AnandamoyeeMa Temple

AnandamoyeeMa Temple Information about Hindu Temple of medival era

09/10/2025
11/09/2025

হবু চন্দ্র রাজার গবু চন্দ্র মন্ত্রী - 1
দিদির সফটওয়ার
অধুনা ছোটো ছোটো বাড়ির ক্ষেত্রেও রেরা আইন চালু হয়েছে। রেরা আইনের মূল উদ্দেশ্য হলো প্রোমোটাররা ফ্ল্যাট খরিদ্দারের টাকায় বাড়ি করার জন্য টাকা নিয়ে যাতে বাড়িটা ঠিক মতন তৈরী করে সেই দিকে নজর রাখার জন্য একটা প্রতিষ্টান। যাতে খরিদ্দার দের টাকাটা সদ ব্যবহার হয়। কোনো প্রোমোটার যাতে টাকাটা নিয়ে পালতে না পারে। এই আইন যাতে সবাই মানে সেই জন্য আইন করা হয়েছে ‘রেরা’ রেজিষ্টেশন ছারা পৌরসভা কমপ্লিসান সার্টিফিকেট দেবে না। কিন্তু যে সমস্ত প্রোমোটাররা নিজের টাকাতে বাড়ি তৈরী করে তাকে কেনো ‘রেরা’ রেজিস্ট্রি করতে হবে?
পৌরসভা কেনো সেই সব প্রোমোটার এর ক্ষেত্রে রেরা রেজিস্ট্রেশন ছারা সি. সি. দেবেনা ?

এমন ভাবে সফটওয়ার তৈরী হয়েছে যে রেরা রেজিস্ট্রেশন ছারা online এ এপ্লিকেশন এর দরখাস্ত জমা করা যাবে না। যতই কেনো সুন্দর ভাবে বাড়ি করা হোক না কেনো ?

রেরা আইন নিয়ে সুপ্রিমকোর্ট বলেছে কিছু রিটায়াড় প্রশাসকদের পুনরায় চাকুরী দেওয়ার জন্য করা হয়েছে। বড় বড় বহুতল বাড়ির রেরা আইনের জন্য যে সফটওয়্যার ছিলো সেই সফটওয়্যারকে কপি করে ছোটো ছোটো বাড়ির ক্ষেত্রেও লাগানো হয়েছে।

রেরা আইন রেজিস্ট্রি করতে 20-25 হাজার টাকা খরচ। সেই টাকা ফ্ল্যাট খরিদ্দারের ঘাড়ে পরবে। 20 হাজার টাকার এক গাড়ি বালি 30 হাজার টাকা দিয়ে কিনতে হবে। একটা ইটের জন্য সিন্ডিকেট দেড় টাকা ট্যাক্স নেবে। এক গাড়ি পাথরের জন্য 15000 টাকা জিজিয়া কর লাগে। এছারা পাড়ার ক্লাবের ঘর সারিয়ে দেওয়ার খরচ, দোল, দুর্গোৎসব ঈদের চাঁদা তো আছেই।

প্রশাসনের ঘুষের টাকা জমি মিউটেশন করা থেকে প্ল্যান sanction করা, সি.সি.র টাকা সব আছে। এইসব টাকা যোগ করলে মানে জিজিয়া কর যোগ করলে স্কোফুটে 1000 টাকা বাড়তি খরচ।

মধ্যবিত্তের মাথার উপর ছাদ দিতে দিদির প্রশাসনের সচেষ্ট হওয়া দরকার । সাবসিটি লাগবে না জিজিয়া কর বন্ধ হউক। গব্বর সিং ট্যাক্স বন্ধ হোক। দলিল রেজিস্ট্রির 400 টাকা স্কোফিটের খরচ কমানো হোক।

