The Brahman

The Brahman Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from The Brahman, Religious organisation, Siliguri, Jalpaiguri.

05/11/2025

Rash purnima

জয় মা 🙏
28/09/2025

জয় মা 🙏

07/09/2025

Jay shree Shani Dev 🙏✨️🕉️

03/09/2025

স্বস্তিক চিহ্ন সম্পর্কিত একটি ভিডিও
আপনাদের কাছে শেয়ার করা হলো

জয় মা কালী
22/08/2025

জয় মা কালী

Shanti Swastayan Puja is a special Puja seeking blessing from the supreme God The Brahma, The Vishnu and The Maheswara, ...
05/06/2025

Shanti Swastayan Puja is a special Puja seeking blessing from the supreme God The Brahma, The Vishnu and The Maheswara, for our health, well being and peace.
Through performing this puja, devotees seeks blessing to save from all the evils, bless good health, keep the disease far away and give a peaceful long life to the devotee.

জয় মা বোল্লাকালী 🙏
23/11/2024

জয় মা বোল্লাকালী 🙏

একাদশী কি?জেনে নিন👇একাদশী হচ্ছে চন্দ্র পক্ষের একটা তিথি। চাঁদের দুটি পক্ষ একটি শুক্লপক্ষ ও আরেকটি কৃষ্ণপক্ষ। চাঁদের পূণি...
16/04/2023

একাদশী কি?
জেনে নিন
👇

একাদশী হচ্ছে চন্দ্র পক্ষের একটা তিথি। চাঁদের দুটি পক্ষ একটি শুক্লপক্ষ ও আরেকটি কৃষ্ণপক্ষ। চাঁদের পূণির্মা পর্য্যন্ত সময়কে শুক্লপক্ষ এবং আমাবশ্যা পর্য্যন্ত সময়কে কৃষ্ণপক্ষ বলা হয়। পনের দিনে এক পক্ষ সমাপ্ত হয় এই এক পক্ষের এক একটা দিনকে এক একটা তিথি বলা হয়। তিথিগুলোর নাম হল প্রতিপদ, দ্বিতীয়া, তৃতীয়া, চতুর্থী, পঞ্চমী, ষষ্ঠী, সপ্তমী, অষ্টমী, নবমী, দশমী, একাদশী, দ্বাদশী, ত্রয়োদশী, চতুর্দশী এবং পূর্ণিমা অথবা অমাবশ্যা । হিন্দু ধর্মমতানুসারে একাদশীকে পুণ্যতিথি হিসেবে বিবেচনা করে একাদশী ব্রত পালন করা হয়। এদিন পূণ্য লাভের আশায় যে কেউ একাদশী ব্রত পালন করতে পারেন। এসময় সাধারণত ফলমূল ও বিভিন্ন সবজি এবং দুধ খাওয়া যায়, তবে একাদশীতে পঞ্চরবি শস্য বর্জন করতে হয়। বিষ্ণুর শয়ন, পার্শ্ব পরিবর্তন ও উত্থান উপলক্ষে যথাক্রমে আষাঢ়, ভাদ্র ও কার্তিক মাসের শুক্লা একাদশী বিশেষ শুভপ্রদ গণ্য করা হয়। ভৈমী একাদশী ও মাঘের শুক্লা একাদশীকেও বিশেষ মাহাত্ম্যপূর্ণ বলে মনে করা হয়। তবে প্রত্যেক একাদশী ব্রত পালনে শুভফল লাভ হয়। নিয়মিত একাদশী ব্রত পালন শরীরের পক্ষেও উপকারী। তাই স্বাস্থ্যগত কারণেও অনেকে প্রতি মাসে দুটি একাদশী ব্রত পালন করেন।

