Kalishankar Seva Ashram

Kalishankar Seva Ashram Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Kalishankar Seva Ashram, Religious organisation, Bagnan, Howrah.

Jay Swaminarayan... Swaminarayan puja
27/04/2023

Jay Swaminarayan...
Swaminarayan puja

লক্ষ্মী মানে শ্রী, সুরুচি। লক্ষ্মীসম্পদ আর সৌন্দর্যের দেবী। বৈদিক যুগে মহাশক্তি হিসেবে তাকে পুজো করা হত। তবে পরবর্তীকালে...
24/10/2018

লক্ষ্মী মানে শ্রী, সুরুচি। লক্ষ্মীসম্পদ আর সৌন্দর্যের দেবী। বৈদিক যুগে মহাশক্তি হিসেবে তাকে পুজো করা হত। তবে পরবর্তীকালে ধনশক্তির মূর্তি নারায়ণের সঙ্গে তাকে জুড়ে দেওয়া হয়,

ধন ও সৌভাগ্যের দেবী মা লক্ষ্মী। অবাঙালিদের মধ্যে লক্ষ্মীপূজার রেওয়াজ কালীপূজা বা দিওয়ালির দিনে। কিন্তু বাঙালির ঘরে ঘরে মা লক্ষ্মী পূজিতা হন দেবীপক্ষের শেষের এই পূর্ণিমাতে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গে এবং বাংলাদেশে কোজাগরী লক্ষ্মীপূজার চল রয়েছে। তবে রীতিতে ফারাক রয়েছে দুই বাংলার। পশ্চিমবঙ্গে পূজা হয় মূলত মাটির প্রতিমায়, কিন্তু বাংলাদেশে প্রধানত সরায় এঁকে লক্ষ্মীর পূজা করা হয়।

কিভাবে হয় এই কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা? আশ্বিন মাসের পূর্ণিমা তিথিতে অর্থাৎ কোজাগরী পূর্ণিমায় দেবী লক্ষ্মীর আরাধনা করা হয়। অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘বাংলার ব্রত’ বইতে এই লক্ষ্মীপূজা সম্পর্কে বিস্তৃত আলোচনা করেছেন। সেখানে তিনি জানান, দেবীর কাছে ভালো ফলনের কামনা করাই আসলে এই পূজার নৃতাত্ত্বিক কারণ। পূজা বা ব্রত কথার সঙ্গে আলপনার একটি সম্পর্ক রয়েছে। আলপনা আসলে ‘কামনার প্রতিচ্ছবি।’ দেবী পূজা উপাচার হিসেবে থাকে ফল, মিষ্টি, মোয়া, নাড়ু প্রভৃতি। কোজাগরী লক্ষ্মীর প্রতি আচার নিবেদনের সঙ্গেও একটি লোকবিশ্বাস জড়িত রয়েছে। পূজার সময় মোট ১৪টি পাত্রে উপাচার রাখা হয়। তারপর পূর্বপুরুষদের উদ্দেশে জল দানের রীতি রয়েছে। কাঠের জলচৌকির ওপর লক্ষ্মীর সরাটিকে স্থাপন করা হয়। এরপর কলাপাতায় টাকা, স্বর্ণ মুদ্রা, ধান, পান, কড়ি, হলুদ ও হরিতকি দিয়ে সাজানো হয় পূজার স্থানটিকে।

সব দেবদেবীরই বিভিন্ন যুগে নানা বিবর্তন হয়েছে। ঋষিরা তো এক জায়গায় বসে, কমিটি গঠন করে দেবদেবীদের নির্দিষ্ট রূপ ও গুণাবলির কথা রচনা করেননি। নানা জনে আলাদাভাবে ইচ্ছে মতো শ্লোক লিখেছেন। যুগ যুগ ধরে সেই সব পৃথক ভাবমূর্তি একটি মিলিত রূপ পেয়েছে। লক্ষ্মীও তার ব্যতিক্রম নন।

বৈদিক শাস্ত্র ও বিভিন্ন পুরাণ অনুসারে লক্ষ্মীর উদ্ভব ও পরিচিতি নিয়ে নানা রকম ব্যাখ্যা পাওয়া যায়। কিছু পুরাণ অনুযায়ী লক্ষ্মী দেবসেনা রূপে জন্ম নিয়ে কার্তিকেয়র পত্নী হন। আবার কিছু পুরাণ মতে তিনি গণেশপত্নী। নদীরূপিনী সরস্বতীই আদিতে উর্বরতা ও শস্যদায়িনী দেবী। পরে লক্ষ্মী-সরস্বতী একইরূপে গণ্য হওয়ার সময় থেকে শস্য ও সম্পদের দেবী হিসেবে লক্ষ্মীকে গণ্য করা আরম্ভ হয়। আবার শস্যের দেবী হিসেবে গণ্য হওয়ার কারণে লক্ষ্মীকে ধরিত্রী বা বসুমতী হিসেবেও ভাবা শুরু হয়।