23/05/2025

পঃ বাংলায় আবার বিধানসভার ২০২৬ সালের নির্বাচন আসছে। ইতিমধ্যে কলিকাতার কিছু Taxi Driver (অবাঙ্গালি ) বিজেপির হয়ে হালকা প্রচার চালাতে আরম্ভ করেছে। বাঙ্গালিদের মন জানতে চাইছে। আমি একটা App Based Taxi তে উঠেছিলাম। খানিকটা যাওয়ার পর সে জিজ্ঞাসা করলো Sir দেশের খবর কি? আমি একটু অন্যমনস্ক ছিলাম বললাম কোন দেশ? ভারতবর্ষ? সে বলল আমরা ভারতবাসী, ভারত ছারা কি আমেরিকার কথা জানতে চাইবো? আমি বললাম কি আবার খবর বলবো? যুদ্ধ, জিনিসপত্রর দাম সংসার চালানো দায়। ভারত ছারা কি পৃথিবীর অন্য দেশে জিনিসের দাম কমেছে? আমি বললাম, দেখো রাশিয়া কত কম দামে পেট্রল বিক্রি করলো কিন্তু মালাইটা আম্বানি খেলো। ভারতবাসির থেকে মোদীজি পেট্রোলের আরো দাম বারিয়ে টাকা নিলো। এটা পৃথিবীর অন্য দেশে বোধহয় হয় না। কথায় কথায় সে জানালো সে উত্তর প্রদেশের বালিয়ার বাসিন্দা। যোগীজি উত্তর প্রদেশকে খুব উন্নত করেছে। আখিলেশ যাদবের কোনো chance নেই । সে আরো জানালো ভারত স্বাধীন হওয়ার 15 দিন আগে বালিয়া আর বাংলার মেদিনীপুর নিজের থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিল। তারপর সে বলল BRITISH বাংলাকে সাজিয়ে দিয়ে গেছিলো তারপর কমুনিস্ট আর মমতা মিলে বাংলাকে পিছনের দিকে ঠেলে নিয়ে গেছে। ২০২৬ সালে এদের যদি না হঠানো যায় তবে এটা মুসলিম প্রধান দেশ হয়ে যাবে। আমি বললাম দেখো বাঙালিকে মারবার জন্য বাংলা পার্টিশন করে দেশ স্বাধীন হয়েছে। বাংলা এমন অবৈজ্ঞানিক ভাবে ভাগ করা হয়েছে যে কলকারখানা পঃবাংলায় Raw Material পূর্ববাংলায়। উত্তর-পূর্ব রাজ্য গুলিতে যাতায়াতের বা সংযোগের কোনো রাস্তা রাখা হয়নি। ভৌগোলিক ভাবে ক্রুটিপূর্ণ পার্টিশন Reopen করে রাষ্ট্রপুঞ্জের সাহায্যে নতুনভাবে পার্টিশন না করলে পূর্ব ভারতের মানুষ বহু কষ্টে থাকবে। মুর্শিদাবাদে মুসলমান স্বাধীনতার আগে থেকে সংখ্যা গরিষ্ঠ। ওদিকে যশোর, নোয়াখালী, বরিশাল ইত্যাদি হিন্দু গরিষ্ঠ দেশ ছিলো। চট্টগ্রাম Port ভারতের হাতে থাকা দরকার। নচেৎ পাকিস্তানি জঙ্গিদের সাহায্যে বাংলাদেশ ভারতের উত্তরপূর্বে মহা সমস্যা তৈরী করবে। Taxi Driver টির Stock সিমিত ছিলো। সে এইসব সমস্যার সমাধানের ব্যাপারে কিছু বলতে পারছিলো না। বোধহয় মনে মনে বলছিলো তোমরা মাছ খাওয়া ব্যাঙ্গালি মোল্লাদের হাতে মরবে, তোমাদের কিচ্ছু হবে না।