একাদশী আবির্ভাব এর মাহাত্ম্য
পদ্মপূরাণে একাদশী প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, একসময় জৈমিনি ঋষি তাঁর গুরুদেব মহর্ষি ব্যাসদেবকে জিজ্ঞাসা করলেন, হে গুরুদেব! একাদশীর জন্ম কখন হয়েছিল? একাদশীর অধিষ্ঠাত্রী দেবতা কে? একাদশীতে কেন উপবাস করতে হয়? একাদশী ব্রত পালনে কি লাভ হয়? একাদশী ব্রত পালন না করলে কি ক্ষতি হয়? কখন এই ব্রত পালন করতে হয়। দয়া করে এই সব বিষয়ে আপনার কৃপা বর্ষন করুন।

মহর্ষি ব্যাসদেব জৈমিনি ঋষির প্রশ্ন শুনে অপ্রাকৃত আনন্দধামে উন্নীত হয়ে তখন বলতে লাগলেন “হে ব্রহ্মর্ষি জৈমিনি একাদশী পালনের ফল প্রকৃতরূপে পরমেশ্বর নারায়ণই শুধু এর মাহাত্ম্য শুদ্ধভাবে বর্ণনা করতে পারবেন, তবে আমি তোমার প্রশ্নের সংক্ষিপ্ত উত্তর প্রদান করব।”

সৃষ্টির প্রারম্ভে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীবিষ্ণু পঞ্চ মহাভূত দ্বারা স্থাবর ও অস্থাবর জীবগণকে এই জড় সংসারে সৃষ্টি করেন। মর্ত্যলোকবাসীদের শাস্তি প্রদানের জন্য একটি পাপপুরুষ সৃষ্টি করেন। সেই পাপপুরুষের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গাদি নানা প্রকার পাপ কার্য দ্বারা সৃষ্ট। পাপপুরুষের মাথাটি ব্রহ্মহত্যা পাপ দিয়ে, চক্ষুদুটি নেশায় আশক্তিজনিত পাপ, মুখ ছিল স্বর্ণচৌর্যজনিত পাপ, দুই কর্ণ ণ্ডরুপত্নী উপগমন, দুই নাসিকা পরপত্নী হত্যা, দুই হাত গো-হত্যাজনিত পাপ, গ্রীবা পরধন চৌর্যজনিত পাপ, বক্ষদেশ ভ্রুণ হত্যাজনিত পাপ, নিম্নবক্ষ পরস্ত্রী উপগমন জনিত পাপ, উদর আত্মীয়স্বজন হত্যা পাপ, নাভিমূল অধীনস্থ জনকে হত্যা পাপ, কোমর আত্মশ্লাঘা পাপ, জংঘা ণ্ডরুনিন্দা জনিত পাপ, লিঙ্গ শিশু কন্যা বিক্রি জনিত পাপ, পশ্চাদ্দেশ ণ্ডপ্তকথা প্রকাশ করার পাপ, পদদ্বয় পিতৃ হত্যা পাপ, শরীরের কেশরাজি অন্যান্য পাপ কর্মাদি দ্বারা গঠিত। যার শরীর ঘোর কৃষ্ণবর্ণ, চোখ দুটি পীতবর্ণ। এভাবে একটি বীভৎস পাপপুরুষ সৃষ্টি করেছিলেন। সে পাপিদের কঠিন শাস্তি দান করেন।

এই পাপপুরুষের ভয়ঙ্কর রূপ দর্শন করে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীবিষ্ণু মর্ত্যের মানব জাতির কল্যানের কথা চিন্তা করতে লাগলেন। তিনি চিন্তা করলেন আমিই জীবগণের সুখ ও দুঃখের স্রষ্টা, আমি তাদের প্রভু, আমিই জীবজগতের পালন কর্তা। আমি পাপপুরুষ সৃষ্টি করেছি সে প্রতারক পাপীষ্ট মানুষকে দুঃখ যন্ত্রনা প্রদান করে। এখন এই পাপপুরুষের নিয়ন্ত্রক সৃষ্টি করে পাপীদের অন্য ব্যবস্থা করতে হবে। এই সময় ভগবান শ্রীবিষ্ণু যমরাজ ও বিভিন্ন প্রকার নরক সৃষ্টি করলেন। মৃত্যুর পর পাপীদের যমরাজের নিকট পঠাতে হবে এবং তিনি তাদের পাপ বিচার করে বিভিন্ন নরকে যন্ত্রনা ভোগের জন্য পাঠিয়ে দিবেন। একদিন পক্ষীরাজ গরুড়ের পিঠে চড়ে পরমেশ্বর ভগবান যমরাজের গৃহে উপস্থিত হলেন। যমরাজ পরমেশ্বর ভগবানকে দেখেই পাদ্য-অর্ঘ্যে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করে স্বর্ণ সিংহাসনে বসিয়ে যথাবিধি তাঁর পূজা করলেন। পরমেশ্বর ভগবান শ্রীবিষ্ণু বসেই শুনতে পেলেন দক্ষিণ দিক থেকে অসংখ্য জীবের আর্তক্রন্দন ধ্বনি। তিনি তখন যমরাজকে প্রশ্ন করলেন-এ আর্তক্রন্দন কেন?