বৈদিক লক্ষ্মী কিন্তু শস্য-সম্পদের দেবী ছিলেন না। বরং নদীরূপিনী সরস্বতী শস্যদাত্রী হিসেবে গণ্য হতেন। কেন? নদী পলি মাটি ভরাট করে উর্বর করত ভূ-তট। এর পরে তো বৈদিক আর্যরা চাষাবাদ শিখল 'নিম্নবর্গ'-এর কাছে। সম্পদ এলো আর্যদের হাতে। শাসক বা শোষক হলেন তারা। আবার লক্ষ্মীর স্বামী একটা কাঁচা কাজ করে ফেললেন। কেমন কাঁচা? বেদম কাঁচা। দুর্বাসা মুনি, যিনি শুধু অভিশাপ দেওয়ার জন্যই বিখ্যাত, তার অন্য কোনও গুণের কথা বিশেষ জানা যায় না, তিনি এক দিন একটা পারিজাত ফুলের মালা উপহার দিলেন ইন্দ্রকে। এরপর ইন্দ্র যখন রম্ভা-সম্ভোগে মত্ত, ওই মালা নিজের বাহন ঐরাবতের গলায় ছুড়ে দেন। হাতি তো মালার কদর বোঝে না। তাছাড়া ঐরাবতের বোধহয় মালাটি পছন্দ হয়নি, মাথা ঝাঁকিয়ে সেটা সে ফেলে দিল মাটিতে। তারপর পা দিয়ে চেপ্টে দিল। ব্যস! রগচটা স্বভাবের ঋষি অমনি জ্বলে উঠে উচ্চারণ করলেন অভিশাপ। অদ্ভুত সেই অভিশাপ। তিনি বললেন, কী! আমার দেওয়া মালা মাটিতে ফেলে দিলে, তাই তোমার ত্রিলোক এখন লক্ষ্মীছাড়া হবে। অর্থাৎ, লক্ষ্মীর নির্বাসন। দোষ করলেন ইন্দ্র, শাস্তি পেতে হবে লক্ষ্মীকে! অভিশাপে ইন্দ্রের ইন্দ্রপুরী হলো শ্রীহীন, লক্ষ্মীছাড়া দশা। স্ত্রী লক্ষ্মী, ইন্দ্রের অনুমতি নিয়ে পাতালে, মানে সমুদ্রে প্রবেশ করলেন।

পরে দেবতাদের ব্যকুল প্রার্থনায় বিষ্ণু পরামর্শ দিলেন সমুদ্র মন্থনের। মন্থনের পর যিনি রত্নাকর থেকে উত্থিতা হলেন, তিনি কিন্তু লক্ষ্মী নন। সেই দেবীর নাম শ্রী। এই শ্রী ও লক্ষ্মী দুই পৃথক দেবী ছিলেন। বেশ কিছু কাল পরে দুজনে মিলেমিশে এক হয়ে যান। লক্ষ্মী দেবী ছিলেন ভৃগুর কন্যা, মায়ের নাম খ্যাতি। তার এক হাতে পদ্ম, আরেক হাতে অমৃতের কলস। তার রূপে-গুণে আকৃষ্ট হয়ে দেব-দানবের মধ্যে যুদ্ধ লেগে যায়। শেষ পর্যন্ত ছলে বলে বিষ্ণু তাকে পত্নীরূপে গ্রহণ করেন। লক্ষ্মী ও শ্রী একাকার হয়ে বিষ্ণুর পত্নী হন। তিনি পদ্মাসনা আর বাহন শ্বেত পেঁচা। তবে উপপুরাণের অর্বাচীন পৃষ্ঠায় লক্ষ্মী একবার তুলসী, একবার ঘোটকী হয়েও জন্মান। জ্যোৎস্না প্লাবিত এই পৃথিবীর হেমন্তে আসেন শুধু একটি রাতের অতিথি হয়ে।

লক্ষী পূজা

দুর্গাপূজা যেমন মূলত বারোয়ারি, লক্ষ্মীপূজা গৃহস্থের পূজা। যে রাতে লক্ষ্মীর পূজা হয়, সেটি হলো কোজাগরী পূর্ণিমা। কো জাগতী– অর্থাৎ কে জেগে আছ–কথাটি থেকে কোজাগরী। কোজাগর মানে, ‘কে জাগে?’ যার নেই সে পাওয়ার আশায় জাগে। যার প্রচুর আছে সে হারানোর ভয়ে জাগে! ভক্তদের বিশ্বাস, পূজার পর ওই রাতেই নাকি মা ঘরে ঘরে উঁকি দিয়ে দেখেন কে জেগে আছে। আর যে জেগে থাকে, তার হাতেই ধরিয়ে দেন ধন সম্পদে পরিপূর্ণ ঝাঁপিখানি। লক্ষ্মীপুজোয় যে আল্পনা দেওয়া হয়, তাতে মায়ের পায়ের ছাপও আঁকা হয়। বিশ্বাস ওই পথেই মা ঢুকবেন গৃহস্থের ঘরে।

লক্ষ্মী চঞ্চলা। তবে ক্রোধী দেবী নন। তাই যেকোনও গৃহস্থই লক্ষ্মীর ঝাঁপি করে লক্ষ্মীর পিঁড়ি পাতেন গৃহকোণে। স্থানাভাবে একটি মাত্র ঘরের কুলুঙ্গিতে। উপাচার তো সামান্যই। প্রতি বৃহস্পতিবারে (লক্ষ্মীবার শব্দটি ব্যবহৃত) সামান্য ফুল-বাতাসা আর ধোয়া পিঁড়িতে চাল পিটুলির আলপনা। সেটাই একটু বড় আকারের এই কোজাগরীর রাতে।

আসলে লক্ষ্মী হলো বাঙালির দেবী। লৈকিক দেবী। আগে আমাদের সমাজে বিশেষ করে গ্রামে দুর্গাপূজা নিয়ে এত মাতামাতি ছিল না। বরং কোজাগরী লক্ষ্মীপূজাই ছিল বড় উৎসব। কোজাগরীর রকমফের ছিল দেখার মতো। ছড়া কেটেই মা লক্ষ্মীকে আবাহন করত গৃহস্থ। করজোড়ে বাড়ির নারীরা একসঙ্গে বলতেন, ‘আঁকিলাম পদ দু’টি, তাই মাগো নিই লুটি। দিবারাত পা দু’টি ধরি, বন্দনা করি। আঁকি মাগো আল্পনা, এই পূজা এই বন্দনা।’ সব ছড়ার মধ্যেই থাকে বাসনা, অভিমান এবং আকাঙ্ক্ষা। পেঁচা, কড়ি, ধানের গোলা আঁকার সঙ্গে সঙ্গে তাই ছড়া কাটা হতো। ‘আমি আঁকি পিটুলির গোলা, আমার হোক ধানের গোলা। আমি আঁকি পিটুলির বালা, আমার হোক সোনার বালা।’ সেই সঙ্গে থাকে মন শুদ্ধ করার বার্তাও। ‘আঁকিলাম আল্পনা, দূরে ফেলি আবর্জনা। শুভ-শুদ্ধ মন নিয়ে, করি তব আরাধনা।’