04/05/2025

রাজনীতির সেকাল ও একাল…..
সেই সময় কমরেড জ্যোতি বসু পঃ বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। কংগ্রেস পার্টি থেকে প্রিয়রঞ্জন দাসমুন্সী ত্যাগপত্র দিয়ে দেবরাজ আরস এর দলে চলে গেছেন। সোমেন মিত্র কেন্দ্রের নির্দেশ মতন চলছেন। কিন্তু সুব্রত মুখার্জ্জিকে কিছুতেই বাগে আনা যাচ্ছে না। রোজ একটা না একটা আন্দোলন করছেন। একদিন তো বিধানসভার গেট বন্ধ থাকার জন্য বিধান সভার উঁচু উঁচু রেলিং টপকে ভেতরে ঢুকতে গেলেন। পুলিশ উনাকে কড়া ভাবে ট্যাকেল করতে ভয় পেতো। একজন প্রাক্তন পুলিশ মন্ত্রীকে কি ভাবে লাঠি হাতে control করবে? শেষ মেস খবরটা ইন্দিরা গান্ধীর কানে গেলো। ইন্দিরাজি সুব্রত মুখার্জ্জিকে দিল্লিতে ডিনার খেতে ডাকলেন। তাকে বোঝালেন আন্দোলনের তীব্রতা কমানোর জন্য। বলেছিলেন একটা নির্বাচিত সরকারকে ভেঙ্গে দিয়ে রাষ্ট্রপতি শাসন দেওয়া যায় না। সুব্রত মুখার্জ্জি কলকাতায় ফিরে আর অত আন্দোলন করতেন না। তখুন আমরা রাজনীতিটা বুঝতে পারতাম না। অনেকদিন পরে বুঝেছিলাম যে বামপন্থীদের লোকসভার 40 টা ভোট কংগ্রেস পার্টির খুব প্রয়োজন ছিলো।
আজকাল শুভেন্দু অধিকারি মনে করছে ২০২৬ এর নির্বাচনে বিজেপি যদি গরিষ্টতা পায় তবে উনি মুখ্যমন্ত্রী হবেন। বিজেপির অন্য নেতারা যেন তাকে ডিঙ্গিয়ে না যেতে পারে সেই জন্য উনি একটু বেশিই পেশি ফোলাচ্ছেন।
এদিকে লোকসভা রাজ্যসভা মিলিয়ে TMC র কত ভোট আছে তার কি হিসাব আছে? অমিত শাহের কাকে বেশি প্রয়োজন? নিশ্চই শুভেন্দু অধিকারি কে নয়। অতএব শুভেন্দু সংযত হও। সময়ের জন্য অপেক্ষা করো।
অন্যদিকে দিদি জয় জগন্নাথ করে হিন্দু ভোটে থাবা মেরে দিয়েছেন। শুভেন্দু মন্দিরে যায়নি। বাংলার হিন্দুদের অভিভাবক শুধু ওনার নেতৃত্বে বিজেপি থাকবে। এটাই ছিলো অভিলাস। দিদি বারা ভাতে ছাই দিয়ে দিলো।

27/04/2025

যোগ্য ও অযোগ্য……
২০০০০ শিক্ষকের পোস্টে নিয়োগ করবার জন্য বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছিল। ৫ লক্ষ চাকুরী প্রার্থি আবেদন করেছিল। নিয়োগ কর্তারা এমন ভাবে প্রশ্ন পত্র তৈরী করেছিল যাহাতে কেউ পাস করতে না পারে সবাই অযোগ্য হয়ে যায়।। এদের মধ্যে থেকে ও প্রশ্নপত্র লিক করে ২০০০০ প্রার্থিকে পাস করানো হয়েছিল। তাহারা মানুষের চোখে যোগ্য। বাকি ৫ লক্ষ প্রার্থি অযোগ্য।
প্রাইমারি ছাত্রদের পরাতে হবে। এর জন্য কোনো রকেট সাইন্স জানার দরকার ছিলো না। অভিযোগ উঠেছে অযোগ্য দের থেকে টাকা নিয়ে চাকুরী দেওয়া হয়েছে। আর যারা প্রশ্নপত্র আগে থাকতে হাতে পেয়ে পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে? তারা ও টাকা দিয়েছে, অপেক্ষাকৃত কম টাকা দিয়েছে। এই অব্যবস্থা বামফ্রন্টের সময় থেকে চলছে । তখুন পার্টির সম্পর্কের লোক ছারা কাহাকেও চাকুরী দেওয়া হোতো না। ব্যাপারটা মানুষের চোখে খারাপ লাগছিলো। জ্যোতি বাবু স্কুল সার্ভিস কমিশন চালু করলেন। কমিশনের বাবুরা টাকার বিনিময়ে প্রশ্নপত্র ফাঁস করতে আরম্ভ করলেন।
অনুপাতটা লক্ষ করুন ২০ হাজার পোস্টের জন্য ৫ লক্ষ পরীক্ষার্থী। অত খাতা কি দেখা সম্ভব ? সরকারি চাকুরী, মানুষ লক্ষ লক্ষ টাকা দিয়ে সরকারি চাকুরীটা পেতে উঠসুক। অভিযোগ 625 কোটি টাকার সম্পত্তি ঘুষখোরদের থেকে উদ্ধার হয়েছে।
সরকার যদি প্রতিটা চাকুরীর জন্য 6লক্ষ টাকা deposit নিয়ে চাকুরীটা দিত। টাকাটা প্রার্থির প্রভিডেন্ট ফান্ড হিসাবে থাকতো। Retirement এর সময় টাকাটা প্রার্থিকে সুদ সমেত ফেরত দেওয়া হোতো। সবার কল্যাণ হোতো। যোগ্য অযোগ্য ব্যাপারটা আর থাকতো না। ঘুষের ব্যাপারটা উঠে যেত। যথার্থ শিক্ষা দেওয়া জন্য নামকরা শিক্ষকের VDO চালিয়ে পড়ানো হোক। আর প্রতি সপ্তাহে ছাত্রদের পরীক্ষা নেওয়া চালু হোক। যথার্থ শিক্ষা ব্যবস্থা চালু হোক। আদালতে মামলা করে না অব্যবস্থার বিচার সম্ভব না ঘুষের ব্যাপার বন্ধ করা যাবে।

