03/08/2026
রাজনৈতিক নেতৃত্ববৃন্দকে ফাঁসানোর বিদেশের রেড লাইট এলাকা।
বিলগেটস সেখানে গিয়েছিলেন। এরপর Sexually Transmitted অসুখে আক্রান্ত হয়ে পড়েন। তাঁর স্ত্রী বিষয়টি জানার পর তাঁদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যায়।
ব্রিটেনের রাজবাড়ির এক সদস্যের সেখানে যাওয়ার খবর জানাজানি হতে রাজবাড়ির সেই সদস্যকে রাজবাড়ি থেকে বিতাড়িত করা হয়। ব্রিটেনের কয়েকজন মন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হয়।
পৃথিবীর বহু রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সেখানে Visit করেছেন। এপিসুন স্থান ফাইলে তাঁদের নাম পাওয়া যায়। অনেক সেখানে Visit করেছেন আর নাম প্রকাশ হতেই পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন।
আমেরিকার একটি দ্বীপে এই Red Light এলাকা চালানো হচ্ছিল। আর এই এলাকাটি ইসরাইলের মোসাদের তত্ত্বাবধানে গড়ে উঠেছিল।
ভারতবর্ষের কতিপয় মন্ত্রী ও শেঠ সেখানে গিয়ে selfie তুলেছেন। তারা এমন ভাব করছেন যেন ব্যাপারটা কিছুইনা। তারা কোনো পদত্যাগ করেন নি। কিন্তু মোসাদের কথা না শুনলে চললে তাদের জীবন সংশয়।
আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ও রিপাবলিক পার্টির কয়েকজন সদস্য সেখানে নাম লিখিয়েছিলেন। এই বিষয়ে কয়েকজন ডেমোক্রেট পার্টির সদস্য ও পিছিয়ে নেই।
এই রেডলাইট এলাকাতে যারা সেলফি তুলেছেন প্রথম প্রথম মোসাদ তাদের ফটো ঘষে ব্ল্যাকমেল করতে শুরু করে। তারপর তাদের বড় বড় পদে প্রতিষ্ঠিত করে। LARGER THAN HIS LIFE পদে প্রতিষ্ঠিত হয়।
মোসাদের কথামতো তাদের চলতে বাধ্য করা হয়। তাদের নিজের দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করতে হয়। সেই মানুষটা তখন মোসাদের Tools হয়ে যায়।
আমেরিকার হরমুজ প্রণালীতে অকারণ ঢোকার কোনো প্রয়োজন ছিলনা। কিন্তু ইসরাইলের আদেশে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আয়াতুল্লা খামেনীকে হত্যা করলেন। ইরানের সাথে যুদ্ধ বাঁধিয়ে ধরলেন। নতুন ইরান যুদ্ধ থেকে সরে এলে ট্রাম্প ঠান্ডা হয়ে যাবেন।
গোদি মিডিয়া এই সেলফি তোলা মানুষের কথা কিছু লিখবেনা। এদের কীর্তিকলাপে দেশের কি ক্ষতি হচ্ছে তা ভারতবাসী জানতে অনেক দেরি করে ফেলছে।
Social Media তে লিখলে লেখাটিকে Blackout করা হবে।
তবে আমার লেখার কি দরকার?
রাহুল গান্ধীর ভাষায় আমরা compromised প্রধানমন্ত্রীর তত্ত্বাবধানে আছি।