মৈমনসিংহ গীতিকার মতো প্রাচীন বাংলা সাহিত্যে লক্ষ্মীপূজার উল্লেখ দেখে বোঝা যায়, সেকালে এই পূজার জনপ্রিয়তা কতটা ছিল। নীহাররঞ্জন রায় তার ‘বাঙালীর ইতিহাস’-গ্রন্থে লিখেছেন, ‘আমাদের লক্ষ্মীর পৃথক মূর্তিপূজা খুব সুপ্রচলিত নয়।...আমাদের লোকধর্মে লক্ষ্মীর আর একটি পরিচয় আমরা জানি এবং তাঁহার পূজা বাঙালী সমাজে নারীদের মধ্যে বহুল প্রচলিত। এই লক্ষ্মী কৃষি সমাজের মানস-কল্পনার সৃষ্টি; শস্য-প্রাচূর্যের এবং সমৃদ্ধির তিনি দেবী। এই লক্ষ্মীর পূজা ঘটলক্ষ্মী বা ধান্যশীর্ষপূর্ণ চিত্রাঙ্কিত ঘটের পূজা...। বাঙালী হিন্দুর ঘরে ঘরে নারীসমাজে সে পুজা আজও অব্যাহত। বস্তুত, দ্বাদশ শতক পর্যন্ত শারদীয়া কোজাগর উৎসবের সঙ্গে লক্ষ্মীদেবীর পূজার কোনও সম্পর্কই ছিল না।’

লক্ষ্মীপূজা আমাদের জীবনে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। আসলে কেবল টাকাকড়িই ধন নয়। চরিত্রধন মানুষের মহাধন। যার টাকাকড়ি নেই সে যেমন লক্ষ্মীহীন, যার চরিত্রধন নেই সে তেমনি লক্ষ্মীছাড়া। যারা সাধক তারা লক্ষ্মীর আরাধনা করেন মুক্তিধন লাভের জন্য। লক্ষ্মীর বাহন পেঁচা কেন? কেউ কেউ বলেন, লক্ষ্মীর দেওয়া ধন যারা অপব্যবহার করে, তাদের কপালে লেখা আছে যমের দণ্ড—এই কথা ঘোষণা করে লক্ষ্মীর বাহন। তাই কথায় বলে, ‘লোভে পাপ, পাপে মৃত্যু’। এছাড়া ধনসম্পত্তি, সে টাকাকড়ি হোক বা সাধনধনই হোক, সদাজাগ্রত অবস্থায় রক্ষা করতে হয়। রাতে সবাই যখন ঘুমায়, তখন পেঁচা জেগে থাকে। পেঁচাই সেই ধনসম্পদ পাহারা দেয়।

সংগৃহীত

Jai Shree Ganesh...OM Gan Ganapatay Namah..গণেশ পূজার জন্য বিশেষ দিন হচ্ছে ভাদ্র মাসের শুক্লা চতুর্থী। সাধারণত শ্রাবণ, ভ...
13/09/2018