27/04/2025

Advocate Prasanta Bhusan AND CORONA Vaccine…
অ্যাডভোকেট প্রশান্ত ভূষণ একটি প্রবন্ধে লিখেছিলেন কেন উনি অপরিক্ষিত Vaccine কে সন্দেহ করেন ? কিন্তু ওনার লিখিত প্রবন্ধটি WIRE, HINDU, Indian Express, NDTV ছাপতে অস্বীকার করে। ঐ সমস্ত মিডিয়াকে অনেক টাকা দেওয়া হয়েছিল যাহাতে করোনা ভ্যাকসিনের বিরুদ্ধে কোনো লেখা না ছাপে।
করোনা ভাইরাসে পৃথিবীর লক্ষ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয়। Dr. Antony Fauci এই করোনা scam এর Fountain Head ছিলেন। বহু টাকা খরচ করে করোনা ভাইরাস বানিয়েছিলেন আবার বহু টাকা খরচ করে Vaccine বানিয়েছিলেন। এই vaccine বিক্রি করে বহু টাকা লাভ করবার জন্য সারা পৃথিবীর Regulator নিয়ে একটি GROUP তৈরী করেছিলেন। সরকার করোনা ভাইরাস নিয়ে অনেক Panic তৈরী করেছিল। হঠাৎ করে লকডাউন করে সমস্ত প্রতিষ্টান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। MASK পরানো হয়েছিল। স্কুল, কলেজ, কোর্ট, কাছারি, কল কারখানা, অফিস সব বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। প্রশান্ত ভূষণ অভিযোগ করেছেন এতো সব কিছুর কোনো প্রয়োজন ছিলো না। প্রশান্ত ভূষণের অভিযোগ এই vaccine অপরিক্ষিত ছিলো। বলপূর্বক এই vaccine মানুষকে নিতে বাধ্য করা হয়েছিল। এই vaccine এর side effect এ বহু মানুষের হার্ট-অ্যাটাক,থ্রম্বোসিস, blood clot, brain damage, ফুসফুসের অসুখ হয়েছে। এই side effect এর ক্ষতি বহু বছর ধরে চলবে। বহু মানুষের কোমর থেকে পায়ের পাতা অবধি অবশ মতন হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু ভারত সরকার তথ্য বিশ্লেষণ করে ভারতবাসীকে জানায়নি এই vaccine এর কারনে মানুষের কি ক্ষতি হয়েছে বা হচ্ছে সেই তথ্য। মানুষের life expectancy কমে গেছে।
প্রশান্ত ভূষণ বলেছেন ৮০% মানুষ vaccine নিয়েছিল। ২০% মানুষ vaccine নেয়নি। উনি মানুষের কাছে আবেদন করেছেন যাহাতে একটা database তৈরী করে দেখা হয় যাহারা vaccine নিয়েছে তাহাদের কি কি side effect হয়েছে। আর যাহারা vaccine নেয়নি তাদের কি কি side effects হয়েছে বা কোনো side effect হয়নি।
প্রশান্ত ভূষণ অভিযোগ করেছেন একটা শয়তান দের জাল তৈরী করা হয়েছিল। একটা মহামারী তৈরী করে পৃথিবীর অর্ধেকের বেশী মানুষকে খতম করে দেওয়ার চক্রান্ত।
রবার্ট কেনেডি আমেরিকার Health Secretary হওয়ার পর আশা করা যায় Dr. Anthony Fauci র চক্রান্ত আসতে আসতে ফাঁস হবে।
ভারত সরকার সুপ্রিমকোর্টের আদেশ মোতাবেক vaccinate বনাম non-vaccinate এর তথ্য প্রকাশ করেনি।
Dr. Antony Fauci vaccine এর মাধ্যমে মানুষের নানা রকম ফেরের অসুখের ব্যবস্থা করেছেন। আজকাল মানুষ vaccine কে সন্দেহের চোখে দেখে।
Medical Journal এর প্রবন্ধগুলি ও মানুষ আর বিশ্বাস করেনা।
এলোপেথিক মেডিসিন ডাক্তার বাবুদের সহায়তায় এমন ভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে যে একবার খেলে বাকি জীবন খেয়ে যেতে হবে। ব্লাড প্রেসারের ঔষুধ, ডায়াবেটিসের ঔষুধ, ইন্সুলিন, হাঁপানির ঔষুধ, প্রস্টেট গ্ল্যান্ডের ঔষুধ, বাতের ব্যাথার ঔষুধ ইত্যাদি ইত্যাদি। মেডিসিন ইন্ডাস্ট্রির কাছে মানুষ একটা পণ্য।

