাদ ছিল তাঁর প্রিয় কবি। তাঁর গাওয়া রামপ্রসাদীগুলি শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণকথামৃত গ্রন্থে মুদ্রিত হয়েছে। এই গ্রন্থে লেখা আছে, "...তিনি (রামকৃষ্ণ) ঘণ্টার পর ঘণ্টা অতিবাহিত করতেন কমলাকান্ত ও রামপ্রসাদের লেখা দিব্যজননীর লীলাসঙ্গীত গেয়ে। এই আনন্দময় গানগুলি ঈশ্বরের প্রত্যক্ষ ভাবের বর্ণনাকারী... " পরমহংস যোগানন্দও রামপ্রসাদ ও তাঁর ভক্তিগীতির গুণগ্রাহী ছিলেন। তিনিও প্রায়ই এই গানগুলি গাইতেন।

ভগিনী নিবেদিতা রামপ্রসাদ সেনের সঙ্গে ইংরেজ কবি উইলিয়াম ব্লেকের তুলনা করেন।

রামপ্রসাদ বিরিচিত শাক্তগীতি-র গানগুলি শুনলেই আমরা বুঝবো দেবী কালীর সঙ্গে কবির সম্পর্ক মা ও সন্তানের সম্পর্ক। এখানে দেবীর মনুষ্যসন্তান কবি তাঁর মায়ের সঙ্গে স্নেহ ভালবাসা, এমনকি কোথাও কোথাও কলহ পর্যন্ত করেছেন।
কৃষ্ণানন্দ আগমবাগীশ মহাশয় এর বঙ্গদেশে কালী আরাধনার প্রবর্তন এর পর
অনার্য দের শ্মশান বাসিনী উগ্র কালীকে রামপ্রসাদই গৃহীদের দক্ষিনা কালী রূপে সর্বপ্রথম প্রতিষ্ঠা করে ছিলেন ।।

এখন থেকে গুরুপূর্ণিমা পর্যন্ত প্রতিদিন থাকবে বিভিন্ন মাতৃ সাধক ও সদগুরু দের জীবনের কিছু ঘটনা,,,
[তথ্যসূত্র: উকিপিডিয়া , "মহাসাধক রামপ্রসাদ" চলচিত্র থেকে অনুপ্রানিত]

🌼🙏❤🌺 #শুভ_রথযাত্রা  #জয়_জগন্নাথ 🌸❤🙏🌼মৃত্যুও মহামারীর ভীতি কাটিয়ে সকল পৃথিবীবাসীর জীবন আনন্দময় হোক ! #জয়_মা_জগদীশ্বরী...
23/06/2020

🌼🙏❤🌺 #শুভ_রথযাত্রা #জয়_জগন্নাথ 🌸❤🙏🌼
মৃত্যুও মহামারীর ভীতি কাটিয়ে সকল পৃথিবীবাসীর জীবন আনন্দময় হোক !
#জয়_মা_জগদীশ্বরী 🙏❤🌺🌺 !
াপ্রভু 🌼🙏🌺❤

🌺🙏 #প্রসাদ_বাণী 🙏🌺
13/06/2020

🌺🙏 #প্রসাদ_বাণী 🙏🌺

এমন দিন কি হবে মা তারা।
যবে তারা তারা তারা বলে তারা বেয়ে ধরবে ধারা।।
হৃদিপদ্ম উঠবে ফুটে, মনের আঁধার যাবে ছুটে,
তখন ধরাতলে পড়বো লুটে, তারা বলে হব সারা।।
ত্যজিব সব ভেদাভেদ, ঘুচে যাবে মনের খেদ,
ওরে শত শত সত্য বেদ, তারা আমার নিরাকারা।।
শ্রীরামপ্রসাদ রটে, মা বিরাজে সর্বঘটে,
ওরে অন্ধ আঁখি দেখ রে মাকে, তিমিরে তিমির ভরা।। ------ সাধক রামপ্রসাদ

প্রতিমা রূপায়ণে- ভাস্কর গোপাল পাল

🙏🌸 স্নান যাত্রা শুভ হোক 🌸🙏🌼মা জগদিশ্বরী তথা প্রভু জগন্নাথ এর কৃপায় পৃথিবীর ব্যাধি মুক্ত হোক 🌼(স্মৃতির পাতায় থেকে যাওয়...
05/06/2020

🙏🌸 স্নান যাত্রা শুভ হোক 🌸🙏
🌼মা জগদিশ্বরী তথা প্রভু জগন্নাথ এর কৃপায় পৃথিবীর ব্যাধি মুক্ত হোক 🌼
(স্মৃতির পাতায় থেকে যাওয়া ছবি!)

Address

Ramprasadh Kali Mandir, Halisahar, Kolkata, West Bengal 743134
Kanchrapara
743134

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Halisahar Ramprasad Vita : Kalimandir posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category