যমরাজ বললেন, হে প্রভু!, মর্ত্যের পাপী মানূষেরা নিজ কর্মদোষে নরকযন্ত্রনা ভোগ করছেন। সেই যাতনার আর্ত চীৎকার শোনা যাচ্ছে। ভগবান যন্ত্রনাকাতর পাপীদের দেখতে দক্ষিণ দিকের নরকে উপস্থিত হলেন। তাঁকে দেখে নরকবাসীগণ আরো অধিক উচ্চস্বরে চিৎকার করে করজোরে প্রার্থনা করতে লাগলেন “হে প্রভু আমাদেরকে এই নরকযন্ত্রনা থেকে রক্ষা করুন”। যন্ত্রণাকাতর পাপাচারী জীবদের দর্শন করে তাদের যন্ত্রনায় বিচলিত হয়ে করুণাময় ভগবান চিন্তা করলেন আমিই সমস্ত প্রজা সৃষ্টি করেছি, আমার সামনেই ওরা কর্ম দোষে নরক যান্ত্রণা ভোগ করছে, এখন আমিই এদের সদগতির ব্যবস্হা করব।

ব্যাসদেব বলতে লাগলেন “হে জৈমিনি শোন!” পরমেশ্বর ভগবান তারপর কি করলেন। করুনাময় পরমেশ্বর ভগবান পূর্বের বিচার কার্য পুনঃবিবেচনা করলেন। ভগবান শ্রীবিষ্ণু হঠাৎ পাপাচারীদের সামনে একাদশী রূপে এক দেবীমুর্তিতে আবির্ভুত হলেন। সেই পাপীদেরকে একাদশী ব্রত পালনে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ করিয়ে ব্রত আচরণ করালেন। একাদশী ব্রতের ফলে তারা সর্বপাপ মুক্ত হয়ে তৎক্ষণাৎ বৈকূণ্ঠ ধামে গমন করলেন।