10/04/2025

এতো বিকলাঙ্গ শিশু জন্মাচ্ছে কেনো?
সমাজে বিকলাঙ্গ শিশুর সংখ্যা সাংঘাতিক হারে বেরে গেছে। এইরকম শিশুর বাবা মায়ের জীবন নরক হয়ে যাচ্ছে।
ঋতু বন্ধের পর মহিলা নানা অসুবিধার কথা চিন্তা করে ঠিক করলেন সন্তান নেবেন না। নানান জনের বুদ্ধি নিয়ে unwanted 72 থেকে হোমিও প্যাথিক, এলোপ্যাথিক, আয়ুর্বেদিক ওষুধ খেতে লাগলেন। কিন্তু বন্ধ ঋতু খুলে গিয়ে আবার ঋতুবতী হতে পারলেন না। অনেক দেরিতে হাসপাতালে গিয়ে ABORTION করার কথা ভাবলেন। কিন্তু দেরি করে যাওয়ার জন্য ডাক্তার বাবু ABORTION করতে রাজি হোলেন না। এদিকে নানান রকমের ওষুধের side effect এ ভ্রূণের উপর আঘাতের ফলে গর্ভস্থ সন্তানের নার্ভাস system এর উপর চোট পরার ফলে বিকলাঙ্গ সন্তানের জন্ম হয়। মায়ের ও নার্ভাস system ক্ষতিগ্রস্থ হয়। এইরকম সন্তানের পিতা মাতা সারা জীবনের জন্য দুঃখ দুর্দশা গ্রস্ত হয়ে পরে। মায়ের পক্ষে আর চাকুরী ইত্যাদি করার সময় থাকে না। বাকি জীবনটা ঐ বিকলাঙ্গ সন্তানের পেছনে ব্যাস্থ থাকতে হয়। পিতা মাতার মৃত্যুর পর ঐ বিকলাঙ্গ সন্তান না নিজেকে সামলাতে পারবে না তাকে কেউ দেখবে। এই বিষয়টা সরকারি সমাজ কল্যাণ দপ্তরের প্রচার করা প্রয়াজন।

এই লেখাটি বাংলাদেশী নাবালিকাদের জন্য উৎসর্গ করলাম।নাবালিকাটি একটি সুন্দর ছেলের প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছিলো। ছেলেটি দেখতে যে...
03/12/2024