Jai Shree Ganesh...OM Gan Ganapatay Namah..
গণেশ পূজার জন্য বিশেষ দিন হচ্ছে ভাদ্র মাসের শুক্লা চতুর্থী। সাধারণত শ্রাবণ, ভাদ্র, অগ্রহায়ণে এই পূজা হয়। কিন্তু যে কোনও মাসের শুক্লা চতুর্থীতে ওঁর পূজা করা যেতে পারে। বুধবার যে হেতু শ্রীগণেশের জন্মবার, ওই দিনও পূজা করা যায়।
কথিত আছে, গণেশকে নিজ-হাতে গড়েছিলেন পার্বতী ৷ তারপর তাতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করেন দেবী ৷ জীবনদানের পর ওই বালককে নিজ-পুত্র রূপে স্বীকার করেন তিনি ৷ গণেশের যখন জন্ম হয় তখন মহাদেব কৈলাসে ছিলেন না ৷ তিনি ফিরে এসে দেখেন, একটি গুহার ভিতর রয়েছেন পার্বতী ৷ আর সেই গুহাদ্বার পাহারা দিচ্ছে একটি ছোট বালক ৷ মায়ের আদেশে গুহাদ্বার রক্ষা করছিল গণেশ ৷
শিব এসে সেই গুহায় প্রবেশ করতে চাইল গণেশ বাধা দেয় ৷ এতেই রেগে যান শিব ৷ দেবতাদের সঙ্গে গণেশের যুদ্ধ বাঁধে ৷ কিন্তু সমস্ত দেবতাই পরাস্ত হন পুঁচকে ওই ছেলের সামনে ৷ তখন রেগে গিয়ে শিব ত্রিশূল দিয়ে গণেশের মস্তকছেদ করেন ৷ গণেশের মৃত্যুতে অত্যন্ত ক্ষুব্ধ হন পার্বতী ৷
শিব তখন অন্য দেবতাদের নির্দেশ দেন উত্তর দিকে গিয়ে যার মাথা আগে দেখতে পাবে সেই মাথাই কেটে নিয়ে আসতে। দেবতারা প্রথমেই একটি হাতি পেয়ে তারই মাথা নিয়ে আসে। সেই মাথাটিই গণেশের দেহে বসিয়ে দেন শিব।
এরপর থেকেই প্রথম পূজ্য হিসেবে মান্যতা পান গণেশ ৷ গণেশকে বলা হয় বিঘ্নহন্তা অর্থাৎ যিনি বাধা বিপত্তি নাশ করেন। ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে নানা বিপত্তি থেকে মুক্তি পেতেই ভক্তরা এই পুজো করেন।
জন্মের পর থেকে গণেশকে 'পার্বতী পুত্র' বলেই সম্বোধন করা হত। এর পর বাবা মহাদেব ছেলের নামকরণ করেন গণেশ। গণেশের অর্থ হল গণের নেতা। এর পর থেকেই গণেশ নামে পরিচিত হন তিনি।
পুরাণমতে ঋদ্ধি ও সিদ্ধির সঙ্গে বিবাহ বয় গণপতির। তাঁর দুই সন্তান হল ক্ষেম ও লাভ।
যদি মন্দিরে যাওয়া সম্ভব নাও হয়, আপনার ঠাকুরঘরে থাকা গণেশ মূর্তিকে পুজো করুন। মূর্তির জায়গায় ছবি থাকলে, সেই ছবির সামনেই বসে পুজো করুন। জেনে নিন কীভাবে তুষ্ট করা যায় গণপতিকে।
• সকালে স্নান করে পরিষ্কার বস্ত্র পরিধান করে শুদ্ধ মনে গণেশের আরাধনা করুন। গুড়-ধনের ভোগ নিবেদন করুন।
• গণেশের মূর্তি বা ছবির সামনে বসে গণপতি অথর্বশীর্ষ পাঠ করুন। এতে গণেশ প্রসন্ন হন।
• গণেশ চতুর্থীতে সবুজ ফল দান করতে হয়। তাই গণেশের উদ্দেশে আঙুর বা পেয়ারা নিবেদন করতে পারেন।
• যদি আপনার ঘরে বিবাহযোগ্যা মেয়ে থাকে, তাহলে অবশ্যই গণেশকে মালপোয়ার ভোগ নিবেদন করুন। সুফল পাবেন।
দেব-দেবীদের মধ্যে গণেশকে সুখ-সমৃদ্ধির দেবতা বলা হয়। কোনও কাজ শুরুর সময়ে গণেশের দর্শন শুভ বলে মানা হয়। কিন্তু অনেকেই হয়তো জানেন না, গণেশের একটি অঙ্গের দর্শনই তাঁর ভক্তের কাছে সমস্যার হতে পারে।
শাস্ত্র মতে, ভগবান গণেশের মধ্যে পুরো ব্রহ্মাণ্ডের বীজ বাস করে। এর মধ্যে ভাল ও খারাপ দুই-ই থাকে। ওঁর কান, হাত, উদর ও নাভিতে ‘শুভ’ অধিষ্ঠান করে। আর পিঠে অবস্থান করে ‘অশুভ’।
ফলে গণেশের পিঠ দর্শন করলে তা অশুভ ফল দিতে পারে। শাস্ত্র অনুযায়ী, গণেশের ডান হাতে বর, বাঁ হাতে অন্ন, উদরে সমৃদ্ধি, নাভিতে ব্রহ্মাণ্ড, চোখে লক্ষ্য ও মাথায় ব্রহ্মলোক অধিষ্ঠান করে।
আর গণেশের পিঠে দারিদ্র বাস করে। মনে করা হয়, তাঁর পিঠ কোনও ব্যক্তি দর্শন করলে তাঁর জীবনে দুর্ভাগ্য নেমে আসে। শুধুই ধনক্ষয় নয় বা শুধুই ভাগ্যবান ব্যক্তি ছারখার হয়ে যান না, সঙ্গে সেই ব্যক্তিকে কাজের জায়গায় অপমানিতও হতে হয়।
যদি কেউ ভুল করে গণেশের পিঠ দেখে ফেলেন, তাহলে একটি কাজ তিনি করতে পারেন। তিনি গণেশের কাছে ক্ষমাপ্রার্থনা করতে পারেন। স্বচ্ছ চিত্তে গণেশের ধ্যান করতে পারেন। ভক্তদের বিশ্বাস, এই কুপ্রভাব কাটাতে গণেশের নাম জপ করা উচিত।
এখন দেখে নেওয়া যাক বিভিন্ন সমস্যার জন্য আলাদা আলাদা গণেশ অভিষেকের নিয়মঃ—
১। আপনি যদি চাকরি পাওয়ার জন্য পূজা করেন, তা হলে আগের দিন রাত্রে একটি পাত্রে গঙ্গাজল দিয়ে তার মধ্যে একটু সুপারি ভিজিয়ে রাখুন। পর দিন ওই সুপারিটি তুলে নিয়ে ওই জল দিয়ে মন্ত্র বলতে বলতে অভিষেক অর্থাৎ স্নান করান।
২। যদি প্রচুর শত্রুতা বৃদ্ধি পেতে থাকে, তবে হাতির দাঁতের তৈরি কোনও জিনিস গঙ্গাজলে ডুবিয়ে রেখে সেই জল দিয়ে অভিষেক করান। বা গঙ্গাজলের মধ্যে লাল চন্দন গুঁড়ো ফেলে তার মধ্যে দেবদারু পাতা ভিজিয়ে সেই জল দিয়ে অভিষেক করালেই শত্রু দমন হয়।
৩। ব্যবসায় মন্দা দেখা দিলে বা চাকরিতে পদোন্নতি আটকে গেলে আপনি পান পাতার রস কাপড়ে ছেঁকে তার সঙ্গে একটি এলাচ, একটি লবঙ্গ এবং একটু মৌরি বেটে তার রসটুকু কাপড়ে ছেঁকে নিয়ে অর্ধেক সুপারি এক সঙ্গে গঙ্গাজলে মিশিয়ে সেই জল দিয়ে অভিষেক করাবেন।
৪। অনেকের বহু দিনের ইচ্ছা একটা নিজস্ব বাড়ি। কিন্তু কিছুতেই তা পূরণ হচ্ছে না। সিদ্ধিদাতার কাছে মনপ্রাণ দিয়ে কামনা করুন। দেখবেন ঠিক উনি পূরণ করবেন আপনার সাধ। পূজার আগে গঙ্গাজলে একটু বেসন মিশিয়ে নিয়ে সেই জল দিয়ে ওঁর অভিষেক করাবেন।
৫। কোথাও কোনও টাকা পাওয়ার কথা রয়েছে, কিন্তু পাচ্ছেন না। সে ক্ষেত্রে অবশ্যই সিদ্ধিদাতার কাছে প্রার্থনা জানাবেন এবং অভিষেকের সময় গঙ্গাজলের পাত্রে একটু আখের রস মিশিয়ে নেবেন।
৬। স্বামীর সুস্থতার জন্য সিদ্ধিদাতা গণেশের পূজা করুন। যাতে তিনি দীর্ঘজীবী হন, আপনার সিঁদুর যাতে চির অক্ষয় থাকে। সে ক্ষেত্রে গঙ্গাজলে অল্প সিঁদুর(মেটে লাল) ও ঘি মিশিয়ে নেবেন। তারপর সেই জলে অভিষেক করাবেন।
Collected by Kalishankar Seva Dham, Bagnan, Howrah