শ্রীব্যাসদেব বললেন “হে জৈমিনি!” একাদশী পরমেশ্বর শ্রীবিষ্ণু ও পরমাত্মার বিগ্রহে প্রভেদ নেই। শ্রীহরির প্রকাশ এই একাদশী পালন অতীব শ্রেষ্ঠ কর্ম এবং সমস্ত ব্রতের মধ্যে উত্তম ব্রত। শ্রী একাদশী আবির্ভাবের কারনে পাপপুরুষ একাদশীর প্রতিকূল প্রভাব অনুভব করল। কিছুদিন পরে ভগবানের সৃষ্ট পাপপুরুষ এসে শ্রীবিষ্ণুর কাছে করজোড়ে কাতর হয়ে প্রার্থণা করতে লাগল। ভগবান শ্রীবিষ্ণু প্রসন্ন হয়ে তাকে বর দিতে চাইলেন। তখন পাপপুরুষ বললেন “হে ভগবান !” আমি আপনার প্রজা, আপনারই সৃষ্টি। আমাকে যারা আশ্রয় করে থাকে, তাদের কর্ম অনূযায়ী তাদের দুঃখ দান করাই আমার কাজ ছিল। কিন্তু সম্প্রতি শ্রীএকাদশীর প্রভাবে আমি কিছুই করতে পারছি না, বরং আমার অস্তিত্ব দিন দিন ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। কেননা একাদশী ব্রতের ফলে প্রায় সব পাপাচারীরা বৈকূণ্ঠের বাসিন্দা হযে যাচ্ছে। হে ভগবান, এখন আমার কি হবে? আমি কাকে আশ্রয় করে থাকব? আমার মৃত্যুর পর আপনার অংশগুলো যারা জড়দেহ ধারন করেছে তারা সবাই মুক্তিলাভ করে বৈকুন্ঠধাম প্রাপ্ত হবে। সবাই যদি বৈকূণ্ঠে চলে যায়, তবে এই মর্ত্য জগতের কি হবে? আপনি বা কার সঙ্গে এই মর্ত্যে ক্রীড়া করবেন? হে কৈটভনাশন, আমি একাদশীর ভয়ে মানুষ, পশু, কীট, পাহাড়, বৃক্ষ, স্থাবর ও জঙ্গম, নদী, সমুদ্র, জঙ্গল, স্বর্গ, মর্ত, নরক, দেবতা ও গন্ধর্বগণের নিকট আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করেছি । কিন্ত শ্রীএকাদশীর প্রভাবে কোথাও নির্ভয় স্হান পাচ্ছি না। হে ভগবান, এখন দেখছি, আপনার সৃষ্ট অনন্ত কোটি ব্রহ্মাণ্ডের মধ্যে শ্রীএকাদশীই প্রাধান্য লাভ করেছে, সেইজন্য আমি কোথাও আশ্রয় পাচ্ছি না। আপনি কৃপা করে আমাকে একটি নির্ভয় বাসস্থান প্রদান করুন যেখানে থাকলে শ্রীএকাদশীর প্রভাব থেকে মুক্ত হতে পারব।

ব্যাসদেব জৈমিনিকে বললেন “এইরূপ প্রার্থনা করে পাপপুরুষ পরমেশ্বর শ্রীবিষ্ণুর পাদপদ্মে নিপতিত হয়ে কাঁদতে লাগল।” পাপপুরুষের প্রার্থনা শুনে ভগবান শ্রীবিষ্ণু বললেন ‘হে পাপপুরুষ!’ তুমি দুঃখ করো না। আর কেঁদো না। একাদশীর দিন তোমার নিরাপদ আশ্রয় কোথায় হবে মন দিয়ে শোন। যখন শ্রীএকাদশী এই ত্রিভুবনকে পবিত্র করতে আবির্ভুত হবে, তখন তুমি অন্ন ও রবিশস্যের মধ্যে আশ্রয় গ্রহণ করবে সেখানে আমার মুর্তি শ্রীএকাদশী তোমাকে বধ করতে পারবে না। এইরূপ বলে পরমেশ্বর শ্রীবিষ্ণু অন্তর্ধান হলেন এবং সেইদিন থেকে পাপপুরুষ শ্রীএকাদশী থেকে বাচার নিরাপদ আশ্রয় খুঁজে পেল।

শ্রীবিষ্ণুর আদেশে জড় জগতে সকল প্রকার পাপকর্ম একাদশীর দিন খাদ্যশস্যের মধ্যে আশ্রয় গ্রহন করে। তাই পরম পুণ্য লাভের আশায় ব্যক্তিগণ একাদশীর দিন শস্য গ্রহন করেন না। একাদশী ব্রত পালন করলে সকল প্রকার পাপ থেকে মুক্তিলাভ করা যায় এবং কখনো নরক যন্ত্রনা ভোগ করতে হয় না। একাদশীর দিন এক দানা শস্য খেলে কোটি ব্রাহ্মণ হত্যার পাপ হয়। একাদশী ব্রত যারা পালন না করে তারা তো পাপীর অধম। ব্রাহ্মন, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য, শূদ্র সবাইকে একাদশী ব্রত পালন করা আবশ্যক। ইহাই শুদ্ধ বর্ণাশ্রমের ভিত্তি। একাদশী ব্রত পালন করলেই সর্বপাপ বিনাশ হয় ও বৈকুন্ঠধাম লাভ করা যায়।