এই লেখাটি বাংলাদেশী নাবালিকাদের জন্য উৎসর্গ করলাম।
নাবালিকাটি একটি সুন্দর ছেলের প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছিলো। ছেলেটি দেখতে যেমন সুন্দর তেমনি মেয়েটির পিছনে অনেক টাকা খরচ করত। একদিন মেয়েটিকে বলল, চলো ভারতের বনগাঁতে বনশ্রী সিনেমাতে সিনেমা দেখতে নিয়ে যাবো। মেয়েটি তার প্রেমিকের সাথে বনশ্রী সিনেমাতে সিনেমা দেখলো। খুব ভালো লাগলো। বিকেল বেলা বাড়ি ফিরে গেলো। ছেলেটি এবার বলল, চলো কোলকাতার ওখানে বেড়াবার অনেক যায়গা আছে খুব ভালো লাগবে। মেয়েটি ছেলেটির প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছিলো। ছেলেটি বলল বাড়িতে বলে আসবে ফিরতে দেরি হবে। এদিকে ছেলেটি যে ‘আরকাঠি’ মেয়েটি তা সন্দেহ করতে পারেনি। ছেলেটি কোলকাতার সোনাগাছিতে মেয়েটির ছবি পাঠিয়েছিল দামাদামি হয়ে গেছিলো। একদিন মেয়েটিকে কোলকাতায় নিয়ে আসার নাম করে সোনাগাছির একটি বাড়িতে তুলল। একবেলা থেকে বিকেলে বলল ‘আমি একটু আসছি’ বলে সেই যে গেলো আর কোনোদিন আসলো না। মেয়েটিকে দরজা বন্ধ করে রাখা হোতো। ঠিক মতন খাবার দেওয়া হোতো না। খরিদ্দার এলে জোর করে খারাপ কাজ করতে বাধ্য করা হোতো। মেয়েটি ভারতে অবৈধ ভাবে এসেছে তার কোনো ভারতে পরিচয় পত্র নেই। এইরকম মানুষের ভারতে খুন হয়ে গেলেও কোনো রেকর্ড থাকবে না। প্রশাসনের কোনো দায়িত্ব থাকবে না। প্রশাসনকে কারোর কাছে জবাব দেহি করতে হবে না। একদল Human Organ ব্যবসায়ী এইরকম মানুষ খুঁজে বেড়ায়। মেয়েটিকে কয়েকদিনের মধ্যে উত্তর প্রদেশে চালান করা হলো। দালাল তার দুটো কিডনির বিক্রির ব্যবস্থা করলো। কিছুদিনের মধ্যে তার দুটো কিডনি, চোখ ও শরীরের নানা অঙ্গের খারিদ্দার ঠিক করে বিক্রির ব্যবস্থা হয়ে গেলো।
নাবালিকাটি তো খতম হয়ে গেলো কিন্তু ভারতের রেকর্ডে কোনো কিছু থাকলো না। ভারতের দুর্নীতিগ্রস্ত প্রশাসন আরো মোটা হয়ে গেলো।
এই ভাবে বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটান বা মায়ানমার থেকে বিনা পরিচয় পত্রে বেআইনি ভাবে ভারতে আসছে। তারা জানেনা তাদের শরীরের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ নিয়ে এক শ্রেণীর Human Organ ব্যবসায়ীর কাছে তারা জীবন্ত পণ্য। এরা ভারত সরকারের থেকে কোনো social security পাবে না। তাদের ভারত থেকে হারিয়ে যাওয়ার কোনো রেকর্ড থাকবে না। তাদের হারিয়ে যাওয়ার জন্য কোথাও জবাবদিহি করতে হবে না।
মেক্সিকো থেকে যাহারা বিনা কাগজে আমেরিকাতে প্রবেশ করে তাদের ভাগ্যেও একই রকম ঘটনা ঘটে।

চ্যাপলিনের জমিতে কোলকাতা পৌরসভার নতুন ভবন।পুরাতন কোলকাতার পৌরসভার পাশেই নতুন পৌরসভার ভবন তৈরী হয়েছে। 25000  হাজার বর্গফু...
03/12/2024