jai Maa Kali...কী এই কৌশিকী অমাবস্যা ? চন্ডিতে বর্ণিত মহা সরস্বতী দেবীর কাহিনী তে বলা আছে, পুরাকালে একবার সুম্ভ ও নিসুম্...
09/09/2018

jai Maa Kali...
কী এই কৌশিকী অমাবস্যা ?
চন্ডিতে বর্ণিত মহা সরস্বতী দেবীর কাহিনী তে বলা আছে, পুরাকালে একবার সুম্ভ ও নিসুম্ভ কঠিন সাধনা করে ব্রহ্মাকে তুষ্ট করলে চতুরানন তাদের বর প্রদান করেন কোনও পুরুষ তাদের বধ করতে পারবে না ৷ শুধু কোনও অ-যোনি সম্ভূত নারী তাদের বধ করতে পারবে অর্থাৎ এমন এক নারী যে কোনো মাতৃ গর্ভ থেকে উত্পন্ন হয়নি তার হাতেই এই দুই অসুর ভাই এর মৃত্যু হবে, আর পৃথিবীতে এমন নারী কথায়, এমনকী, আদ্যা শক্তি মহামায়া মানকা রানীর গর্ভে জন্ম নিয়াছেন তাই তিনিও ওদের নাশ করতে পারবেন না,তবে কি উপায়?

পূর্ব জন্মে পার্বতী যখন সতী রূপে দক্ষ যজ্ঞ স্থলে আত্মাহুতি দেন তার কারণে এই জন্মে ওনার গাত্র বর্ণ কালো মাঘের মতো তাই ভোলা নাথ আদর করে তাকে কালিকা ডাকতেন, একদিন দানব ভাই দের দ্বারা পীড়িত দেবতারা যখন ক্লান্ত কৈলাশ এ আশ্রয় নিলেন, শিব সব দেবতাদের সামনেই পার্বতীকে বললেন "কালিকা তুমি ওদের উদ্ধার করো " সবার সামনে কালী বলে ডাকাতে পার্বতী অত্যন্ত ক্ষুব্ধ,অপমানিত ও ক্রোধিত মনে মানস সরোবর এর ধরে কঠিন তপস্যা করলেন ও তপস্যান্তে শীতল মানস সরোবর এর জলে স্নান করে নিজের দেহের সব কালো কোশিকা পরিত্যাগ করলেন ও পূর্নিমার চাদের মতো গাত্র বর্ণ ধারণ করলেন ও ওই কালো কোশিকা গুলি থেকে এক অপূর্ব সুন্দর কৃষ্ণবর্ণ দেবীর সৃষ্টি হয় ইনি দেবী কৌশিকী, আজ সেই তিথি যেদিন এই দেবীর উত্পত্তি হয় এবং সুম্ভ ও নিসুম্ভ কে বধ করেন, তাই এই অমাবস্যার নাম কৌশিকী অমাবস্যা, আবার আজকের এই দিনে দশ মহাবিদ্যার অন্যতম দেবী তারা আজ মর্ত ধামে আবির্ভূত হন, পশ্চিমবঙ্গের বীরভুম জেলায় অবস্থিত তারাপীঠ এ আজ এই উপলক্ষ্যে বিশাল উত্সব হয় ৷

Thanks for reading...KaliShankar Seva Dham, Bagnan, Howrah

💟 জয় রাধে শ্যাম 💟একবার কৃষ্ণ বলে বাহু তুলে নাচ রে ভাই পথে পথে ...মনের জ্বালা দূরে যাবে , কৃষ্ণ প্রেম উদয় হবে ...একবার ক...
08/09/2018

💟 জয় রাধে শ্যাম 💟

একবার কৃষ্ণ বলে বাহু তুলে নাচ রে ভাই পথে পথে ...
মনের জ্বালা দূরে যাবে , কৃষ্ণ প্রেম উদয় হবে ...

একবার কৃষ্ণ বলে বাহু তুলে নাচ রে ভাই পথে পথে ...
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে ...

হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ...

Shree Krishna..
04/09/2018

Shree Krishna..

 #সাধনার নিগূঢ় কিছু নিত্যালীলার কথা (জন্মাষ্টমী -অভিষেকের সময় ভগবানের শ্রীবিগ্রহ ভারী হয়ে যায়) :- জন্মাষ্টমী তিথি পরম দি...
29/08/2018