সূর্যোদয়ের এক ঘন্টা ছত্রিশ মিনিট পূর্ব পর্যন্ত দশমী বিদ্ধা বলা হয়। দশমী বিদ্ধা একাদশী ব্রত পালন করা কখনও উচিত নয়। এই সংসারে একাদশীর ন্যায় পবিত্র ব্রত আর নেই। যে ব্যক্তি একাদশী ব্রত পালন করেন না সে নরাধম , তার পরমগতি লাভ হয়না।

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।।

15/04/2023

হে নূতন, দেখা দিক আর-বার জন্মের প্রথম শুভক্ষণ ।
এসো হে বৈশাখ এসো এসো...আগামী সময় সকলের ভাল কাটুক। নতুন বছরের শুভেচ্ছা।
The Brahman ।।

বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ। এই উৎসব শুরু হয় পয়লা বৈশাখ দিয়ে,  শেষ হয় চৈত্র সংক্রান্তিতে। পয়লা বৈশাখের আগের দিন বা চৈত...
14/04/2023

বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ। এই উৎসব শুরু হয় পয়লা বৈশাখ দিয়ে, শেষ হয় চৈত্র সংক্রান্তিতে। পয়লা বৈশাখের আগের দিন বা চৈত্র সংক্রান্তিতে পালিত হয় চড়কের পুজো। চৈত্র সংক্রান্তি থেকে শুরু হয়ে নতুন বছরের প্রথম দু-তিন দিন চলে চড়ক পুজোর উৎসব। চড়ক পুজোর কিছু বিশেষ প্রথা রয়েছে, যা আজও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করা হয় যেমন, জ্বলন্ত কয়লার ওপর দিয়ে হাঁটা, ছুরি এবং কাঁটার ওপর লাফানো, কুমিরের পুজো, আগুনের উপর নাচ, শরীর বাণবিদ্ধ করে চড়কগাছে দোলা।

চড়কের ইতিহাস নিয়ে নানা কাহিনি প্রচলিত আছে। নানা মুণির নানা মত। প্রচলিত লোককথা বলছে, রাজা সুন্দরানন্দ ঠাকুর ১৪৮৫ সালে এই পুজোর প্রচলন করেন। তবে তিনি এই পুজো আরম্ভ করলেও তা কখনও রাজবাড়ির পুজো ছিল না বরং এটি ছিল হিন্দু সমাজের লোকসংস্কৃতি। এই পুজোর নেপথ্যে রয়েছে ভূতপ্রেত ও পুনর্জন্মবাদের ওপর বিশ্বাস।

লিঙ্গপুরাণ, বৃহদ্ধর্মপুরাণ এবং ব্রহ্মবৈবর্তপুরাণে চৈত্র মাসে শিবের আরাধনা এবং উৎসবের উল্লেখ থাকলেও চড়ক পূজার উল্লেখ নেই। তবে পাশুপত সম্প্রদায়ের মধ্যে প্রাচীনকালে এই উৎসব প্রচলিত ছিল।

পুজোর উৎসবে নানা রকমের দৈহিক যন্ত্রণা ধর্মের অঙ্গ বলে বিবেচিত হয়। চড়কগাছে ভক্ত বা সন্ন্যাসীকে লোহার হুড়কা দিয়ে চাকার সঙ্গে বেঁধে দ্রুতবেগে ঘোরানো হয়। তার পিঠে, হাতে, পায়ে, জিহ্বায় এবং শরীরের অন্যান্য অঙ্গে বাণ শলাকা বিদ্ধ করা হয়। কখনও কখনও জ্বলন্ত লোহার শলাকা তার গায়ে ফুঁড়ে দেওয়া হয়।
(সংগৃহীত)

Address

Siliguri
Jalpaiguri

Telephone

8927312124

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Brahman posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to The Brahman:

Share