চ্যাপলিনের জমিতে কোলকাতা পৌরসভার নতুন ভবন।
পুরাতন কোলকাতার পৌরসভার পাশেই নতুন পৌরসভার ভবন তৈরী হয়েছে। 25000 হাজার বর্গফুট অফিস স্পেস। বেসমেন্টে কয়েকশো গাড়ি রাখার ব্যবস্থা হয়েছে। কিন্তু সিদ্ধান্ত হিনতায় এখনই গাড়ি রাখা যাবে না। 2003 সালে বামফ্রন্ট এই জমিতে পুরভবন তৈরির সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু 2019-2020 সালে বাড়িটি construction এর কাজ শুরু হয়। ইতি মধ্যে নতুন সরকার পৌরসভাতে Automation চালু করেছে। পুরাতন পৌরসভা বাড়িটিতে কর্মচারী কম টেবিল চেয়ার বেশী। কোলকাতায় পৌরসভা অনেক বাড়ি বা অফিস স্পেস আছে। মনে হয় কতো বাড়িতে পৌরসভার বাড়ি বা অফিস স্পেস আছে। তা পৌরসভা নিজেও জানেনা। গড়িয়াহাটে একটি চারতলা বাড়িতে পৌরসভার অফিস আছে কিন্তু বেশিরভাগ Department উঠে লাল বাড়িতে চলে গেছে। লেকমলে কলকাতা কর্পোরেশনের বিরাট Office space আছে, বেশিরভাগই খালি। Tangular Park এ বিরাট অফিস আছে। কিন্তু অনেক খালি। এইভাবে added area গুলির বিরাট বিরাট বাড়ির বেশিরভাগ আংশিক ব্যবহার হয়। লাল বাড়ির পাশেই নিজাম হোটেলের উপরে পৌরসভার ৬ নং বোরোর অফিস। একটু পরে পৌরসভার HIDCO Building। তার একটু আগে পৌরসভার আরেকটি বাড়ি। মধ্যে কলিকাতায় পুটিরামের দোকানের পাশে আরেকটি দোতলা বাড়ি। আরো আরো বাড়ি আছে।
নতুন বাড়িটির পুরোটি AC করা হয়েছে। পৌরসভার বেশিরভাগ অফিসে AC লাগানো। AC মানে মাসে মাসে electric bill এর শ্রাদ্ধ হবে। থাকবে caretaker, security guard, maintenance খরচ। সব খরচ মাত্র কয়েকজন Tax payer এর টাকা থেকে খরচ হবে। কোলকাতার যেসব এলাকাতে বস্তি আছে সেখানে রাস্তার আলো থাকে। মোটা জল দেওয়া হয়। কিন্তু যাহারা Tax দেয় পৌরসভা তাদের আলো বা পানীয় জলের ব্যবস্থা নিয়ে মোটেও চিন্তা করে না।
ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়ার মশা মারবার জন্য কোলকাতা পৌরসভা একটিও টাকা খরচ করেনা।
তেলা মাথায় তেল দিয়ে অফিস স্পেস বাড়ানো হচ্ছে। যার কোনো প্রয়োজন ছিলোনা।
দিল্লিতে সুন্দর লোকসভা বাড়ি থাকা সত্ত্বেও নরেন্দ্র মোদী আবার একটি লোকসভা বাড়ি বানিয়েছে। এসব কার স্বার্থে করা হয়েছে?
কলিকাতা পৌরসভায় কতগুলি বাড়ি আছে তার কি কোনো রেকর্ড আছে? কর্মচারীর সংখ্যা কতো? এর কি কোনো অডিট হয়?
নেতাজির স্মৃতি বিজড়িত লালবাড়ি একটি Heritage Building। এটিকে ভেঙ্গে নতুন বাড়ি কোনো দিনও করা যাবে না। এটি থেকে পৌরসভার অফিস গুলি সরিয়ে নিয়ে এখানে musium করার কোনো পরিকল্পনা থাকলে সেটি ভুল সিদ্ধান্ত হবে। কলিকাতার পথঘাট, পানীয় জল, ড্রেন এবং ডেঙ্গু ম্যালেরিয়ার মশা মারার জন্য অনেক অর্থের প্রয়োজন। Property Tax এর টাকা অতি প্রয়োজনীয় বিষয়ে খরচ করা হোক।