#সাধনার নিগূঢ় কিছু নিত্যালীলার কথা (জন্মাষ্টমী -অভিষেকের সময় ভগবানের শ্রীবিগ্রহ ভারী হয়ে যায়) :
- জন্মাষ্টমী তিথি পরম দিব্য তিথি -সাক্ষাৎ গোলকধামেও নন্দ, যশোদার ঘরে পুত্র গোপালের জন্ম তিথিরূপে এই তিথি নিত্য পালিত হয়।শুধু তাই নয়,এই তিথি এমনি মাধুর্যে ভরা যে তাহা ব্রহ্মান্ডের সর্বত্র পালিত হয়।
আজ থেকে প্রায় সাড়ে 5 হাজার বছর পূর্বে রোহিণী নক্ষত্র বৃষ রাশিতে এই পৃথিবীতে অবতরণ করলেন স্বয়ং অবতরি পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ।
সামনের সোমবার 3রা সেপ্টেম্বর,2018 সেই পরম পবিত্র তিথি - জন্মাষ্টমী।
এ ক্ষেত্রে বিশেষ কিছু কথা প্রাসঙ্গিক তাই জানা দরকার। সাক্ষাৎ রাধারাণীর কৃপা আশীষে নিত্যালীলা গ্রন্থ "গৌরগোবিন্দের নিত্যালীলা -গুটিকা" প্রকটিত হয় - ইহা শুদ্ধ ভক্তিমার্গের বিচার্য ও পরম আদরণীয় এক গ্রন্থ।ব্রজে একান্তে নিসকিঞ্চনভাবে ভজন করতেন নরোত্তম পরিবারের শ্রীল কৃষ্ণদাস বাবা।অত্যন্ত ত্যাগ বৈরাগ্যের চরম সীমায় অবস্থান করতেন।জিহ্বার লালসা পর্যন্ত যাতে না আসে তার জন্য আটা ভিক্ষা করে তাতে নিমপাতা মিশিয়ে খেতেন,বেশিরভাগ দিন না খেয়ে খেয়ে অন্ধ হয়ে গিয়েছিল।রাধারাণী আর থাকতে না পেরে সাক্ষাৎ বাবাকে দর্শন দেন।রাধারাণীর কৃপায় ও অজ্ঞায় এই সিদ্ধ কৃষ্ণদাস বাবা গোলকের নিত্যালীলা স্ফূর্তি প্রাপ্ত হয় এবং সেইসব মধুর নিত্যলীলাসকল লিখলেন " গৌরগোবিন্দের নিত্যালীলা -গুটিকা" নামক গ্রন্থে।
সেই নিত্যালীলা গ্রন্থে বর্ণনা আছে -
গোলক নিত্যালীলায় জন্মাষ্টমীর তিন দিন আগে ব্রাহ্মন পুরোহিতগণের সাথে নন্দবাবার নহবত বসে -সর্বত্র নিমন্ত্রণ পাঠানো হয়।
জন্মাষ্টমীর দিন সকালে নন্দগ্রামে মহা মহোৎসবের মাধ্যমে ভাগুড়ি ঋষি মন্ত্র পাঠসহ নন্দভবনে সোনার চৌকি তে মা যশোদার চোখের মণি শ্রীকৃষ্ণকে বসিয়ে পঞ্চামৃত দিয়ে অভিষেক করেন,তারপর পবিত্র জল দ্বারা স্নান ও বস্ত্র পরিধান করে শ্রীকৃষ্ণকে ঋষি মুনিগণ আশীর্বাদ করেন।সেখানে বৃষভানু রাজা সহ রাধারানীও নিমন্ত্রিত থাকেন।সকলে কৃষ্ণচন্দ্র কে বধাই দেন ও বিভিন্ন উপহার দেন।সকলের অজান্তে রাধারানী নিজের গলার মুক্তার হার খুলে প্রাণনাথ শ্রীকৃষ্ণকে উপহার দেন।নন্দবাবা যশোদামা গোপালকে আশীর্বাদ করেন।
সমস্ত ব্রজবাসীগণ,দেবতাগণ তাঁরা সকলে দর্শন করেন,জয় ধ্বনি করেন,উপঢৌকন প্রদান করেন।নন্দ বাবা অনেক গাভী দান করেন ব্রাহ্মনগণকে - এইভাবে গোলকে প্রতি জন্মাষ্টমী তিথিতে আনন্দঘন ভগবান শ্রীকৃষ্ণের উদ্দেশ্যে মহাআনন্দ পালিত হয় -ইহা গোলকের নিত্য লীলার একটি বিশেষ লীলা যা প্রতি জন্মাষ্টমী তিথিতে পালিত হয়।যদিও কৃষ্ণ অনাদি অনন্ত,তথাপি গোলকের নিত্য লীলায় তিনি ওই তিথিতেই মা যশোদার পুত্র রূপে আবির্ভুত হয়েছিলেন।প্রতি ব্রহ্মান্ডে জন্মলীলায় ভগবান ওই তিথিতেই গোপাল রূপে আবির্ভুত হন।
**(রাধাষ্টমী তিথিতেও বরসনায় বৃষভানু রাজার গৃহে একই ভাবে পৌর্ণমাসিদেবী সকালে মন্ত্রসহ রাধারাণীর অভিষেক করেন,সকলে আশীর্বাদ করেন,উপঢৌকন প্রদান করেন,শ্রীকৃষ্ণ নিজের নীলকান্তমণি উপহার দেন রাধারানীকে)**
জন্মাষ্টমী তিথিতে দুপুরে সমস্ত ব্রজবাসী মহা আনন্দে নন্দভবনে মহাপ্রসাদ ভজন করেন,রাত্রে বিভিন্ন আনন্দদায়ক অনুষ্ঠান হয়। -এইভাবে ব্রজে নিত্য জন্মাষ্টমী পালিত হয়।
ভক্ত শিরোমণি শ্রীল কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামীর "গোবিন্দ লিলামৃত" গ্রন্থেও এইসব মধুর লিলাসকল আস্বাদন করা যায়।
আমার পরম গুরুদেব নরোত্তম পরিবারের রাধাকুণ্ডে কুটিয়াবাসী বাবা শ্রীল মদনমোহন দাস বাবাজি মহারাজ এই জন্মাষ্টমী তিথিতে এই মধুর নিত্যালীলা স্মরণপূর্বক সকালেই গিরিধারী শীলা বিগ্রহ ভগবানের অভিষেক করিতেন ।
#কথিত আছে ভগবানের শ্রীবিগ্রহ অভিষেকের সময় সাক্ষাৎ ভগবান ওই বিগ্রহে বিরাজ করেন -ওই সময় বিগ্রহ ভারী হয়ে যায় -ইহার অনেক প্রমান আছে।বরসনার এক সাধু এই গূঢ় তত্ব আমায় জানিয়েছিলেন যিনি নিজে এই রহস্য সাক্ষাৎ প্রমাণসহ উপলব্ধি করেছেন।এক্ষেত্রে একটি কথা জানাই -আজ থেকে 4 বছর আগে রাত্রি প্রায় ৮ টায় আমার গৃহে শ্রী গোপালদেব এর শ্রীবিগ্রহ অভিষেকের সময় -প্রায় 30/35 জন ভক্ত অভিষেক করার পর সব শেষে আমি আমার প্রাণের ঠাকুরজিকে অভিষেক করবো বলে পঞ্চামৃত সহ শঙ্খ হস্তে ধারন করে শ্রীগোপাল মূলমন্ত্র সহ গোপালের শ্রী বিগ্রহে তুলসীসহ পঞ্চামৃত দেয়া মাত্র গোপালজীউ উল্টে গিয়েছিল -মনে খুব দুঃখ পেয়েছিলাম -একটি বড় গামলার মধ্যে একটি থালার পাত্রকে ব্যালান্স করে ঠাকুরজিকে বসিয়েছিলাম -সেটা প্রায় পঞ্চামৃতে পূর্ণ হয়ে গিয়েছিল -গোপালকে একটু পাত্রের পিছন দিকে বসিয়েছিলাম - কিন্তু সকলের অভিষেক গ্রহণ করলেন -সর্বশেষ আমার প্রাণের গোপালজীউকে আমি অভিষেক করতেই উল্টে গেলেন -থালার পাত্রটি পিছন দিকে নিচু হয়ে গেল -মনে খুব দুঃখ পেয়েছিলাম -কোনো অপরাধ বোধ হচ্ছিল। কিন্তু পরে বরসনার এই সাধুর কথায় এখন যেন মনে একটু শান্তি পাই -আজ মনে হয় হয়তো ঠাকুরজি সেদিন সাক্ষাৎ বিরাজ করেছিলেন - তাই সেই ভারে পাত্র ব্যালান্স হারিয়ে ফেলেছিল অথবা ঠাকুরজি আমার অভিষেক গ্রহণ করার জন্য আনন্দে লাফিয়ে উঠেছিলেন,তাই উল্টে গিয়েছিল।জানিনা কি কারন -যাই হোক,অপরাধ হলে ভগবান ক্ষমা করিবেন নিশ্চয়ই।তবে এটা বলার কারন হল এটাই বোঝানো যে -ভগবানের এই তিথিতে অভিষেক কোনো সাধারণ সেবাকর্ম নয় ,ইহা মহা দিব্য,ভগবানকে আনন্দ ও প্রীতি দায়ক সেবাকর্ম।
আমার শ্রীগুরুদেবের নির্দেশে জন্মাষ্টমী অভিষেকের ওই নিত্যালীলা স্মরণ করার পরে সকালই(প্রায় সাড়ে ৮ টায়) আমার ঘরে ভগবান কৃষ্ণের শ্রীবিগ্রহ অভিষেক হবে -পাঠ,নামসংকীর্তন চলবে -অনেক ভক্তগণ এই মধুর মুহূর্তে আনন্দে সামিল হবেন।ওইদিন ভক্তদের ব্রত -উপবাস সম্ভব না হলে ফল জল প্রসাদ গ্রহণ করতে পারেন।শাস্ত্রে বলা হয়েছে - একটি জন্মাষ্টমী বা রাধাষ্টমী ব্রত 1 হাজার একাদশী ব্রতের সমান।
যদিও সব মঠ মন্দিরে রাত্রে অভিষেক হবে,আমার ঘরে অভিষেক হবে সকাল সাড়ে ৮টায় ।
যদি সম্ভব হয় ওই আনন্দ অনুষ্টানে সবাইকে নিয়ে আপনারাও চলে আসুন -নিমন্ত্রণ রইল।
রাধে রাধে।।

