08/03/2026
শুনো হে শ্যাম মুরলীধারী আজ ভাঙ্গাবো তোমার ধারিজুরী ।। শ্রী শ্রী পরমেশ্বর দাস ঠাকুরের শ্রীপাঠে, তথা শ্রী শ্রী শ্যামসুন্দর পাঠ বাড়িতে -শ্রীশ্রী শ্যামসুন্দর জীউয়ে হোলীখেলা Pat-2.. শ্রীপাট -আটঁপুর, আনরবাটী, শ্যামেরপাঠ, হুগলি।।
দ্বাদশ গোপালের অন্যতম শ্রী শ্রী পরমেশ্বর দাস ঠাকুর ( ব্রজলীলার অর্জুন সখা) এর শ্রীপাট ।। It is a prominent pilgrimage of the Vaishnavas .
Shyam Er Path, Anarbati
Hooghly
712424
| Monday | 6am - 12:30pm |
| 1pm - 6:30pm | |
| Tuesday | 6am - 12:30pm |
| 4pm - 6:30pm | |
| Wednesday | 6am - 12:30pm |
| 4pm - 6:30pm | |
| Thursday | 6am - 12:30pm |
| 4pm - 6:30pm | |
| Friday | 6am - 12:30pm |
| 4pm - 6:30pm | |
| Saturday | 6am - 12:30pm |
| 4pm - 6:30pm | |
| Sunday | 6am - 12:30pm |
| 4pm - 6:30pm |
Be the first to know and let us send you an email when Shyam Sundar Path Bari posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.
Send a message to Shyam Sundar Path Bari:
It is a prominent pilgrimage of the Vaishnavas . Sri Chaitanya and Nityananda are being worshipped as RadhaKrishna and Balaram. There is a five hundred plus years old tree as well. দ্বাদশ গোপালের অন্যতম শ্রীশ্রী পরমেশ্বর দাস ঠাকুর ( ব্রজের অর্জুন সখা ) -এর শ্রীপাট। বৈষ্ণব ধর্ম জগতের নিকট অতি প্রবিত্র।
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর অন্যতম পার্ষদ ও শ্রী নিত্যানন্দ মহাপ্রভুর মন্ত্রশিষ্য শ্রীশ্রী পরমেশ্বর দাস ঠাকুর এই শ্রীপাট প্রতিষ্ঠা করেন। ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ব্রজলীলার একান্ত অনুচর ' অর্জুন ' নামক সখার রূপান্তরিত কলেবর পরমেশ্বর দাস ঠাকুর মহাশয় বর্ধমান জেলার কেতুগ্রামে , কায়ুগুপ্ত শাখায় এক বর্ধিষ্ণু বৈদ্য পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন ( ইনি গৌড়রাজ শশাঙ্ক গুপ্তের উনিশতম বংশধর ) ।
গৌড়ীয় বৈষ্ণব মন্ডলে যে দ্বাদশ গোপালের শ্রীপাট-এর উল্লেখ পাওয়া যায় ( হুগলী জেলায় চারটি অবস্থিত ) এই শ্রীপাট তার মধ্যে অন্যতম।
এই শ্রীপাটের শ্রীমন্দিরে সেবিত শ্রীরাধা-শ্যামসুন্দরজীউ নিত্যানন্দদেবের সেবিত বিগ্রহ , যা নিত্যানন্দদেবের অপ্রকটের পর নিতাই-গৃহিণী মাতা জাহ্নবাদেবীর আদেশে পরমেশ্বর দাস এই স্থানে নিয়ে আসেন ও শ্রীপাটের প্রতিষ্ঠা করেন। পরমেশ্বর দাস ঠাকুর ব্রজলীলাকে নদীয়ালীলার ভাবে প্রকাশ ঘটিয়ে , শ্রীমতি রাধারানী ও শ্রীশ্যামসুন্দরজীউর যুগল বিগ্রহকে গৌরাঙ্গ রূপে এবং শ্রী বলদেবজীউকে নিত্যানন্দের পূর্বদেহ রূপে একাসনে প্রতিষ্ঠা করেন ( এই বিগ্রহ ষোড়শ শতাব্দীর )। একই আসনে বলরাম ও যুগল বিগ্রহ এই শ্রীপাট ব্যাতিরেকে অন্য কোথাও নাই।