29/10/2024

‘ দেশটা তোমার বাপের নাকি ?’
মনে হয় শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে গানটি লেখা। এরপরে বলা হয়েছে ‘কিছু করলেই ধরছ চেপে জনগণের গলা’ তারপর বলা হয়েছে ‘মনে রেখো যুদ্ধ করে দেশ পেয়েছি’। প্রশ্ন হলো কে যুদ্ধ করেছিল? উত্তর হলো শেখ মুজিবুর রহমানের আওয়ামীলীগের পার্টির নেতৃত্বে মুক্তি বাহিনী তৈরী করেছিল। পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালিদের উপর পশ্চিম পাকিস্তানের অবাঙালি মুসলমানরা অবর্ণনীয় পাশবিক অত্যাচার চালাচ্ছিলো। হিন্দু বাঙালিদের উপর অত্যাচার তসলিমা নাসরিনের লজ্জ্যা বইয়ে উল্লেখ আছে। মুসলিম সমাজ বাঙ্গালী মুসলিম ও অবাঙালি মুসলিম দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। কিন্তু বাঙালী হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের হাতে কোনো অস্ত্র ছিলো না। ওদিকে পশ্চিম পাকিস্তানের নেতৃত্বে খান সেনাদের হাতে অত্যাধুনিক অস্ত্রের সাহায্যে তারা পূর্ব পাকিস্তানের বিদ্রোহ দমন করতে সেনা পাঠিয়েছিল। বাঙালিদের উপর বর্বরচিত অত্যাচার এপার বাংলার মানুষজন সহ্য করতে পারছিলো না। ইন্দিরা গান্ধী বাঙালিদের ব্যাপারে বিশেষ লক্ষ্য রাখছিলেন। পরলোকগত সির্দ্ধার্থ শঙ্কর রায় কে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ‘ বাংলাদেশ বিষয়ে’ করেছিলেন। জেনারেল ম্যানেক শা কে পূর্ব পাকিস্তানে যুদ্ধ করতে পাঠিয়েছিলেন। ভারতের সাথে যুদ্ধে পাকিস্তান পরাজিত হয়। পাকিস্তানী সেনা নায়ক নিয়াজি ম্যানেক শা এর হাতে বন্দি হয়। যদিও ভারতীয় সেনা সেই যুদ্ধে জয়ী হয়েছিল কিন্তু সেই দেশের শাসনভার শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে অর্পণ করা হয়। ভারতীয় সেনা বাংলাদেশ ছেরে চলে আসে।
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ঐ গানের একটি লাইন ‘মনে রেখো যুদ্ধ করে দেশ পেয়েছি’ কথাটি ভুল। যুদ্ধ ভারত করেছিল। বহু ভারতীয় সেনা মারা গেছিলো। পশ্চিম বাংলার অর্থনীতি, রাজনীতি, সমাজব্যবস্থা বাংলাদেশ থেকে বন্যার জলের মতন উদ্বাস্তু আসবার জন্য প্রায় ধ্বংস হয়েছিল। গানটি সংশোধন করে বলা হোক ‘মনে রেখো ভারত যুদ্ধে জিতে দেশ দিয়েছে’। বাংলাদেশিরা মীরজাফরের আত্মীয় বলে পরিচিত হয়েও না।
ইন্দিরা গান্ধীর নেতৃত্বে ভারত সরকার কেবল মাত্র আবেগের বসে বাংলাদেশে যুদ্ধ করেছিল। এই যুদ্ধের প্রতিটি খরচ খরচা ভারত সরকার ভারতবাসীদের ট্যাক্স এর টাকায় করেছিল। যার পরিমান অন্তত এক লক্ষ কোটি টাকা হবে। বাংলাদেশের যুদ্ধে শেখ মুজিবর রহমানকে সাহায্য করবার জন্য ইন্দিরাজি রাজনীতিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ভারতীয় অবাঙালি মুসলিমরা কংগ্রেসকে ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকেন।
আমার ধারণা এই যুদ্ধ যদি মোদানি সরকার করত তবে প্রতিটি গ্যাটের করি থুতু দিয়ে সুদে আসলে নিয়ে নিত। আর RAW কে পাঠিয়ে Operation Clean Up না করে বাংলাদেশ ছাড়তো না।

25/08/2024

Collector of GST
সরকারি খাজনা আদায় করার জন্য সরকারি আমলা থাকে। যাহাদের Tax Collector বলা হয়। বেসরকারি মানুষ এর সরকারি Tax আদায় করা সম্পূর্ণ বেআইনি ও শাস্তি যোগ্য অপরাধ। কিন্তু GST collection এ যেকোনো দোকানদার থেকে ব্যবসায়ী করতে পারে । আজকাল সবকিছু প্যাকেট জাতীয় পণ্য তে GST লাগে। Mobile recharge এ ও GST। আটা, ময়দা, তেল, চাল, মুড়ি, চিড়ে সবকিছুতে GST। সিমেন্ট, লোহা, পাথর, Paint ইত্যাদিতে GST। CGST, SGST। দোকানদারদের হাত ঘুরে এই GST এর টাকা আদানি আম্বানির এর মতন বড় বড় ব্যবসায়ীদের কাছে জমা হচ্ছে। আম জনতা দিয়ে প্রথমে যাচ্ছে আদানি আম্বানিদের কাছে। সেখান থেকে টাকাটা সরকারের কাছে যাওয়ার কথা। সবটা যাচ্ছে তো? নাকি under invoicing করে বিক্রি কম দেখিয়ে অর্ধেক টাকা Black money হয়ে যাচ্ছে? পুরো GST এর টাকা যে সরকারি ঘরে যাচ্ছে সেটা দেখার জন্য কি কোনো check list আছে? কোনো machinery আছে কি? Restaurant এ খেলাম 2000 টাকা বিল হলো এর 18% GST দিলাম। হোটেল মালিক যদি সব বিক্রিটা না দেখায় সে ক্ষেত্রে কিভাবে ধরা যাবে? Petrol pump এ তেল নিলাম duty সমেত দাম দিলাম। তেলের সাথে যদি 5% জল থাকে তাহলে সেই তেল+জল+GST র টাকাটা কে পাবে? প্রশ্ন করোনা। গুজরাটি ভগবান বৃদ্ধ হয়েছে। গোলমাল সইতে পারবেনা।

Address

Somrabazar
Hooghly
VILL=SOMRABAZAR,P.S-BOLAGARH,DIST-HOOGLY,PIN-712123

Telephone

+919874489593

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when AnandamoyeeMa Temple posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category