26/08/2018

Wishing you a very happy Jhulan Yatra...

02/05/2018

Lakshmi has numerous names and numerous ancient Stotram and Sutras of Hinduism recite her various names

Padma: Lotus-dweller
Kamala: Lotus-dweller
Padmapriya: One who likes lotuses
Padmamaladhara devi: One who wears a garland of lotuses
Padmamukhi: One whose face is as beautiful as a lotus
Padmakshi: One whose eyes are as beautiful as a lotus
Padmahasta: One who holds a lotus
Padmasundari: One who is as beautiful as a lotus
Sri: Goddess Sri Lakshmi, Opulence
Srija: Jatika of goddess Lakshmi
Jagadishwari: Supreme Mother who rules the universe
Vishnupriya: One who is the beloved of Vishnu
Ulkavahini: One who rides an owl
Her other names include: Ambika, Manushri, Mohini, Chakrika, Kamalika, Aishwarya, Lalima, Indira, Kalyani, Nandika, Nandini, Rujula, Vaishnavi, Samruddhi, Narayani, Bhargavi, Sridevi, Chanchala, Jalaja, Madhavi, Sujata, Shreeya, Prachi, Haripriya, Maheshwari, Madhu, Parama, Janamodini, Tripura, Tulsi, Ketki, Malti, Vidya, Vasuda, Vedavati, Trilochana, Tilottama, Subha, Chandika, Devi, Kriyalakshmi, Viroopa, Vani, Gayatri, Savitri, Apara or Aparajita, Aparna, Aruna, Akhila, Bala, Tara, Kuhu, Purnima, Aditi, Anumati, Avashya, Sita, Rama, Rukmini, Taruni, Jyotsna, Jyoti, Nimeshika, Atibha, Ishaani, Smriti, Durga, Sharanya, Shivasahodari Sri.

Today Wednesday ...Shree Ganesh 108 names and stratraগণেশ স্তোত্রংশুক্লাং বরধরং বিষ্ণুং শশিবর্ণম চতুর্ভুজম |প্রসন্নবদনং ...
02/05/2018

Today Wednesday ...Shree Ganesh 108 names and stratra

গণেশ স্তোত্রং
শুক্লাং বরধরং বিষ্ণুং শশিবর্ণম চতুর্ভুজম |
প্রসন্নবদনং ধ্য়ায়েত সর্ব বিঘ্নোপশাংতয়ে ||
অগজানন পদ্মার্কং গজানন মহর্নিশম |
অনেকদংতং ভক্তানা-মেকদংত-মুপাস্মহে ||

ওং গজাননায় নমঃ
ওং গণাধ্য়ক্ষায় নমঃ
ওং বিঘ্নারাজায় নমঃ
ওং বিনায়কায় নমঃ
ওং দ্ত্বেমাতুরায় নমঃ
ওং দ্বিমুখায় নমঃ
ওং প্রমুখায় নমঃ
ওং সুমুখায় নমঃ
ওং কৃতিনে নমঃ
ওং সুপ্রদীপায় নমঃ (1০)
ওং সুখ নিধয়ে নমঃ
ওং সুরাধ্য়ক্ষায় নমঃ
ওং সুরারিঘ্নায় নমঃ
ওং মহাগণপতয়ে নমঃ
ওং মান্য়ায় নমঃ
ওং মহা কালায় নমঃ
ওং মহা বলায় নমঃ
ওং হেরংবায় নমঃ
ওং লংব জঠরায় নমঃ
ওং হ্রস্ব গ্রীবায় নমঃ (2০)
ওং মহোদরায় নমঃ
ওং মদোত্কটায় নমঃ
ওং মহাবীরায় নমঃ
ওং মংত্রিণে নমঃ
ওং মংগল স্বরায় নমঃ
ওং প্রমধায় নমঃ
ওং প্রথমায় নমঃ
ওং প্রাজ্ঞায় নমঃ
ওং বিঘ্নকর্ত্রে নমঃ
ওং বিঘ্নহংত্রে নমঃ (3০)
ওং বিশ্ব নেত্রে নমঃ
ওং বিরাট্পতয়ে নমঃ
ওং শ্রীপতয়ে নমঃ
ওং বাক্পতয়ে নমঃ
ওং শৃংগারিণে নমঃ
ওং অশ্রিত বত্সলায় নমঃ
ওং শিবপ্রিয়ায় নমঃ
ওং শীঘ্রকারিণে নমঃ
ওং শাশ্বতায় নমঃ
ওং বলায় নমঃ (4০)
ওং বলোত্থিতায় নমঃ
ওং ভবাত্মজায় নমঃ
ওং পুরাণ পুরুষায় নমঃ
ওং পূষ্ণে নমঃ
ওং পুষ্করোত্ষিপ্ত বারিণে নমঃ
ওং অগ্রগণ্য়ায় নমঃ
ওং অগ্রপূজ্য়ায় নমঃ
ওং অগ্রগামিনে নমঃ
ওং মংত্রকৃতে নমঃ
ওং চামীকর প্রভায় নমঃ (5০)
ওং সর্বায় নমঃ
ওং সর্বোপাস্য়ায় নমঃ
ওং সর্ব কর্ত্রে নমঃ
ওং সর্বনেত্রে নমঃ
ওং সর্বসিধ্ধি প্রদায় নমঃ
ওং সর্ব সিদ্ধয়ে নমঃ
ওং পংচহস্তায় নমঃ
ওং পার্বতীনংদনায় নমঃ
ওং প্রভবে নমঃ
ওং কুমার গুরবে নমঃ (6০)
ওং অক্ষোভ্য়ায় নমঃ
ওং কুংজরাসুর ভংজনায় নমঃ
ওং প্রমোদায় নমঃ
ওং মোদকপ্রিয়ায় নমঃ
ওং কাংতিমতে নমঃ
ওং ধৃতিমতে নমঃ
ওং কামিনে নমঃ
ওং কপিত্থবন প্রিয়ায় নমঃ
ওং ব্রহ্মচারিণে নমঃ
ওং ব্রহ্মরূপিণে নমঃ (7০)
ওং ব্রহ্মবিদ্য়াদি দানভুবে নমঃ
ওং জিষ্ণবে নমঃ
ওং বিষ্ণুপ্রিয়ায় নমঃ
ওং ভক্ত জীবিতায় নমঃ
ওং জিত মন্মথায় নমঃ
ওং ঐশ্বর্য় কারণায় নমঃ
ওং জ্য়ায়সে নমঃ
ওং য়ক্ষকিন্নের সেবিতায় নমঃ
ওং গংগা সুতায় নমঃ
ওং গণাধীশায় নমঃ (8০)
ওং গংভীর নিনদায় নমঃ
ওং বটবে নমঃ
ওং অভীষ্ট বরদায়িনে নমঃ
ওং জ্য়োতিষে নমঃ
ওং ভক্ত নিথয়ে নমঃ
ওং ভাব গম্য়ায় নমঃ
ওং মংগল প্রদায় নমঃ
ওং অব্বক্তায় নমঃ
ওং অপ্রাকৃত পরাক্রমায় নমঃ
ওং সত্য় ধর্মিণে নমঃ (9০)
ওং সখয়ে নমঃ
ওং সরসাংবু নিথয়ে নমঃ
ওং মহেশায় নমঃ
ওং দিব্য়াংগায় নমঃ
ওং মণিকিংকিণী মেখালায় নমঃ
ওং সমস্ত দেবতা মূর্তয়ে নমঃ
ওং সহিষ্ণবে নমঃ
ওং সততোত্থিতায় নমঃ
ওং বিঘাত কারিণে নমঃ
ওং বিশ্বগ্দৃশে নমঃ (1০০)
ওং বিশ্বরক্ষাকৃতে নমঃ
ওং কল্য়াণ গুরবে নমঃ
ওং উন্মত্ত বেষায় নমঃ
ওং অপরাজিতে নমঃ
ওং সমস্ত জগদাধারায় নমঃ
ওং সর্ত্বেশ্বর্য় প্রদায় নমঃ
ওং আক্রাংত চিদ চিত্প্রভবে নমঃ
ওং শ্রী বিঘ্নেশ্বরায় নমঃ (1০8)

Address

Bagnan
Howrah
711303

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kalishankar Seva Ashram posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Kalishankar Seva Ashram:

Share